SS WORLD

SS WORLD "World Place To Fulfill Dreams"
A largest foreign consultant agency in the world

বুঝলাম বিষয়টা সিরিয়াস।তিনি ২০২৩ সালে তার এক চাচাতো ভাইকে কানাডায় ভিজিটিং ভিসায় আনতে ইনভাইটেশন দিয়েছিলেন। যেহেতু তিনি কান...
05/04/2026

বুঝলাম বিষয়টা সিরিয়াস।

তিনি ২০২৩ সালে তার এক চাচাতো ভাইকে কানাডায় ভিজিটিং ভিসায় আনতে ইনভাইটেশন দিয়েছিলেন। যেহেতু তিনি কানাডিয়ান সিটিজেন, তাই এটা করা তার জন্য সহজ ছিল। কিন্তু আসার পর ওই ব্যক্তি এসাইলেম আবেদন করতে চেয়েছিল।

আপু তখন স্পষ্ট করে বলেন,
“আমি ইনভাইটেশন দিয়েছি, তুমি যদি এসাইলেম করো, আমার জন্য সমস্যা হতে পারে।”

শেষ পর্যন্ত চাপের কারণে ওই ব্যক্তি কয়েক মাস পর কানাডা ছেড়ে চলে যায়। কিন্তু এখন পরিস্থিতি বদলে গেছে।

নতুন আইন Bill C-12 পাস হওয়ার পর, অনেক ক্ষেত্রে এসাইলেম আবেদনের সুযোগ সীমিত হয়ে গেছে। বিশেষ করে, প্রথমবার কানাডায় আসার পর ১ বছরের মধ্যে আবেদন না করলে পরে এসে আবেদন করলে হচ্ছে না কাজ।

এখন সেই ব্যক্তি আবার এসে এসাইলেম করতে পারছে না। এখন দেশে থেকে ওই আপুকে হুমকি দিচ্ছে। বাংলাদেশে গেলে ক্ষতি করবে। সেই আপু ভয়ে আছেন। এখন ইমিগ্রেশনে অভিযোগ দিতে চান আমার মাধ্যমে।

⚠️ এখানে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় কী?
ইনভাইটেশন লেটার মানে দায়িত্বহীনভাবে কাউকে কানাডায় আনা না। এটা একটি সাপোর্টিং ডকুমেন্ট, যা দেখায় আপনি কাউকে চেনেন এবং তিনি আপনার আমন্ত্রণে ভিজিট করবেন।

কিন্তু—
❌ এটা বিক্রি করা যায় না
❌ অপরিচিত কাউকে দেয়া ঠিক না
❌ কারো ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা না জেনে দেয়া বড় ঝুঁকি

⚠️ বাস্তব শিক্ষা:
যাকে সাহায্য করছেন, তাকে ভালোভাবে চিনুন, তার উদ্দেশ্য বুঝুন এবং নিজের অবস্থান ও ঝুঁকি আগে বিবেচনা করুন
কারণ একটি ছোট “উপকার” পরে বড় সমস্যায় ফেলতে পারে।

বি:দ্র: বাস্তব ঘটনাটি আপনাদের সচেতনতার জন্য শেয়ার করা।

কানাডার ইমিগ্রেশন সংক্রান্ত পরামর্শ ও ভিসা বিষয়ে বিভিন্ন খবরাখবর রাখতে আমাদের পেজটি ফলো দিয়ে রাখুন।

31/12/2024

@@@ HAPPY NEW YEAR @@@

15/12/2024
15/12/2024
সু-খবর,,,,,,,,সু-খবর,,,,,,,,,সু-খবর,,,,,৷৷বাংলাদেশের দুর্নীতি,অনিয়ম,হয়রানির অনেকগুলো ক্ষেত্রের মধ্যে পাসপোর্ট অফিস অন্যত...
03/11/2024

সু-খবর,,,,,,,,সু-খবর,,,,,,,,,সু-খবর,,,,,৷৷

বাংলাদেশের দুর্নীতি,অনিয়ম,হয়রানির অনেকগুলো ক্ষেত্রের মধ্যে পাসপোর্ট অফিস অন্যতম। একসময় দালা ছাড়া পাসপোর্ট ভাবাই যেতো না। কিন্তু বর্তমানে সেটার পরিবর্তন এসেছে।
এখন দালাল ছাড়াই নির্বিঘ্নে নিজে ঘরে বসেই পাসপোর্টের জন্য আবেদন করতে পারবেন। এবং আবেদন করার পর পাসপোর্ট অফিসে দুর্নীতি ছাড়াই কাগজপত্র জমা দিয়ে আসতে পারবেন। যদিও বর্তমানে পাসপোর্টের সকল আঞ্চলিক অফিস এবং প্রধান কার্যালয় আগারগাঁও এ মানুষের ভিড় আগের চেয়ে বেশি। কারণ এখন মানুষ অতিরিক্ত টাকা ছাড়াই নির্ধারিত ফি এর মাধ্যমে পাসপোর্ট সহজে পাচ্ছে। এরপরও যারা দালাল দিয়ে পাসপোর্ট করবেন সেটা তাদের ব্যর্থতা।

