BBSH-Bangladesh Black Shadow Hackers

BBSH-Bangladesh Black Shadow Hackers ★★Welcome to official page of BBSH. We use technology to learn it,We don't drive it on the trash BBSH is both a dangerous & Helpful name.

If u dissent with us we'll destroy you.We can conserve anything whatever we want, we can queered anything whatever we want Because we are BBSH.

17/07/2024

এতদিন পুলিশ মরলে মানুষ হাসত, "ইন্না-লিল্লাহ" না বলে "আলহামদুলিল্লাহ" বলত,
আর এখন ছাত্রলীগ মরলে মানুষ হাসে, আলহামদুলিল্লাহ বলে! 🤮
আর কতটা নিচে নামলে তদের বিবেক খুলবে?? তরা কি মানুষ থেকে পশু'তে কনভার্ট হয়ে গেলি??

26/04/2022

হ্যাকিং এর স্বীকার থেকে যেভাবে নিজেই নিজেকে অনলাইন নিরাপত্তা দিবেন। বিস্তারিত জেনে নিন।
সবার আগে আপনাকে সাইবার সিকিউরিটি সম্পর্কে জানতে হবেঃ
সাইবার সিকিউরিটি কি ?
সাইবার সিকিউরিটি হচ্ছে কোন সাইবার অ্যাটাক থেকে নেটওয়ার্ক, ডিভাইস এবং প্রোগ্রাম গুলি সুরক্ষিত ও পুনরুদ্ধারের প্রক্রিয়া। ইন্টারনেটের জগতে হ্যাকিং বা ম্যালওয়্যার অ্যাটাক থেকে বাঁচার জন্য যে সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় সেই বিষয় গুলি সাইবার সিকিউরিটির মধ্যে পরে । ওয়েবসাইটে অবৈধ প্রবেশ বন্ধ করতে সাইবার সিকিউরিটি সম্পর্কে জানা প্রয়োজন। যখন কেউ আপনার কম্পিউটার বা স্মার্টফোনের অসৎ ভাবে অ্যাক্সেস পাওয়ার চেষ্টা করে তখন তা হ্যাকিং এর আওতায় পরে ।

আর এ ধরনের খারাপ অভিজ্ঞতা থেকে বাঁচার জন্য আপনাকে অবশ্যই সাইবার সিকিউরিটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে হবে ।

সাইবার অ্যাটাক ধরনসমূহ:
কি কি ধরনের সাইবার অ্যাট্যাক বা হুমকি আপনি পেতে পারেন সেসব বিষয়ে জানাটা আগে জরুরী। যদি আপনি সাইবার অ্যাটাক সম্পর্কে না জানেন তাহলে সাইবার সিকিউরিটি সম্পর্কে বিশেষ ভাবে বুঝতে পারবেন না।

অনেক ধরনের সাইবার হুমকি রয়েছে যা আপনার ডিভাইস এবং নেটওয়ার্কগুলিতে আক্রমণ করতে পারে , কিন্তু সাইবার হুমকি সাধারণত তিনটি ভাগে বিভক্ত সেগুলো হলঃ

1. Confidentiality

2. Integrity

3. Availability

Attacks on Confidentiality: এটি দ্বারা সাধারণত আপনার ব্যক্তিগত তথ্য চুরি এবং আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বা ক্রেডিট কার্ডের তথ্য চুরি করা বুঝায়। অনেক সাইবার ক্রিমিনাল বা আক্রমণকারীরা আপনার এসব তথ্য সংগ্রহ করবে এবং অন্যদের ব্যবহার করার জন্য একটি ডার্ক ওয়েবে বিক্রি করবে ।

Attacks on Integrity: এটি দ্বারা সাধারণভাবে বোঝায় ব্যক্তিগত বা এন্টারপ্রাইজ তথ্য চুরি করা, এবং প্রায়ই লি ক বলা হয়। এটি একটি সাইবার ক্রিমিনাল অ্যাক্সেস এবং প্রকাশ্যে তথ্য প্রকাশ করবে এবং যেই সংস্থার তথ্য চুরি করছে সেই সংস্থার উপর বিশ্বাস হারানোর জন্য জনগণকে প্রভাবিত করবে । সহজ কথায় বলা যায় আপনার ব্যবসা নষ্ট করার জন্য এসব হ্যাক করা হয়ে থাকে ।

Attacks on Availability: এই ধরণের সাইবার অ্যাটাকে র লক্ষ্য ব্যবহারকারীদের তাদের নিজস্ব ডেটা বা অ্যাক্সেস চুরি করবে এবং একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ ফি বা মুক্তিপণ না দেওয়া পর্যন্ত আপনার তথ্যগুলো অবরুদ্ধ করে রাখবে। সাধারণত, সাইবার ক্রিমিনাল আপনার নেটওয়ার্ক অনুপ্রবেশ করবে এবং গুরুত্বপূর্ণ ডেটা অ্যাক্সেস থেকে আপনাকে অবরুদ্ধ করে। আপনি আপনার ডাটা গুলোর অ্যাক্সেস পাবেন না।

নিচে কয়েকটি সাইবার এট্যাকের উদাহরণ দেওয়া হলো যা উপরে তালিকাভুক্ত তিনটি বিভাগে পড়ে :

১. Social Engineering: সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বলতে তথ্য নিরাপত্তা সম্পর্কিত বিষয়ে মানুষকে মনস্তাত্ত্বিকভাবে কার্য সম্পাদনের জন্য ব্যবহার অথবা গোপনীয় তথ্য প্রকাশকে বোঝায়। তথ্য সংগ্রহ, জালিয়াতি বা সিস্টেমে অনুপ্রবেশের উদ্দেশ্য হল এক ধরনের সাহসী কৌশল, এটি ঐতিহ্যগত প্ররোচনা থেকে ভিন্ন এই কারণে যে এটা প্রায়ই আরো জটিল জালিয়াতি পরিকল্পনার অন্যতম একটি পদক্ষেপ বলে বিবেচিত হয়। সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এর মধ্যে কয়েকটি ধরনের নাম নিচে দেয়া হলো

ফিশিং
আইভি আর বা ফোন ফিশিং
স্পিয়ার ফিশিং
ওয়াটার হোলিং
বেটিং
কুইড প্রো কিউ
টে ইলগে টিং
প্রতিরক্ষা:
আদর্শ অবকাঠামো ও কর্মচারীবৃন্দদের স্তরে আস্থাগত অবকাঠামো প্রতিষ্ঠা। যে মন কর্মচারীবৃন্দদের নির্দিষ্ট করে এবং কখন/কোথায়/কেন/কিভাবে সংবেদনশীল তথ্য বিনিময় করা যাবে সে সম্পর্কে হাতে কলমে শিক্ষাদান করা।

তথ্য সম্পর্কে গভীর সতর্ক করা: কোন তথ্যটি সংবেদনশীলতা চিহ্নিত করা এবং একটি সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এর নিকট প্রকাশ এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার ত্রুটি নির্ণয় করা।

নিরাপত্তা প্রটোকল: নিরাপত্তা প্রটোকল সমূহ, নীতি এবং সংবেদনশীল তথ্য বিনিময় করার পদ্ধতি স্থাপন করা।

কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ: কর্মচারীদের তাদের পদ অনুযায়ী নিরাপত্তা প্রটোকল এর উপর প্রশিক্ষণ প্রদান করা। যেমন, ত লগে টিং এর মতো পরিস্থিতিতে , যদি কোন ব্যক্তির পরিচয় যাচাই করা না যায়, পরবর্তীতে কর্মচারীদের অবশ্যই সবিনয়ে প্রত্যাখ্যান করার প্রশিক্ষণ প্রদান করতে হবে ।

ঘটনা পরীক্ষা: নিরাপত্তা অবকাঠামো অপ্রচারিত, পর্যাবৃত্ত পরীক্ষা সম্পন্ন করা।

২। APTs (Advanced Persistent Threats): সাধারণত ন্যশনাল স্পনসর গ্রুপ দ্বারা কোন কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক এর দীর্ঘদিন এক্সেস নিয়ে রাখাকে বুঝায়। এক্ষেত্রে সাইবার ক্রিমিনালরা আনডিটেক্টেড থেকে দীর্ঘদিন ডিভাইস বা নেটওয়ার্কের এক্সেস নিয়ে রাখে ।

