Struggling youth

Struggling youth ঈমান বাঁচাও, দেশ বাঁচাও

30/05/2026

🔴 বিএনপি এখন জালিম!
কড়া বার্তা দিলেন শিবির সভাপতি সাদ্দাম 👇

---

বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে কড়া সমালোচনা করেছেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম সাদ্দাম। তিনি বলেন, "যারা এতোদিন মাজলুম ছিল তারা এখন জুলুম শুরু করেছে। মাজলুম যখন জালেম হয়, তখন হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে ফেলে।"

শনিবার (৩০ মে) দুপুরে সাতক্ষীরার মোজাফর গার্ডেন অ্যান্ড রিসোর্টে সাতক্ষীরা শহর ছাত্রশিবির আয়োজিত ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

---

# # ছাত্রশিবিরকে 'গুপ্ত' বলার প্রতিবাদ

শিবির সভাপতি বলেন, ইসলামী ছাত্রশিবির বিশ্বের সকল ছাত্র সংগঠনের মধ্যে সবচেয়ে বড় — একটি মেধাবী, আদর্শিক ও নৈতিক সংগঠন। তিনি বলেন, "মেধার চর্চা ও মেধাবী শিক্ষার্থী তৈরিই এই সংগঠনের উদ্দেশ্য। শিবিরকে 'গুপ্ত' বলে সাধারণ শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে দূরে রাখা যাবে না।"

তিনি অভিযোগ করেন, বাংলাদেশের প্রতিটি ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের জন্য আবাসন নিশ্চিতে শিবির যখন আন্দোলন করছে, তখন বৃহত্তর ছাত্র সংগঠন দাবিদাররা ছিনতাই, খুন, ধর্ষণ, টেন্ডারবাজি ও চাঁদাবাজিতে ব্যস্ত। ক্যাম্পাসে শিবিরের কর্মসূচিতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বাড়তে থাকায় অন্য সংগঠনগুলো বহিরাগত ভাড়া করেও কর্মসূচি সফল করতে পারছে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

---

# # সরকারের সমালোচনা

সরকারের অব্যবস্থাপনার কড়া সমালোচনা করে নূরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেন, দুর্বল ব্যবস্থাপনার কারণে জনগণের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। ঈদযাত্রায় মানুষের চরম ভোগান্তি এবং সড়ক দুর্ঘটনায় বহু প্রাণহানির জন্য তিনি সরকারকে দায়ী করেন।

---

# # শিবিরের লক্ষ্য ও অঙ্গীকার

শিবির সভাপতি বলেন, ইসলামের আদর্শ ও শিক্ষা অনুসরণের মাধ্যমে একটি কল্যাণমূলক সমাজ ও রাষ্ট্র গড়াই ছাত্রশিবিরের মূল লক্ষ্য। ক্যাম্পাসে গেস্টরুম সংস্কৃতি ও মাদক নির্মূল করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতে সংগঠন বদ্ধপরিকর বলেও জানান তিনি।

কোরবানির প্রকৃত শিক্ষা গ্রহণ করে সমাজে ত্যাগ, ন্যায়বিচার ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় ছাত্রশিবিরকে এগিয়ে আসার আহ্বানও জানান তিনি।

---

# # অনুষ্ঠানের বিবরণ

*"ঈমানী আলোয় দীপ্ত হৃদয়, সম্প্রীতির এই গান — শিকড়ের টানে এক হবো সবে, জাগবে দ্বীনি প্রাণ"* — এই স্লোগানকে ধারণ করে সাতক্ষীরা শহর শাখার উদ্যোগে অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হয়।

সাতক্ষীরা শহর শাখার সভাপতি মেহেদি হাসানের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি নুরুন নবির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা-১ আসনের সংসদ সদস্য মুহা. ইজ্জত উল্লাহ, সাতক্ষীরা-২ আসনের সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক, সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম, সাতক্ষীরা জামায়াতের আমীর উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল, নায়েবে আমীর শেখ নূরুল হুদা, জেলা সেক্রেটারি মাওলানা আজিজুর রহমানসহ সংগঠনের বর্তমান ও সাবেক দায়িত্বশীলরা।

অনুষ্ঠানে সাবেক ও বর্তমান সভাপতি, সেক্রেটারিসহ কয়েকশত সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

#শিবির_সভাপতি_সাদ্দাম #বিএনপি_জালিম #ইসলামী_ছাত্রশিবির #ছাত্র_আন্দোলন #নিরাপদ_ক্যাম্পাস #সাতক্ষীরা #ক্যাম্পাস_রাজনীতি #মাজলুম_থেকে_জালেম #নৈতিক_ছাত্র_রাজনীতি

26/05/2026

উন্নয়ন প্রকল্পের নামে জমি ও চর দখলের মহোৎসব: কাঠগড়ায় ঠিকাদার সবুজ আলী খান, নেপথ্যে পাউবো কর্মকর্তার যোগসাজশের অভিযোগ
নিজস্ব প্রতিবেদক:

উন্নয়ন প্রকল্পের নামে বছরের পর বছর ব্লক নির্মাণের অজুহাত দেখিয়ে জমি ও নদীগর্ভে জেগে ওঠা চর দখলের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় প্রভাবশালী সবুজ আলী খানের বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, জাইকার (JICA) অর্থায়নে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) কর্মকর্তাদের একাংশের পরোক্ষ মদদে কোটি কোটি টাকার এই প্রকল্পে চলছে নজিরবিহীন অনিয়ম ও সময়ক্ষেপণ। এই নিয়ে স্থানীয় এলাকাবাসীর মধ্যে চরম ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে।

