K & H Agrovet Ltd.

K & H Agrovet Ltd. K & H Agrovet ltd. was founded in 2016; it is a growing company that is in the manufacturing of anim We will launch new products to add to our innovative range.

K&H Agrovet was founded in 2016; it is a growing company that is in the manufacturing of animal health products of the highest quality. Our vision is to widen our portfolio to satisfy our varying

21/10/2024
13/11/2018
07/10/2018

✅ সেলস বৃদ্ধির কিছু সম্ভাব্য উপায় সমূহ ।

যখন আপনার কাছে একটি পণ্য থাকবে এবং সেবা দেওয়ার ক্ষমতা থাকবে তখনই আপনি পণ্যটি বিক্রয় করার ক্ষমতা রাখেন। আর একটি প্রতিষ্ঠানের মুনাফাই উঠে আসে তার বিক্রিত পণ্য থেকে। এখন আমরা আলোচনা করব কিভাবে বিক্রয় বৃদ্ধি করা সম্ভব।
☑ গ্রাহকের সাথে পরিচিত হনঃ
প্রথমেই আপনার গ্রাহকের সাথে পরিচিত হবেন। আপনার পণ্য সম্পর্কে তাকে আগ্রহী করে তোলার আগে আপনার গ্রাহককে বুঝতে হবে। গ্রাহক কি ধরনের পণ্য পছন্দ করতে পারে। আপনি যদি একজন গ্রাহক সম্পর্কে জানেন তাহলে আপনি অনুমান করতে পারবেন গ্রাহক কি ধরনের পণ্য চায়।

☑ গ্রাহককে সন্তুষ্ট করুনঃ
আপনার গ্রাহককে সন্তুষ্ট ও খুশি রাখার চেষ্টা করুন। একজন বিক্রেতার ব্যবহারের মাধ্যমেই গ্রাহকের মন পেতে পারেন। সবাইকে হাসি মুখে আপ্যায়ন জানাবেন। ক্রেতারা অনেক ধরনের প্রশ্ন করতে পারে। আপনাকে তার সন্তুষ্টির জন্য হাসি-মুখে সকল প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। গ্রাহকের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ আচরন করতে হবে।

☑ শুনুনঃ
গ্রাহক কি চায় শুনুন এবং বোঝার চেষ্টা করুন। সব গ্রাহকরাই এক রকম না। গ্রাহক আপনার দোকানে আসলে আপনি এগিয়ে যাবেন তার কথা আকাঙ্ক্ষা গুলো মন দিয়ে শুনবেন। অন্য গ্রাহককেও আপনার পণ্যটি সম্পর্কে বলবে।

☑ পূর্ণ মনোযোগ দিনঃ
যখন একজন গ্রাহক আপনার কাছে আসবে তখন তার উপর পূর্ণ মনোযোগ দিন, আর তা যদি না বুঝেন বিরক্তি প্রকাশ না করে আবার জিজ্ঞেস করবেন।

☑ আপনার পণ্য/সেবার মান প্রদর্শনঃ
আপনি যে পণ্যটি বিক্রয় করবেন তার মানের উপর নির্ভর করবে বিক্রয়। বিক্রয় বৃদ্ধির লক্ষে অবশ্যই পন্যের মানের উপর নজর দিন। যদি পন্যের মান ভালো হয় তাহলে গ্রাহক খুশি হবে এবং সে পুনরাই পণ্যটি ক্রয় করবে। এখানেই শেষ না গ্রাহকের কাছে যদি পণ্যের মান ভালো লাগে সে তখন আরেকজনকে বলবে। এভাবেই আপনার বিক্রয় বৃদ্ধি পাবে।

☑ বাজারের অবস্থা সম্পর্কে ধারনাঃ
আপনার পণ্যটি সম্পর্কে গ্রাহকের মন্তব্য জানুন। বর্তমান বাজারে আপনার পণ্যটির অবস্থান জানার চেষ্টা করুন। এছাড়া আপনার বাজারের অবস্থা জানলে আপনি ভাবতে পারবেন কিভাবে আর কি করলে বিক্রয় বৃদ্ধি সম্ভব।

☑ গ্রাহকের সাথে নিয়মিত সম্পর্ক বজায় রাখুনঃ
একজন ক্রেতা ঘরের লক্ষী। একজন গ্রাহকের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখুন এতে আপনার বিক্রয় বৃদ্ধি সম্ভব।

☑ আকর্ষণীয় অফারঃ
অনেক কোম্পানি তাদের বিক্রয় বৃদ্ধির জন্য তাদের পন্যের সাথে আকর্ষণীয় অফার দেয়। যেমন- একটি কিনলে একটি ফ্রি, অথবা এই পণ্যটি কিনলে টিভি, ফ্রিজ দেওয়া হবে। এভাবে আরও অনেক কিচুর অফার দিয়ে ক্রেতাকে আকর্ষণ করে তাদের বিক্রয় বৃদ্ধি করে থাকে। ফলে তাদের মুনাফা বৃদ্ধিও সম্ভব।

☑ নেটওয়ার্ক মার্কেটিং সম্পর্কিত জ্ঞান লাভ করুনঃ
নেটওয়ার্ক মার্কেটিং পদ্ধতি বা মাল্টিলেভেল পদ্ধতির আওতা বেশ বড়। অত্যাধুনিক কমিশন প্লান ও পণ্য সামগ্রীর আবিষ্কারের ফলে নেটওয়ার্ক মার্কেটিং পদ্ধতি প্রতিনিয়ত নতুন সংস্করনরূপে আসছে সেমিনার বা দু’একটি প্রশিক্ষণ গ্রহন করে এ সম্পর্কে জ্ঞানলাভ করা সম্ভব নয়। সারা বিশ্বব্যাপী হাজারো নেওর্য়াকার, বিশেষজ্ঞ পরামর্শদাতা ও ডিস্ট্রিবিউটর এ ব্যবসা পদ্ধতি নিয়ে গবেষনা করে আসছে। স্বাভাবিকবাবেই প্রশিক্ষণ ব্যতীত নেটওয়ার্ক মার্কেটিং সম্পর্কিত জ্ঞান লাভ করা প্রায় অসম্ভব। নেটওয়ার্ক মার্কেটিং সম্পর্কিত জ্ঞান লাভ করে আপনার বিক্রয় বৃদ্ধি করতে পারেন।

