ভোলাগঞ্জ - The Beauty

ভোলাগঞ্জ - The Beauty Most Beautiful Place in Sylhet.

একটা আনপপুলার অপিনিয়নসাদাপাথর লুটের ঘটনায় সবাইকে দেখলাম পর্যটন সৌন্দর্য্য নষ্টের জন্য আফসোস করতে।কিন্তু এই ঘটনা কেন ঘটেছ...
13/08/2025

একটা আনপপুলার অপিনিয়ন

সাদাপাথর লুটের ঘটনায় সবাইকে দেখলাম পর্যটন সৌন্দর্য্য নষ্টের জন্য আফসোস করতে।কিন্তু এই ঘটনা কেন ঘটেছে তার ভিতরের খবর নিয়ে কেউ লিখবে না।

আপনারা যেইটা সাদাপাথর নামে ২০১৭ এর পর থেকে চিনেন এইটা আগে থেকেই ছিল স্থানীয়রা আমরা সেটাকে বিডিআর ক্যাম্প নামেই জানতাম।ভাইরাল হওয়ার পরই এই জায়গার নাম সাদাপাথর রাখা হয়।

তখন এই জায়গা অরক্ষিত ছিল তবুও কেউ পাথর লুট করত না কারন তখন প্রতি বছর ধলাই নদীতে কোয়ারী থেকে পাথর উত্তোলন করা হত। এক বছরে পাথর উত্তোলন করা কোয়ারিতে পুনরায় ২/৩ বছরে বন্যার পানিতে ভারত থেকে পাথর ফ্রিতে এসে ভরে যেত। সিলেট, সুনামগঞ্জ, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনাসহ অনেক এলাকার মানুষ এসে কোয়ারিতে ২ থেকে ৩ মাস কাজ করে সারাবছরের জীবীকার ব্যবস্থা করে ফেলত।

আর এই পাথর নদী থেকে ক্রাশার মিলে নিয়ে পাথর বিভিন্ন সাইজে ভেংগে ঢাকাসহ সারদেশের অবকাঠামোর উন্নয়নে ব্যবহার করা হত, এমনকি আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ভারতে রপ্তানিও করা হতো।

উত্তোলন থেকে শুরু করে একেবারে নির্মাণশিল্পে ব্যবহার পর্যন্ত এই শিল্পে কত লক্ষ মানুষের জীবীকার যোগান ছিল তা কেউ হিসেব নেয় নি।নৌকা শ্রমিক,লেবার, ট্রাক্টর,ক্রাশিং মিল,লোডিং লেবার,ট্রাক,ট্রান্সপোর্ট, আনলোড লেবার এসব কাজে বিশাল মানুষের বিনিয়োগ ও অংশগ্রহন ছিল। কত শত উদ্দ্যোক্তা পথে বসেছে তার কি কেউ হিসেব নিয়েছে?পর্যটন কেন্দ্র করার পর থেকে সবকিছু আস্তে আস্তে বন্ধ হয়ে গেছে।

সাদা পাথরে যাওয়ার সময় অবশ্যই দেখে থাকবেন কোম্পানিগঞ্জের পথে পথে অগনিত পাথর কোয়ারির কঙ্কাল দাঁড়িয়ে আছে,শত কোটি টাকার এসব ক্রাশিং মিল তার কংকাল নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। একসময়ের প্রাণচঞ্চল জনপথের প্রতিটা বাজার একাকীত্ব নিয়ে ধুঁকে ধুঁকে টিকে আছে, এলাকা কর্মক্ষম পুরুষশূন্য হয়ে গেছে। একটা অর্থনৈতিক কর্মাঞ্চল নিঃস্ব হয়ে লাখ লাখ মানুষের কাজের জায়গা বিরান ভূমিতে পরিনত হয় শুধুমাত্র উপরমহলের দূরদর্শিতার অভাবে।