'ব্লক' দুর্নীতির অভিনব ফর্মুলা
স্থানীয় ভুক্তভোগী ও সচেতন মহলের মতে, নদী শাসনের নামে এখানে চলছে এক অভিনব ‘লুটপাটের ফর্মুলা’। নিয়মানুযায়ী এক লাখ ব্লক তৈরি করে তা দ্রুত নদীতে ফেলার কথা থাকলেও, বাস্তবে তা করা হচ্ছে নামমাত্র।
অভিযোগের ধরণ: স্থানীয়দের দাবি, কাগজে-কলমে এক লাখ ব্লক তৈরির কথা থাকলেও, মাত্র ২০ হাজার ব্লক নদীতে ফেলা হয়। বাকি ৮০ হাজার ব্লক প্রকল্প এলাকায় রেখে দেওয়া হয় সময়ক্ষেপণের জন্য।

চক্রাকার জালিয়াতি: পরবর্তীতে সেই একই ব্লক বারবার ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে নতুন করে ফেলার নাটক সাজানো হয়। এভাবে বছরের পর বছর ধরে প্রকল্প টেনে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে এবং কোটি কোটি টাকা লোপাট করা হচ্ছে।

জমি দখল ও মব সংস্কৃতির বিস্তার
অভিযোগে জানা যায়, ব্লক তৈরির অজুহাতে স্থানীয় সাধারণ মানুষের জমি এবং নদীর সরকারি চর বছরের পর বছর ধরে অবৈধভাবে দখল করে রেখেছেন সবুজ আলী খান। কেউ এই অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে গেলে ভাড়াটে লাঠিয়াল বাহিনী দিয়ে এলাকায় 'মব' বা কৃত্রিম বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে মুখ বন্ধ করিয়ে দেওয়া হয়। ফলে দস্যুপনার শিকার হয়েও ভয়ে অনেকে মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেন না।

অসহায় এলাকাবাসী, নীরব প্রশাসন
প্রকল্পের নামে এই দীর্ঘমেয়াদী হয়রানিতে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ক্ষোভ প্রকাশ করে একজন ভুক্তভোগী বলেন,
"সবুজ আলী খানের এই দখলদারিত্ব ও দস্যুপনার বিরুদ্ধে আমরা যাব কোথায়? কার কাছে বিচার দেব? আমাদের কথা শোনার মতো কেউ নেই।"

স্থানীয়দের অভিযোগ, আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থা জাইকার অর্থায়নে পরিচালিত এই মেগা প্রকল্পে পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হাত রয়েছে। আর এই যোগসাজশের কারণেই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি আইনকানুন তোয়াক্কা না করে নদী ও জমি গ্রাস করে চলেছে।
এই বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং অভিযুক্ত সবুজ আলী খানের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তাদের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। নদী ও সাধারণ মানুষের জমি রক্ষায় ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দ্রুত ও নিরপেক্ষ হস্তক্ষেপ কামনা করছেন এলাকাবাসী।

জাইকা প্রকল্পের আড়ালে শ্যামনগরে ভূমিদস্যুতা ও পরিবেশ বিপর্যয়প্রতিবাদী ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মিথ্যা চাঁদাবাজি মাম...
26/05/2026

জাইকা প্রকল্পের আড়ালে শ্যামনগরে ভূমিদস্যুতা ও পরিবেশ বিপর্যয়
প্রতিবাদী ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মিথ্যা চাঁদাবাজি মামলা — বুড়িগোয়ালিনীতে চলছে মানবাধিকার লঙ্ঘনের মহোৎসব

সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নে জাইকার অর্থায়নে পরিচালিত বেড়িবাঁধ নির্মাণ প্রকল্পকে কেন্দ্র করে ব্যাপক অনিয়ম, ভূমিদস্যুতা ও পরিবেশ ধ্বংসের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। প্রকল্পের ঠিকাদার তথা ইজারাদার সবুজ খানের বিরুদ্ধে স্থানীয় মানুষের চর দখল, গাছ কাটা, ভূমিহীন পরিবার উচ্ছেদ এবং শ্মশানঘাট দখলের মতো গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই অনিয়মের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ায় বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন পরিষদের তিনবারের চেয়ারম্যান হাজী মোঃ নজরুল ইসলাম ও তাঁর পুত্রসহ স্থানীয় বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে একটি চাঁদাবাজি মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
মামলার পটভূমি
গত ২৪ মে ২০২৬ তারিখে আর-রাদ কর্পোরেশনের আইন কর্মকর্তা মোঃ জালাল উদ্দিন বাদী হয়ে শ্যামনগর থানায় একটি এজাহার দায়ের করেন। এজাহারে অভিযোগ করা হয়, ২৩ মে ২০২৬ তারিখ দুপুর ১টায় পূর্ব দুর্গাবাটি সরকারি বন্যা নিয়ন্ত্রণ বেড়িবাঁধ প্রকল্পের সাইটে চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম উপস্থিত থেকে মারপিট ও লুটপাটের নির্দেশ দেন। তবে অভিযুক্ত চেয়ারম্যান এই দাবিকে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দৃঢ়ভাবে অস্বীকার করেছেন।
ঘটনাস্থলে অনুপস্থিতির প্রমাণ: 'অ্যালিবাই'
চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম জানান, ২৩ মে তারিখে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত তিনি বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন পরিষদের 'বার্ষিক উন্মুক্ত বাজেট' অনুষ্ঠানে সশরীরে সভাপতিত্ব করছিলেন। রাষ্ট্রীয়ভাবে বাধ্যতামূলক এই সরকারি অনুষ্ঠানে বহু গণ্যমান্য ব্যক্তি, সরকারি কর্মকর্তা ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। একই সময়ে তাঁর পক্ষে দুটি ভিন্ন স্থানে উপস্থিত থাকা প্রাকৃতিকভাবেই অসম্ভব।
এই অনুষ্ঠানের অসংখ্য স্থিরচিত্র, ভিডিও ফুটেজ এবং অফিশিয়াল কার্যবিবরণী সংরক্ষিত রয়েছে বলে তিনি দাবি করেছেন। প্রচলিত ফৌজদারি আইন অনুযায়ী, এই নথিসমূহ তাঁর অ্যালিবাই হিসেবে কাজ করবে।
ইজারাদারের বিরুদ্ধে অভিযোগসমূহ
চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম জাইকার ইজারাদার সবুজ খানের বিরুদ্ধে নিম্নলিখিত সুনির্দিষ্ট অভিযোগ উপস্থাপন করেছেন:
চিংড়ি মহাল দখল: মন্ত্রণালয় অনুমোদিত একটি বৈধ চিংড়ি মহাল কোনো আইনি প্রক্রিয়া ছাড়াই বালু ভরাট করে জোরপূর্বক দখল করে নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে স্বয়ং জেলা প্রশাসক (ডিসি) অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন বলে জানা গেছে।
ভূমিহীন পরিবার উচ্ছেদ: আকাশলীনার সামনে প্রায় ১৫০-২০০ বিঘা জমি দখল করে সেখানে বসবাসকারী ৭টি ভূমিহীন পরিবারকে উচ্ছেদের নোটিশ দেওয়া হয়েছে, যা মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
শ্মশানঘাট দখল: সনাতন ধর্মাবলম্বীদের একটি পবিত্র শ্মশানঘাট দখল করে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
পরিবেশ বিধ্বংস: বাঁধ নির্মাণের আড়ালে ওই অঞ্চলে হাজার হাজার গাছ কেটে পরিবেশের অপূরণীয় ক্ষতি করা হয়েছে।
পানির পথ বন্ধ: প্রায় ২০০০ বিঘা জমিতে মৎস্য চাষের একমাত্র পানির পথ বন্ধ করে দিয়ে গোটা এলাকার অর্থনৈতিক জীবন বিপন্ন করা হয়েছে।
বৈধ ক্ষতিপূরণের দাবি ও গণমাধ্যমের ভূমিকা
ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষ জেলা প্রশাসক (ডিসি) বরাবর ক্ষতিপূরণের আবেদন করেছেন, যা বর্তমানে এসি-ল্যান্ড, শ্যামনগর অফিসে তদন্তাধীন রয়েছে। এছাড়া ২০২৫ সালের ৮ মার্চ এলাকাবাসী মানববন্ধন করেন এবং প্রধান উপদেষ্টা বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন।
ঘটনার দিন (২৩ মে) দেশের প্রায় ১৮ থেকে ২০ জন পেশাদার সাংবাদিক সরেজমিনে তদন্তে গিয়েছিলেন। এজাহারে উল্লেখিত '২০/২৫ জন অজ্ঞাতনামা' আসামির পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে — অনেকের আশঙ্কা, এটি সত্যসন্ধানী সাংবাদিকদের কণ্ঠরোধ করার একটি অপকৌশল।
এজাহারের আইনি অসংগতি
দায়েরকৃত এজাহারে দণ্ডবিধির ১৪৩/৪৪৭/৪৪৮/৩২৩/৩২৫/৩০৭/৩৫৪/৩৭৯/৫০৬ ধারা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। একটি ঘড়ি ও ৩,২০০ টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগও যোগ করা হয়েছে, যাকে আইন বিশেষজ্ঞরা অতিরঞ্জিত ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মনে করছেন। মামলাকে 'ভারী' করার জন্য এ ধরনের কৌশল অবলম্বন করা হয়েছে বলে তাঁরা মত দিয়েছেন।

চেয়ারম্যান নজরুল ইসলামের দাবিসমূহ
অবিলম্বে মামলা প্রত্যাহার: তাঁর ও তাঁর পুত্রসহ সকল নির্দোষ ব্যক্তির নাম মামলা থেকে বাদ দিতে হবে।
নিরপেক্ষ তদন্ত: ইউপি বাজেটের নথিপত্র, ভিডিও ফুটেজ ও ইজারাদারের পূর্ববর্তী ভূমিদস্যুতার রেকর্ড যাচাই করে সুষ্ঠু তদন্ত পরিচালনা করতে হবে।
ভূমিদস্যুতা ও পরিবেশ ধ্বংস বন্ধ: ইজারাদার সবুজ খানের বিরুদ্ধে জমি দখল, বৃক্ষনিধন, উচ্ছেদ ও শ্মশান দখলের অভিযোগে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে।
ক্ষতিপূরণ নিশ্চিতকরণ: ডিসি অফিসে দাখিলকৃত আবেদনের ভিত্তিতে চিংড়ি মহাল ও ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের ন্যায্য ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করতে হবে।

