Learning & Earning Resources

Learning & Earning Resources ফ্রিল্যান্সিং এর বিভিন্ন পেইড কোর্স ফ্রিতে নিতে আমাদের অফিসিয়াল ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করুন।

02/02/2024

চব্বিশের প্রথম মাস, শেষ 🪑
বাকি ১১টা মাসের, প্রত্যেক মাসে যদি মাত্র কয়েক ঘন্টা ⏰ এই ২২টা ওয়েবসাইটে সময় দিতে পারেন - তাহলে স্কিল ডেভেলপমেন্টে 🧮 আপনি, পঁচিশে গিয়ে অনেকটা এগিয়ে থাকবেনঃ

✅ Duolingo - একটা নতুন ভাষা শেখার চেষ্টা করুন
✅ Khan Academy - বিভিন্ন বিষয়ের সম্পূর্ণ ফ্রি কোর্স করুন
✅ Coursera - ফ্রিতে অনেকগুলো সেরা ইউনিভার্সিটির কোর্স করুন
✅ W3Schools - ফ্রিতে প্র্যাকটিস করতে করতে ব্যাসিক থেকে কোডিং শিখুন
✅ Drawspace - আর্ট করা শেখার জন্য খুবই স্ট্রাকচার্ড একটা প্লাটফর্ম
✅ JAM with Chrome - বিগিনারদের জন্য মিউজিক তৈরির প্লাটফর্ম
✅ Cooking for Engineers - সায়েন্টিফিক অ্যাপ্রোচে, রান্না শিখতে পারেন
✅ Instructables - বিভিন্ন DIY প্রজেক্ট তৈরি শিখতে পারেন
✅ Investopedia - ইনভেস্টিং আর ফাইন্যান্সিয়াল মার্কেট সম্পর্কে শিখুন
✅ Mathway - ধাপে ধাপে, খুবই সহজে গণিতের সমস্যার সমাধান করা শিখতে পারেন
✅ TypingClub - টাইপিং স্পিড প্র্যাকটিস করে বাড়ানোর সেরা প্লাটফর্ম
✅ Pianu - অনলাইনে রিয়্যালিস্টিক পিয়ানো বাজানো শিখতে পারেন
✅ Fast.ai - কোডারদের জন্য প্র্যাকটিক্যাল ডিপ লার্নিং প্লাটফর্ম
✅ Radiolab - সায়েন্টিফিক আর ফিলোসফিক্যাল টপিকের উপর পডকাস্ট শুনতে পারেন
✅ A Soft Murmur - কাস্টোম সাউন্ট তৈরি করতে পারেন
✅ GIMP - সম্পূর্ণ ফ্রি ও ওপেন সোর্স ছবি এডিট করার এই সফটওয়্যারের কাজ শিখুন
✅ Instructive - গ্র্যাফিক্স ডিজাইন ও ডিজিটাল আর্ট শিখতে পারেন
✅ Ultimate Guitar - রিয়্যালিস্টিক গিটার শেখার প্লাটফর্ম
✅ HyperPhysics - ফিজিক্সের বিভিন্ন টপিক সম্পর্কে ডিটেইলসে শিখতে পারেন
✅ Bash Academy - শেল স্ক্রিপ্টিং ও ডেভেলপমেন্ট শিখতে পারেন
✅ Lingodeer - বিভিন্ন ভাষার ব্যাকরণ প্র্যাকটিস করার সেরা প্লাটফর্ম
✅ The Odin Project - ফুল স্ট্যাক ওয়েব ডেভেলপমেন্ট সম্পূর্ণ ফ্রিতে শিখতে পারেন
শেয়ার করে, সেইভ করে রাখুন; প্র্যাকটিসে কাজে আসবে

©Raju

ওয়েব ডেভেলপমেন্টের দুটো অংশ – ফ্রন্ট এন্ড আর ব্যাক এন্ড। Front End হল আমরা ওয়েবসাইটের যে অংশটি সরাসরি দেখি। আর Back End ...
08/08/2022

ওয়েব ডেভেলপমেন্টের দুটো অংশ – ফ্রন্ট এন্ড আর ব্যাক এন্ড। Front End হল আমরা ওয়েবসাইটের যে অংশটি সরাসরি দেখি। আর Back End হল সার্ভার সাইড যেখান থেকে ফ্রন্ট এন্ডের সবকিছু কন্ট্রোল হয়।
এখন আপনি যদি এই ফ্রন্ট এন্ড আর ব্যাক এন্ড দুটোই পারেন, অর্থাৎ একটা ওয়েবসাইটের পুরোটা ডেভেলপ করার মত দক্ষতা অর্জন করেন, সেক্ষেত্রে আপনাকে ফুল স্ট্যাক ওয়েব ডেভেলপার বলা যাবে!
একজন জাভাস্ক্রিপ্ট ফুল স্ট্যাক ডেভলপার হতে গেলে যে রোডম্যাপ অনুসরণ করতে হয় তা নিম্নের পিক দ্বারা বুঝানো হয়েছে।

ওয়েব ডেভেলপার বা ডিজাইনার হওয়া মানিই  হলো প্রতিদিন কোন কিছু শেখা ।আপনাকে চাইলেও শিখতে হবে  না চাইলেও শিখতে হবে ।এ ফিল্ডে...
06/08/2022

ওয়েব ডেভেলপার বা ডিজাইনার হওয়া মানিই হলো প্রতিদিন কোন কিছু শেখা ।
আপনাকে চাইলেও শিখতে হবে না চাইলেও শিখতে হবে ।
এ ফিল্ডে কাজ করতে হলে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন টেকনলজি শিখতে হবে ।

আর আমি এই পোষ্টে আপনার সাথে এমন কিছু রির্সোস শেয়ার করবো
যেখান থেকে আপনি একদম ফ্রিতে আপনার প্রয়োজনীয় টেকনলজি শিখতে পারবেন ।

এটা আপনার টাইমলাইনে রেখে দিতে পারেন কাজে লাগবে ।

কিছু ওয়েবসাইট যেখানে আপনি খুব সহজেই অনেক কিছু পেয়ে যাবেন ।

Website

1 - W3schooles. Link: https://www.w3schools.com/
2 - Sololearn. Link: https://www.sololearn.com/home
3 - freecodecamp. Link: https://www.freecodecamp.org/
4 - Geeks For Geeks. Link: https://www.geeksforgeeks.org/
5 - Tutorials Point. Link: https://www.tutorialspoint.com/index.htm

কিছু Youtube Channel.

