11/08/2026
মাননীয়
শিক্ষা মন্ত্রী
শিক্ষা মন্ত্রণালয় ।
জনাব
আমি একজন প্রাক্তন বিশ্ববিদ্যালয় ইংরেজি শিক্ষক, দেশের অনেক কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতা করেছি , আমি বর্তমান আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানে ইংরেজি ভাষা প্রশিক্ষক হিসেবে কাজ করিতেছি। আমার দৈর্ঘ্য ২০ বছরের শিক্ষকতা অভিজ্ঞতার আলোকে যাহা দেখলাম বাংলাদেশর প্রাচীন শিক্ষা পদ্ধতি, বাস্তবমুখী , কারিগরি শিক্ষা ব্যবস্থা না থাকা, সনদ ভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থার কারণে, বাংলাদেশ বেশি উচ্চ শিক্ষিতরা বেকার যাহা বিশ্বের অন্য কোন দেশে নাই, এই দেশের শিক্ষার্থীরা শুধু পরিক্ষায় পাশের জন্য শিক্ষা অর্জন করে। তাদের কর্মদক্ষতা না থাকার কারণে দেশের বিদেশে কাজের সুযোগ থাকে বঞ্চিত, শিক্ষিতরা তাদের নিজেদের, পরিবারের , সমাজ ও জাতীর জন্য কিছুই করতে পারে না , ইংরেজি ভাষা বাংলাদেশ শিক্ষা ব্যবস্থাই আবশ্যক হওয়া সত্ত্বেও, বেশিরভাগ শিক্ষিতরা ইংরেজি দূর্বল। উন্নত বিশ্বের সবার জন্য উচ্চতর ডিগ্রি উন্মুক্ত না থাকলেও, বাংলাদেশ সবাই উচ্চ ডিগ্রি ভাল করে বেকার জীবন যাপন করিতেছে। এই দেশের উচ্চ ডিগ্রির সাথে কর্মজীবনের কোন সম্পর্ক নেই। শিক্ষার্থীরা দৈর্ঘ্য শিক্ষা জীবন শেষ করে জীবনের অতি প্রয়োজনীয় শিক্ষা, সাধারণ স্বাস্থ্য শিক্ষা, বাস্তবমুখী শিক্ষা ও নৈতিক শিক্ষায় অজ্ঞ। যার ফলে শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড না হয়ে, অভিশাপে পরিনত হয়েছে।
করনিয়।
১ অপ্রয়োজনীয় উচ্চ ডিগ্রি বাতিল করে, পাঠ্যসূচিতে অপ্রয়োজনীয় বিষয় বাদ দিয়ে , প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য, কারিগরি, বাস্তবমুখী ও নৈতিক শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত করা জরুরি।
২ সবার জন্য কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা, উচ্চ ডিগ্রি সীমিত করা জরুরি।
৩ ভাষা শিক্ষার ক্ষেত্রে দক্ষ প্রশিক্ষক নিয়োগ করা, শিক্ষা জীবনের সাথে সাথে দেশে বিদেশে কর্মসংস্থান ব্যবস্থা করা জরুরি।