টায়ার পয়েন্ট TYRE POINT

টায়ার পয়েন্ট TYRE POINT Golapgonj,Sylhet

28/05/2026
Boto 195/65 R15Tyre
18/02/2026

Boto 195/65 R15
Tyre

রানিং অবস্থায় গাড়ির সামনের চাকা যদি বিস্ফোরণ হয়, তাহলে মুহূর্তের মধ্যেই গাড়ির কন্ট্রোল চলে যেতে পারে—স্টিয়ারিং কাজ ...
22/12/2025

রানিং অবস্থায় গাড়ির সামনের চাকা যদি বিস্ফোরণ হয়, তাহলে মুহূর্তের মধ্যেই গাড়ির কন্ট্রোল চলে যেতে পারে—স্টিয়ারিং কাজ করে না, ব্রেক ধরলেও কাজে আসে না, আর গাড়ির অবস্থা হতে পারে ঠিক ছবির মতো 😔⚠️
👉 পিছনের চাকা বিস্ফোরণ হলে ক্ষয়ক্ষতি তুলনামূলক কম হতে পারে, কিন্তু রিস্ক কখনোই কম নয়—জীবনের ঝুঁকি কিন্তু থেকেই যায়।
তাই নিয়মিত যা যা চেক করবেন ⬇️
✅ টায়ারের বাতাস ঠিক আছে কিনা
✅ টায়ারে কাট/ফোলা/ক্র্যাক আছে কিনা
✅ টায়ারের বয়স (৫–৬ বছরের বেশি হলে বদলানো জরুরি)
✅ লং ড্রাইভের আগে অবশ্যই টায়ার চেক
একটু সতর্কতা আপনাকে বড় দুর্ঘটনা থেকে বাঁচাতে পারে ✅ রি-রি-কন্ডিশন চাকা ব্যবহার না করা🙏
আজই নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তার জন্য গাড়ির চাকা চেক করুন।
🚦🛞

গাড়ীর টায়ার ফেটে গিয়ে দুর্ঘটনা ঘটেছে এমন সংখ্যা নেহায়েৎ কম না। ছবির গাড়ির যাত্রিরা প্রাইভেট কারে যাচ্ছিল। সামনের বামদিকে...
16/06/2025

গাড়ীর টায়ার ফেটে গিয়ে দুর্ঘটনা ঘটেছে এমন সংখ্যা নেহায়েৎ কম না।

ছবির গাড়ির যাত্রিরা প্রাইভেট কারে যাচ্ছিল। সামনের বামদিকের টায়ার ফেটে গেলে ড্রাইভার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার বা-পাশে পার্ক করে রাখা এক লরীতে গিয়ে আঘাত করে। সাথে সাথেই ঝরে পড়ে ফেনী ক্যাডেট কলেজের ছাত্রী সাদেকার প্রাণ 😭

এই দূর্ঘটনার কারন কি? নিচে বলছি

১। টায়ার প্রেশার
ভারতে যখন নতুন এক্সপ্রেস হাইওয়ে তৈরী হল, ওখানেও একটার পর একটা দুর্ঘটনা ঘটতে থাকল। অধিকাংশ দুর্ঘটনার কারন একটাই- টায়ার ফেটে যাওয়া। নিন্দুকেরা চালকের দোষ দিল। কেউ কেউ প্রশ্ন তুলল রাস্তা নির্মাণ নিয়ে। কিন্তু একজন ছিলেন ব্যতিক্রম। তিনি ভাবলেন, দেশের আধুনিকতম সড়কে বারবার এ-ধরণের দুর্ঘটনা ঘটছে কেন! এর অন্য কোন কারণ নেই তো? তিনি ব্যাপারটা নিয়ে গবেষণা করার সিদ্ধান্ত নিলেন।
কয়েকজন বন্ধুকে নিয়ে তিনি গাড়ী নিয়ে নেমে পড়লেন এক্সপ্রেস হাইওয়েতে। সবগুলো চাকার এয়ার প্রেশার নিলেন ২৫ পি এস আই। এটাই আন্তর্জাতিক মান। পৃথিবীর সব উন্নত দেশে চালকেরা এই প্রেশারই মেইন্টেইন করে। এরপর গাড়ী ছোটালেন ১২০ থেকে ১৪০ কিলোমিটার স্পীডে। গাড়ী চলল প্রায় দু-ঘন্টা। থামলেন। টায়ারের প্রেশার চেক করলেন।

সর্বনাশ! প্রেশার ৫২ পি এস আই! ঠান্ডা অবস্থায়, গাড়ী স্টার্ট নেয়ার আগে টায়ারের যে প্রেশার ছিল তাঁর দ্বিগুণেরও বেশী!! আর তাপমাত্রা? ৯২.৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস! তাপমাত্রা আর মোটে ৭.৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস বাড়লেই বয়েলিং টেম্পারেচারে পৌছে যেত; অর্থাৎ যে তাপমাত্রায় পানি ফুটতে শুরু করে, আর কিছুদূর ওই স্পীডে ছুটলেই হয়ত তাকেও দুর্ঘটনার শিকার হতে হত।

