Nishan SBS

Nishan SBS Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Nishan SBS, Business service, SATKHIRA, Satkhira.

02/03/2017

মেয়েদের বলতেছি..........
আচ্ছা তোমার কি
লজ্জা
করেনা ??
তোমার বয়ফ্রেন্ডের
সাথে
অবাধ মেলামেশা করো,
বাসায় ফিরে সেই নষ্ট
শরীর
নিয়ে নিজের মা-
বাবার সামনে দাঁড়াও
ঘন্টার পর
ঘন্টা আবাসিক
হোটেলে অথবা বন্ধুর
বাসায়
মেলামেশায় ব্যস্থ এবং
কোন কারণে ব্রেকাপ
হওয়ার পর
অবশেষে অপরিচিত
একজনের সাথে যখন
সেজে গুজে
বিয়ের পিড়িতে
বসো !!
তখন একবারও কি
লজ্জা
লাগেনা, একবারও কি
ভাবোনা, আমি কেন
এত সাজুগুজু
করছি, কি আছে
আমার কাছে, আমি তো
চরিত্রহীনা, আমি তো
আমার স্বামীর হক
নষ্ট করে
ফেলেছি, আমি তো
তাকে ঠকিয়ে
ফেলতেছি !!
একবারও কি মনে হয়
না, কিসের
এত আয়োজন ?? এই
নস্ট শরীরটাকে লাল
কাপড়ে
পেচিয়ে, সোনার হার/
বালা/কানের দুল পরে
এবং
শরীরের উচুভূমিকে
জোর
করে সমতল ভূমি
বানিয়ে বিয়ের
আসর পার করে
দিলেই কি তুমি
নিজেকে সতী
মেয়ে প্রমাণ করে
ফেলছো !!
জানি তখন তোমার
বিবেকে
নাড়া দিবে, তুমি
চোখের জল ফেলবে
এবং বলবে
যে কেন আগে এসব
করলাম । হয়তো
স্বামীর কাছে
অস্বীকার করে পার
পেয়ে যাবে, হয়তো
তোমার
স্বামী সব বুঝেও কিছু
জিজ্ঞেস করবে না,
কারণ
স্বামী মেনে নিতে
বাধ্য,
কিন্তু সারাটিজীবন
তো
কলংকের দাগ থেকেই
যাবে !!
তাইতো বলছি, নিজের
সতীত্বের সম্মান
দিতে
শিখো, সামান্য একটা
বয়ফ্রেন্ডের দু চারটা
মিস্টি
কথা শুনে যে সব
বিলিয়ে দিতে
হবে এমন তো নয় !!
নিজের মনকে শক্ত
করো,
আল্লাহ
কে ভয় করো !!
মেয়েদের জীবন বড়ই
কঠিন !!
সতীত্ব ঠিক রাখা
সেই কঠিন
জীবনের সবচেয়ে
কঠিন কাজ !!
তাইতো বলিতেছি..........
ভাবিয়া করিও কাজ,
করিয়া
ভাবিওনা !
অামি জানি মেয়েরা এইবার অামাকে
গালি দেওয়া শুরু করবে!
ছেলেরা ও যাদের বাজে অভ্যাস অাছে
পরিহার করো,
তাহলে তুমি নেককার মেয়ে পাবে,
অন্যথায় বাজে মেয়ে পাবে।
--- হে অাল্লাহ্ অামাদের সকল ভাই-বোন কে
অাপনার হুকুম মতে চলার তৌফিক দিন।
------------------ অামিন --------------------------------
---- সব মেয়েরা এরকম না,কিছু কিছু মেয়ে--

02/03/2017

বল্টু সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠে দেখল?
তার বিছানার পাশে টেবিলএ জেলি মাখানো
আস্ত একটা নরম পাউরুটি পরে আছে
বল্টু অনেক খুশিমনে পাউরুটিটা খেয়ে ফেললো।
একটু পরে বল্টুর
বউ এসে তাকে
জিজ্ঞাসা করল
হ্যাঁ গো এখানে একটা
পাউরুটি ছিল তুমি দেখেছ.
বল্টু একটু মজা করে বলল
নাতো দেখিনি।
বল্টুর বউ বলল
ঠিক আছে দেখলে বাইরে ফেলে দিও।
কাল রাতে টিসু শেষ হয়ে গেছিল বলে বাচ্চার
পায়খানা পাউরুটি দিয়ে কাজ চালিয়ে দিয়েছি !!
\ / † বি:দ্র: পোষ্ট'টি কেমন লাগলো || লাইক এবং
কমেন্টস্ করে জানান