☑ বিক্রয় কৌশল আয়ত্ত করাঃ
বিক্রয় বৃদ্ধির জন্য অনেক ধরনের কৌশল আছে। সেগুলো সম্পর্কে জানলে আপনার বিক্রয় বৃদ্ধি করা সম্ভব। এখন অনেক প্রশিক্ষণের জন্য প্রতিষ্ঠান চালু আছে।

☑ পণ্য সম্পর্কিত ধারণা লাভঃ
নেটওয়ার্ক মার্কেটিং পদ্ধতি অনুসরনকারী প্রতিষ্ঠানসমূহ সাধারণত নতুন ও অসামঞ্জস্যপূর্ণ পণ্য বাজারজাত করে। নতুন ও পরিবর্তিত পণ্যের জন্য প্রশিক্ষণ প্রদান যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ পণ্যের গুণাগুন, পণ্যের বৈশিষ্ট্য ও বিশেষত্ব সম্পর্কে ধারনা লাভের জন্য প্রশিক্ষণ গ্রহন করা প্রয়োজন। সাধারণত সব ধরনের পণ্য সামগ্রীর ব্যাপারে ক্রেতাদের জানা থাকেনা এবং অধিকাংশ পণ্যের গুণাগুন সম্পর্কে ধারনা থাকেনা। ডিস্ট্রিবিউটর ও লিডারদের সব পণ্য সম্পর্কে ভাল ধারনা থাকার জন্য প্রশিক্ষণ গ্রহন করা উচিত।

☑ মনোবল বৃদ্ধিঃ
যে কোন কাজের সফলতা অনেকাংশে নির্ভর করে মনোবলের উপর দৃঢ় মনোবল দ্বারা অনেক জটিল কাজ সহজে সম্পাদন করা সম্ভব। প্রশিক্ষণ গ্রহনের পূর্বে নেটওয়ার্ক পদ্ধতি সম্পর্কে অনেকেরই স্বচ্ছ ধারনা থাকেনা যার দরুন এ সম্পর্কিত সব কিছুই অসম্ভব মনে হতে পারে। প্রশিক্ষণ গ্রহনের পর মনোবল বেড়ে যায় এবং কাজের প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি হয়। সফলতা প্রাপ্তির জন্য মনোবল বৃদ্ধি আবশ্যক। আর বিক্রয় বৃদ্ধির জন্য মনোবল বৃদ্ধি আবশ্যক।

☑ পন্যের মোড়কঃ
অনেক ক্রেতা পন্যের মোড়ক কেমন আর তা কতটা আকর্ষণীয় তা দেখে পণ্য ক্রয় করে থাকে। যে সমস্ত পন্যের মোড়ক আছে চেষ্টা করবেন আকর্ষণীয় ভাবে পন্যের মোড়ক তৈরি করতে।

☑ ব্যক্তিত্বের উন্নয়নঃ
উন্নত ব্যক্তিত্বের মাধ্যমে নেতৃত্ব প্রদানে অগ্রগামী হওয়া সম্ভব। পুথিঁগত বিদ্যর্জন করে অনেকেই উন্নত ব্যক্তিত্বের অধিকারী হতে পারে না। বস্তুত উন্নত ব্যক্তিত্ব নেতৃত্ব প্রদানে ভূমিকা পালন করে না বরং সাফল্যের শীর্ষবিন্দুতে পৌছাঁতেত্ত সাহায্য

আপনারা সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন, ধন্যবাদ সবাইকে ।

03/10/2018

পড়ালেখা শেষ করার পর আমাদের সবারই লক্ষ্য থাকে একটি ভালো চাকরি নেয়ার। কিন্তু সবার ক্ষেত্রে কর্মজীবনে সেই সুযোগটা হয় না। চাকরি পাওয়ার জন্য আপনার কিছু দক্ষতা থাকা উচিত যেগুলোর কারণে চাকরিদাতা আপনাকে চাকরি দেবেন। আসলে এই দক্ষতাগুলোই আপনাকে অন্য আরেকজন চাকরিপ্রার্থী থেকে পৃথক করবে। বর্তমানে প্রায় সবাই জানেন, একটি চাকরির জন্য কী কী দক্ষতা থাকা আবশ্যক। চাকরিদাতারা আপনার মাঝে সেই গুণগুলোই দেখতে চান। আপনি যদি অন্যান্য চাকরিপ্রার্থীদের থেকে একধাপ এগিয়ে থাকতে চান, তাহলে আপনার নিচের গুণাবলিগুলো থাকা উচিত।

১. যোগাযোগ দক্ষতা
যোগাযোগ দক্ষতার ৩টি অংশ আছে। শোনা, বলা এবং লেখা। এই ৩টি গুণ একজন মানুষের মাঝে অবশ্যই থাকা উচিত। শুধু চাকরির জন্যই না, আমাদের দিনে প্রতিনিয়তই কারো না কারোর সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে চলতে হয়। তো চাকরির ক্ষেত্রে, আপনাকে প্রতিদিনই ফোনে কথা বলতে হয় অথবা ইমেইল পাঠাতে হয়। আপনার অপরিচিত মানুষের সাথে কথা বলার অভ্যাস কেমন কিংবা আপনি কীভাবে ইমেইল লিখে পাঠাচ্ছেন তা তারা লক্ষ্য করে। সাক্ষাতকারেই তারা এই বিষয়গুলো লক্ষ্য করে। আপনি তাদের কাছে আপনার পরিচয়পত্র কীভাবে লিখে পাঠাচ্ছেন, ব্যকরণগত ভুল কীরকম করছেন এগুলো থেকে তারা আপনার লেখার দক্ষতা খেয়াল করে। আর আপনি তাদের কথা বুঝতে পারছেন কি না তা থেকে বোঝা যায় আপনার শোনার দক্ষতা। তাই আজ থেকেই এই দক্ষতাগুলো অর্জনের জন্য বেশি বেশি বই পড়া শুরু করুন। নতুন মানুষজনের সাথে মেশার চেষ্টা করুন। এটা আপনার যোগাযোগ দক্ষতা বাড়াতে সাহায্য করবে।