1 - freeCodeCamp.org. Link:https://www.youtube.com/c/Freecodecamp
2 - CodeWithHarry . Link:https://www.youtube.com/c/CodeWithHarry
3 - Clever Programmer. Link:https://www.youtube.com/c/CleverProgrammer
4 - CS50 . Link:https://www.youtube.com/c/cs50
5 - Programming with Mosh. Link:https://www.youtube.com/c/programmingwithmosh

কিছু Coding Practice Site.

1 - frontend mentor . Link:https://www.frontendmentor.io/
2 - Free Frontend . Link:https://freefrontend.com/
3 - hackerearth . Link:https://www.hackerearth.com/
4 - coderbyte . Link:https://coderbyte.com/
5 - topcoder . Link:https://www.topcoder.com/

যারা মোবাইলে কোডিং শিখতে চাচ্ছেন তাদের জন্য কিছু মোবাইল apps এর লিংক দেওয়া হলো .

1 - Sololearn: Learn to Code .Link:https://play.google.com/store/apps/details?id=com.sololearn&hl=en&gl=US
2 - Programming Hub . Link:https://play.google.com/store/apps/details?id=com.freeit.java&hl=en&gl=US
3 - Mimo . Link:https://play.google.com/store/apps/details?id=com.getmimo&hl=en&gl=US
4 - W3Schools . Link:https://m.apkpure.com/w3schools/com.W3school.Anbu
5 - Grasshopper . Link:https://play.google.com/store/apps/details?id=com.grasshopper.dialer&hl=en&gl=US

আপনি কেনো একা শিখবেন শেয়ার করে বন্ধুদের ও জানিয়ে দিন ।

5 very amazing html Hacks # collected
02/08/2022

5 very amazing html Hacks

# collected

যে ১০টি কম্পিউটার স্কিল অর্জন না করলেই নয়! 💻1️⃣ বাংলা এবং ইংরেজি টাইপিং দক্ষতা:মোবাইলে আমরা সবাই আরামসে টাইপ করতে পারলেও...
18/07/2022

যে ১০টি কম্পিউটার স্কিল অর্জন না করলেই নয়! 💻

1️⃣ বাংলা এবং ইংরেজি টাইপিং দক্ষতা:
মোবাইলে আমরা সবাই আরামসে টাইপ করতে পারলেও কম্পিউটারের স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে একনাগাড়ে টাইপ করা কিন্তু একটু কষ্টসাধ্য ব্যাপার। টাইপ করার সাধারণ নিয়ম হচ্ছে ইংরেজিতে প্রতি মিনিটে ৪০টি শব্দ এবং বাংলা ২৫টি শব্দ টাইপ করতে পারতেই হবে।

আমাদের প্রায়শই বিভিন্ন অ্যাসাইনমেন্টের জন্য একজন টাইপিস্টের কাছে শরণাপন্ন হই। কিন্তু আমরা নিজেরাই যদি ভালোভাবে টাইপ করতে পারি, তাহলে বাইরের কাউকে দিয়ে টাইপ করানোর প্রয়োজন হবে না। এতে করে নিজের অর্থ এবং সময়- দুটোই বাঁচবে। এছাড়া তথ্য প্রযুক্তির এই যুগে টাইপিং ছাড়া কোন চাকরি কিংবা ব্যবসায় ভাল করা সম্ভব নয়। কেননা, যোগাযোগ রক্ষায় ই-মেইল লেখা থেকে শুরু করে অন্যান্য সবা কাজেই কম্পিউটার এবং টাইপিং প্রয়োজন। তাই আমরা যদি নিজেরাই টাইপিং দক্ষতাটা অর্জন করে ফেলি, তাহলে নিজেদেরকে কোনো ঝামেলাই পোহাতে হবে না!

https://www.artypist.com/

এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে তুমি সহজেই টাইপিংয়ের উপর একটি ফ্রি কোর্স করতে পারবে। শুধু সার্টিফিকেটের জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ তাদেরকে দিতে হবে, যদি তুমি সার্টিফিকেট নিতে চাও তাহলেই।

2️⃣ ডকুমেন্ট তৈরি:
কম্পিউটারের মাধ্যমে ডক ফাইল তৈরি করা হলো আরেকটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কম্পিউটার স্কিল। মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ও গুগল ডকের মাধ্যমে খুব সহজেই এবং বিনামূল্যে ফাইল তৈরি করা যায়। মাইক্রোসফট ওয়ার্ড হলো বিশ্বের বহুল ব্যবহৃত ডকুমেন্ট তৈরির সফটওয়্যার। ৯০% মানুষ নিজেদের কাজে এই সফটওয়্যারটি ব্যবহার করে থাকে।

ডকুমেন্ট ফাইলে শব্দ বড়-ছোট করা, হাইপার লিংক তৈরি করা, শব্দ বোল্ড, ইটালিক বিভিন্ন ফন্টে আনা, প্যারাগ্রাফ করা সহ আরো অসংখ্য ছোটখাটো স্কিল শিখে নেয়া খুব জরুরি। এই সফটওয়্যারগুলোর মাধ্যমে প্রেজেন্টেশন ও নোট খুব সহজেই তৈরি করা যায়।

