LawLyric Consultancy

LawLyric Consultancy আসসালামু আলাইকুম।।।
এটি এমন একটি উদ্যোগ,যার মাধ্যমে অন্য আর সাধারণ মানুষ আইন সম্পর্কে জানতে পারবেন।

কারন জীবন পরিচালনায় আইন জানা এবং মানা অপরিহার্য। 😊

13/01/2026

আইনাঙ্গনের সময়ের সবচেয়ে বড় একটি দাবি, যা এখন কার্যকর এবং পরিপূর্ণ বাস্তবায়ন হলেই মঙ্গল।

゚viralシfypシ゚viralシ




 #মার্কিন_যুক্তরাষ্ট্রে মাত্র ১৫ বছর বয়সী এক ছেলে—পেট খালি, পকেট খালি, ঘরে অসুস্থ মা।ক্ষুধায় মাথা ঝিমঝিম করছিল।অবশেষে প...
24/11/2025

#মার্কিন_যুক্তরাষ্ট্রে মাত্র ১৫ বছর বয়সী এক ছেলে—
পেট খালি, পকেট খালি, ঘরে অসুস্থ মা।
ক্ষুধায় মাথা ঝিমঝিম করছিল।
অবশেষে পাশের দোকান থেকে রুটি আর পনির চুরি করল।
ধরা পড়ল।
হাতকড়া পরে #আদালতে হাজির করা হলো।

#বিচারক ধীর স্বরে জিজ্ঞেস করলেন—

“চুরি করলে কেন?”

ছেলেটার চোখ ভিজে গেল।
মুখ নিচু করে বলল—

“মা খুব অসুস্থ… দুইদিন খাইনি…
টাকা ছিল না স্যার… তাই…”

আদালত ঘর নিঃশব্দ হয়ে গেল।
এক মুহূর্তের জন্য বিচারকের চোখও কেঁপে উঠল।

তারপর বিচারক উঠে দাঁড়িয়ে বললেন—

“আজ এই শিশুটি অপরাধী নয়।
দোষী আমরা…
হ্যাঁ, আমরা সবাই—
যে সমাজ এক বাচ্চাকে বেঁচে থাকার জন্য খাবার চুরি করতে বাধ্য করে।”

তিনি ঘোষণা করলেন—
#আদালতকক্ষে উপস্থিত প্রতিটি প্রাপ্তবয়স্ককে ৫০ ডলার জরিমানা
# আর দোকানদারকে ৫০০ ডলার, কারণ সে ক্ষুধার্ত শিশুকে সাহায্য করেনি।

সব মিলিয়ে যে অর্থ হলো—
সবটাই সেই ছেলেটির হাতে তুলে দেওয়া হলো।

আর #বিচারক শেষ কথাটা বললেন—

“এক ক্ষুধার্ত শিশুর অপরাধ নয়…
এটা একটি ব্যর্থ সমাজের মুখোশ।”

সেদিন আদালত শাস্তি দেয়নি—
সংস্কার দিয়েছিল।






#ন্যায়বিচারহোকসহজ
゚viralシfypシ゚

ছবির ভদ্রমহিলার নাম হেলেন। সেদিন পুরো আদালত নিস্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল যখন হেলেন টলতে টলতে ভেতরে ঢুকলেন।তার বয়স তখন ৯১, উচ্চ...
17/11/2025

