Engr Md Jannatul F Meraz

Engr Md Jannatul F Meraz Civil Engineer
CAD Design Portfolio: https://www.behance.net/mdjannatulmeraz

ঢাকা শহরের যানবাহনের গড় গতি হাঁটার গতির চেয়ে বাড়াতে প্রথমেই ধীরগতির যানবাহনকে বন্ধ করে বেশি গতির যানবাহনকে নিয়ন্ত্রি...
26/11/2024

ঢাকা শহরের যানবাহনের গড় গতি হাঁটার গতির চেয়ে বাড়াতে প্রথমেই ধীরগতির যানবাহনকে বন্ধ করে বেশি গতির যানবাহনকে নিয়ন্ত্রিত মাত্রায় অনুমোদন দিয়ে উৎসাহিত করতে হবে। থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুরের মতো জায়গায়ও সীমিত আকারে টুকটুক চলে যেগুলোর সুনির্দিষ্ট ডিজাইন ও কাঠামো রয়েছে। বাংলাদেশে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার কোনো নিবন্ধন প্রক্রিয়া না থাকায় সঠিক ইঞ্জিনিয়ারিং প্রটোকল না মেনে যেমন খুশি তেমন ভাবে অনেক প্রকার অটোরিকশা রাস্তায় চলাচল করছে।
পায়ে চালিত রিকশা অমানবিক এবং শহরের দ্রুতগতির পরিবহন ব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। রিকশার কম এক্সিলারেশন এবং ধীরগতির কারণে এটি ট্রাফিক জ্যামে বড় ভূমিকা রাখে। আর সাধারণ প্যাডেলচালিত রিকশায় মোটর ও ব্যাটারি সংযোজন করে তৈরি করা যে রেট্রোফিটেড রিকশা দেখা যায়, তা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ কারণ :
❌ এসব রিকশা ইনহেরেন্টলি মোটরের গতির জন্য ডিজাইন করা হয়নি ফলে ভারসাম্যের বিষয়টি ব্যাটারির অতিরিক্ত ওজনের জন্য বিঘ্নিত হয়, যা তীব্র বাঁকে বা অনিয়ন্ত্রিত গতিতে উল্টে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি করে।
❌ এসব রিকশায় প্যাডেলচালিত ব্রেকিং সিস্টেমই ব্যবহৃত হয়, যা মোটরের গতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। এতে দুর্ঘটনার আশঙ্কা অনেক বেশি।

অন্যদিকে মোটরচালিত ইজিবাইক, যা একটি স্বতন্ত্রভাবে ডিজাইন করা ব্যাটারিচালিত যানবাহন, তুলনামূলকভাবে নিরাপদ ও কার্যকর। ইজিবাইক তুলনামূলকভাবে দ্রুত চলে এবং প্যাডেলচালিত রিকশার তুলনায় বেশি যাত্রী ধারণ করতে সক্ষম। এলাকাভিত্তিক সংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করে, চালকদের সড়কের আইন মানার প্রশিক্ষণ দিয়ে এগুলোর নিবন্ধন দেওয়া যেতে পারে। এর ফলে প্যাডেল চালিত রিকশার চাহিদা কমে যাবে এবং ধীরে ধীরে বিলুপ্ত হয়ে যাবে।
✅ ইজিবাইক নকশাগতভাবে মোটরের গতি ও ওজনকে সমন্বয় করে তৈরি, যা এর মেকানিক্যাল ব্যালেন্স বজায় রাখে
✅ ইজিবাইকে যাত্রী ধারণক্ষমতা বেশি এবং তুলনামূলক আরামদায়ক। এটি বিশেষত অলিগলি ও অপ্রধান সড়কের জন্য উপযোগী ও ভাড়ায়ও সাশ্রয়ী
❌ তবে ইজিবাইক হাইওয়ে বা প্রধান সড়কে চলার উপযোগী নয়। শুধুমাত্র অলিগলি বা সংক্ষিপ্ত দূরত্বে চলাচলের জন্য অনুমোদন দেওয়া উচিত

কারিগরি দিক মাথায় রেখে সমাধানকল্প:

❌ প্যাডেলচালিত রিকশায় ব্যাটারি বা মোটর সংযোজন করা নিষিদ্ধ করতে হবে, কারণ এগুলো অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এবং দুর্ঘটনার কারণ। প্যাডেলচালিত রিক্সা চালকদের সড়কের আইন কানুন নিয়ে প্রশিক্ষণ দিয়ে অটোরিকশার ট্রানজিশন করা যায়
✅ এলাকাভিত্তিক সংখ্যা নির্ধারণ, নিবন্ধন ও চালকদের প্রশিক্ষণ দিয়ে ইজিবাইক চালু রাখা যেতে পারে। প্রতিটি এলাকার জন্য রং ও লাইসেন্স প্লেট নির্ধারণ করে তা নিয়ন্ত্রণ করা যাবে
🚧 অলিগলিতে অটোরিকশা চলাচলের অনুমতি দিলে প্রতিটি রাস্তার মুখে রিকশা স্ট্যান্ড তৈরি হবে সেক্ষেত্রে পার্কিং এলাকাগুলো আড়াআড়িভাবে নির্ধারণ করতে হবে
🚦 ইজিবাইকের নিবন্ধনের আগে ফিটনেস টেস্ট এবং সুনির্দিষ্ট ডিজাইন মানদণ্ড পরীক্ষা করতে হবে। ব্রেক, টায়ার, হেডলাইট, টার্ন ইন্ডিকেটর, এবং স্ট্রাকচারাল সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে
⚡ অবৈধ বিদ্যুৎ লাইন সনাক্ত করার জন্য স্থানীয় বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থা এবং প্রশাসনকে যৌথ অভিযান পরিচালনা করে বৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ শিল্প বা বাণিজ্যিক মিটার অনুযায়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে হবে

🚎 ১০-১২ সিটের ইলেকট্রিক বাগি কার একসাথে বেশি যাত্রী পরিবহনের জন্য একটি চমৎকার সমাধান হতে পারে, বিশেষত শহরের অভ্যন্তরীণ রাস্তায় যাত্রী পরিবহনের ক্ষেত্রে। বাগি কারের সাশ্রয়ী ভাড়া, দ্রুতগতি ও সাচ্ছন্দের কারণে প্যাডেল রিক্সার চাহিদা স্বাভাবিকভাবেই কমে আসবে।

সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং: কী এবং এর ভূমিকাসিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং (Civil Engineering) হলো প্রকৌশলবিদ্যার একটি শাখা যা অবকাঠামো, স...
24/11/2024

সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং: কী এবং এর ভূমিকা

সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং (Civil Engineering) হলো প্রকৌশলবিদ্যার একটি শাখা যা অবকাঠামো, স্থাপনা, পরিবহন ব্যবস্থা, এবং জল সম্পদের পরিকল্পনা, নকশা, নির্মাণ, এবং রক্ষণাবেক্ষণের সঙ্গে জড়িত। এটি মানব সমাজের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি আমাদের জীবনের প্রয়োজনীয় কাঠামো এবং সুবিধা গড়ে তোলার মাধ্যমে জীবনকে সহজতর করে।

সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং-এর প্রধান কাজ:
1. বিল্ডিং ডিজাইন ও নির্মাণ: ছোট বাড়ি থেকে শুরু করে সুউচ্চ ভবন ও বাণিজ্যিক কমপ্লেক্সগুলো ডিজাইন এবং নির্মাণ করা সিভিল ইঞ্জিনিয়ারদের অন্যতম দায়িত্ব।

2. ব্রিজ ও রোড নির্মাণ: সড়ক এবং সেতু নির্মাণের কাজ করে মানুষকে সহজে এবং নিরাপদে চলাচলের সুযোগ প্রদান করা সিভিল ইঞ্জিনিয়ারদের অন্যতম কাজ।

3. পানি সরবরাহ ও নিষ্কাশন ব্যবস্থা: শহর ও গ্রামে পানি সরবরাহ এবং নিষ্কাশন ব্যবস্থার সঠিক স্থাপন ও রক্ষণাবেক্ষণ সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং-এর গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

4. ভূমিকম্প প্রতিরোধী স্থাপনা: ভূমিকম্পের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় এমন ভবন তৈরি করা যাতে ভূমিকম্পের সময় ক্ষতি কম হয়, এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

5. পরিবেশগত দিক থেকে টেকসই প্রকল্প: পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রেখে প্রকল্প বাস্তবায়ন করা সিভিল ইঞ্জিনিয়ারদের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।

সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং-এর গুরুত্ব:
অবকাঠামো গঠন: মানব সভ্যতার ভিত্তি হিসেবে বড় বড় অবকাঠামো যেমন সড়ক, ব্রিজ, ড্যাম, এবং বিমানবন্দর নির্মাণে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারদের অবদান অপরিসীম।

জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন: মানুষের জীবনকে আরও আরামদায়ক এবং নিরাপদ করতে সিভিল ইঞ্জিনিয়াররা আধুনিক প্রযুক্তি এবং নকশার মাধ্যমে সেবা দিয়ে যাচ্ছে।

অর্থনৈতিক উন্নয়ন: উন্নত অবকাঠামো এবং সুষ্ঠু পরিবহন ব্যবস্থা একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের অন্যতম প্রধান চাবিকাঠি, যা সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং নিশ্চিত করে।

সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং-এর শাখাগুলো:
স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ারিং: ভবন, ব্রিজ, এবং অন্যান্য কাঠামোর স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার জন্য কাজ করে।

জিওটেকনিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং: মাটির গুণাগুণ বিশ্লেষণ করে এবং এর ভিত্তিতে প্রকল্প পরিকল্পনা করে।

ট্রান্সপোর্টেশন ইঞ্জিনিয়ারিং: সড়ক, রেলপথ, এবং বিমানবন্দরের নকশা এবং পরিচালনার দায়িত্ব পালন করে।

ওয়াটার রিসোর্স ইঞ্জিনিয়ারিং: জলাধার, ড্যাম, এবং পানির সরবরাহ ব্যবস্থা উন্নত করার কাজ করে।

সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং শুধু নির্মাণ শিল্প নয়, এটি মানব সভ্যতার প্রগতি এবং উন্নয়নের অন্যতম ভিত্তি।

সিমেন্ট নিয়ে কিছু তথ্য শেয়ার করলাম:আমরা বিভিন্ন ব্রান্ডের সিমেন্ট ব্যবহার করি।কিন্তু সিমেন্টর গুনগত মান ভালো না খারাপ ...
23/11/2024

সিমেন্ট নিয়ে কিছু তথ্য শেয়ার করলাম:

আমরা বিভিন্ন ব্রান্ডের সিমেন্ট ব্যবহার করি।
কিন্তু সিমেন্টর গুনগত মান ভালো না খারাপ তা বুঝি না।
সিমেন্ট টি কেমন তা বুঝার জন্য
1.লেব টেস্ট ও
2.ফিল্ড টেস্ট করা যায়।

সিমেন্টের বস্তার গায়ে লিখা দেখে ও আমরা সিমেন্ট কোন ক্লাসের বুঝতে পারব।
নিচে একটি সিমেন্টের ছবি দেওয়া আছে। তাতে লিখা আছে CEM-ll/B-M এবং 42.5 N এটি সিমেন্ট ২ টাইপের B শ্রেণির অন্তর্ভুক্ Cement.