গুগল এবং Office 365 অনলাইনেও ব্যবহার করা যায়। ফলে শুধু কম্পিউটারই নয়, এর মাধ্যমে মোবাইলেও যখন তখন লেখা এবং ফাইল এডিট করা যাবে। গুগল ডকে একই ফাইলে একাধিক মানুষের এক্সেস থাকলে তারা এডিটও করতে পারবে।

3️⃣ গাণিতিক সমস্যাবলী এবং ফিন্যান্সিয়াল ম্যানেজমেন্ট দক্ষতা:
যখন কেউ গাণিতিক সমস্যা কিংবা কোনো হিসাব-নিকাশের কথা বলে, তখন মাথায় আসে মাইক্রোসফট এক্সেল এর নাম। মাইক্রোসফট এক্সেল মূলত হলো একধরণের স্প্রেডশিট। সেখানে বিভিন্ন ধরণের টেবিলের মাধ্যমে কোনোকিছুর পরিসংখ্যান দেখানো হয়। যেমন: শেয়ার বাজারের সূচক, অফিসের কর্মীদের কাজে আসার সময়সূচী, শিক্ষার্থীদের মার্কশিট ইত্যাদি। এই স্কিল অর্জনের মাধ্যমে তুমি খুব সহজেই ডাটা এন্ট্রির কাজ করতে পারবে। আর বর্তমান আইসিটি খাতে ডাটা এন্ট্রির মতন কাজগুলোর চাহিদা কিন্তু প্রচুর। এই কম্পিউটার স্কিলটি তাই বিভিন্ন কাজে আসতে পারে!

4️⃣ প্রেজেন্টেশনে দক্ষতা:
প্রোজেক্ট ডিসপ্লে এবং প্রেজেন্টেশন তৈরি করার ক্ষেত্রে সেই দুইটি সফটওয়্যার আমাদের সবচেয়ে বেশি সাহায্য করে, তা হলো গুগল স্লাইড এবং মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্ট। এই দুইটি সফটওয়্যার প্রায় একই উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হলেও এদের মধ্যে বেশকিছু পার্থক্য রয়েছে। মাইক্রোসফট পাওয়ারপয়েন্টে রয়েছে অসংখ্য টুলস, যার মাধ্যমে খুব সহজেই তুমি তোমার প্রেজেন্টেশনকে আকর্ষণীয় করে তুলতে পারবে। আর গুগল স্লাইডে খুব বেশি টুল না থাকলেও চটজলদি প্রেজেন্টেশন তৈরির কাজে এর কিন্তু জুড়ি মেলা ভার!

দু’টিতেই রয়েছে অসংখ্য স্লাইড তৈরি করার অপশন। সেই সাথে ছবি অ্যাটাচ করা যায়, মিউজিক অ্যাড করা যায়, থিম পালটানো যায়, ফন্ট চেঞ্জ করার পাশাপাশি এর কালার ও সাইজেও পরিবর্তন আনা যায়। বর্তমান সময়ে তাই এই কম্পিউটার স্কিলটি তোমার থাকতেই হবে!

5️⃣ গ্রাফিক্স ডিজাইনিং:
আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বছর জুড়েই কোনো না কোনো ইভেন্টের আয়োজন করা হয়৷ ইভেন্টের প্রচারণার জন্য প্রয়োজন ম্যাগাজিন, ব্যানার ও পোস্টার৷ আর তুমি যদি কম্পিউটারে এডোবি ফটোশপ আর এডোবি ইলাস্ট্রেটর ব্যবহারে পারদর্শী হয়ে থাকো, তাহলে তোমাকে আর ঠেকায় কে? এসব কাজের জন্য সবার আগে কিন্তু তোমাকেই ডাকা হবে!

আজকাল যেকোনো কাজের জন্য এমন মানুষদের রিক্রুট করা হচ্ছে, যাদের ফটোশপ ও ইলাস্ট্রেটর সম্পর্কে অন্তত সাধারণ জ্ঞানটুকু আছে। তাই বোঝা যাচ্ছে যে আজকাল এই দুটি সফটওয়্যারের কাজে পারদর্শী মানুষের চাহিদা কেমন। এগুলো ব্যবহারের মাধ্যমে সৃজনশীল প্রতিভার বিকাশ ঘটে। সেই সাথে ক্যারিয়ার গঠনের বিভিন্ন পথ খুলে যায়। আমাদের জীবনে ফটোশপের নানা ব্যবহার রয়েছে। যা ক্যারিয়ার তৈরি ছাড়াও পার্টটাইম চাকরি খুঁজে পাওয়ার সহায়ক।

যদি এই সফটওয়্যারগুলো না থাকে, তবে এমনি অনেক বিনামূল্যের এডিটিং সফটওয়্যার এবং টুল পাওয়া যায়। এই দক্ষতা অর্জন করলে নিজের ফেসবুকের ছবিগুলোও হয়ে উঠবে অন্য সবার চেয়ে আকর্ষণীয়। এমনকি প্রেজেন্টেশনেও এই স্কিল কাজে আসবে। তুমি বিভিন্ন ইফেক্ট ও ভিডিও ক্লিপ ব্যবহারের মাধ্যমে তোমার প্রেজেন্টেশনটি হয়ে উঠবে অন্যদের কাছে সহজবোধ্য ও আলাদা।

6️⃣ বেসিক কম্পিউটার হার্ডওয়্যার:
কম্পিউটার বা ফোনের কোনো পার্টস নষ্ট হয়ে গেলে, সেটা ঠিক করার অন্তত বেসিক উপায়টা শেখা জরুরি। আমাদের জানা উচিত যে কীভাবে সফটওয়্যার কিনতে হয় এবং ব্যবহার করতে হয়। এছাড়াও পিসি কীভাবে পরিষ্কার রাখতে হয় এবং ভাইরাসমুক্ত রাখা যায় সেটাও জানতে হবে। র‍্যাম, হার্ডডিস্ক, বেসিক ইনপুট এবং আউটপুট ডিভাইস সম্পর্কেও ধারণা রাখা প্রয়োজন।

