Naim Stone Crusher

Naim Stone Crusher সিলেট অফিস :- ধোপাগুল এয়ারপোর্ট সিলেট
+ Thank you for visiting our page.

if you are interested in our company or product
please feel free to fill in the inquiry from or get contact with us with any methods below.

নদী বাহিত পাথরের উৎস ও অবস্থান থেকে পরিবেশবান্ধব উপায়ে পাথর উত্তোলন এখন সময়ের দাবি:কোটি কোটি ডলার খরচ করে বিভিন্ন দেশ ...
31/08/2024

নদী বাহিত পাথরের উৎস ও অবস্থান থেকে পরিবেশবান্ধব উপায়ে পাথর উত্তোলন এখন সময়ের দাবি:

কোটি কোটি ডলার খরচ করে বিভিন্ন দেশ থেকে নিম্নমানের পাথর আমদানি না করে নিজ দেশের পাথর কোয়ারী সমূহ থেকে উন্নত মানের পাথর উত্তোলনের সুযোগ করে দেয়া দরকার। এতে যেমন কর্ম সংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে তেমনি দেশের অর্থনীতিও হবে সমৃদ্ধ।

পাথরের উত্তোলনের প্রয়োজনীয়তা:
দেশের অবকাঠামো বিশেষ করে রেললাইন, রাস্তাঘাট, দালান-কোঠা, ব্রীজ, ব্যারেজ, কালভার্টসহ বিভিন্ন নির্মাণ শিল্পে পাথর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও অত্যাবশ্যকীয় উপাদান হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। আবাসনসহ দেশের ক্রমবর্ধমান অবকাঠামো তৈরিতে পাথরের চাহিদা প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে।

বাংলাদেশে পাথরের বিভিন্ন উৎস ও অবস্থানকে তিনটি বড় শ্রেণীতে ভাগ করা যায়। এগুলো হল:
(১) নদী বাহিত পাথর,
(২) সমতল ভূমির নিচে অবস্থিত পাথর এবং
(৩) পাহাড় টিলায় অবস্থিত পাথর।

উপরোক্ত ৩টি উৎসের মধ্যে পরিবেশ রক্ষায় সমতল ভূমির নিচে অবস্থিত পাথর এবং পাহাড় টিলায় অবস্থিত পাথর উত্তোলন না করে শুধু "নদী বাহিত পাথর" এর উৎস থেকে সনাতন পদ্ধতিতে পাথর উত্তোলন পরিবেশের জন্য সহায়ক বলে আমি মনে করি। নদী বাহিত পাথর কোয়ারি থেকে পরিবেশবান্ধব উপায়ে বা সনাতন পদ্ধতিতে পাথর উত্তোলন পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর নয় বরং তা দেশের বিস্তির্ণ অঞ্চলকে পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যা থেকে রক্ষা করার অন্যতম একটি অবলম্বন হতে পারে।

নদী বাহিত পাথরের উৎস ও অবস্থান: বাংলাদেশের সিলেট জেলার সীমান্তবর্তী ধলাই, পিয়াইন, ডাউকী, সারি, গোয়াইন ও চেলা নদীতে নদীবাহিত পাথর জমা হয়। ভারতের মেঘালয় রাজ্যের খাশিয়া জৈন্তা পাহাড় হতে পাহাড়ি ঢলে প্রাকৃতিকভাবে পাথর ভাটি অঞ্চলে অবস্থিত বাংলাদেশের নদীসমূহের তলায় জমা হয়। এরূপ পাথর কোয়ারি সিলেট জেলার কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ভোলাগঞ্জ, কানাইঘাট উপজেলার লুভাছরা, গোয়াইনঘাট উপজেলার জাফলং, শ্রীপুর এবং বিছনাকান্দি এলাকায় অবস্থিত। এছাড়া শেরপুর জেলার সীমান্তবর্তী শ্রীবর্দী ও ঝিনাইগাতী উপজেলায় নদীবাহিত পাথর রয়েছে।

সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার উত্তর সীমান্ত বরাবর অধিকাংশ নদী উত্তরে ভারতের মেঘালয় প্রদেশের পাহাড়ি এলাকায় উৎপত্তি হয়ে দক্ষিণে বাংলাদেশের ভিতর প্রবেশ করেছে। এই সমস্ত নদী মেঘালয়ে পাহাড়ি এলাকায় শিলং শিল্ড এর কেলাসিত কঠিন শিলা ক্ষয় ও চূর্ণ করে এনে বাংলাদেশের ভিতর পাহাড়ের পাদদেশে এবং নদীবক্ষে কঠিন শিলার নুড়ির মজুদ সৃষ্টি করেছে।

দেশের নদী বাহিত পাথর কোয়ারির সংক্ষিপ্ত পরিচিতি নিম্নরূপ----

ভোলাগঞ্জ পাথর কোয়ারি:
সিলেট জেলার কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ভোলাগঞ্জ পাথর কোয়ারির পাথর ও বালি আবহমান কাল থেকে বিভিন্নভাবে মেঘালয় রাজ্যের পাহাড় ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে এবং শিলং প্লাটুর পাথর ছরার মাধ্যমে এদেশে পতিত হয়ে বালি ও পাথর কোয়ারির সৃষ্টি করেছে। উক্ত কোয়ারিসমূহের বালি ও পাথর উজানে ভারতের মেঘালয় রাজ্যের খাশিয়া-জৈন্তা পাহাড় হতে প্রাকৃতিকভাবে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে ধলাই নদীর মাধ্যমে জমা হয়ে বালি এবং পাথরের কোয়ারিতে পরিণত হয়েছে। এই কোয়ারির পাথর দেশের মধ্যে সবচেয়ে উন্নত মানের।

লুভাছরা পাথর কোয়ারি:
সিলেট জেলার কানাইঘাট উপজেলার লুভাছরা পাথর কোয়ারির পাথর ও বালি আবহমান কাল থেকে বিভিন্নভাবে মেঘালয় রাজ্যের পাহাড় এবং শিলং প্লাটুর শিলা ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে ছরার মাধ্যমে এদেশে পতিত হয়ে বালি ও পাথর কোয়ারীর সৃষ্টি করেছে। উক্ত কোয়ারিসমূহের বালি ও পাথর উজানে ভারতের মেঘালয় রাজ্যের খাশিয়া-জৈন্তা পাহাড় হতে প্রাকৃতিকভাবে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে লুবা নদীর মাধ্যেমে জমা হয়ে বালি এবং পাথরের কোয়ারিতে পরিণত হয়েছে।

জাফলং পাথর কোয়ারি:
সিলেট জেলার গোয়াইনঘাট উপজেলার জাফলং পাথর কোয়ারির পাথর ও বালির প্রধান উৎস মেঘালয়ের পাহাড় ও শিলং প্লাটুর শিলাসমূহ। আবহমান কাল থেকে বিভিন্নভাবে মেঘালয় রাজ্যের পাহাড় ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে ছরার মাধ্যমে বাংলাদেশে পতিত হয়ে বালি ও পাথর কোয়ারির সৃষ্টি করেছে। ছড়াসমূহ পাহাড়ের খাড়া ঢাল (Steep Slope) বেয়ে দ্রুত গতিতে পাথর ও বালি প্রবাহিত করে পাহাড়ের পাদদেশে বাংলাদেশ সীমান্তে সমতল ভূমিতে ও নদী বেয়ে জমা হয়েছে ও হচ্ছে। উক্ত কোয়ারিসমূহের বালি ও পাথর উজানে ভারতের মেঘালয় রাজ্যের খাশিয়া-জৈন্তা পাহাড় হতে প্রাকৃতিকভাবে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে ডাউকি-পিয়াইন নদী দুটির মাধ্যেমে জমা হয়ে বালি এবং পাথরের কোয়ারিতে পরিণত হয়েছে।