ইউরোপিয়ান স্ট্যান্ডার্ড EN 197-1 (2001) অনুসারে সিমেন্ট ৩ ধরনের
1. CEM-l 95% clinker
2. CEM-ll
*Type-1: CEM-ll/A -clinker 80 to 95%
*Type-2: CEM-ll/B - clinkee 65 to 79%
3. CEM-lll
*Type-1: CEM-lll/A - clinker 35 to 64%
*Type-2: CEM-lll/B - clinker 20 to 34%
*Type-2: CEM-lll/C - clinker 5 to 19%

Strength class অনুসারে ৩ ধরনের সিমেন্ট বাজারে পাওয়া যায়।
1. 32.5 N
2. 42.5 N
3. 52.5 N

32.5 means 32.5 N/mm^2
২৮ দিনে উক্ত শক্তি পাওয়া যায়। সিমেন্ট ২৮ দিনে অর্জিত শক্তিঃ- N/ mm^2 থেকে পিএসআই তে কিভাবে কনভার্ট করে?
ans:-
Let, 32.5 N/mm^2= 4712 Psi, How?
We know, 1Mpa = 145 Psi,
So, 32.5 Mpa = 32.5x145 Psi = 4712 Psi,
অথবা, 32.5N/mm^2 সমান কত psi ?
So, 32.5×145= 4712 psi
অর্থাৎ ৩২.৫ গ্রেডের সিমেন্ট ২৮ দিনে 4712 psi শক্তি অর্জন করবে।

অনেক সময় 42.5 N/R/SR লিখা থাকে।এটা একটি সংকেত।
N=Normal- ordinary early cement
R=Rapid- High early cement
SR= sulfate resisting cement
এখান থেকে সিমেন্ট কোন গ্রেডের তাও বুঝতে পারব।সাধারণত ৩ গ্রেডের সিমেন্ট ব্যবহার করে থাকি।

কিন্তু বাংলাদেশে আমরা সচরাচর ৩ (তিন) ধরণের সিমেন্ট পেয়ে থাকি।
১) সাধারণ পোর্টল্যান্ড সিমেন্ট (Ordinary Portland Cement – CEM I)
২) পোর্টল্যান্ড কম্পোজিট সিমেন্ট (Portland Composite Cement – CEM II)
৩) ব্লাস্ট ফার্নেস সিমেন্ট (Blast Furnace Cement – CEM III)

বস্তার গায়ের লেখা দেখে OPC ও PCC সিমেন্ট চিনার উপায় -
1. OPC = Ordinary Portland Cement
(a) ক্লিংকার ৯৫% - ১০০% ।
(b) জিপসাম ০% - ০৫% ।

2. PCC = Portland Composite Cement
(a) ক্লিংকার ৬৫% - ৭৯%।
(b) স্লাগ,ফ্লাই এ্যাশ ও লাইম স্টোন ২১% - ৩৫%।
(c) জিপসাম ০% - ০৫% ।

শেয়ার দিয়ে রাখুন। বাড়ি নির্মাণ করছেন বা করবেন? আপনার বাড়িটা যেন শুধু মাত্র মাথা গোজার স্থান না হয়। আপনার বাড়ি করতে...
22/11/2024

শেয়ার দিয়ে রাখুন।

বাড়ি নির্মাণ করছেন বা করবেন?

আপনার বাড়িটা যেন শুধু মাত্র মাথা গোজার স্থান না হয়। আপনার বাড়ি করতে হবে ভেবে চিন্তে প্রকৌশলীর পরামর্শে। বাড়ি করার পূর্বে মূল শর্ত হলো প্ল্যানিং। প্ল্যান করে বাড়ি করা হলে আপনি আপনার জমির সঠিক মূল্যায়ন করতে পারবেন ।

বাড়ি করার ক্ষেত্রে আপনাকে কিছু বিষয় আপনাকে মাথায় রাখতে হবে:
* বিভিন্ন রুমের আদর্শ এবং সর্বনিম্ন মাপ
* রুমের অবস্থান
* সৌন্দর্য
* পর্যাপ্ত আলো বাতাস এর সু ব্যাবস্থা
* নিরাপত্তা
* ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
* আপনার এলাকার নিয়ম অনুযায়ী কতটুকু জমি ছেড়ে বাড়ি করতে হবে,তার পরিমাণ ।
★★ বেডরুমে মাপ এবং বেডরুম অবস্থান :
~মাপ : বেডরুমের সর্বনিম্ন সাইজ হওয়া উচিত ১০ ফিট বাই ১২ ফিট।
~অবস্থান : যেদিকে সর্বোচ্চ ন্যাচারাল গিফট পাওয়া যাবে অর্থাৎ পর্যাপ্ত আলো বাতাস যেদিকে পাওয়া যায়। যেনো ব্যালকনি তে বসলেই ভেসে আসে দখিনা বাতাস । তবে সাধারণত একটা বিল্ডিং এর কর্ণার সাইডে বেড রুম দেওয়া হয় । এক বেড রুম থেকে আরেক বেড রুমের দূরত্ব বা অবস্থান এমন হবে যেন সম্পূর্ণ প্রাইভেসি বজায় থাকে। অর্থাৎ এক রুমের থেকে অন্য রুমের আভ্যন্তরীন দৃশ্য সহজেই দৃষ্টি-গোচর না হয়।

★★ গেষ্ট রুম :
~গেস্ট রুমের সর্বনিম্ন সাইজ হওয়া উচিত ৮ ফিট বাই ৯ ফিট।
~অবস্থান : সিঁড়ির কাছাকাছি ।

★★ ডাইনিং :
~ডাইনিং রুমের সর্বনিম্ন সাইজ হওয়া উচিত ৮ ফিট বাই ১০ ফিট।
~অবস্থান :রান্না ঘরের পাশে হলে ভাল হয় ।

★★ বাথরুম টয়লেট :
~বাথ রুমের সর্বনিম্ন সাইজ হওয়া উচিত ৬ ফিট বাই ৪ ফিট ।
~অবস্থান : কমন বাথরুম হলে সবাই যাতে সহজেই ব্যবহার করতে পারে এমন স্থানে ।
টয়লেটে অবশ্যই এডজাস্ট ফ্যান ব্যবহার করবেন । এটা এয়ার ভেন্টিলেশনের মাধ্যমে টয়লেটের দূর্গন্ধ দূর করার পাশাপাশি আপনার টয়লেট এর ফ্লোর শুকনা রাখবে

★★ কিচেন :
~কিচেন রুমের সর্বনিম্ন সাইজ হওয়া উচিত ৮ ফিট বাই ৭ ফিট।
~অবস্থান : কিচেনে রান্নার সময় রান্নার গ্যাস বা ধোয়া যেন অন্য রুমে প্রবেশ না করতে পারে। রান্না ঘরের পরিবেশ ফ্রেস রাখার জন্য, কিচেনে এডজাস্ট ফ্যান ব্যবহার করা উচিত ।

★★ ব্যালকনি :
~চওড়া ৩ ফিটের কম নয় ।

★★ সিড়ি :
৮ ফিট চওড়া হলে ভাল হয় অবস্থান : মেইন রাস্তার পাশে অথবা রাস্তা থেকে সর্বনিম্ন দূরত্বে।

আপনি একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ার বা শিক্ষার্থী হলে শেয়ার দিয়ে রাখুন। স্লাম্প টেস্ট কি এবং কেন করা হয়? স্লাম্প টেস্টে স্লাম...
21/11/2024

আপনি একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ার বা শিক্ষার্থী হলে শেয়ার দিয়ে রাখুন।

স্লাম্প টেস্ট কি এবং কেন করা হয়?

