Shamim Computer & Printing

Shamim Computer & Printing আমরা খুব কম খরচে এবং যত্ন সহকারে টি-শার্ট, মগ প্রিন্ট করে থাকি।

25/10/2024

এইচপিভি টিকা গ্রহণ জরায়ু ক্যান্সারকে রুখে দিন। ৫ম শ্রেনী থেকে নবম শ্রেনীর মেয়েদের জন্য। অনলাইনে এইচ পি ভি টিকার আবেদন করতে চলে আসুন।
যোগাযোগ: শামীম কম্পিউটার এন্ড প্রিন্টিং, শেরনগর বাজার, বেলকুচি, সিরাজগঞ্জ।
মোবাঃ 01538-164084
হোয়াটসঅ্যাপ: 01723-016675
জিমেইল: [email protected]

অফিস ছুটির পরে  কম্পিউটার শিখুন।যোগাযোগঃ শামীম কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টার,                  শেরনগর (বাজার ব্রীজ সংলগ্ন), ...
16/10/2024

অফিস ছুটির পরে কম্পিউটার শিখুন।

যোগাযোগঃ শামীম কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টার,
শেরনগর (বাজার ব্রীজ সংলগ্ন), বেলকুচি, সিরাজগঞ্জ।
ফোনঃ 01538-164084
হোয়াটসঅ্যাপ: 01723-016675

#কম্পিউটার #কম্পিউটারট্রেনিং #কম্পিউটারপ্রশিক্ষন

ভর্তি চলছে..
03/10/2024

ভর্তি চলছে..

15/09/2024
সারা দুনিয়ার তারুণ্যের সামনে এক বিপ্লবী আদর্শ হয়ে থাকবে আমার ভাই আবু সাঈদ।
31/08/2024

সারা দুনিয়ার তারুণ্যের সামনে এক বিপ্লবী আদর্শ হয়ে থাকবে আমার ভাই আবু সাঈদ।

29/08/2024
দেশ কি এখন স্বাধীন? আগের টাই ভালো ছিল এই উক্তি শোনার অপেক্ষায় যারা! তাদের জন্য  ৬ অক্টোবর ২০১৯।রাত  ৮.১৩।বুয়েট শেরেবাংলা...
13/08/2024