#জাইকার_নামে_লুটপাট #মিথ্যা_মামলা_প্রত্যাহার_চাই #ভূমিহীনদের_উচ্ছেদ_বন্ধ_করো #সুষ্ঠু_তদন্ত_চাই #শ্যামনগর #সাতক্ষীরা

শ্যামনগরে উন্নয়ন প্রকল্পের আড়ালে চর দখল ও পরিবেশ ধ্বংসের মহোৎসব! প্রতিবাদ করায় ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে জাইকার ইজারাদা...
25/05/2026

শ্যামনগরে উন্নয়ন প্রকল্পের আড়ালে চর দখল ও পরিবেশ ধ্বংসের মহোৎসব! প্রতিবাদ করায় ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে জাইকার ইজারাদারের মিথ্যা মামলার নাট্যশালা

​নিজস্ব প্রতিবেদক, শ্যামনগর (সাতক্ষীরা) | ২৫ মে, ২০২৬

​সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নে জাইকার অর্থায়নে বেড়িবাঁধ নির্মাণ প্রকল্পের আড়ালে চলছে নজিরবিহীন ভূমিদস্যুতা, পরিবেশ ধ্বংস এবং সাধারণ মানুষের জমি দখলের মহোৎসব। আর এই অনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে স্থানীয় জনগণের পাশে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ করায় বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন পরিষদের তিনবারের সফল চেয়ারম্যান হাজী নজরুল ইসলাম এবং তার পুত্রসহ স্থানীয়দের বিরুদ্ধে একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ও বানোয়াট চাঁদাবাজি মামলা দায়ের করেছে ইজারাদার পক্ষ।
​গত ২৪ মে আর-রাদ কর্পোরেশনের আইন কর্মকর্তা মোঃ জালাল উদ্দিন বাদী হয়ে শ্যামনগর থানায় এই এজাহার দায়ের করেন। তবে সরেজমিনে অনুসন্ধান, আইনি যুক্তি এবং ঘটনার পারিপার্শ্বিকতা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, এই মামলাটি মূলত ইজারাদারের নিজস্ব অনিয়ম ও উচ্ছেদ তৎপরতা আড়াল করার একটি নিকৃষ্টতম ব্লু-প্রিন্ট।
​মামলার প্রধান বিবাদী বুড়িগোয়ালিনী ইউপি চেয়ারম্যান হাজী মোঃ নজরুল ইসলাম ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে অনলাইন নিউজ পোর্টালের মাধ্যমে পুরো ঘটনার প্রকৃত সত্য ও তার দাবিগুলো দেশবাসীর সামনে তুলে ধরেছেন।
​ইউপি চেয়ারম্যান হাজী মোঃ নজরুল ইসলামের জবানবন্দি ও বাস্তব সত্য:

​"আমি হাজী মোঃ নজরুল ইসলাম, চেয়ারম্যান, বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন পরিষদ। ক্ষমতার অপব্যবহার করে আমার ইউনিয়নের নিরীহ মানুষের জমি ও সরকারি সম্পত্তি গ্রাস করতে ইজারাদার পক্ষ যে চক্রান্ত শুরু করেছে, আমি তার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
​নিচে আইনি যুক্তি ও বস্তুনিষ্ঠ তথ্যের আলোকে এই মামলার মিথ্যাচার ও বাস্তব সত্য আমি তুলে ধরছি:

​১. ‘অ্যালিবাই’ বা ঘটনাস্থলে আমার অনুপস্থিতির অকাট্য প্রমাণ
​এজাহারে দাবি করা হয়েছে, ২৩ মে, ২০২৬ তারিখ দুপুর ১:০০ ঘটিকায় পূর্ব দুর্গাবাটি সরকারি বন্যা নিয়ন্ত্রণ বেড়িবাঁধ প্রকল্পের সাইটে আমি নাকি উপস্থিত থেকে মারপিট ও লুটপাটের হুকুম দিয়েছি। অথচ প্রকৃত সত্য হলো, উক্ত তারিখে এবং সময়ে আমি বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন পরিষদের এক অতি গুরুত্বপূর্ণ ও রাষ্ট্রীয়ভাবে বাধ্যতামূলক ‘বার্ষিক উন্মুক্ত বাজেট’ অনুষ্ঠানে সশরীরে সভাপতিত্ব করছিলাম। সকাল ৮:০০ টা থেকে বিকেল ৪:০০ টা পর্যন্ত চলমান এই জনাকীর্ণ সরকারি অনুষ্ঠানে বহু গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, সরকারি কর্মকর্তা এবং সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন, যার অসংখ্য স্থিরচিত্র, ভিডিও ফুটেজ এবং কার্যবিবরণী সংরক্ষিত রয়েছে। দেশের প্রচলিত ফৌজদারি আইন অনুযায়ী, একজন ব্যক্তি একই সময়ে দুটি ভিন্ন স্থানে উপস্থিত থাকতে পারেন না। অতএব, এজাহারে উল্লেখিত সময়ে ঘটনাস্থলে আমার উপস্থিতির দাবিটি সম্পূর্ণ বানোয়াট ও আইনি ভিত্তিশূন্য।

