Kawsar Ahmed

Kawsar Ahmed Open Mind
Open Talk
For Truth
For Siratal Mustakim

09/30/2024

একসময় ছিল চেতনার ব্যবসা
এখন শুরু হইছে সুশিল ব্যবসা। মত স্বাধীনতার ব্যবসা।
এই ব্যবসার পুজিবাধিরা জানেনা কিভাবে ইনভেস্ট করতে হয়।
মনজুর আল মতিন ছাত্র জনতার পাশে দাড়িয়ে যথেষ্ট শ্রদ্ধা ও সুনাম কামিয়েছেন। কিন্ত ধরে রাখতে পারেননি।
উনাকে যদি প্রশ্ন করি আপনার মা-বাবা যদি এরকম চিন্তা করতেন তাহলে আপনার কি জন্ম হতো? মানুষ মাত্রই তো স্বাধীন মনভাবনা লালন করে। তাই বলে কি তার ধরাবাধা নিয়ম নেই? শুধুই কি স্বাধীনতার নামে উগ্রতা?
পশ্চিমা বিশ্ব সমকামীদের বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা দিচ্ছে কিন্ত ভিতরে ভিতরে তারা খুবই উদ্বিগ্ন। তারা জানে এভাবে চললে জনশক্তি বিলুপ্ত হয়ে যাবে। এজন্য মাইগ্রেশনের সুযোগ দিচ্ছে। এই বোধটুকু আমাদের সুশীলদের নাই।
একটু জনপ্রিয়তা পাইলেই মাথায় উঠে বসে। ধরে রাখতে পারে না। কি অশ্লীল চিন্তা।
মিনিমাম বিবেকবোধ নাই। দেশের মানুষকে এখনই সচেতন হতে হবে। সমাকীমদের ধরে প্রকাশ্যে লিন্চিং করতে হবে। না হয় সুস্থধারার জীবন ব্যবস্থায় ভয়াবহ ধ্বংস নেমে আসবে।

07/30/2023

ধৈর্যের সাধারণ প্রকারভেদ
— ড. ইয়াসির ক্বাদী
আমাদের আলেম-ওলামারা বলেছেন— ধৈর্য তিন প্রকার।
প্রথম প্রকার ধৈর্য হলো, বিপদে পড়লে ধৈর্য ধারণ করা। এই প্রকারের ধৈর্য সবচেয়ে নিম্নস্তরের। কারণ, এটা আপনার নিয়ন্ত্রণের বাহিরে। আপনার পক্ষে নিজের পরিস্থিতির উপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হয় না। যেমন— চাকরি হারানো, প্রিয় কারো মৃত্যু ইত্যাদি।

এখন, এসব ক্ষেত্রে কিভাবে ধৈর্য প্রদর্শন করতে হবে? আপনাকে জিহ্বা নিয়ন্ত্রণ করতে হবে এবং আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালার প্রতি আশাবাদী মনোভাব পোষণ করতে হবে। এ বিপদটা কেন আপনার উপর এসে পড়লো আপনাকে এটা না বুঝলেও চলবে। আপনি দুঃখ অনুভব করতে পারবেন। দুঃখ অনুভব করা মানব প্রকৃতির অংশ। কাঁদতে পারবেন। শোকাহত হতে পারবেন। কিন্তু, কোনোভাবেই আল্লাহর বিজ্ঞতা, দয়া এবং ভালোবাসা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারবেন না। অন্তরেই এসব প্রশ্নকে পাত্তা দেয়া যাবে না, মুখে উচ্চারণ তো দূরে থাক।

অতএব, এসব ক্ষেত্রে ধৈর্য মানে বিপদে পড়লে আপনার চিন্তাকেও নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। বিশেষ করে আপনার জিহ্বা। আপনি আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালার বিজ্ঞতাকে প্রশ্ন করতে পারবেন না। আর এ ধরণের ধৈর্য হলো সবচেয়ে নিম্নস্তরের ধৈর্য।