৩। Malware: ম্যালওয়্যার: (Malware) হল ইংরেজি malicious software (ক্ষতিকর সফটওয়্যার) এর সংক্ষিপ্তরূপ। এটি হল এক জাতীয় সফ্টওয়্যার যা কম্পিউটার অথবা মোবাইল এর স্বাভাবিক কাজ ব্যহত করতে , গোপন তথ্য সংগ্রহ করতে , কোন সংরক্ষিত কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ব্যবস্থায় অবৈধ অনুপ্রবেশ করতে বা অবাঞ্ছিত বিজ্ঞাপন দেখাতে ব্যবহার হয়।ম্যালওয়্যার এর বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে এবং তাদের কাজও ভিন্ন ভিন্ন। নিচে কয়েক ধরনের ম্যালওয়্যার এর নাম দেয়া হলঃ

Worms
Viruses
Bots & Botnets
Trojan Horses
Ransomware
Adware
Spyware
৪। ভালনারেবিলিটি: ভালনেরাবিলিটি হচ্ছে কোন সিস্টেমের দুর্বলতা বা নিরাপত্তার ছিদ্র সমূহ।অর্থাৎ সিস্টেমটি কোন ভাবে বা কোন কৌশলে সংক্রমণযোগ্য। কোন সিস্টেমে ভালনেরাবিলিটি থাকলে সে সিস্টেমকে ভালনারে / Vulnerable) বলা হয়।হ্যাকাররা সাধারণত ভালনারেবল সিস্টেম খুঁজে বের করে ওই সিস্টেম হ্যাক করার চেষ্টা করে ।

৫। ব্যাকডোর: সহজ কথায়,ব্যাকডোর হল এমন এক অসংরক্ষিত রাস্তা বা পথ যার মাধ্যমে কেউ কোন সংরক্ষিত সিস্টেমে ঢুকে পড়ে। এটা হতে পারে কোন দূর্বল পাসওয়ার্ড, configuration ভুল ইত্যাদি । কোন সিস্টেমের দূর্বল অথেনটিকেশন ব্যবস্থাও ব্যাকডোরের পর্যায়ে পড়ে । একটি ব্যাকডোর আলাদা প্রোগ্রাম হিসেবে একটি প্রোগ্রামের গোপন অংশে র ভূমিকা পালন করতে পারে পারে । যেমন: বক্স অফিস একটি রুট কী এর মাধ্যমে কোন সিস্টেম বিপরীত করে দিতে পারে । যেমন: হার্ডওয়্যার ফার্মওয়্যার -এর কোড বা অপারেটিং সিস্টেম যেমন, উইন্ডোজ এর অংশবিশেষ বিপরীত করা যেতে পারে । ট্রোজেন হর্স কোনো ডিভাইসে অক্ষমতা সৃষ্টিতে ব্যবহৃত হতে পারে । কোনো ট্রোজেন হর্স বৈধ হতে পারে , কিন্তু যখন সে তার কাজ করে তখন সেটি এমন কি কাজ করতে পারে যা একটি ব্যাকডোর ইন্সটল করতে পারে । যদিও কিছু ব্যাকডোর গোপন ভাবে ইন্সটল হয় কিন্তু অন্যান্য ব্যাকডোর গুলো ইচ্ছাকৃত ও পরিচিত। এ ধরনের ব্যাকডোর গুলো প্রস্তুতকারক কে ব্যবহারকারীদের পাসওয়ার্ড পুনরুদ্ধার করার জন্য উপায় প্রদান করে থাকে ।

৬। ডিরেক্ট এক্সেস এট্যাক: সাধারণত ডিরেক্ট এক্সেস এট্যাক বলতে কোন হ্যাকার যখন সরাসরি কোন ডিভাইসের এক্সেস নিয়ে ডেটা ডাউনলোড বা অন্য প্রোগ্রাম রান করতে পারাকে বুঝায়।

প্রতিরোধ:
১. অজানা কোন লিংক থেকে ইমেইল ওপেন করবেন না বা আপনার কোন Password দিবেন না।

২. সর্বদা নিজের ডিভাইস আপডেট রাখা।

৩. সাইবার আক্রমণে ডাটা লস প্রতিরোধে করতে নিয়মিত আপনার ফাইলগুলি ব্যাকআপ করুন।

৪. কোন সাইটে লগ ইন করবার সময় উপরের লিংক দেখেনিবেন। যেন কেউ আপনার ক্রেডেন্সিয়াল ফিশিং এট্যাকের মাধ্যমে না পেতে পারে । ফেসবুক একাউন্ট হ্যাকিং কি ভাবে হয়, এবং যেভাবে নিজেকে সুরক্ষিত রাখবেন!

১. ব্রুট ফোর্স: ব্রুট ফোর্স এটাকের ক্ষেত্রে যেটা হয়, হ্যাকার সম্ভাব্য পাসওয়ার্ডের তালিকা তৈরি করে এবং সেগুলো ক্রমাগত লগইন করবার জন্য চেষ্টা করে থাকে । তালিকা তৈরি র মধ্যে ইউজারের নাম, এড্রেস, জন্ম তারিখ, পেট নেম, হবি , মোবাইল নাম্বার ইত্যাদি র উপর ভিত্তি করে তৈরি করে ।

ব্রুট ফোর্স এটাক এর জন্য অনেক টুলস আছে । তার মধ্যে THC Hydra, Ncrack, John the Ripper, Aircrack-ng, Rainbow Table এমনকি Burpsuit e ব্যবহারের মাধ্যমেও করা হয়।

#যে ভাবে সুরক্ষিত থাকবেনঃ একদমই সহজ উপরের বর্নিত বিষয়গুলো মাথায় রাখবেন। নাম, মোবাইল নাম্বার, পেট নেম বা সহজে অনুমান করা যায় এমন পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকবেন।

২. হুক ব্যবহারের মাধ্যমে: এক্ষেত্রে হ্যাকার beef xss framework এর মাধ্যমে লিংক তৈরি করে ভিকটিম অর্থাৎ ইউজারকে সেন্ড করে । ইউজার লিংকে ক্লিক করলে তার ব্রাউজারে হ্যাকারের হুক লেগে যায়। তারপর হ্যাকার কাস্টমাইজ ডায়লগ বক্স ইউজারকে সেন্ড করে । তখন ইউজার তার ব্রাউজারে Facebook Session Timed Out নামে ডায়লগ ভেসে উঠে । ইউজার যখন তার ক্রেডেন্সিয়াল দিয়ে পুনরায় লগইন করে তখন হ্যাকারের কাছে ইউজারের ক্রেডেন্সিয়াল চলে যায়।

#যে ভাবে সুরক্ষিত থাকবেনঃ ট্রাস্টেড এবং এক্সপেকটেড লিংক ছাড়া অন্যান্য লিংকে ক্লিক করা থেকে বিরত থাকতে হবে ।

৩. ফিশিং: ফিশিং করার জন্য মূলত হ্যাকার Social Engineering Toolkit (setoolkit) ব্যবহারের মাধ্যমে ফেসবুক ক্লোন করে হুবহু ফেসবুকের মতো সাইট হোস্ট করে । এবং সাইটের লিংক ভিকটিমকে ইমেইল, মেসেঞ্জার অথবা যে কোন চ্যাটিং সার্ভিসের মাধ্যমে সেন্ড করে । ভিকটিম লিংকে ক্লিক করলে হুবহু ফেসবুকের লগইন পেজের মত পেজ সাদৃশ্য হয়। সেখানে ইউজারনেম এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন বাটনে ক্লিক করলে ইউজারের ক্রেডেন্সিয়াল হ্যাকারের কাছে চলে যায়।

#যে ভাবে _সুরক্ষি ত_থাকবে নঃ ট্রাস্টেড এবং এক্সপেক্টেড লিংক ছাড়া অন্যান্য লিংকে ক্লিক করা থেকে বিরত থাকতে হবে এবং ভুলবশত কোন লিংকে ক্লিক করলে যদি ফেসবুকের লগইন ইন্টারফেসের মত পেজে নিয়ে গেলে সেখানে ক্রেডেন্সিয়াল দিয়ে লগইন করা থেকে বিরত থাকতে হবে ।