কেন এমন হল? এটা হলো পদার্থ বিজ্ঞানের তিনটি সূত্র অনুসরণ করে।
ক। পদার্থ বিজ্ঞানের সূত্র বলে friction generates heat, অর্থাৎ ঘর্ষণে তাপ উৎপন্ন হয়। ১২০ থেকে ১৪০ কিলোমিটার বেগে দু-ঘন্টা রাস্তায় ছুটতে গিয়ে গাড়ীর চাকাগুলোর সাথে রাস্তার কি পরিমাণ friction (ঘর্ষণ) হয়েছে তা আমরা কল্পনা করতে পারি। আর, এর মধ্যে যতবার আমরা ব্রেক চাপব, ততোবার হুইল ড্রামের সাথে ব্রেক প্যাডের ফ্রিকশন হবে। এই ফ্রিকশনের কারনে টায়ারের ভেতরে তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বেড়ে যায়।
খ। ফিজিক্সের আরেকটা সূত্র হল, Heat lost equals to heat gained, অর্থাৎ একজন যতটুকু তাপ হারায়, অন্যজন ঠিক ততোটুকু তাপ অর্জন করে। গ্রীষ্মের প্রচন্ড দাবদাহে রাস্তাগুলো আগুনের মত গরম হয়ে থাকে। রাস্তা তার এই তাপ গাড়ীর চাকার সাথে শেয়ার করে। চলার পথে রাস্তা যতটা তাপ ছেড়ে দিয়েছে, গাড়ীর চাকা ঠিক ততোটুকু তাপ শুষে নিয়েছে।

এই এতো এতো সোর্স থেকে তাপ নিতে নিতে ওর ভেতরের তাপমাত্রা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯২.৫ ডিগ্রী সেলসিয়াসে।

গ। ফিজিক্সের আরেকটা সূত্র- তাপে যে কোন জিনিষ আয়তনে বাড়ে। সেই অনুযায়ী টায়ারের তাপে, টায়ারের ভিতরের বাতাসের আয়তন বাড়ে। কিন্তু টায়ার কিম্বা টিউবের আয়তন সহজে বাড়েনা। কারণ, ওগুলো সলিড, ওদের ‘ইলাস্টিক লিমিট’ সীমিত। ঐ লিমিট ক্রস করলেই ওরা ফেটে যায়। ওদিকে ভেতরের বাতাসের আয়তন তো বেড়েই চলেছে। ফলে বাড়ছে টায়ারের ভেতরে বাতাসের চাপ। একসময় টায়ার আর এই চাপটা নিতে পারে না। তখনই- বুমমম।

এখন দেখা যাক আমরা কি করছি। বেশীরভাগ প্রাইভেটকার চালকরাই চাকার এয়ার প্রেশার ৩৫ থেকে ৪৫ এ রাখে। কারণ, চাকায় হাওয়া বেশী থাকলে তেল খরচ কম হয়। একবার ভাবুন, ভারতের ঐ ভদ্রলোকের গাড়ী দু-ঘন্টা চলার পর যদি এয়ার প্রেশার ২৫ থেকে বেড়ে ৫২ তে গিয়ে দাঁড়ায়, তাহলে আপনার ৪০ পি এস আই কত তে গিয়ে দাঁড়াবে? ৮০ বা ৮৪? ঐ পর্যন্ত প্রেশার নেয়ার ক্ষমতা পৃথিবীর কোনো টায়ারের নাই।
এখন সিদ্ধান্ত আমাদের, তেলের মূল্য বেশী, না আমার এবং প্রিয়জনদের জীবনের মূল্য বেশি?


সাবধান হই, সতর্ক হই।
১। টায়ার প্রেশার নির্ধারিত সীমার মধ্যে রাখুন।
২। মেয়াদ শেষ হয়ে থাকলে টায়ার পাল্টে ফেলুন।
৩। অধিক গতিতে গাড়ী চালাবেন না, গতি নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
৪। দূরপাল্লার ভ্রমনে অন্তত দু-ঘন্টা পর পর ড্রাইভারকে রেস্ট দিন, গাড়ীকে রেস্ট দিন, নিজেরা রেস্ট নিন।
সবাই নিরাপদে থাকুন।

বন্ধুদের নিরাপত্তার স্বার্থে পোষ্টটি শেয়ার করুন।

পুনশ্চঃ সংগৃহীত পোস্ট।

Address

Sylhet
3160

Opening Hours

Monday 10:00 - 22:00
Tuesday 10:00 - 22:00
Wednesday 10:00 - 22:00
Thursday 10:00 - 22:00
Saturday 10:00 - 22:00
Sunday 10:00 - 22:00

Telephone

+8801703600082

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when টায়ার পয়েন্ট TYRE POINT posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share