Adil agro Farm

Adil agro Farm Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Adil agro Farm, Business service, South Mahadebpur, Sitakund.

"একজন পশু প্রেমিক"
"কাউকে ঠকিয়ে বড়োলোক
হওয়ার ইচ্ছা নাই" চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড থানায় আদিল এগ্রো অবস্থিত।
সকল প্রকারের কাঁচা ঘাস ও কাটিং বিক্রি করা হয়।
01830365732imo&WhatsApp,

17/05/2026
22/10/2025
22/10/2025
22/10/2025

নিয়ন্ত্রণ (পি.পি.আর রোগ):
পি.পি.আর রোগ প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো সঠিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা।

১️⃣ কৃমিনাশক খাওয়ানোর কিছুদিন পর ভ্যাকসিন দিন — প্রথমে ৬ মাস বয়সে, পরে ৩ বছর ও ৫.৫ বছর বয়সে পি.পি.আর টিসুকালচার ভ্যাকসিন দিতে হবে।
২️⃣ আক্রান্ত ছাগল ও ব্যবহৃত জিনিসপত্র অন্যদের থেকে আলাদা রাখুন।
৩️⃣ ছাগলকে পুষ্টিকর খাবার, নিয়মিত কৃমিনাশক ও ভ্যাকসিনেশন দিন — তবেই এই প্রাণঘাতী রোগ থেকে সুরক্ষা পাওয়া যাবে।

📞 যোগাযোগ: নিকটস্থ প্রাণী স্বাস্থ্য কেন্দ্র বা জেলা কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রের প্রাণী স্বাস্থ্য আধিকারিকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।
োগ #খামার_পরিচর্যা

22/10/2025

📌 ছাগলের নিউমোনিয়া রোগের চিকিৎসা 🐐

ছাগলের মধ্যে নিউমোনিয়ার লক্ষণ দেখা দিলে বিলম্ব না করে নিকটস্থ প্রাণী চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। কারণ এই রোগের ধরন ও তীব্রতা অনুযায়ী চিকিৎসা ও ওষুধের তারতম্য হয়।

🔹 ১️⃣ ভাইরাল নিউমোনিয়া:
ভাইরাসজনিত নিউমোনিয়ার ক্ষেত্রে সাধারণত অ্যান্টিবায়োটিক দরকার হয় না। চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয় —
ইলেক্ট্রোলাইটস, তরল, প্রদাহনাশক ও অ্যান্টিহিস্টামিন জাতীয় ওষুধ।

🔹 ২️⃣ পরজীবীজনিত নিউমোনিয়া:
এই ক্ষেত্রে Ivermectin ও Albendazole ব্যবহার করা হয়।
⚠️ তবে গর্ভবতী ছাগলকে কখনোই Albendazole দেওয়া যাবে না।

🔹 ৩️⃣ খাবার না খাওয়া বা দুর্বলতা দেখা দিলে:
👉 Dextro 25% (২০ মিলি) ও B-1 (Thiamine) প্রয়োগ করা যেতে পারে।
এগুলো ছাগলের মস্তিষ্ক সক্রিয় রাখে ও খাবার হজমে সহায়তা করে।

🔹 ৪️⃣ ব্যাকটেরিয়াজনিত নিউমোনিয়া:
চিকিৎসকরা অনেক সময় নিচের অ্যান্টিবায়োটিকগুলোর পরামর্শ দেন—
✅ Tylo PC Gold
✅ Nuflon LA-200
✅ Penicillin
✅ Renamycin LA

🔹 ৫️⃣ প্রাথমিক সর্দি বা ঠান্ডা লাগলে:
👉 Moxilin Vet বা Cipro-A Vet ব্যবহার করা যায় (মুখে বা ইনজেকশন আকারে)।

💊 ছাগলের নিউমোনিয়া রোগে ব্যবহৃত কিছু সাধারণ ওষুধ:

ঔষধের নাম পরিমাণ প্রয়োগের নিয়ম

Asta–Vet (100 ml) Injection প্রতি ১০ কেজি ওজনের জন্য ১ মিলি গভীর মাংসপেশীতে, প্রতি ২৪ ঘণ্টা অন্তর, ৩ দিন
Pronapen 40 Lac Injection (vet) প্রতি ১০ কেজি ওজনের জন্য ১ মিলি গভীর মাংসপেশীতে, প্রতি ২৪ ঘণ্টা অন্তর, ৩ দিন

⚠️ বিশেষ সতর্কতা:
যে কোনো ওষুধ প্রয়োগের আগে অবশ্যই রেজিস্টার্ড প্রাণী চিকিৎসক বা উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার পরামর্শ নিতে হবে। জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত যোগাযোগের জন্য তাদের মোবাইল নাম্বার সংরক্ষণে রাখুন।
#খামার_পরামর্শ

29/09/2025

🐐 ছাগলের রোগ প্রতিরোধ ও প্রতিষেধক ব্যবস্থা
অধিবেশন - ৭

১। কৃমি প্রতিরোধ

৩ মাস বয়স থেকে → প্রতি ৪ মাস অন্তর কৃমিনাশক (ফিতা, গোল ও পাতা কৃমি আলাদা করে, ১০ দিন বিরতি দিয়ে)।

৬ মাস বয়স থেকে → ৪ মাস অন্তর পাতা কৃমির ঔষধ।

১০ মাস বয়স থেকে → ৪ মাস অন্তর কলিজা কৃমির ঔষধ।

১–২ মাস বয়সে → ককসিডিওসিস হলে ঔষধ দিতে হবে।

সব ছাগলকে বছরে ৩ বার → (জ্যৈষ্ঠ, আশ্বিন ও ফাল্গুনে) কৃমিনাশক প্রয়োগ।

২। টিকাদান কর্মসূচি (টেবিল–৪ অনুযায়ী)

কনটাজিয়াস একথাইমা (Con. Ecthyma) → ৩য় দিনে ১ম ডোজ, ১০–১৪ দিনে ২য় ডোজ।

পিপিআর → ৩ মাস বয়সে শুরু, বছরে ১ বার।

গোটপক্স → ৬ মাস বয়স থেকে, বছরে ১ বার।

এন্টারোটক্সিমিয়া → ৪–৬ সপ্তাহ বয়সে ১ম ডোজ, পরে বছরে ১ বার।

ক্ষুরারোগ → ৩ মাস বয়স থেকে, বছরে ২ বার (৬ মাস পর পর)।

তড়কা → ৩ মাস বয়স থেকে, বছরে ১ বার।

৩। প্রধান রোগ ও প্রতিকার

পিপিআর → উচ্চ জ্বর (১০৪–১০৭°), নাক–মুখ–চোখ দিয়ে তরল, শ্বাসকষ্ট, পাতলা পায়খানা।

চিকিৎসা: স্যালাইন, সহায়ক চিকিৎসা, ভ্যাকসিন প্রতিরোধে কার্যকর (৫ মাস বয়সে, ৩ বছর কার্যকর)।

