Mesmerizing Moments with Mithun - Your HRM, IR & Social Compliance Solution

  • Home
  • Bangladesh
  • Sylhet
  • Mesmerizing Moments with Mithun - Your HRM, IR & Social Compliance Solution

Mesmerizing Moments with Mithun - Your HRM, IR & Social Compliance Solution It's an Online platform for knowledge share & Learning.

09/01/2024

Stop Complaining, Start Fixing!
Organisation got healthier.

23/05/2023

ছুটি মোট ১১ প্রকার।
যথা: ১. সাপ্তাহিক ছুটি। (ধারা ১০৩) সপ্তাহে ১ দিন প্রাপ্য।
২. নৈমিত্তিক ছুটি।( ধারা ১১৫) ১০ দিন প্রতি পঞ্জিকা বৎসরে পূর্ণ মজুরিতে।

৩.পীড়া বা অসুস্থ্য জনিত ছুটি।(ধারা ১১৬) ১৪ দিন।প্রতি পঞ্জিকা বৎসরে পূর্ণ মজুরিতে।

৪.বাৎসরিক বা অর্জিত ছুটি।( ধারা ১১৭) প্রতি ১৮ দিনে ১ দিন। তবে চাকুরীর মেয়াদ অবিচ্ছন্নভাবে ১ বছর পূর্ণ হতে হবে। ছুটি ভোগ না করলে জমা থাকবে এবং বছরে একবার অর্ধেক নগদায়ণ করতে পারবে।

৫.উৎসব ছুটি।( ধারা ১১৮) ১১ দিন। কোম্পানি চাইলে বাড়াতে পারবে কিন্তু ১১ দিনের কম দিতে পারবে না।

৬. মাতৃত্বকালীন ছুটি।( ধারা ৪৬) ১১২ দিন ছুটি। সম্ভাব্য EDD তারিখের আগে ৫৬ দিন পরে ৫৬ দিন।

৭. বিনা মজুরিতে ছুটি।( ধারা ৪৬(২)বিধি ৩৮) দুটি সন্তান জীবিত থাকলে সুবিধা বা কোনো টাকা পাবে না কিন্তু তার প্রয়োজন অনুযায়ী ছুটি পাবে। বাৎসরিক ও অসুস্থ্য জনিত ছুটির সাথে সমন্নয় করার পরও যদি প্রয়োজন পড়ে। আর সেই ছুটি পাবেন বিনা মজুরিতে।

৮.গর্ভপাত জনিত ছুটি। বিধি ৩৮(ক).২০২২ সালে নতুন সংযোজিত। যদি কোনো গর্ভবতী গর্ভপাত ঘটে তাহলে ৪ সপ্তাহ ছুটি কাটাতে পারবে।এই ছুটি অন্য কোনো ছুটির সাথে সমন্বয় করা যাবে না এবং মজুরি পাবে।

৯. ক্ষতিপূরণ মূলক ছুটি। ধারা ১০৩/১০৪বিধি ১১৮(৩) বিস্তারিত ভাবে আলোচিত।

১০. পেশাগত ব্যধির জন্য অস্থায়ী অক্ষমতা জনিত ছুটি। ধারা ১৫০ (৪) ৫ ম তফসিল। বিশেষ বিবেচনায় ও মেডিকেল বোর্ডের সুপারিশক্রমে সর্বোচ্চ ২ বৎসর।

১১. বদলী ছুটি।( বিধি ১০৯) একই পরিবারের অধিক সংখ্যক লোক নিয়োজিত থাকলে একজনের প্রাপ্য ছুটি শেষ হলে অন্য জনের ছুটি ভোগ করার সুবিধা।

20/04/2023

(২য় অংশ)
এবার আসা যাক,
কার কোথায় কি ভূমিকা? এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ কারন একজনের টেরিটোরিতে আরেকজন হস্তক্ষেপ করলে টক্সিন পরিবেশ তৈরি হয়। এটা যাতে না, যাতে কোনও "পেয়ারি লাল" না জন্মে, সবাই যেনো মনে করতে পারে সে তার উপরস্থ ও মালিকের গুডবুকে আছে তেমন কর্মপদ্ধতি ও কর্মপরিবেশ গড়ে তুলতে হবে।