ছবির ভদ্রমহিলার নাম হেলেন। সেদিন পুরো আদালত নিস্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল যখন হেলেন টলতে টলতে ভেতরে ঢুকলেন।
তার বয়স তখন ৯১, উচ্চতা পাঁচ ফুটের সামান্য বেশি, কাঁপা হাত, বয়সের ছাপে মুহ্যমান এক দুখিনী মুখ।
তিনি পরেছিলেন হাসপাতালের গাউন ও হাতকড়া।
অপরাধীর চেয়ে তাকে বরং বেশি দেখাচ্ছিল পথভোলা এক অতিশপর বৃদ্ধার মতো।
বিচারক মার্কাস ফাইল উল্টে দেখলেন: গুরুতর চুরির অভিযোগ।
তারপর তিনি মাথা তুললেন। কিছু যেন ঠিক মিলছিল না।
হেলেন ও তার স্বামী জর্জ, বয়স ৮৮, একসাথে কাটিয়েছেন একটি দীর্ঘ সাধারণ জীবন।
পঁয়ষট্টি বছরের বিবাহিত জীবনে হেলেন কেবল একটি বিষয়কেই অগ্রাধিকার দিয়েছিলেন- জর্জের হার্টের ওষুধ! দিনে বারোটি বড়ি, যা তাকে শ্বাস নিতে সাহায্য করত।
কিন্তু এক সপ্তাহ আগে, একটি মুল্য পরিশোধ সংক্রান্ত ত্রুটির কারণে তাদের স্বাস্থ্য বীমা বাতিল হয়ে যায়।
ফার্মেসিতে গিয়ে হেলেন জানতে পারেন যে যেই ওষুধ আগে ৫০ ডলারে পাওয়া যেত, এখন তার দাম ৯৪০ ডলার!
তিনি খালি হাতে বাড়ি ফেরেন এবং তিন দিন ধরে দেখেন জর্জের শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে।
তিনি বুঝতে পারছিলেন কী ঘটছে। আর তাই কোন অবস্থাতেই তিনি হাত বা গুটিয়ে বসে থাকতে পারেন নি।
অতঃপর, মরিয়া হয়ে তিনি আবার ফার্মেসিতে ফেরেন।
তিনি অপেক্ষা করেন যতক্ষণ না ফার্মাসিস্ট পেছন ঘোরেন…
কাঁপা হাতে তিনি ব্যাগে ওষুধ ভর্তি করেন।
কিন্তু দরজায় পৌঁছানোর আগেই স্বয়ংক্রিয় সাইরেন বেজে ওঠে — মুহূর্তেই হাতকড়া পড়ে যায় তার দুর্বল কব্জিতে।
আদালতে, ভাঙা গলায় তিনি ফিসফিস করে বলেন:
— আমি চুরি করতে চাইনি, মাননীয় বিচারক। আমি শুধু তাকে বাঁচাতে চেয়েছিলাম।
বিচারক মার্কাস তার দিকে তাকিয়ে দাঁড়িয়ে গেলেন, তার ভরাট কন্ঠে নির্দেশ দিলেন "ওনার শিকল খুলে দাও, এখনই!"
তিনি বাদি পক্ষের উকিলের দিকে তাকিয়ে বললেন:
— “গুরুতর চুরি? এই জন্য?"
হেলেন কেঁদে ফেললেন।
বিচারক দীর্ঘশ্বাস ফেলে এমন কথা বললেন যা এক ইতিহাস হয়ে থাকবে। তিনি বলেন, "এই নারী অপরাধী নন। তিনি আমাদের এই সমাজ ব্যবস্থারই এক শিকার।"
তিনি হেলেনকে খালাস দিলেন, সঙ্গে সঙ্গে সমাজসেবা বিভাগকে ডেকে নির্দেশ দিলেন যেন জর্জ সেদিনই পূর্ণ চিকিৎসা পান।
আর পরে এক সাংবাদিক যখন তাকে জিজ্ঞেস করলেন কেন তিনি এমন সিদ্ধান্ত নিলেন, তিনি শান্তভাবে উত্তর দিলেন:
“কখনও কখনও ন্যায়বিচার মানে হলো বুঝতে পারা, কখন সমাজব্যবস্থা নিজেই অন্যায়ে পরিণত হয়েছে।
এই নারী চোর নন। তিনি এক স্ত্রী, যিনি ভালোবাসাকে বেছে নিয়েছেন।”

তথ্যসূত্রঃ ইন্টারনেট
゚viralシfypシ゚viralシalシ ゚viralシfypシ゚

চেকপোস্টে পুলিশ গাড়ি, লাইসেন্স বা গাড়ির নিরাপত্তা সম্পর্কিত জিনিস জানতে পারে।কিন্তু প্রেম বা ব্যক্তিগত সম্পর্ক সম্পর্কে ...
01/11/2025

চেকপোস্টে পুলিশ গাড়ি, লাইসেন্স বা গাড়ির নিরাপত্তা সম্পর্কিত জিনিস জানতে পারে।
কিন্তু প্রেম বা ব্যক্তিগত সম্পর্ক সম্পর্কে প্রশ্ন করার কোনো অধিকার নেই।

