06/05/2025
দুরুদে ইব্রাহিমের বরকত ✨
আমি একজন সাধারণ মানুষ। না কোনো বড় আমল করি, না খুব আলেম কিছু জানি।
তবে একটা জিনিস বুঝে গিয়েছি—দুরুদে ইব্রাহিমে রয়েছে এক অদ্ভুত প্রশান্তি।
বছরখানেক আগে আমি এক বড় সংকটে পড়েছিলাম। একটা জরুরি প্রয়োজনে খুবই বড় অংকের টাকা দরকার ছিল। যত চেষ্টা করছিলাম, কিছুতেই ব্যবস্থা হচ্ছিল না। চতুর্দিক থেকে বিপদ যেন আঁকড়ে ধরেছিল। হঠাৎ দূরুদের কথা মনে পড়লো।
একবার শুনেছিলাম,
"যে ব্যক্তি বেশি বেশি দুরুদ পাঠ করে, তার দরজা আল্লাহ নিজেই খুলে দেন।"
সেদিন থেকেই নিয়ম করে শুরু করলাম—প্রতিদিন দুরুদে ইব্রাহিম ৩০০-৫০০ বার পড়া। চলতে ফিরতে, কাজ করতে করতেই পড়তাম। প্রথম প্রথম এতো বেশি পড়তে পারতাম না কিন্তু ধীরে ধীরে অভ্যাস হয়ে যায়, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা আমার জন্য দুরুদ পড়া সহজ করে দেন। প্রথম ক’দিন তেমন কিছুই হলো না। কিন্তু আমি থামিনি।
ঠিক দুই সপ্তাহ পর এক আত্মীয় নিজে থেকেই আমাকে ফোন করে জানালেন, আমার দরকারি টাকার ব্যবস্থা তিনি করে দিবেন—কোনো সুদ-ঋণ কিছু ছাড়াই, শুধু সাহায্য হিসেবে!
আমি পুরোপুরি হতবাক। এমনটা হবে ভাবতেও পারিনি।
তখনই বুঝলাম,
আল্লাহ যখন দেরি করেন, সেটা দুনিয়াবি হিসেব নয়—বরং ঠিক সময়েই দেন, আমাদের ধৈর্য আর ইমান পরীক্ষা করেই।
আর দুরুদ—তা যেন সেই দুয়ার খোলার চাবিকাঠি।
আজও আমি দরুদ পড়ি। কারণ আমি দেখেছি; এই দুরুদ শুধু রহমতের দরজাই খুলে না, হৃদয়কেও প্রশান্ত করে।
:
সংগৃহীত