ফ্যাক্টরি হলো কোম্পানির একটা অংশ। এই অংশের একজন লিডার থাকবেন যাকে বলা যায় - জিএম - ফ্যাক্টরি, তিনি স্বভাবতই ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যাকগ্রাউন্ডের হবেন, সেটাই স্বাভাবিক। আর একজন হবেন, ম্যানেজার - এডমিন এন্ড এইচআর। যিনি সাধারণ ব্যাকগ্রাউন্ডের হবেন। তিনি, জিএম- এর সাথে শলাপরামর্শক্রমে পুরো কারখানার এডমিন পরিচালনা করবেন, তার এসিস্ট্যান্ট ও বিভিন্ন বিভাগ দিয়ে। জেনারেল ম্যানেজার অন্য বিভাগের সাথে এসিস্ট্যান্ট দিয়ে কমুনিকেশন বজায় রেখে অল সেগমেন্টস অব প্রোডাক্ট প্রোডাকশন এবং মার্কেটিং ডিভিশনের চাহিদা+ অর্ডার ও ডেলিভারী সম্পর্কিত রিপোর্ট প্রদান করবেন সরাসরি, ডিরেক্টর প্যানেলের নিকট। অপরদিকে, ম্যানাজার এইচআর এন্ড এডমিন পুরো ফ্যাক্টরির যাবতীয় প্রশাসনিক কাজ নিবিড় তত্বাবধান করবেন, সমমনা বিভাগগুলোকে ডিসিপ্লিন রক্ষায় কাজ করতে উৎসাহিত করবেন।
এই দু'জন হলেন- কারখানার ১ম ও ২য় ব্যক্তি, যারা যথাক্রমে একজন মেশিন এন্ড ম্যাটেরিয়ালস এবং অন্যজন ম্যানপাওয়ার, কমপ্লায়েন্স প্রতিষ্ঠায় হারমোনিয়াসলি কাজ করবেন। তাহলেই বাকিগুলো অটোমেটিক চলবে।

এখন কথা হলো, কোর ফাইন্যান্স কোনক্রমেই কারখানার কার্য পরিচালনা সংক্রান্ত কোনও ডিসিশনমেকার নহেন। তাঁর কাজ অর্থ মঞ্জুরী করা। কি লাগবে, না লাগবে - তা নির্ধারণ করবেন তাঁরাই যারা কারখানা চালাবেন। কারখানার জিএম ও ম্যানেজার মিলে, সিএফও - এর সহায়তা নিয়ে বাজেট তৈরি করবেন এবং তা সিএফও এর নিকট সাবমিট করবেন। সিএফও সেটা, মালিকপক্ষ কর্তৃক অনুমোদন করিয়ে নিয়ে, সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় অর্থ ছাড় করবেন।
কারখানা সংক্রান্ত কাজে অথরিটি প্রাপ্ত দুজনকে স্বাধীনভাবে কাজ করতে দিতে হবে।

সিএফও কারখানায় তার অডিট টিম পরিচালনা করতে পারেন, তিনমাসে একবার। তবে, আগে জানিয়ে। হুটহাট করে নয়। কারখানার একাউন্টস কাজের জন্য যিনি তিনি কারখানার এডমিন এর নিকট কাজের জন্য জবাবদিহি করবেন, কোনক্রমেই হেড অফিসের একাউন্টস বিভাগে নয়। তিনি, কারখানার বাধ্যগত থাকবেন।

তাহলে, আর কারখানায় অযাচিত হস্তক্ষেপ হবে না, হেড অফিসের লোকের। শুধু মিটিং এ বসা যেতে পারে হেড অফিসের সাথে।

প্রডাক্ট সম্পর্কিত বিষয়ে ফ্যাক্টরী জিএম ও মার্কেটিং জিএম ব সিএমও - এর মধ্যে, কি মাল কতটুকু তৈরি করা লাগবে, কেন লাগবে, কি মানদণ্ড রেখে লাগবে, কতদিন ধরে করতে হবে, কোন উপলক্ষে করতে হবে, এসব তাঁরা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে ডিরেক্টর প্যানেল থেকে ইমেইল অনুমোদন নিয়ে স্ব স্ব কাজ করবেন।