স্লাম্প টেস্টে স্লাম্প এর মান কখন কত হওয়া উচিত এর বিস্তারিতঃ
সদ্য মিশ্রিত কংক্রিট এমন হওয়া উচিৎ যাতে করে সহজে নাড়াচাড়া এবং ফর্মার মধ্যে ঢালাই করা যায়। কংক্রিট মিশ্রণের এই গুনটিকে কার্যোপযোগীতা বলে। মিশ্রণে পানির পরিমাণ বেশি হলে, মিশ্রণ নরম হয়। ফলে নাড়াচাড়া ও ঢালাই সহজ হয়। আবার পানির পরিমাণ কম হলে নাড়াচাড়া ও ঢালাই করা কষ্টসাধ্য হয়ে দাঁড়ায়। মিশ্রণে পানির পরিমাণ কম বা বেশি করে কার্যোপযোগীতা পরিবর্তন করা যায়। তবে ঢালাইয়ের প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত কার্যোপযোগীতা একই থাকা উচিৎ। এই কার্যোপযোগীতা পরীক্ষা করার জন্য খুবই জনপ্রিয় পদ্ধতি হলো স্ল্যাম টেস্ট। সুতরাং ঢালাই কাজে ব্যবহত কংক্রিট মিশ্রণের কার্যোপযোগীতা যাচাইয়ের করার জন্য যে পরীক্ষা করা হয়, তাকে কংক্রিটের স্ল্যাম টেস্ট বা নতি পরীক্ষা বলা হয়।
কংক্রিটের স্ল্যাম টেস্টের জন্য দু'দিকে হাতল যুক্ত লোহার চোঙ বা সিলিন্ডার ব্যবহার করা হয়। এর উচ্চতা ৩০ সেমি এবং নিচের প্রান্তের ব্যাস ২০ সেমি এবং ক্রমশঃ সরু হয়ে উপরের প্রান্তের ব্যাস হবে ১০ সেমি।
কাঠামোর গুণগত মান সঠিক রাখার জন্য কংক্রিট মিশ্রণের উপযোগিতা বজায় রাখা হয়। এ জন্য যে কোন স্পেসিফিকেশনে স্ল্যাম্পের মান দেওয়া থাকে। কংক্রিট মিশ্রণে স্ল্যাম্পের মান গুলো মেনে চললে কংক্রিটের মান উন্নত ও পীড়ন বৃদ্ধি পায়। নিম্নে বিভিন্ন কাজে ব্যবহত কংক্রিটের স্ল্যাম্পের পরিমাণ উল্লেখ করা হলো।
১) রাস্তা তৈরিতে কংক্রিট = ২০-৩০ মিমি।
২) আরসিসি স্ল্যাব, বীম ও দেওয়াল = ৫০-১০০ মিমি।
৩) কলাম, রিটেইনিং ওয়াল এবং পাতলা খাড়া মেম্বার = ৭৫-১৫০ মিমি।
৪) পানি রোধী নির্মাণ কাজ = ৭৫-১২০ মিমি।
৫) ভাইব্রেটেড কংক্রিট = ১২-২৫ মিমি।
৬) পুরু কংক্রিট = ২৫-৫০ মিমি।
৭) সাধারণ কংক্রিট ফুটিং, কেইশন এবং উপরি কাঠামো = ২৫-৭৫ মিমি।
৮) আরসিসি ভিত্তি দেওয়াল এবং ফুটিং = ৫০-১০০ মিমি।
৯) ব্রিজ ডেক = ২৫-৭

সয়েল টেস্ট সম্পর্কিত কিছু তথ্য তুলে ধরার চেষ্টা 👷‍♂️ #শেয়ার করে রাখতে পারেন 🎋=====================================1) S...
20/11/2024

সয়েল টেস্ট সম্পর্কিত কিছু তথ্য তুলে ধরার চেষ্টা 👷‍♂️
#শেয়ার করে রাখতে পারেন 🎋
=====================================

1) Soil Test কি❓
সয়েল টেস্ট’ এর বাংলা অর্থ হলো মাটি পরীক্ষা, তবে ইঞ্জিনিয়ারিং ভাষায় স্থাপনা বা বিল্ডিং এর ভূনিন্মস্থ মাটির পরীক্ষা করাকে ‘সয়েল টেস্ট’ বা ‘সাব-সয়েল ইনভেস্টিগেশন’ বলে।⛰️

2) কতটুকু জমির জন্য কতটি বোরহোল করতে হবে❓
✅ ৩ কাঠা পর্যন্ত জমির জন্য ৩ টি।
✅ ৩-৫ কাঠার জন্য ৫টি।
✅ ৫-১০ কাঠার জন্য ৮ টি বোরহোল প্রযোজ্য।

3) Soil Test কেন করা হয়❓🏔️
ভূমি নিম্নস্থ মাটির নিরাপদ ভারবহন ক্ষমতা নিরুপণের জন্য সয়েল টেস্ট করা হয়। যে কোন ধরনের স্থাপনা যেমন, আবাসিক ভবন, বাণিজ্যিক ভবন, স্কুল-কলেজ, মসজিদ-মন্দির, হাসপাতাল, শপিং কমপ্লেক্স, ব্রিজ-কালভার্ট, সড়ক-মহাসড়ক, রেললাইন, এয়ারপোর্ট, পাওয়ার প্লান্ট ইত্যাদি ডিজাইনের জন্য সয়েল টেস্ট অপরিহার্য। তিন তলার অধিক ভবনের জন্য সয়েল টেস্ট অতীব জরুরী।