২. অনুধাবন এবং গবেষণা দক্ষতা
“ভাবিয়া করিও কাজ, করিয়া ভাবিও না”। সাক্ষাতকারের সময় এই ভাবাভাবির সময় না থাকলেও, আপনার যদি অনুধাবন করার দক্ষতা থাকে, তাহলে আপনি সৌভাগ্যবান। কোনো প্রশ্নেরই হুটহাট উত্তর দেয়া উচিত নয়। আগে ভেবে দেখুন আপনাকে কী প্রশ্ন করা হয়েছে। তারপর দেখুন এই প্রশ্নের উত্তর কীভাবে দিলে সুন্দর হয়। তবে এজন্য আগে থেকেই অভ্যাস থাকতে হয়। আপনি যত বেশি গবেষণা করবেন, তত বেশি জানতে পারবেন। জানার তো আর শেষ নেই। তবে আপনার গবেষণা করার অভ্যাস থাকলে, সহজেই যেকোনো প্রশ্ন অনুধাবন করতে পারবেন। এটি আপনাকে অন্য সবার থেকে আলাদা করে রাখবে।

৩. মানিয়ে নেয়ার দক্ষতা
এটি হলো আপনি আপনার চারপাশের পরিস্থিতির সাথে কীভাবে মানিয়ে নিচ্ছেন তার দক্ষতা। সময় তো আর সবসময় পক্ষে থাকে না। পরিস্থিতি যত খারাপই হোক না কেন, আপনার নিজেকে মানিয়ে নেয়ার অভ্যাস থাকতে হবে। আপনার হয়তো একসাথে অনেক কাজ পড়ে গেলো। এগুলো সামাল দিয়ে ওঠার জন্য আপনার এই দক্ষতা থাকা উচিত। এজন্য আপনি ছাত্রজীবনেই কোনো সংঘের সাথে জড়িত থাকতে পারেন। অথবা কোনো সংঘ পরিচালনা করতে পারেন। এভাবে আপনি এই দক্ষতা অর্জন করতে শিখবেন।

৪. অন্যের মানসিকতার সাথে মানিয়ে নেয়া
দলগত কাজের সময় এই গুণটি থাকা আবশ্যক। একটি দলের সবার মানসিকতা সমান হয় না। সবাই তো আর সব পরিস্থিতির সাথে মানিয়ে নিতে পারে না। কিন্তু সবার মন রক্ষা করে চলাও সম্ভব না। তাই কারো যাতে ক্ষতি না হয়, সেই দিক বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নিয়ে এগোতে হয়। বিভিন্ন সংঘের হয়ে কাজ করলে আপনি ছাত্রাবস্থাতেই এই গুণ অর্জন করবেন।

৫. সিদ্ধান্ত নেয়া এবং সমস্যা সমাধানের দক্ষতা
জীবনের প্রতিটি পরিস্থিতিতে আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হয়। প্রতিদিন আমরা অনেক সমস্যার সামনে পড়ি। সেই সমস্যা অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিই এবং একটি সমাধান বের করি। কিন্তু হুট করেই তো আর সিদ্ধান্ত নেয়া যায় না। এজন্য অভিজ্ঞদের পরামর্শ নেয়া উচিত। তারা এই ধরনের সমস্যা কীভাবে সমাধান করেছে তা দেখা উচিত। এভাবে পূর্ব অভিজ্ঞতা থেকে জ্ঞান নিয়েও আমরা সিদ্ধান্ত নেওয়া শিখতে পারি। আর নিজের এই দক্ষতা বাড়ানোর জন্য অবশ্যই কোনো না কোনো সংঘের সাথে জড়িত থাকা উচিত।

৬. একসময়ে একাধিক কাজ করার দক্ষতা
আপনি যখন একটি প্রতিষ্ঠানে যোগ দিবেন, তখন আপনাকে বলা হয় যে, আপনি এই কাজগুলো করবেন। কিন্তু পরিস্থিতি বিবেচনায় আপনাকে আরো বাড়তি কিছু কাজ করা লাগতেই পারে। সেই ক্ষেত্রে আপনি যাতে সাদরে সেই কাজ গ্রহণ করতে পারেন, সেই মানসিকতা থাকা উচিত। এতে বাড়তি হিসেবে, আপনি হয়তো আপনার কর্মক্ষেত্রের প্রধানের সুনজরেও চলে আসতে পারেন! তাই আপনি যদি এখনও ছাত্রজীবনে থাকেন, তবে এখনই এই ধরনের মানসিকতা আনার জন্য কাজ করতে থাকুন।

৭. নেতৃত্ব দেবার দক্ষতা
মানুষজন নেতা এবং মনিব এর মাঝে পার্থক্য জানতে চায়। নেতা সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন আর মনিব পিছন থেকে পরিচালনা করেন। - থিওরো রুজভেল্ট (সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রপতি)।

দলগত কাজের সময় আপনাকে যদি প্রধান করা হয়, তবে আপনার সামনে থেকে নেতৃত্ব দেবার মানসিক অবস্থা থাকতে হবে। আপনার উপর নির্ভর করছে আপনার দলের বাকি সবার অবস্থা কেমন হবে। এই নেতৃত্ব দেবার দক্ষতা আজকের চাকরির বাজারে আপনাকে অনেক এগিয়ে রাখবে। তাই এখন থেকেই কোনো না কোনো সংঘে যোগ দিয়ে ফেলুন।