দ্বিতীয় প্রকারের ধৈর্য হলো— পাপ করা থেকে এবং আল্লাহর অবাধ্য হওয়া থেকে ধৈর্য ধারণ করা ও নিজেকে বিরত রাখা। এই প্রকারের ধৈর্য কখনো কখনো তুলনামূলকভাবে বেশি কঠিন। কারণ, প্রচুর পাপ করার সুযোগ আমাদের সামনে সবসময় উন্মুক্ত।

এ ক্ষেত্রে ধৈর্য ধারণ করার মানে হলো— নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করা, আটকিয়ে দেওয়া, নিজের লালসায় লাগাম পরানো। আমাদের নিজেদের সংযত করা, টেনে ধরা, দমন করা। লোভনীয় কিছু সামনে আসলেই আমরা ঝাঁপিয়ে পড়ি না। এই প্রকারের ধৈর্য ধারণ করার ক্ষেত্রে দক্ষ হওয়ার জন্য রামাদান মাস আমাদের সাহায্য করে। (নফল রোজাও এ ক্ষেত্রে সাহায্য করে।)

চিন্তা করে দেখুন। রামাদানে আমরা নিজেদের খাদ্য এবং পানি পান থেকে বিরত রাখি। যৌন চাহিদা পূরণ থেকেও আমরা নিজেদের বিরত রাখি। সুতরাং, আমরা তখন শিখি কিভাবে আমাদের জন্য হালাল নয় এমন জিনিস থেকেও নিজেদের বিরত রাখবো। আমরা তখন খাওয়া এবং পান করা থেকে বিরত থাকি একমাত্র এই কারণে যে আল্লাহ বলেছেন খাওয়া এবং পান করা থেকে বিরত থাকো। তাই, আমরা খাই না এবং পান করি না।

তাহলে, মন্দ কাজের ব্যাপারে কী করবেন? আল্লাহ যখন বলেন মদ পান করো না, সব ধরণের মাদক থেকে দূরে থাকো, চুরি করো না, ব্যভিচার করো না ইত্যাদি। এভাবে আমরা যখন বৈধ কাজ খাওয়া এবং পান করা থেকে বিরত থাকার ক্ষেত্রে দক্ষ হয়ে উঠি, আমাদের জন্য তখন হারাম কাজ থেকে বিরত থাকার ক্ষেত্রে দক্ষ হয়ে উঠা সহজ হয়ে যায়।

তৃতীয় প্রকারের ধৈর্য, যা সর্বোচ্চ লেভেলের, এ ধরণের ধৈর্য অবলম্বন করা সত্যিই কঠিন। এর পরিবর্তনশীল অবস্থার কারণে, এ ধরণের সবরের কথা আমাদের মাথায়ও না আসার কারণে।

আর তা হলো— সময় নষ্ট করা থেকে নিজেকে বিরত রাখা। উপকারী কিছুতে নিজেকে ব্যস্ত রাখা এবং আল্লাহর ইবাদাতে নিজেকে আটকিয়ে রাখা। সবসময় আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালার ইবাদাতে মগ্ন থাকা। এই প্রকারের ধৈর্য ধরার মানে— নিজেকে আটকিয়ে দেওয়া, বাধা দেওয়া, সংযত করা এমনকি হয়তো হালাল কিছু থেকেও। (কাজটিতে হয়তো গুনাহ নেই, কিন্তু কোনো সওয়াবও হবে না।)

এ ধরণের কাজে বেশি জড়িয়ে পড়লে তা মাকরূহে পরিণত হয়। অতিরিক্ত বেহুদা কাজে, সময় নষ্ট হওয়ার কাজে যুক্ত হওয়া থেকে নিজেকে বিরত রাখা। এবং নিজের জন্য বেশি উপকারী কাজে যুক্ত থাকা। বেশি বেশি কুরআন অধ্যয়ন করা, মুখস্ত করা, নামাজে সেগুলো তিলাওয়াত করা, অতিরিক্ত জিকির করা, অতিরিক্ত দান করা।