#সয়েল টেস্ট ছাড়া ভূনিন্মস্থ মাটির বৈশিষ্ট্য জানা কারও পক্ষে সম্ভব নয়, একমাত্র সয়েল টেস্ট রিপোর্ট দেখেই একজন প্রকৌশলীর পক্ষে বলা সম্ভব স্থাপনা সুরক্ষার জন্য কি ধরনের ফাউন্ডেশন প্রয়োজন ।🏨🏩

4) Soil Test কিভাবে করা হয়❓
আমাদের দেশে সাধারনত ওয়াশ বোরিং পদ্ধতিতে সয়েল ইনভেস্টিগেশনের কাজ করা হয়। এই পদ্ধতিতে পানির সাহায্যে ২” ব্যাসের পাইপকে হ্যামারিং করে মাটির অভ্যন্তরে প্রবেশ করানো হয়। প্রতি ৫ ফুট বা ১.৫ মিটার পর পর মাটির নমুনা এবং ঘাতের সংখ্যা 👎 কাউন্ট করা হয়।

প্রতি ৫ ফুট পর পর পরবর্তী ১.৫ ফুট বা ১৮ ইঞ্চি পাইপ মাটির অভ্যন্তরে প্রবেশ করানো সময় N এর মান লিপিবদ্ধ করতে হয়, তবে এই ১৮ ইঞ্চির মধ্যে প্রথম ৬ ইঞ্চির জন্য ঘাত সংখ্যা বিবেচনায় নেওয়া হয়না।

অর্থাৎ পরবর্তী ১২ ইঞ্চি প্রবেশের জন্য যতগুলো আঘাতের প্রয়োজন হয় সেই সংখ্যাই হলো N এর মান। যদি ১২ ইঞ্চি ঢুকাতে ১৫ বার ঘাতের প্রয়োজন হয় তবে N এর মান হবে ১৫। এই N এর মান মাটির লেয়ার ভেদে ভিন্ন ভিন্ন হয়।

5) Soil Test করার সময় সর্তকতা সমূহ কি কি❓
✅ হ্যামারের ওজন ৬৩.৫ কেজি কিনা নিশ্চিত করতে হবে এবং ইহা ৩০ ইঞ্চি উচ্চতা থেকে ড্রপিং হচ্ছে কিনা.
✅ প্রতি ৫ ফুট পর পর আলাদা আলাদ প্যাকেটে নমুনা মাটি সংরক্ষন করছে কিনা.
✅ N Value সঠিকভাবে কাউন্ট এবং লিপিবদ্ধ করা হচ্ছে কিনা.

⏩ মাটি ভাল থাকলেও কমপক্ষে ৬০ ফুট পর্যন্ত স্যাম্পল কালেকশন করা উত্তম ⏪

6) Soil Test কাদের দিয়ে করাবেন❓
✅ যাদের নিজস্ব ল্যাব রয়েছে এবং
✅ অভিজ্ঞতা সম্পন্ন সয়েল প্রকৌশলী রয়েছে।

সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এর ৭ টি শাখা নিয়ে সংক্ষেপে আলোচনা করা হলঃ(১) জিওটেকনিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং। (২) স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয...
19/11/2024

সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এর ৭ টি শাখা নিয়ে সংক্ষেপে আলোচনা করা হলঃ

(১) জিওটেকনিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং।
(২) স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ারিং।
(৩) ট্রান্সপোর্টেশন ইঞ্জিনিয়ারিং।
(৪) ওয়াটার রিসোর্স ইঞ্জিনিয়ারিং।
(৫)এনভায়রনমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিং।
(৬) কন্সট্রাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং
(৭) আরবান এবং কমিনিটা প্লানিং।

(১)জিওটেকনিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংঃ প্রায় সকল সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং শাখাতেই এটি কাজে লাগে।কারণ বেশির ভাগ স্ট্রাকচার ভুমির উপর অবস্থিত। মাটি বা পাথরের উপর স্ট্রাকচারের প্রভাব এবং এদের বৈশিষ্ঠ্য নিয়ে আলোচনা করে এই শাখাটি। ভূ-গর্ভের সিপেজ, ভূমিকম্পের প্রভাব, স্থিতিশিলতা ইত্যাদি নিয়ে কাজ করে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এর শাখাটি। বাঁধ, রিটেইনিং ওয়াল, ফাউন্ডেশন ইত্যাদির আংশিক ডিজাইন করা হয় এই শাখার মাধ্যমে।

(২) স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ারিংঃ বাড়ি, হোটেল, পার্ক, ব্রীজ, বিল্ডিং ইত্যাদির উপরে নিজস্ব ভার বা বাইরের ভার প্রতিরোধ ক্ষমতাসহ বাতাস, পানি, ভূমিকম্প, তাপমাত্রা ইত্যাদির প্রভাব থেকে রক্ষার জন্য সিমেন্ট, বালি, রি-ইনফোর্সমেন্ট, কাঠ, অন্যান্য উপাদানের সমন্বয়ে সঠিক ডিজাইন করা হলো এই শাখার কাজ।

(৩) ট্রান্সপোর্টেশন ইঞ্জিনিয়ারিঃ কোন সমাজের বৈশিষ্ঠ্য বা স্তন এর যোগাযোগ ব্যবস্থার উপর করে। কোন সমাজের উন্নয়ন অনেকটা প্রভাবিত হয় এই যোগাযোগ ব্যবস্থার উপর। মানুষ, মালামাল ইত্যাদি পরিবহন ব্যবস্থা নিয়ে গবেষনা, ডিজাইন, সমস্যা, সমাধান নিয়ে কাজ করে ট্র্যান্সপোর্টেশন ইঞ্জিনিয়ারিং। অল্প রাস্তায় অধিক পরিবহন সুবিধা, দুর্ঘটনা কমানো, খরচ কমানো ইত্যাদি নিয়ে কাজ করে এই শাখাটি।