11/10/2016

।।কিছুটা গল্প কিছুটা ভালোবাসা।।
৩ পর্বের গল্প,,
আজ শেষ পর্ব,,
,,
ইচ্ছে ছিলো যাওয়ার আগে বৃষ্টিকে
ভালোবাসার কথা বলবো, কিন্তু আমার হৃদয়ের
অপারেটিং সিস্টেম থেকে বলতে লাগলো, "
আপনার বুকে যথেষ্ঠ পরিমান সাহস জমা
নেই, অনুগ্রহ পূর্বক রিচার্জ করে আবার
আসুন, ধন্যবাদ। "
প্রতি সেমিস্টার শেষ করে সোজা ঢাকায় চলে
যেতাম, কিন্তু তখনো আমি সাহসের ফার্স্ট
লেভেল পার করতে পারিনি। টুকটাক কথা চলতো
আমাদের, কিন্তু সাহস করে ভালোবাসি শব্দটা
বলতে পারতাম না। আমি তখন বুঝতে পারি যারা
সত্যিকারের ভালোবাসে , ভালোবাসার মানুষের
কাছে প্রথমবার এই শব্দটি বলা কতবড় দুষ্কর কাজ।
কনকনে শীতের মাঝেও ওকে দেখলে আমি
ঘামিয়ে যেতাম। এভাবেই লুকোচুরিতে চলতে
থাকে দুটি মনের নিরন্তর ভালো লাগার খেলা।
কিন্তু হঠাৎ করেই সব কিছু কেমন যেন
এলোমেলো হয়ে গেলো।
আমি তখন ফাইনাল দিয়েছি। দুইদিন পরে রেজাল্ট
আসবে। আর মাত্র দুইদিন পরে আমি গ্রাজুয়েট
হতে যাচ্ছি ভাবতেই কেমন যেন শিহরন জাগে
গায়ে। এরই মধ্যে আমার মোবাইলে একটা
মেসেজ আসে। মেসেজে লিখা ছিলো, "কাল
আমার বিয়ের কথাবার্তা পাকা করবে। যদি
ভালোবাসো ফিরে এসো; বৃষ্টি।" আমি স্তদ্ধ
হয়ে দাঁড়িয়ে রইলাম। পাশে থেকে বন্ধু ইমন
ঝুকে পরে দিয়ে জিজ্ঞাসা করলো," কিরে খিজ
খাইলি কেন? কি হইছে? " আমি অস্ফুস্ট স্বরে
শুধু বললাম ," বৃষ্টির বিয়ে ।"
বন্ধু যে কত মহান হতে পারে আমি সেদিন
হারেহারে বুঝতে পেরেছিলাম। রাত সাড়ে চারটায়
ইমন আমাকে নিয়ে মোটরসাইকেল হাকিয়ে রওনা
দিলো বাস কাউন্টারে। যেয়ে দেখি লাস্ট বাস
ছেরে গেছে। সকাল ছারা উপায় নাই। কি আর করা,
দুই বন্ধু মোটর সাইকেল নিয়েই রওনা দিলাম ঢাকায়।
আমি কিছুতেই বৃষ্টিকে হারাতে চাই না। ছোট
বেলার ছোট ছোট সব স্মৃতি মনে পরে
যাচ্ছিল। কেউ যদি আমাকে রচনা লিখতে বলে
চাইল্ডহুড মেমরী নিয়ে তাহলে সাত পৃষ্টা
জুড়েই থাকবে বৃষ্টির কথা। সেই বৃষ্টিকে আমি
হারাতে বসেছি !
সন্ধ্যায় ঠিক আগে আগে আমার বাসার কাছেই
পৌছলাম। দৌড়ে আমাদের বাসায় না যেয়ে সোজা
বৃষ্টিদের বাসায় ঢুকলাম। বাসা ভর্তি মেহমান। কিছু
অচেনা লোক। আমি তখন হিতাহিত জ্ঞানশূন্য।
হাপাতে হাপাতে মুরব্বিদের সামনে যেয়ে
পাগলপ্রায় হয়ে সিনেমার স্টাইলে বলে
ফেললাম," এই বিয়ে হতে পারে না। I Love
Her From Childhood !"
পাশে তাকিয়ে দেখি আমার বাবাও বসে আছে।
মুরুব্বিরা সব একে অপরের দিকে তাকাতে শুরু
করেছে। আমি পাগলের মত কিসব বলে
ফেলেছি। আজ এখানে নির্ঘাত কোন লঙ্কাকান্ড
না হয়ে যায় না। কিন্তু হঠাৎ করেই ঘরে হাসির
রোল পরে গেলো। কেউ হাসি থামাতে
পারছে না। আমি ভাবলাম লং জার্নিতে গায়ে মুখে
কালি লেগেছে তাই হয়ত হাসছে, হাত দিয়ে গাল
ঘষতে লাগলাম। পরে যেয়ে জানতে পারলাম
সেদিন বৃষ্টির সাথে আমারই বিয়ের কথা হচ্ছিল।
পাশের ঘরের জানালায় বৃষ্টি তাকিয়ে ছিল। পা
টিপে
পেছন থেকে যেয়ে ওর ঘাড়ে হাত রাখলাম।
বৃষ্টি মৃদু কেঁপে উঠলো। আজ ওকে নীল পরীর
মত দেখাচ্ছে। ওর গাল টিপে দিয়ে বললাম,"
এখনো দুষ্টুমী কমেনি তোমার? " লজ্জা
রাঙা মুখ ঢাকতে আমার বাহুডোরে এসে ধরা
দিলো আমার স্বপ্নের নীল পরী। দুহাতে
জরিয়ে নিলাম সারা জীবনের জন্য। আজও
দুষ্টুমী কমেনি ওর বরং ভালোবাসা বেড়েছে।
,,
,,