৪. কী-লগার: সহজে বলতে গেলে কী-লগার এমন একটি প্রোগ্রাম যা ভিকটিমের কী-বোর্ডে টাইপ করা প্রতিটা ওয়ার্ড হ্যাকারকে সেন্ড করে । বিভিন্ন থার্ড পার্টি সফটওয়্যার বা পি ডি এফ ফাইলের সাথে হ্যাকার কী-লগার বাইন্ড করে দেয়। হার্ডওয়্যার কী-লগার সাধারণত ইউএসবি ড্রাইভে বাইন্ড করা থাকে ।

#যে ভাবে সুরক্ষিত থাকবেনঃ ফায়ার ওয়াল ব্যবহার করা, ব্যবহৃত সফটওয়্যার আপ টুডে ট রাখা। ট্রাস্টে ড সফটওয়্যার, পি ডি এফ, ইউএসবি ড্রাইভ ছাড়া ব্যবহার করা যাবে নাহ।

৫. ম্যান ইন দ্যা মিডল এটাক : এক্ষেত্রে হ্যাকার wifi pumpkin বা অন্য কিছুর মাধ্যমে fake wifi network তৈরি করে । ভিকটিম যখন wifi কানেক্ট করে , হ্যাকার traffic অথবা route ইন্সপেক্টর র মাধ্যমে fake login page সেট করে ।

#যেভাবে সুরক্ষিত থাকবেনঃ আনইনক্রিপটেড বা ওপেন wifi network’এ কানেক্ট হওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে । পাবলিক ওয়াই-ফাই ব্যবহার না করায় ভাল। (এয়ারপোর্টে , রেস্টুরেন্ট, হোটেলের ওয়াই-ফাই)

এছাড়াও আর কিছু মেথড আছে যেগুলোর মাধ্যমে হ্যাকাররা ফেসবুক একাউন্ট হ্যাক করে ।সুযোগ হলে বাকিগুলো নিয়ে আরেকদিন আলোচনা করা হবে ।

উপরে আলোচিত বিষয়গুলো এভয়েড করা। এবং strong password অর্থাৎ 8-12 letter long, special characters,number,Capital and small letter এর সংমিশ্রণে পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা উচিৎ। যেমনঃ P@$$w0rd (তাই বলে আবার এটিই ব্যবহার করবেন নাহ, আমি উদাহরণ দিয়েছি মাত্র)

Two factor Authentication (2FA) ব্যবহার করতে হবে । ট্রাস্টেড ফ্রেন্ড এড করে রাখতে হবে ।

 #ফেসবুক_আইডি_নিরাপত্তাফেসবুককে যতটা পছন্দ করেন তার চেয়েও বেশি সময় কাটানো হয় এখানে। কিন্তু অধিকাংশ ব্যবহারকারীরাই এর সেট...
11/09/2018

#ফেসবুক_আইডি_নিরাপত্তা
ফেসবুককে যতটা পছন্দ করেন তার চেয়েও বেশি সময় কাটানো হয় এখানে। কিন্তু অধিকাংশ ব্যবহারকারীরাই এর সেটিংস সম্পর্কে বেশি ধারণা রাখেন না।
ফলে তাদের প্রোফাইলগুলো অনিরাপদ থেকে যায়। এখানে ফেসবুকে সর্বোচ্চ নিরাপদ করতে নিন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ।
১. লগ ইন অ্যালার্ট ব্যবহার করুন : কেউ যদি আপনার ফেসবুক আইডিতে লগ ইন করার চেষ্টা করেন, তবে আপনাকে জানান দেবে ফেসবুক। এর জন্য ফেসবুকে লগ ইন করে সেটিংস মেনুতে যান। সিকিউরিটিতে ক্লিক করে লগইন অ্যালার্টস-এ গিয়ে এডিট করুন। গেট নোটিফিকেশনস এবং ইমেইল লগ ইন অ্যালার্ট চালু করুন। এটি সেভ করুন। কেউ আপনার অগোচরে অ্যাকাউন্টে ঢুকতে চাইলে তার তথ্য দেবে ফেসবুক। প্রতিবারই লগইন করলে অ্যালার্ট পাবেন।
এ ছাড়া নির্দিষ্ট যন্ত্র থেকে লগইন করার বিষয়টিও ঠিক করে রাখতে পারবেন। নতুন কোনো ব্রাউজার থেকে নতুন যন্ত্রের লগইন করার সময় ফেসবুক এটাকে মনে রাখবে কিনা তা জানতে চাইবে। করতে চাইলে সেব ব্রাউজার করতে হবে।
২. রিকোয়েস্ট লগইন অ্যাপ্রোভালস : নিজের অ্যাকাউন্টে কিভাবে লগইন করবেন তাও নজরদারি করে ফেসবুক। কয়েকটি পদক্ষেপ নিলেই আগের অব্যবহৃত কোনো যন্ত্র থেকে কেউ আপনার অ্যাকাউন্টেল লগইন করলে তা দেখবে ফেসবুক। সিকিউরিটি সেটিংস-এ গিয়ে 'রিকোয়ার এ সিকিউরিটি কোড টু অ্যাকসেস মাই অ্যাকাউন্ট ফ্রম আননোন ব্রাউজারস' লেখা বক্সে ক্লিক করুন। একটি সিকিউরিটি কোড পাওয়ার জন্য লিখিত নির্দেশনা অনসরণ করুন এবং পাসওয়ার্ড পুনরায় দিন। রিকোয়েস্টটি নিশ্চিতকরণের পর একটি বক্স পপ আপ হবে যাতে প্রক্রিয়াটি সম্পন্নের বিষয়ে তথ্য দেওয়া থাকবে। এখানে 'নো থ্যাঙ্কস, রিকোয়ার এ কোড রাইট অ্যাওয়ে' লেখা বক্সে ক্লিক করতে হবে।
৩. বাড়তি কোড হাতে রাখুন : লগইন অ্যাপ্রোভালস চালু করলে নতুন স্থান থেকে লগ করার সময় নিরাপত্তা কোড চাইবে। এটা টেক্সটের মাধ্যমে বা কোড ডেনারেটর শাখা থেকে তা উদ্ধার করতে হবে। যদি ফোন বা ট্যাবে প্রবেশ করতে না পারেন, তারপরও লগইন করতে কোড লাগবে আপনার। এর জন্য ফেসবুক ১০টি এলোমেলো কোড দেবে আপনাকে। এসব কোডের যে তালিকা দেখাবে তা প্রিন্ট করে রেখে দিন।
৪. কোথায় লগইন এবং লগ আউট করেছিলেন তা খেয়াল রাখুন : যদি অন্য কোনো যন্ত্র থেকে ফেসবুকে প্রবেশ করেন এবং লগ আউট করতে ভুলে যান, তবে যে কেউ আপনার ব্যক্তিগত তথ্য দেখতে পারেন। নিজের ব্রাউজার থেকে ফেসবুক সিকিউরিটি সেটিংস-এ 'হোয়ার ইউ আর লগড ইন'-এ যান। আপনার সাম্প্রতিক লগইন তালিকাটি দেখুন।
৫. ট্রাস্টেড অ্যান্ড লিগেসি কন্ট্যাক্টস অ্যাড করুন : যদি কারো জন্য ফোন ও ইমেইলে অ্যাকসেস না পান তবে সিকিউরিটি কোডের দরকার নেই। ফেসবুকের কাছের বন্ধুদের কাছ থেকে লগইন কোড সংগ্রহ করতে পারবেন। যদি দুজন দুজনের বিশ্বস্ত হয়ে থাকেন, তবে দারুণ মিলবে। লিগেসি কন্ট্যাক্টস পৃথক বিষয়। কারো অবর্তমানে তার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট দেখাশোনা করতে বৈধ অনুমতি লাগবে। লিগেসি কন্ট্যাক্টটি টাইমলাইনে পিন করে রাখা যাবে। এতে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট বা প্রোফাইলের ছবি আপডেট হয়ে যাবে। এমনকি একটি সময়ের পর অ্যাকাউন্টটি মুছেও ফেলা যাবে। এসব কাজ সিকিউরিটি সেটিংস-এর ট্রাস্টেড কন্ট্যাক্টস অ্যান্ড লিগেসি কন্ট্যাক্টস-এর অধীনে সম্পন্ন করা সম্ভব।

