Ali VAT & Tax Consulting

Ali VAT & Tax Consulting We provide professional VAT & Tax advisory, compliance support, Input-Output Coefficient, return preparation, and corporate consulting services.

Trusted guidance for businesses and professionals.

26/07/2026

ধারা ১৬৩ : অতিরিক্ত কর, চূড়ান্ত কর এবং টার্নওভার ট্যাক্স

এই ধারার উদ্দেশ্য : এই ধারায় মূলত ৩টি বিষয় আলোচনা করা হয়েছে—
1. অতিরিক্ত কর (Refund)
2. উৎসে কর্তিত কর কখন চূড়ান্ত কর (Final Tax) হবে
3. টার্নওভার ট্যাক্স (Turnover Tax)

উপধারা (১) অংশ ৭-এর বিধান অনুযায়ী কর নির্ধারণের পর, নির্ধারিত করের তুলনায় অতিরিক্ত কর প্রদান করা হলে অথবা অতিরিক্ত কর কর্তন/সংগ্রহ করা হলে, সেই অতিরিক্ত অর্থ করদাতার অনুকূলে প্রত্যর্পণযোগ্য (Refundable) হবে।

ব্যাখ্যা : কর নির্ধারণ (Assessment) সম্পন্ন হওয়ার পর যদি দেখা যায় সরকার প্রয়োজনের চেয়ে বেশি কর নিয়েছে, তাহলে সেই অতিরিক্ত টাকা করদাতা ফেরত পাবেন।

উদাহরণ
• নির্ধারিত কর = ৳২,৫০,০০০
• মোট জমাকৃত কর = ৳২,৮০,০০০
অতিরিক্ত ৳৩০,০০০ করদাতা Refund হিসেবে পাবেন।

উপধারা (২) উপধারা (১)-এর অধীন প্রত্যর্পণযোগ্য অর্থ করদাতা চাইলে ফেরত নিতে পারবেন অথবা পরবর্তী করবর্ষে একই করদাতার করদায়ের সঙ্গে সমন্বয়ের (Carry Forward) জন্য আবেদন করতে পারবেন।

ব্যাখ্যা : অতিরিক্ত কর জমা হলে করদাতার দুটি বিকল্প রয়েছে—
• Refund গ্রহণ করা।
• অথবা পরবর্তী বছরের করের সঙ্গে সমন্বয় করা।

উদাহরণ : Refund = ৳৮০,০০০
করদাতা চাইলে
• এখনই ৳৮০,০০০ ফেরত নিতে পারেন; অথবা
• আগামী বছরের কর থেকে ৳৮০,০০০ সমন্বয় করতে পারেন।

উপধারা (৩) : ধারা ১৩৮ ও ১৩৯-এর অধীন কর্তিত বা সংগৃহীত কর, যেসব আয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, সেসব আয়ের ওপর চূড়ান্ত কর (Final Tax) হিসেবে গণ্য হবে।

ব্যাখ্যা : কিছু নির্দিষ্ট আয়ের ক্ষেত্রে উৎসে কর কেটে নেওয়ার পর সেই করই চূড়ান্ত কর হিসেবে বিবেচিত হবে। ঐ আয়ের জন্য পুনরায় কর নির্ধারণের প্রয়োজন হবে না।

উদাহরণ : যদি কোনো আয়ের ক্ষেত্রে আইন অনুযায়ী উৎসে কর্তিত কর Final Tax হয়, তাহলে সেই আয়ের জন্য পরে আর অতিরিক্ত কর দিতে হবে না।

উপধারা (৪) : ধারা ১৬৬(২) অনুযায়ী রিটার্ন দাখিল হতে অব্যাহতিপ্রাপ্ত ব্যক্তির অংশ-৭-এর অন্তর্ভুক্ত সকল ধারার অধীন কর্তনকৃত বা সংগৃহীত উৎসে অগ্রিম আয়কর চূড়ান্ত করদায় (Final Tax Liability) হিসেবে গণ্য হবে।

ধারা ১৬৩(৫) উপধারা (৩)-এর অধীন চূড়ান্ত করদায় প্রযোজ্য কোনো উৎসের প্রদত্ত আয়ের উপর প্রযোজ্য হারে কর পরিগণনা করতে হবে। যদি উক্ত পরিগণনাকৃত কর উপধারা (৩)-এর অধীন চূড়ান্ত করদায় অপেক্ষা অধিক হয়, তাহলে উক্ত অতিরিক্ত কর পরিশোধ করতে হবে।

ব্যাখ্যা: যে আয়ের ক্ষেত্রে চূড়ান্ত কর (Final Tax) প্রযোজ্য, সেই আয়ের উপর আইন অনুযায়ী কর হিসাব করতে হবে। যদি হিসাব করে দেখা যায় যে প্রকৃত করের পরিমাণ চূড়ান্ত করের চেয়ে বেশি, তাহলে শুধু অতিরিক্ত অংশের কর পরিশোধ করতে হবে।
Final Tax শেষ কথা নয়। যদি আইন অনুযায়ী হিসাব করা কর এর চেয়ে বেশি হয়, তাহলে পার্থক্যের অতিরিক্ত কর দিতে হবে।