11/10/2016

১টি ছেলে বিয়ে করার জন্য মেয়ে দেখতে গেল।
মেয়েটা তার ভাল লাগলো। তারপর সবাই সবার
সবকিছু খোজ খবর নিলো।
তার ১৫ দিন পর ছেলেটার পক্ষ থেকে মানুষ জন
গিয়ে মেয়েটার হাতে আংটি পড়িয়ে দেয় আর
বিয়ের কথা পাকা করে আসে।তারপরে তাদের
মাঝে ফোনালাপ চলতে থাকে।
তার ৩ দিন পর ফোনের আলাপ আলোচন :-
ছেলে:- আচ্ছা তুমি কি আরও পড়তে চাও ???
মেয়ে :- হ্যা... কারণ আমার আশা ছিল ডাঃ হবো।
ছেলে:- ডাঃ হলে তুমি খুশি হবে ???
মেয়ে :- হ্যা.. এটাই আমার সবচেয়ে বড় চাওয়া
খোদার কাছে। আর চাইলে কি সব পারবো !!!
ছেলে:- কেনো ???
মেয়ে :- কারণ.. ১। আমার বিয়ে ঠিক হয়ে গেছে.. ২।
আমার বাবার এত টাকা নাই।
ছেলে:- আমার তো আছে। তোমাকে আর কিছু দিতে
পারি আর না পারি।তবে তোমার আশাটা আমি পুরন
করব !!! তুমি কি পড়তে রাজি ???
মেয়ে :- হ্যা. কিন্তু বিয়ের আর মাএ ৯ দিন
বাকী..সেটার কি হবে ???
ছেলে:- এটা আমার উপর ছেড়ে দাও !!!
মেয়ে :- OK.
ছেলে তার ফেমিলির সবাইকে বুঝিয়ে বলে, আর
সবাই রাজি হল। মেয়ের লেখা পড়ার জন্য সব খরচ
ছেলেটা দিচ্ছে এবং দেখা শুনা ঠিকমত ছিল কিন্তু
কিছু দিন পর ।
মেয়ে :- আমার ১টা কথা রাখবে ???
ছেলে:- হ্যা. বল আমি কি করতে পারি ???
মেয়ে :- কিছু মনে করনা। আমার সাথে আর দেখা
করিওনা !!!
ছেলে:- কিন্তু কেনো ???
মেয়ে :- তোমাকে দেখলে নিজেকে ধরে রাখতে
পারিনা। ওদিকে আমার পরীক্ষার ২ বছর বাকী।
যদি,,ফেল করি সমাজে মুখ দেখাতে পারবো না। আর
তোমার টাকা ও কষ্ট বিথা যাবে।
ছেলে:- OK. কিন্তু ফোনে কথা বলবা না ???
মেয়ে :- হ্যা.
ছেলে:- ok.
২ বছর পর মেয়েটা পরীক্ষা দিল এবং পাশ করল।সেই
খুশিতে মেয়ের বাড়ীতে মেহমান বরপুর।কিন্তু
ছেলেটাকে বলল না ।কারণ এখন ঐ ছেলেকে স্বামী
হিসেবে সবার সামনে পরিচয় করাতে পারবে না
বলে ।তার ১৫ দিন পর মেয়েটা একটি চেম্বার নিয়ে
বসে।তখন জানতে পেরে ছেলেটা তাকে ফোন
করলে,মেয়েটা ফোন কেটে দেয় এবং বন্ধ করে দেয়।
ছেলেটা তার বাড়ীতে যায় । আর মেয়ে তাকে
বলল...
মেয়ে :- আমাকে ক্ষমা করে দাও এবং মনে কষ্ট
নিওনা। আমি তোমাকে বিয়ে করতে পারবো না !!!
ছেলে:- কেন:???
মেয়ে :- কারণ তুমি আমার যোগ্য না এবং লেখা
পড়াও জানো না ।
ছেলে:- আমাদের ফেমিলি থেকে যে সব ঠিক
করা ???
মেয়ে :- ওটা আগে ছিল। আমি এখন তা মানতে
পারবোনা ।
ছেলে:- দু চোখ ভরা কান্না নিয়ে বলল । OK.
আমিতোমার জন্য দোয়া করি ভাল থেকো। বলে চলে
আসলো।
কিছু দিন পরে ছেলেটা অসুস্থ হয়ে পড়ে । আর ঐ
দিকে মেয়েটা এক হাসপাতালের বড় ডাঃ হয়।
ছেলেটার অবস্থা খারাপ দেখে ঐ হাসপাতালে
নিয়েযায়।
ঐ খানে এক ডাঃ তাকে দেখে চিনে ফেলে।আর ওর
ফেমিলির সবাইকে বকা জকা করল। কারণ অনেক
লেট করে ফেলেছে। তখন মেয়েটা ঐ ডাঃ কে বলল
আপনি ওদের বকছেন কেন ??? তখন ডাঃ বলল এই
মানুষটা আজ থেকে প্রায় ৫ বছর আগে ওর বউয়ের
ডাক্তারী পড়তে টাকা লাগবে বলে ১টি কিডনী
বিক্রি করল। আমি নিষেধ করলে সে বলল আমার বউ
ডাঃ হলে আমাকে সে ভালো করে দিবে... তা
শুনে,,মেয়েটার চোখ থেকে জল নেমে এল !!!
কি লাভ এখন কান্না করে,,আসলে সব মেয়েরাই
স্বার্থপর,,, তাদের স্বার্থের জন্য তারা সব করতে
পারে,,,