যদি এমন প্রশ্ন আসে, বিনয়ভরে বলতে পারেন “আমি ব্যক্তিগত বিষয়ে উত্তর দিতে চাই না।”
রেগে যাওয়া বা ঝগড়া করার দরকার নেই।

আইনের মধ্যে আপনার অধিকার জানা থাকলে আপনি নিরাপদ থাকবেন।
আর যদি পুলিশ অমার্জিত বা আইনবিরুদ্ধ আচরণ করে, Higher Authority বা Rights Organization-এ অভিযোগ করা যেতে পারে।

ব্যক্তিগত জীবন ব্যক্তিগতই থাকবে। পুলিশ তা জানতে চাইতে পারবে না।

বাংলাদেশের প্রধান ধারাগুলো যা ব্যক্তিগত জীবনের অধিকার রক্ষা করে সংক্ষেপে
1. বাংলাদেশ সংবিধান, অনুচ্ছেদ ৩২ – ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও গোপনীয়তার অধিকার।
2. দণ্ডবিধি, সেকশন ৩৭৫/৩৭৬ – কারো ব্যক্তিগত জীবন বা মর্যাদা ক্ষুণ্ণ করার জন্য অনৈতিক চাপ বা হুমকি নিষিদ্ধ।
3. ফৌজদারী কার্যবিধি-১৮৯৮ অনুযায়ী পুলিশ কেবল সন্দেহজনক বা অপরাধসংক্রান্ত তথ্য জিজ্ঞেস করতে পারে, ব্যক্তিগত জীবন বা সম্পর্ক জানতে পারবে না।
পুলিশ যদি অপ্রয়োজনীয় ব্যক্তিগত প্রশ্ন করে, তা আইনবিরুদ্ধ। শান্তভাবে বলতে পারেন
“আমি ব্যক্তিগত বিষয়ে উত্তর দিতে চাই না।”

#আইনেরমাধ্যমেক্ষমতায়ন

#ন্যায়বিচারহোকসহজ


‎বিদেশ থেকে তালাক দেওয়ার আইনি প্রক্রিয়া:‎বাংলাদেশি নাগরিকদের অনেকেই কর্মসূত্রে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থান করেন। কিন্তু পারিবার...
23/10/2025

‎বিদেশ থেকে তালাক দেওয়ার আইনি প্রক্রিয়া:
‎বাংলাদেশি নাগরিকদের অনেকেই কর্মসূত্রে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থান করেন। কিন্তু পারিবারিক সম্পর্কের টানাপোড়েন, দূরত্ব, বা অন্য কোনো কারণে তালাকের প্রয়োজন দেখা দিলে—বিদেশ থেকে তালাক দেওয়া কি সম্ভব? হ্যাঁ, সম্ভব। তবে এর জন্য একটি সুনির্দিষ্ট আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়।

‎📜 প্রযোজ্য আইনসমূহ:

‎- মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ (Muslim Family Laws Ordinance, 1961)
‎- ষ্ট্যাম্প আইন, ১৮৯৯ (Stamp Act, 1899)
‎- পাওয়ার অব অ্যাটর্নি আইন (Power of Attorney Act)
‎- বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও জেলা প্রশাসকের বিধান

‎🧭 ধাপে ধাপে তালাকের প্রক্রিয়া

‎১. 🖋️ আমমোক্তারনামা (Power of Attorney) প্রস্তুত
‎বিদেশে অবস্থানরত ব্যক্তি প্রথমে বাংলাদেশে থাকা একজন বিশ্বস্ত ব্যক্তি বা আইনজীবীকে তালাক কার্য সম্পাদনের ক্ষমতা প্রদান করবেন।
‎এই দলিলটি হতে হবে স্পষ্ট, যাতে লেখা থাকে—এই ব্যক্তি শুধুমাত্র তালাক কার্য সম্পাদন করবেন।

‎> আইনগত ভিত্তি: Stamp Act, 1899 এর ধারা ২(২১) অনুযায়ী, আমমোক্তারনামা একটি বৈধ দলিল যা অন্যকে আইনগত ক্ষমতা প্রদান করে।

‎২. 🏛️ নোটারী ও দূতাবাসে সত্যায়ন
‎বিদেশে থাকা ব্যক্তি:
‎- আমমোক্তারনামা ও তালাকের নোটিশে স্বাক্ষর করবেন
‎- এটি করতে হবে বাংলাদেশ দূতাবাস, নোটারী পাবলিক, বা আদালতের বিচারকের সামনে
‎- এরপর এটি সেই দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে সত্যায়িত করতে হবে।