নিউমোনিয়া → ঠান্ডা, জ্বর, শ্বাসকষ্ট, নাক দিয়ে শ্লেষ্মা, কাশি।

প্রতিকার: শুষ্ক–বাতাস চলাচল উপযোগী ঘর, পশু চিকিৎসকের পরামর্শ।

কৃমি রোগ → দুর্বলতা, ডায়রিয়া, রক্তশূন্যতা।

প্রতিকার: নিয়মিত কৃমিনাশক প্রয়োগ।

৪। জীব-নিরাপত্তা

নতুন ছাগল আনার পর ১৫ দিন আলাদা রেখে পর্যবেক্ষণ।

অসুস্থ ছাগলকে আলাদা রাখা ও চিকিৎসা করা।

বছরে ৫–৬ বার ০.৫% ম্যালাথিয়ন দ্রবণে চুবানো → চর্মরোগ প্রতিরোধে।

প্রজননশীল ছাগলকে বছরে ৪ বার ভিটামিন A, D, E ইনজেকশন।

৫। প্রজনন ব্যবস্থাপনা

পাঁঠা ৭–৮ মাসে (১২–১৩ কেজি) হলে প্রজননে ব্যবহারযোগ্য।

গরম হওয়ার ১২–১৮ ঘণ্টা পর পাল দেওয়া উত্তম।

গর্ভকাল: ১৪৫–১৫২ দিন।

আন্তঃপ্রজনন এড়ানো জরুরি।

৬। বাজারজাতকরণ ও লাভ

১২–১৫ মাসে খাসীর ওজন হয় ২০–২২ কেজি → বিক্রয়যোগ্য।

অসুস্থ ছাগল বিক্রি করা যাবে না।

গড় হিসাবে ১টি ছাগল থেকে প্রথম বছরে নিট লাভ প্রায় ৩০৫২ টাকা + একটি ছাগী খামারে থেকে যায়।

পরবর্তী বছরগুলোতে লাভ প্রায় ৬৫৫২ টাকা।

👉 এভাবে নিয়ম মেনে কৃমি ও রোগ প্রতিরোধ, টিকাদান, স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা করলে খামার লাভজনক ও টেকসই হবে।
সমাপ্ত
#খামারসাফল্য

29/09/2025

🐄 গরুর প্রতিষেধক টিকা শিডিউল 🐄
গরুকে সুস্থ ও রোগমুক্ত রাখতে সঠিক সময়ে টিকা দেওয়া অত্যন্ত জরুরি।
বাংলাদেশে প্রচলিত টিকা শিডিউল নিচে দেওয়া হলো 👇

---

✅ বয়স ৪–৬ মাস হলে টিকা শুরু করতে হবে

📌 FMD (খুরা রোগ) → প্রথম ৪ মাস বয়সে। প্রতি ৬ মাস অন্তর (বছরে ২ বার)
📌 Anthrax (এনথ্রাক্স) → প্রথম ৬ মাস বয়সে। বছরে ১ বার (ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় ২ বার)
📌 BQ (Black Quarter) → প্রথম ২ মাস বয়সে। বছরে ১ বার (বর্ষার আগে)
📌 HS (Hemorrhagic Septicemia) → প্রথম ৩ মাস বয়সে। বছরে ১ বার (বর্ষার আগে)
📌 Pox (গুটি বসন্ত) → বছরে ১ বার (শুকনো মৌসুমে)
📌 L*D (Lumpy Skin Disease) → প্রথম: ১-৫ দিন বয়সে। বছরে ১ বার (বর্ষার আগে বা ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় জরুরি)

---

🗓️ উদাহরণ ক্যালেন্ডার

📍 জানুয়ারি–ফেব্রুয়ারি → FMD + Anthrax
📍 মার্চ–এপ্রিল → HS + BQ + L*D
📍 জুন–জুলাই → FMD (২য় ডোজ)
📍 আগস্ট–সেপ্টেম্বর → Pox
📍 অক্টোবর–নভেম্বর → Anthrax (২য় বার, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায়)
📍 ডিসেম্বর → L*D/FMD চেক

---

⚠️ জেনে রাখা উচিত:

📌অসুস্থ বা গর্ভবতী গাভীকে টিকা দেওয়ার আগে অবশ্যই ভেটেরিনারি ডাক্তারের পরামর্শ নাও।

📌টিকার পর ১–২ দিন হালকা জ্বর বা ক্ষুধা কমে যেতে পারে।

📌সব ধরণের টিকাই উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালে পাবেন

👉 খামারের গরুকে নিয়মিত টিকা দিলে রোগের ঝুঁকি অনেকটাই কমে যাবে।

ডা: মো: ইউনুস আলী
ভেটেরিনারি সার্জন
উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতাল সিংড়া, নাটোর।