ঠিক এভাবেই আগাতে পারলে, মাস্ট উন্নতি আসবে।

( পরবর্তী অংশ আরেকদিন)

17/04/2023

আজ একটা ছোট্ট হিসেব দেই, তাঁদের উদ্দেশ্যে যারা নন- কমপ্লায়েন্স অর্গানাইজেশন নিয়ে বেশ অস্বস্তিতে আছেন।
আপনি এখন কি করছেন? মোটাদাগে যদি বলি- একটি সুপরিসর কারখানা স্থাপন করেছেন, মেশিন আমদানি এবং ইন্সটলেশন করেছেন। জোরালোভাবে বিনিয়োগ করেছেন প্রোডাক্ট ম্যানুফ্যাকচারিং - এ, আর সেলস - এ সারাদেশে নেমে পড়েছেন! বাকি যেসব জায়গায় প্রয়োজনীয় সেগুলোতে কিছু সংখ্যক লোক নিয়েছেন এবং অনেক বিভাগ খোলার প্রয়োজনই মনে করেননি। ভাবছেন, ইন্টারনাল ফ্যাক্টরির ডে-টু-ডে কাজ একে- অপরকে বলে- কয়ে, ফোর্স করে বা দু'একটাকে তাড়িয়ে দিয়ে একটা প্যানিক সৃষ্টি করে উঠিয়ে নেবেন। তা ঠিক প্যানিক মানে, চাকরি যাওয়ার ভয়ে মানুষ আপনি যা বলবেন তাই করবে যদি তার নিজের প্রতি বিশ্বাস না থাকে। নয় তো করবে না, আপনাকে ফেলে দিয়ে চলে যাবে। এতে কি হয় প্রতিষ্ঠানের বদনাম হয়। এই বদনাম এ পর্যন্ত টাকার অংকে কত ছুঁয়েছে তা দেখতে হবে। যদি এমন না হয়, তাহলে সুনাম টাকার অংকে কত পরিমাণে এডিশন হতো ভাবতে পারেন। সুনাম বা বদনাম টাকা দিয়ে মাপা যায় না তবে, একবার সুনাম গেলে টের পাওয়া যায় এর ওজন কত টাকার বান্ডিলের সমান হতে পারে।

মানুষ ভুল করবে তবে সেখান থেকে শিক্ষা নিতে হবে, একই ভুল বারবার করা যাবে না। যদি তা করেন তাহলে আপনি আপনার ভুলকে জাস্টিফাই করে চলছেন। যা আপনারই লস। আর শিক্ষা নিয়ে, তা সঠিকভাবে করার পদক্ষেপ নিলে আপনার উন্নতি অবধারিত।

আপনও এফএমসিজি কোম্পানির মালিক হয়ে থাকলে, আপনাকে নিচের বিভাগগুলো এবং বিজনেস ডিভিশন করে ব্যবসায়কে বিকেন্দ্রীকরণ করতে হবে। এখানেই আপনার সাফল্য নিহিত। আপনাকে, কমপক্ষে তিনটি আলাদা বিজনেস ডিভিশন করে প্রত্যেকটিতে "আমলকি- হরিতকী - বহেড়া" এ তিনটি বৃক্ষ রোপন করতে হবে। এ তিনজন লোক যদি যার যার জায়গায় মেধার সাক্ষর রেখে থাকেন তাদের নিতে হবে।
নেওয়ায় সময় আপনি তাদের কাজের স্কিলটেস্ট করবেন এবং লিডারশীপ কোয়ালিটি আছে কিনা তা দেখবেন। আর কিছুই বিবেচনা করবেন না, বাড়ি কোথায়, ইয়ং না বুড়ো, কোনওকিছুই না।

আর তাঁদেরকে ইন্ডিপেন্ডেন্ট লিডার হিসেবে আস্থায় ও বিশ্বাসে নিয়ে শুরু করতে হবে।

তাঁরা কারা -
১. একজন গ্রুপ এইচআর, আ্যডমিন এন্ড কমপ্লায়েন্স জিএম বা এইচআরবিপি / সিইও
২. একজন চীফ প্রোডাক্ট প্লানিং অফিসার
৩. একজন চীফ ফাইনান্সিয়াল অফিসার
৪. একজন চীফ মার্কেটিং অফিসার
৫. একজন চীফ ইঞ্জিনিয়ার