‎৩. 📦 দলিল পাঠানো ও দেশে প্রক্রিয়াকরণ
‎- সত্যায়িত দলিল বাংলাদেশে পাঠানো হবে
‎- বাংলাদেশে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পুনরায় সত্যায়ন করতে হবে
‎- এরপর জেলা প্রশাসকের রাজস্ব কার্যালয়ে ২০০ টাকার স্ট্যাম্প দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে।

‎৪. 📬 তালাকের নোটিশ প্রদান
‎- তালাকের নোটিশ স্ত্রীকে পাঠানো হবে রেজিস্টার্ড ডাকযোগে
‎- তালাক কার্যকর হবে ৯০ দিন পর, যদি কোনো আপত্তি না আসে।

‎> আইনগত ভিত্তি: Muslim Family Laws Ordinance, 1961 এর ধারা ৭ অনুযায়ী, তালাক কার্যকর হতে ৯০ দিনের সময় দিতে হয় এবং ইউনিয়ন পরিষদ বা পৌরসভাকে অবহিত করতে হয়।

‎🎯 বাস্তব উদাহরণ:

‎মামুন হোসেন, সৌদি আরবে কর্মরত। পারিবারিক সমস্যার কারণে তিনি স্ত্রীকে তালাক দিতে চান।
‎তিনি রিয়াদে বাংলাদেশ দূতাবাসে গিয়ে:
‎- একটি পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দলিল তৈরি করেন
‎- তা নোটারী পাবলিক ও দূতাবাসে সত্যায়ন করান
‎- দলিলটি বাংলাদেশে পাঠান
‎তার আইনজীবী ঢাকায়:
‎- তালাকের নোটিশ প্রস্তুত করেন
‎- ইউনিয়ন পরিষদে নোটিশ পাঠান
‎৯০ দিন পর তালাক কার্যকর হয়।

‎গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা

‎- তালাকের কারণ ও প্রক্রিয়া আইনসম্মত ও নৈতিক হতে হবে
‎- স্ত্রীকে সম্মানজনকভাবে অবহিত করতে হবে
‎- মিথ্যা তথ্য বা জাল দলিল ব্যবহার করলে আইনি জটিলতা হতে পারে।

‎🧠 পরামর্শ

‎> “তালাক একটি সংবেদনশীল বিষয়। বিদেশ থেকে তালাক দিতে চাইলে অবশ্যই আইনজীবীর পরামর্শ নিন। প্রতিটি ধাপ যেন সঠিকভাবে সম্পন্ন হয়, তা নিশ্চিত করুন। ভুল বা অসম্পূর্ণ দলিল ভবিষ্যতে বড় সমস্যা তৈরি করতে পারে।”

‎ধন্যবাদান্তে,
‎ইমতিয়াজ হোসেন টুটুল
এলএল.বি অনার্স (১ম শ্রেনী)
এলএল.এম (১ম শ্রেনী)
আইন পরামর্শক,
ল'লিরিক কনসালটেন্সি।
সরকার ল'চেম্বার এন্ড এসোসিয়েটস।

‎ #আইনি_সচেতনতা #তালাক_অধিকার #পারিবারিক_আইন
‎ #নারীর_ন্যায়বিচার #আইনি_শিক্ষা
‎ #আইনেরমাধ্যমেক্ষমতায়ন
‎ #আপনারঅধিকারজানুন #আইনি_কার্টুন
‎ #আইনসবারজন্য #বিদেশথেকেতালাক #পাওয়ারঅবঅ্যাটর্নি #আইনি_প্রক্রিয়া
‎ #ভিজ্যুয়াল_অ্যাডভোকেসি
‎ #ন্যায়বিচারহোকসহজ







 #গ্রেফতারি পরোয়ানা (Warrant of Arrest) কী?গ্রেফতারি পরোয়ানা হলো আদালত কর্তৃক লিখিত আদেশ, যার মাধ্যমে পুলিশ বা আইন-শৃঙ্খ...
19/10/2025

#গ্রেফতারি পরোয়ানা (Warrant of Arrest) কী?