(৪) ওয়াটার রিসোর্স ইঞ্জিনিয়ারিংঃ পানি আমাদের জিবনে অনেক গুরুত্বপুর্ন এটা আমরা সবাই যেমন জানি, তেমনি এটাও ঠিক যে এটি অত্যান্ত্য সাধারণ একটি কথা। আবার এই পানি আমাদের মরণও ডেকে নিয়ে আসে। তাও আমরা জানি। পানি সম্পদ প্রকৌশল পানির ভৌত অবস্থা নিয়ে আলোচনা করে। বন্যা, শহরের কারখানা, সেচ এর পানি সরবরাহ, নদী ভাঙ্গন রোধ, নদীর শাষন ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনা এবং ডিজাইন করে থাকে। হাইড্রলিক পাওয়ার, বাধ, খাল, পানিধস ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করে এই শাখাটি।

(৫) এনভায়রনমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিংঃ পরিবেশ তথা বাতাস এবং পানির দুষণ রোধ, বিশুদ্ধ করণ ইত্যাদি করা এই শাখার কাজ। বর্তমানে এটি একটি গুরুত্বপূর্ন শাখা। বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ, বর্জ্য, মল ইত্যাদি অপসারণ এবং বিশুদ্ধ করণ করা নিয়ে আলোচনা করা হয় এই শাখাতে।

(৬) কন্সট্রাকশন ইঞ্জিনিয়ারিংঃ এই শাখাতে আলোচনা করা হয় যে কি ভাবে একটি কাঠামো গঠন করতে হবে। অর্থের ব্যবহার, সময়ের সংক্ষেপন, প্রয়োজনীয় মালামাল যন্ত্রপাতি ইত্যাদির যোগান, কাঠামো গঠনের পদ্ধতি বিজ্ঞান নিয়ে কাজ করা হয় শাখাতে।
(৭) আরবান এবং কমিনিটা প্লানিংঃ নগরায়ণ এবং শহর পরিকল্পনা করা হয়। মূলত একটি গোষ্ঠি নিয়ে কাজ করা হয়। একটি গোষ্ঠি বা জোট এ কি কি লাগতে পারে এবং কিভাবে লাগাতে হবে তা নিয়ে গবেষণা করা হয় এই শাখাতে।

Honeycomb problem in concretePart 3Concreting Pouring: -অনেক সময় দেখা যায় মিস্ত্রিরা পরিশ্রমের ভয়ে শুধু একদিক থেকে মস...
18/11/2024

Honeycomb problem in concrete

Part 3

Concreting Pouring: -
অনেক সময় দেখা যায় মিস্ত্রিরা পরিশ্রমের ভয়ে শুধু একদিক থেকে মসলা ফেলতে থাকে, তা পরবর্তীতে ভাইব্রেটর দিয়ে অন্য পার্শ্বে ঠেলে নিতে চেষ্টা করে, অনেক সময় নিচের দিকে আটকিয়ে গেলে বা ভাইব্রেটরের নজেল পৌঁছাতে না পারলে ভয়েডের সৃষ্ট প্রতিকার:-
এ ক্ষেত্রে আপনাকে চারদিক থেকে সমান ভাবে কংক্রিট ফেলতে হবে এবং সাথে সাথে ভাইব্রেটিং ও করে আসতে হবে, ভাল হবে মাঝে মাঝে সাটারে হালকা টোকা দিলে।

Casting Ratio এবং Proper Mixing: -
যদি নির্দিষ্ট আনুপাতিক হারে এগ্রিগেটসমূহ ব্যবহার না করা হয় কিংবা প্রয়োজনের তুলনায় বালি কম দিলে অথবা পাথর বেশি দিলে কংক্রিটে হানিকম্বের সৃষ্ট হতে পারে।
আবার প্রপারলি মিক্সিং না হওয়ার ফলে দেখা যায় শুরুর দিকের মসলায় পাথরের উপস্থিতি বেশি থাকে, আবার শেষের দিকে বালির পরিমান বেশি থাকে, ফলে কলামের নিচের দিকে হানিকম্বের সৃষ্টি প্রতিকার:-
Casting Ratio ঠিকভাবে মেইনটেন করতে হবে।
খোয়া ও বালির জন্য একই মাপের টুকরি বা কড়াই ব্যবহার করতে হবে, বিশেষ করে খেয়াল রাখতে হবে বালির পরিমান যেন কম না থাকে।
। হানিকম্ব হল করনীয়:-

সবকিছু ঠিকঠাক ভাবে করার পরও যদি আবারো হানিকম্ব এর দেখা মিলে তবে প্রথমেই সকল আগলা বা লুজ ম্যাটারিয়ালকে হালকা হালকা আঘাত করে খুলে ফেলুন, গর্ত বড় হোক সমস্যা নেই, লুজগুলো থাকলে সমস্যা হবে।
এই গর্তগুলোকে আপনি দুইভাবে ফিলাপ করতে পারেন; 1:1 অনুপাতে সিমেন্ট ও সিলেট বালির মসলা বানিয়ে নিন, এর পর তা দিয়ে গর্তে ঢুকিয়ে দিন(প্রেসার দিয়ে গর্তে ঢুকাতে হবে এক্ষেত্রে সর্বোচ্চ শক্তি প্রয়োগ করুন). তবে এর পূর্বে গ্রাউটিং করে নিবেন।

যদি আপনি ভাল ফল পেতে চান তবে বাজারে বিভিন্ন কোম্পানীর Concrete Repair Materials পাওয়া যায় যা মূলত Epoxy Based Non-Shrinkage Filler Materials [Grouting], এগুলো খুবই খুবই হাই স্ট্রেন্থ সম্পন্ন। সেগুলো এনে প্যাকেটের নির্দেশনা অনুযায় ব্যবহার করুন।
শেয়ার করে রাখুন টপিক টি।

Honeycomb problem in concretePart 2 Segregation: -কংক্রিটের মধ্যস্থ Coarse Aggregate থেকে Fine Aggregate সমূহ আলাদা হয়ে...
16/11/2024