সিলেটের বাইরের উদ্দ্যোক্তারা আস্তে আস্তে কুলিয়ে উঠতে না পেরে লস মেনে যে যেখানে পারে চলে যায় কেউবা অন্য পেশায়,কেউবা বিদেশে চলে যায়। কিন্তু কোম্পানীগঞ্জ, গোয়াইনঘাট,ছাতক এবং সুনামগঞ্জের হাওরবেষ্টিত অঞ্চলের মানুষ যারা পাথর উত্তোলনের কাজ করত তারা খুবই মানবেতর দিন কাটাতে লাগল।

সিলেটে গার্মেন্টস বা অন্য কোনো ইন্ডাস্ট্রি নেই যে কাজ করবে,হাওরের জমিতে ফসলও হয় বছরে ১ বার তাও বন্যার কারনে প্রতিবছর ঘরে তুলা যায় না।গত ৭/৮ বছর ধরে এই মানুষগুলো অনাহারে অর্ধাহারে দিন কাটাচ্ছে কেউ খবর রাখে নি। ওদের ভীতরের জমে থাকা ক্ষোভের বিষ্ফোরন এই লুটপাট।

আপনি ভিডিও দেখে থাকলে দেখবেন যে নৌকায় করে পাথর লুট করেছে তাতে মহিলারাও পুরুষদের সাথে অংশ নিয়েছে।কেন? কারন তাদের থেকে তাদের কর্মসংস্থান কেড়ে নিয়ে তাদেরকে কর্মশূন্য করা হয়েছিল। যা থেকে এই ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ও লুটপাট।

এইগুলো স্থানীয় মানুষ ছাড়া আর কেউ জানে না,সবাইতো ঘুরতে যায়,আনন্দ ফুর্তি করে,ছবি তুলে,কিন্তু স্থানীয় মানুষের এসব দু:খ আজ পর্যন্ত কোনো পত্রিকায় ছাপা হয়নি।
সবাই শুধু সাদাপাথরের সৌন্দর্য নিয়েই লেখে এর পিছনের হাহাকার নিয়ে কেউ লিখেনি।

দেশের চাহিদা মিটিয়ে যে পাথর আমরা ভারতের কাছে বিক্রি করতাম সেই পাথরই পরিবেশ রক্ষার আড়ালে তারা আমাদের কাছে বিক্রি করছে। আমরা ফ্রী পাওয়া পাথর না উত্তোলন করে বিপুল পরিমান ডলারের বিনিময়ে আমদানি করতে বাধ্য হচ্ছি।

বিনিময়ে আমাদের হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থান ধ্বংস হয়ে গিয়েছে, শত শত ক্রাশার মিল বন্ধ হয়ে পড়ে আছে। আর এর ফাঁকে কপালে ডেকে এনেছি বন্যা নামক ভয়ংকর অভিশাপ।

২০২২ এবং ২৪ সালে সিলেট অঞ্চলে সবচেয়ে ভয়াবহ বন্যার আগমন ঘটে। ২২ সালের জুনে বৃষ্টিপাতের পরিমান ছিল ১৪৫২ মিমি আর ২৪ এর জুনে ২১৫৫ মিমি। মেঘালয় চেরিপুঞ্জির বৃষ্টির পানি পাহাড়ি ঢল হয়ে ডাউকি নদী ও সারি নদী দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে।

পাথর উত্তোলন বন্ধের ফলে এই নদীগুলোর নাব্যতা পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যায়। পরিবেশ রক্ষার প্রতিদানে আমরা ডেকে নিয়ে আসি ভয়াল বন্যার করাল গ্রাসকে।