এসব টুকটাক কাজ নিজেরা জানলে নিজের মনিটর বা ফোন নিয়ে দোকানে দোকানে ছোটা লাগবে না। টাকাও বেঁচে যাবে। আর সেই বেঁচে যাওয়া টাকা দিয়ে তুমি চাইলেই নিজের পছন্দমতো একটা বই কিনে ফেলতে পারবে।

7️⃣ সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং স্কিলস:
সোশ্যাল মিডিয়া সাইটগুলো হলো নেটওয়ার্কিংয়ের সবচেয়ে কার্যকরী জায়গা। কারণ এইসব সাইটগুলোতে আমরা নানান ধরণের ও পেশার মানুষের সাথে পরিচিত হই। এইসব মানুষেরা আমাদের পরবর্তীতে নানান উপকারে আসতে পারেন। তবে সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং স্কিলসের মধ্যে তুমি কীভাবে কার সাথে কথা বলবে, নেগেটিভিটি কীভাবে এড়িয়ে চলবে- এগুলোও অন্তর্ভুক্ত।

সোশ্যাল মিডিয়া ওয়েবসাইট এবং অ্যাপগুলো সবসময় মানুষের চেয়েও বেশি এক্টিভ থাকে! তবে এগুলো ব্যবহার করতে চাইলে খুব বেশি অর্থের প্রয়োজন হয় না। তাই শিক্ষার্থীরা প্রায় সবাই এগুলো ব্যবহার করে থাকে। পড়াশোনা ছাড়া শিক্ষার্থীদের তেমন একটা কাজ থাকে না। তাই তারা সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় কাটায় এবং ধীরে ধীরে তারা এর প্রতি আসক্ত হয়ে পড়ে। তাই সোশ্যাল মিডিয়া সাইটগুলো ব্যবহারের স্কিল এবং মেথডগুলো জানা জরুরি।

8️⃣ অনলাইনে কাজ করা:
আজকাল এমন অনেক ধরণের কাজ তৈরি হচ্ছে, যা ঘরে বসেই করা যায়। যেমন: আউটসোর্সিং, অনলাইন বিজনেস, ব্লগিং, প্রোমোটিং ইত্যাদি। সেইসব কাজ করার জন্য প্রয়োজন নিজের ডেস্কটপ বা ল্যাপটপ। তাই অনলাইনে কাজ করতে হলে কিন্তু কম্পিউটার স্কিলগুলো আয়ত্ত করার প্রয়োজন আছে!

9️⃣ অনলাইন নৈতিকতা এবং নিরাপত্তা:
অনলাইনে কাজ করতে গেলে যেই জিনিসটা নিয়ে সবাই একদম প্রথম সতর্ক করে, তা হলো অনলাইনে আমাদের আচার-আচরণ কেমন হওয়া দরকার৷ অনেকসময় আমরা আমাদের রাগের বহিঃপ্রকাশ সোশ্যাল মিডিয়ায় করে ফেলি, কাউকে নিয়ে কটুক্তি করি৷ কিন্তু এগুলো করা একদমই উচিত নয়৷ ভার্চুয়াল জগতে সব অনেক বেশি খোলামেলা। তাই অনলাইনে কাজ করার সময় আমরা সবসময় সতর্ক থাকবো।

🔟 রিসার্চ:
রিসার্চ অর্থ অনুসন্ধান করা। বিভিন্ন ওয়েব ব্রাউজারে কোনো বিষয় সার্চ দিয়ে তা নোট করাকেই রিসার্চ বলে৷ যেমন: কেন এইটা হয়? কী জন্য হয়? এটা হলে লাভটা কী? রিসার্চ মানে এই না যে, শুধুই এসাইনমেন্টের জন্য ডাটা কালেক্ট করা। রিসার্চ অর্থ সত্য উদঘাটন করাও বটে! রিসার্চ তখনই করা লাগে, যখন কেউ কোনো সমস্যার সমাধান খোঁজে। কোনো প্রজেক্ট তৈরি করার জন্যেও রিসার্চ করা লাগে।

আপনার LinkedIn Marketing Start করার পূর্বে অবশ্যই এইগুলো জানতে হবে এবং ফলো করতে হবে |তা না হলে LinkedIn Marketing কাজ কর...
17/07/2022

আপনার LinkedIn Marketing Start করার পূর্বে অবশ্যই এইগুলো জানতে হবে এবং ফলো করতে হবে |

তা না হলে LinkedIn Marketing কাজ করবেনা এবং আপনার মেইন উদ্দেশ্য ক্লায়েন্ট একুসিশন করা সেটিও সম্ভব হবে না |

আমি মনে করি এটা LinkedIn Marketing এর একটি Top Biggest Mistakes | আজকে জাস্ট মেইন টাইটেল গুলো বললাম এরপরে ডিটেল পোষ্টের মাধ্যমে আলোচনা করব ইনশাআল্লাহ|

কারণ এইগুলো অনেক বিগ ইস্যুজ | এগুলো একটি পোষ্টের মাধ্যমে আলোচনা করা বা আপনাদের বোঝানো সম্ভব না |

1. Small Niche Selection

2. Profile Optimize

3. Targeted People Add On Your Profile

4. Good Relation And Trust Build Up

5. Niche Related post and article and Videos share

6. Make Your Connected People Hangry For Your services

7. Last But Not Least Strong English Communication Skills

এইগুলো আপনাকে step-by-step করতে হবে |একটি আগে আরেকটি করা যাবে না কারণ এটি হচ্ছে Real System|

আপনি যদি আপনার নিজ সিলেক্ট না করতে পারেন তাহলে আপনার প্রোফাইল নিস রিলেটেড হবেনা | আর নিস রিলেটেড প্রফাইল না হলে আপনার টার্গেটেড পিপল কেউ অ্যাড করতে পারবেন না | এই জন্যই আপনাকে আগে নিজ সিলেকশন করতে হবে|