25/09/2025

✨🐐 ছাগলের কৃমি রোগ ও প্লুরো নিউমোনিয়া 🐐✨

🪱 কৃমি রোগ

লক্ষণ :
✅ পাতলা পায়খানা
✅ শরীর শুকিয়ে যাওয়া
✅ ওজন না বাড়া
✅ খাওয়া কমে দুর্বল হয়ে পড়া
✅ কখনও মৃত্যু হতে পারে

চিকিৎসা :
💊 বর্ষার আগে ও পরে নিয়মিত কৃমির ওষুধ খাওয়ানো
💊 প্রয়োজনে মাসে একবার কৃমির ওষুধ
💊 গোলকৃমি: পাইপ্যারাজিন আডিপেট – প্রতি ছাগল ৩ গ্রাম খালিপেটে, ২০ দিন পর আবার
💊 লিভার ফ্লুক: ডিসটোডিন ট্যাবলেট (১০০–১৫০ মিগ্রা/কেজি) বা অক্সিক্লোজানাইড লিকুইড (প্রতি ৫ কেজিতে ১ মিলি)

😷 ছাগলের ছোঁয়াচে প্লুরো নিউমোনিয়া

লক্ষণ :
🔥 জ্বর (১০৪°–১০৭°F)
🔥 শ্বাসকষ্ট
🔥 প্রথমে নাক দিয়ে পানি, পরে হলুদ রঙ
🔥 কাশি ও রোগা হয়ে যাওয়া
🔥 বুকে জল জমা (স্টেথোস্কোপে বোঝা যায়)
🔥 খিদে কমে যাওয়া
⚠️ এক সপ্তাহের মধ্যে মৃত্যু হতে পারে

চিকিৎসা :
💉 টেট্রাসাইক্লিন ইনজেকশন শিরায় দ্রুত প্রয়োগ
💉 অথবা সালফামেজাথিন (৩৩⅓%) – ৩০ মিলি একবার ইনজেকশন

👉 নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, পরিচ্ছন্নতা ও টিকা দেওয়াই ছাগলকে রোগ থেকে বাঁচানোর সঠিক উপায়।

#কৃমিরোগ #প্লুরোনিউমোনিয়া

25/09/2025

✍️ অধিবেশন-৩

বিষয়ঃ গর্ভবতী ছাগী পরিচর্যা, প্রসব পরবর্তী ছাগলছানা পরিচর্যা এবং দানাদার খাদ্যের মিশ্রণ

🐐 গর্ভবতী ছাগী পরিচর্যা

ছাগলের গর্ভকাল ১৪৫–১৫২ দিন।

বাচ্চা প্রদানের ৮–১০ দিন পূর্বে গর্ভবতী ছাগীকে আলাদা করে রাখতে হবে।

প্রতিদিন সকাল-বিকাল তার স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ করতে হবে।

প্রসবের ১–২ দিন আগে যদি ওলানে বেশি দুধ জমে টান টান হয়ে যায় তবে দুধ টেনে ফেলে দিতে হবে।

সহজে প্রসব না হলে অবশ্যই ভেটেরিনারিয়ানের সাহায্য নিতে হবে।

প্রসবের ৮–১০ ঘণ্টার মধ্যে গর্ভফুল (প্লাসেন্টা) না পড়লে ভেটেরিনারিয়ানের পরামর্শ নিতে হবে।

প্রসবের আগে-পরে ৭ দিন ছাগীকে ভাতের মাড় + দানাদার খাদ্য এবং নরম ঘাস/লতা-পাতা খাওয়াতে হবে।

🍼 প্রসব পরবর্তী ছাগলছানা পরিচর্যা

ছানা জন্মের পর মা যেন শরীর চেটে পরিষ্কার করে।

না করলে এন্টিসেপ্টিক মিশ্রিত কুসুম গরম পানিতে পরিষ্কার কাপড় দিয়ে ছানাকে পরিষ্কার করতে হবে।

