মধু (Honey):- হযরত আয়েশা (রায়িঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসালাম এর নিকট মধু খুব বেশী প্রিয় ছিল। আল্লাহর রাসুলের(স.) নিকট মধু এ জন্য বেশী প্রিয়ছিল যে, আল্লাহ তা’আলা বলেন, এর মধ্যে মানব জাতির রোগ নিরাময় রয়েছে। মধুর রয়েছে অসংখ্য উপকারিতা। সকালে খালি পেটে জিহ্বা দ্বারা মধু চেটে খেলে কফ দূর হয়, পাকস্থলী পরিস্কার হয়, দেহের অতিরিক্ত দূষিত পদার্থ বের হয়, গ্রন্থ খুলে দ
েয়, পাকস্থলী স্বাভাবিক হয়ে যায়, মস্তিস্ক শক্তি লাভ করে, স্বাভাবিক তাপে শক্তি আসে, রতি শক্তি বৃদ্ধি হয়, মূত্রথলির পাথর দূর করে, প্রস্রাব স্বাভাবিক হয়, গ্যাস নির্গত হয় ও ক্ষুধা বাড়ায়।
প্যারালাইসিসের জন্যও মধু উপকারী। মধু হাজারো রকম ফুল ও দানার নির্যাস। দুনিয়ার সকল গবেষকগণ একত্রিত হয়ে এমন নির্যাস প্রস্তুত করতে চাইলেও কখনো বানাতে পারবে কিনা এ বিষয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে। এটা শুধু মহান আল্লাহ পাকেরই শান যে, তিনি বান্দার জন্য এমন উত্তম ও বিশেষ উপকারী নির্যাস সৃষ্টি করে দিয়েছেন।..........সামান্য গরম পানির সাথে মধু মিশিয়ে খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য বেশ উপকারী। অনেক লোক নিয়মিত সকালে এক গ্লাস গরম পানির সাথে মধু মিশিয়ে খান। এর প্রধান সুবিধা হচ্ছে মধু ওজন কমায়। মধুর বহুমুখী উপকারিতা রয়েছে। নিচে মধুর কিছু গুণ তুলে ধরা হলো :
গরম পানির সাথে মধু মিশিয়ে খেলে প্রথম আপনার ওজন কমবে। কারণ গরম পানি ওজন কমাতে সহায়ক।
মধু মেশানো গরম পানি চর্বি কমাতে সহায়তা করে।
গরম পানির সাথে মধু মিশিয়ে পান করলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়।
মধু শরীরের শক্তি বৃদ্ধি করে কিন্তু মেদ বাড়ায় না।
মধু অবশ্যই স্বাস্থ্যসম্মতভাবে প্রতিদিন সকালে খাওয়া উচিত।
মধু রূপচর্চায় ব্যবহার করতে পারেন। কেননা মধু ত্বক পরিষ্কার করে এবং ব্যাকটেরিয়া দূর করে।
পাকস্থলির জন্য মধু খুবই উপকারী। পানির সাথে মধু মিশিয়ে খেলে তা পাকস্থলিতে খাদ্যদ্রব্য হজমে সহায়তা করে। এর ফলে আপনি ক্ষুধা অনুভব করবেন।
পানিশূন্যতা দূর করতে মধু খেতে পারেন। কারণ মধু শরীরে পানি জোগান দিয়ে শরীর সতেজ ও প্রাণবন্ত রাখে।