এই পাঁচজনকে আপনার প্রতিমাসে কনসোলিটেড ব্যয় ধরলে তা হবে সর্বনিম্ন -
১. ১.০০- ১.২৫ লাখ।
২. ১.০০-১.২৫ লাখ।
৩. ১.২৫ - ১.৫০ লাখ।
৪. ১.২৫ - ২.০০ লাখ।
৫. ১.০০- ১.৫০ লাখ

সর্বমোট, ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং অন্যান্য সুবিধা হিসেবে মোট ব্যয় আনুমানিক ১০ লাখ টাকা।

এবার, আপনাকে বিজনেস ডিভিশন করে, কিছু বিভাগ খুলতে হবে, একই বিভাগ বিভিন্ন ডিভিশনের থাকতে পারে।
১. ফ্যাক্টরি ডিভিশন
১.১ ফ্যাক্টরি এডমিন, এইচআর এন্ড কমপ্লায়েন্স
১.২ ফ্যাক্টরি ফাইন্যান্স এন্ড একাউন্টস
১.৩ ফ্যাক্টরি স্টোর এন্ড ইনভেন্টরি
১.৪ ফ্যাক্টরি ভ্যাট এন্ড ট্যাক্স
১.৫ ফ্যাক্টরি ওয়ারহাউজ এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন
১.৬ ফ্যাক্টরি পারচেজ এন্ড সাপ্লাইচেইন
১.৭ ফ্যাক্টরি ওয়েলফেয়ার, ট্রেনিং এন্ড ডেভেলপমেন্ট
১.৮ ফ্যাক্টরি মেডিক্যাল ইউনিট
১.৯ ফ্যাক্টরি এইচইএস সেফটি এন্ড সিকিউরিটি
১.১০ ফ্যাক্টরি কিউসি এন্ড কিউএ
১.১১ ফ্যাক্টরি প্রডাকশন
১.১২ ফ্যাক্টরি আরএন্ডডি
১.১৩ ফ্যাক্টরি আই.ই.
১.১৪ ফ্যাক্টরি প্রজেক্ট জিএম - ইঞ্জিনিয়ার।

একইভাবে,
সেলস এন্ড মার্কেটিং বিভাগের জন্য - বিক্রয় ও বিপনন দুটো আলাদা ইউনিট করতে হবে।
২. বিক্রয় বিভাগের জন্য
২.১ হেড অব সেলস (জিএম)
২.১ এজিএম সেলস ( এডমিন এন্ড কমপ্লায়েন্স)
২.৩ সেলস অডিটর
২.৪ সেলস এইচআর, ট্রেনিং এন্ড ডেভেলপমেন্ট
২.৫ সেলস এনএসএম
২.৬ সেলস জেডএসএম
২.৭ সেলস ডিএসএম
২.৮ সেলস আরএসএম
২.৯ সেলস এএসএম
২.১০ সেলস টিএসও
২.৯ সেলস এটিএসও
২.১০ সেলস ট্রেইনি এস.আর
২.১১ সেলস ডিএসআর
২.১৩ সেলস ভলান্টিয়ার
২.১৪ সেলস ইন্টার্ণ

বিপণন বিভাগ
৩.১ মার্কেটিং জিএম (এডমিন এন্ড এইচআর)
৩.২ মার্কেটিং এজিএম (প্লানিং এন্ড ডেভেলপমেন্ট )
৩.২ মার্কেটিং রিজিওনাল ব্রান্ড ম্যানেজার ( সিএসআর এন্ড স্ট্যাটেজী)
৩.৩ মার্কেটিং রিজিওনাল মার্চেন্ডাইজার লিডার
৩.৪ মার্কেটিং মিডিয়া কম্যুনিকেশন অফিসার
৩.৫ মার্কেটিং টিম - এসিস্ট্যান্ট, ডেপুটি, সাপোর্ট স্টাফ
৩.৬ মার্কেটিং ইভেন্ট প্লানার
৩.৭ মার্কেটিং গ্রাফিকস ডিজাইনার এন্ড স্যোশাল মিডিয়া
৩.৮ ড্রাইভার।