11/10/2016

লুকোচুরি প্রেম
পর্ব ৫
কয়েক দিন থেকেই কেমন যেনো আলসি আলসি
লাগছে অফিসের লেট বসের ঝাড়ি কিছুই যেনো
গায়ে লাগেনা।
রাতে রাত জাগা পাখি হয়ে জেগে থাকতেই ভালো
লাগে।মাঝে মাঝে কিছু হারামি টাইপের বন্ধু দের
কে বিরক্ত করাই কাজ।
একদিন রাতে নুসরাত কে ফোন দিলাম হ্যালো
নুসরাতঃহুম কাজ নেই তোর নাকি এই রাত দুপুরে ফোন
দিছিস কেন?
আমিঃআমার বউকে আমি ফোন দিবো না তো কে
দিবে?
নুসরাতঃআরে যা শালা তোর মতো গাধা কে কে
বিয়ে করবে?
আমিঃকেনো রে তুই করবি
নুসরাতঃযাহ যাহ মরতে রাজি তবু তোকে বিয়ে
করতে রাজি না হুহ
আমিঃআচ্ছা কেন রে আমি কি দেখতে খারাপ?শুন
বিয়ে করলে তোকে খুব সুখে রাখবো।
নুসরাতঃঅহ তাই বুঝি কেমন সুখে রাখবি?
আমিঃআমার সব কাজ তোকে দিয়ে করাবো জামা
ধুয়া লন্ড্রি করা রান্না করা সিগারেট ধরিয়ে
দেওয়া
নুসরাতঃথাম থাম এজন্যই তোর মতো বাদর কে বিয়ে
করবো না এখন ফোন রাখ ঘুম পাচ্ছে।
আমিঃগান শুনা ঘুমাতে হবেনা
নুসরাতঃঅই মেয়েকে দোলনা কে বল
আমি পারবো না রাখি টুট টুট টুট।
লাইন কেটে দিছে যাক পাগলী কে অন্তত
জ্বালাতে পারছি এই অনেক।
একদিন ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে স্বপ্নে দেখতেছি দোলনা
আমাকে বলতেছে শুনো যতো পারো সিগারেট খাও
বিয়ের পরে আর খেতে পারবেনা।
আমিঃকেন পারবো না?
দোলনাঃআমি বলছি তাই।বাসায় ঢুকা বন্ধ
আমিঃতুমাকে কেই বা বিয়ে করতে যাবে। চেহারা
দেখেছো ভাজ পড়ে গেছে একটা বুড়া লোক খুজে
নাও হুহ।
ঠাস ঠাস গালে দুইটা থাপ্পর খেয়ে ঘুম ভেঙে
গেলো।
গালে হাত দিয়ে বসে রইলাম চিন্তা করলাম কি
হলো এইটা।দরজা দিয়ে কাওকে ঢুকতে দেখলাম একি
আমার আম্মুটা যে
মিমঃচাচ্চু চাচ্চু চলো বাহিরে যাবো।তুমার গালে
কি হয়ছে চাচ্চু?
আমিঃকই কিছুনা আম্মু।
মিমঃচলোনা চাচ্চু চলোনা
বাধ্য হয়ে ঘুম ঘুম চোখেই বাহিরে গেলাম।
আমার আঙুল ধরে রাখছে পার্কে অনেক লোক আসে
হাটতে।এই ইট কাঠ পাথরে একটু শান্তিতে হাটার
মতোও জায়গা নেই।
চাচ্চু
হুম কি?
মিমঃচা খাবো
আমিঃইমহু আম্মু তুমি এখনো ছোট জিব্বাই আগুন ধরে
যাবে।বড় হলে খেও
মিমঃনা না আমি এখনি খাবো। দুই পা দুই দিকে
দিয়ে কান্না শুরু করে দিছে।
ঠিক আছে ঠিক আছে আম্মু চলো
মামা দুইটা রঙ চা দিও ত একটাতে ইকটু করে দিবা।
মিমঃনা চাচ্চু আমি অনেক গুলা খাবো
আমিঃঠিক আছে খাও জিব্বা পুরে গেলে আমার
কিছু না।
মিমঃআচ্ছা আমি যদি তুমার আম্মু হই তাহলে ত তুমি
আমার ছোট তাইনা।যেমন আমার আম্মু বড় আমি ছোট।
আমিঃউফ হয়ছে হয়ছে এবার চুপ করো।
১০মিনিট চা খাওয়া আর হয়না একদম ঠান্ডা করে
তারপর খাওয়ালাম।আমি একটা সিগারেট ধরালাম।
চাচ্চু
হুম
মিমঃএটা কি খাও?আমিও খাবো
আমিঃইসস না এটা ভালো না আম্মু
মিমঃতাহলে ফেলে দাও পচা জিনিষ খেলে পেট
খারাপ হবে
তাড়াতাড়ি কয়েক টান দিয়ে ফেলে দিলাম।
পিছন থেকে ফালালেন কেনো খান খান
তাকিয়ে দেখি দোলনা
আমিঃআরে আপনি এখানে
দোলনাঃকেন আসতে মানা নাকি?
আমিঃনা তা না
মিমঃচাচ্চু শুনো কানে কানে একটা কথা
আমিঃমুখের কাছে নিলাম বলো
মিমঃএই আন্টিই আমাকে আইস্ক্রিম দিতে চেয়ে
ছিলো।
আমিঃঅহ তাই দিবে পরে
মিমঃশুনো
আমিঃকি
মিমঃকিছুনা হিহিহিহি
দোলনাঃকেমন আছো মামুনি?
মিমঃআপনার সাথে কথা বলবো না
দোলনাঃকেনো তুমার চাচ্চু না করছে বুঝি?
মিমঃনা আমার চাচ্চু অনেক ভালো আর তুমি পচা
মিথ্যা কথা বলো।
দোলনাঃকখন বললাম?
মিমঃকেন সেদিন আমাকে আইস্ক্রিম দেওয়ার কথা
ছিলো দিলেনা তো?
দোলনাঃঅহ এই কথা আজকে দিবো হুম
মিমঃএখন দেন না হলে খাবো না
দোলনাঃএখন ত দোকান খুলে নাই যাওয়ার সময়
দিবো ঠিক আছে?
মিমঃহুম
দোলনাঃচলেন হাটি
আমিঃনা আপনি হাটেন আমরা চলে যাবো অনেক
আগে আসছি
দোলনাঃআরে আসেন ত
জুর করে মিম কে নিয়ে গেলো। আর আমি সিকুরিটির
কাজ করতে লাগলাম তাদের পিছনে পিছনে। দুজনে
খুব হাসাহাসি করছে আর আমি পিছন থেকে মদন এই
মতো হেটেই চলছি
কিছুদুর হাটার পর আমি এক হাত আর দোলনা এক হাত
ধরলাম মিম এর।এখন যে কেও বলবে এটা আমাদের
বাচ্চা আসলে কিন্তু এর কিছুইনা।
আমি কল্পনা করতে লাগলাম এমন ভাবেই আমাদের
বাচ্চা নিয়ে হাটবো।কি কই করবো
হটাত করেই হাতে চিমটি দিলো।
দোলনাঃকি ভাবেন এতো হুম?খুব ভাবুক হয়ে গেছেন
আমিঃকই না মানে সেরকম না ভাবছি বিয়ের পরেও
এভাবে হাটবো।
দোলনাঃহ্যা ভালোই হবে।তা গার্লফ্রেন্ড ঠিক
আছে তো?
আমিঃনা নেই তবে পেয়ে যাবো
দোলনাঃহিহিহিহি ভালো ভালো চলেন বাসায়
চলে যাই।
মিমঃআমার আইস্ক্রিম দাও
আমিঃচলো দিবো
মিমঃকি আইস্ক্রিম দিবা?
দোলনা কোনটা খাবা তুমি?
মিমঃসব খাবো
দোলনাঃহিহিহি ঠিক আছে চলো
চলবে

11/10/2016

স্বামী :- "আতা গাছে তোতা পাখি ডালিম গাছে
মৌ....
আগে জানলে আনতাম না এমন ঝগড়াটে বউ।"
স্ত্রী :- "নোটন নোটন পায়রাগুলো ঝোটন বেধেছে...
আমাকে বিয়ে করতে তোমায় কে বলেছে?"
****
স্বামী :- "ঐ দেখা যায় তালগাছ, ঐ আমাদের গা....
বিয়ের আগে লক্ষী মেয়ে কিছুই চাইতো না।"
*
স্ত্রী :- "নীল নবঘনে আষাঢ় গগনে, তিল ঠাই আর
নাহিরে.....
তোমার মতো কিপটা স্বামী আর দেখি নাই রে।"
*
স্বামী :- "মেঘের কোলে রোদ হেসেছে বাদল
গেছে টুটি....
তোমার মতো দাজ্জাল বউকে দিতেই হবে ছুটি।"
*
স্ত্রী :- "তুলি দুই হাত করি মোনাজাত, হে রহিম
রহমান.... আমার বজ্জাত স্বামীটা আমায়, করে যেন
সম্মান।"
*
স্বামী :- "আয় ছেলেরা আয় মেয়েরা ফুল তুলিতে
যাই....
বিয়ের পরে এখন শুধু করে খাই খাই।"
*
স্ত্রী :- "ছিপখান তিন দাড় তিন জন মাল্লা....
কি আছে কপালে জানেন শুধু আল্লাহ।"
*
স্বামী :- "ভোর হলো দোর খোল, খুকুমণি উঠরে....
ভাল যদি না লাগে বাপের বাড়ি ছোটরে।"
*
স্ত্রী :- "আগডুম বাগডুম ঘোড়ার ডুম সাজে....
আগে বুঝিনি তুমি এত বাজে।"
****
*
স্বামী :- "আয় বৃষ্টি ঝেপে, ধান দেবো মেপে....
আর বেশি চিল্লাইলে ধরবো গলা চেপে।"
*
স্ত্রী :- "সবার সুখে হাসবো আমি, কাদবো সবার
দুঃখে....
আর বেশি কথা বললে,টেপ মেরে দেব মুখে।"

