19/08/2020
আসসালামুয়ালাইকুম,
আজকে আমরা যার সম্বন্ধে আলোচনা লিখব তিনি সবার সুপরিচিতা, বাংলাদেশি চলচ্চিত্রের অন্যতম নায়িকা অবন্তী বিশ্বাস অপু,যার ডাক নাম অপু বিশ্বাস।
১১ ই অক্টোবর ১৯৮২ সালে বগুড়ায় তিনি জন্মগ্রহণ করেন।অপু বিশ্বাসের বাবার নাম উপেন্দ্রনাথ বিশ্বাস, তার মায়ের নাম শেফালী বিশ্বাস। তিন ভাই-বোন এর মধ্যে অপু সবার ছোট। অপু ছোট থেকে বড় হন বগুড়া জেলার সদর থানা সাতমাথা এলাকায়।তার উচ্চতা ৫ ফিট ৬ইঞ্চি,তার প্রিয় খাবার বাঙালিয়ানা, প্রিয় রং সাদা,তার প্রিয় শখ ঘোরাফেরা করা।তিনি এস.এ.এস হারমান মেইনার আলোর মেলা ক্রিসেন্ট হাই স্কুল ইয়াকুবিয়া বালিকা বিদ্যালয়ে লেখাপড়া করেন। বাবা-মায়ের সহযোগিতায় বা উৎসাহে তিনি নাচ শিখতে শুরু করেন। বুলবুল ললিতকলা একাডেমি ও শিল্পকলা একাডেমি তে নৃত্যাঞ্চল আয়োজিত একটি প্রতিযোগিতায় তিনি প্রথম হন যখন তিনি নবম শ্রেণীতে পড়েন।
তিনি ২০০৫ সালে আমজাদ হোসেনের কাল সকালে চলচ্চিত্রের মাধ্যমে পদার্পণ করেন। ২০০৬ সালে কোটি টাকার কাবিন চলচ্চিত্রে প্রধান নায়িকা হয়ে অভিনয় শুরু করেন শাকিব খানের বিপরীতে। তিনি বেশিরভাগ চলচ্চিত্রে শাকিব খানের বিপরীতে কাজ করেন। তিনি গোপনে ২০০৮ সালের ১৮ই এপ্রিল শাকিব খানকে বিয়ে করেন এবং তা সবার কাছে লুকিয়ে রাখেন তারা দুজনে।২০১৭ সালে চ্যানেল ২৪ এ সরাসরি একটি সাক্ষাৎকারে শাকিব খানের সঙ্গে তার বিয়ের বিষয়টি প্রকাশ করেন।তিনি মুসলিম হন এবং নাম রাখেন অপু ইসলাম খান। ফরিদপুর থেকে কাজী এনে তাদের বিয়ে হয় এবং এতে দুই পরিবারের কিছু সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। বিয়ের কিছু বছর যাওয়ার পর তাদের একটি ছেলে হয়, ছেলের নাম রাখেন আব্রাহাম খান জয়। ছেলে যখন গর্ভে ছিল তখন তিনি বাংলাদেশে ছিলেন না।এসময় তিনি সিঙ্গাপুর, অস্ট্রেলিয়ায় ছিলেন। এরপর ভারতের একটি হাসপাতালে ২৭শে সেপ্টেম্বর ২০১৬ সালে জন্ম নেয় একটি ফুটফুটে ছেলে।
তিনি এ পর্যন্ত ১২টি পুরস্কার লাভ করেন। তিনি একটি চলচ্চিত্র থেকে ১০ থেকে ১২ লক্ষ টাকা নেন।তার ব্যক্তিগত ২টি গাড়ি রয়েছে।তিনি এখন আর তেমন কোন কাজ করছেননা,আপাতত সিঙ্গেল মাদার হিসেবে আছেন। কয়েকবছর ধরেই তিনি তার ছেলেকে সময় দিচ্ছেন।শাকিব খানের সাথে তার ডিভোর্স হয়ে গেছে বলে শোনা যায়।
২০০৬ সালে তার অভিনীত চলচ্চিত্র চাচ্চু, দাদীমা, পিতার আসন, কাবিননামা। ২০০৭ সালে তার অভিনীত চলচ্চিত্র তোমার জন্য মরতে পারি, স্বামীর সংসার, কথা দাও সাথী হবে, আমাদের ছোট সাহেব, আমার জান আমার প্রাণ, ২০০৮ সালে তার অভিনীত চলচ্চিত্র সন্তান আমার অহংকার, তুমি স্বপ্ন তুমি সাধনা, মনে প্রানে আছো তুমি, যদি বউ সাজো গো, তুমি আমার প্রেম, মনে বড় কষ্ট, ভালবাসার লাল গোলাপ, মন যেখানে হৃদয় সেখানে, জান আমার জান, ২০০৯ সালে তার অভিনীত চলচ্চিত্র ও সাথীরে, জন্ম তোমার জন্য, বলোনা কবুল, মায়ের হাতে বেহেস্তের চাবি, ভালোবাসা দিবি কিনা বল, প্রেমে পড়েছি, নাম্বার ওয়ান শাকিব খান, নিঃশ্বাস আমার তুমি, চাচ্চু আমার চাচ্চু, আমার বুকের মধ্যখানে, টপ হিরো, ২০১০ সালে তার অভিনীত চলচ্চিত্র টাকার চেয়ে প্রেম বড়, হাই প্রেম হাই ভালবাসা, জনম জনমের প্রেম, প্রেমিক পুরুষ, জীবন মরনের সাথী, তুমি আমার মনের মানুষ, প্রেম মানেনা বাধা ,মনের জালা, অন্তরে আছো তুমি, কোটি টাকার প্রেম ,তোর কারনে বেচে আছি, ২০১১ সালে তার অভিনীত চলচ্চিত্র একবার বলো ভালোবাসি, জান কোরবান, মনের ঘরে বসত করে, কিং খান, প্রিয়া আমার জান, আদরের জামাই, এক টাকার দেনমোহর, ২০১২ সালে তার অভিনীত চলচ্চিত্র এক মন এক প্রাণ, ঢাকার কিং, দুর্ধর্ষ প্রেমিক, জিদ্দি মামা, বুক ফাটে তো মুখ ফাটে না, ২০১৩ সালে তার অভিনীত চলচ্চিত্র মাই নেম ইজ খান. প্রেমিক নাম্বার ওয়ান , ভালোবাসা এক্সপ্রেস, ডেয়ারিং লাভার, হিরো দ্য সুপারস্টার, এরকম ২০১৪, ২০১৬, ২০১৭,২০১৮ সালের চলচ্চিত্র শ্বশুরবাড়ি জিন্দাবাদ টু, এবং সম্প্রতি ২০২০ সালের চলচ্চিত্র ওপারে চন্দ্রবতী ইত্যাদি সহ অনেক চলচ্চিত্র তিনি উপহার দিয়েছেন।
ধন্যবাদ