অনেকেই Niche কি জিনিস বুঝবেন না একটু পরিষ্কার করে বলি| আপনি যেই ইন্ড্রাস্ট্রির পিপল দের কাজ করতে চান সেটি হচ্ছে আপনার Niche |

ধরেন আপনি একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার তাই বলে সবারিতো গ্রাফিক্যাল কাজগুলো আপনি করে দিতে পারবেন না| আপনাকে সিলেক্ট করতে হবে কোন ইন্ডাস্ট্রির গ্রাফিক্যাল কাজগুলো আপনি করবেন|

ধরেন আপনি Coffee ইন্ডাস্ট্রির বিপুল দের সঙ্গে কাজ করতে চান তাহলে এই Coffee ইন্ডাস্ট্রি টা হচ্ছে আপনার একটি Niche .

এরপর আপনি ধরেন Coffee ইন্ড্রাস্ট্রির বিপুল দের সঙ্গে কানেক্ট করতে থাকলেন এবং বিভিন্ন Coffee ইন্ড্রাস্ট্রি গুগল সার্চ করলেন LinkedIn এ সার্চ করলে এবং তাদের সঙ্গে কানেক্ট হওয়ার চেষ্টা করলেন |

At the same time অবশ্যই আপনার প্রোফাইলে Coffee Industry নিয়ে আগের কাজগুলো শেয়ার করবেন | এর ফলে আপনার প্রতি তাদের ট্রাস্ট বাড়বে ,আপনার সঙ্গে কানেক্ট হবে | তবে Niche Specification নিয়ে কিন্তু অনেক কিছু জানতে হয় - যেমন তাদের আর্নিং সম্পর্কে জানতে হবে , তাদের বাজেট সম্পর্কে জানতে হবে |

মাইক্রোসফট পাওয়ারপয়েন্ট প্রেজেন্টেশন তৈরির ১০টি কার্যকরী টিপসভার্সিটি পড়ুয়া, কর্পোরেট, ইঞ্জিনিয়ার, ডাক্তার, টিচার সবা...
17/07/2022

মাইক্রোসফট পাওয়ারপয়েন্ট প্রেজেন্টেশন তৈরির ১০টি কার্যকরী টিপস

ভার্সিটি পড়ুয়া, কর্পোরেট, ইঞ্জিনিয়ার, ডাক্তার, টিচার সবার জন্য পাওয়ারপয়েন্ট জিনিসটা লাগে। Presentation তৈরি করতে সফটওয়্যার হিসেবে ৯৫ ভাগ Microsoft PowerPoint ব্যবহার করে।

জেনে অবাক হবেন প্রতিদিন ৩০ মিলিয়নেরও বেশি পাওয়ারপয়েন্ট Presentation বানানো হয়,এবং তার মধ্যে ৮০% এরও বেশি হয় নিম্নমানের। আপনার প্রেজেন্টেশান ওইসব ৮০% এর মধ্যে নয় তো? কিভাবে আমরা ভাল একটা Presentation বানাতে পারি সেটা নিয়ে মূলত আলোচনা করব।

১. পাওয়ার পয়েন্ট থিম:
ডিফল্ট থিম ব্যবহার করা একরকম ক্রাইম। দেখতে ভালো লাগে না এবং আপনার বিষয়বস্তুর সাথেও হয়তো মিলবে না। নিজের বিষয়বস্তুর সাথে সম্পর্কিত থিম তৈরি করতে হবে। এতে দেখতে ভালো লাগবে এবং সহজে উপস্থাপন করতে পারবেন।

২. কালার:
কালার একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ফন্ট কালার, শেইপ কালার, ব্যাকগ্রাউন্ড কালার সবগুলোর জন্য প্রফেশনাল এবং স্ট্যান্ডার্ড কালার চেনা অনেক জরুরি। পাওয়ারপয়েন্টের নিজস্ব কালার স্কিমে কিছু কিছু স্ট্যান্ডার্ড কালার আছে। কয়েকটা কালার এর মিশ্রণে ভাল কালার তৈরি করা যায়। স্ট্যান্ডার্ড কালারের একটা বৈশিষ্ট্য হল দেখতে সহজবোধ্য হবে এবং BORING লাগবে না। ১৩ বা এর পরবর্তী ভার্সন গুলোতে EYE DROPPER TOLL দিয়ে ওয়েব থেকে যেকোন কালার আনা যায়। মনে রাখতে হবে কালার বাছাই করতে হবে স্লাইডের বিষয়, থিম এগুলোর উপর ভিত্তি করেই। একটা স্লাইডে একাধিক ফন্ট, শেইপ, কালার ব্যবহার করা ঠিক নয়। আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো প্রত্যেকটা স্লাইডে একটা COLOR COMBINATION থাকতে হবে।

৩. ফন্ট:
ফন্ট নির্বাচনের গুরুত্ব কম নয়। এক্ষেত্রেও আমাদের প্রফেশনাল ফন্ট বাছাই করতে হবে। যেটাই ব্যবহার করি না কেন একটা প্রেজেন্টেশানে ২টি ফন্ট ব্যবহার করা উত্তম। একটা Title আর অন্যটা Subtitle বা বিবরণে। ফন্ট সাইজ এমন রাখতে হবে যেন পিছনের কেউ ও ভালভাবে দেখতে পায়।

৪. বুলেট পয়েন্ট:
বুলেট তো বুলেটই, একটা প্রেজেন্টেশানকে হত্যা করার জন্য এই বুলেট পয়েন্টই যথেষ্ট। মনে রাখতে হবে ONE IDEA ONE SLIDE। বুলেট পয়েন্ট দেয়ার মানে অনেক আইডিয়া বা পয়েন্ট একটা স্লাইডে যুক্ত করা। এটা যথাসম্ভব পরিহার করতে হবে।