11/10/2016

ছেলেঃ-তুমি কি তাহলে আমাকে
ভালবাস
না?
মেয়েঃ-না
ছেলেঃ-এতদিন তাহলে কি ছিল?
মেয়েঃ-অভিনয়
ছেলেঃ-তা এটা কোন সিনেমার
অভিনয়
ছিল?
মেয়েঃ-ফান রাখ।
ছেলেঃ-তা আমার সাথে যে এতদিন
ঘুরাফেরা করলে কেন?
মেয়েঃ-আমার অবসর সময়টা
অতিবাহিত
করার জন্য।
ছেলেঃ-তোমার অবসর সময়টা
কাটালে
ঠিক আছে কিন্তু আমার সময়টা নষ্ট
করলে
কেন?
মেয়েঃ- -----
ছেলেঃ- তা তুমি এখন কি চাচ্ছ?
মেয়েঃ- ব্রেকআপ।
ছেলেঃ- ব্রেকআপ করলে কি তুমি
খুশি?
মেয়েঃ- হুম।
ছেলেঃ- নতুন কাউকে খুঁজে পেয়েছ
নাকি?
মেয়েঃ- না,আমার বিয়ে ঠিক হয়ে
গেছে।
ছেলেঃ-তা তুমিত বলেছিলে
আমাকে
ছাড়া আর কাউকে জীবন সঙ্গী করবে
না।
সেটা কি ভুলে গেছ?
মেয়েঃ- না ভুলিনি।
ছেলেঃ-তাহলে সে কথা কেন
বলেছিলে।
মেয়েঃ-আবেগের বশে।
ছেলেঃ- তা যার সাথে বিয়ে ঠিক
হয়েছে
তাকে কি দেখেছ?
মেয়েঃ- না।
ছেলেঃ- না দেখেই রাজি হয়ে
গেলে।
ছেলে কি করে?
মেয়েঃ- চাকরি করে
মাল্টিন্যাশনাল
কোম্পানিতে।
ছেলেঃ- বেতন কত পায়?
মেয়েঃ- শুনেছি ৭০ হাজার টাকা।
ছেলেঃ- এখন আসল ঘটনাটা বুঝলাম।
কেন
ব্রেকআপ চাচ্ছ?
মেয়েঃ- কেন ব্রেকআপ চাচ্ছি বল
শুনি?
ছেলেঃ-কারন ছেলেটা অনেক টাকা
বেতন
পায়।আর আমিত ১০ হাজার টাকা
বেতনের
চাকরি করি তাই ব্রেকআপ চাচ্ছ।
মেয়েঃ- বুঝেছ যেহেতু তাহলে আর
প্রশ্ন
করছ কেন?
ছেলেঃ- কাউকে ত আর জোর করে
আটকিয়ে
রাখা যায় না।আচ্ছা ভাল থেক সুখে
থেক।
সুখি হও তোমার।
মেয়েঃ- দোয়া করিও।
ছেলেঃ- আচ্ছা বায়
এই বলে ছেলেটা ৩ বছরের রিলেশন
ব্রেকআপ করে চলে গেল।
পরেরদিন মেয়েটার কাছে একটা
চিঠি
আসল।চিঠিটা গতকাল যেই ছেলের
সাথে
ব্রেকআপ করেছে সে পাঠিয়েছে।
চিঠিতে লেখাছিলঃ- "
ভেবেছিলাম
তোমাকে সারপ্রাইজ দিব কিন্তু না
তার
আগে তুমিই আমাকে সারপ্রাইজ
দিয়ে
দিলে।ভেবেছিলাম তুমি আমাকে
ভালবাস,
টাকাকে ভালবাস না।কিন্তু না তুমি
টাকাকে ভালবাস।তোমার সাথে
যার
বিয়ে ঠিক হয়েছে সেই ছেলেটা আর
কেউ
নয় সেটা আমি।আমার বেতনের
অংকটা
তোমার কাছে লুকিয়ে রেখেছিলাম
কারন
আমি দেখতে চেয়েছি তুমি কম
বেতনের
একজন মানুষকে কতটুকু ভালবাস।কিন্তু
দেখলাম আমাকে না তুমি টাকাকে
ভালবাস।
ভাল থেক সুখে থেক।শুভ কামনা রইল।