এই অঞ্চলের পাথর ছিল আমাদের জন্যে আশীর্বাদ, প্রকৃতির অনন্য অর্থনৈতিক উপহার। রাষ্ট্র এই পাথর শিল্পকে চালু রাখলেই আমাদের অর্থনীতি শক্তিশালী হত, নির্মাণ শিল্পের আমদানি নির্ভরতা কাটিয়ে আমরা রপ্তানিতে এগিয়ে যেতাম। সাশ্রয় হতো বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা।শুধুমাত্র ভারত থেকে আমদানি বাড়িয়ে তাদেরকে খুশি করতেই তখন এই শিল্পটাকে গলা টিপে হত্যা করা হয়।

আপনার পাথরের আবেগকে পুঁজি করেই ভারত আমাদের পকেট কেটে নিয়েছে। আপনি সাদা পাথরের ঝলকানিতে অন্ধ হয়ে বানের পানিতে হাবুডুবু খেয়েছেন।

ছবিগুলো ২০১১ সালে আমার নিজহাতে উঠানো।

ক্রাংসুরি ওয়াটারফলস,মেঘালয়
04/07/2025

ক্রাংসুরি ওয়াটারফলস,মেঘালয়

শুভকামনা টিম টাইগার্স
07/10/2023

শুভকামনা টিম টাইগার্স

সাঝের বেলা
27/05/2022

সাঝের বেলা

03/07/2021
২১ আমাদের অহংকার
21/02/2021

২১ আমাদের অহংকার

নিসন্দেহে জুম্মার দিন সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ দিন
14/08/2020

নিসন্দেহে জুম্মার দিন সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ দিন

07/08/2020

Jumma Mubarak

Eid Mubarak to all across the globe.
31/07/2020

Eid Mubarak to all across the globe.

28/03/2020

অথচ ছবিটা এমন হতে পারত।
ফ্যাক্টঃ মনিরামপুরের এসি ল্যান্ডের বিতর্কিত ছবি।

20/03/2020

জ্ঞাতার্থেঃ
আমাকে কসাই গালি দিন কিন্ত তবু আপনি নিজে বাঁচুন,অন্যকে বাঁচতে দিনঃ

আগামী দুই তিন সপ্তাহ বাংলাদেশের জন্য চরম ক্রান্তিকাল।
ঝড়ের আভাস পেয়েছি আমরা আগেই।
এখন শুরু হবে ঝড়ের তান্ডব ও ধ্বংসলীলা।

ইতালিতে মৃতের সংখ্যা চায়নাকে ছড়িয়ে গেছে।
ইরান ব্রিটেন নাস্তানাবুদ।
পৃথিবী বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে।
এয়ারফোর্ট গুলো বন্ধ হয়ে আছে।
মানুষ ঘর থেকে বের হচ্ছে না।
সবার চোখে মুখে আতংক।

আমরা কি করছি??
একজন বিদেশ ফেরত কোয়ারান্টাইনে থাকা ব্যক্তিকে দেখতে তার বাড়িতে ভীড় জমাচ্ছি।

হোম কোয়ারেন্টাইনে না থেকে বান্ধবীকে বাইকে নিয়ে ঘুরছি।

সিংগাপুর ফেরত সাসপেক্টেড করোনা রুগী ডাক্তারদের কাছে তথ্য লুকাচ্ছেন।।
আমাদের এয়ারপোর্টে প্রতিদিন ৭ হাজার লোক আসছেন।
দেশে এসেই ইমিগ্রেশন পার হয়ে তারা জড়িয়ে ধরছেন আপনজনদের কে।
আবেগ এ ভরপুর জাতি আমরা।

বিমানে প্যারাসিটামল খেয়ে নিচ্ছি যাতে শরীরের তাপমাত্রা নরমাল থাকে।

কি বুদ্ধি কি বুদ্ধি।

নির্বাচনী প্রচারণা থামেনি।
হাত ধুয়ে ভোট দেবার আহবান ইসি সচিব এর।
কিন্ত সাবান এর দায়িত্ব কে নিবে তা উনি বলেননি।
আর আমরাও জীবনে প্রথমবার হাত ধুয়ে ভোট দেবার সুযোগ পেয়ে আহ্লাদী হয়ে গেছি।।