বিছনাকান্দি পাথর কোয়ারি:
সিলেট জেলার গোয়াইনঘাট উপজেলার বিছনাকান্দি পাথর কোয়ারির পাথর ও বালির প্রধান উৎস ভারতের মেঘালয় রাজ্যের পাহাড় এবং শিলং প্লাটু। আবহমান কাল থেকে বিভিন্নভাবে মেঘালয় রাজ্যের পাহাড় ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে পিয়াইন নদীর (বিছনাকান্দি ছরা) মাধ্যমে এদেশে সমতল ভূমিতে পতিত হয়ে এ্যালুভিয়াল ফ্যান তৈরি করেছে যা পরবর্তীকালে বালি ও পাথর কোয়ারি হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

ফাজিলপুর পাথর কোয়ারি:
সুনামগঞ্জ জেলার তাহিরপুর উপজেলার ফাজিলপুর পাথর কোয়ারির পাথরও আবহমান কাল থেকে বিভিন্নভাবে মেঘালয় রাজ্যের পাহাড় ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে ছরার মাধ্যমে প্রবাহিত হয়ে শিলং প্লাটুর পথে এদেশে পতিত হয়ে বালি ও পাথর কোয়ারির সৃষ্টি করেছে। উক্ত কোয়ারিসমূহের বালি ও পাথর উজানে ভারতের মেঘালয় রাজ্যের খাশিয়া-জৈন্তা পাহাড় হতে প্রাকৃতিকভাবে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে জাদুকাটা নদীর মাধ্যেমে জমা হয়ে বালি এবং পাথরের কোয়ারিতে পরিণত হয়েছে। সিলেট অঞ্চলের পাথর কোয়ারিতে প্রতি বছরই প্রচুর পরিমাণে নতুন পাথর জমা হচ্ছে।

শেরপুর জেলার শ্রীবর্দী ও ঝিনাইগাতী উপজেলার পাথর কোয়ারি:
ভারতের মেঘালয় রাজ্যের গারো পাহাড়ের পাদদেশ হতে সোমেশ্বরী নদী বাংলাদেশের শেরপুর জেলার শ্রীবর্দী ও ঝিনাইগাতী উপজেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। বর্ষাকালে উজান থেকে পাহাড়ী ঢলের কারণে এ নদী ও অন্যান্য পাহাড়ী ছড়ার মাধ্যমে বিশেষ করে ঝিনাইগাতী উপজেলার গজণী, রাংটিয়া, নওকুচি, দুধনই প্রভৃতি সীমান্তবর্তী এলাকায় পাথরের বিস্তার ঘটে থাকে। মানের বিবেচনায় এ পাথর উন্নত না হলেও এ দুটি উপজেলায় প্রতিবছর নিয়মিত পাথর উত্তোলন করা হয়ে থাকে। এ ছাড়াও উক্ত এলাকার গারো পাহাড়ের অভ্যন্তরেও পাথর রয়েছে।

উপরোল্লেখিত বিভিন্ন কোয়ারিতে উত্তোলিত পাথরকে প্রধানত তিন ভাগে বিভক্ত করা হয়। যথা:
(১) বড় পাথর বা বোল্ডার
(২) গ্রাভেল বা ভুতু এবং
(৩) সিঙ্গেল।
এছাড়া আরও এক প্রকার অতি ক্ষুদ্রাকার পাথর রয়েছে যাকে স্থানীয় ভাবে ৫-১০ বা বুজুরী বলা হয়। সারাদেশে বোল্ডার এর ব্যাপক চাহিদা থাকায় এর অর্থনৈতিক মূল্য সর্বাপেক্ষা বেশি। এর পর পর্যায়ক্রমে গ্রাভেল বা ভুতু, সিঙ্গেল এবং ৫-১০ বা বুজুরীর স্থান। এছাড়াও প্রাকৃতিক ক্ষয়জনিত কারণে দুর্বল গাঠনিক ক্ষমতাবিশিষ্ট অপছন্দনীয় ময়লা আবরণ দ্বারা আচ্ছাদিত এক ধরনের পাথর পাওয়া যায় যা স্থানীয়ভাবে মরা পাথর হিসেবে পরিচিত এবং যার অর্থনৈতিক মূল্য অনেক কম বিধায় এর ব্যবহার সীমিত।