15/05/2018

#বঙ্গবন্ধু_স্যাটেলাইট

আর্শীবাদ নাকি কেবল বিলাসিতা? দুরদর্শীতা নাকি অপরিণামদর্শিতা??..আমার বিশ্বাস লেখার শিরোনাম দেখে অনেকেই চমকে গেছেন। দেশের প্রযুক্তি ইতিহাসের সবচেয়ে বড় প্রজেক্ট বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ব্যাপারে দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমরা কেউ তেমন কিছু জানি না। জানি না বলার চেয়ে আমাদের জানানো হয় নি বলাটাই শ্রেয়। কোন ওয়েবসাইট, কোন ব্লগ কিংবা কোন ফেসবুক ইউজারের ওয়ালেও এ নিয়ে স্ববিস্তারে কোন লেখা নেই।
এবার আসুন আমরা আলোচনায় সরাসরি চলে যাই। লিখতে গেলে প্রচুর লিখতে হবে।
লেখার দৈর্ঘ্য কমানোর স্বার্থে অপ্রয়োজনীয় অংশ স্কিপ করব।
*** বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ব্যাপারে আলোচনা করার আগে আমরা পৃথিবীর সামগ্রিক স্যাটেলাইট ব্যবস্থা সম্পর্কে একটু জানব। ততটুকুই জানব যতটা আমাদের স্যাটেলাইটের সাথে কম্পেয়ার করার জন্য যথেষ্ট।
প্রথমেই প্রশ্ন আসে স্যাটেলাইট আসলে কি?
সহজ বাংলায় স্যাটেলাইট হচ্ছে ভূ-স্থির উপগ্রহ। পৃথিবী থেকে পৃথিবীর কক্ষপথে উৎক্ষেপন করা যন্ত্র বা যন্ত্রাংশ বিশেষ। পৃথিবী থেকে দেখলে যদিও এদেরকে স্থির মনে হয়, কিন্তু আসলে এরা মোটেই স্থির নয়। পৃথিবীর সমান গতি নিয়ে তারাও পৃথিবীকে কেন্দ্র করে ঘুরতে থাকে। তাহলে চলন্ত জিনিষটাকে স্থির মনে হয় কেন?
মনে করুন আপনি একজনের সামনাসামনি দাঁড়িয়ে আছেন। তারপর আপনি একপাক ঘুরলেন। সমান সময়ে সেও সমান বেগে একপাক ঘুরল। ফলে একপাক ঘুরার পর আবার আপনারা মুখোমুখি হয়ে যাবেন। দুজন দুজনকে আগের জায়গাতেই দেখতে পাবেন।
পৃথিবী থেকে স্যাটেলাইটকে স্থির অবস্থানে দেখার এটাই কারণ।
মহাকাশে প্রথম উপগ্রহ স্পুটনিক-১ পাঠিয়েছিল রাশিয়া ৪ অক্টোবর ১৯৫৭ তে। ইউরি গ্যাগরিন নামক প্রথম রাশিয়ান মানব মহাকাশে যান ভস্টক-১ চড়ে। দৃশ্যপটে এরপরই আসে যুক্তরাষ্ট্র। তারা ১৯৫৮ এর ৩১ জানুয়ারী পাঠায় এক্সপ্লোরার-১।
বাংলাদেশ সম্ভবত প্রথম স্যাটেলাইট পাঠাচ্ছে ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে।
ধারণা করতে পারেন এর আগে কতটা স্যাটেলাইট পাঠানো হয়েছিল?
নাসা বলছে মহাকাশে পাঠানো মোট স্যাটেলাইটের সংখ্যা ৬৬০০। তবে Satelite Debris এর ওয়েবসাইট মতে সংখ্যাটা গত বছর পর্যন্ত ৭১৪২। তার মধ্যে মাত্র ৫৮% অর্থাৎ প্রায় ৪০৭৭ টি ঠিক জায়গামতো পৌছাতে সক্ষম হয়। এই ৪০৭৭ টির সবকটা কিন্তু অক্ষত অবস্থায় নেই। নাসার সর্বশেষ হিসেব মতে মাত্র ১০৭১ টি এবং UNOOSA এর মতে ১৩০৫ টি স্যাটেলাইট এখন কাজ করছে।
যেখানে UNOOSA এর আগষ্ট ২০১৫ এর হিসেব মতে ৪০৭৭ স্যাটেলাইটের মধ্যে ফিরিয়ে আনা হয়েছে ১৩২৯ টি, ১৫৩৯ টি কোন না কোন ভাবে ক্ষয় হয়ে গেছে আর একদম কক্ষপথ থেকে বিচ্যুত হয়ে গেছে ১৭৫ টি।
স্যাটেলাইটের সবগুলোই যে পৃথিবীর কক্ষপথে পাঠানো এমন না। ৪৭ টি পাঠানো হয়েছে চাঁদে, ১৫ টি শুক্রে, ১৩ টি মঙ্গলে, ১ টি গ্রহানুপুঞ্জে।
২০১৪ সালে পুরো বছরে পাঠানো হয়েছিল ২৩৯ টি স্যাটেলাইট। আর ২০১৫ এর আগষ্ট পর্যন্ত পাঠানো হয়েছে ১০৬ টি।
স্যাটেলাইটের কিন্তু বেশ কিছু প্রকারভেদ আছে। এক স্যাটেলাইট দিয়ে সচরাচর একটা কাজই করা হয়।
সবচেয়ে বেশি যোগাযোগ ব্যবস্থা বা টেলিকমিউনিকেশনের কাজে ব্যবহার করা হয়। এর পরিমাণ প্রায় ৫৬%।
এর পরই আর্থ অবজারভেশন বা আবহাওয়া সংক্রান্ত কাজে ব্যবহার করা স্যাটেলাইটের সংখ্যা ২৬%।
প্রযুক্তিগত উন্নয়ন বা এস্ট্রোলজিক্যাল কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে ১৪১ টি স্যাটেলাইট। নৌ সিগন্যাল কিংবা সামরিক কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে ৯১ টি স্যাটেলাইট।
স্পেস সায়েন্সের কাজে ব্যবহার করা হয় ৫% স্যাটেলাইট।
স্যাটেলাইট গুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক স্যাটেলাইট ৫২%, সরকারী ৩০%, সামরিক ২৭%, সিভিলিয়ান (সচরাচর বিভিন্ন বড় ভার্সিটি) ৮%।
লক্ষ্য করে দেখুন সবগুলো পার্সেন্টেজ যোগ করলে ১১৫% হয়। তার মানে এই ১৫% স্যাটেলাইট হচ্ছে বহুমূখী কাজে ব্যবহার করার জন্য।
মহাকাশে সর্বোচ্চ ৩৪৮৮ স্যাটেলাইট পাঠিয়েছে রাশিয়া। বলাই বাহুল্য, তাদের স্যাটেলাইট নষ্টও হয়েছে সবচেয়ে বেশি।
বর্তমানে সচল স্যাটেলাইটের অর্ধেকেরও বেশি স্যাটেলাইটের মালিক মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পাঠিয়েছে ২১৩৭ টি স্যাটেলাইট।
স্যাটেলাইট ডেবরিস বলছে বিশ্বে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপন করেছে এমন দেশের সংখ্যা ৫৮টি। সাথে সংস্থা আছে আরো ২০টি। তবে আমাদের দেশ থেকে জানানো হচ্ছে আমরা ৪১ তম দেশ হিসেবে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপন করব। সম্ভবত এটা পুরাতন হিসেব। সম্পূর্ণ নিজস্ব প্রযুক্তি কাজে লাগিয়েছে ১০ টি দেশ। তারা হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, রাশিয়া, চীন, ফ্রান্স, জাপান, উত্তর কোরিয়া, ভারত, ইরান এবং ইসরায়েল।
পৃথিবীর সামগ্রিক স্যাটেলাইট ব্যবস্থা ব্যাপারে আপাতত আলোচনা এতটুকুই। প্রয়োজনে আবার ফিরব। এখন আমরা সরাসরি চলে যাচ্ছি বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটে।
দুঃখজনক হলেও প্রত্যাশিত সত্য যে আমাদের স্যাটেলাইট ব্যাপারে তেমন কোন তথ্য কোথাও নেই।
ইউকিপেডিয়ায় হাস্যকরভাবে মাত্র দশ লাইনে বর্ণনা করা হয়েছে প্রজেক্ট। তার মধ্যে সাড়ে তিনলাইন ব্যাপী স্পারসো আর ডাক ও টেলিযোগাযোগ সংস্থার পূর্ণরূপ লেখা।
ইউটিউবে এ নিয়ে ভিডিও রয়েছে মোট চারটি। ৬ মিনিটের একটি ভিডিও তথ্য মন্ত্রনালয় কর্তৃক পাবলিশড করা। এখানে স্যাটেলাইটের চেয়ে বঙ্গবন্ধু এবং বঙ্গবন্ধু কন্যার জীবনী অধিক গুরুত্ব পেয়েছে।
বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে রাখা তথ্য এক করলে যা দাঁড়ায় সেটা হচ্ছে সরকার প্রথম এই ব্যাপারে উদ্যোগ গ্রহণ করে ২০১২ সালে। তারপর অনেকটা টেন্ডার করে এসপিআই কে সাড়ে ৮২ কোটি টাকা দিয়ে দায়িত্ব দেয়া হয় কোন আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান খুঁজে বের করার জন্য।
তারা বের করে নিয়ে আসে ফ্রান্স প্রতিষ্ঠান থ্যালেস এলেনিয়া কে। প্রতিষ্ঠানের সভাপতি লুইস গ্যালির সাথে চুক্তি সাক্ষরিত হয় ১১ নভেম্বর ২০১৫ সালে।
বক্তব্য দানকালে গ্যালি চমৎকার ইংরেজীতে বলেন, "এই চুক্তির মাধ্যমে ফ্রান্সের সাথে বাংলাদেশের বন্ধুত্ব জোরদার হয়ে গেল।"
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট নিয়ে পুরো দেশকে আশ্চর্যজনকভাবে অন্ধকারে রাখা হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ধোঁয়াশা প্রজেক্টের আর্থিক হিসেব নিয়ে। প্রকল্পের টাকার পরিমাণ বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন রূপে প্রকাশ পেয়েছে।
যতটুকু জানা গেছে রাশিয়ান মহাকাশ সংস্থা ইন্টারস্পুটনিকের কাছ থেকে ১৫ বছরের জন্য ২১৯ কোটি টাকায় অরবিটাল স্লট ভাড়া নিয়েছে বাংলাদেশ। চুক্তি নবায়ন করা যাবে ১৫ বছর পরপর। থ্যালেস এলাইনার সাথে চুক্তি ১৯৫১ কোটি টাকার। তবে প্রকল্পের মোট ব্যয় একেক জায়গায় একেক রকম বলা হয়েছে। ৭১ টিভি বলছে ব্যয় চার হাজার কোটি টাকা। আর চ্যানেল নাইন বলছে ২৯৬৭ কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকার দেবে ১৩১৫ কোটি টাকা এবং সেবা নেয়া প্রতিষ্ঠান অগ্রীম দেবে ১৬৫২ কোটি টাকা। আমরা আপাতত চ্যানেল নাইনের তথ্যটা নেব।
ভূমি অধিগ্রহন করা হয়েছে রাঙামাটির বেতবুনিয়া এবং গাজীপুরে।
আসুন দেখি বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট সফল হলে সংশ্লিষ্টদের মতে আমরা কি সুবিধা পেতে যাচ্ছি?
১। তথ্য অধিদপ্তর মতে টেলিকমিউনিকেশন বাবদ সরকার এবং বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বছরে প্রায় ১১ মিলিয়ন ডলার বা ১০০ কোটি টাকা বিদেশে দিচ্ছে। সেই টাকার পুরোটা দেশেই থাকবে।
২। আবহাওয়া এবং সামরিক ক্ষেত্রে অভূতপূর্ব সাফল্য লাভ করবে বাংলাদেশ।
৩। স্যাটেলাইটের মোট ৪০ টি ট্রান্সপন্ডারের মধ্যে ২০ টি ব্যবহার করবে বাংলাদেশ। বাকি ২০ টি ভাড়া দেয়া যাবে। নেপাল, ভূটান, মায়ানমার কিংবা ভারতের সেভেন সিস্টার্স কে ভাড়া দিয়ে বাংলাদেশ বছরে ৩০০-৪০০ কোটি টাকা অনায়াসে লাভ করতে পারবে।
৪। আরব-কাজাখ থেকে ইন্দোনেশিয়া-মালেশিয়া-ফিলিপাইন পর্যন্ত বিস্তৃত হবে এর রেঞ্জ। ভাড়া দেয়া যাবে এসব দেশকেও।
৫। নতুন করে ১০০ জন মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ হবে।
৫। মাত্র ৬-৭ বছরের মধ্যেই বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট লাভজনক প্রকল্পে পরিণত হবে। বহির্বিশ্বে এলিট সোসাইটিতে স্থান পাওয়ার পাশাপাশি লাভের অংকটাও হবে হিংসে করার মতো।..আলোচনার এ পর্যন্ত অংশ আশাব্যঞ্জক।
তবে কিছু ধোঁয়াশা এবং বেশ কিছু প্রশ্ন চলে আসছে আমাদের সামনে। এ পর্যন্ত লেখা পুরো অংশ এনালাইসিস করব এখন।
১। পৃথিবীর যত দেশই স্যাটেলাইট উড়িয়েছে তারা প্রত্যেকেই ইনিশিয়াল স্যাটেলাইট নিজের অক্ষরেখায় উড়িয়েছে। বাংলাদেশ অবস্থান করছে ৮৬-৯১ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমা রেখায়। সে হিসেবে বাংলাদেশ এ অবস্থানেই স্যাটেলাইট পাওয়ার কথা। ৮৮-৯১ এ রাশিয়ার দুটি সহ মোট চারটি স্যাটেলাইট রয়েছে। তাই এখানে স্থান পাওয়া সম্ভব না। কিন্তু ৮৬-৮৮ ডিগ্রি খালি থাকার পরও মহাকাশ সংস্থা আইটিইউ বাংলাদেশকে স্লট দেয় নি।
বাংলাদেশ চেষ্টা করে ১০২ ডিগ্রিতে। সেখানে রাশিয়া, অষ্ট্রেলিয়া এবং গ্যালির ভাষ্যমতে বাংলাদেশের বন্ধু ফ্রান্সসহ বেশ কয়েকটি দেশ আপত্তি জানায়। তাদের আপত্তি ছিল বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট তাদের সম্প্রচারে বিঘ্ন ঘটাবে। দৌড়ানি খেয়ে বাংলাদেশ চেষ্টা করে ৬৯ ডিগ্রিতে। সেখানে একই আপত্তি নিয়ে চীন, সিঙ্গাপুর,মালেশিয়া সহ আরো কয়েকটি দেশ দৌড়ানি দেয়। ৪০ টির মধ্যে অর্ধেক দেশই বাংলাদেশকে দ্বিমুখী দৌড়ানী দেয়।
দ্বিমুখী দৌড়ানি খেয়ে বাংলাদেশ সবশেষে স্থান পায় ১১৯.১ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমা রেখায়।
প্রশ্ন হচ্ছে ৯০ ডিগ্রির বাংলাদেশকে ১১৯.১ ডিগ্রির স্যাটেলাইট কতটা নিখুঁতভাবে কাভার করবে?
যে কোন অবস্থানে থাকলেই যদি নিখুঁত কাভার করা সম্ভব হত তবে প্রতিটা দেশ কেন নিজের অবস্থানেই স্যাটেলাইট উড়ায়?
কিংবা কোন সমস্যা না হলে বাংলাদেশের ব্যাপারে তারা আপত্তি জানাল কেন?
সবশেষে আইটিইউ কেন খালি থাকার পরও বাংলাদেশকে ৮৬-৮৮ ডিগ্রিতে স্লট দিল না?
উত্তর যাই হোক না কেন সেগুলো নিশ্চয়ই বাংলাদেশের পক্ষে যাবে না।
২। বাংলাদেশের বিভিন্ন চ্যানেল বা বেসরকারি কোম্পানী কি বলা মাত্রই নিজের স্যাটেলাইট থেকে সেবা গ্রহণ করবে?
সেবার মান বিদেশী স্যাটেলাইট থেকে উন্নত হবে এই নিশ্চয়তা কে দেবে?
অতীতে টেলিটকসহ বিভিন্ন রাষ্ট্রয়াত্ব প্রতিষ্ঠান থেকে "দেশের টাকা দেশে রাখুন" বলে স্লোগান তুললেও কাজের কাজ কিছুই করতে পারে নি। টেলিটকসহ যে কোন সরকারী সেবার মান কত জঘন্য সেটা সবাই জানে। জেনে শুনে কোন প্রতিষ্ঠান কেন এ পথে পা বাড়াবে?
৩। সরকার বিদেশে সেবা দিয়ে ৫০ মিলিয়ন ডলার আয়ের স্বপ্ন দেখছে। কিনবে কারা? ভুটান, নেপাল, মায়ানমার, আরব কিংবা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া।