দেশ কি এখন স্বাধীন? আগের টাই ভালো ছিল এই উক্তি শোনার অপেক্ষায় যারা! তাদের জন্য
৬ অক্টোবর ২০১৯।
রাত ৮.১৩।
বুয়েট শেরেবাংলা হলের ১০১১ নাম্বার কক্ষে ঘুমাচ্ছিলো একটা ছেলে। একই ব্যাচের তানিমসহ তিনজন এসে তাকে ঘুম থেকে ডেকে তোলে।
-- বড় ভাইয়েরা তোকে ডাকছে। ২০১১ তে আয়।
-- কেনো?
-- গেলেই দেখতে পাবি।
-- কখন যাওয়া লাগবে?
-- এখনই। তোর ল্যাপটপ এটা?
-- হ্যাঁ।
-- মোবাইলটাও দে।
--কেনো?
-- দিতে বলছি তাই দিবি। ভাইরা বলছে।
মোবাইল, ল্যাপটপ এবং ছেলেটাকে নিয়ে তারা রওনা দিলো ২০১১ নাম্বার রুমের উদ্দেশ্যে। এই ছেলেটা কোন সাধারণ ছেলে ছিলো না। বুয়েটের EEE বিভাগে ২০১৮ সালে ভর্তি হওয়া এই ছেলের নাম আবরার ফাহাদ রাব্বি। অসাধারণ মেধাবী এই ছেলে ঢাবি 'ক ইউনিট' ভর্তি পরীক্ষায় ১৩ তম হয়েছিলো। চান্স পেয়েছিলো ঢাকা মেডিকেলেও। বড় ভাইদের ডাকে ২০১১ নাম্বার রুমের দিকে পা বাড়ানো আববার তখনো জানতো না, "অনন্ত মহাকালে এই যাত্রা, অসীম মহাকাশের অন্তে"।
আবরারের অপরাধ ছিল তাদের চোখে মারাত্মক! ভারতের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে স্ট্যাটাস দিয়েছে সে। আবরারেরই রুমমেট মিজানের সন্দেহ, "আবরার শিবির করে।" তাই বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের আজ এই আয়োজন। কক্ষে ঢোকার পরই মোবাইল আর ল্যাপটপ চেক করা শুরু করে তারা। তেমন কোন প্রমাণ না পেয়ে রুমে থাকা রবিন ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে।
-- এদিকে আয়। চশমা খোল।
আবরার চশমা খোলার পর রবিন প্রচন্ড জোরে তার গালে কয়েকটি চড় মারে। হাত দিয়ে গাল চেপে বসে পড়ে আবরার। এরই মধ্যে মোরশেদ কাঠের তৈরি শক্ত ক্রিকেট স্ট্যাম্প নিয়ে আসে। ইফতি প্রথমে রবিনের মতোই গায়ের জোরে থাপ্পড় মারে আবরারকে। এরপর হাতে তুলে নেয় ক্রিকেট স্ট্যাম্প। পিঠে, পায়ে, পায়ের তালুতে, হাতে সর্বশক্তিতে মারতে থাকে। প্রচণ্ড শক্তিতে মারার কারণে কয়েক বাড়ি দেওয়ার পরই স্ট্যাম্প ভেঙে দুই টুকরা হয়ে যায়। আবরার ততক্ষণে চিৎকার দিতে দিতে লুটিয়ে পড়েছে মেঝেতে। সেই চিৎকার শুনে আশেপাশের রুমের জানালা ভয়ে দ্রুত বন্ধ হয়ে যায়। এহতেসামুল, রাব্বি ও তানিম আরেকটি নতুন স্ট্যাম্প নিয়ে আসে। এবার অনিক স্ট্যাম্প হাতে তুলে নেয়। একাধারে মাটিতে লুটিয়ে থাকা আবরারের সারা শরীরে আঘাত করতে থাকে। প্রায় ৫০ থেকে ৬০টি আঘাত করে অনিক নিজেই ক্লান্ত হয়ে পড়ে। মেঝেতে পড়ে কাতরাতে থাকে আবরারের শরীর। সঙ্গে সঙ্গে মুজাহিদ ও শামিম স্কিপিং রোপ (মোটা দড়ি) দিয়ে মারতে শুরু করে। আবরার তখন বাঁচার জন্য আকুতি-মিনতি করে কিন্তু তাতে কারো মন গলেনি। কারো মধ্যেই মনুষ্যত্ব ফিরে আসেনি। বরং জীয়ন এগিয়ে এসে অনিক থেকে ক্রিকেট স্ট্যাম্প নিয়ে আবরারের শরীরের বিভিন্ন স্থানে সর্বশক্তিতে মারতে থাকে।
রাত সাড়ে দশটা। অমানুষিক মার খেয়ে মেঝেতে লুটিয়ে গোঙাতে থাকে আবরার। ইফতি ধমক দিয়ে টেনে দাঁড় করায়। তারপর সর্বশক্তিতে কয়েকটি চড় মারে। এরপর আবার স্ট্যাম্প দিয়ে পেটাতে থাকে।
রাত এগারোটা। ২০১১ নাম্বার কক্ষে এসে হাজির হয় এস এম মাহমুদ সেতু। এসেই সবাইকে জিজ্ঞেস করলো,
-- কি অবস্থা? কিছু বাইর হইছে?
-- না, কোন কিছু বলতেছে না।
-- মারতে থাক।
সেতুর নির্দেশে আবরারকে আবার ক্রিকেট স্ট্যাম্প, স্কিপিং রোপ দিয়ে মারা শুরু হয়। ইফতি ও অনিক আবরারকে ক্রিকেট স্ট্যাম্প দিয়ে মারতে থাকে। হাতের কনুই দিয়ে পিঠে প্রচণ্ড আঘাত করে। উৎসাহিত হয়ে তখন সবাই মিলে প্রচন্ড শক্তিতে আবরারকে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি চড়-থাপ্পড়, লাথি মারতে থাকেন। আবরারের কুঁকড়ে যাওয়া শরীর থেকে তখন শুধু গোঙানি শোনা যাচ্ছিলো।
রাত সাড়ে এগারোটা। কিছুক্ষণের জন্য রুম থেকে বের হওয়ার আগে অনিক ও রবিন অন্যদের বলে যায়,
-- তোরা অর কাছ থেকে যেমনেই হোক তথ্য বের কর।