​২. ঘটনার পেছনে আসল রহস্য: জাইকার ইজারাদারের স্বার্থ ও ভূমিদস্যুতা
​মামলার মূল হোতা তথা প্রকল্পের কথিত জাইকার ইজারাদার সবুজ খান (যার পক্ষে আর-রাদ কর্পোরেশনের কর্মকর্তা মামলা করেছেন) জাইকার অর্থায়নে বেড়িবাঁধের কাজ করতে এসে মূলত ক্ষমতার অপব্যবহার করে আমার ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের চর দখলের খেলায় মেতে উঠেছেন:
​চিংড়ি মহালের অবৈধ দখল: কাজের মাঠ পরিদর্শনের নামে জাইকার ইজারাদার সবুজ খান "মন্ত্রণালয় অনুমোদিত একটি বৈধ চিংড়ি মহাল" কোনরূপ পূর্ব আলোচনা বা আইনি প্রক্রিয়া ছাড়াই ক্ষমতার দাপটে বালু ভরাট করে জোরপূর্বক দখল করে নেন। স্বয়ং বিজ্ঞ জেলা প্রশাসক (ডিসি) মহোদয় এই বিষয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে জানিয়েছিলেন যে, সরকারের রাজস্ব আহরণকারী জমি এভাবে দখল করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
​পরিবেশ বিধ্বংসী কর্মকাণ্ড ও উচ্ছেদ তৎপরতা: বাঁধ নির্মাণের আড়ালে জাইকার ইজারাদার ওই অঞ্চলের হাজার হাজার গাছ কেটে পরিবেশের অপূরণীয় ক্ষতি করেছেন। শুধু তাই নয়, আকাশলীনার সামনে প্রায় ১৫০-২০০ বিঘা জমি অবৈধভাবে দখল করে সেখানে বসবাসকারী ৭ জন ভূমিহীন ও বাস্তুহারা পরিবারকে উচ্ছেদ করার নোটিশ দিয়ে চরম মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছেন। এমনকি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের একটি পবিত্র ‘শ্মশান ঘাট’ পর্যন্ত তিনি দখল করে নিয়েছেন।
​গণমানুষের পানির পথ বন্ধ: প্রায় ২০০০ বিঘা জমিতে মৎস্য চাষের একমাত্র পানির পথটি বন্ধ করে দিয়ে তিনি পুরো এলাকার অর্থনীতি ও জনজীবনকে হুমকির মুখে ফেলেছেন।

​৩. বৈধ ক্ষতিপূরণের দাবি বনাম ‘চাঁদাবাজি’র সস্তা ট্যাগ
​ভুক্তভোগী পক্ষ যখন নিজেদের জমি ও চিংড়ি মহালের ক্ষতিপূরণের জন্য আইনানুগভাবে বিজ্ঞ জেলা প্রশাসক (ডিসি) মহোদয় বরাবর আবেদন করেন (যা বর্তমানে এসি-ল্যান্ড, শ্যামনগর অফিসে তদন্তাধীন), এবং যখন ঠিকাদারের কাজের স্থবিরতার বিরুদ্ধে গত ০৮ মার্চ, ২০২৫ তারিখে এলাকাবাসী মানববন্ধন ও প্রধান উপদেষ্টা বরাবর স্মারক লিপি প্রদান করেন—তখনই জাইকার ইজারাদার পক্ষ দিশেহারা হয়ে পড়ে। জনগণের পক্ষে আমি ও স্থানীয় মানুষ সোচ্চার হওয়ায় এবং বৈধ আইনি দাবি উত্থাপন করায়, আমাদের কণ্ঠরোধ করতে ও বৈধ ক্ষতিপূরণ না দেওয়ার হীন উদ্দেশ্যে এই ‘চাঁদাবাজি’র সস্তা ট্যাগ ব্যবহার করা হচ্ছে।

​৪. ‘অজ্ঞাতনামা’ ২০/২৫ জনের রহস্য এবং গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধের চেষ্টা
​দীর্ঘদিন ধরে জাইকার ইজারাদারের এই প্রোপাগান্ডা ও অনিয়মের খবর পেয়ে ঘটনার দিন (২৩ মে) প্রকৃত সত্য অনুসন্ধানের জন্য দেশের প্রায় ১৮ থেকে ২০ জন পেশাদার গণমাধ্যমকর্মী ও সাংবাদিকের একটি দল ওই এলাকায় সরেজমিনে তদন্তে যান। এখন প্রশ্ন জাগে, এজাহারে যে ২০/২৫ জন ‘অজ্ঞাতনামা’ আসামির কথা বলা হয়েছে, তা কি আসলে ওই সত্যসন্ধানী সাংবাদিকদের উদ্দেশ্য করে? এটি মূলত স্বাধীন সাংবাদিকতা এবং সত্য প্রকাশের কণ্ঠরোধ করার একটি অপকৌশল মাত্র।

​৫. আইনি অসংগতি ও অতিরঞ্জিত এজাহার
​এজাহারে দণ্ডবিধির ১৪৩/৪৪৭/৪৪৮/৩২৩/৩২৫/৩০৭/৩৫৪/৩৭৯/৫০৬ ধারার অবতারণা করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। একটি ঘড়ি ও ৩,২০০ টাকা ছিনতাইয়ের মতো কাল্পনিক চুরির গল্প সাজানো হয়েছে মামলাটিকে ভারী করার জন্য। প্রকৃতপক্ষে, আমি একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে সবসময় জনগণের পক্ষে দাঁড়িয়েছি। প্রশাসনকে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে হাজির করার ব্যবস্থা করায় এবং জাইকার ইজারাদারের অনৈতিক কাজের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ায় আমার বিরুদ্ধে এই মিথ্যা মামলা রজু করা হয়েছে।