আবারো, রামাদান মাস আমাদেরকে এই ধরণের ধৈর্য ধারণ করাও শেখায়। কারণ, এই সময়ে আমরা সবাই একটু হলেও বেশি ভালো কাজ করার চেষ্টা করি। সে সময় আমরা বেশি বেশি কুরআন পড়ি, বেশি বেশি সালাত আদায় করি। আমরা নিজেদেরকে সাধারণ সময়ের চেয়ে একটু হলেও বেশি আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালার ইবাদাতে নিমগ্ন রাখি।
------------------
ধৈর্যের পুরস্কার জান্নাত
— ড. ইয়াসির ক্বাদী
আল্লাহ তাঁর ক্ষমা, জান্নাত এবং জান্নাতের উচ্চ মর্যাদা পাওয়াকে ধৈর্য ধারণ করার সাথে যুক্ত করেছেন। আমি আবারো বলছি, আল্লাহ তাঁর ক্ষমাকে ধৈর্যের সাথে যুক্ত করেছেন। আল্লাহ কুরআনে বলেন- اِلَّا الَّذِیۡنَ صَبَرُوۡا وَ عَمِلُوا الصّٰلِحٰتِ ؕ اُولٰٓئِکَ لَهُمۡ مَّغۡفِرَۃٌ وَّ اَجۡرٌ کَبِیۡرٌ - "তবে যারা সবর করেছে এবং সৎকর্ম করেছে, তাদের জন্যই রয়েছে ক্ষমা ও মহা প্রতিদান।" (১১:১১) তাহলে আল্লাহর ক্ষমা ধৈর্যের সাথে সম্বন্ধযুক্ত।

জান্নাতে প্রবেশ এবং জান্নাতে উচ্চ মর্যাদা পাওয়াকেও ধৈর্য ধারণের সাথে সম্পর্কযুক্ত করা হয়েছে। আল্লাহ কুরআনে বলেন, جَنّٰتُ عَدۡنٍ یَّدۡخُلُوۡنَهَا وَ مَنۡ صَلَحَ مِنۡ اٰبَآئِهِمۡ وَ اَزۡوَاجِهِمۡ وَ ذُرِّیّٰتِهِمۡ وَ الۡمَلٰٓئِکَۃُ یَدۡخُلُوۡنَ عَلَیۡهِمۡ مِّنۡ کُلِّ بَابٍ ﴿ۚ۲۳ - "স্থায়ী জান্নাতসমূহ, যাতে তারা এবং তাদের পিতৃপুরুষগণ, তাদের স্ত্রীগণ ও তাদের সন্তানদের মধ্যে যারা সৎ ছিল তারা প্রবেশ করবে। আর ফেরেশতারা প্রতিটি দরজা দিয়ে তাদের নিকট প্রবেশ করবে।" سَلٰمٌ عَلَیۡکُمۡ بِمَا صَبَرۡتُمۡ فَنِعۡمَ عُقۡبَی الدَّارِ - (আর বলবে) ‘‘তোমাদের প্রতি শান্তি বর্ষিত হোক, কারণ তোমরা ধৈর্যধারণ করেছিলে। আখিরাতের এ পরিণাম কতই না উত্তম"। (১৩:২৩-২৪)

কল্পনা করুন, আপনি জান্নাতে আছেন। জান্নাতের আসন সমূহে হেলান দিয়ে শুয়ে জান্নাতের সৌন্দর্য উপভোগ করছেন। আর ফেরেশতারা দলে দলে এসে আপনাকে অভিনন্দন জানাচ্ছেন। তখন তাঁরা কী বলে অভিনন্দন জানাচ্ছেন? "সালামুন আলাইকুম বিমা সবারতুম- তোমাদের প্রতি শান্তি বর্ষিত হোক, কারণ তোমরা ধৈর্যধারণ করেছিলে।"