৮. ভুল স্বীকার করা এবং ভুল থেকে শেখার দক্ষতা
প্রাত্যহিক জীবনে আমাদের ভুল পদক্ষেপ আসতেই পারে। মানুষ মাত্রই ভুল। তাই ভুল স্বীকার করে নিয়ে নিজেকে নতুন কিছু শেখার সুযোগ করে দেয়াটাই বুদ্ধিমানের কাজ। কিন্তু আপনি যদি উল্টোটা করেন? নিজের ভুল জেনেও তা স্বীকার করছেন না। এতে আপনি নিজের পাশাপাশি আপনার প্রতিষ্ঠানেরও ক্ষতি করছেন। তার উপর এতে করে আপনার প্রতি সবার একটি বিরূপ মানসিকতা তৈরি হতে পারে। সেই সাথে আপনি নিজেকেও নতুন কিছু শেখা থেকে বিরত করছেন। তাই এখন থেকেই নিজের ভুল স্বীকার করার মানসিকতা তৈরি করুন।

৯. আত্মবিশ্বাস এবং জনসম্মুখে কথা বলা
আত্মবিশ্বাসের জোরে আপনি যেকোনো অসাধ্যকে সাধ্য করে ফেলতে পারেন! আমার আত্মবিশ্বাস আমার পোশাক-পরিচ্ছদ থেকে আসে না। আসে আমার কর্ম থেকে। - রন পার্লম্যান (মার্কিন অভিনেতা)।

আত্মবিশ্বাস অর্জন করার জন্য আপনাকে নির্দিষ্ট একটি বিষয়ে অনেক জানতে হবে। আপনার পোষাক-পরিচ্ছদ কেমন হলো, তা কোনো বিষয় না। বিষয় হলো, আপনি কী জানেন! আপনাকে বিভিন্ন সময় প্রতিষ্ঠানের হয়ে সবার সামনে কথা বলতে হবে। এজন্য আপনার অবশ্যই আত্মবিশ্বাস থাকা জরুরি। আপনার আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন বই পড়তে পারেন, বিভিন্ন কর্মশালা করতে পারেন, বিভিন্ন সংঘের সদস্য হতে পারেন। এগুলো আপনাকে ব্যবহারিক জীবনে অনেক সাহায্য করবে।

১০. সৃজনশীলতা
এখনের যুগটাই সৃজনশীলতার। যে যত বেশি সৃজনশীল, তার সামনে সুযোগও তত বেশি। তাই আপনার নিজের মাঝে কী সৃজনশীল প্রতিভা আছে তা খুঁজে বের করুন। আপনার সৃজনশীলতাই আপনাকে কর্মক্ষেত্রে অনেকদূর এগিয়ে নিয়ে যাবে। আপনি হয়তো ভালো আঁকতে পারেন, ভালো গাইতে পারেন, ভালো লিখতে পারেন। এমন অনেক প্রতিভাই আপনার মধ্যে আছে। সেগুলো দিয়েই নিজেকে চেনাতে চেষ্টা করুন।

এই দক্ষতাগুলো আপনার নিজেকে অর্জন করে নিতে হবে। এজন্য ভালো ভালো লেখকদের বই পড়ুন, সৎ সঙ্গের সাথে থাকার চেষ্টা করুন। আর অবশ্যই স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোনো একটি সংঘে যোগদান করুন। বিতর্ক সংঘ, কর্ম সংঘ, ব্যবসা সংঘ, সমাজসেবামূলক সংঘ এমন আরো অনেক সংঘ আছে যেগুলো আপনাকে মানসিক ও সৃজনশীল দক্ষতা অর্জন এবং নিজের সেরাটা বের করে আনতে সাহায্য করবে। Collected by নাহিয়ান সায়েম l

11/08/2018

⛳ ক্রেতার সাথে সুসম্পর্ক তৈরি করুন, দেখবেন ক্রেতাই আপনার মার্কেটিং করে দিবে ।

প্রতিদিনকার ব্যবসায়িক কার্যক্রমের সবচেয়ে বড় অংশ মার্কেটিং। আর এই একটি বিষয়ে দক্ষতার সাথে কৌশলী হয়ে উঠতে পারলে ব্যবসায়ে সফলতা অর্জন অনেকাংশে সহজ হয়ে যায়। আপনার কাংখিত ক্রেতাকে খুজে বের করে তার নিকট বিক্রয় করতে পারলেই ব্যবসায়ের মুনাফা অর্জন নিশ্চিত করা সম্ভব।

একজন ক্লাইন্ট যার কাছে আপনি পন্য বা সেবা বিক্রয় করে মুনাফা অর্জন করছেন তার গুরুত্ব সবার প্রথমে। আপনার ক্লাইন্টের চাহিদার উপর সবচেয়ে বেশী মূল্যায়ন করতে হবে আপনাকে। কোন একজন ক্লাইন্টের সাথে আপনি যখন কথা বলছেন তার চাহিদার কথা সবার আগে মাথায় রাখুন। সেই সাথে প্রতিশ্রুত বিষয়টি আপনি রক্ষা করতে পারবেন কিনা সেটা নিশ্চত হোন।

আপনার ক্রেতা আপনার কাছ থেকে কি প্রত্যাশা করছে? আপনি আপনার ক্রেতাকে যে পন্যটি ডেলিভারীর প্রতিশ্রুতি প্রদান করছেন সেই পন্যটি কি সত্যিকার অর্থে তার কাংখিত চাহিদার সমমান সম্পন্ন? ক্রেতার সন্তুষ্টি নিয়ে আপনি পন্য বিক্রয় করতে পারলেই আপনার পরবর্তী সেবা সে গ্রহন করতে প্রস্তুত থাকবে। আপনার ক্রেতা আপনার কাছে যে দামে পন্যটি ক্রয় করতে ইচ্ছুক সেই দামে তার পছন্দের পন্যটি কি সরবরাহ করা আদৌ সম্ভব সেটা নিশ্চিত হোন।

কাষ্টমার লক্ষী একটা কথা আছে। লক্ষীকে নিজ পায়ে বিদায় করতে নেই। যেখানে অসংগতি সেখানে লক্ষী থাকে না। আপনার ক্রেতা আপনার কাছ থেকে কোন একটি পন্য ক্রয় করে প্রতারিত হলে পরবর্তীবার সে কোন ভাবেই আপনার কাছ থেকে পন্য ক্রয় করবে না। আপনার ক্রেতাকে নিরপদ রাখুন। কমিটমেন্ট রক্ষা করুন। নির্দিষ্ট সময়ে প্রতিশ্রুত পন্যটি ডেলিভারীর ব্যবস্থা করুন। কোন পন্য ফেরতের বিষয় থাকলে তা হাসিমুখে গ্রহন করুন।