আমরা নিজেরা এখনো সম্পূর্ণ রূপে ভারত নির্ভর। সে জায়গায় ভারত বাদ দিয়ে নেপাল ভুটান আমাদের কাছে থেকে সেবা নেবে এটা হাস্যকর যুক্তি। যুক্তিটাকে আরো হাস্যকর করার জন্য এশিয়ায় স্যাটেলাইট সংখ্যা দেখি।
ইন্দোনেশিয়া ১৩, জাপান ১৯৭, মালেশিয়া ৯/৭, পাকিস্থান ৩, ফিলিপাইন ২, থাইওয়ান ৯, আরব আমিরাত ৭, ভিয়েতনাম ৫, সিঙ্গাপুর ৪, থাইল্যান্ড ৮, সৌদি আরব ১৩, দক্ষিণ কোরিয়া ১৮, কাজাখস্থান ৫ টি, তুরষ্ক ১০, ইরান ৫, তুর্কেমেনিস্থান ১ টি।
হিসেব শেষ না।
আরব স্টেট কমিউনিকিশন অর্গানাইজেশনের রয়েছে ১৩ টি, এশিয়া স্যাটেলাইট টেলিকম কোম্পানী ৭ টি, কমনওয়েলথের ১৪৯৬ টি।
বাকি কে?
ভুটান, নেপাল, মায়ানমারের প্রতিবেশী ভারতের মাত্র ৬৭ টি (ISRO মতে ৮৪, স্যাটেলাইন ডেবরিস মতে ৭১) আর চীনের মাত্র ২৪৪ টি।
এবার আপনি বলুন, এদের এতসব স্যাটেলাইট বাদ দিয়ে সদ্য আসমানে তোলা স্যাটেলাইট থেকে কে সেবা কিনবে?
আর যদি কেউ কিনতেই যায়, ভারত চীন তাদের ব্যবসার লসকে নিশ্চয়ই নীরবে মেনে নেবে না।
বাংলাদেশ আশা করছে ভারতও আমাদের একমাত্র স্যাটেলাইট থেকে সেবা কিনবে। অথচ তাদের নিজেদেররই যে ৮৪ টা স্যাটেলাইট আছে এটা বোধহয় বাংলাদেশ জানে না।
সহজ কথায় বিদেশ আমাদের সেবা কিনবে এটা কেবল গাছে কাঁঠাল রেখে গোঁফে তেল দেয়া না, গোঁফ-মাথা সুদ্ধ নিজেই তেলের টিনে ডুব দেয়া।
৩। শুরুতেই বলেছি স্যাটেলাইটের বিভিন্ন রকমফের আছে। একেকটা দিয়ে একেক কাজ করা হয়। এ জন্য মাত্র দশটা দেশ ও সংস্থা ছাড়া সবকটা দেশের একাধিক স্যাটেলাইট রয়েছে।
দাবী করা বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট দিয়ে সব কাজ করা হবে।
এটা কি সম্ভব?
উদাহরণ হিসেবে যদি ভারতকে আনি তবে তাদের ৮৪ টা স্যাটেলাইটের মধ্যে ৩৪ টা স্যাটেলাইট কেবল টেলিকমিউনিকেশনের জন্য। বাকি গুলো আর্থ আবজারভেশন, নেভিগেশন বা স্পেস সায়েন্সের জন্য আলাদা আলাদা করা। ৮৪ স্যাটেলাইটের কেবল একটির কাজ দেখানো হয়েছে কমিউনিকেশন প্লাস আবহাওয়া মনিটরিং।
আমাদের সবেধণ নীলমণী দিয়ে বারমজা খাওয়া যাবে?
৪। সবচেয়ে ভয়ংকর ব্যাপার হচ্ছে আকাশে উৎক্ষেপন করা ৪২% স্যাটেলাইট কক্ষপথে যেতেই ব্যর্থ হয়েছে। কক্ষপথে গিয়ে ঠিকঠাক কাজ করছে মাত্র ১৫% স্যাটেলাইট।
আমাদের মতো দুর্বল প্রযুক্তির দেশের স্যাটেলাইট সেই ১৫% এর একটি হতে পারবে?
সচিব সুনীল কান্তি বোস নিজেও এই তথ্য স্বীকার করে বলছেন "বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এই ব্যর্থতা মেনে নেয়া হবে না।"
না মেনে আপনি কি করবেন? মহাকাশে মাস্তানি চলে?
৫। বলা হয়েছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান অগ্রীম ১৬৫২ কোটি টাকা দেবে। প্রশ্ন হচ্ছে তারা কি দিতে বাধ্য?
১৫% সাফল্যের সম্ভাবনার একটা প্রজেক্টে অগ্রীম টাকা দেয়ার কোন যৌক্তিকথা আছে?
সেবা নেয়ার আগেই কোন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে টাকা নেয়ার রেওয়াজ বিরল। আর বাংলাদেশের মতো দেশে কে এত টাকা দেয়ার রিস্ক কে নেবে?
৬। ধরে নিলাম অগ্রীম ১৬০০ কোটি টাকা পাওয়া গেল। এখন বাকি ১৩০০ কোটি টাকা কিভাবে আসবে সেটা কিন্তু সরকার বলেনি। যদি এই টাকা ঋণ করা হয় তবে এই ঋণের সুদ বছরে কত আসবে জানেন?
কম হলেও ৭০ কোটি। সচরাচর বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণ হয় ৩০ বছর পর্যন্ত। তাহলে ৩০ বছরে কতটাকা সুদ দিতে হবে? ২১০০ কোটি টাকা!!
সাথে ইন্টারস্পুটনিককে ভাড়া বাবদ দিতে হবে বছরে ১৫ কোটি। তারমানে বছরে সুদে আর ভাড়াতেই চলে যাবে ৮৫ কোটি টাকা।
বিভিন্ন বেসরকারী কোম্পানীসহ যে ১০০ কোটি টাকা বাঁচানোর চিন্তা করা হচ্ছে সেই লাভের গুড় তো পিঁপড়াই খেয়ে ফেলবে।
ধরলাম ঋণ করা হবে না। অর্থমন্ত্রীর একবার বলেছিলেন, "বাংলাদেশ বৈদেশিক ঋণ নির্ভর না।"
কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন কথা বলছে।
২০১৪ সালে দেশের মাথাপিচু ঋণ ছিল ১৩১৬০ টাকা। বিগত এক বছরে যেটা বেড়েছে ৪৬০ টাকা। তার মানে আজকে যে শিশু জন্ম নিচ্ছে সেও ১৩১৬০ টাকা ঋণের বোঝা নিনিয়ে জন্ম নিচ্ছে।
সহজ বাংলায় ঋণ ছাড়া আমাদের কোন গতি নেই।
সুতরাং এই প্রজেক্টে ঋণ না আনলেও মেকআপ করতে অন্য প্রজেক্টে আনতে বাধ্য। হিসেব কিন্তু বরাবরই হয়।
৭। যতটা স্যাটেলাইটের নাম পড়েছি খুব সম্ভবত বিশ্বের আর কোন দেশের স্যাটেলাইটের নাম রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গের নামে না। আমরা ইউনিক জাতি। নাম যেমন দিতে পারি পাল্টাতেও পারি। এক সরকার আরেক সরকারের প্রজেক্টের কেবল নামই বদলায় না, প্রায়ই বন্ধ করে দেয়।
ধরলাম প্রজেক্ট সম্পূর্ণ সফল। কিন্তু প্রায় ৫০ বছর মেয়াদী এই প্রকল্প পরের সরকার এসে ক্যারি করবে এর নিশ্চয়তা আছে?
দুঃখিত, একটু রাজনীতির দিকে যাই।
মহাজোট জিয়া এয়ারপোর্টের নাম বদল করেছিল ১২০০ কোটি টাকা দিয়ে। ঢাকায় আরেকটা এয়ারপোর্ট করা কঠিন। নইলে হয়তো এটা বন্ধই করে দিত।
স্যাটেলাইটে কিন্তু এই সুযোগ আছে। বিএনপি ক্ষমতায় আসলে নিশ্চয়ই তারা বঙ্গবন্ধুকে আরামসে মহাকাশে উড়তে দেবে না।
তারাও বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের নাম পরিবর্তন করতে এক হাজার কোটি খরচ করবে। কিংবা কোন ঝামেলায় না গিয়ে ডিরেক্ট স্যাটেলাইট মাটিতে নামিয়ে আনবে।
তারা নতুন করে "শহীদ জিয়া স্যাটেলাইট" আকাশে তুলতে পারে। এরপর তাদের লেজ ধরা জামায়াত কিংবা আওয়ামীলীগের লেজ ধরা বামফ্রন্ট কোনক্রমে যদি ক্ষমতায় আসে তবে তারা যে "শহীদ নিজামী স্যাটেলাইট" বা "শহীন ইনু স্যাটেলাইট" তুলবে না তারও কোন গ্যারান্টি নেই।
প্রতিক্ষেত্রে ৩০০০ কোটি চাপবে দেশের জনগণের ঘাড়ে।
৮। একটা স্যাটেলাইট ভাঙতে পারে, কক্ষচ্যুত হতে পারে। সেটা রিকোভার করার ক্ষমতা কি বাংলাদেশের আছে?