11/10/2016

ভালোবাসা খুব খুব খুব অসহায়.... পড়ার অনুরোধ রইল...
কোনো মেয়েকে সত্যিকার অর্থে খুব ভালো লেগে
যাওয়ার পর তাকে ভালোবাসি বলার আগে ঠান্ডা
মাথায় চিন্তা করে দেখো তাকে শেষ পর্যন্ত ধরে
রাখতে পারবে কি না,। . প্রচন্ড বিপদে মেয়েটা
যদি তোমার দিকে হাত বাড়িয়ে দেয় তাহলে সেই
হাত শক্ত করে ধরে রাখতে পারবে কি না? যদি
পারো দ্যান গো এহেড। আর যদি না পারো তাহলে
ভুলে যাও। যদি সেটা না করো তাহলে সমাজ
আরেকজন ব্যর্থ প্রেমিক পেতে যাচ্ছে, . একটা
মেয়ে আরো একবার পুরো ছেলে জাতির উপর
বিশ্বাস হারাতে যাচ্ছে, আর তুমি পেতে যাচ্ছো
অসংখ্য কষ্টকর বিনিদ্র রাত আর স্বরচিত কিছু
কবিতা! ভালোবাসা মানে শুধু দুজন মিলে ফুচকা
খাওয়া না, একসাথে রিক্সায় ঘোরা না, একসাথে
মুভি দেখা না, দুজনে লুকিয়ে লুকিয়ে চুমু খাওয়াও
না। এইগুলো শুধুমাত্র দুজনের কাছে আসা, একজন
আরেকজনের প্রতি অনুভূতি প্রকাশ করা আর দুজনে
মিলে ভালো সময় কাটানো মাত্র। কিন্তুু এর
বাইরেও ভালোবাসার একটা অর্থ আছে। সেটা হলো
দায়িত্ব। . একটা মেয়েকে ভালোবাসি কথাটা
বলার অর্থ মেয়েটার প্রতি তোমার যে ভালোবাসা
তার দায়িত্বও তুমি নিতে যাচ্ছো। তার সুখের
দায়িত্ব,আনন্দের দায়িত্ব, কষ্টের দায়িত্ব,একাকীত
্বের দায়িত্ব। মেয়েটাকে প্রচন্ড ভালোবাসো তুমি।
তারজন্য কয়েকসকাল না খেয়ে নুপূর কিনে পায়ে
পরিয়ে দিচ্ছো, কয়েক বিকেল রিক্সায় না উঠে
হেটে যাচ্ছো টিউশনী করতে। পায়ে হেটে বেঁচে
যাওয়া টাকা দিয়ে গোলাপ কিনে দিচ্ছো।
টিউশনীর টাকায় রাতভর তার কথায় ডুবে যাচ্ছো। খুব
ভালো। কিন্তুু এসবেরও শেষ আছে। এসবের শেষে
আরেকটা শুরুর জন্য, মেয়েটা একেবারেই তোমার
কাছে চলে আসতে চাইবে। তখন তার হাতটা শক্ত
করে তোমাকেই ধরতে হবে। কিন্তু যদি না পারো
তাহলে মেয়েটা এক আকাশ অভিমান নিয়ে,
তোমাকে ভালোবাসতে বাসতে, আরেকজনের ঘরে
চলে যাবে। তার দেহ পড়ে থাকবে অন্যের বিছানায়,
মন পড়ে থাকবে তোমার কাছে। তোমাকে প্রতারক
ভাববে। মেয়েটা তোমাকে খুব ঘৃণা করতে চাইবে
কিন্তু পারবে না। মেয়েরা যাকে সত্যিকার অর্থে
ভালোবাসে, তাকে কোনোভাবেই ঘৃণা করতে পারে
না! আর তুমি বসে বসে কাঁদবে। তোমার সকালে না
খেয়ে কিনে দেয়া নুপুর, দুজনে কাটানো একলা দুপুর
সব মিথ্যে হয়ে যাবে। কিচ্ছু করার থাকবে না! .
দরকার হলে একা একা থাকো। অনেক সুখে থাকবে।
কিন্তু একজনকে ভালোবাসবে অথচ তাকে ধরে
রাখতে পারবে না, সবচেয়ে বড়ো স্যাক্রিফাইস
করতে পারবে না । তারপর তার সাথে কাটানো
স্মৃতি নিয়ে তীব্র কষ্টে জীবন কাটাবে, সেটার
কোনো মানে নাই। . জানি এতো চিন্তা করে
ভালোবাসা হয় না। হঠাত করে,ই হয়ে যায়। কিন্তু
তারপরেও একটু চিন্তা করে নেয়া ভালো। যদি
চিন্তা করতে ইচ্ছা না হয় তাহলে শেষদিনটায়
মেয়েটাকে ফিরিয়ে দিও না। সবচেয়ে বড়ো
স্যাক্রিফাইস করতে" হলে করো, কারণ মেয়েটাও
সবচেয়ে বড়ো স্যাক্রিফাইস করে তোমার কাছে
এসেছে। তার হাত শক্ত করে ধরো। কোনো
অবস্থাতেই সেই হাত ছাড়া যাবে না। শত ঝড়েও না,
একফোটা চোখের জলেও না।

06/05/2016

দিনের পর দিন আপনি
একজন মানুষেকে অবহেলা
করে যাবেন। আর ভাববেন,
সব ঠিক হয়ে যাবে!
নাহ্, কিচ্ছু ঠিক হবে না।
সে একদিন রাতে না ঘুমিয়ে
চোখের জলে বালিশ
ভেজাবে।
কিন্তু তার এই কান্নায়
আপনার
কিছু যায় আসবে না।
পরের দিনও আপনি তাই
করবেন।
আবার সেই অবহেলা।
আবারও খোঁজ নিয়ে জানতে
পারবেন সে চোখের পানি
ঝরাতে ব্যস্ত।
আপনি ভাববেন,
"বাহ! সে তো আমাকে খুব
ভালোবাসে।"
তাকে যতই অবহেলা করি
সে আমাকে ছেড়ে যাবে না।
এভাবে আপনি জেনে না
জেনে
তাকে অবহেলা করতে
থাকবেন।
আর ভাববেন,
"আমি যাই করি সে আমাকে
কখনো
ছেড়ে যাবে না। কারণ,
সে আমাকে অনেক
ভালোবাসে।”
এভাবে একদিন হঠাৎ করেই
জানতে পারবেন আপনার
অবহেলা
সত্ত্বেও সে আজ গভীর ঘুমে
মগ্ন।
সে আজ আর কাদঁছে না।
তার চোখে আর পানি নেই।
বুকের বাম পাশটা চিনচিনিয়ে
উঠবে আপনার ।
নিজেই নিজেকে প্রশ্ন
করবেন,
"একি ! আজ সে কাঁদলো না
কেনো ?
সে কি আমাকে আর
ভালোবাসে না ?"
সে আপনাকে শত
ভালোবাসলেও
আপনার এই অবহেলার কারণে
একদিন সে আপনাকে ছেড়ে
অনেক দূরে চলে যাবে।
মনে রাখবেন,
অবহেলা বড়ই খারাপ জিনিস।
শুধু মানুষ কেনো ?
কেউই এটি সহ্য করতে পারে
না ।
বাড়ির উঠানে সারাদিন পরে
থেকে
যে কুকুরটি আপনার পায়ে
মাথা
ঘেঁষানোর দিনভর অপেক্ষা
করে,
সেটিকে একবার অবহেলা করে
দেখুন । দেখবেন,
দুইদিন পর সেই কুকুরটিও
নিরুদ্দেশ
হয়ে যাবে আপনার উঠান
থেকে।
আর আমরা তো মানুষ.....।
শত ভালোবাসাকে নিমিষেই
নিঃশেষ
করতে আপনার
এক মিনিটের অবহেলাই
যথেষ্ট।
দিনশেষে, আপনি আপনার
আগের মানুষটিকে খুঁজবেন
কিন্তু আর পাবেন না।
দেখবেন,
সে আপনাকে এড়িয়ে যাবে।
আস্তে আস্তে সে আপনার
কাছ
থেকে দূরে চলে যাবে।
আপনি যখন তাকে ফিরিয়ে
আনতে যাবেন,
সে হয়তো এতো দূরে চলে যাবে
যে তাকে আর ফিরিয়ে আনা
সম্ভব হবে না।
কারণ,
""একাকীত্বকে যে একবার
ভালোবেসে
ফেলে সে কখনো আর কাউকে
ভালোবাসতে পারে না।"

