ঐতিহ্য

ঐতিহ্য ঐতিহ্যবাহী পণ্যের সমাহার

13/10/2025

Hi everyone! 🌟 You can support me by sending Stars – they help me earn money to keep making content that you love.

Whenever you see the Stars icon, you can send me Stars.

01/10/2025

যদি কোনো বিষধর সাপ তোমাকে কামড়ে দেয়
তাহলে দৌড়ে গিয়ে নিজেকে বাঁচাও, চিকিৎসা নাও।

কারণ যদি দেরি করো, তাহলে সেই বিষ তোমার শরীরে ছড়িয়ে পড়বে আর তোমায় ঠেলে দিবে নিশ্চিত মৃত্যুর দিকে।

এতটা বোকা হইও না যে তুমি বসে থাকো ওই সাপটার পেছনে। তাকে বোঝাতে থাকো “তুই সাপ! তুই খারাপ করছিস! তুই আমাকে কামড়েছিস! তোর অপরাধবোধ হওয়া উচিত!তোর আমার কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত!”

না ভাই, প্রথম ধাপ নিজেকে সুস্থ করা।

ঠিক মানুষের বেলাতেও এমন। যাদের থেকে আঘাত পেয়েছো, দুঃখ পেয়েছো, আগে তাদের থেকে দূরে সরে আসো। নিজেকে ভালো রাখার তরিকা খুঁজে নাও। যেখানটায় আঘাত পাচ্ছো সেখানে বসে তাকে বুঝাতে যেওনা সে কতোটা অপরাধ করেছে।

©

এখনকার ছেলেমেয়েরা কল্পনাও করতে পারবে না আগে আমরা কি কি কারণে মার খেতাম:১. মাইর খাবার পরে কাঁদলে। ২. মাইর খাবার পর না কা...
12/06/2025

এখনকার ছেলেমেয়েরা কল্পনাও করতে পারবে না আগে আমরা কি কি কারণে মার খেতাম:

১. মাইর খাবার পরে কাঁদলে।
২. মাইর খাবার পর না কাঁদলে।
৩. না মারা সত্ত্বেও কান্নাকাটি করলে।
৪. খেলা নিয়ে বেশি মেতে থাকলে।
৫. খেলতে গিয়ে মাইর খেয়ে আসলে।
৬. খেলতে গিয়ে কাউকে মেরে আসলে।
৭. বড়দের কথার উত্তর না দিলে।
৮. বড়দের কথায় ত্যাড়া উত্তর দিলে।
৯. অনেকদিন মাইর না খেয়ে থাকলে।
১০. কেউ উপদেশ দেওয়ার সময় গুনগুন করে গান করলে।
১১. বাড়িতে অতিথি এলে বা কারও বাড়ি গিয়ে নমস্কার/সালাম না দিলে।
১২. অতিথি এলে তাকে খাবারের প্লেট দিতে যাওয়ার সময় প্লেট থেকে খাবার মুখে দিতে গিয়ে ধরা পড়লে।
১৩. অতিথিরা খাওয়ার সময় খাবারের দিকে হা করে তাকিয়ে থাকলে।
১৪. অতিথি বাড়ি থেকে চলে যাওয়ার সময় তার সাথে যাওয়ার বায়না ধরলে।
১৫. খেতে না চাইলে।
১৬. সন্ধ্যা নামার আগে বাড়ি না ফিরলে।
১৭. প্রতিবেশীর বাড়িতে গিয়ে খেয়ে এলে।
১৮. জেদ দেখালে।
১৯. কারও সাথে মারামারি করে হেরে এলে।
২০. কাউকে বেশি করে পিটিয়ে এলে।
২১. বেশি সময় নিয়ে খাওয়া-দাওয়া করলে।
২২. বেশি দ্রুত খাওয়া-দাওয়া করলে।
২৩. সকালে ঘুম থেকে উঠতে না চাইলে।
২৪. রাতে ঘুমোতে দেরি করলে।
২৫. শীতকালে গোসল করতে না চাইলে।
২৬. গ্রীষ্মকালে বেশিক্ষণ ধরে গোসল করলে।
২৭. অন্যের গাছ থেকে আম, জাম, পেয়ারা পেড়ে খেলে।
২৮. স্কুলে টিচারদের কাছে মার খেয়েছি খবর পেলে।
২৯. জোরে উচ্চারণ করে না পড়ে চুপচাপ বসে পড়ার ভান ধরলে বা বিড়বিড় করে পড়লে।
৩০. পড়ার বইয়ের মধ্যে গল্পের বই রেখে পড়ার সময় ধরা পড়ে গেলে।
৩১. পরীক্ষার আগে টিভি দেখলে।
৩২. দুধ খেতে না চাইলে।
৩৩. আচার চুরি করে খেলে।
৩৪. উষ্ঠা অর্থাৎ হোঁচট খেয়ে পড়ে গেলে উঠিয়ে আবার মারা হতো।
৩৫. কারও বাসায় বেড়াতে গিয়ে নিজের বাসা মনে করে লন্ডভন্ড করলে।
৩৬. স্কুলের সামনের কোনো দোকান থেকে বাকিতে কিছু খেলে বা খেলনা কিনলে।
৩৭. দুপুরে না ঘুমালে।
৩৮. পাশের বাসার কেউ পরীক্ষায় বেশি নাম্বার পেলে।
৩৯. খাতার পৃষ্ঠা নষ্ট করলে।
৪০. বই দাগাদাগি করলে।
৪১. শোকেস থেকে নতুন প্লেট, গ্লাস বের করলে।
৪২. পুকুরে ডুবাতে ডুবাতে চোখ লাল করে ফেললে।
৪৩. বড়দের আড্ডার মধ্যে ঢুকলে।