এবার মনির ক্রিকেট স্টাম্প দিয়ে আবরারকে পেটাতে শুরু করে। তাবাখখারুল, নাজমুস সাদাত, তানিম, জেমি আবরারকে চড়-থাপ্পড় মারতে থাকে। বাইরে থেকে আবার রুমে ঢুকে অনিক হাতে ক্রিকেট স্ট্যাম্প তুলে নেয়। এরপর আবরারকে প্রচন্ড জোরে একটানা আরও ৪০ থেকে ৫০টি আঘাত করে। মুমূর্ষু আবরার তখন বমি ও প্রস্রাব করে ফেলে। ব্যথায় চিৎকার করার মতো শক্তিও অবশিষ্ট নেই। বাঁচার জন্য ইশারা-ইঙ্গিতে কাকুতি-মিনতি করে। নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে আসার উপক্রম হয়। শ্বাসকষ্ট দেখে ইফতি আবরারের মাথার নীচে বালিশ দেয়। পরপর আরো কয়েকবার বমি করে আববার। এমন অবস্থায় আবরারকে হলের বাথরুমে নিয়ে যাওয়া হয়। ধুয়ে মুছে জামা কাপড় বদলানো হয়।
রাত সাড়ে বারোটা। ইফতি ও মেহেদীর নির্দেশে আবরারকে ধরাধরি করে ২০০৫ নম্বর কক্ষে নিয়ে আসা হয়। ইফতি মোশাররফ হলের মেস বয় জাহিদ হাসানকে ডেকে আসে। ২০১১ নম্বর রুমে আবরারের বমি তাকে দিয়ে পরিষ্কার করানো হয়।
২০০৫ নম্বর কক্ষে আনার পর ইফতি বলে,
-- তোরা এবার অর থেকে তথ্য বাইর কর। বুয়েটে কে কে শিবির করে বাইর কর।
দুই-একজন আবরারের মুমূর্ষু অবস্থা দেখে ভয়ে ভয়ে বললো,
-- ভাই, অবস্থা বেশ খারাপ। হাসপাতালে নেওয়া দরকার।
এই কথা শোনার পর রবিন তেলেবেগুনে জ্বলে উঠেন।
-- যা বলছি তাই কর। এইগুলি সব নাটক। ভং ধরছে। তোরা শিবির চেনস না। শিবির চেনা কষ্ট।
রবিনের রেগে ওঠা দেখে সবাই ভয়ে জলদি আবরারকে আবার ইন্টারোগেট শুরু করে। কিন্তু আবরারের মুখ থেকে কোন শব্দ আসে না। নিশ্চল, নিস্তেজ পড়ে থাকা দেহ কোন সাড়া না দেওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে আবার আরেক দফা পেটানো শুরু হয়।
রাত দুইটা। সিদ্ধান্ত হয় আবরারকে হল থেকে বের করে পুলিশে দেওয়া হবে। মেহেদী চকবাজার থানা পুলিশকে ফোন দেয়, "হলে একটা শিবির ধরা পড়েছে। এসে নিয়ে যান।" চকবাজার থানা পুলিশ একটা টহল দল পাঠায় শেরে বাংলা হলের গেইটে। কিন্তু দেরী হওয়ায় গেইট থেকে পুলিশকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।
রাত আড়াইটা। ইফতি, মুজাহিদ, তাবাখখারুল ও তোহা মিলে নিশ্চল আবরারকে তোশকে করে হলের দোতালার সিঁড়িতে এনে রেখে দেয়। সিঁড়ির লাইটের আলোয় আবরারের খালি গায়ে তখন স্পষ্ট কালো কালো দাগ। সারা শরীরে স্ট্যাম্পের বাড়ির কারণে কালশিটে পড়ে আছে। চোখ বন্ধ। তবে চেহারায় কোন যন্ত্রণার ছাপ নেই। বরং সেখানে প্রশান্তির চিহ্ন। নিষ্ঠুর অমানুষদের এই পৃথিবী ছেড়ে স্রষ্টার সান্নিধ্যে চলে যাওয়ার প্রশান্তি।
রাত তিনটা। খুনীরা বুয়েটের চিকিৎসক ও অ্যাম্বুলেন্স ডেকে আনে। চিকিৎসক আবরারের দেহ পরীক্ষা করে ঘোষণা দেন সে মারা গেছে। তড়িঘড়ি করে ক্রিকেট স্ট্যাম্প, তোষক, বালিশ, আবরারের ল্যাপটপ, চাপাতি হলের ২০১১ নম্বর কক্ষ থেকে বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মুহতাসিম ফুয়াদ এর কক্ষে নিয়ে রেখে দেওয়া হয়। বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মেহেদী হাসান রাসেল আবরারের মৃতদেহ হলের নিচে নামানোর পর তড়িঘড়ি করে সেখান থেকে সরিয়ে ফেলার জন্য বুয়েটের চিকিৎসককে চাপ দেন। খুনীরা সিদ্ধান্ত নেয় আবরারের লাশ গুম করে ফেলা হবে। কিন্তু ততক্ষণে কিছু শিক্ষার্থী দেখে ফেলায় তার নতুন পরিকল্পনা করে। আবরারের লাশের সাথে কিছু মাদক দিয়ে গণপিটুনিতে মারা যাওয়ার নাটক সাজানোর চেষ্টা করে। কিন্তু আবরারের সহপাঠীদের দৃঢ়তায় সেই অপচেষ্টা ব্যর্থ হয়।
৭ অক্টোবর ২০১৯। ভোরের আলো ফোটার আগেই বুয়েটের শিক্ষার্থীরা উপহার পায় এক সতেজ তাজা লাশ। পাঁচ ঘন্টা অমানুষিক নির্যাতনে মৃত ফর্সা শরীরটার সবখানে শুধু লাল আর কালোর মিশ্রণ। দেশের পক্ষে ফেসবুকে দেওয়া স্ট্যাটাস আবরার ফাহাদ রাব্বিকে পৌঁছে দিয়েছে অনন্ত মহাকাশের পথে।
***
লেখা- মারুফ হাসান,
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