উদাহরণ : ধরুন,
• উপধারা (৩) অনুযায়ী চূড়ান্ত কর = ৳৫০,০০০
• কিন্তু আইন অনুযায়ী কর হিসাব করে দেখা গেল = ৳৬৫,০০০
তাহলে অতিরিক্ত ৳১৫,০০০ (৳৬৫,০০০ − ৳৫০,০০০) কর পরিশোধ করতে হবে।

উপধারা (৬): টার্নওভার ট্যাক্স (Turnover Tax)
যদি কোনো ব্যক্তি ব্যবসা বা পেশা হতে অর্জিত আয়ের উপর প্রদেয় কর নির্ধারিত টার্নওভার ট্যাক্সের চেয়ে কম হয়, তাহলে লাভ বা লোকসান যাই হোক না কেন, গ্রস প্রাপ্তির (Turnover) উপর টার্নওভার ট্যাক্স প্রদান করতে হবে।

ব্যাখ্যা
এটি মূলত ন্যূনতম কর (Minimum Tax)।
অর্থাৎ—
• ব্যবসায় লাভ কম হতে পারে।
• এমনকি লোকসানও হতে পারে।
• তবুও যদি হিসাব অনুযায়ী আয়কর টার্নওভার ট্যাক্সের চেয়ে কম হয়, তাহলে টার্নওভার ট্যাক্সই দিতে হবে।

Important Point: টার্নওভার ট্যাক্স আয়ের উপর নয়, গ্রস প্রাপ্তির (Turnover) উপর গণনা করা হয়।

সহজে মনে রাখার কৌশল
হার ব্যবসা
৩% তামাকজাত পণ্য
২.৫% কার্বনেটেড ও মিষ্টি পানীয়
১.৫% মোবাইল অপারেটর
১% অন্যান্য ব্যবসা

কোন কোন ক্ষেত্রে টার্নওভার ট্যাক্স প্রযোজ্য হবে না?
নিম্নোক্ত ব্যবসার ক্ষেত্রে এই উপধারা প্রযোজ্য হবে না—
(ক) সরকারি সংস্থা/রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান/কর্পোরেশন
• সার,
• বীজ,
• নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যের আমদানি, বিতরণ বা খোলা বাজারে বিক্রয়।

ব্যাখ্যা: সরকার জনস্বার্থে যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ করে, সেগুলোকে টার্নওভার ট্যাক্সের বাইরে রাখা হয়েছে।

(খ) কমিশন ব্যবসা।
ব্যাখ্যা: যারা কমিশনের ভিত্তিতে কাজ করেন, তাদের ক্ষেত্রে এই টার্নওভার ট্যাক্স প্রযোজ্য নয়।

(গ) ডেলিভারি অর্ডার (Delivery Order) ব্যবসা।
ব্যাখ্যা: ডিও-ভিত্তিক ব্যবসাকে এই বিধানের বাইরে রাখা হয়েছে।

(ঘ) মানি এক্সচেঞ্জ ব্যবসা।
ব্যাখ্যা: বিদেশি মুদ্রা ক্রয়-বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে টার্নওভার ট্যাক্স প্রযোজ্য হবে না।

(ঙ) স্বর্ণ, রৌপ্য, স্বর্ণালংকার, রৌপ্যালংকার, রত্ন-জহরত বা মূল্যবান পাথরের ক্রয়-বিক্রয় ব্যবসা।
ব্যাখ্যা: জুয়েলারি ও মূল্যবান ধাতু/রত্নের ব্যবসাকে এই বিধান থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

নতুন শিল্প প্রতিষ্ঠানের বিশেষ সুবিধা
যদি "অন্যান্য" (১% হার প্রযোজ্য) শ্রেণির কোনো শিল্প প্রতিষ্ঠান হয়, তাহলে বাণিজ্যিক উৎপাদনের প্রথম তিন বছর টার্নওভার ট্যাক্স হবে ০.২%।

ব্যাখ্যা : নতুন শিল্প প্রতিষ্ঠানকে শুরুতে করের চাপ কমানোর জন্য প্রথম তিন বছর কম হারে টার্নওভার ট্যাক্স দিতে হবে।

Important Point:
সাধারণ হার ১%, কিন্তু নতুন শিল্প প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রথম ৩ বছর = ০.২%।

অতিরিক্ত কর সমন্বয় : যদি করদাতা টার্নওভার ট্যাক্সের চেয়ে বেশি কর প্রদান করেন, তাহলে অতিরিক্ত অংশ পরবর্তী করবর্ষে সমন্বয় করা যাবে।

ব্যাখ্যা : প্রয়োজনের চেয়ে বেশি কর দিলে সেই অর্থ নষ্ট হবে না; পরবর্তী বছরের করের সঙ্গে সমন্বয় করা যাবে।