06/05/2016

মেয়ে লুজার: তোমার সুন্দরি জি এফ
তোমার মেসেজ
দেখলে রিপ্লাই দেয়?
ছেলে লুজার: না
মেয়ে লুজার: তারপরেও অধীর আগ্রহে
রিপ্লাইয়ের জন্য
ওয়েট কর?
ছেলে লুজার: হুম
মেয়ে লুজার: ফোনে কথা হয়?
ছেলে লুজার: হুম
মেয়ে লুজার: আজ হইছে?
ছেলে লুজার: না
মেয়ে লুজার: কবে হইছে লাস্ট?
ছেলে লুজার: গতপরশু
মেয়ে লুজার: কয়দিন পরপর কথা হয়?
ছেলে লুজার : মাসে একবার
মেয়ে লুজার: তুমি সিওর মেয়েটা
তোমার গার্লফ্রেন্ড?
ছেলে লুজার: হুম, ১০০%
মেয়ে লুজার: কিভাবে বুঝ?
ছেলে লুজার: কারণ ওকে সবটা দিয়ে
ভালবাসি
মেয়ে লুজার: জীবনে দেখা করছ ওর
সাথে?
ছেলে লুজার: না।
মেয়ে লুজার: কিভাবে বুঝলা ও
তোমাকে ভালবাসে?
ছেলে লুজার: নিউটনের সূত্র,,প্রতেকটা
ক্রিয়ার সমান
এবং বিপরীত প্রতিক্রিয়া আছে,,,আমি
যতটা ওকে
ভালবাসব,,ঠিক ততটাই ও ভালবাসে,,,,
মেয়ে লুজার: তাহলে মেয়েটা
তোমাকে ইগনোর করে
কেন?
ছেলে লুজার: কি জানি,,আমার
প্রেমেই হয়ত ঘাটতি
আছে
মেয়ে লুজার: চোখের নিচে কালি
কেন?
ছেলে লুজার: রাত জাগা হয়েছে?
মেয়ে লুজার: পড়ার জন্য?
ছেলে লুজার: হুম
মেয়ে লুজার: তা কি পড়লা?
ছেলে লুজার: ওর পড়া,,,ওর সামনে
পরীক্ষা,,ওর বই ঘেটে
শর্ট নোট করে দিচ্ছি
মেয়ে লুজার: ও চাইছে???
ছেলে লুজার: হুম
মেয়ে লুজার: কবে?
ছেলে লুজার: একমাস পর গত পরশু ফোন
দিয়ে বলল,,,,
মেয়ে লুজার: হুম,বুঝলাম,,,,
ছেলে লুজার: ........
মেয়ে লুজার: মানুষের হাসির,খেলা
আর ব্যাবহারের
পাত্র হতে কেমন লাগে?
ছেলে লুজার: আমি কিভাবে বলব?
মেয়ে লুজার: আসলেই তো,,,তুমি
কিভাবে বুঝবা,,,,,
ছেলে লুজার: .... ....
মেয়ে লুজার: চোখের নিচে কারো
কালি দেখলে,,অন্য
কারোর কণ্ঠস্বর যে কান্নায় কেপে
উঠে,,এটা বুঝতে
পারলে,,সবই বুঝতা,,,,,
ছেলে লুজার: হুম
মেয়ে লুজার: ভালবাসা জিনিসটা
কেমন জানি,,,,যাকে
আকড়ে ধরতে চায়,,সে অন্য কাউকে
আকড়ে ধরার জন্য
আগেই হাত বাড়িয়ে রাখে,,,,
ছেলে লুজার: কথা বলতে ভাল লাগছে
না।
মেয়ে লুজার: যেদিন ওই নম্বর থেকে এক
মাস তো দূরের
কথা,,এক যুগেও আর কোন কল বা মেসেজ
আসবে না,,, আর
কারো পরীক্ষার হেল্প লাগবে না,,,,
অনেক চেষ্টা
করেও তার মোবাইলে কল ঢুকাতে
পারবা না,,ঢুকলেও
কোন পুরুষ কণ্ঠ বলবে,,, "আমার ওয়াইফ একটু
ছাদে গেছে
" ,,, সেদিন বাচ্চাদের মত কান্না করবা
না,, মনে
রাখবা,,আরেকটা নম্বর তোমার জন্য
সারাজীবন খোলা
আছে,,আজ যে নম্বরটা তোমার কল
লিস্টে মিসকল হয়ে
থাকলেও ডায়ালড কল বা রিসিভড কল
অপশনে নেই।
ছেলে লুজার: ( মুখ থমথমে,, কান্না
চাপতে গিয়ে মুখ
পাথর,,,কিন্তু নিচের ঠোট কাপছে,,,)
আমি কাউকে ঠকাই
না,,, ২ বছরের প্রেম,,, অন্তত বুক ফুলিয়ে
বলব,,প্রতারণা
করি নি।
মেয়ে লুজার: (কাঁদতে কাঁদতে) কেউ
প্রতারণা করতে
বলছে না,,,, প্রতারিত লোকেরা
প্রতারণা করতে পারে
না,,,, আমি খালি চাই,,প্রতারণা টের
পাবার পর যেন
আমাকে বঞ্চিত না করা হয়,,,নিজেকে
শেষ করে দেবার
চিন্তা যেন না আসে মনে,,,,
ছেলে লুজার উঠে চলে গেল।
তার চলে যাওয়া পথের দিক তাকিয়ে
মেয়ে লুজার বলল:
"সেদিন তুমি আমার কাছে আসবে,,,এই
বেঞ্চে আমার
পাশে আবার বসবে,,আমাদের নিয়ে
আবার কেউ গল্প
লিখবে,,,, কিন্তু সেইবার,,কেউ
আমাদের নামের সাথে
"লুজার" লাগিয়ে ডায়ালগ লিখবে
না,,,, লিখবে
রাজকন্যা আর রাজপুত্র বসিয়ে,,,,"
_MD NISHAN SBS