ক্রেতাকে কখনোই ভুলভাল কিছু বোঝানোর চেষ্টা করবেন না। ক্রেতাকে বোকা ভাবা মানে আপনি নিজেই বোকা। আপনার পন্যের কোন একটি বিষয় সম্পর্কে না জানা থাকলে স্পষ্ট ভাবে স্বীকার করে নিন। আপনার ক্রেতা আপনার ষ্পষ্টবাদিতাকে সম্মান করে। কিন্তু প্রতারণাকে কখনোই মেনে নিবে না। কারন তার পকেটের অর্থ খরচ করে সে কখনোই ঠকতে চাইবে না।

ক্রেতার রেফারেন্স অনেক বড় একটি বিষয়। নুতন ক্রেতা খোঁজার সাথে সাথে পুরাতন ক্রেতাদের সাথে সু-সম্পর্ক ধরে রাখুন। নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করুন। কারন তার হয়ত কোন একটি পন্য প্রয়োজন নেই কিন্তু তার পরিচিত অন্য কেউ সেই পন্যটি খুঁজছে। এক্ষেত্রে আপনার নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষার কারনে সেই রেফারেন্সটি পেয়ে যেতে পারেন। আর এ প্রাপ্তি আপনার জন্য বাড়তি কিছুই নিয়ে আসবে।

অতিরিক্ত মুনাফার লোভ না করা সবচেয়ে ভাল হবে। সল্প লাভে পন্য বিক্রয় করুন। কিন্তু অধিক পরিমানে বিক্রয়ের চেষ্টা করুন। অধিক বিক্রয়ের ফলে আপনার মুনাফার গড় অনেক বেশী পরিমান হবে। মিথ্যা প্রতিশ্রুতি না দিয়ে সততা অবলম্বন করুন। কথায় ও কাজে মিল রাখুন। আপনার কথার সাথে কাজের মিল থাকলে আপনার ক্রেতা আপনাকে খুঁজে নিবে তার প্রয়োজনে।

কিছু অসৎ মানুষ পাবেন যারা আপনার লোভনীয় অফারের অপেক্ষায় বসে থাকবে। কিছু জায়গাতে পন্য বিক্রয়ের সুযোগ পেতে হলে অসৎ পথে ছাড়া অন্য পথে যাবার রাস্তা খুঁজে পবেন না। সেক্ষেত্রে আপনাকে এ ধরনের ক্রেতা বর্জন করা সবচেয়ে ভাল হবে। কারন অসৎ পথ কোন ভাল কিছু বয়ে আনবে না। আপনার সাময়িক সুযোগ হাতছাড়া হলেও হয়ত আপনার সততার কারনে আরও বড় কোন সুযোগ আপনাকে আরও বেশী সমৃদ্ধ করবে। সুতরাং সৎ পথে সততার সাথেই এগিয়ে চলুন।

05/08/2018

ভালো Salesman হওয়ার জন্য অবশ্য পালনীয় ১০টি নির্দেশনা :-
------
১. সবার আগে ক্রেতার কাছে নিজেকে `Sale’ করতে হবে। অর্থাৎ আপনার পোশাক-পরিচ্ছদ, চলন-বলন সবকিছুর মধ্যে Professional image create করতে হবে। সুন্দরভাবে কথা বলতে পারাটাও গুরুত্বপূর্ণ আর্ট।

২. বিক্রয়কর্মীকে অবশ্যই পণ্য সম্পর্কে পর্যাপ্ত জ্ঞান রাখতে হবে। ক্রেতার সম্ভাব্য সকল প্রশ্নের উত্তর আগে থেকেই রেডি রাখতে হবে। কোনো অবস্থাতেই আটকে/থমকে যাওয়া যাবে না।

৩. ক্রেতাকে হাসিমুখে প্রশ্ন করে তাঁর প্রয়োজনটা আগে ভালো করে বুঝে নিতে হবে। তারপর কীভাবে এবং কোন পণ্য দিয়ে তাঁকে সন্তুষ্ট করা যায়, সেটা আগে মনে মনে ভেবে নিতে হবে। তারপর সেই মোতাবেক বিক্রয় উপস্থাপনা করতে হবে।

৪. ক্রেতাকে তাঁর কাক্ষিত পণ্যের কথা শুধু মুখে বললে হবে না, সম্ভব হলে তাঁর হাতে তুলে দিয়ে নেড়েচেড়ে দেখার সুযোগ তৈরি করে দিতে হবে। ক্রেতা পণ্যটি যত বেশি স্পর্শ করবেন, তত কেনার বাসনা জাগবে তাঁর মনে।

৫. মানুষ আসলে পণ্য কেনে না; তাঁরা কেনেন সুবিধা। পণ্যের বৈশিষ্ট্য বলার পাশাপাশি পণ্যটি ব্যবহার করলে কী কী সুবিধা বা উপকারিতা পাওয়া যাবে, সেদিকে বেশি ফোকাস করুন। ক্রেতার ইচ্ছেটাকে পণ্যের মধ্যে ফুটিয়ে তোলাতেই বিক্রয়কর্মীর সার্থকতা!

৬. ক্রেতা পণ্য সংক্রান্ত যত প্রশ্ন করবেন, সবগুলোর সঠিক উত্তর দিয়ে তাঁকে সন্তুষ্ট করতে হবে। অভিযোগের সন্তোষজনক জবাবদানের মধ্যেই বিক্রির পরবর্তী সম্ভাবনা লুকিয়ে থাকে!