৯। তারানা হালিম রাজনীতির স্বভাবসুলভ ভাষায় বলেছেন "বঙ্গবন্ধু কন্যার নেতৃত্বে দেশ সমুদ্রজয়ের পর এবার মহাকাশ জয় করছে। বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশকে কেউ দাবায়া রাখতে পারবে না।"
আকাশ জয় কি রকম হচ্ছে সেটা আন্দাজ করা যাচ্ছে। নিজের অরবিটালে স্লট না পাওয়া, ২০ টা দেশের দৌড়ানি..এটা নিশ্চয়ই আকাশ জয়ের নমুনা না। তাছাড়া উনি বোধহয় জানেন না স্যাটেলাইট যুদ্ধও বিরল ঘটনা নয়। ২০০৭ এ চীন আমেরিকার একটি স্যাটেলাইট নামিয়ে দেয়, আমেরিকা পরের বছরেই চীনের একটি নামায়।
সম্ভাবনা অতি অল্প হলেও ভারত-চীন নিজের স্বার্থে আমাদের স্যাটেলাইট নামাবে না এটা কে বলতে পারে?
১০। কাজ দেয়া হয়েছে বিদেশী কোম্পানীকে। বিদেশী কোম্পানী কর্তৃক দেশের সম্পদ লুট বা নষ্টের ইতিহাস অনেক। ২৪ জুন ২০০৫ এ টেংরাটিলায় হাজার কোটি টাকার গ্যাস পুড়িয়েছিল নাইকো। সে মামলার কিচ্ছু হয় নি এখনো।
থ্যালেস এলাইটা এটা করবে না বা করলে তাদের বিরুদ্ধে কিছু বলা যাবে এমন নিশ্চয়তাও নেই।
১১। খুব সহজ স্বাভাবিক প্রশ্ন নিজেরা স্যাটেলাইট তুললে যদি এতই সুবিধা তবে কেন মাত্র ৪০ টি ( বা ৫৮) দেশ স্যাটেলাইট তুলল?
ইউরোপের সবকটা দেশ বা উত্তর-দক্ষিণ আমেরিকার সবকটা দেশ কেন তুলল না?
তাদের অর্থনৈতিক অবস্থা নিশ্চয়ই বাংলাদেশের চেয়ে ভালো।..দেশ হিসেবে আমরা নিম্ন-মধ্যবিত্ত। আমাদের সবকিছুতেই টাকার হিসেব আসে।
এ রকম একটা উচ্চ বিলাসী প্রজেক্ট হাতে নেয়ার আগে দেখতে হবে দেশের মানুষ কেমন আছে?
আসুন পাঁচটি মৌলিক চাহিদার মধ্যে আলোচনা সংক্ষেপ করার স্বার্থে কেবল "বাসস্থান" এবং "চিকিৎসা" এই দুটি চাহিদার চিত্র দেখি।
বর্তমানে দেশে গৃহহীন মানুষের সংখ্যা ১২%। ঢাকা শহরে ২০০৫ এ গৃহহীন ছিল ৪০ লাখ মানুষ। বর্তমানে সেটা নিশ্চয়ই কোটিতে চলে গেছে। দেশের ৬৩% মানুষই ভূমিহীন।
প্রধাণমন্ত্রী বলেছেন দেশে একটাও গৃহহীন মানুষ থাকবে না।
সেটা কি আদৌ সম্ভব?
কিন্তু আমাদের জন্য বড় উদ্বেগ নিয়ে আসছে আরেকটা তথ্য।
গবেষণামতে ২১০০ সাল নাগাদ উষ্ণতা বৃদ্ধির কারণে সমুদ্র পৃষ্টের উচ্চতা ৫ ফিট বাড়বে। দেশে নতুন করে গৃহহীন হবে তিন কোটি মানুষ।
বরগুনার একটা এলাকায় জায়গার অভাবে চৌকির নিচে প্রিয়জনের করব দিতে হচ্ছে। নদী ভাঙনে প্রতিনিয়ত গৃহহীন মানুষ।
এই অবস্থায় আকাশে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট না উড়িয়ে "বঙ্গবন্ধু গৃহায়ন" প্রকল্প হাতে নেয়াটাই কি উচিত ছিল না?.আসুন চিকিৎসা ক্ষেত্রে।
সন্দেহ নেই চিকিৎসা ক্ষেত্রে বাংলাদেশ অনেক অগ্রগতি অর্জন করছে। কিন্তু বাস্তব পরিস্থিতি বলছে অগ্রগতি এখনো যথেষ্ট নয়।
২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারী মাসের এক জরিপ মতে দেশে প্রতি হাজারে শিশু মৃত্যু হার ৫৩ জন। ৬৮.৩% প্রসবই হচ্ছে সম্পূর্ণ অদক্ষ কারো হাতে। অসুস্থ মানুষের মাত্র ১৬.২% মানুষ কোন পাশ করা ডাক্তার থেকে সেবা নিতে পারছেন। ৩৬% শিশু কম ওজন নিয়ে জন্ম নিচ্ছে। ৪১% শিশু এবং ৪২% নারী ভুগছে রক্তস্বল্পতায়। পাঁচ বছরে কম বয়সী গ্রাম্য শিশু হাজারে মারা যাচ্ছে ৮৫ জন।
এত উদ্যোগের পরও ১২% শিশু টিকাদান কর্মসূচীর আওতায় আসতে পারছে না।
সহজ সত্য, স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে এখনো অনেক দূর যাওয়া বাকি।
দেশের মানুষকে এই কন্ডিশনে রেখে মহাকাশে কতটা ভালো থাকবে "বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট"?.মানছি বছরে ১০০ কোটি টাকা দেশের বাইরে চলে যাচ্ছে। কিন্তু সেটা ৩০০০ কোটিতে যেতে ৩০ বছর দরকার। এই ৩০ বছরে ৩০০০ কোটি টাকা পোশাক শিল্প বা অন্য কোন খাতে ব্যয় করলে এরচেয়ে বেশি লাভ অর্জন করা সম্ভব।
মাত্র ১৫% সাফল্যের সম্ভাবনা এবং বেশ কিছু "হয়তো" "কিন্তু" "যদি এমন হয়" ইত্যাদি অব্যয়যোগে গরীবের ৩০০০ কোটি টাকা মহাকাশে উড়াতে আমি রাজি নই।
এই উচ্চবিলাসী প্রজেক্টের যোগ্য আমরা এখনো হতে পারি নি বলেই আমার মনে হচ্ছে।
আমার দেশের ৩০০০ কোটি টাকার কেবল লোহা লাক্কড় ভাঙ্গাড়ী হয়ে মহাকাশে ভেসে বেড়ানোর সম্ভাবনা ৮৫%- এটা মানতে ভীষণ কষ্ট হচ্ছে।
তারপরও আমি আশা করি কেউ বলুক আমি ভুল। আমার উদ্বেগের প্রতিটি পয়েন্ট কেউ যুক্তিখন্ডন করুক। কেউ স্বপ্ন দেখাক। কেউ বাস্তব পয়েন্ট ধরে বলুক এই স্যাটেলাইট আমাদের জন্য আশীর্বাদ।
দুঃখের ব্যাপার সমস্ত গুগল-ফুগল-ব্লগ ঘেটে আমি এ ব্যাপারে কোন আশা দেখছি না।
ঐতিহাসিক কিন্তু অন্ধকারে রাখা এই স্যাটেলাইট সামনের বছরের বিজয় দিবসে উড়ছে।
আমাদের জন্য আশা নিয়ে আসছে নাকি অন্ধকার নিয়ে আসছে সেই প্রশ্নের জবাব আমরা কেউ দিতে পারব না।
কেবল নাম কামানো নাকি দূরদর্শী পরিকল্পনা তার উত্তরও কেউ জানি না।
তাহলে জানে কে??
সময়।
সময় সব প্রশ্নের উত্তর দেবে।
আপাতত অপেক্ষা......
ধন্যবাদ সবাইকে।
ভালো থাকুন আপনারা। ভালো থাকুক গরীব মায়ের ঘরে অস্বাস্থকর পরিবেশে জন্ম নেয়ার অপেক্ষা করা একমাত্র স্যাটেলাইট। ভালো থাকুক আপনার আমার মতো গরীবের ঘাম ঝরানো ৩০০০ কোটি টাকা.....
তথ্যসূত্রঃ
*NASA
*UNOOSA
*Wikipedia
*Satelite debris website
*Union of Concerned Scientists
*SPARSOO
*Indian Space Researce Org.
*New York Times
*BTRC
*The Intergovermental Pannel of Climate Changed
*The scientefic Committee on Entertic Researce
*Bangladesh Health Association
*দৈনিক ইত্তেফাক (১১-১১-১৫)
*দৈনিক প্রথম আলো (১১-১১-১৫/১৫-১-১৫/৩-৯-১৫)
*দৈনিক যুগান্তর (১১-১১-১৫)
*দৈনিক কালের কন্ঠ (১২-১-১৬)
*বিডিনিউজ২৪.কম... (৩-৯-১৫)
* দৈনিক সংগ্রাম (২২-১০-১০)
*দৈনিক ইনকিলাব (২০-৮-১৪)
*চ্যানেল 24
*চ্যানেল নাইন
*৭১ টিভি
*সময় টিভি