৫. সিম্পল স্লাইড:

অনেকেই দেখা যায় নিজে যা বলে তার সমস্ত কিছু পাওয়ারপয়েন্ট স্লাইডে লিখে দেয়। যেকোন কিছুর সংজ্ঞা বা তথ্য সব লিখে দেয়। এতে কেউ প্রেজেন্টারের দিকে তাকাবে না। আইডিয়াটা বড় করে লিখে দিয়ে যথাসম্ভব বাকিগুলা নিজেকে ব্যাখ্যা করতে হবে।

৬. চিত্রবহুল পাওয়ার পয়েন্ট স্লাইড:

মানুষ কিন্তু কম পড়তে ভালবাসে। তাই স্লাইডে অত লেখালেখি না করে যথাসম্ভব বিষয় সম্পর্কিত চিত্র, আইকন, গ্রাফ ব্যাবহার করতে হবে। এতে মানুষের দৃষ্টি এবং মনোযোগ দুটিই পাওয়া যায়।

৭. ট্রানজিশন এবং এনিমেশন:

প্রথম প্রথম পাওয়ারপয়েন্ট পেলে সবাই যত বেশি পারে ট্রানজিশন এবং এনিমেশন ব্যবহার করে। পাখি উড়ে যায়, পর্দা খুলে যায়, ফন্ট-শেইপ লাফাতে লাফাতে পড়ে। এটা করা যাবে না, প্রথমত এটা মনোযোগ নষ্ট করে দ্বিতীয়ত সময় নষ্ট হয়। তবে ভালো মানের কিছু এনিমেশন ব্যবহার করা যায় যেখানে প্রয়োজন পড়ে। এতে প্রেজেন্টেশানের মান উন্নত হয়। যেমন বলতে পারি স্লাইড চেঞ্জের জন্য “Parallax Effect “.

৮. শেইপ:

পাওয়ারপয়েন্ট কিন্তু এক প্রকার শেইপের খেলা। শেইপগুলো দিয়েই বানিয়ে ফেলতে পারেন অসাধারণ কিছু ডিজাইন, চিত্র বা আইকন। এভাবে একটা পাওয়ারপয়েন্ট প্রেজেন্টেশানকে প্রফেশনাল বানিয়ে ফেলতে পারেন।

৯. কনট্রাস্ট ও অপ্রাসঙ্গিক বিষয়বস্তু:

Contrast অন্যতম একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। চোখ ধাঁধানো Contrast মানুষের দৃষ্টি ও মনোযোগ কমিয়ে দেয়। তাই Contrast সবসময় স্ট্যান্ডার্ড লেভেলে রাখা উচিত। বিনা কারণে ক্লিপ আর্ট, শেপ, ছবি অ্যাড করা মোটেও কাম্য নয়। খেয়াল রাখবেন প্রত্যেকটা ছবি, ক্লিপ আর্ট এমনকি ছবির ব্যাকগ্রাউন্ডও বিনা প্রয়োজনে রাখা যাবে না।

১০. পাওয়ার পয়েন্ট স্লাইডে জটিলতা:

জটিল কোন চিত্র, গ্রাফ পাওয়ারপয়েন্ট স্লাইডে দেখানো কাম্য নয়। যথা সম্ভব সহজ-সরল এবং বোধগম্যভাবে উপস্থাপন করুন যাতে সবাই সহজেই বিষয়টি বুঝে যায়।

আগে যারা জানতেন না, এবার জেনে নিন!😃
16/07/2022

আগে যারা জানতেন না, এবার জেনে নিন!😃

11/07/2022
🚀🚀 Frontend ডেভেলপার দের জন্য ২৫ টি ইউজফুল টুলস:✅ UX challenges:==============কথায় আছে, practice makes a man perfect। আ...
23/06/2022

🚀🚀 Frontend ডেভেলপার দের জন্য ২৫ টি ইউজফুল টুলস:

✅ UX challenges:
==============
কথায় আছে, practice makes a man perfect। আসলেই তাই।যত বেশি প্র্যাকটিস করা যায় ততই আমরা কোন বিষয় ভালো মতন জানি। ওয়েবসাইটের UX ডিজাইনের বিভিন্ন এক্সারসাইজ দেওয়া আছে এখানে যা আপনি অনুশীন করতে পারেন। চ্যালেঞ্জ গুলোর মাধ্যমে নিজের দক্ষতা যাচাই করে নিতে পারেন। বেশ ইউজফুল মনে হয়েছে।

লিংক: https://uxtools.co/challenges/

✅ Collect UI:
===========
বিভিন্ন চলেঞ্জের মাধ্যমে ডিজাইনার র তাদের ডিজাইন গুলো এখানে শেয়ার করেন। সবসময় ই আপডেট হয়ে নতুন নতুন ডিজাইন আসে। এখান থেকে ভালো ভালো ডিজাইন গুলো দেখে নিজের মতন একটা ভালো ডিজাইন দাড় করিয়ে ফেলতে পারবেন।

লিংকঃ https://collectui.com/

✅ PixelSnap:
===========
কথায় আছে না পাই পাই হিসেব? কিন্ত এখানকার হিসেব টা পিক্সেলে। এটি পুরো স্ক্রিন জুড়ে কাজ করে সব ধরনের এপ্লিকেশন এ। যেকোনো কিছু মেপে নিতে পারবেন। যাদের সব পিক্সেল পারফেক্ট দরকার তাদের বেশ কাজে আসবে।

লিংক: https://getpixelsnap.com/

✅ Landing Page Checklist:
======================
কি নেই এতে? Landing page এর প্রায় ১০০ টির বেশি টুলস রয়েছে এতে। হোক সেটা ডোমেইন নেইম থেকে শুরু করে, লোগো মেকার, ইলাস্ট্রেশন কিংবা ডিজাইন সফটওয়্যার। ভিজিট করে দেখতে পারেন।