07/06/2025

Celebrating my 4th year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉

ঘাগড়া! এর নাকি ওষুধি গুণও রয়েছে। যার সাথে ছোটবেলায় ঝগড়া হত, তার চুলে ঢিলায়ে দিতাম 😁😁
22/05/2025

ঘাগড়া! এর নাকি ওষুধি গুণও রয়েছে। যার সাথে ছোটবেলায় ঝগড়া হত, তার চুলে ঢিলায়ে দিতাম 😁😁

ছোটবেলার খুব পছন্দ করতাম এই ফল। এগুলো এখন আর খুঁজেই পাওয়া যায় না।  #জিলাপিফল
03/05/2025

ছোটবেলার খুব পছন্দ করতাম এই ফল। এগুলো এখন আর খুঁজেই পাওয়া যায় না।
#জিলাপিফল

টুনটুনি আর বিড়ালের কথাউপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরীগৃহস্থের ঘরের পিছনে বেগুন গাছ আছে। সেই বেগুণ গাছের পাতা ঠোঁট দিয়ে সেলাই কর...
11/04/2025

টুনটুনি আর বিড়ালের কথা
উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী

গৃহস্থের ঘরের পিছনে বেগুন গাছ আছে। সেই বেগুণ গাছের পাতা ঠোঁট দিয়ে সেলাই করে টুনটুনি পাখিটি তার বাসা বেঁধেছে।

বাসার ভিতর তিনটি ছোট্ট-ছোট্ট ছানা হয়েছে। খুব ছোট্ট ছানা, তারা উড়তে পারে না, চোখও মেলতে পারে না। খালি হাঁ করে আর চীঁ-চীঁ করে।

গৃহস্থের বিড়ালটা ভারি দুষ্টু। সে খালি ভাবে ‘টুনটুনির ছানা খাব।’ একদিন সে বেগুন গাছের তলায় এসে বললে, ‘কি করছিস লা টুনটুনি?’

টুনটুনি তার মাথা হেঁট করে বেগুণ গাছের ডালে ঠেকিয়ে বললে, ‘প্রণাম হই, মহারানী!’ তাতে বিড়ালনী ভারি খুশি হয়ে চলে গেল।

এমনি সে রোজ আসে, রোজ টুনটুনি তাকে প্রণাম করে আর মহারানী বলে, আর সে খুশি হয়ে চলে যায়।

এখন টুনটুনির ছানাগুলি বড় হয়েছে, তাদের সুন্দর পাখা হয়েছে। তারা আর চোখ বুজে থাকে না। তা দেখে টুনটুনি তাদের বললে, ‘বাছা, তোরা উড়তে পারবি?’

ছানারা বললে, ‘হ্যাঁ মা, পারব।’ টুনটুনি বললে, ‘তবে দেখ তো দেখি, ঐ তাল গাছটার ডালে গিয়ে বসতে পারিস কি না।’

ছানারা তখনই উড়ে গিয়ে তাল গাছের ডালে বসল। তা দেখে টুনটুনি হেসে বললে, ‘এখন দুষ্টু বিড়াল আসুক দেখি!’

খানিক বাদেই বিড়াল এসে বললে, ‘কি করছিস লা টুনটুনি?’

তখন টুনটুনি পা উঁচিয়ে তাকে লাথি দেখিয়ে বললে, ‘দূর হ, লক্ষ্মীছাড়ী বিড়ালনী!’ বলেই সে ফুডুক করে উড়ে পালাল।

দুষ্টু বিড়াল দাঁত খিঁচিয়ে লাফিয়ে গাছে উঠে, টুনটুনিকেও ধরতে পারলে না, ছানাও খেতে পেল না। খালি বেগুন কাঁটার খোঁচা খেয়ে নাকাল হয়ে ঘরে ফিরল।

ছোটবেলা 🥰🥰
05/04/2025

ছোটবেলা 🥰🥰

AI পারেও!!!!!!এইডা কি ছিল🤣🤣🤣🤣🤣🤣। ওরনার কালারটা কিন্তু সেই 😁😁
04/04/2025

AI পারেও!!!!!!এইডা কি ছিল🤣🤣🤣🤣🤣🤣। ওরনার কালারটা কিন্তু সেই 😁😁

favourite 🥰
31/03/2025

favourite 🥰

29/03/2025

আল্লাহ জুলুম পছন্দ করেন না। জুলুম হলো যার যা প্রাপ্য, তাকে সেই প্রাপ্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করা। কারও অধিকার হরণ, বিনা অপরাধে নির্যাতন, আর্থিক, দৈহিক ও মর্যাদার ক্ষতিসাধন হলো জুলুম।