** পাসপোর্ট আবেদনের পদ্ধতি:-
প্রথমেই (Bangladesh e‑Passport Online Portal) এই ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে নিজের NID অনুসারে একটি একাউন্ট করে নিতে হবে। তারপর ৫ টি STEP অনুসরণ করে যেসব তথ্য চাইবে সেগুলো পূরণ করতে হবে। সাবমিটের পূর্বে অবশ্যই কোনো তথ্য ভুল হয়েছে কিনা সেটা বার বার চেক করে নেওয়া উচিত। কারণ সাবমিট করার পর কোনোভাবেই তা Edit করা যায় না।

** ১০ বছর মেয়াদী ৪৮ পৃষ্ঠার পাসপোর্টের ফি ৫৭৫০/- এবং ** ০৫ বছর মেয়াদী ৪৮ পৃষ্ঠার পাসপোর্টের ফি ৪০২৫/-।

সাবমিট করার সময় ফি জমা দেওয়ার অপশনে offline সিলেক্ট করা উত্তম। Offline হলে দুইভাবেই টাকা জমা দেওয়া যায়। মোবাইল ব্যাংকিং এবং ব্যাংকিং সিস্টেম উভয়ই।
এপ্লাই করার পর- ৩ পৃষ্ঠার এপ্লিকেশন কপি ও ১ পৃষ্ঠার সামারি কপি প্রিন্ট করে নিতে হবে।

** পাসপোর্ট অফিসে যাওয়ার পূর্বে যেসব কাগজপত্র/ Documents নিয়ে যেতে হবে-
১)এপ্লিকেশন প্রিন্ট কপি
২) সামারি কপি
৩) চালান ফরম (ব্যাংক অথবা মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে পরিশোধিত টাকার স্লিপ)
৪) নিজের NID/Birth Certificate কপি
৫) NID Verification copy
৬) মা ও বাবার NID কপি
৭) পেশা Student দেওয়া হলে আইডি এবং শিক্ষাজীবনের যেকোনো একটি সার্টিফিকেট, Business দেওয়া হলে ট্রেড লাইসেন্স,Private Service হলে ID card এর কপি, Unemployment দেওয়া হলে কোনো ডকুমেন্ট লাগবে না।
৮) নাগরিকত্ব সনদ/জাতীয়তা সনদ

** পুলিশ ভেরিফিকেশনে যেসব কাগজপত্র লাগবে-
১) NID/Birth Certificate copy
২) বিদ্যুৎ বিল(যেকোনো বিলের কপি)
৩/ জায়গার খতিয়ান
৪/ জাতীয়তা সনদ

নিয়মিত ডেলিভারিতে ২১-৩৫ দিনের মধ্যে পাসপোর্ট আপনার হাতে পেয়ে যাবেন।

বিঃদ্রঃ পাসপোর্ট অফিসে কাগজপত্র জমা দেওয়ার পর Status Check করে প্রতিনিয়ত খোঁজ রাখতে পারবেন আপনার পাসপোর্ট কোন পর্যায়ে আছে।

ধন্যবাদান্তে,
GTCWORLD

18/08/2024

নিউজিল্যান্ডের ওয়ার্ক পারমিট ভিসা পাওয়ার জন্য আবেদন প্রক্রিয়া ও বিস্তারিত বিবরণ:

কারা আবেদন করতে পারবেন:
নিউজিল্যান্ডের ওয়ার্ক পারমিট ভিসার জন্য একটি বৈধ চাকরির অফার থাকতে হবে।
দক্ষ কর্মী।
বিভিন্ন পেশাদারী দক্ষতা বা অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ব্যক্তি।
কোনো কোম্পানি থেকে চাকরির অফারপ্রাপ্ত ব্যক্তি।

যোগ্যতা:
বৈধ চাকরির অফার।
সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় শিক্ষাগত যোগ্যতা।
অভিজ্ঞতা।
ভাষার দক্ষতা (সাধারণত IELTS পরীক্ষায় নির্দিষ্ট স্কোর)
স্বাস্থ্যগত ও চরিত্রগত যোগ্যতা।