অনেকেই বলার চেস্টা করছে “আমরা কি এই বাংলাদেশ চেয়েছিলাম”!কত সহজেই মানুষ ভুলে যাচ্ছে হাসিনা সরকারের দুঃশাষনের কথা! তারা এট...
08/08/2024

অনেকেই বলার চেস্টা করছে
“আমরা কি এই বাংলাদেশ চেয়েছিলাম”!

কত সহজেই মানুষ ভুলে যাচ্ছে হাসিনা সরকারের দুঃশাষনের কথা!
তারা এটা বুঝতে চায়না দেশে সদ্য একটা চরম দুঃশাষন প্রতিষ্ঠাকারী দখলদার মাফিয়া সরকারকে উৎখাত করা হয়েছে। আর পুলিশকে তো শেখ হাসিনা সরকার দলীয় ক্যাডার বাহিনী বানিয়ে ফেলেছিলো।

যার কারনে মানুষের ক্ষোভ গিয়ে পড়েছে তাদের উপর। কিছু যায়গায় অনাকাংখিত ঘটনাও ঘটেছে তাই ভয়ে আছে পুলিশ। ডিউটিতে আসতে ভয় পাচ্ছে তারা। আর তাই সাভাবিক ভাবেই আইন শৃংখলা ভেঙ্গে পড়েছে।

আর এই সুযোগে কিছূ সুযোগ সন্ধানী ফায়দা হাছিল করার চেস্টা করছে।কতক গ্রুপ আছে যারা তাদের নিজ উদেশ্য হাছিল করার চেস্টা করছে। আবার পাশের দেশের ইন্দনেও আমাদের মহান বিজয়কে প্রশ্ন বিদ্ধ করার চেস্টা করা হচ্ছে, সেটাও বুঝতে হবে তারা তাদের মিডিয়ায় যেভাবে প্রচার করছে তা দেখলেই বোঝা যায় তারা কি চায়। তাদের কথা-
“দেশে জামাতিরা জল্লাদের ভুমিকায় নেমেছে”,
“একটা হিন্দুও নাকি এবার বেচে থাকবেনা”