( ২য় অংশ আগামীকাল)

মনে থাকে যেনো।
13/04/2023

মনে থাকে যেনো।

12/04/2023

আপনি নতুন এফএমসিজি ইন্ডাস্ট্রি উদ্যোক্তা। আপনার কোম্পানি ঠিকই কিন্তু যখন আপনি ম্যান, মেশিন, ম্যাটেরিয়ালস - নিয়ে খাদ্যপণ্য যেমন: বিস্কিট, স্নাকস, বেভারেজ আইটেম নিয়ে ব্যবসায় নেমেছেন তখন থেকেই তা হয়ে যায় একটি অর্গানাইজেশন বা সংগঠন।
এই সংগঠনটির ভ্যালু বাড়ানো হওয়া উচিত আপনার প্রধানতম লক্ষ্য। আর ভ্যালু বাড়াতে গেলে, নিজের কোম্পানির প্রোডাক্টকে ভোক্তাদের নিকট নিরাপদ হিসেবে পরিচিত করাতে হলে আপনার কিছু বিষয় মেনে চলতে হবে।
আপনার কারখানার নিরাপত্তার জন্য : HES Policy, Health, Environment & Safety policy - আন্তর্জাতিক মানের করে গড়ে তুলতে হবে।
আপনার কর্মীর কাজের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পাবে, যদি আপনি কর্মীর Work life balance এর প্রতি মনযোগী হন।
প্রথমেই বলি, কিছু মৌলিক কমপ্লায়েন্স প্রতিষ্ঠা নিয়ে।
ফ্যাক্টরি লাইসেন্স, বিএসটিআইয়ের সনদ, পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র, বয়লার অথরিটির লাইসেন্স এবং ইটিপি। এই পাঁচটি আপনাকে সবার আগে নিশ্চিত করতে হবে।
তারপর, আপনাকে ISO 9001:2018, ISO 14001: 2000 এবং HACCP certification agencies যেগুলো বাংলাদেশে আছে যেমন: SGS, Burue Veritus - তাদের যেকারো পরামর্শ মোতাবেক মাননির্ধারণ পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে এবং অডিট করিয়ে Certification গ্রহণ করতে হবে।
এরপর, স্যোশাল কমপ্লায়েন্স প্রতিষ্ঠার জন্য বাংলাদেশ শ্রম আইন ও বিধিমালা অনুসারে কারখানার কার্য পরিচালনা করতে হবে।
এতে কর্মী ব্যবস্থাপনা থেকে উৎপাদন, বিতরণ, বিপণন ও বিক্রয় ব্যবস্থাপনা একটি নির্দিষ্ট চেইনের মধ্য দিয়ে সাবলীলভাবে কাজ করবে।

এই সার্টিফিকেশনগুলো আপনার কোম্পানি সম্পর্কে জনসমাজে একটি ইতিবাচক ধারণা তৈরি করবে এবং ব্যাবসায়িক সফলতা তরান্বিত হবে।

HR is a Bisuness Partner.
11/04/2023

HR is a Bisuness Partner.

09/04/2023

আপনি নব্য বৃহৎ শিল্পোদ্যোক্তা,
ব্যবসায় নেমেছেন কিন্তু ব্যবসায় আগাচ্ছে না। যত দোষ করোনা আর যুদ্ধকে দিয়ে, প্রতিদিন একেকটা ভুল সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন।

এক্সপার্ট যারা আছেন তাদেরও জবান প্রায় বন্ধই বলা চলে, শুধু সবকিছুতে জ্বি স্যার ছাড়া আর কিছুই যে আসে না, তাই না?

নিজেকে এতই বিপদজনক আবেগী মালিক/ ওউনার হিসেবে পরিনত করেছেন যে, সবাই তটস্থ থাকেন- মতামত দিলে না আবার বেডিংপত্র গুছাতে হয়। তাই, আপনার ভুল- শুদ্ধ - আবেগী সব কথাতেই "চমৎকার" বলেই যতদিন পারা যায় চাকরিটা টিকিয়ে রাখা, কারন এটা অনস্বীকার্য যে আপনি মাইনেটা ভালোই দেন। ফলে, আপনি সবার বেস্ট এফোর্টটা বের করে আনতে পারছেন না।

এমন যখন হচ্ছে তখন একবার কি ভেবেছেন?
ঠিক কি কারনে আপনি সাফল্য লাভ করতে পারছেন না?