প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস:
পূরণকৃত ভিসা আবেদন ফর্ম।
বৈধ পাসপোর্ট।
সাম্প্রতিক তোলা পাসপোর্ট সাইজের ছবি।
চাকরির অফার লেটার।
শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট।
কাজের অভিজ্ঞতার প্রমাণপত্র।
ইংরেজি ভাষার দক্ষতার প্রমাণ (যেমন: IELTS স্কোর)।
মেডিকেল সার্টিফিকেট।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট।
আবেদন ফি পরিশোধের প্রমাণ।

খরচ:
নিউজিল্যান্ডের ওয়ার্ক পারমিট ভিসার জন্য আবেদন ফি প্রায় ৩০০ থেকে ৪০০ নিউজিল্যান্ড ডলার (প্রায় ২০,০০০ থেকে ২৫,০০০ টাকা) হতে পারে।
এছাড়া মেডিকেল পরীক্ষা, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় খরচ যোগ করলে মোট খরচ প্রায় ৫০,০০০ থেকে ৭০,০০০ টাকা হতে পারে।

পয়েন্ট চেক:
কিছু ওয়ার্ক পারমিট ভিসার জন্য পয়েন্ট ভিত্তিক সিস্টেম ব্যবহার করা হয়। পয়েন্ট নির্ধারণ করা হয় শিক্ষাগত যোগ্যতা, কাজের অভিজ্ঞতা, বয়স এবং নিউজিল্যান্ডে কাজের ক্ষেত্রের চাহিদার উপর ভিত্তি করে। নির্দিষ্ট পয়েন্টের উপরে পয়েন্ট অর্জন করতে হয়।

সময়:
ওয়ার্ক পারমিট ভিসার প্রক্রিয়াকরণের সময় সাধারণত ৩-৬ মাস পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। তবে, নির্দিষ্ট পরিস্থিতির উপর ভিত্তি করে এটি কমবেশি হতে পারে।

বিঃদ্রঃ প্রতিটি ধাপ সতর্কভাবে সম্পন্ন করুন এবং নির্দিষ্ট নির্দেশিকা মেনে চলুন।

ধন্যবাদান্তে,
GTC WORLD

আরো বিস্তারিত জানতে চাইলে কমেন্ট করুন।
07/08/2024

আরো বিস্তারিত জানতে চাইলে কমেন্ট করুন।

নিউজিল্যান্ডের ওয়ার্ক পারমিট ভিসা পাওয়ার জন্য আবেদন প্রক্রিয়া ও বিস্তারিত বিবরণ:

কারা আবেদন করতে পারবেন:
নিউজিল্যান্ডের ওয়ার্ক পারমিট ভিসার জন্য একটি বৈধ চাকরির অফার থাকতে হবে।
দক্ষ কর্মী।
বিভিন্ন পেশাদারী দক্ষতা বা অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ব্যক্তি।
কোনো কোম্পানি থেকে চাকরির অফারপ্রাপ্ত ব্যক্তি।

যোগ্যতা:
বৈধ চাকরির অফার।
সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় শিক্ষাগত যোগ্যতা।
অভিজ্ঞতা।
ভাষার দক্ষতা (সাধারণত IELTS পরীক্ষায় নির্দিষ্ট স্কোর)
স্বাস্থ্যগত ও চরিত্রগত যোগ্যতা।

প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস:
পূরণকৃত ভিসা আবেদন ফর্ম।
বৈধ পাসপোর্ট।
সাম্প্রতিক তোলা পাসপোর্ট সাইজের ছবি।
চাকরির অফার লেটার।
শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট।
কাজের অভিজ্ঞতার প্রমাণপত্র।
ইংরেজি ভাষার দক্ষতার প্রমাণ (যেমন: IELTS স্কোর)।
মেডিকেল সার্টিফিকেট।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট।
আবেদন ফি পরিশোধের প্রমাণ।

খরচ:
নিউজিল্যান্ডের ওয়ার্ক পারমিট ভিসার জন্য আবেদন ফি প্রায় ৩০০ থেকে ৪০০ নিউজিল্যান্ড ডলার (প্রায় ২০,০০০ থেকে ২৫,০০০ টাকা) হতে পারে।
এছাড়া মেডিকেল পরীক্ষা, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় খরচ যোগ করলে মোট খরচ প্রায় ৫০,০০০ থেকে ৭০,০০০ টাকা হতে পারে।