উপধারা (৭) : যদি এই আইনের অধীনে কোনো সারচার্জ, অতিরিক্ত কর বা অন্য কোনো অর্থ প্রযোজ্য হয়, তাহলে তা টার্নওভার ট্যাক্সের অতিরিক্ত হিসেবে পরিশোধ করতে হবে।

ব্যাখ্যা : টার্নওভার ট্যাক্স পরিশোধ করলেই সব দায় শেষ হয়ে যায় না। আইন অনুযায়ী যদি সারচার্জ বা অন্য কোনো অতিরিক্ত অর্থ প্রযোজ্য হয়, সেটিও আলাদাভাবে দিতে হবে।

ব্যাখ্যা (Explanation): "গ্রস প্রাপ্তি (Turnover)"
এই ধারায় গ্রস প্রাপ্তি (Turnover) বলতে বোঝায়—
(ক) পণ্য বিক্রয় বা সেবা প্রদানের মাধ্যমে প্রাপ্ত মোট অর্থ (মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক ব্যতীত)।
(খ) কমিশন, ডিসকাউন্ট, ফি, চার্জ বা সেবা প্রদানের বিনিময়ে প্রাপ্ত অর্থ।

ব্যাখ্যা : টার্নওভার বলতে শুধু পণ্য বিক্রির অর্থ নয়; কমিশন, ফি, চার্জ বা সেবা থেকে প্রাপ্ত অর্থও অন্তর্ভুক্ত হতে পারে, তবে VAT ও সম্পূরক শুল্ক বাদ দিয়ে হিসাব করতে হবে।