নিচের কিছু কারন তুলে ধরছি, ২৫% এর উপরে নিজের সাথে নেতিবাচকভাবে মিলে গেলে, বুঝে নিতে হবে - আপনিই আপনার সফলতাকে আটকে দিচ্ছেন। এর জন্য আর কেউই দায়ী নয়। তাহলে সেগুলো কি কি-
১. আপনি কি সব এমপ্লয়ির ইন্টারভিউ নিতে চান?
২. আপনি কি নিজেকে জিজ্ঞেস করেছেন, আমি নিজে কেন সবকিছুর নিয়ন্তা হতে চাই?
৩. আপনি কি আস্থার সংকটে ভুগছেন?
৪. আপনি কি শুনতে পছন্দ করেন না?
৫. আপনি কি জানতে পছন্দ করেন না?
৬. আপনি কি সিদ্ধান্ত নিতে তড়িঘড়ি করেন আবার নেওয়া সিদ্ধান্ত বলা নেই, কওয়া নেই পাল্টে ফেলেন?
৭. আপনি কি পরিশ্রমকেই সাফল্যের ভিত্তি মনে করেন? মেধা ও তথ্যকে কি আপনি পাত্তাই দেন না?
৮. আপনি কি মাইক্রো ম্যানেজমেন্ট করেন?
৯. আপনি কি হুইসেল ব্লোয়ারকে খুব ভালোবাসেন?
১০. আপনি কি অন্যরা যা করেন তার ৫০% ও করেন না?
১১. আপনি কি এই যে, এত এত পড়াশোনা যেমনঃ এইচআর, ব্রান্ডিং, প্রমোশন, প্রডাকশন প্রকৌশল, আরএন্ডডি এসবের প্রটোকলে বিশ্বাস করেন না?
১২. এগুলোকে কি আপনার কাছে, স্রেফ টাকার অপচয় মনে হয়?
১৩. আপনি কি সেলসে বিশ্বাসী মার্কেটিংয়ে নয়?
১৪. আপনি কি এমপ্লয়ির নিজের কাজ ও অথরিটি কতটুকু তা নির্ধারণকল্পে রাজি হন নাকি অসীম ও যখন যেকোনো কাজে যেকাউকে লাগাতে আপনি চান?
১৫. আপনি কি জানেন, ছাগল দিয়ে হাল বাওয়ালে ফলাফল কি আসতে পারে? অথবা, ছাগল একবার গাছ খেয়ে নিলে ফলাফল কি হয়?
১৬. আপনি কি শর্টকাটে কোম্পানি দাঁড় করানোর তরিকা খোঁজেন কিন্তু পান না?
১৭. আপনি কি মানুষকে বিশ্বাস করতে পারেন না? আপনি কি তাহলে ভুল মানুষকে বিশ্বাস করে বসেন? আপনি কি একেবারে শর্ট-টার্ম চিন্তা করেন?
১৮. আপনাকে কি অনেকেই ভয় পায়? আপনি কি চাকরি খেয়ে দিতে খুব সিদ্ধহস্ত। ঠিক এ কারনে, আপনাকে খুশি রাখবার চেষ্টা যে চলে মূল কাজ না করে তা কি আপনি বুঝতে পারেন?
১৯. আপনি কি কখনো নিজের কাজ নয় অথচ যেচে এসে আপনার সামনে অন্যের কাজ করে দিচ্ছে এমন এমপ্লয়িকে বাহবা দেওয়ার বদলে জিজ্ঞেস করেছিলেন, সে কেন অন্যের কাজে এত আগ্রহ দেখাচ্ছে?
২০. আপনি কি চেইন ম্যানেজমেন্টে বিশ্বাস করেন?
২১. আপনি কি নিজেকেই একমাত্র সাকসেসন প্লানার মনে করেন?
২২. আপনি কি আপনার পণ্য আপনার কাস্টমারের চাহিদা অনুসারে বিতরণ করেন না?
২৩. আপনার কোম্পানিকে একটি সংগঠন হিসেবে কি মনে করেন?
২৪. আপনার কোম্পানির সুনামের জন্য আপনি কি পদক্ষেপ নিয়েছেন?
২৫. আপনি কি সুনামকে মূলধন মনে করেন কি না?
২৬. আপনি কি আপনার এমপ্লয়ি ফিডব্যাক নিয়ে প্রডাক্ট ফাইনাল করেন নাকি ভোক্তা জরিপ চালিয়ে করেন?