গ্রেফতারি পরোয়ানা হলো আদালত কর্তৃক লিখিত আদেশ, যার মাধ্যমে পুলিশ বা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নির্দেশ দেওয়া হয় একটি নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে গ্রেফতার( আটক) করে আদালতে হাজির করতে।

কোন ক্ষেত্রে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়?
সাধারণত নিম্নলিখিত পরিস্থিতিতে:
১. অভিযুক্ত ব্যক্তি আদালতে হাজির না হলে (Summons বা Bailable Warrant-এর পরও হাজির না হলে Non-Bailable Warrant জারি হয়)
২. গুরুতর অপরাধের ক্ষেত্রে সরাসরি (যেমন হত্যা, ডাকাতি, ধর্ষণ ইত্যাদি)
৩. তদন্তকারী সংস্থার আবেদনের ভিত্তিতে
৪. অপরাধ প্রমাণিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে, কিন্তু অভিযুক্ত পালিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকলে

গ্রেফতারি পরোয়ানার ধরন:
: জামিনযোগ্য অপরাধে জারি হয়, অভিযুক্ত চাইলে সঙ্গে সঙ্গে জামিন নিতে পারে।
(NBW),:গুরুতর বা অজামিনযোগ্য অপরাধে জারি হয়। গ্রেফতারের পর সরাসরি জামিন পাওয়া সহজ নয়।
& Attachment: যখন অভিযুক্ত দীর্ঘদিন পলাতক থাকে, তখন সম্পত্তি জব্দসহ ঘোষণা করা হয়—একে সাধারণত পলাতক ঘোষণা (Proclaimed Offender) বলা হয়।

জারির আইনি ভিত্তি (বাংলাদেশ প্রেক্ষাপটে):
Code Of Criminal Procedure(CrPC),
Sections 70-81 — গ্রেফতারি পরোয়ানার ফরম, কার্যকর করা, মেয়াদ ইত্যাদি।
Section 73 — যাদের বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি করা যাবে।
Section 76-81— গ্রেফতার করে কত সময়ের মধ্যে আদালতে হাজির করতে হবে (বর্তমানে ১২ ঘণ্টার মধ্যে আবশ্যক)।

গ্রেফতারি পরোয়ানা কার্যকর হওয়ার পর করণীয়:
আসামি/ অভিযুক্ত দ্রুত আইনজীবীর সহায়তায় আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করতে হবে। পালিয়ে থাকলে ‘Proclaimed Offender’ ঘোষণা হতে পারে।
আইনজীবী প্রয়োজন হলে Recall/Cancel Warrant Petition দাখিল করা যায় CrPC Section 94/344 এর আওতায়।
পুলিশ/তদন্তকারী পরোয়ানা কার্যকর করার সর্বোচ্চ দায়িত্ব তাদের উপর থাকে। না করলে আদালত Explanation চাইতে পারে।

গ্রেফতারি পরোয়ানা কীভাবে বাতিল করা যায়?
১. স্বেচ্ছায় আদালতে হাজির হয়ে Bail বা Recall Petition করা।
২. Warrant বাতিলের (Cancellation/Withdraw) আবেদন করা।
৩. পলাতক ঘোষণা হওয়ার আগে ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি, নইলে পরবর্তীতে কঠিন হয়ে যায়।

উদাহরণ
ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ৫ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে অভিযুক্ত মোঃ আলম-এর বিরুদ্ধে CrPC Section 73 মোতাবেক Non-Bailable Warrant জারি করেন, যেহেতু তিনি আগের ৩ তারিখে হাজির হননি।

উপসংহার:
গ্রেফতারি পরোয়ানা ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার একটি আইনগত উপায়, এর উদ্দেশ্য কাউকে শাস্তি দেওয়া নয়, বরং তাকে আদালতের সামনে হাজির করা। তাই পরোয়ানা জারি হলে পালিয়ে না থেকে আইনানুগভাবে আদালতে আত্মসমর্পণ ও জামিন নেওয়াই সর্বোত্তম সমাধান। আইনকে ভয় নয়, আইনের সহায়তা নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।

আইনকে জানুন; নিজের অধিকার ও কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন হোন।
কার্টেসি:ওমর মুসা ভূঁইয়া

ইমতিয়াজ হোসেন টুটুল
এলএল.বি. (সম্মান), এলএল.এম.
আইন পরামর্শক,
ল'লিরিক কনসালটেন্সি এবং
সরকার ল' চেম্বার এন্ড এসোসিয়েটস(টংগী-গাজীপুর)।