Honeycomb problem in concrete

Part 2

Segregation: -
কংক্রিটের মধ্যস্থ Coarse Aggregate থেকে Fine Aggregate সমূহ আলাদা হয়ে যাওয়াকে সেগ্রিগেশন বলে। সেগ্রিগেশন বিভিন্ন কারণে হতে পারে, যেমন খুব উচু থেকে মসলা ফেললে কিংবা কংক্রিটের মধ্যে খুব বেশি পরিমানে পানি দিয়ে দিলে, অথবা অধিক ভাইব্রেটিং এর ফলে হতে পারে। Segregation এর ফলে কোর্স এগ্রিগেট সমূহ ভারী বিধায় নিচে চলে যায়, আর ফাইন এগ্রিগেট সমূহ কিছুটা হালকা বলে উপরে ভেসে থাকে প্রতিকার:-

এক লিফটে কখনো ৫ ফিটের বেশি উচ্চতায় কাস্টিং করা যাবেনা।
কংক্রিট খুব বেশি উচু থেকে ফেলা যাবেনা।
কংক্রিটকে কখনোই ভাইব্রেটর দিয়ে ঠেলে দুরে নিতে দিবেন না, এতে করে মসলা পাথর আলাদা হয়ে যায়।
পানি নিয়ন্ত্রন করতে হবে।

Water Cement Ratio: -
কাস্টিং এ পানি খুব বেশি দিলে যেমন সেগ্রিগেশনের সৃষ্টি হয়, তেমনি প্রয়োজনের তুলনায় খুব কম দিলে কংক্রিট মিক্সার অনেকটা হার্ড হয়ে যায় যাকে বলে Low Workability of Concrete, যার ফলে মিক্সিংকে ভাইব্রেটিং করেও নাড়ানো যায়না, এ জন্যই ভাইব্রেটিং করার পরও হানিকম্ব দেখা মিল প্রতিকার:-
ে ঢালাইয়ের পূর্বে সব সময় কোর্স এগ্রিগেট সমূহকে ভিজিয়ে নিতে হবে। সর্তকতার সহিত পানি সিমেন্ট অনুপাত মেইনটেন করতে হবে যাতে কংক্রিটকে সহজে Pouring করা যায়।

একই ভাবে স্ল্যাম্পকেও মেইনটেন করতে হবে। W/c Ratio অনেকটা আবহাওয়ার উপর Vary করে, নরমাললি ইহা .35 to .5

Well Graded Aggregate: -
খোয়ার সাইজ খুব বেশি বড় হওয়ার দরুনও হানিকম্ব হতে পারে। কংক্রিটিং Aggregate সমূহ Well Graded হওয়া বাঞ্ছনীয়, যাতে ৩/৪” এর সাথে নির্দিষ্ট অনুপাতে ১/২” মিক্সিং থাকে। শুধুমাত্র বড় সাইজ [৩/৪"] ব্যবহার করলে কোর্স এগ্রিগেটসমূহের মধ্যে ফাঁকা থেকে যায় যা হানিকম্বের সৃষ্টি প্রতিকার:-
ক ব্রিক চিপসের ভাঙানোর সময় খেয়াল রাখতে হবে খোয়ার সাইজ যেন খুব বেশি বড় না হয়, নাহলে আপনাকে নির্দিষ্ট রেশিও থেকেও বেশি বালি ব্যবহার করতে হবে পাথরের বেলায় চেষ্টা করতে হবে Well Graded নিয়ে আসতে. না হলে আলাদা ভাবে কিছু ১/২” [পাই পাথর] নিয়ে আসতে হবে।

Part 1হানিকম্বিং নিয়ে বিস্তারিত এবং প্রতিকারবাংলায় যদিও Honeycomb মানে মৌচাক, কিন্তু ইঞ্জিনিয়ারিং ভাষায় ঢালাই এর পর ...
15/11/2024

Part 1

হানিকম্বিং নিয়ে বিস্তারিত এবং প্রতিকার
বাংলায় যদিও Honeycomb মানে মৌচাক, কিন্তু ইঞ্জিনিয়ারিং ভাষায় ঢালাই এর পর কংক্রিটের মধ্যে ছোট ছোট ফোকর বা গর্তের সৃষ্টি হওয়াকে হানিকম্ব বলে।
মূলত কোর্স এগ্রিগেট সমূহের মধ্যস্থ ফাঁকা পুরনের জন্য কংকিটে ফাইন এগ্রিগেট ব্যবহার করা হয়, কোন কারনে যদি এই ফাঁকে ফাইন এগ্রিগেট পৌঁছাতে না পারে কিংবা কোর্স এগ্রিগেট থেকে আলাদা হয়ে যায় তবে হানিকম্ব বা এয়ার ভয়েডের সৃষ্টি হয়। হানিকম্বের ক্ষতিকর প্রভাব:-
এক কথায় হানিকম্ব কংক্রিটকে ভঙ্গুর ও দুর্বল করে তোলে, কংক্রিটের মধ্যে ৫% এয়ার ভয়েড বা হানিকম্বের উপস্থিতি কংক্রিটের শক্তিকে ২৫-৩০% কমিয়ে দেয়। তাছাড়া হানিকম্বের মধ্যস্থ ফাঁকা দিয়ে আদ্রতা প্রবেশ করে স্টিলে করোশনের সৃষ্টি করে, যার দরুন স্টিল তার আল্টিমেট স্ট্রেন্থ বহনে ব্যর্থ হয়, ফলশ্রুতিতে কাঠামো ফেইল ক হানিকম্বের কারণ ও প্রতিকার:-
কংক্রিটে অনেকগুলো কারণে হানিকম্বের সৃষ্টি হতে পারে, তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু কারণ হলো;
রে।
Leakage:-
অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখা যায় ভাইব্রেটিং এর ফলে সাটারের লিকেজ বা ফোকর দিয়ে পানি কিংবা বালি সিমেন্টের তরল মর্টার বের হয়ে গিয়ে হানিকম্বের সৃষ্টি করে প্রতিকার:-
[ এক কথায় সাটারে কোন লিকেজ থাকতে পারবেনা, কাঠ বা স্টিল সাটার যাই ব্যবহার করেন না কেন সাটারকে ভালভাবে এয়ার টাইড করতে হবে, বিশেষ করে ছাদের বিম কলামের কোবলাগুলোকে ভালভাবে লিকপ্রুভ করতে হবে।

কলামের ক্ষেত্রে কিকার এবং ফাস্ট লিফটের কলামের মাথায় শক্তকরে Jute Tape/ Foam বেধে নিতে হবে।

