25/05/2026
#বনশ্রীতে_আব্দুল্লাহ্ নামের যে শিশুটি "কোরআনের আলো" মাদ্রাসায় আত্মহত্যা করলো - ফরেন্সিক রিপোর্ট অনুযায়ী তার পায়ুপথের অবস্থা অস্বাভাবিক বড়।
ঘটনার ভয়াবহতা বোঝাতে একটু বাংলায় বলি :
ছেলেটিকে বলাৎকার করতে করতে তার পায়ুর ছিদ্র অস্বাভাবিক বড় করে ফেলা হয়েছে। তারমানে ঘটনাটি ১/২ দিনের নয়,
একটু গভীরভাবে চিন্তা করেন
অসহায় শিশুটি কিন্তু বেঁচে যেতে পারত - যদি সে আত্মহত্যার পথ বেছে না নিয়ে তার কোন সহপাঠীকে বা কোন শিক্ষককে বিষয়টি জানাতো।
পারেনি কেন? কার ভয়ে ? কিসের এত ভয় এদের ?
আপনার কি মনে হয় সে ইচ্ছা করে জানায়নি?
না তা নয়, আসলে আব্দুল্লাদের কাছে জানানোর মতো নির্ভরযোগ্য কোন ভরসার জায়গাই থাকে না .
সে দেখেছে, তার মতো আরো অনেক শিশু বলাৎকারের শিকার হচ্ছে এবং বিষয়টিকে তেমন গুরুত্বের সাথে নেওয়া হচ্ছে না বা হয়নি।
বিষয়টি নিয়ে ঘাটাঘাটি করলে সে আরো জটিল পরিস্থিতির শিকার হবে ,
পরবর্তীতে আমরা জানতে পারি, ধর্ষক / হত্যাকারী এর আগে আরো ছয় সাত জন শিক্ষার্থীর সাথে একই কাজ করেছে, (ভুক্তভোগী শিশুদের সাক্ষাৎকার অনুযায়ী).
তারপরেও এই ধর্ষক বহাল তবিয়তে মাদ্রাসায় কেমন করে অবস্থান করছিল, আপনার কাছে প্রশ্ন ?
উত্তর একটাই, " সাধারণ ক্ষমা যোগ্য অপরাধ ".
আবাসিক মাদ্রাসাগুলোতে এটা তেমন কোন অপরাধ নয়।
বরং "এ বিষয়ে আওয়াজ তুললে / কথা বললে মাদ্রাসার বদনাম হয়, শিক্ষকদের বদনাম হয় তথা ধর্মের বদনাম হয় ". তাই পুরো বিষয়টিকে হজম করে নিজের ভেতর চাপিয়ে রাখাটাই সাওয়াবের কাজ।
কিন্তু একটা শিশু কতবার সহ্য করবে বলেন.......?
তার উপরে, এরা বেশিরভাগ হয়ে থাকে এতিম /অনাথ /অসহায়.
খেয়াল করেছেন কি....?
আব্দুল্লাহ্ ’র লাশ কাভার করতে কোনো সংবাদমাধ্যম যায়নাই,
তার বাবা মায়ের সাথে সাক্ষাৎ করতে প্রধানমন্ত্রী /
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যায়নাই -
তার জন্য বিরোধীদল সাধারণ জনগনের ব্যানারে রাস্তা আটকায় নাই, আওয়াজ টুকুও তুলে নাই -
তার বেলায় কেউ শরিয়াহ মোতাবেক বিচার চায়না - এটাই আমাদের হিপোক্রেসি.
শিশু আব্দুল্লাহ্ মরে গিয়ে প্রমাণ করে গেলো - এমন পরিস্থিতির চাইতে মৃত্যুই ভালো.