©ব্যাংকে তার ঋণের পরিমাণ ২ কোটি টাকার উপরে, অথচ তিনি ১ টাকাও ঋণ নেন নাই…গত সেপ্টেম্বরের ঘটনা। চেম্বারে বসে কাজ করছি। সকা...
16/10/2025

©ব্যাংকে তার ঋণের পরিমাণ ২ কোটি টাকার উপরে, অথচ তিনি ১ টাকাও ঋণ নেন নাই…

গত সেপ্টেম্বরের ঘটনা। চেম্বারে বসে কাজ করছি। সকাল সকাল এক ভদ্রলোকের আগমন। নাম দবির আহম্মেদ (ভিন্ন নাম ব্যবহার করা হল)। আজ তার শুনানির দিন ধার্য আছে। জানতে পারলাম, ভদ্রলোকের নামে অর্থঋণ আদালতে মামলা চলমান, তিনি একজন ঋণখেলাপি। তার চেহারার মধ্যে অভিজাত আর শুদ্ধতার ছাপ দেখে মনের মধ্যে খটকা লাগলো। ব্যাপারটা জানতে আগ্রহী হলাম।

খোঁজ নিলাম, সত্যি সত্যিই তিনি একজন ঋণখেলাপি। ব্যাংকে তার ঋণের পরিমাণ ২ কোটি টাকার উপরে, অথচ তিনি ১ টাকাও ঋণ নেন নাই। কিভাবে হলো এমনটা?

একটা ছোট ভুলের এক চরম মাসুল দিতে হচ্ছে দবির আহম্মেদকে। ভুলটি হয়েছিল, একদা তিনি তার এক ব্যবসায়ী বন্ধুর জন্য ব্যাংক ঋণের গ্যারান্টর (জামিনদার) হয়েছিলেন। বন্ধুটি ঋণ নেয়ার কিছুদিন পর মারা যান। স্বাভাবিকভাবেই বন্ধুর ওয়ারিশদের উপর সেই ঋণ পরিশোধের দায় চলে আসে। কিন্তু সেই সকল ওয়ারিশ তাদের বাবার ঋণ পরিশোধ করতে সার্মথ্যবান নন এবং আগ্রহী নন।

এমন প্রেক্ষাপটে, ঋণদাতা ব্যাংক সেই সকল ওয়ারিশকে পক্ষভূক্ত করে এবং অর্থঋণ আদালত আইনে সেই ঋণের গ্যারান্টর অর্থাৎ দবির আহম্মেদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। সেই থেকে তাকে নিয়মিতভাবে আদালতে হাজিরা প্রদান করতে হচ্ছে।

ইতিমধ্যে দবির আহম্মেদ বাংলাদেশ ব্যাংকের সিআইবি ডাটাবেজেও একজন ঋণখেলাপি হিসেবে কালো তালিকাভূক্ত হয়েছেন। ফলে তার নিজের প্রয়োজনেরও আর কোন ঋণ নিতে পারবেন না এবং প্রতিনিয়ত অন্যান্য নানাবিধ কাজে বাঁধার সম্মূখীন হবেন। আর চরম সত্যিটা হলো, অন্য আরেকজনের নেয়া সেই ঋণ পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত তিনি নিজে এবং তার ওয়ারিশগণও ঋণের দায় থেকে কোনদিন মুক্তি পাবেন না।

ঘটনা ২

দবির আহম্মেদ সাহেবের মতোই ঠিক একই ঘটনা ঘটেছে বিরামপুরে। পার্থক্য শুধু এখানে যিনি ঋণ নিয়েছিলেন এবং যিনি সেই ঋণের গ্যারান্টর হয়েছিলেন, দু’জনই মারা গিয়েছেন।

ঋণগ্রহীতা মৃত্যুকালে কোন সম্পত্তি রেখে যেতে পারেন নাই। ফলে ঋণদাতা ব্যাংক ঋণগ্রহীতার কোন সম্পদ নিলামে নিতে পারেন নাই। কিন্তু সেই ঋণের গ্যারান্টর মৃত্যুকালে বিরামপুরের প্রাণকেন্দ্রে একটা চারতলা বাড়ি রেখে যান। সম্প্রতি সেই বাড়ির সম্মুখে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ নিলামের নোটিশ দিয়ে গেছেন।