​আমার দাবি সমূহ:
​অবিলম্বে মামলা প্রত্যাহার: সম্পূর্ণ রাজনৈতিক, ব্যবসায়িক ও ব্যক্তিগত প্রতিহিংসামূলক এই কাল্পনিক ও বানোয়াট মামলা থেকে অবিলম্বে আমার ও আমার পুত্রসহ সকল নির্দোষ ব্যক্তির নাম প্রত্যাহার করতে হবে।
​নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত: তদন্তকারী পুলিশ প্রশাসন ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে বিনীত অনুরোধ—কোনো প্রকার প্রভাবশালী মহলের চাপের কাছে নতি স্বীকার না করে, ইউনিয়ন পরিষদের বাজেটের নথিপত্র, স্থিরচিত্র এবং জাইকার ইজারাদারের পূর্ববর্তী ভূমিদস্যুতার রেকর্ড খতিয়ে দেখে ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত করা হোক।
​ভূমিদস্যুতা ও পরিবেশ ধ্বংস বন্ধ করা: বাঁধ নির্মাণের নামে আকাশলীনার সম্মুখের ১৫০-২০০ বিঘা জমি দখল, ৭ জন ভূমিহীনকে উচ্ছেদ, শ্মশান ঘাট দখল এবং হাজার হাজার গাছ কর্তনকারী জাইকার ইজারাদার সবুজ খানের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
​ক্ষতিপূরণ নিশ্চিতকরণ: মন্ত্রণালয় অনুমোদিত চিংড়ি মহাল ও এলাকার সাধারণ জনগণের যে ক্ষতি করা হয়েছে, বিজ্ঞ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে দাখিলকৃত আবেদনের ভিত্তিতে তার সঠিক তদন্ত ও উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করতে হবে।"

​বিনীত,
হাজী মোঃ নজরুল ইসলাম
চেয়ারম্যান,
বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন পরিষদ
শ্যামনগর, সাতক্ষীরা।

#শ্যামনগর #সাতক্ষীরা #বুড়িগোয়ালিনী #জাইকা_প্রকল্পের_নামে_লুটপাট #পরিবেশ_ধ্বংস #গাছ_কাটা_বন্ধ_করুন #ভূমিদস্যুতার_বিরুদ্ধে_লড়ুন #মিথ্যা_মামলা_প্রত্যাহার_চাই #জনপ্রতিনিধির_পাশে_জনগণ #চেয়ারম্যান_নজরুল_ইসলাম #বাজেট_অনুষ্ঠানের_অ্যালিবাই #সাংবাদিকতার_কণ্ঠরোধ_চলবে_না #ভূমিহীনদের_উচ্ছেদ_বন্ধ_করো #শ্মশান_ঘাট_রক্ষা_করুন #চিংড়ি_মহাল_দখল #প্রশাসনের_সুষ্ঠু_তদন্ত_চাই #সত্যের_জয়_অনিবার্য #শ্যামনগরের_জনগণ_সোচ্চার

22/05/2026

সফলতার প্রথম ধাপ হলো—বিছানা ছেড়ে সময়মতো ঘুম থেকে ওঠা। 🥱
​আর আমার প্রতিদিনের যুদ্ধটা ঠিক এই প্রথম ধাপেই এসে আটকে যায়! অ্যালার্ম বাজে ৬ টায়, আর আমার ঘুম ভাঙে 'আর মাত্র ৫ মিনিট' করে করে সকাল ৯ টায়! ⏰🚶‍♂️
​ডিজিটাল যুগের অলসদের দলে আমি কি একাই, নাকি আপনারাও আছেন এই মহান দলে? হাজিরা দিন তো দেখি! 😂👇"

​ #আজকের_অবস্থা #বাঙালি_আড্ডা #ঘুমের_ঘোর

21/05/2026

শনিবার খোলা থাকবে প্রাথমিক বিদ্যালয়

 # সাতক্ষীরায় জমি দখলের শিকার চেয়ারম্যানকে ঘিরে একাধিক অনলাইন পোর্টালে মিথ্যা সংবাদ প্রচার: ষড়যন্ত্রের নেপথ্যে কে?**ব...
20/05/2026

# সাতক্ষীরায় জমি দখলের শিকার চেয়ারম্যানকে ঘিরে একাধিক অনলাইন পোর্টালে মিথ্যা সংবাদ প্রচার: ষড়যন্ত্রের নেপথ্যে কে?

**বুড়িগোয়ালিনী (সাতক্ষীরা) | ১৮ মে, ২০২৬**

সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে সম্প্রতি এশিয়া পোস্ট, কালবেলা, ডেইলি ক্যাম্পাস ও ভয়েস বাংলাসহ একাধিক অনলাইন নিউজ পোর্টালে "সাতক্ষীরায় সরকারি প্রকল্পে জামায়াত নেতার চাঁদা দাবি, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চায় পাউবো" শীর্ষক একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। তবে স্থানীয় সূত্র ও প্রশাসনিক নথি বলছে সম্পূর্ণ ভিন্ন কথা। প্রকৃত ঘটনা অনুসন্ধান করতে গিয়ে বেরিয়ে আসছে এক দীর্ঘ জমি দখল ও পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের চাঞ্চল্যকর চিত্র।