আমরা করোনার সাথে যুদ্ধ করতে রণ সঙ্গীত গাইছি।
অহ করোনা উহু করোনা
আমায় ছুঁয়ো না
আমায় ছুঁয়ো না।

আমরা ভেবে নিয়েছি করোনা ভাইরাস আমাদের গান শুনে মুগ্ধতা নিয়ে ফিরে যাবে।

আমাদের দেশের একজন সাবেক মেয়র বিদেশ থেকে ফিরে কোয়ারান্টাইনে না থেকে মিটিং করে বেড়াচ্ছেন?
এমনকি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রোগ্রামে তিনি অংশ নিচ্ছেন।
কতটা দায়িত্বহীন আচরণ ভাবা যায়??

ইতিমধ্যে কমিউনিটিতে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে গেছে।
এখন আর বিদেশ ফেরত খুঁজে লাভ নেই।
এখন আমি আপনি যেকেউ ই করোনা ভাইরাসের জীবাণু বহন করছি।।

কোয়ারান্টাইন কে আমরা মজা হিসেবে নিয়েছি।
তার খেসারত কিন্ত দিতে হবে মনে রাখিয়েন।

আমাদের হুজুররা চিল্লাইয়া বলতেছেন কুরআনের মাহফিলে গেলে করোনা ভাইরাস আক্রমণ করবে না।
মসজিদে নামাজ বন্ধের বিরুদ্ধে তীব্র হুশিয়ারি দিচ্ছেন কেউ কেউ।
এক হুজুর বলছেন, ইসলামে সংক্রমক ব্যাধি বলে কিছু নেই।
অন্যজন স্বপ্নে করোনা ভাইরাসের সাক্ষাৎকার শুনিয়েই যাচ্ছেন।
ভ্যাক্সিন এর কোড দিচ্ছেন।
হেইট স্পীচ দিচ্ছেন।।

অথচ আজ মসজিদে নববী ও মসজিদুল হারামে সাধারণ মুসল্লিদের নামাজ পড়া নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
এমনকি জুময়ার নামাজেও পাব্লিক যেতে পারবেনা।
কুয়েতে আজান এর বাক্য পরিবর্তন করে বাসায় নামাজ পড়তে বলা হচ্ছে।

আর আমাদের হুজুররা তাদের আবালতামির পূর্ণ রুপ আমাদের দেখিয়েই যাচ্ছেন।
আমরাও চিল্লাইয়া ঠিক ঠিক বলে যাচ্ছি।

কেউই গায়ে মাখছেন না।
যেসব দেশ এমন গা-ছাড়া ভাব দেখিয়েছিলো,তাদের করুণ অবস্থা আমাদের সামনে।

আমরা চিকিৎসকরা সোশ্যাল মিডিয়ায় রীতিমতো কথা বলতে ও লিখতে লিখতে ক্লান্ত।
আমরা নিজেরাই এই মুহূর্তে সবচেয়ে বেশি অনিরাপদ।
কোনদেশের আর্মি কি তাদের ইউনিফর্ম ছাড়া যুদ্ধ করে?

জীবাণুর বিরুদ্ধে যুদ্ধে দেশের সোলজার ডাক্তারদের ইউনিফর্ম PPE কই??
কোথায় একটা N 95 মাস্ক।
কতটা অরক্ষিত এই দেশের চিকিৎসকরা তা ভাবলেই শিউরে উঠছি।

ইতিমধ্যে একটা উপজেলা লকডাউন করা হয়েছে।
আজকালের মধ্যেই আরো কয়েকটি জেলা ও উপজেলা লকডাউনে আসবে।