ইতিপূর্বে গ্যারান্টরের ওয়ারিশগণও সেই ঋণ সম্পর্কে কিছুই জানতেন না। বাড়ির সামনে নোটিশ দেখে গ্যারান্টর সাহেবের দুই ছেলে হঠাৎ-ই অথৈ সাগরে পড়ে গেছেন। জামানত হিসেবে সেই বাড়ি ব্যাংকে বন্ধক না হলেও, ব্যাংক কর্তৃপক্ষ (অন্য আরেকজনের) অর্থ আদায়ের জন্য গ্যারান্টরের বাড়িটি নিলামকেই বিকল্প পন্থা হিসেবে বেছে নিয়েছেন।

উপরোক্ত ঘটনা দুটি সত্য। দুটি ঘটনাতেই কেহই নিজে ১ টাকাও ঋণ গ্রহণ করেন নাই বা সেই ঋণ থেকে ১ আনা পরিমাণও সুবিধা পান নাই। অথচ একটা ছোট্ট ভুলের জন্য তাদের নিজেদের ও ওয়ারিশদের জীবন মুহূর্তেই তছনছ হয়ে গিয়েছে। আইন অনুযায়ী উভর ক্ষেত্রেই কারো বিন্দুমাত্রা পরিত্রাণ পাবার কোন সুযোগ নাই।

মনে রাখবেন, ঋণখেলাপি হলে গ্যারান্টরের উপরও একইভাবে দায় বর্তায় ঋণ পরিশোধের। আর সে জন্যই গ্যারান্টরও ঋণখেলাপি হয়ে যান, যদিও তিনি ঋণ নেন নাই। ঋণখেলাপি হলে ঋণ আদায়ের জন্য কেবলমাত্র ঋণগ্রহীতা নয় গ্যারান্টরের বিরুদ্ধে মামলা করার বিধান রয়েছে বিদ্যমান অর্থঋণ আদালত আইনে।

সুতরাং, কারো উপকার করতে গিয়ে নিজে ও নিজের উত্তরাধিকারদের জন্য বিপদ ডেকে আনছেন কিনা, সেদিকে খেয়াল রাখুন। সচেতন থাকুন। পরামর্শের জন্য প্রয়োজনে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।

আমাদের প্রতিদিনের জীবনে অতি প্রয়োজনীয় আইনকানুন জানতে ও আরও আইনি পরামর্শ পেতে আমাদের পেজ ফলো করুন।

ইমতিয়াজ হোসেন টুটুল
এলএল.বি, অনার্স'(ফার্স্ট ক্লাস)
এলএল.এম(ফার্স্ট ক্লাস)
ফ্যামিলি,আয়কর,ক্রিমিনাল,ডিভোর্স, আইন পরামর্শক,
ল' লিরিক কনসালটেন্সি,
সরকার ল' চেম্বার এন্ড এসোসিয়েটস।



ভাড়াটিয়া (ভাড়াটে) যদি বাসা ছাড়তে না চান তাহলে করণীয়। ⬇️১. চুক্তিপত্র (Agreement) যাচাই :প্রথমে খেয়াল করুন ভাড়াটিয়ার সঙ্...
05/10/2025

ভাড়াটিয়া (ভাড়াটে) যদি বাসা ছাড়তে না চান তাহলে করণীয়। ⬇️

১. চুক্তিপত্র (Agreement) যাচাই :
প্রথমে খেয়াল করুন ভাড়াটিয়ার সঙ্গে আপনার যে লিখিত চুক্তি আছে, সেখানে বাসা ছাড়ার শর্তাবলী কী আছে। সাধারণত চুক্তিতে বলা থাকে, নির্দিষ্ট সময় পর বাড়িওয়ালা নোটিশ দিলে ভাড়াটিয়াকে বাসা ছাড়তে হবে।
• চুক্তিতে “১ মাসের নোটিশে বাসা ছাড়তে হবে” এমন কিছু লেখা থাকলে, সেই শর্ত অনুযায়ী পদক্ষেপ নিন।