🔴 **মৎস্যঘের জবরদখল থেকে শুরু**

শ্যামনগর উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের হুলা এলাকায় চেয়ারম্যান নজরুল ইসলামের একটি সরকার অনুমোদিত বৈধ মৎস্যঘের ছিল, যা তিনি টানা ১৬ বছর ধরে পরিচালনা করে আসছিলেন। কিন্তু বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে সবুজ খান নামক এক ব্যক্তি তৎকালীন এক প্রভাবশালী নেতার আত্মীয় পরিচয়ে ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে সেই ১৬ বছরের পুরনো মৎস্যঘেরটি সম্পূর্ণ অবৈধভাবে জোর-জবরদখল করে নেয়। বিষয়টি নিয়ে চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম জেলা প্রশাসক মহোদয়ের বরাবর দরখাস্তের মাধ্যমে ক্ষতিপূরণ দাবি করেন এবং তদন্তে অভিযোগের সত্যতাও প্রমাণিত হয়।

🔴 **১০ একর জমি দখল ও হাজার গাছ নিধন**

এখানেই থামেনি সবুজ খানের দখলদার চক্র। মাসখানেক আগে তারা হুলা এলাকায় জবরদখলকৃত মৎস্যঘেরের পাশের আরও প্রায় ১০ একর জমি চারদিক বেঁধে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার অপচেষ্টা চালায়। এই প্রক্রিয়ায় তারা ভেকু (এক্সকাভেটর) দিয়ে হাজার হাজার সামাজিক বনায়নের ও সরকারি গাছ নির্বিচারে কেটে ফেলে। একইসাথে 'আকাশনীলা' এলাকার সামনে প্রায় ১৫০ শতক জমি অবৈধভাবে দখল করে দীর্ঘদিন ধরে সেখানে বসবাসকারী ৭টি অসহায় পরিবারকে জোরপূর্বক উচ্ছেদের ষড়যন্ত্র চলতে থাকে। পাশাপাশি এলাকার সাধারণ মানুষের পানি নিষ্কাশনের উন্মুক্ত পথটিও মাটি ভরাট করে বন্ধ করে দেওয়ার হীন চেষ্টা করা হয়।

🔴 **প্রশাসনের হস্তক্ষেপে দখলমুক্তি**

এই জঘন্য কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম ও এলাকার জনগণ সোচ্চার হন। বিষয়টি স্থানীয় সংসদ সদস্য, জেলা প্রশাসক (ডিসি), উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও এসিল্যান্ডের দৃষ্টিগোচরে আনা হলে এসিল্যান্ড ও তহশিলদার সরেজমিনে গিয়ে অবৈধ গাছ কাটার কার্যক্রম বন্ধ করেন এবং দখলকৃত জায়গা সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত ঘোষণা করেন। ওই অভিযানের একাধিক ভিডিও ফুটেজ সংরক্ষিত রয়েছে এবং চেয়ারম্যান ও এলাকাবাসীর প্রতিরোধের ফলে উচ্ছেদের শিকার পরিবারগুলো এখনো সেখানে বসবাস করছে।

🔴 **একাধিক পোর্টালে পরিকল্পিত মিথ্যা প্রচার**

প্রশাসনিক তদন্তে নিজেদের অপকর্ম প্রমাণিত হওয়ার পর সবুজ খান ও তার চক্র ভিন্ন কৌশলে মাঠে নামে। সবুজ খান নিজের হীন স্বার্থ চরিতার্থ করতে এশিয়া পোস্ট, কালবেলা, ডেইলি ক্যাম্পাস ও ভয়েস বাংলাসহ একাধিক অনলাইন পোর্টালে চেয়ারম্যান নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা ও অসত্য তথ্য সরবরাহ করে আসছে। একই মিথ্যা সংবাদ একযোগে এতগুলো পোর্টালে প্রকাশিত হওয়া প্রমাণ করে এটি একটি সুপরিকল্পিত অপপ্রচার অভিযান। উল্লেখ্য, কোনো ব্যক্তিকে মিথ্যা তথ্যের মাধ্যমে বারবার সামাজিকভাবে হেয় করা ও তার সম্মানহানি ঘটানো বাংলাদেশের প্রচলিত আইনে মানহানি হিসেবে গণ্য এবং ফৌজদারি ও দেওয়ানি উভয় আদালতে দণ্ডনীয় অপরাধ।

💬 **চেয়ারম্যানের বক্তব্য**

*"আমি এলাকার মানুষের স্বার্থে এবং অসহায় পরিবারগুলোর সুরক্ষায় দখলদারদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিলাম। প্রশাসনের তদন্তেও সত্য প্রমাণিত হয়েছে। এরপর থেকেই তারা আমার বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যা চাঁদাবাজির নাটক সাজিয়ে একাধিক পত্রিকায় সংবাদ ছাপাচ্ছে। সর্বমহলের কাছে আমার অনুরোধ — হুলা এলাকায় আসুন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করুন এবং প্রতিটি বিষয়ের সত্যতা যাচাই করে সিদ্ধান্ত নিন।"*