Imrul kayas, FCA
Chartered Accountant & Professional Trainer

23/07/2026
19/07/2026

ধারা ১৬৩ : অতিরিক্ত কর, চূড়ান্ত কর এবং টার্নওভার ট্যাক্স
এই ধারার উদ্দেশ্য : এই ধারায় মূলত ৩টি বিষয় আলোচনা করা হয়েছে—
1. অতিরিক্ত কর (Refund)
2. উৎসে কর্তিত কর কখন চূড়ান্ত কর (Final Tax) হবে
3. টার্নওভার ট্যাক্স (Turnover Tax)
উপধারা (১) অংশ ৭-এর বিধান অনুযায়ী কর নির্ধারণের পর, নির্ধারিত করের তুলনায় অতিরিক্ত কর প্রদান করা হলে অথবা অতিরিক্ত কর কর্তন/সংগ্রহ করা হলে, সেই অতিরিক্ত অর্থ করদাতার অনুকূলে প্রত্যর্পণযোগ্য (Refundable) হবে।
ব্যাখ্যা : কর নির্ধারণ (Assessment) সম্পন্ন হওয়ার পর যদি দেখা যায় সরকার প্রয়োজনের চেয়ে বেশি কর নিয়েছে, তাহলে সেই অতিরিক্ত টাকা করদাতা ফেরত পাবেন।
উদাহরণ
• নির্ধারিত কর = ৳২,৫০,০০০
• মোট জমাকৃত কর = ৳২,৮০,০০০
অতিরিক্ত ৳৩০,০০০ করদাতা Refund হিসেবে পাবেন।
উপধারা (২) উপধারা (১)-এর অধীন প্রত্যর্পণযোগ্য অর্থ করদাতা চাইলে ফেরত নিতে পারবেন অথবা পরবর্তী করবর্ষে একই করদাতার করদায়ের সঙ্গে সমন্বয়ের (Carry Forward) জন্য আবেদন করতে পারবেন।
ব্যাখ্যা : অতিরিক্ত কর জমা হলে করদাতার দুটি বিকল্প রয়েছে—
• Refund গ্রহণ করা।
• অথবা পরবর্তী বছরের করের সঙ্গে সমন্বয় করা।
উদাহরণ : Refund = ৳৮০,০০০
করদাতা চাইলে
• এখনই ৳৮০,০০০ ফেরত নিতে পারেন; অথবা
• আগামী বছরের কর থেকে ৳৮০,০০০ সমন্বয় করতে পারেন।
উপধারা (৩) : ধারা ১৩৮ ও ১৩৯-এর অধীন কর্তিত বা সংগৃহীত কর, যেসব আয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, সেসব আয়ের ওপর চূড়ান্ত কর (Final Tax) হিসেবে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা : কিছু নির্দিষ্ট আয়ের ক্ষেত্রে উৎসে কর কেটে নেওয়ার পর সেই করই চূড়ান্ত কর হিসেবে বিবেচিত হবে। ঐ আয়ের জন্য পুনরায় কর নির্ধারণের প্রয়োজন হবে না।
উদাহরণ : যদি কোনো আয়ের ক্ষেত্রে আইন অনুযায়ী উৎসে কর্তিত কর Final Tax হয়, তাহলে সেই আয়ের জন্য পরে আর অতিরিক্ত কর দিতে হবে না।
উপধারা (৪) : ধারা ১৬৬(২) অনুযায়ী রিটার্ন দাখিল হতে অব্যাহতিপ্রাপ্ত ব্যক্তির অংশ-৭-এর অন্তর্ভুক্ত সকল ধারার অধীন কর্তনকৃত বা সংগৃহীত উৎসে অগ্রিম আয়কর চূড়ান্ত করদায় (Final Tax Liability) হিসেবে গণ্য হবে।
ধারা ১৬৩(৫) উপধারা (৩)-এর অধীন চূড়ান্ত করদায় প্রযোজ্য কোনো উৎসের প্রদত্ত আয়ের উপর প্রযোজ্য হারে কর পরিগণনা করতে হবে। যদি উক্ত পরিগণনাকৃত কর উপধারা (৩)-এর অধীন চূড়ান্ত করদায় অপেক্ষা অধিক হয়, তাহলে উক্ত অতিরিক্ত কর পরিশোধ করতে হবে।
ব্যাখ্যা: যে আয়ের ক্ষেত্রে চূড়ান্ত কর (Final Tax) প্রযোজ্য, সেই আয়ের উপর আইন অনুযায়ী কর হিসাব করতে হবে। যদি হিসাব করে দেখা যায় যে প্রকৃত করের পরিমাণ চূড়ান্ত করের চেয়ে বেশি, তাহলে শুধু অতিরিক্ত অংশের কর পরিশোধ করতে হবে।
Final Tax শেষ কথা নয়। যদি আইন অনুযায়ী হিসাব করা কর এর চেয়ে বেশি হয়, তাহলে পার্থক্যের অতিরিক্ত কর দিতে হবে।
উদাহরণ : ধরুন,
• উপধারা (৩) অনুযায়ী চূড়ান্ত কর = ৳৫০,০০০
• কিন্তু আইন অনুযায়ী কর হিসাব করে দেখা গেল = ৳৬৫,০০০
তাহলে অতিরিক্ত ৳১৫,০০০ (৳৬৫,০০০ − ৳৫০,০০০) কর পরিশোধ করতে হবে।
উপধারা (৬): টার্নওভার ট্যাক্স (Turnover Tax)
যদি কোনো ব্যক্তি ব্যবসা বা পেশা হতে অর্জিত আয়ের উপর প্রদেয় কর নির্ধারিত টার্নওভার ট্যাক্সের চেয়ে কম হয়, তাহলে লাভ বা লোকসান যাই হোক না কেন, গ্রস প্রাপ্তির (Turnover) উপর টার্নওভার ট্যাক্স প্রদান করতে হবে।
ব্যাখ্যা
এটি মূলত ন্যূনতম কর (Minimum Tax)।
অর্থাৎ—
• ব্যবসায় লাভ কম হতে পারে।
• এমনকি লোকসানও হতে পারে।
• তবুও যদি হিসাব অনুযায়ী আয়কর টার্নওভার ট্যাক্সের চেয়ে কম হয়, তাহলে টার্নওভার ট্যাক্সই দিতে হবে।
Important Point: টার্নওভার ট্যাক্স আয়ের উপর নয়, গ্রস প্রাপ্তির (Turnover) উপর গণনা করা হয়।
সহজে মনে রাখার কৌশল
হার ব্যবসা
৩% তামাকজাত পণ্য
২.৫% কার্বনেটেড ও মিষ্টি পানীয়
১.৫% মোবাইল অপারেটর
১% অন্যান্য ব্যবসা
কোন কোন ক্ষেত্রে টার্নওভার ট্যাক্স প্রযোজ্য হবে না?
নিম্নোক্ত ব্যবসার ক্ষেত্রে এই উপধারা প্রযোজ্য হবে না—
(ক) সরকারি সংস্থা/রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান/কর্পোরেশন
• সার,
• বীজ,
• নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যের আমদানি, বিতরণ বা খোলা বাজারে বিক্রয়।
ব্যাখ্যা: সরকার জনস্বার্থে যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ করে, সেগুলোকে টার্নওভার ট্যাক্সের বাইরে রাখা হয়েছে।
(খ) কমিশন ব্যবসা।
ব্যাখ্যা: যারা কমিশনের ভিত্তিতে কাজ করেন, তাদের ক্ষেত্রে এই টার্নওভার ট্যাক্স প্রযোজ্য নয়।
(গ) ডেলিভারি অর্ডার (Delivery Order) ব্যবসা।
ব্যাখ্যা: ডিও-ভিত্তিক ব্যবসাকে এই বিধানের বাইরে রাখা হয়েছে।
(ঘ) মানি এক্সচেঞ্জ ব্যবসা।
ব্যাখ্যা: বিদেশি মুদ্রা ক্রয়-বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে টার্নওভার ট্যাক্স প্রযোজ্য হবে না।
(ঙ) স্বর্ণ, রৌপ্য, স্বর্ণালংকার, রৌপ্যালংকার, রত্ন-জহরত বা মূল্যবান পাথরের ক্রয়-বিক্রয় ব্যবসা।
ব্যাখ্যা: জুয়েলারি ও মূল্যবান ধাতু/রত্নের ব্যবসাকে এই বিধান থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
নতুন শিল্প প্রতিষ্ঠানের বিশেষ সুবিধা
যদি "অন্যান্য" (১% হার প্রযোজ্য) শ্রেণির কোনো শিল্প প্রতিষ্ঠান হয়, তাহলে বাণিজ্যিক উৎপাদনের প্রথম তিন বছর টার্নওভার ট্যাক্স হবে ০.২%।
ব্যাখ্যা : নতুন শিল্প প্রতিষ্ঠানকে শুরুতে করের চাপ কমানোর জন্য প্রথম তিন বছর কম হারে টার্নওভার ট্যাক্স দিতে হবে।
Important Point:
সাধারণ হার ১%, কিন্তু নতুন শিল্প প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রথম ৩ বছর = ০.২%।
অতিরিক্ত কর সমন্বয় : যদি করদাতা টার্নওভার ট্যাক্সের চেয়ে বেশি কর প্রদান করেন, তাহলে অতিরিক্ত অংশ পরবর্তী করবর্ষে সমন্বয় করা যাবে।
ব্যাখ্যা : প্রয়োজনের চেয়ে বেশি কর দিলে সেই অর্থ নষ্ট হবে না; পরবর্তী বছরের করের সঙ্গে সমন্বয় করা যাবে।
উপধারা (৭) : যদি এই আইনের অধীনে কোনো সারচার্জ, অতিরিক্ত কর বা অন্য কোনো অর্থ প্রযোজ্য হয়, তাহলে তা টার্নওভার ট্যাক্সের অতিরিক্ত হিসেবে পরিশোধ করতে হবে।
ব্যাখ্যা : টার্নওভার ট্যাক্স পরিশোধ করলেই সব দায় শেষ হয়ে যায় না। আইন অনুযায়ী যদি সারচার্জ বা অন্য কোনো অতিরিক্ত অর্থ প্রযোজ্য হয়, সেটিও আলাদাভাবে দিতে হবে।
ব্যাখ্যা (Explanation): "গ্রস প্রাপ্তি (Turnover)"
এই ধারায় গ্রস প্রাপ্তি (Turnover) বলতে বোঝায়—
(ক) পণ্য বিক্রয় বা সেবা প্রদানের মাধ্যমে প্রাপ্ত মোট অর্থ (মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক ব্যতীত)।
(খ) কমিশন, ডিসকাউন্ট, ফি, চার্জ বা সেবা প্রদানের বিনিময়ে প্রাপ্ত অর্থ।
ব্যাখ্যা : টার্নওভার বলতে শুধু পণ্য বিক্রির অর্থ নয়; কমিশন, ফি, চার্জ বা সেবা থেকে প্রাপ্ত অর্থও অন্তর্ভুক্ত হতে পারে, তবে VAT ও সম্পূরক শুল্ক বাদ দিয়ে হিসাব করতে হবে।
Imrul kayas, FCA
Chartered Accountant & Professional Trainer See less