লিংক: https://landingpage.fyi/landing-page-checklist.html

✅ Checklist Design:
=================
ওয়েবসাইট ডিজাইনের অনেক খুঁটিনাটি বিষয় গুলোর অব্দি বর্ণনা দেওয়া আছে। ওয়েব ডিজাইন এলিমেন্ট গুলোর নলেজ increase করতে সহায়তা করবে। অবশ্যই ভিজিট করবেন।

লিংক: https://www.checklist.design/

✅ Museum of Websites:
====================
জনপ্রিয় ওয়েবসাইট গুলোর UI এর বিভিন্ন ডেভেলপমেন্ট স্টেজ গুলোর বিবরণ সমন্বয় করা হয়েছে এখানে। কিভাবে একটি ওয়েবসাইটের ইন্টারফেস ডিজাইন ও ডেভেলপ করা যায় এ সম্পর্কে একটি ভালো ওভারভিউ পাওয়া যায়।

লিংকঃ https://www.kapwing.com/museum-of-websites

✅ UI Play Book:
=============
এই ওয়েবসাইট টি আমার কাছে খুব বেশি ইউজফুল মনে হয়েছে। এখানে UI এর বিভিন্ন পার্ট গুলোর বর্ণনা খুবই গুছানো ও বিস্তারিত ভাবে দেওয়া আছে।

লিংকঃ https://uiplaybook.dev/

✅ Standard Resume:
=================
খুব সিমপ্লি অল্প সময়ে যদি একটি রেজুমি বানিয়ে নিতে চান তাহলে অবশ্যই এই ওয়েবসাইট টি ঘুরে আস্তে পারেন। এখানে আছে বিভিন্ন টেম্পলেট ও এক্সাম্পল যেখান থেকে আপনি নিজেও একটি ধারনা নিয়ে ইউনিক কিছু বানিয়ে ফেলতে পারবেন।

লিংকঃ https://standardresume.co/

✅ humaaans:
===========
ওয়েবসাইটে মানুষের শেপ প্রয়োজন হয় অনেক সময়। humaaans এর মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের হিউম্যান বডি আপনি নিজেই রিমিক্স করে বানিয়ে নিতে পারবেন। এছাড়া এতে আছে বিভিন্ন ধরনের টেম্পলেটস। খুব সহজে নিজের একটা কাস্টম ডিজাইন বানিয়ে ফেলা সম্ভব।

লিংক: https://www.humaaans.com

✅ Get Waves:
============
ওয়েবসাইটের জন্য নিজ ইচ্ছামতো কাস্টম wave এনিমেশন ইফেক্ট খুব সহজেই পাওয়া সম্ভব এখানে।

লিংক: https://getwaves.io/

✅ Animista:
==========
এই ওয়েবসাইট টি আপনাকে হেল্প করবে ওয়েবসাইট এর এনিমেশন ইফেক্ট গুলো প্র্যাকটিস করতে। আমরা অনেকেই প্রপারলি সব ইফেক্ট গুলোর নাম জানিনা। ট্রাই করে দেখা যায়। মোটামুটি ভালোই।

লিংকঃ https://animista.net/

✅ Blobmaker
===========
ওয়েবসাইটে ব্যবহৃত blob shape গুলো এখন থেকে নিজের ইচ্ছামত কালার এবং শেপ দিয়ে বানিয়ে নিতে পারবেন। ডাউনলোড ও করতে পারবেন এবং svg কোড টাও পেয়ে যাবেন। ট্রাই করে দেখতে পারেন।

লিংক: https://www.blobmaker.app/

✅ Code to Go:
============
ওয়েবসাইট ডেভেলপমেন্টের সাধারণ সমস্যা সমাধানে সাহায্য করার জন্য snippet গুলো সমন্বয় করে। JavaScript ও react এর ব্যবহৃত সবচাইতে আপডেটেট snipppet গুলো এখানে পেয়ে যাবেন। বেশ ভালো রিসোর্স আছে একবার দেখলেই বুঝবেন।

লিংক: https://codetogo.io/

✅ UX Project checklist:
====================
এটি UX ডিজাইনের ফিচার গুলো মানসম্মত কিনা তা পরীক্ষা করতে আপনাকে সাহায্য করবে।

লিংক: https://uxchecklist.github.io/

✅ UX Flow:
==========
এর মাধ্যমে sketch, Adobe ও figma তে খুব সহজে সুন্দর ওয়েবসাইট লে-আউট তৈরি করা যায়। অনেকগুলো টুলস আছে। ওয়েবসাইট ভিজিট করে দেখতে পারেন।

লিংক: https://products.ls.graphics/uxflow/

✅ Drawkit:
=========
ওয়েবসাইটের বিভিন্ন হাতে আঁকা ভেক্টর ইলাস্ট্রেশন ভালো একটি রিসোর্স।

লিংক: https://drawkit.com/

✅ 3Dicons:
==========
ওয়েবসাইট ডিজাইন ও ডেভেলমেন্ট এর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত বিভিন্ন 3D আইকন গুলোর ভালো একটি ওপেন সোর্স রিসোর্স। উপকৃত হবেন।

লিংক: https://3dicons.co/

✅ Web Gradients:
===============
ওয়েবসাইটের জন্য বিভিন্ন গ্র্যাডিয়েন্ট ব্যাকগ্রাউন্ড কালার এর ভালো একটা রিসোর্স। অনেকগুলো ডিজাইন দেওয়া আছে ।

লিংক: https://webgradients.com/

✅ Google Fonts:
==============
আমাদের সবারই অতি পরিচিত একটি ওয়েবসাইট। বিভিন্ন ফ্রি ফন্টস গুলো এখানে পাওয়া যায়।

লিংকঃ https://fonts.google.com/

✅ Lorem Ipsum:
==============
আমাদের প্রায় সবারই একটি পরিচিত মুখ এটি। ওয়েবসাইটে ডামি টেক্সট জেনারেট করার জন্য সবার ফার্স্ট চয়েজ।