এক সময় পাথরের চাহিদার সিংহ ভাগই উপরে বর্ণিত নদী বাহিত পাথর কোয়ারি থেকে অভ্যন্তরীণভাবে সংগ্রহের মাধ্যমে মেটানো হতো। নিকট অতীতে নদী বাহিত পাথরের উৎস থেকে বাণিজ্যিকভাবে পাথর উত্তোলন একটি লাভজনক পেশায় পরিণত হয়েছিল। ফলে সিলেটসহ সারা দেশের বিভিন্ন পাথর অঞ্চলে বা পাথর কোয়ারিতে লক্ষ লক্ষ শ্রমিকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছিল।

কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে নিজ দেশের পাথর কোয়ারী সমূহ থেকে উন্নত মানের পাথর উত্তোলন বন্ধ রেখে চিহ্নিত কতেক ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর ব্যবসায়ীক লাভের জন্য ডলার সংকটের এই দুঃসময়ে বিদেশ থেকে কোটি কোটি ডলার খরচ করে নিম্ন মানের পাথর আমদানি করা হচ্ছে। এতে জাতীয় স্বার্থ রক্ষা না হয়ে ব্যক্তি বা গোষ্ঠী স্বার্থ রক্ষা হচ্ছে। ফলে একদিকে যেমন দেশের রিজার্ভের মূল্যবান ডলার ব্যয় হচ্ছে একই সাথে পাথর উত্তোলন, পরিবহন ও বিপণন পেশায় নিয়োজিত লক্ষ লক্ষ শ্রমিক বেকার হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে।

ক্রম হ্রাসমান ডলার তথা আমাদের রিজার্ভ সুরক্ষিত রাখতে আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে দেশের স্বার্থে দেশীয়/আভ্যন্তরীন সম্পদ আহরণ ও তার সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রতিবেশ এবং জীববৈচিত্র্যের ক্ষতিসাধন না করে পরিবেশবান্ধব পাথর উত্তোলন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে জরুরিভিত্তিতে বাংলাদেশ খনিজ সম্পদ ব্যুরো পাথর সমৃদ্ধ এলাকায় Environmental Impact Assessment (EIA) সম্পাদন করে এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমোদন সাপেক্ষে নদী বাহিত পাথরের উৎস থেকে পাথর উত্তোলন করা এখন সময়ের দাবি। এর মাধ্যমে দেশের অর্থনীতি যেমন সুরক্ষিত থাকবে তেমনি এই পেশার সাথে সম্পৃক্ত লক্ষ লক্ষ বেকার শ্রমিকও ফিরে পাবে তাদের হারিয়ে যাওয়া কর্মের সন্ধান।

জনস্বার্থে এবিষয়ে বর্তমান সরকারের সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

নোট: অনেকেই ভাবতে পারেন সিলেটের পাথর কোয়ারীতে আমাদের নজর পরেছে। ব্যক্তি স্বার্থের উর্ধ্বে থেকে জনস্বার্থে ও দেশের স্বার্থে যুক্তি দিয়ে বিষয়টি বিবেচনা করবেন। আমার বক্তব্য একান্তই আমার বিবেচনা প্রসূত। এই মতের যৌক্তিক ভিন্নতা কে আমি আগাম স্বাগত জানাই।

03/03/2018
15/11/2017

কোম্পানীগঞ্জ প্রতিনিধি :: কোম্পানীগঞ্জে দয়ারবাজার, নতুনবাজার, ও কালাইরাগ এলাকায় গতকাল মঙ্গলবার সিলেট জেলা প্রশাসনের অভিযানে ২২ টি বোমামেশিন ধ্বংস করা হয়েছে। সকাল ১০টা থেকে ২ টা পর্যন্ত এ অভিযান চলে। ক

08/07/2017

Naim Stone Crusher
Stone Processing & Supply Co is
proud to be family owned and operating Since
2009, we have been supplying quality natural
stones for the construction and infrastructure
development.
We are preferred supplier to developers,
shopping complex and bridge construction
projects. We value our quality and
performance just as much as our customers
do, therefore our Stones are sourced locally
in Bangladesh.
products, knowledgeable customer service and
reliability are number one. Stone are all
natural and checked for highest quality, once
we are satisfied only then we supply to our
customers.
For queries or a tour of our business please
don't hesitate to contact us, we will be glad to
show you around.