স্টিল সাটারের জয়েন্টে Jute Tape/ Foam ব্যবহার করে নাট-বোল্টগুলোকে শক্ত করে জ্যাম দিতে হবে যেন কোন ফাঁকা না থাকে।

কাঠের সাটারের বড় গ্যাপে রূপভান সিট দিতে হবে, ছোটখাটো গ্যাপগুলো কাগজ দিয়ে আটকিয়ে দিন।.....................................................................................
Vibrating:-
ভালভাবে ভাইব্রেটিং না করলে কিংবা ভাইব্রেটরের নজেল সব জায়গায় পৌঁছাতে না পারলে কোর্স এগ্রিগেটের গ্যাপগুলোতে ফাঁকা থেকে যায় যার ফলশ্রুতিতে এয়ার ভয়েড বা হানিকম্বের সৃষ্টি হয়,যা মূলত ফাইন এগ্রিগেট দিয়ে ফিলআপ হবার কথা। প্রতিকার:-

ভাইব্রেটর মারবেন অল্প সময় ধরে তবে ঘন ঘন, অর্থ্যাৎ প্রতি ১/ ১.৫ ফিট পর পর ভাইব্রেটর মারবেন তবে অল্প সময়ের জন্য। বেশি মারলে সেগ্রিগেশন হতে পারে। নজেল সব সময় সোজা বা 45 ডিগ্রি এ্যাংগেলে রাখবেন।

অল্প রিইনফোসমেন্টের ক্ষেত্রে বা হালকা মেম্বারে ১/১.৫” নজেল এবং অধিক রিইনফোর্সমেন্ট বা বড় মেম্বারের জন্য ২/২.৫” নজেল ব্যবহার করুন।

বিল্ডিং নির্মাণে যে তথ্য গুলো জানা উচিত(সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং)→১ ব্যাগ সিমেন্ট এ জল লাগে ২১ লিটার →১ স্কয়ার ফুট গাথুঁনিতে...
15/11/2024

বিল্ডিং নির্মাণে যে তথ্য গুলো জানা উচিত
(সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং)

→১ ব্যাগ সিমেন্ট এ জল লাগে ২১ লিটার
→১ স্কয়ার ফুট গাথুঁনিতে ১:৪ অনুপাতে সিমেন্ট
লাগে ০.০২১ ব্যাগ, বালু লাগে ০.১২ ঘনফুট।
→১ স্কয়ার ফুট ইটের গাথুঁনিতে ১:৫ অনুপাতে
সিমেন্ট লাগে ০.০২০ ব্যাগ, বালু ০.১২৪ ঘনফুট।
→ ১ ঘনফুট ঢালাইয়ের জন্য ১:২:৪ অনুপাতে
সিমেন্ট লাগে ০.১৭২ ব্যাগ,বালু লাগে ০.৪৫ ঘনফুট,
খোয়া লাগে ০.৮৮ ঘনফুট।
* গাথুনীর প্লাষ্টারে ১:৫ অনুপাতে সিমেন্ট
দিতে হয়।
বি.দ্র :- প্লাস্টারের ফ্রেশ সাইডে মসলার পুরুত্ব
আধা ইন্চি এর রাফ সাইডে মসলার পুরুত্ব পনে এক
→০৫” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১’ (স্কয়ার ফিট)
গাথুনীতে ০৫ টি ইট লাগে
→১০” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১ সিএফটি গাথুনীতে
১০ টি ইট লাগে।
→ সিলিং এ প্রতিস্কয়ার ফুট এর জন্য ০৩ টি ইট লাগে
→ ০৯ টি পিকেট ইট দিয়ে ১ সিএফটি খোয়া হয়।
→ ১ টি ইটে খোয়া হয় ০.১১ ঘনফুট
ইঞ্চি বা ১৫ মিমি . . সিলিং প্লাষ্টারে (১:৩ বা ১:৪)
অনুপাতে সিমেন্ট দেয়া যায় । এবং মসলার পুরুত্ব 6 মিমি বীম এবং কলাম সিলিং এর জন্য ।
→ প্রতি এস,এফ,টি নিট ফিনিশিং করতে =
০.০২৩৫ কেজি সিমেন্ট লাগে।
ইটের মাপ:- প্রচলিত নিয়মে
————++-———++—-—
→ মসলা ছাড়া (৯.৫” x৪.৫” x২.৭৫”)
→ মসলাসহ = (১০” x৫” x ৩”)
কনভার্ট এর জন্য:-
——–++—–——-
10 mm =1 cm
100 cm = 1 m
1″ = 25.4 mm
1″ = 2.54 cm
39.37″ = 1 m
12″ = 1′ Fit
3′ = 1 Yard (গজ)
1 Yard = 36″
72 Fit = 1 bandil.
-> 10" ওয়াল গাথুনিতে প্রতি স্কয়ারফিটে ইট লাগে 10টা।
->প্রতি ঘনফিট/সিএফটি গাথুনিতে ইট লাগে 12টা।
# রডের ওজন বের করার সূত্র-
1. {(Dia×Dia)÷162.2}= kg/m
2.{(Dia×Dia)÷532}= kg/ft
3. {(Suta)²÷24}= lb/ft
——————————————————–
৮ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.১২০ কেজি।
১০ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.১৮৮ কেজি।
১২ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.২৭০৬ কেজি।
১৬ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.৪৮১২ কেজি।
২০ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.৭৫১৮ কেজি।
২২ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.৯০৯৭ কেজি।
২৫ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন =১.১৭কMIEB.
# রডের হিসাব
———————————————
1″ = 8 suta
1/2″ = 4 suta
1/4″= 2 suta
1/8″ = 1 suta
বি.দ্র:- ১ সুতো= ৩.২০ মিলি প্রায়।

Address

Arapara, Dhaka
Savar
1340

Opening Hours

Monday 09:00 - 23:45
Tuesday 09:00 - 23:45
Friday 09:00 - 23:45
Saturday 09:00 - 23:45
Sunday 09:00 - 23:45

Telephone

+8801828429767

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Engr Md Jannatul F Meraz posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Engr Md Jannatul F Meraz:

Share