17/07/2026

আমদানিকৃত সেবার উপর মূসক বিধান: ধারা ২০ ও সংশ্লিষ্ট এস.আর.ও.

মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন ২০১২ এর ধারা ২০-
২০। আমদানিকৃত সেবার উপর মূল্য সংযোজন কর আরোপ ও আদায়—(১) এই আইনের অন্যান্য বিধানে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, প্রথম তফসিলে বর্ণিত অব্যাহতিনির্দিষ্ট সেবাসমূহ ব্যতীত বাংলাদেশে আমদানিকৃত সকল সেবা করযোগ্য সরবরাহ হিসেবে বিবেচিত হইবে এবং উক্ত সরবরাহের উপর প্রযোজ্য মূল্য সংযোজন করের হার হইবে শতকরা ১৫ (পনের) শতাংশ।
(২) আমদানিকৃত সেবার মূল্য হইবে ধারা ৩২ অনুযায়ী নির্ধারিত মূল্য যাহার উপর প্রদেয় মূল্য সংযোজন কর পরিশোধের দায়ভার সেবা গ্রহীতার উপর বর্তাইবে, যাহা উক্ত ব্যক্তির উৎপাদ কর হইবে।
(৩) কোন ব্যক্তি, বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ও বাহিরে অর্থাৎ একাধিক স্থান হইতে অর্থনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা করিলে:
(ক) উক্ত ব্যক্তি ভিন্ন ভিন্ন ব্যক্তি হিসেবে গণ্য হইবেন; এবং
(খ) দেশের অভ্যন্তরের ব্যক্তি দেশের বাহিরের ব্যক্তির নিকট হইতে করযোগ্য কোন সেবা গ্রহণ করিলে, উক্ত কার্যক্রমটি সেবা আমদানি কার্যক্রম হিসেবে বিবেচিত হইবে।