Naim Stone Crusher
Head office:-
bholagonj bazar companigonj sylhet

sales office:-
dhupagul air port sylhet

Dhaka office :-
400 East Guran Khilgaw Dhaka
Mob:- +880 1715389266
Naim Stone Crusher

ইটের গাঁথুনী নিয়ে কিছু কথা !!—————————————-যে বিষয়গুলি খেয়াল রাখা জরুরী ইটের গাঁথুনির কাজ করার সময় :> কাজ শুরুর আগে ইটগু...
16/06/2017

ইটের গাঁথুনী নিয়ে কিছু কথা !!
—————————————-
যে বিষয়গুলি খেয়াল রাখা জরুরী ইটের গাঁথুনির কাজ করার সময় :

> কাজ শুরুর আগে ইটগুলোকে অন্তত: ৬ ঘন্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে এবং ভালভাবে পরিস্কার করা উচিত। ভেজা ইটে গাঁথুনি ভাল হয় এবং ফাঁটল ধরার সম্ভাবনা কম থাকে। এছাড়া ভাল করে না ভেজালে প্লাস্টারে সমস্যা হতে পারে।
> ইট গাঁথার সময় প্রত্যেকবার সুতা এবং শল দেখেনিতে হবে গাঁথনী সোজা রাখতে হলে।
>গাঁথুনির সময় দেখতে হবে দুটো ইটের মধ্যের ফাঁক যেন ১ সে. মিটার থেকে বেশী না হয় এবং জোড়ার উপর জোড়া যেন অবিরাম না হয়।
> অধিকাংশ ব্যবসায়ীরা বেশী লাভ করার জন্য ইটের আকার আকৃতি ঠিক থাকেনা ফলে ইট ব্যবহার করা ক্ষেত্রে অনেক সময় দেখা যায়। গাঁথনী সোজা হয় না গাঁথনীর একপাশ মেলালে আরেক পাশ মিলে না।
> ইটের আকার ঠিক না থাকা কারনে অনেক বেশী মসলার ব্যবহার করতে হয় গাঁথনীর শল মিলাতে গিয়ে, যায় ফলে সিমেন্ট বালুতে অনেক বেশী টাকা ব্যয় হয় ইটের ক্ষেত্রে টাকা বাঁচাতে গিয়ে। ইটের অনেক অপচয় হয় বেছে বেছে তা ব্যবহার করতে গিয়ে মিস্ত্রিদের সময় বেশী লাগছে, ফলেমিস্ত্রি খরচ বেড়ে যায়।
> সেজন্য প্রথম শ্রেনীর ইট এবং পোর্টল্যান্ড সিমেন্ট ব্যবহার করা উচিত।
> FM 1.5 গ্রেডেড বালি ব্যবহার করা উচিত।
> মিশ্রনে মসলার অনুপাত হবে ১:৫।
> কোন নির্দীষ্ট উদ্দ্যেশ্য না থাকলে ইংলিশ বন্ডে গাঁথুনী করা ভাল ।
> আধলার ব্যবহার এড়িয়ে চলা ভাল যদি প্রয়োজন না পড়ে।
> জোড়াগুলো ইটের সিলমোহর উপরে রেখে মসলাদ্বারা পূর্ণ করা উচিত।
> জোড়ের পুরুত্ব ১৩ মিমি এর বেশী যেন না যায়।
> জোড়াগুলোর মধ্যে যেন কোন ফাঁক না থাকে,
প্রয়োজনে মশলা দ্বারা পূর্ণ করে সমতল করা অত্যাবশ্যকীয় ।
> ইটকে আস্তে আস্তে সম্পূর্ণ বেডের উপর মশলা বিছিয়ে চাপ দিয়ে বসানো উচিত ফলে মশলার সাথে ভাল ভাবে লেগে যায়।
> আনুভূমিক হবে সমস্ত কোর্সগুলো এবং সঠিকভাবে খাড়া হবে খাড়া জোড়াগুলো।
> সর্বোচ্চ ১.৫ মিটারের বেশী গাঁথুনী করা উচিত নয় একদিনে।
> কিউরিং ৭ দিন পর্যন্ত করা ভালো।
★শেয়ার করে রেখে দেন কাজে আসবে।।