পয়েন্ট চেক:
কিছু ওয়ার্ক পারমিট ভিসার জন্য পয়েন্ট ভিত্তিক সিস্টেম ব্যবহার করা হয়। পয়েন্ট নির্ধারণ করা হয় শিক্ষাগত যোগ্যতা, কাজের অভিজ্ঞতা, বয়স এবং নিউজিল্যান্ডে কাজের ক্ষেত্রের চাহিদার উপর ভিত্তি করে। নির্দিষ্ট পয়েন্টের উপরে পয়েন্ট অর্জন করতে হয়।

সময়:
ওয়ার্ক পারমিট ভিসার প্রক্রিয়াকরণের সময় সাধারণত ৩-৬ মাস পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। তবে, নির্দিষ্ট পরিস্থিতির উপর ভিত্তি করে এটি কমবেশি হতে পারে।

বিঃদ্রঃ প্রতিটি ধাপ সতর্কভাবে সম্পন্ন করুন এবং নির্দিষ্ট নির্দেশিকা মেনে চলুন।

ধন্যবাদান্তে,
GTC WORLD

রোমানিয়ার ওয়ার্ক পারমিট ভিসার জন্য আবেদন করতে হলে কিছু গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্টস প্রয়োজন হয়। যার তালিকা নিচে দেওয়া হলো:০১. ...
18/07/2024

রোমানিয়ার ওয়ার্ক পারমিট ভিসার জন্য আবেদন করতে হলে কিছু গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্টস প্রয়োজন হয়। যার তালিকা নিচে দেওয়া হলো:

০১. পূরণকৃত ভিসা আবেদন ফর্ম:
রোমানিয়ার সংশ্লিষ্ট দূতাবাস বা কনস্যুলেটের ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করে ফর্মটি পূরণ করতে হবে।

০২. পাসপোর্ট:
বৈধ পাসপোর্ট (কমপক্ষে ০৬ মাস মেয়াদসহ)
পাসপোর্টের ফটোকপি (প্রথম এবং শেষ পৃষ্ঠাসহ)

০৩. পাসপোর্ট সাইজ ছবি:
সাম্প্রতিক পাসপোর্ট সাইজের ছবি (০৩ কপি)

০৪. চাকরির অফার লেটার:
রোমানিয়ার নিয়োগকর্তার কাছ থেকে অফিসিয়াল চাকরির অফার লেটার ও নিয়োগকর্তার কোম্পানির রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট এবং ব্যবসার প্রমাণ।

০৫. কর্মসংস্থান চুক্তি:
নিয়োগকর্তার সাথে স্বাক্ষরিত কর্মসংস্থান চুক্তি, যেখানে কাজের শর্তাবলী এবং বেতন উল্লেখ্য থাকবে।

০৬. শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রমাণ:
শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট এবং মার্কশীট
পূর্বের কর্মসংস্থানের অভিজ্ঞতার প্রমাণ (রেফারেন্স লেটার, সার্টিফিকেট ইত্যাদি)

০৭. মেডিকেল পরীক্ষা:
নির্দিষ্ট ডাক্তারের কাছ থেকে সম্পন্ন করা মেডিকেল পরীক্ষা রিপোর্ট।

০৮. পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট:
আপনার দেশের পুলিশ বিভাগ থেকে ইস্যুকৃত পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট

০৯. স্বাস্থ্য বীমা:
রোমানিয়ায় থাকার সময়ের জন্য স্বাস্থ্য বীমার প্রমাণ

১০. আবাসন ব্যবস্থা:
রোমানিয়ায় থাকার সময়ের জন্য আবাসনের প্রমাণ (হোটেল বুকিং, লিজ এগ্রিমেন্ট ইত্যাদি)

১১. আবেদন ফি:
নির্দিষ্ট পরিমাণের আবেদন ফি পরিশোধের প্রমাণপত্র।

১২. বায়োমেট্রিক ডেটা:
আঙ্গুলের ছাপ ও ছবি (বায়োমেট্রিক তথ্য)

১৩. অতিরিক্ত ডকুমেন্টস (যদি প্রয়োজন হয়):
ব্যাংক স্টেটমেন্ট (সাম্প্রতিক ০৬ মাসের)

অন্যান্য যেকোনো প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস যা রোমানিয়ার দূতাবাস বা কনস্যুলেট থেকে অনুরোধ করা হতে পারে

বিঃদ্রঃ আবেদন করার আগে অবশ্যই রোমানিয়ার সংশ্লিষ্ট দূতাবাস বা কনস্যুলেটের ওয়েবসাইট থেকে নির্দিষ্ট নির্দেশিকা এবং শর্তাবলী যাচাই করে নিতে পারেন।

ধন্যবাদান্তে,

GTC WORLD

Address

11 May Street, Sioux Lookout
Wari
P8T1A3

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when SS WORLD posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share