(৪) ব্যাংক বা অন্যকোন আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা অনুমোদিত বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনকারী প্রতিষ্ঠান, সেবা আমদানিকারকের অনুকূলে আমদানিকৃত সেবার আংশিক বা পূর্ণ মূল্য পরিশোধকালে উক্ত মূল্যের উপর প্রযোজ্য মূল্য সংযোজন কর, আমদানিকারকের সার্কেল কোড ও অর্থনৈতিক কোডের বিপরীতে সরকারি কোষাগারে ট্রেজারি চালানে জমা প্রদান করিবেন এবং উক্ত ট্রেজারি চালান এর একটি কপি সেবা আমদানিকারককে প্রদান করিবেন, যাহা আমদানিকারকের জন্য কর চালানপত্র হিসেবে বিবেচিত হইবে।
(৫) আমদানিকৃত সেবা কোন সেবা আমদানিকারকের উপকরণ হিসেবে বিবেচিত হইলে উপ-ধারা (৪) এ উল্লিখিত কর চালানপত্রের বিপরীতে আইনের ধারা ৪৬ এর বিধানাবলী পরিপালন সাপেক্ষে উপকরণ কর রেয়াত প্রাপ্য হইবে” ।

এস.আর.ও. নং-১৮২-আইন/২০২৫ /৩১০-মূসক।- উৎসে মূল্য সংযোজন কর কর্তন ও আদায় বিধিমালা, ২০২৫ এর বিধি ৩ এর উপ-বিধি –

(২) অনিবন্ধিত ব্যক্তি কর্তৃক সেবা আমদানির ক্ষেত্রে,বাংলাদেশের বাহিরে অবস্থিত অনাবাসিক ব্যক্তির নিকট সেবামূল্য পরিশোধের সময় সংশ্লিষ্ট ব্যাংক ১৫(পনেরো) শতাংশ হারে উৎসে মূসক আদায় বা কর্তন করিয়া আদায়কৃত মূসক ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর মেয়াদের মূসক দাখিলপত্রে বৃদ্ধিকারী সমন্বয় সাধন করিবে।

এস.আর.ও. নং-১৮২-আইন/২০২৫ /৩১০-মূসক।- উৎসে মূল্য সংযোজন কর কর্তন ও আদায় বিধিমালা, ২০২৫ এর বিধি ৩ এর উপ-বিধি ৩-( এস.আর.ও নং ২৫৮-আইন/২০২৬/৩৫৮-মূসক দ্বারা প্রতিস্থাপিত )

(৩) নিবন্ধিত ব্যক্তি কর্তৃক সেবা আমদানির ক্ষেত্রে-
(ক) আইনের ধারা ২০ অনুযায়ী ‘সেবা আমদানির বিপরীতে প্রযোজ্য মুসক পরিশোধের দায়ভার সেবা গ্রহীতার উপর বর্তাইবে অর্থাৎ উক্ত পরিশোধিত মুসক আমদানিকারকের উৎপাদ-কর। আমদানিকৃত সেবার আংশিক বা পূর্ণ মূল্য, কোন ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা অন্য কোন অনুমোদিত ডিলার এর মাধ্যমে পরিশোধকালে উক্ত সেবার বিপরীতে প্রযোজ্য মুসক ব্যাংক আমদানিকারকের পক্ষে আমদানিকারকের সংশ্লিষ্ট সার্কেল কোড বা অর্থনৈতিক কোডে জমা প্রদান করিয়া ট্রেজারি চালানের একটি কপি আমদানিকারককে প্রদান করিবেন। উক্ত ট্রেজারি চালান আমদানিকারকের জন্য একটি কর চালানপত্র হিসেবে বিবেচিত হইবে।

(খ) সেবা আমদানিকারক সেবা আমদানির বিপরীতে প্রদেয় উৎপাদ কর দাখিলপত্রের তৃতীয় অংশে (Supply- Output Tax ) এবং প্রদেয় কর সরকারি কোষাগারে পরিশোধের বিপরীতে দাখিলপত্রের নবম অংশের (Treasury Deposit) নোট-৫৮ এ এন্ট্রি প্রদান করিবেন। আমদানিকৃত সেবা‘র বিপরীতে পরিশোধিত মুসক, আইনের ধারা ৪৬ বিধান অনুযায়ী যতটুকু উপকরণ কর হিসেবে রেয়াতযোগ্য তাহা আমদানিকারক দাখিলপত্রের ৪র্থ অংশে (Purchase-Input Tax) এন্ট্রি প্রদানপূর্বক প্রদর্শন করিবেন। উল্লেখ্য, সেবা আমদানিকারকের পক্ষে ট্রেজারি চালান জমা প্রদানকারী ব্যাংক, উক্ত ট্রেজারি চালানের বিপরীতে কোন এন্ট্রি নিজস্ব দাখিলপত্রে প্রদর্শন করিবেন না। তবে, গৃহীত কার্যক্রমের বিপরীতে তিনি কোন ফি, চার্জ বা কমিশন প্রাপ্ত হইলে, দাখিলপত্রের ৩য় অংশে (Supply- Output Tax) গৃহীত ফি/কমিশনের পরিমাণ ও মুসক (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) এর এন্ট্রি প্রদানপূর্বক প্রদর্শন করিবেন”;

মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন ২০১২ এর ধারা ২০, এস.আর.ও. নং-১৮২-আইন/২০২৫ /৩১০-মূসক, ও এস.আর.ও নং ২৫৮-আইন/২০২৬/৩৫৮-মূসক এর সমন্বিত অতি সংক্ষিপ্ত সারমর্ম-