৭. বিক্রয় সম্পন্ন হওয়ার পরও after sales service দেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে। অথবা ব্যবহার বিধি বুঝিয়ে বলার প্রয়োজন হতে পারে। শেষ পর্যন্ত ক্রেতার প্রতি পূর্ণ মনোযোগ ধরে রাখতে হবে এবং পুনরায় আসার আমন্ত্রণ জানিয়ে হাসিমুখে ধন্যবাদ জানিয়ে বিদায় দিতে হবে।

৮. অনেক সময়ে সম্ভাব্য ক্রেতা পণ্য কিনতে আসেন না, তাঁরা আসেন ঘোরাঘুরি করে পণ্য সম্পর্কে আগাম ধারণা নিতে। সেটা বোঝার পরও তাঁর সঙ্গে এমন আন্তরিক ব্যবহার দেওয়া উচিত- যেন তিনি কিছু কিনে ফেলেছেন! তাঁকে পুনরায় আসার আমন্ত্রণ জানাতে হবে। খুব ভালো হয়- তাঁর মুঠোফোন নম্বর ও ইমেইল চেয়ে নিয়ে লিখে রাখলে, যেন তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করে কেনার বাসনাটাকে জাগ্রত/চাঙ্গা রাখা যায়।

৯. কোনো অবস্থাতেই হাল ছাড়া যাবে না; ধৈর্য ধারণ করতে হবে। নাছোড়বান্দা মনোভাবাপন্ন হতে হবে। মনে রাখবেন- NO মানে Next opportunity!

১০. আত্মবিশ্বাস থাকতে হবে; মনোভাব হতে হবে ইতিবাচক। নিজেই নিজেকে বারবার বলুন- ‘আমি পারি, আমি পারব, আমাকে পারতেই হবে’। মনে রাখবেন- জয় অতি নিকটে যদি আপনার জয় করার ইচ্ছে থাকে…!
Collected.

02/06/2018

সাফল্য অর্জনের ১০টি সেরা কৌশল – এবার সফল হবেন আপনিও।

সফলতার চরম শিখরে আমরা সবাই পৌঁছাতে চাই। তবে চলার পথে আত্মবিশ্বাস হারিয়ে রীতিমত হোচট খেতে হয় সবাইকেই। কিন্তু মজার ব্যপার হচ্ছে একদল হোচট খেয়ে উঠে দাঁড়িয়ে পুনরায় চলা শুরু করে অন্যদিকে আরেক দল মাঝপথে তার যাত্রা থামিয়ে দেয়। যে দল পুনরায় যাত্রা শুরু করে তারাই আসলে সফলতার মিষ্ট স্বাদটুকু অনুভব করে অপর দিকে যারা মাঝপথে যাত্রা থামিয়ে দেয় তারা ব্যার্থতার তিক্ততা নিয়ে বেচে থাকে।

জ্ঞানী ব্যক্তিবর্গের মতে, অধ্যাবসায়কে সুহৃদ, অভিজ্ঞতাকে বিজ্ঞ মন্ত্রনাদাতা, আত্মবিশ্বাস আর সীমাহীন স্বপ্ন যদি পথচলার সাথী হয় তাহলে সাফল্য সুনিশ্চিত। তবে সাফল্য লাভের জন্য প্রয়োজন সঠিক প্রচেষ্টা আর কিছু সাধারন কৌশল অবলম্বন করা। তাহলেই মানুষ সাফল্যের শীর্ষচূড়ায় নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে।

নিচের ১০টি কৌশল সঠিকভাবে অনুসারনের মাধ্যমেই আপনার জালে সাফল্য ধরা দেবে।

১। সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য
লক্ষ্যস্থির করা সাফল্য লাভের প্রথম ধাপ। লক্ষ হচ্ছে সাফল্যের রাস্তা সরূপ। আমরা বেশির ভাগ মানুষই জানি না যে, আমরা আসলে কী চাই। কেন চাই। বা কোন চাওয়া নিয়েও অনেক ক্ষেত্রে সন্তুষ্টও অর্জন করতে পারি না। আসলে চাওয়া পাওয়ার হিসাবটিতেই যদি গড়মিল করে ফেলি তাহলে সাফল্যের প্রথম সিঁড়িতেই হোচট খতে হবে। এ কারনেই নিজের লক্ষ স্থির করুন এবং মনেপ্রাণে সেটি ধারণ করুন।
কেননা লক্ষ্যই সাফল্যের সিঁড়িতে পৌঁছতে আপনাকে সহায়তা করবে। তাই আপনার লক্ষ্যকে মনের মাঝে প্রতিষ্ঠিত করুন।

২। স্বপ্ন দেখুন
স্বপ্ন ছাড়া মানুষ বাচতে পারে না। স্বপ্নই আমাদের বেচে থাকার অনুপ্রেরণার যোগান দেয়। মোট কথা স্বপ্নকে ঘিরেই আমাদের বেচে থাকা। সাফল্যে অর্জনের জন্য সপ্ন একটি কাঠামো তৈরী করে দেয়। তাই বিজ্ঞানী আইনস্টাইন বলেছেন, ‘জ্ঞানের চেয়ে কল্পনার জোর অনেক বেশি।

তাই স্বপ্নটাকে ধারন করতে হবে বুকের বাম পাশটায়। মনের আঙ্গিনায় স্বপ্নটির চিত্র স্পষ্ট করে তুলুন। অর্থাৎ আপনার লক্ষ্যকে স্বপ্নে পরিণত করুন। তবে শুধু স্বপ্ন দেখে বসে থাকলেই হবে না। কঠর পরিশ্রম করতে হবে এবং স্বপ্নটাকে বাস্তবায়ন করতে হবে। তাহলে যতো বাঁধাই আসুক না কেন, আপনি পৌঁছে যাবেন স্বপ্নলোকের সেই রাজপ্রাসাদে।