06/05/2016

মেয়ে লুজার: তোমার সুন্দরি জি এফ
তোমার মেসেজ
দেখলে রিপ্লাই দেয়?
ছেলে লুজার: না
মেয়ে লুজার: তারপরেও অধীর আগ্রহে
রিপ্লাইয়ের জন্য
ওয়েট কর?
ছেলে লুজার: হুম
মেয়ে লুজার: ফোনে কথা হয়?
ছেলে লুজার: হুম
মেয়ে লুজার: আজ হইছে?
ছেলে লুজার: না
মেয়ে লুজার: কবে হইছে লাস্ট?
ছেলে লুজার: গতপরশু
মেয়ে লুজার: কয়দিন পরপর কথা হয়?
ছেলে লুজার : মাসে একবার
মেয়ে লুজার: তুমি সিওর মেয়েটা
তোমার গার্লফ্রেন্ড?
ছেলে লুজার: হুম, ১০০%
মেয়ে লুজার: কিভাবে বুঝ?
ছেলে লুজার: কারণ ওকে সবটা দিয়ে
ভালবাসি
মেয়ে লুজার: জীবনে দেখা করছ ওর
সাথে?
ছেলে লুজার: না।
মেয়ে লুজার: কিভাবে বুঝলা ও
তোমাকে ভালবাসে?
ছেলে লুজার: নিউটনের সূত্র,,প্রতেকটা
ক্রিয়ার সমান
এবং বিপরীত প্রতিক্রিয়া আছে,,,আমি
যতটা ওকে
ভালবাসব,,ঠিক ততটাই ও ভালবাসে,,,,
মেয়ে লুজার: তাহলে মেয়েটা
তোমাকে ইগনোর করে
কেন?
ছেলে লুজার: কি জানি,,আমার
প্রেমেই হয়ত ঘাটতি
আছে
মেয়ে লুজার: চোখের নিচে কালি
কেন?
ছেলে লুজার: রাত জাগা হয়েছে?
মেয়ে লুজার: পড়ার জন্য?
ছেলে লুজার: হুম
মেয়ে লুজার: তা কি পড়লা?
ছেলে লুজার: ওর পড়া,,,ওর সামনে
পরীক্ষা,,ওর বই ঘেটে
শর্ট নোট করে দিচ্ছি
মেয়ে লুজার: ও চাইছে???
ছেলে লুজার: হুম
মেয়ে লুজার: কবে?
ছেলে লুজার: একমাস পর গত পরশু ফোন
দিয়ে বলল,,,,
মেয়ে লুজার: হুম,বুঝলাম,,,,
ছেলে লুজার: ........
মেয়ে লুজার: মানুষের হাসির,খেলা
আর ব্যাবহারের
পাত্র হতে কেমন লাগে?
ছেলে লুজার: আমি কিভাবে বলব?
মেয়ে লুজার: আসলেই তো,,,তুমি
কিভাবে বুঝবা,,,,,
ছেলে লুজার: .... ....
মেয়ে লুজার: চোখের নিচে কারো
কালি দেখলে,,অন্য
কারোর কণ্ঠস্বর যে কান্নায় কেপে
উঠে,,এটা বুঝতে
পারলে,,সবই বুঝতা,,,,,
ছেলে লুজার: হুম
মেয়ে লুজার: ভালবাসা জিনিসটা
কেমন জানি,,,,যাকে
আকড়ে ধরতে চায়,,সে অন্য কাউকে
আকড়ে ধরার জন্য
আগেই হাত বাড়িয়ে রাখে,,,,
ছেলে লুজার: কথা বলতে ভাল লাগছে
না।
মেয়ে লুজার: যেদিন ওই নম্বর থেকে এক
মাস তো দূরের
কথা,,এক যুগেও আর কোন কল বা মেসেজ
আসবে না,,, আর
কারো পরীক্ষার হেল্প লাগবে না,,,,
অনেক চেষ্টা
করেও তার মোবাইলে কল ঢুকাতে
পারবা না,,ঢুকলেও
কোন পুরুষ কণ্ঠ বলবে,,, "আমার ওয়াইফ একটু
ছাদে গেছে
" ,,, সেদিন বাচ্চাদের মত কান্না করবা
না,, মনে
রাখবা,,আরেকটা নম্বর তোমার জন্য
সারাজীবন খোলা
আছে,,আজ যে নম্বরটা তোমার কল
লিস্টে মিসকল হয়ে
থাকলেও ডায়ালড কল বা রিসিভড কল
অপশনে নেই।
ছেলে লুজার: ( মুখ থমথমে,, কান্না
চাপতে গিয়ে মুখ
পাথর,,,কিন্তু নিচের ঠোট কাপছে,,,)
আমি কাউকে ঠকাই
না,,, ২ বছরের প্রেম,,, অন্তত বুক ফুলিয়ে
বলব,,প্রতারণা
করি নি।
মেয়ে লুজার: (কাঁদতে কাঁদতে) কেউ
প্রতারণা করতে
বলছে না,,,, প্রতারিত লোকেরা
প্রতারণা করতে পারে
না,,,, আমি খালি চাই,,প্রতারণা টের
পাবার পর যেন
আমাকে বঞ্চিত না করা হয়,,,নিজেকে
শেষ করে দেবার
চিন্তা যেন না আসে মনে,,,,
ছেলে লুজার উঠে চলে গেল।
তার চলে যাওয়া পথের দিক তাকিয়ে
মেয়ে লুজার বলল:
"সেদিন তুমি আমার কাছে আসবে,,,এই
বেঞ্চে আমার
পাশে আবার বসবে,,আমাদের নিয়ে
আবার কেউ গল্প
লিখবে,,,, কিন্তু সেইবার,,কেউ
আমাদের নামের সাথে
"লুজার" লাগিয়ে ডায়ালগ লিখবে
না,,,, লিখবে
রাজকন্যা আর রাজপুত্র বসিয়ে,,,,"
_paglA)_

Address

SATKHIRA
Satkhira
9400

Telephone

01967953011

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nishan SBS posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share