ছানাকে শুষ্ক নরম বিছানায় বা চটের উপর রাখতে হবে।

ধারালো জীবাণুমুক্ত ছুরি দিয়ে নাভি কেটে (৩–৪ ইঞ্চি রেখে) সুতা দিয়ে বেঁধে আয়োডিন/এন্টিসেপ্টিক ব্যবহার করতে হবে।

জন্মের পর ছানাকে মায়ের প্রথম দুধ (কলোস্ট্রাম) অবশ্যই খাওয়াতে হবে।

যদি দুইয়ের বেশি ছানা হয়, দুর্বল ছানাকে দোহন করা দুধ ফিডারের সাহায্যে খাওয়াতে হবে।

🌱 ছাগলছানা ও প্রাপ্তবয়স্ক ছাগলের খাদ্য

২–৩ সপ্তাহ বয়সে: অল্প নরম ঘাস/লতা-পাতা খেতে দিতে হবে।

৩–৪ সপ্তাহ বয়স থেকে: অল্প পরিমাণ দানাদার খাদ্য খাওয়াতে হবে।

জন্ম–১০ সপ্তাহ বয়সে: প্রতিদিন ১০০–১৫০০ গ্রাম দুধ খেতে পারে।

৮ সপ্তাহ পর দুধ না পেলেও সমস্যা হবে না।

ঐ সময়ে দৈনিক ২০–১০০ গ্রাম দানাদার খাদ্য ও ১–২ কেজি সবুজ ঘাস প্রয়োজন।

প্রাপ্তবয়স্ক ছাগল (১০–১২ মাস বয়সে):

প্রতিদিন ১৫০–৩০০ গ্রাম দানাদার খাদ্য

২–৩ কেজি ঘাস/লতাপাতা

আবদ্ধ ছাগল হলে সকাল বা বিকেলে অন্তত ২–৪ ঘণ্টা চারণে দিতে হবে।

না হলে বৃদ্ধি ও প্রজনন ক্ষমতা কমে যায় এবং সহজে রোগে আক্রান্ত হয়।

👉 এভাবে পরিচর্যা করলে মা ছাগীর স্বাস্থ্য ভালো থাকে, ছানার বেঁচে থাকার হার বেড়ে যায় এবং ছাগল পালনের মাধ্যমে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হওয়া সম্ভব।

22/09/2025

🐐 ছাগলের বাচ্চার যত্ন 🐐

জন্মের পরপরই ছাগলের বাচ্চাকে পরিষ্কার করে অবশ্যই শাল দুধ খাওয়াতে হবে। এক মাস বয়স পর্যন্ত দিনে প্রায় ১০-১২ বার দুধ খাওয়ানো প্রয়োজন।

👉 দুধ কম হলে অন্য ছাগী থেকে খাওয়ানো বা প্রয়োজনে মিল্ক রিপ্লেসার ব্যবহার করতে হবে।
👉 দুধ খাওয়ানোর আগে ফিডার ও নিপল ভালোভাবে ফুটিয়ে জীবাণুমুক্ত করতে হবে।
👉 ১-১.৫ কেজি ওজনের বাচ্চার দৈনিক ২৫০-৩৫০ গ্রাম দুধ লাগে। ওজন বাড়ার সাথে সাথে দুধও বাড়াতে হবে।
👉 ৬০-৯০ দিন বয়সে ধীরে ধীরে দুধ ছেড়ে দেওয়া যায়।
👉 ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগীকে সঠিকভাবে খাওয়ালে সাধারণত বাচ্চার জন্য যথেষ্ট দুধ পাওয়া যায়।
👉 ১ মাস বয়স থেকেই বাচ্চাকে কাঁচা ঘাস ও দানাদার খাদ্যে অভ্যস্ত করতে হবে।

🌿 সঠিক যত্নেই সুস্থ ও দ্রুত বেড়ে ওঠে ছাগলের বাচ্চা। 🐐💚

#ছাগলপালন #খামার

Address

South Mahadebpur
Sitakund

Telephone

+8801830365732

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Adil agro Farm posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share