— **নজরুল ইসলাম, চেয়ারম্যান, বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন পরিষদ, শ্যামনগর, সাতক্ষীরা।**

---

#হুলা_জমি_দখল #সাতক্ষীরায়_ষড়যন্ত্র #মিথ্যা_সংবাদের_বিরুদ্ধে #বুড়িগোয়ালিনী_চেয়ারম্যান #নজরুল_ইসলাম_চেয়ারম্যান #হলুদ_সাংবাদিকতা_বন্ধ_করো াংলাদেশ #মিথ্যা_সংবাদ_প্রত্যাহার_করো #সত্য_প্রকাশ_পাবেই #সাতক্ষীরা #শ্যামনগর #জমি_দখল_বন্ধ_করো #ভূমিদস্যু_রুখে_দাও #অসহায়_পরিবার_রক্ষা_করো #প্রশাসন_সত্য_জানে #সত্যিকারের_সাংবাদিকতা_চাই #মানহানি_আইনত_দণ্ডনীয়

রাজনীতিতে ত্যাগের মহিমা ও কৃতজ্ঞতার এক নতুন অধ্যায়........​রাজনীতি যখন কেবল সংখ্যার সমীকরণে বন্দি, তখন বাংলাদেশ জামায়াতে...
17/04/2026

রাজনীতিতে ত্যাগের মহিমা ও কৃতজ্ঞতার এক নতুন অধ্যায়........

​রাজনীতি যখন কেবল সংখ্যার সমীকরণে বন্দি, তখন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়নে যে রুচিবোধ ও কৃতজ্ঞতাবোধের পরিচয় দিয়েছে, তা সত্যিই এক পশলা স্বস্তির বৃষ্টির মতো। এই সিদ্ধান্ত কেবল কিছু পদায়ন নয়, বরং এটি রাজপথের ত্যাগ, জোটের বিশ্বস্ততা এবং শহীদী রক্তের প্রতি বিনম্র স্বীকৃতির এক অনন্য দলিল।
​দীর্ঘদিন ধরে রাজপথের লড়াই আর দলের দুঃসময়ে অবিচল থাকা ডাঃ মাহমুদা মিতুর অবদান আমাদের রাজনৈতিক ইতিহাসে অবিস্মরণীয়। জোটের রাজনীতিতে তার ত্যাগ ও পরিশ্রমের মূল্যায়ন করে তাকে সংসদে জায়গা দেওয়াটা ছিল সময়ের দাবি এবং তৃনমূলের প্রাণের আকাঙ্ক্ষা। যোগ্যতাকে যথাযথ সম্মান দেওয়ার এই ধারা আমাদের আগামীর রাজনীতিকে আরও সমৃদ্ধ করবে।
​একইভাবে, মরহুম শফিউল আলম প্রধানের পরিবারের প্রতি জামায়াত আমিরের এই সিদ্ধান্ত এক বিরল কৃতজ্ঞতার নিদর্শন। শফিউল আলম প্রধান ছিলেন আপসহীন জাতীয়তাবাদের এক প্রদীপ্ত মশাল, যিনি ভারতীয় বয়ানের স্রোতে গা না ভাসিয়ে আমৃত্যু নিজস্ব রাজনৈতিক আদর্শে অটল ছিলেন। পিতার সেই আপসহীন উত্তরাধিকারকে পরম মমতায় আগলে রেখেছেন রাশেদ প্রধান। আজ সেই পরিবারের যোগ্য সদস্য তাসমিয়া প্রধানকে উচ্চকক্ষে সুযোগ করে দেওয়া প্রমাণ করে যে, জামায়াত তার দীর্ঘদিনের বিশ্বস্ত মিত্রদের ত্যাগের কথা ভুলে যায়নি। এটি একটি সুস্থ ও সুন্দর রাজনৈতিক সংস্কৃতির বহিঃপ্রকাশ।
​সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি এবং আবেগের জায়গা হলো মহান সংসদে একজন 'জুলাই শহীদের মা'-কে প্রতিনিধিত্বের সুযোগ করে দেওয়া। আমাদের প্রতিটি স্পন্দনে, প্রতিটি শিহরণে যে জুলাই বিপ্লবের চেতনা মিশে আছে, সেই শহীদী পরিবারের প্রতি এই শ্রদ্ধা নিবেদন আমাদের অশ্রুসজল করেছে। জামায়াত নিজেই একটি শহীদী কাফেলা; আর সেই কাফেলার সাথে জুলাইয়ের বীরদের পরিবারকে একীভূত করে নেওয়াটা এক ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের নাম।
​শহীদের রক্তের ঋণ পরিশোধের অঙ্গীকার নিয়ে যে পথচলা শুরু হয়েছে, মহান আল্লাহ তাকে কবুল করুন। যোগ্য অভিভাবক হিসেবে এই শহীদী কাফেলা যেন আগামীর ইনসাফ কায়েমের লড়াইয়ে আরও শক্তিশালী হয়ে ওঠে, সেই দোয়াই রইলো। ত্যাগের মূল্যায়ন আর আদর্শের মেলবন্ধনে এই নতুন পথচলাকে আমরা জানাই শত কোটি শ্রদ্ধা।

17/04/2026

Celebrating my 14th year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉

18/12/2025

Address

Shyamnagar

Telephone

+8801755211152

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Struggling youth posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Struggling youth:

Share