২. নোটিশ দিন :
চুক্তি থাকলে বা না থাকলেও, ভাড়াটিয়াকে নোটিশ প্রদান করুন। চিঠিতে নিচের বিষয়গুলো উল্লেখ করুন:
বাসা ছাড়ার নির্দিষ্ট তারিখ,
চুক্তির শর্ত (যদি থাকে),
সময়মতো না ছাড়লে পরবর্তী পদক্ষেপ।

৩. থানায় জিডি করুন (যদি প্রয়োজন হয়)
যদি নোটিশ দেওয়ার পরও ভাড়াটিয়া বাসা ছাড়তে না চান বা হুমকি দেন তাহলে আপনার নিরাপত্তার জন্য স্থানীয় থানায় একটি জেনারেল ডায়েরি(GD) করুন।

৪. আদালতের সাহায্য নিন :
চূড়ান্তভাবে যদি ভাড়াটিয়া বাসা ছাড়তে একেবারেই না চান তাহলে একজন আইনজীবীর মাধ্যমে মামলা করতে পারেন।

৫. যা করবেন না :
ভাড়াটিয়াকে ভয় দেখানো, তালা ভেঙে জিনিসপত্র বের করে দেওয়া বা জোরপূর্বক বিদ্যুৎ/গ্যাস বন্ধ করা আইনবিরোধী।
এতে আপনার বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা হতে পারে।

সতর্কতা :
ভবিষ্যতে এ ধরনের সমস্যা এড়াতে:
সব সময় ভাড়ার লিখিত চুক্তি করুন।
চুক্তিতে স্পষ্ট করে বাসা ছাড়ার নিয়ম লিখে রাখুন।
প্রতি মাসে ভাড়ার রসিদ রাখুন এবং প্রদান করুন।

🌟 বি:দ্র:
১. আপনার জমির যে কোন সমস্যার সমাধানের জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন আমরা স্বল্প খরচে সিনিয়র অ্যাডভোকেট এর লিখিত লিগ্যাল এডভাইস প্রদান করি। তাছাড়া,
২. আমার পেইজের মাধ্যমে উকিল নোটিশ, নোটারি, দাগ ভাঙ্গানোর কাজ, কাগজপত্র যাচাই, মালিকানা চেইন যাচাই করতে পারেন।

#খতিয়ান #দলীল #উপদেশ #বন্টন

যদি এই অধ্যাদেশ আসলেই প্রনয়ণ এবং প্রয়োগ হয়, তাহলে তা' কেমন যৌক্তিক হবে বলে মনে হয় আপনাদের কাছে.???
28/08/2025

যদি এই অধ্যাদেশ আসলেই প্রনয়ণ এবং প্রয়োগ হয়,
তাহলে তা' কেমন যৌক্তিক হবে বলে মনে হয় আপনাদের কাছে.???

23/08/2025

পৃথিবীর সবচেয়ে দয়ালু বিচারক আর নেই!😢

এর সাবেক বিচারক ৮৮ বছর বয়সে প্যানক্রিয়াটিক ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন। 😢

আদালতে তার মানবিক রায়, সহমর্মিতা ও দয়ার জন্য তিনি পরিচিত ছিলেন “The Kindest Judge on Earth” নামে।

সংক্ষিপ্ত পরিচিতি:
১৯৮৫ সালে এ বিচারক হিসেবে নিয়োগ পান। সাধারণ মানুষের প্রতি সহানুভূতি ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির কারণে তিনি বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন। আদালতের ভেতরে–বাইরে সবখানেই মানুষকে ভালোবাসা ও সম্মান দিয়েছেন তিনি।

সোশাল মিডিয়ার দরুন তার বিচারিক জীবনের প্রায় শেষের দিকে বলতে গেলে তিনি সমগ্র বিশ্বে আরো বেশি ভালোবাসা,সম্মান,শ্রদ্ধার এবং নীতিবান বিচারক হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।❤️

মৃত্যুর একদিন আগে নিজের শারীরিক অবস্থা জানিয়ে সবার কাছে প্রার্থনার অনুরোধ করেছিলেন।

বিচারক এর মৃত্যুতে সহ বিশ্বজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তিনি প্রমাণ করেছেন— বিচার শুধু আইন দিয়ে নয়, মানবিকতা দিয়েও করা যায়।



#পোস্ট

Address

Tongi West Police Station Road
Tongi
1711

Telephone

+8801924447173

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when LawLyric Consultancy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to LawLyric Consultancy:

Share