আফসোস লাগে তিনমাস প্রস্তুতির সময় পেয়েও হেলায় হেলায় কাটিয়ে দিয়েছি।

দিনশেষে আপনারা আমাদেরই দোষারোপ করবেন জানি।
আপনার স্বজনের মৃত্যুর জন্য আপনারা ডাক্তারদের দায়ী করে সুখ পান তা আমরা জানি।
তবে এটা যে নিজের দায়িত্বহীনতা ও ব্যর্থতা ঢাকার অপচেষ্টা তা আমরা জানি।

ভাবুন আজ এখনই আপনি সচেতন না হলে আপনিই আপনার প্রিয়জনের মৃত্যু জন্য দায়ী হবেন।।

ভুলে যাবেন না আপনার করণীয় গুলো।

১। বারবার সাবান পানি দিয়ে ২০ সেকেন্ড ধরে হাত ধুতে থাকুন।
২। হ্যান্ডশেক ও কোলাকুলি করবেন না।
৩।হাত না ধুয়ে মুখ, চোখ ও নাক স্পর্শ করবেন না।
৪।হাঁচি, কাশিতে টিস্যু বা রুমাল ইউজ করুন।
তারপর টিস্যুটি ঢাকনা যুক্ত ডাস্টবিনে ফেলুন।
রুমাল হলে ব্যবহার এর পর ধুয়ে ফেলুন।
৫।সাধারণ ইনফ্লুয়েঞ্জা ফ্লু এর জন্য জ্বর, সর্দি ও কাশি হলে বাড়িতে অবস্থান করুন।
৬।ডাক্তার এর চেম্বার বা হাসপাতাল ক্লিনিক এড়িয়ে চলুন।
৭। প্যারাসিটামল ও এন্টিহিস্টামিন খান।
টেপিড স্পঞ্জিং করুন।
প্রচুর লিকুইড খান।
বিশ্রামে থাকুন।
৮। আপনি ইনফ্লুয়েঞ্জার চিকিৎসার জন্য ডাক্তার এর কাছে এসে পটেশসিয়াল থ্রেট করোনায় আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা আছে কারণ ডাক্তাররা অরক্ষিত।।
৯।গন পরিবহন এড়িয়ে চলুন।
১০। বাস, ট্রেন,উবার ব্যবহার এর পর হাত ধুয়ে ফেলুন।
১১।ব্যাংকে গেলে এক কলমে সবাই চেক লিখি,ডিপোজিট স্লিপ লিখি,সেই কলম ব্যবহার না করে নিজের কলম ব্যবহার করুন।
১২।এটিম বুথ এর বাটন ইউজ এর পর হাত ধুয়ে নিন।
১৩।লিফটের বাটন ইউজের পর হাত ধুয়ে নিন।
১৪।আপনার মোবাইল, ল্যাপটপ, অফিস ডেস্ক পরিস্কার রাখুন।
১৫।টাকা গুনার পর হাত ধুয়ে ফেলুন।
১৬।মানুষের সঙ্গ এড়িয়ে থাকুন।।
১৭।স্বেচ্ছায় নির্বাসনে থাকুন।
১৮।মাস্ক নিয়ে মাতামাতির কিছু নাই।
মাস্ক এই ভাইরাস প্রতিরোধ করতে সক্ষম নয়।
যিনি অসুস্থ এবং যারা সেই অসুস্থ ব্যক্তিকে সেবা দিবেন, তারাই মাস্ক পরুন।
১৯।গরমে এই ভাইরাস টিকবে না এমন হাস্যকর সুখ চিন্তায় বিভোর হবেন না।

এই মুহুর্তে আমরা যা পারি তা হলো

Break the transmission cycle

আগামী ১৪ দিন নিজ বাসায় অবস্থান করুন।
আর এটাই আমাদের রক্ষা করতে পারে।

আপনি সচেতন হলেই বাঁচবেন আপনি ও আপনার স্বজন।।

Copy:ডাঃ জোবায়ের আহমেদ।।

Address

Bhulagonj, Companigonj
Sylhet

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ভোলাগঞ্জ - The Beauty posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share