13/11/2022
ই-কমার্স এর উদ্ভাবন ও ইতিহাসঃ
৯০ দশকের পূর্ববর্তী সময়গুলোতে শুধু প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রম এর ক্ষেত্রে ইন্টারনেট সেবা প্রচলিত থাকলেও নব্বই দশকের পর থেকে সর্বসাধারণের জন্য ইন্টারনেট সেবা উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।
আর এর ফলে মানুষের মধ্যে ইন্টারনেটের ব্যবহার অত্যধিক হারে বেড়ে যাওয়ার সাথে অনলাইনে ক্রয় বিক্রির পদ্ধতিটি বিশ্বব্যাপী ব্যাপক হারে বিস্তার লাভ করতে শুরু করে।
Ecommerce এর তথ্য অনুযায়ী ইন্টারনেট বা অনলাইন দ্বারা ক্রয় বিক্রয় পদ্ধতির সূচনা হয় প্রায় ৪০ বছর পূর্বে অর্থাৎ ১৯৮২ সালের দিকে এবং বর্তমানে প্রতিবছর প্রায় ২৩% হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে ইকমার্স অগ্রগতি।
১৯৮০ সালের দিকে ইন্টারনেটে আর্থিক লেনদেন করার মত তেমন মাধ্যম না থাকায় E-commerce Bussiness এর খুব একটা উন্নতি ঘটেনি। তবে পরবর্তীতে ইন্টারনেট ফান্ড ট্রান্সফার প্রযুক্তি উদ্ভাবন হওয়ার পর এই শিল্পের উন্নয়ন ঘটতে শুরু করে।
গ্রাহকরা এ প্রযুক্তি ব্যবহার করে ইন্টারনেট দ্বারা সকল আর্থিক লেনদেন করতে সক্ষম হয়েছিল। এভাবে পর্যায়ক্রমে সময়ের সাথে সাথে আর্থিক লেনদেনের অনেক মাধ্যম প্রচলিত হয়। যার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে PayPal (পেপাল)।
১৯৯৮ সালে পেপাল উদ্ভাবনের পর অনলাইনের আর্থিক লেনদেনের কাজ করাটা অনেক সহজ হয়ে যায়। ঠিক যেভাবে বর্তমানে বাংলাদেশের মানুষ রকেট, বিকাশ দ্বারা সকল আর্থিক লেনদেন করতে সক্ষম হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রে সর্বপ্রথম ১৯৯৪ সালে অনলাইনে লাইব্রেরী কিংবা বুক স্টোর হিসেবে আমাজন (Amazon) এর যাত্রা শুরু হয়। এমনকি সে সময় আমাজন দ্বারা অনলাইনের মাধ্যমে ক্রেতারা বিভিন্ন বই ক্রয় করতে পারতো।
আমাজন এর পর এক এক করে মার্কেটে Alibaba, Google Ads, Etsy, Facebook Business Page, AliExpress সহ আরো কোটি কোটি সাইট মার্কেটে এসেছে।
Ecommerce এর তথ্য মোতাবেক ২০১৭ সালের শুধুমাত্র সাইবার মানডে এর দিনই Ecommerce পদ্ধতিতে পণ্য বিক্রি হয় ৬.৫ বিলিয়নের সমমূল্য পণ্য।
আর এইভাবে ইন্টারনেট সেবার কল্যাণে আজ ই-কমার্স সেবার অগ্রগতি দিনদিন বাড়ছে।
ই-কমার্স এর উদ্ভাবন ও ইতিহাসঃ
৯০ দশকের পূর্ববর্তী সময়গুলোতে শুধু প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রম এর ক্ষেত্রে ইন্টারনেট সেবা প্রচলিত থাকলেও নব্বই দশকের পর থেকে সর্বসাধারণের জন্য ইন্টারনেট সেবা উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।
আর এর ফলে মানুষের মধ্যে ইন্টারনেটের ব্যবহার অত্যধিক হারে বেড়ে যাওয়ার সাথে অনলাইনে ক্রয় বিক্রির পদ্ধতিটি বিশ্বব্যাপী ব্যাপক হারে বিস্তার লাভ করতে শুরু করে।
Ecommerce এর তথ্য অনুযায়ী ইন্টারনেট বা অনলাইন দ্বারা ক্রয় বিক্রয় পদ্ধতির সূচনা হয় প্রায় ৪০ বছর পূর্বে অর্থাৎ ১৯৮২ সালের দিকে এবং বর্তমানে প্রতিবছর প্রায় ২৩% হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে ইকমার্স অগ্রগতি।
১৯৮০ সালের দিকে ইন্টারনেটে আর্থিক লেনদেন করার মত তেমন মাধ্যম না থাকায় E-commerce Bussiness এর খুব একটা উন্নতি ঘটেনি। তবে পরবর্তীতে ইন্টারনেট ফান্ড ট্রান্সফার প্রযুক্তি উদ্ভাবন হওয়ার পর এই শিল্পের উন্নয়ন ঘটতে শুরু করে।
গ্রাহকরা এ প্রযুক্তি ব্যবহার করে ইন্টারনেট দ্বারা সকল আর্থিক লেনদেন করতে সক্ষম হয়েছিল। এভাবে পর্যায়ক্রমে সময়ের সাথে সাথে আর্থিক লেনদেনের অনেক মাধ্যম প্রচলিত হয়। যার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে PayPal (পেপাল)।
১৯৯৮ সালে পেপাল উদ্ভাবনের পর অনলাইনের আর্থিক লেনদেনের কাজ করাটা অনেক সহজ হয়ে যায়। ঠিক যেভাবে বর্তমানে বাংলাদেশের মানুষ রকেট, বিকাশ দ্বারা সকল আর্থিক লেনদেন করতে সক্ষম হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রে সর্বপ্রথম ১৯৯৪ সালে অনলাইনে লাইব্রেরী কিংবা বুক স্টোর হিসেবে আমাজন (Amazon) এর যাত্রা শুরু হয়। এমনকি সে সময় আমাজন দ্বারা অনলাইনের মাধ্যমে ক্রেতারা বিভিন্ন বই ক্রয় করতে পারতো।
আমাজন এর পর এক এক করে মার্কেটে Alibaba, Google Ads, Etsy, Facebook Business Page, AliExpress সহ আরো কোটি কোটি সাইট মার্কেটে এসেছে।
Ecommerce এর তথ্য মোতাবেক ২০১৭ সালের শুধুমাত্র সাইবার মানডে এর দিনই Ecommerce পদ্ধতিতে পণ্য বিক্রি হয় ৬.৫ বিলিয়নের সমমূল্য পণ্য।
আর এইভাবে ইন্টারনেট সেবার কল্যাণে আজ ই-কমার্স সেবার অগ্রগতি দিনদিন বাড়ছে।