বিছনাকান্দি বোল্ডার ভাঙ্গা 3/4
19/04/2017

বিছনাকান্দি বোল্ডার ভাঙ্গা 3/4

Best Quality Stone From Bhulagonj
18/04/2017

Best Quality Stone From Bhulagonj

সারফিন এর লাল পাথর  ভুতু ভাঙ্গা ৩/৪
18/04/2017

সারফিন এর লাল পাথর ভুতু ভাঙ্গা ৩/৪

উতমা লোকাল কালো পাথর
18/04/2017

উতমা লোকাল কালো পাথর

কোম্পানীগঞ্জে মালিকপক্ষের সাথে ট্রাক শ্রমিকদের দ্বন্দ্বের জের ধরে সিলেট-ভোলাগঞ্জ এবং কোম্পানীগঞ্জ-আমবাড়ী-ছাতক সড়কে সব ধর...
14/02/2017

কোম্পানীগঞ্জে মালিকপক্ষের সাথে ট্রাক শ্রমিকদের দ্বন্দ্বের জের ধরে সিলেট-ভোলাগঞ্জ এবং কোম্পানীগঞ্জ-আমবাড়ী-ছাতক সড়কে সব ধরণের পরিবহন ধর্মঘট চলছে। গত বুধবার থেকে শুরু হওয়া এ ধর্মঘটের কারণে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা থেকে সব ধরণের পাথর পরিবহন বন্ধ রয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, মেরামতের নামে কোম্পানীগঞ্জ-আমবাড়ী-ছাতক সড়কে ট্রাক থেকে উত্তোলিত চাঁদার টাকার ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে ট্রাক মালিক পক্ষ ও ব্যবসায়ী নেতাদের সাথে ট্রাক শ্রমিকদের দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়েছে। এদিকে, রাস্তায় ঘন ঘন ডাকাতি-ছিনতাইয়ের প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার থেকে ধর্মঘট পালন করছে সিএনজি অটোরিক্সা শ্রমিক ইউনিয়ন। ফলে চরম দুর্ভোগে পড়েন যাত্রীসাধারণ।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, কোম্পানীগঞ্জ-ছাতক সড়ক মেরামতের নামে গত কয়েক বছর ধরে ট্রাকপ্রতি ১শ’ টাকা করে চাঁদা আদায় করে আসছিল সংগঠনগুলো। কাজ না করায় এ টাকার ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে ট্রাক-শ্রমিক ইউনিয়নের সাথে মালিক পক্ষ ও ব্যবসায়ী নেতাদের মতবিরোধ দেখা দেয়। ট্রাক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের দাবি- ট্রাক শ্রমিক ও মালিকদের মধ্যে সমহারে চাঁদার টাকা ভাগ করে নেয়া। অপরদিকে ব্যবসায়ী নেতারা ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নকে টাকা কম দিয়ে বাকি টাকা ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর মধ্যে সমান ভাগে ভাগ করে নিতে চাচ্ছেন। এর প্রতিবাদেই ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়ন অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটের ডাক দেয়। এ অবস্থায় ভোলাগঞ্জ কোয়ারির পাথর ব্যবসা ও সরবরাহে অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। কোম্পানীগঞ্জ স্টোন ক্রাশার মিল মালিক সমিতির সভাপতি ডাক্তার আব্দুন নুর ও ট্রাক মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির মছব্বির পরিবহন ধর্মঘটের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, শ্রমিকরা তাদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট কারণে ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে। তবে, বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা চলছে। স্টোন ক্রাশার মিল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ আফতাব আলী কালা জানান, সিলেট-কোম্পানীগঞ্জ ও কোম্পানীগঞ্জ-ছাতক সড়কে ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের প্রতিবাদে শ্রমিকরা ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে বলে শুনেছি। এছাড়া শ্রমিকদের অন্য কোনো স্বার্থও থাকতে পারে। এ নিয়ে আগামী শনিবার বর্ণি পয়েন্টে একটি সমাবেশেরও ডাক দিয়েছে শ্রমিকরা। সেখানে আমাকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
কোম্পানীগঞ্জ উপজেল ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি শামীম আহমদ জানান, কোম্পানীগঞ্জ-আমবাড়ী সড়কের মেরামতের জন্য শ্রমিকরা চাঁদা দিচ্ছে। কিন্তু, ট্রাক মালিক, মিল মালিক ও ব্যবসায়ী নেতারা এ টাকা দিয়ে রাস্তা মেরামতের কাজ করছে না। বরং টাকাগুলো নিজেরাই ভাগ-বাটোয়ারা করে নিতে চাইছে। এর প্রতিবাদে আমরা প্রথমে কোম্পানীগঞ্জ-আমবাড়ি-ছাতক রাস্তায় ধর্মঘটের ডাক দেই। তখন ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে মাইকিং করে আমাদের অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয় এবং পাথর সরবরাহ বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এরপর আমাদের পক্ষ থেকে সিলেট ভোলাগঞ্জ সড়কেও ধর্মঘটের ডাক দেয়া হয়।
এদিকে, সিলেট অটোরিক্সা শ্রমিক ইউনিয়নের (৭০৭) অন্তর্ভূক্ত আম্বরখানা-সালুটিকর কোম্পানীগঞ্জ শাখার সেক্রেটারী রফিকুল ইসলাম জানান, রাস্তায় ডাকাতি, ছিনতাইসহ শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষার দাবিতে বৃহস্পতিবার থেকে কোম্পানীগঞ্জের সকল সড়কে ধর্মঘট শুরু হয়েছে।