১। অব্যাহতিপ্রাপ্ত সেবা ব্যতীত বিদেশ থেকে আমদানিকৃত সকল সেবা ১৫% মূসকযোগ্য।
২। আমদানিকৃত সেবার মূসক পরিশোধের দায় সেবা গ্রহীতার (Importer)।
৩। বিদেশে সেবার মূল্য পরিশোধের সময় ব্যাংক/অনুমোদিত ডিলার আমদানিকারকের পক্ষে ১৫% মূসক সরকারি কোষাগারে জমা দিয়ে ট্রেজারি চালানের কপি আমদানিকারকে প্রদান করবে।

৪। নিবন্ধিত সেবা আমদানিকারক দাখিলপত্রের ৩য় অংশে (Output Tax) উৎপাদ কর, ৯ম অংশে (Treasury Deposit) ট্রেজারি জমা এবং ধারা ৪৬ বিধান অনুযায়ী রেয়াতযোগ্য হলে ৪র্থ অংশে (Input Tax) উপকরণ কর রেয়াত প্রদর্শন করবেন।

৫। ব্যাংক ট্রেজারি চালানের বিপরীতে নিজস্ব দাখিলপত্রে কোনো মূসক এন্ট্রি দেখাবে না; তবে ফি/চার্জ/কমিশনের উপর প্রযোজ্য মূসক নিজ দাখিলপত্রের ৩য় অংশে (Supply- Output Tax) প্রদর্শন করবেন।

৬। অনিবন্ধিত ব্যক্তি সেবা আমদানি করলে ব্যাংক ১৫% মূসক কর্তন/আদায় করে নিজ দাখিলপত্রে বৃদ্ধিকারী সমন্বয় করবে।

মোঃ হযরত আলী
ব্যবস্থাপক (ভ্যাট অ্যান্ড ট্যাক্স)
আয়কর আইনজীবী।

17/07/2026

বিষয়: একজন ভ্যাট রেজিস্টার্ড ব্যবসায়ী যদি ব্যবসা করার পূর্বে ভ্যাট কমপ্লায়েন্স সম্বন্ধে অবগত না থাকেন, তাহলে সে ব্যবসায়ী যেকোনো সময় ব্যবসায়ীক ঝুঁকিতে পড়তে পারেন!!
ভ্যাট কনসালটেন্ট হিসেবে, আমার কাছে কিছু ব্যবসায়ী আসেন, যারা প্রায় ১০ কোটি টাকার ভ্যাট দাবিতে পড়েছেন, তার মধ্যে হয়তো প্রায় পাঁচ কোটি টাকা ভ্যাটের দাবি তার উপর জরিমানা প্রায় পাঁচ কোটি কোটি। হয়তো কমিশনার আপিল করতে হবে, না হয় ট্রাইব্যুনাল করতে হবে।
মামলাটা পড়ে দেখলাম, দাবির স্বপক্ষে ব্যবসায়ীর শক্ত কোন যুক্তি নেই। সেখানে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই আমি দেখেছি একজন ব্যবসায়ী, ভ্যাট আইন সম্বন্ধে সচেতন না থাকার কারণে নন কমপ্লায়েন্স ইস্যুতে তিনি ভ্যাট দাবির মুখে পড়েছেন।
ধরুন একজন আমদানি কারক, তিনি ব্যবসায়িক হিসেবে পণ্য আমদানি করেছেন, সেই ক্ষেত্রে আমদানি পর্যায়ে তিনি রেয়াত যোগ্য ১৫ % ভ্যাট এবং অগ্রিম ভ্যাট (AT) হিসেবে সাড়ে ৭.৫% দিয়ে আসে। সেই আমদানি তথ্যগুলো তার ভ্যাট রিটার্ন এ দাখিল করেন নাই, আপনারা জানেন সে ক্ষেত্রে ৪ মাস কিংবা বর্তমানে ৬ মাস পর, এই অগ্রিম ভ্যাট বা প্রদত্ত ভ্যাট যদি দাবি না থাকে তাহলে তামাদি হয়ে যায়। অর্থাৎ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে এন্ট্রি না করলে সেগুলো আর সমন্বয়ের সুযোগ থাকবে না। বিশেষ করে রেয়াত এবং অগ্রিম ভ্যাট। কারণ হিসেবে ব্যবসায়ের অসচেতনতা, ফিল লেভেলের তদারকি সংস্থার মিসগাইডেন্স এবং অপেশাদার ব্যক্তিদের পরামর্শ।
হঠাৎ ভ্যাট কর্তৃপক্ষ যখন আপনার সমস্ত আমদানি তথ্য সংগ্রহ করে আমদানির বিপরীতে বিক্রয় ভ্যাট দাবি করে, তখন তারা সেই রেয়াত কিংবা অগ্রিম ভ্যাটের সাথে সমন্বয়ের বিষয়টা সামনে আনে। যেটি তামাদি হওয়ার কারণে আর সেই সুযোগ পাচ্ছে না।
অতএব এ প্রসঙ্গেই আমি বলছি যে একজন ব্যবসায়ীর অবশ্যই ন্যূনতম ধারা ৮৫ অনুসারে তার যে কোন নন কম্প্লাইনস ইস্যুতে কি কি জরিমানা হতে পারে,তা ব্যবসায়িক কার্যক্রম শুরু করার আগেই ভালোভাবে জেনে নেওয়া উচিত এবং তার এই বিষয়গুলোকে কমপ্লায়েন্স জানার জন্য, অবশ্যই একজন ভালো পরামর্শকে সাথে কথা বলে তার ভ্যাট হিসাব রক্ষণ পদ্ধতি সাজানো উচিত।
মনে রাখবেন ব্যবসায়ীরা নিজে কোন ভ্যাট দেয় না, তারা শুধু ভ্যাট আদায় করে রাষ্ট্রীয় কোষাগরে জমা দেওয়ার দায়িত্ব। এই দায়িত্ব অবহেলা এবং অজ্ঞতার কারণে তারা অনেক সময় বড় ধরনের ভ্যাট দাবি এবং জরিমানার মুখোমুখি হয়। অতএব সচেতনতা খুবই জরুরী। আমি ধারা ৮৫ এর সংশোধিত এবং আপডেট সারণী দিয়েছে, কোন ক্ষেত্রে কি জরিমানা প্রযোজ্য!!
সংকলনে,
নুর আহমদ (দিদার)
সিনিয়র কর আইনজীবী এবং
ভ্যাট কনসালটেন্ট
মোবা 01775609907