বর্তমানে বিশ্বজুড়ে ২০০ কোটিরও বেশি মানুষ ফেসবুক ব্যবহার করছেন। এর মধ্যে কোনো ব্যবহারকারী মারা গেলে তার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট...
17/04/2018

বর্তমানে বিশ্বজুড়ে ২০০ কোটিরও বেশি মানুষ ফেসবুক ব্যবহার করছেন। এর মধ্যে কোনো ব্যবহারকারী মারা গেলে তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টটির কী পরিণতি হয়। এক্ষেত্রে ফেসবুক যদি জানতে পারে কোনো অ্যাকাউন্টধারী মৃত্যুবরণ করেছে তাহলে অন্য একজন ফেসবুক অ্যাকাউন্টধারীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ওই অ্যাকাউন্টটি সরিয়ে ফেলতে পারে বা মেমোরিয়ালাইজড হিসেবে রেখে দিতে পারে। তাই কোনো ব্যবহারকারীর মৃত্যু সংবাদটি জানলে আপনি চাইলে সংশ্নিষ্ট ব্যক্তির অ্যাকাউন্টটি ফেসবুককে রিপোর্ট করতে পারেন। কোনো মৃত ব্যক্তির অ্যাকাউন্ট সরিয়ে ফেলা বা মেমোরিয়ালাইজড হিসেবে রাখার আবেদন করার জন্য আপনাকে অনলাইনে ফেসবুকের একটি আবেদনপত্র পূরণ করতে হবে।
ফেসবুকে মেমোরিয়ালাইজড করা অ্যাকাউন্টে বন্ধু এবং পরিবার চাইলে ওই ব্যক্তির সঙ্গে তাদের স্মৃতিগুলো শেয়ার করতে পারে।
মৃত ব্যক্তি কর্তৃক মনোনীত ব্যক্তিই মেমোরিয়ালাইজড অ্যাকাউন্টটি পরিচালনা করতে পারেন। তিনিই মেমোরিয়ালাইজড অ্যাকাউন্টটির একমাত্র আইনগত প্রতিনিধি।
একজন আইনগত প্রতিনিধি একটি মেমোরিয়ালাইজড অ্যাকাউন্টে যে কাজগুলো করতে পারবেন তা হচ্ছে :

★ ব্যক্তির প্রোফাইলের পোস্টগুলোকে পিন করা।
★ নতুন আসা ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট গ্রহণ।
★ প্রোফাইল ছবি এবং কভার ছবি আপডেট।

যদি অ্যাকাউন্টধারী কোনো আইনগত প্রতিনিধি নির্বাচন না করে থাকেন, তাহলে মেমোরিয়ালাইজড হয়ে যাওয়ার পর আর কেউই অ্যাকাউন্টটির সক্রিয়ভাবে তত্ত্বাবধান করতে পারবে না।
মেমোরিয়ালাইজড অ্যাকাউন্ট হিসেবে চিহ্নিত করার জন্য আপনাকে ফেসবুক বরাবর অনলাইনে একটি আবেদন করতে হবে। আর এ জন্য ফেসবুকের সংশ্নিষ্ট লিঙ্কে গিয়ে ফরম পূরণ করতে হবে। ফরমটিতে আপনাকে কিছু মৌলিক তথ্য দিতে হবে। যেমন মৃত ব্যক্তির নাম এবং কোন তারিখে তিনি মৃত্যুবরণ করেছেন। এ ছাড়াও আপনাকে মৃত্যুর প্রমাণ সম্পর্কিত বিবরণও পূরণ করতে হতে পারে। মেমোরিয়ালাইজড হিসেবে থাকা অ্যাকাউন্টগুলোতে সাধারণত নিম্নলিখিত বৈশিষ্ট্যগুলো থাকে :

★ মৃত ব্যক্তির প্রোফাইলে তার নামের পাশে রিমেম্বারিং শব্দটি প্রদর্শিত হয়।
★ মেমোরিয়ালাইজড হিসেবে থাকা অ্যাকাউন্টটির টাইমলাইনে তার বন্ধুরা তার সঙ্গে থাকা স্মৃতিগুলো শেয়ার করতে পারেন। তবে এটি নির্ভর করে মৃত ব্যক্তির অ্যাকাউন্টের গোপনীয়তা সেটিংসের ওপর।
★ শেয়ার করা ব্যক্তিটির সবকিছুই (যেমন : ছবি, পোস্ট) ফেসবুকে থেকে যাবে এবং দর্শকদের কাছে দৃশ্যমান হবে।
★ মেমোরিয়ালাইজড হিসেবে থেকে প্রোফাইলগুলো সবসময় জনসমক্ষে প্রদর্শিত হয় না, যেমন আপনি চিনতে পারেন এমন ব্যক্তিদের ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠাতে সাজেশন হিসেবে, বা জন্মদিনের রিমাইন্ডার হিসেবে।
★ মেমোরিয়ালাইজড অ্যাকাউন্টগুলোতে কেউই লগ ইন করতে পারবে না।
★ মেমোরিয়ালাইজড অ্যাকাউন্টগুলোতে আইনগত প্রতিনিধি না থেকে থাকলে নতুন করে তা পরিবর্তন করা যাবে না।

Address

Sylhet

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when BBSH-Bangladesh Black Shadow Hackers posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share