২৭. আপনি কি কোন একটা উদ্যোগ বেশীদিন টেনে নিয়ে যেতে পারেন না? বদলে ফেলেন বা ফেলতে হয়?
২৮. আপনি কি কোনওক্ষেত্রে "না" বলতে পারার সাহস রাখা, এমপ্লয়িকে পছন্দ করেন না?
২৯. আপনি কি বিজনেসকে বিভিন্ন ডিভিশনে বিভক্ত করেছেন?
৩০. আপনি কি জানেন, বিভিন্ন বিভাগের এমপ্লয়ির বিভিন্ন রকমের মানসিকতা হয়, নাকি সবাইকে একইরকম ভাবেন?
৩১. আপনি কি খুব শুদ্ধ ভাষায় বিনয়ী হয়ে সুদুর পূর্বাঞ্চল থেকে আসা এমপ্লয়িকে যে চোখে দেখেন আপনার এলাকার বিনয়ী এমপ্লয়িকেও কি ঠিক একইভাবে দেখেন?
৩২. আপনি কি বইপত্র পড়েন বিশেষ করে ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিলেশনশিপ নিয়ে?
৩৩. আপনি কি আপনার কোম্পানিতে বাহিরের লোকজনের খবরদারী এলাও করেন?
৩৪. আপনি কি আপনার কোম্পানির প্রজেক্ট ম্যানেজারের খবর বা তথ্য নাইট গার্ডের নিকট তলব করেন?
৩৫. আপনি কি পরিকল্পনা করে বিনিয়োগ করতে সাহস পাচ্ছেন না?
৩৬. নিজের পরিকল্পনায় ফকির, অন্যের ভালো বুদ্ধির ধারও ধারেন না - এমন মনস্তাত্ত্বিক চিন্তাধারা কি পোষণ করেন?
৩৭. আপনি কি ডিক্টেটর মানসিকতার এবং আ্যকশন মাইন্ডসেটের লোক?
৩৮. আপনি কি বুয়েট, রুয়েট, ঢাবি, এনএসইউ, জেইউ এবং স্কিলড লোক নিয়োগ দিতে অনাগ্রহী? আপনি মনে করছেন, এতে শুধু শুধু খরচ বাড়ে? পাশের বাড়ির ছাগল দিয়ে চলবে?😃
৩৯. আপনি কি সৃজনশীল আইডিয়ার এমপ্লয়িকে এলার্জি ফিল করেন? মনে মনে ভাবেন, আর ভাবেন- জাফর ইখবাল সাহেব চলে আসছেন যেন!!
৪০. আপনি কি এমন এমপ্লয়ির প্রতি খুশি হন, যে নিজে কৃত্রিম অন্ধত্ব বরণ করে আছে, আপনি গু*লি করার কথা বললে, লাভ-ক্ষতি বিশ্লেষণ না করে, আলোচনা না করে, বসের আদেশ শিরোধার্য করে আ্যকশনে চলে গিয়েছে।
৪১. আপনি কি রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের মতো মনে করেন আপনার কোনও ভুল করা এমপ্লয়িকে?
৪২. আপনি কি প্রতিটি এমপ্লয়ির কথা শোনার জন্য মুখিয়ে থাকেন?
৪৩. আপনি দায়িত্ব বিকেন্দ্রীকরণ কেন করছেন না? চাপ নিতে গিয়ে খেই হারিয়ে ফেলছেন নাতো?
৪৪. আপনি কেন দেশের নামীদামী প্রজেক্ট ম্যানেজার, অপারেশন ম্যানেজারকে হায়ার করে আগাচ্ছেন না?
৪৫. কেন আপনি এমপ্লয়ি টিকিয়ে রাখতে পারছেন না?
৪৬. আপনি কি একজনকে দিয়ে তিনজনের কাজ করাতে সুযোগ খুঁজেন? এটা যে বলপূর্বক শ্রম, যা আপনার কাজের মানকে নিম্নমানের করে এবং এমপ্লয়ি র উৎপাদনশীলতা হ্রাস পায়।
৪৭. আপনি কি সমসময় ভুল ধরতে মুখিয়ে থাকেন?
৪৮. আপনি কি, পরামর্শকের কথায় প্রজেক্ট পরিচালনা করেন?
৪৯. আপনি কি কমপ্লায়েন্স ইমপ্লিমেন্ট করতে অনাগ্রহী
৫০. আপনি কি প্রটোকল এবং ইন্ডাস্ট্রি এক্সপার্ট লোক নিতে অনাগ্রহী?