৩। আত্মবিশ্বাস
আমি বলব আত্মবিশ্বাসই হল সফলতার মূল মন্ত্র। আত্মবিশ্বাসের ঘাটতির কারনেই অনেকে সফলতার দ্বার প্রান্তের কাছাকাছি এসেও ব্যার্থতার তকমা গায়ে মাখে। নিজের আত্মবিশ্বাস ধরে রাখতে নিজেকে সেরা ভাবুন, নিজেকে বলুন আপনিই পারবেন এবং আপনাকে দিয়েই হবে। এই আত্মবিশ্বাসের জোর যে আপনাকে কোথায় পৌছে দেয় আপনার ধারনা করতে পারবেন না।
আমরা সবাই গ্রেটেস্ট বক্সার মোহাম্মদ আলি কে চিনি, তার একটি সাক্ষাতকারে তিনি বলছেন “I Am The Greatest” আমিই সেরা- এই ব্যাক্যটি আমরা যদি আমাদের মনে গেথে না ফেলি তাহলে আমাদের মনবল কখনোই চাঙ্গা হবে না। কারন কেউ যদি ভাবে, আমি পারবো না’ ব্যস! নিশ্চিতভাবে সে ব্যর্থ। সে চেষ্টা করে না বা চেষ্টা করার আগেই আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলে। তাই যদি মনে বিশ্বাস থাকে অটুট লক্ষ্য যতোই কঠিন হোক না কেন বিজয় নিশ্চিত।কাজেই বিশ্বাস ধরে রাখুন। নিজের মাঝে নিজেই প্রতিষ্ঠিত করুন যে- ‘আমি পারবোই।

৪। সুনিশ্চিত পরিকল্পনা
সফলতা অর্জনের জন্য চাই সুচিন্তিত ও সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা। এই ধাপটি আপনার কাজের সফল হওয়ার পিছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। কেননা আপনি যদি কোন পরিকল্পনা ছাড়াই কোন কাজে নেমে পড়েন তাহলে আপনার ব্যার্থতা আসবে এটা স্বাভাবিক কিন্তু অপর দিকে আপনি যে কাজটি করবেন তার জন্য আগে থেকেই চিন্তাভাবনা করে ইতিবাচক পদক্ষেপ গ্রহন করেন তাহলে নিঃসন্দেহেই আপনি সাফল্য লাভ করবেন। এই সহজ সমীকরণটি মাথায় গেথে ফেলুন। এ ক্ষেত্রে আপনি যে কাজের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে সেই সেক্টরের অভিজ্ঞ মানুষের সাথে পরামর্শ করে ডিসিশন নিতে পারেন। তবে মনে রাখবেন আপনার অবস্থান ও আপনার কাঙিক্ষত গোলের অবস্থানের দূরত্বের মাঝে কিছু বাঁধা আসতে পারে। বাঁধাগুলোকে চিহ্নিত করুন। বাঁধাগুলো দূর করার উপায় বের করুন। আপনি যেটি হতে চান সেটি হওয়ার জন্য যা যা প্রয়োজন সেভাবে নিজেকে প্রস্তুত করুন। সাফল্য আসবেই।

৫। সক্রিয় কর্মতৎপরতা
নিজের কাজকে ছোট ভাববেন না। কাজকে ভালোবেসে দক্ষতার সাথে সেরে ফেলুন। আপনাকে কর্মতৎপর হতে হবে, তাছাড়া সাফল্য আপনার কাছে ধরা দেবে না। দক্ষতা বর্তমান কালে সফলতার অন্যতম নিয়ামক। দক্ষতা ও কর্মতৎপরতার মাঝে সামান্য পার্থক্য আছে। কর্মতৎপরতা হচ্ছে কাজটি সঠিকভাবে করে ফেলা, আর দক্ষতা হলো নিপুণভাবে কাজ করা। মোট কথা, সফল হতে চাইলে দুটোর’ই প্রয়োজন আছে। অর্থাৎ সফল হতে আপনাকে পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজে তৎপর হতে হবে।

০৬। সময়ের সঠিক ব্যবহার
সময় হচ্ছে পৃথীবির সব থেকে মূল্যবান জিনিশ। কেননা সময় একবার চলে গেলে কোন কিছুর বিনিময়ে আমরা সেই সময়কে ফিরিয়ে আনতে পারি না। তাই আমাদের সাফল্য লাভ করতে হলে সময়কে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে হবে। কোন ক্রমেই সময়ের অপব্যবহার করা যাবে না। সফল মানুষের দিকে তাকালে আমরা দেখতে পাই তারা কখনোই সময়ের অপব্যবহার করে না। কিন্তু আমরা অনেক ক্ষেত্রে আজকের কাজ কালকের জন্য ফেলে রাখি। আমাদের টনক না নড়া পর্যন্ত এই কাজটি আমরা ফেলে রাখি। কিন্তু সময় তো আর আমাদের জন্য বসে থাকে না। সে বয়ে চলে তার আপন গতিতে। যার ফলে আমরা প্রতিনিয়ত পিছিয়ে পড়ি তাই সাফল্য নামক সুখ থেকে বঞ্চিত হই। তাই আমাদের সময়ের মূল্যায়ন করা শিখতে হবে। তাহলেই সফল মানুষ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়া সম্ভব।

৭। ইতিবাচক মনোভাব
ইতিবাচক চিন্তা আমাদের ভালো কাজ করার উৎসাহ প্রদান করে। কোন কাজ ইতিবাচক মনভাব নিয়ে শুরু করলে কাজের শেষটাও ভালোভাবে সম্পন্ন হয়। তাই আপনার লক্ষ্যের প্রতি থাকা চাই আপনার ইতিবাচক মনোভাব। এই মনোভাব আপনাকে সাফল্যের দিকে টানবে। কেননা খেয়াল করে দেখবেন আপনি যদি কোন কাজকে ইতিবাচক চিন্তা আর আত্মবিশ্বাসের সহিত করেন তাহলে কাজের ফলাফল সব সময়ই আশানুরূপ হয়। আপর দিকে যাদের কোন কাজে মন নেই বা নেতিবাচক মনোভাব আছে, তারা সফলতার সুখ দেখতে পান না। ইতিবাচক মনোভাব হচ্ছে আশা, সৃষ্টিশীলতা আর প্রাপ্তির সীমাহীন সম্ভাবনা। তাই যারা নেতিবাচক চিন্তা করেন, তারা তাদের মনোভাব পরিবর্তন করা আবশ্যক। সাফল্যের ক্ষেত্রে ইতিবাচক চিন্তা আপনাকে অনুপ্রেরণা জোগাবে। তাই কোন কাজকে পজেটিভ ভাবুন। একান্ত নিজের করে নিন, যদি দ্রুত পজেটিভ না হতে পারেন, তবে আস্তে আস্তে ইতিবাচক মনোভাব অর্জন করুন।