পবিত্র কোরআনের বাণী, ‘আল্লাহ জালিমদের পছন্দ করেন না।’ (সুরা আলে ইমরান, আয়াত: ৫৭ ও ১৪০; সুরা শুরা, আয়াত: ৪০)।

‘আল্লাহ সীমা লঙ্ঘনকারীদের পছন্দ করেন না।’ (সুরা বাকারা, আয়াত: ১৯০; সুরা আরাফ, আয়াত: ৫৫)

জুলুম, নির্যাতন, নিপীড়ন হলো বান্দার হক নষ্ট করা, যা সাধারণত আল্লাহ ততক্ষণ ক্ষমা করেন না, যতক্ষণ পর্যন্ত ওই মজলুম ব্যক্তি মাফ না করেন।

আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘জালিমরা তাদের জুলুমের পরিণতি অচিরেই জানতে পারবে তাদের গন্তব্যস্থল (জাহান্নাম) কেমন।’ (সুরা শুআরা, আয়াত: ২২৭) ‘জালিমদের কর্মকাল সম্পর্কে আল্লাহকে কখনো উদাসীন মনে কোরো না। তিনি তাদের শুধু একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অবকাশ দেন, যেদিন চক্ষুগুলো বিস্ফারিত হবে, তারা মাথা ঊর্ধ্বমুখী করে দৌড়াতে থাকবে, তাদের চোখ তাদের নিজেদের দিকে ফিরবে না এবং তাদের অন্তর দিশাহারা হয়ে যাবে। মানুষকে আজাব সমাগত হওয়ার দিন সম্পর্কে সাবধান করে দাও, যেদিন তাদের কাছে আজাব আসবে। সেদিন জালিমরা বলবে, “হে আমাদের প্রভু! অল্প সময়ের জন্য আমাদের অবকাশ দিন, তাহলে আমরা আপনার ডাকে সাড়া দেব (ইনসাফ করব) এবং রাসুলদের অনুসরণ করব।” তোমরা কি এর আগে কসম খেয়ে বলতে না যে তোমাদের পতন নেই! যারা নিজেদের ওপর জুলুম করেছে, তোমরা তো তাদের বাসস্থানেই বাস করছ এবং সেসব জালিমের সঙ্গে আমি কেমন আচরণ করেছি, তা তোমাদের কাছে স্পষ্ট হয়ে গেছে। উপরন্তু আমি তোমাদের জন্য বহু উদাহরণ দিয়েছি।’ (সুরা ইব্রাহিম, আয়াত: ৪২-৪৫)

জুলুমের কারণে পৃথিবীতে বিশৃঙ্খলা বিরাজ করে, শান্তি ও সম্প্রীতি বিনষ্ট হয়। পরিণতিতে একসময় জালিম বা অন্যায়কারীর জীবনে নেমে আসে নানা আজাব। রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘নিশ্চয়ই যারা মানুষকে অন্যায়ভাবে কষ্ট দেয়, আল্লাহ তাআলা তাদের শাস্তি প্রদান করবেন।’ (মুসলিম: ২৬১৩)

আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘জালিমরা কখনো সফল হয় না।’ (সুরা আনআম, আয়াত: ৫৭)। মজলুমের দোয়া কখনো ব্যর্থ হয় না। তাই মজলুমের অশ্রু ও অভিশাপ জালিমের পতনের কারণ হয়।

নবীজি (সা.) বলেন, ‘তিন ব্যক্তির দোয়া আল্লাহর কাছ থেকে ফেরত আসে না—এক. ইফতারের সময় রোজাদারের দোয়া; দুই. ন্যায়পরায়ণ শাসকের দোয়া; তিন. মজলুমের দোয়া। আল্লাহ তাআলা তাঁদের দোয়া মেঘমালার ওপরে তুলে নেন এবং তাঁর জন্য আসমানের দরজাগুলো খুলে দেন। আল্লাহ তাআলা মজলুমকে বলেন, “আমার সম্মানের শপথ, কিছুটা বিলম্বে হলেও আমি তোমাকে অবশ্যই সাহায্য করব।”’ (তিরমিজি: ৩৫৯৮)

জুলুমে সহযোগিতা করা, জালিমের সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখাও সমান অপরাধ। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তোমরা সৎ কর্ম ও তাকওয়ার ক্ষেত্রে একে অন্যকে সহযোগিতা করবে। গুনাহ ও জুলুমের কাজে একে অন্যের সহযোগিতা করবে না।’ (সুরা মায়িদা, আয়াত: ২)

Address

Shahjadpur
Sirajganj
6770

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ঐতিহ্য posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share