এবার মিলিয়ে নিন, ২৫% এর বেশি হলেই, নিজের চিন্তাভাবনাকে ভুল ও সেকেলে মনে করুন।

ভালোমানের মানবসম্পদ নিয়োগ দিন, তাঁদের সামাজিক সম্মান, চাহিদা এবং কাজের মানের দিকটি দেখুন।
আর ঠিক, একবছরের মাথায় ইতিবাচক পরিবর্তন অবলোকন করুন।

09/04/2023

মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা, এডমিন পরিচালনা,
কমপ্লায়েন্স প্রতিষ্ঠা এবং শ্রম ও শিল্প সম্পর্কিত আইন সম্পর্কে কে কি জানতে চান তা কমেন্টে নিজের পেশাগত পরিচয়সহ লিখে দিলে, আলোচনা করতে সহজ হবে।

পড়াশোনা এবং পেশার সাথে সংগতিপূর্ণ মন্তব্যকারীদেরকেই প্রাধান্য দেওয়া হবে।

আর আমার সম্পর্কে বলতে গেলে, আমি মিডলেভেল এইচআর, এডমিন এন্ড কমপ্লায়েন্স প্রফেশনাল। অনার্স গ্রাজুয়েশন ও পোস্টগ্রাজুয়েশন সমাজবিজ্ঞানে। পরবর্তীতে এইচআরএম - এর উপর পোস্ট গ্রাজুয়েট ডিপ্লোমা সম্পন্ন, আইন বিষয়ে স্নাতক এবং হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্টে এমবিএ (চলমান)
বাংলাদেশের স্বনামধন্য গ্রুপ অব কোম্পানির সাথে কাজ করার সৌভাগ্য হয়েছে, প্রতিনিয়ত শিখছি।

09/04/2023

এই অনলাইন পেজটি মূলতঃ ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিলেশনশিপ, এইচআর প্রেক্টিস, স্যোশাল কমপ্লায়েন্স প্রতিষ্ঠা এবং শ্রম সম্পর্কিত আইন-বিধি ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করা এবং সাকসেশন প্লান সম্পর্কিত নলেজ শেয়ার করার জন্যই আজ (৯ এপ্রিল ২০২৩ ইং) খোলা হয়েছে।

এই পেজটিতে উপরোক্ত বিভিন্ন বিষয়ের উপর ভিডিও বা লেখা প্রকাশ করা হবে। যা নিশ্চিতভাবে জানার আগ্রহ সৃষ্টি করবে।

তর্ক-বিতর্ক নয়, শিল্প ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে জানতে ও জানাতে আগ্রহী শিক্ষার্থী, পেশাজীবি, শিল্প মালিক, ব্যবস্থাপকসহ যেকোনো শুভবোধসম্পন্ন ব্যক্তি এ পেজে যুক্ত হতে পারেন।

আপনার জানার আগ্রহ ব্যক্ত করতে পারেন, আমাদের জানা থাকলে সেগুলোর অথেনটিক উত্তর দিতে চেষ্টা করবো।

ধন্যবাদ সহ,

মিথুন
এইচআর প্রফেশনাল

Address

Sylhet Sador
Sylhet
3100

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mesmerizing Moments with Mithun - Your HRM, IR & Social Compliance Solution posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share