11/10/2025
ইউরোপে নতুন এক যুগের সূচনা!
আগামী রবিবার থেকে মাদ্রিদের Aeropuerto Adolfo Suárez Madrid-Barajas-এ শুরু হচ্ছে Entry-Exit System (EES) একটি automatic border control ব্যবস্থা, যা ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরের ভ্রমণকারীদের face scan ও fingerprints রেজিস্টার করবে একটি বিশাল ডাটাবেসে, যা পরিচালনা করবে European Commission
🔍 লক্ষ্য হলো:
👉 সন্ত্রাসবাদ (terrorismo) দমন
👉 সংগঠিত অপরাধ (crimen organizado) প্রতিরোধ
👉 অনিয়মিত অভিবাসন (inmigración irregular) ও পরিচয় জালিয়াতি (usurpación de identidad) ঠেকানো
🖥️ নতুন EES kiosks ইতিমধ্যেই Barajas এয়ারপোর্টে বসানো হয়েছে, যেখানে ভ্রমণকারীরা নিজের পাসপোর্ট স্ক্যান করবে, মুখমণ্ডল ও আঙুলের ছাপ (huellas digitales) রেকর্ড করবে।
প্রথমবার রেজিস্ট্রেশনের পর ভবিষ্যতের প্রবেশ-প্রক্রিয়া হবে অনেক দ্রুত।
👮♀️ Policía Nacional-এর সদস্যরা জানিয়েছেন, সিস্টেমটি “muy intuitivo”, যাতে যাত্রীদের ঝামেলা কম হয়। ভ্রমণকারীরা চাইলে সেখানে উপস্থিত কর্মকর্তাদের সহায়তা নিতে পারবেন।
🚪 রেজিস্ট্রেশনের পর যাত্রীদের যেতে হবে ABC gates (Automated Border Control) দিয়ে, যেখানে আবার মুখ স্ক্যান করা হবে (নিশ্চিত করতে যে পাসপোর্ট ব্যবহারকারী ও রেজিস্টারকৃত ব্যক্তি একই)
🕒 পুরো ইউরোপে এই সিস্টেম ধাপে ধাপে চালু হবে এবং ১০ এপ্রিল ২০২৬ নাগাদ সম্পূর্ণরূপে কার্যকর হবে বলে আশা করা হচ্ছে। তখন আর পাসপোর্টে কোনো physical stamp দেওয়া হবে না, সব রেকর্ড হবে ডিজিটালভাবে।
💶 স্পেন সরকার ইতিমধ্যেই ৮৩ মিলিয়ন ইউরো বিনিয়োগ করেছে সব এয়ার, ল্যান্ড ও পোর্ট বর্ডারকে নতুন প্রযুক্তির সঙ্গে মানিয়ে নিতে।
📊 Interior Ministry জানিয়েছে, EES সম্পূর্ণভাবে EU Data Protection Regulation (GDPR) মেনে চলে এবং নাগরিকদের মৌলিক অধিকার সুরক্ষিত থাকবে।
🌍 প্রযুক্তি যেমন নিরাপত্তা বাড়ায়, তেমনি প্রশ্ন তোলে privacy আর control নিয়ে। ইউরোপ এখন এক নতুন ভারসাম্যের পথে, নিরাপত্তা নাকি স্বাধীনতা?