আরো কত মিথ্যাচার করছে তার শেষ নাই, তাদের নেতাদের বক্তব্য শুনে রিতিমত অবাক হয়ে যাই। তাই ওদের মনোভাব বুঝতে বেশি কস্ট হওয়ার কথা না।

সুতারাং-
বুঝতে হবে এখন দেশে কোন সরকার নাই।
আমার ভাইয়েরা তাদের বুকের তাজা রক্ত দিয়ে হাসিনার মত একটা খুনি, রক্ত খেকো ফ্যাসিস্ট সরকারকে উৎখাত করেছে, তাদের ক্যাডার বাহিনী এখন আছে, তাদের সব সেল কাজ করছে, কেউ কেউ জানের ভয়ে উল্টা পাল্টা কাজ করে যাচ্ছে, অনেকে আছে সরাসরি খুনি তারা এখন ভয়ে আতংকিত হয়ে পড়েছে তাই আমরা একটা অস্থির সময় পার করছি।
যা দ্রুতই কেটে যাবে।

তবে যারা বিজয়ের আনন্দে অতিরিক্ত প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছেন তাদের বলছি ”যারা স্বাধিনতার মর্যাদা দিতে জানেনা তারা স্বাধিনতা পাওয়ার যোগ্য না দ্রুতই সেটা হারিয় যেতে পারে” দয়া আমাদের এই মহান বিজয়কে কলংকিত করবেন না।

আবার কিছু মানুষ এমনভাবে বলছে যেন সব দোষ এখন ছাত্রদের অথবা এখন যারা সরকারে তাদের, অথচ সরকারই গঠন হয় নাই। এরা কি এত তারাতারি আওয়ামী দুঃশাষনের কথা ভুলে গেলো!

আসলে তারা কারা? তাদের উদ্দেশ্য কি? তাদের প্রফাইল চেক করুন, বুঝতে পারবেন। তারা প্রথম থেকেই আন্দোলনের বিরুধিতা করেছে, তারা কখনোই এই ন্যায় সঙ্গত আন্দোলনে ছিলো না। তাদের ফেসবুকে যান প্রথম থেকেই বিরুধিতা করে আসছিলো।
হয়তো তাদের দেওয়া আগের পোস্ট গুলো ডিলিট করেছে কিন্তু প্রফাইলটা দেখেন, পক্ষে কোন পোস্ট আছে কিনা তাহলেই বুঝতে পারবেন।

তারাই বিভ্রান্ত ছড়াচ্ছে বেশি। এদের উদেশ্য মানুষকে বিভ্রান্ত করা ছাত্রদের আন্দোলনের মাধ্যমে যে আমরা এক মহাকাব্যিক বিজয় পেয়েছি তা বিতর্কিত করা।

এরা সৈরাচারের পেতাত্মা।
তাই তারা বৈষম্য বিরুধি ছাত্র আন্দোলনের সাথে যারা ছিলেন এবং এতদিন অপেক্ষা করেছিলেন মুক্তি জন্য। তাদের বলবো সবাই সজাগ থাকুন আমাদের বদনাম যেন না হয়।

#মুসলিমযুবকদের মন্দিরপাহাড়া
#2024গণঅভ্যুত্থান
#বৈষম্যবিরুধি

05/08/2024

আলহামদুলিল্লাহ।

বাংলার বীর ছাত্র জনতার রক্তের বিনিময়ে দেশ আজ স্বাধিন হলো।

ঈদ মোবারক
16/06/2024

ঈদ মোবারক

07/04/2024

বিধবা ভাতা দেওয়া হচ্ছে।
যোগাযোগ:
শামীম কম্পিউটার এন্ড প্রিন্টিং

Address

Sirajganj, Belkuchi
Sirajganj
6740

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Shamim Computer & Printing posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Shamim Computer & Printing:

Share