লিংক: https://loremipsum.io/

✅ Responsively:
==============
বিভিন্ন ডিভাইসের জন্য ওয়েবসাইট চেক করার খুবই ইউজফুল একটা এপ্লিকেশন। আমার কাছে পার্সোনালি খুব ভালো লাগে। একটু বিভিন্ন ধরনের ফাংশনালিটি আছে একটু এক্সপ্লোর করে দেখতে পারেন।

লিংক: https://responsively.app/

✅ UnusedCSS:
=============
অব্যবহৃত CSS প্রপার্টি গুলো রিমুভ করে একটি ক্লিন CSS ফাইল প্রোভাইড করে।

লিংক: https://unused-css.com/

✅ Spline:
========
খুবই ইউজফুল একটা এপ্লিকেশন। এর মাধ্যমে ওয়েবসাইটের জন্য 3D ইফেক্ট তৈরী করা সম্ভব। বিভিন্ন 3D সিন বানানো, বিভিন্ন ম্যাটেরিয়ালস এডিট করা থেকে শুরু করে অনেক কাজ করা যায় এটা দিয়ে। খুবই ভালো অবশ্যই ভিজিট করে দেখতে পারেন।

লিংক: https://spline.design/

✅ Sketch2Code:
==============
আর্টিফিসয়াল ইন্টেলিজেন্স ব্যাবহার করে হাতে আঁকা ডিজাইনকে সহজেই html এ রূপান্তরিত করা যায়।

লিংক: https://sketch2code.azurewebsites.net/

✅ Custom Shape Devider:
======================
ওয়েবসাইটের বিভিন্ন জায়গায়, সেকশনের শুরু কিংবা শেষে একটা শেপ ডিভাইডার ডিজাইনের সৌন্দর্য বহুগুন বৃদ্ধি করে।

লিংক: https://www.shapedivider.app


How does Google track you?
02/02/2022

How does Google track you?

ডিপফেক টেকনোলজি সম্পর্কে আপনি কী জানেন?"ডিপফেক টেকনোলজি"মিথ্যাকে সত্য বানিয়ে দেওয়া এক অভিশপ্ত প্রযুক্তিএই প্রযুক্তি আর্ট...
17/01/2022

ডিপফেক টেকনোলজি সম্পর্কে আপনি কী জানেন?
"ডিপফেক টেকনোলজি"
মিথ্যাকে সত্য বানিয়ে দেওয়া এক অভিশপ্ত প্রযুক্তি
এই প্রযুক্তি আর্টিফিশিয়াল ইনটেলিজেন্স এর মাধ্যমে ছবি থেকে চেহারা হুবুহু নকল করতে সক্ষম। দুর্ভাগ্যজনভাবে এই প্রযুক্তি এখন খারাপ লোকদের হাতে। Deep Fake technology দিয়ে এখনো পর্যন্ত যতগুলো কাজ হয়েছে তার ৯৬% ই পর্ণোগ্রাফি। আপনার একটি ছবি ব্যবহার করে তারা কোন নগ্ন মানুষের মুখের সাথে একেবারে নিখুঁত ভাবে প্রতিস্থাপন করতে পারবে । এটি এখনো পর্যন্ত ১ লক্ষের অধিক মেয়ের জীবন ধ্বংস করেছে।
একটি দৃশ্য কল্পনা করুন। অন্যান্য দিনগুলোর মতোই স্বাভাবিকভাবে আপনার দিন কাটছিল। হঠাৎ কাছের একজন মানুষ ইন্টারনেটে আপনাকে একটি ভিডিও পাঠায়। ভিডিওটি চালু করার পর আপনি রীতিমতো আকাশ থেকে পড়লেন। এটি একটি অশ্লীল ভিডিও এবং ভিডিওর মানুষটি আপনি নিজেই। আপনার কাছে এটা একেবারে স্পষ্ট যে, এমন কোনো ভিডিওতেই আপনি নেই। কিন্তু ভিডিওর মানুষটি দেখতে অবিকল আপনার মতো। চোখ, নাক, হাসি, গলার স্বর হুবহু এক। এখন মানুষ কি আপনার কথা বিশ্বাস করতে চাইবে? আপনার আপনজনেরাই বা কীভাবে এর ব্যাখা করবে? খুব দ্রুত এই আপত্তিকর ভিডিও চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ছে। পরিবার ও সমাজে আপনি মুখ দেখাতে পারছেন না। অথচ এখানে আপনার কোনো দোষই নেই।
ফটোশপ ও অন্যান্য কিছু সফটওয়্যার আসার পর থেকে ইচ্ছামতো ও নিখুঁতভাবে নকল ছবি তৈরি করা যায়। তবে নকল ভিডিও বানানো অতটা সহজ ছিল না। ছবিতে একজনের মাথা কেটে অন্য জায়গায় বসানো যতটা সহজ, ভিডিওর ক্ষেত্রে তা ততটা সহজ নয়। কারণ মানুষের গলার আওয়াজ, অভিব্যক্তি, তাকানোর ধরন ইত্যাদি হুবহু নকল করা যেত না। এটি অসম্ভব ছিল একটি নতুন প্রযুক্তি আসার আগ পর্যন্ত।
নকল ভিডিও বানানোর এই প্রযুক্তির নাম ডিপফেক বা ডিপফেক টেকনোলজি। এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে যেকোনো মানুষের হুবহু নকল ভিডিও বানানো সম্ভব। মেশিন লার্নিংয়ের প্রয়োগ ঘটানোর মাধ্যমে দিন দিন এই অভিশপ্ত প্রযুক্তিটি আরো নিখুঁতভাবে নকল ভিডিও তৈরি করতে সক্ষম হচ্ছে।

Address

Sylhet
3031

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Learning & Earning Resources posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share