01/11/2016

প্রায় দুইমাস পর খুলে দেওয়া হচ্ছে সিলেটের পাথর কোয়ারীগুলো। পরিবেশ রক্ষার্থে যান্ত্রিকভাবে পাথর উত্তোলনের উপর হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা থাকলেও সিলেট জেলার পাথর কোয়ারীগুলোতে শ্রমিক দ্বারা পাথর উত্তোলনও বন্ধ করে দেওয়া হয়।

কোম্পানীগঞ্জের ভোলাগঞ্জ, গোয়াইনঘাটের জাফলং, বিছনাকান্দি কোয়ারী বন্ধ হয়ে যাওয়ায় প্রায় ৫ লক্ষাধিক শ্রমিক ও ব্যবসায়ী বেকার হয়ে পড়েন। তারা অনাহারে অর্ধাহারে দিনাতিপাত করছিলেন।

অবশেষে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ইমরান আহমদ এমপির প্রচেষ্টায় সনাতন পদ্ধতিতে পাথর কোয়ারীগুলো চালু করে দেওয়া হচ্ছে। আজ (মঙ্গলবার) থেকেই আবার কর্মমুখর হয়ে উঠার সম্ভাবনা রয়েছে সিলেটের পাথর কোয়ারীগুলো।

25/09/2016

সিলেট, নিউজমিরর :: বোমা মেশিনসহ অন্যান্য যান্ত্রিক মেশিন দিয়ে পাথর উত্তোলনে সরকারি নিষেধাজ্ঞার প্রেক্ষিতে সিলেটের ভোলাগঞ্জ ও জাফলং কোয়ারীর দিন মজুর ও শ্রমিকদের মধ্যে হাহাকার দেখা দিয়েছে। কর্মহীন মানুষ এখন কাজের সংস্থানে ব্যাকুল হয়ে পড়েছেন। সে জন্য সিলেটের পাথর কোয়ারীগুলোতে এখন নীরব নিস্তব্ধতা

Address

★★Head Office :/bholagonj Bazar Companigonj Sylhet ★★ Sales Office :/Dupagul Airport Sylhet
Sylhet
3100

Opening Hours

Monday 10:00 - 22:00
Tuesday 10:00 - 22:00
Wednesday 10:00 - 22:00
Thursday 10:00 - 22:00
Friday 14:00 - 22:00
Saturday 10:00 - 22:00
Sunday 10:00 - 22:00

Telephone

+8801710904137

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Naim Stone Crusher posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Naim Stone Crusher:

Share