17/07/2026

আয়কর আইন ২০২৩এর ধারা ১৭০: রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা-
রিটার্ন দাখিলে যত দেরি, তত বেশি কর!
রিটার্ন দাখিলের সময়কাল:
 ১ জুলাই–৩০ সেপ্টেম্বর ৫% (সর্বোচ্চ ২৫,০০০ টাকা) কর প্রণোদনা;
 ১ অক্টোবর–৩১ ডিসেম্বর কোনো প্রণোদনা বা অতিরিক্ত কর নয়;
 ১ জানুয়ারি–৩১ মার্চ ২% অথবা ন্যূনতম ৩,০০০ টাকা অতিরিক্ত কর;
 ১ এপ্রিল–৩০ জুন ৫% অথবা ন্যূনতম ৫,০০০ টাকা অতিরিক্ত কর।

"সময়মতো রিটার্ন দিন, কর সাশ্রয়ের সুযোগ নিন।"
মোঃ হযরত আলী, আয়কর আইনজীবী।

15/07/2026

মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন ২০১২ এর ধারা ৪ এর উপধারা ৩:
নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রসমূহে ব্যবসায় সনাক্তকরণ সংখ্যা (BIN) বা তালিকাভুক্তির প্রমাণ বাধ্যতামূলকভাবে উপস্থাপন করিতে হইবে, যথা:—
(ক) যে কোন ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান কর্তৃক কোন ব্যাংক বা NBFI বা অন্য কোন আর্থিক প্রতিষ্ঠানে
চলতি হিসাব বা STD হিসাব খোলা ও পরিচালনার ক্ষেত্রে;
(খ) কোন ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান কর্তৃক ব্যাংক বা NBFI বা অন্য কোন আর্থিক প্রতিষ্ঠান হইতে ঋণ
গ্রহণের ক্ষেত্রে;
(গ) ট্রেড লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রে;
(ঘ) কোন Mobile Financial Services (MFS) এর Marchant Account খোলার ক্ষেত্রে;
(ঙ) বাণিজ্য সংগঠনের সদস্য পদ গ্রহণ বা নবায়নের ক্ষেত্রে;
(চ) কোন ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান কর্তৃক বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংযোগ গ্রহণের ক্ষেত্রে; এবং
(ছ) বিআরটিএ হইতে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নামে যানবাহনের রেজিস্ট্রেশন গ্রহণের ক্ষেত্রে”।

08/07/2026

ভ্যাট রিটার্ন:-
জুন ২০২৬ মাসের ভ্যাট রিটার্ন জুলাই মাসের ১৫ তারিখের মধ্যেই জমা দিতে হবে এর্ং চলতি অর্থবছর ২০২৬-২০২৭ (জুলাই ২০২৬ থেকে) থেকে প্রতি তিন মাস পর, ৪র্থ মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে রিটার্ন জমা দিতে হবে। প্রস্তাবিত বাজেটে পূর্বের তিন মাসের ১/৩ অংশ প্রতি মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে জমা দেওয়ার বিধান করলেও, পাশকৃত বাজেটে তা বাতিল করা হয়েছে। অর্থাৎ রিটার্নের সাথেই ট্রেজারি করতে হবে। [ধারা-৬৪]

সম্পত্তিতে দানকর বিষয়ে স্পষ্টীকরণ
07/07/2026

সম্পত্তিতে দানকর বিষয়ে স্পষ্টীকরণ

Address

Belkuchi
Sirajganj

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ali VAT & Tax Consulting posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share