৮। সঠিক মানুষের সাথে মিশুন
বাংলায় একটি প্রবাদ বাক্য রয়েছে-
“সৎ সঙ্গে স্বর্গবাস
অসৎ সঙ্গে সর্বনাশ ”

সঠিক মানুষের সাথে চলাফেরা করলে অনেক জ্ঞান অর্জন করা যায়। এবং প্রত্যক্ষ ভাবে আমাদের সফল হতে প্রভাবিত করে। এখন প্রশ্ন হতে পারে সঠিক মানুষ কারা? যারা আপনার ভালো কামনা করে, আপনার সমন্ধে ইতিবাচক চিন্তা করে এবং যারা নিজ নিজ কর্ম ক্ষেত্রে সফল। তারাই আসলে সঠিক মানুষ। এমন মানুষের সাথে মেলামেশা করুন যারা অযথা সময় নষ্ট করে না। যাদের নিজস্ব লক্ষ এবং উদ্দেশ্য আছে। যাদের ইতিবাচক মানষিকতা রয়েছে। সফল হতে গেলে আসলে সফল মানুষদের সাথেই থাকা শ্রেয়। কেননা নেতিবাচক মানুষ কখনই আপনার ভালো চাইবে না। বরং আপনাকে টেনে নিচে নামাবে।বেলা শেষে আপনার ক্ষতির কারন হয়ে দাঁড়াবে। তাই এদের থেকে দূরে থাকাই ভালো।

৯। ধৈর্য্য ও মানসিক প্রশান্তি
যদি সফল হতে চান তাহলে আপনাকে অবশ্যই ধৈর্যশীল হতে হবে এবং কাজে মানসিক প্রশান্তি বজায় রাখতে হবে। ধৈর্যশীলতা অবলম্বন করলে সাফল্য পরিশেষে আপনার দরজায় কড়া নাড়বেই। কারন এটি আপনাকে নতুন কাজের আগ্রহ জন্ম দিবে এবং তার সাথে প্রশান্তি বজায় থাকলে আপনি কাজটিকে আপনার এক ঘেঁয়ে মনে হবে না। কাজ কররে গেলে অনেক ক্ষেত্রে ব্যর্থতা আসতেই পারে, তবে হাল ছাড়বেন না। ধৈর্য্য নিয়ে চেষ্টা করে যান সাথে মনোবল হারাবেন না। আমরা যদি মহাজ্ঞানীদের কথা ভাবি, নিউটনের কথাই ধরুন, যার গবেষনার সব কাগজ পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছিল। নিউটন হাল ছাড়েনি। এডিসন অসংখ্য চেস্টার পর ইলেকট্রিক বাল্ব আবিস্কার করতে পেরেছিলেন। ধৈর্য্যরে বলেই তা সম্ভব হয়েছে। তারা যদি অধৈর্য হয়ে হাল ছেড়ে দিত তাহলে কি আমরা এই মহান আবিষ্কার গুলো পেতাম? অবশ্যই না। তাই সাফল্যের দ্বার প্রান্তে পৌঁছানোর জন্য ধৈর্য ধরা আবশ্যক। আবার মানসিক প্রশান্তি শুধু সাফল্য লাভের জন্যই নয় বরং সবক্ষেত্রেই প্রয়োজন। মানুষের মনে লুকিয়ে থাকা সুপ্ত শক্তিকে প্রকাশ করার জন্য প্রয়োজন হয় এ প্রশান্তির। মোট কথা, এটি হচ্ছে সাফল্যের অন্যতম পূর্বশর্ত। কাজেই মনকে প্রশান্ত রাখুন। মানসিক প্রশান্তি অর্জনের একটি অন্যতম উপায় হলো মেডিটেশন। তাই মেডিটেশন করুন দেখবেন মনকে কিছুটা হলেও শান্তি দিতে পারছেন।

১০। মেধা যাচাই
এই ব্যাপারটা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সাময়িক সাফল্য অর্জন করে অনেকেই নিজেকে বড় মনে করে এবং মেধার সঠিক চর্চা করে না। ধরুন আপনি লক্ষ্যে পৌঁছে গেছেন। তাই বলে কি আপনি থেমে থাকবেন? আপনাকে মনে রাখতে হবে সাফল্যের কোন শেষ নেই। সাফল্যের অনেক সিঁড়ি রয়েছে। কেননা মানুষের মেধার কমতি নেই। মাত্র তো আপনি একটা সিঁড়ি পার করলেন আরো তো কত পথ চলা বাকি। তাই অহংকারকে প্রশ্রয় দিবেন না। নিজেত মেধায় শান দিন। তাহলেই তো পরিপূর্ন ভাবে সফল মানুষ হিসাবে গড়ে উঠতে পারবেন।

পরিশেষে একটা কথাই বলব। আপনার সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যকে, আপনার স্বপ্নকে আত্মবিশ্বাসের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত করে সুনিশ্চিত পরিকল্পনা, কর্মতৎপরতা ও দক্ষতা রেখে সময়ের সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে নিজের মেধাকে মূল্যায়ন করে একজন সফল ও স্বার্থক হোন। কাজের মাঝে ধৈর্য রাখুন, মানসিক প্রশান্তি রাখুন, দেখবেন সাফল্য সুনিশ্চিত, আপনার ইতিবাচক মনোভাব ও মানুষের সাথে সুম্পর্ক আপনাকে নিয়ে যাবে সফলতার স্বর্ণশিখরে।

Address

Jamtoil East Bazar, Kamarkhanda
Sirajganj
6730

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Telephone

01714699772

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when K & H Agrovet Ltd. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to K & H Agrovet Ltd.:

Share