তাহলে দেখা যাচ্ছে, ফেরেশতারা জান্নাতে আপনার অবস্থান এবং মর্যাদাকে এই দুনিয়ায় আপনি যে ধৈর্য দেখিয়েছেন তার সাথে যুক্ত করেছেন।
আর জান্নাতের যে কোনো জায়গা নয়, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা সর্বোচ্চ ধাপের জান্নাতের কথা ধৈর্য ধারণের সাথে যুক্ত করেছেন। আল্লাহ বলেন- اُولٰٓئِکَ یُجۡزَوۡنَ الۡغُرۡفَۃَ بِمَا صَبَرُوۡا - "এদেরকেই তাদের ধৈর্যধারণের কারণে জান্নাতের সুউচ্চ স্থান দান করে পুরস্কৃত করা হবে।" (২৫:৭৫)

তাহলে ধৈর্য আপনাকে জান্নাতের সুউচ্চ লেভেল পর্যন্ত পৌঁছিয়ে দিবে।
এমনকি আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা স্বয়ং আপনাকে অভিনন্দন জানাবেন আপনি যে ধৈর্য প্রদর্শন করেছেন তার জন্য। আক্ষরিক অর্থেই কুরআনে এসেছে- اِنِّیۡ جَزَیۡتُهُمُ الۡیَوۡمَ بِمَا صَبَرُوۡۤا ۙ اَنَّهُمۡ هُمُ الۡفَآئِزُوۡنَ - "আজ আমি তাদেরকে পুরস্কৃত করলাম তাদের ধৈর্য ধারণের কারণে, আজ তারাই তো সফলকাম।" (২৩:১১১)
এখানে আল্লাহ ফাস্ট পার্সনে কথা বলছেন। তিনি সাধারণত এভাবে কুরআনে কথা বলেন না। আল্লাহ সাধারণত থার্ড পার্সনে কথা বলেন। "আমরা করব বা তাদের প্রতি আশীর্বাদ করা হবে..." কিন্তু এই আয়াতে তিনি ফাস্ট পার্সনে কথা বলছেন। তিনি আমাদের সরাসরি সম্বোধন করে বলছেন- "ইন্নি জাজাইতুহুমুল ইয়াওমা বিমা সবারু- নিশ্চয় আমি তাদের ধৈর্যের কারণে আজ তাদেরকে পুরস্কৃত করলাম।"

তাহলে আল্লাহ নিজে ধৈর্যশীলদের পুরস্কৃত করবেন। তারপর আল্লাহ বলেন, আন্নাহুম হুমুল ফা-ইজুন- এরাই হলো তারা যারা জিতে গেছে।
কুরআনে জান্নাত জিতার একটা রূপক ব্যবহার করা হয়েছে। প্রতিযোগিতায় জয় লাভ করার একটা রূপক ব্যবহার করা হয়েছে। কারা সত্যিকারের জয় লাভ করেছে? আল্লাহ বলেন- আন্নাহুম হুমুল ফা-ইজুন- এরাই হলো তারা যারা জিতে গেছে।"
------------ * -------------

খুবই আশ্চর্য। অথচ এই জিনিস হজম হয় না অনেক নামায পড়ুয়া লোকদেরও
10/30/2022

খুবই আশ্চর্য। অথচ এই জিনিস হজম হয় না
অনেক নামায পড়ুয়া লোকদেরও

04/10/2020

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে ঐক্য করার দরকার নেই।পারলে আগে নিজেরা ঐক্য করুন।কাজে দিবে।
কারণ জামায়াতের আকিদা খারাপ।
মওদূদীবাদ বলে গলা শুকিয়ে ফেলতেছেন।
এখন এক গ্লাস শরবত পান করে গলাটা ভিজিয়ে নিন, আসুন একটা প্রমাণিত ইতিহাস শুনি-

কিছু ইতিহাস মুসলমানদের_জানা_দরকার।
চলুন দেখি কওমিদের মাঝে কেমন ঐক্য আছে।

১. শায়খুল হাদীস আল্লামা আজিজুল হক্ক আর চরমোনাই মিলেইতো ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন তৈরী করেছিলেন,কোন আক্বীদার সমস্যায় তারা বিভক্ত হয়েছিলেন (?)

২. শায়খুল হাদীস তো জমিয়তেরও একজন নেতা ছিলেন, এরপরও কোন আক্বীদার ভুলের কারণে জমিয়তীরা তাকে শিয়া বলতো (?)

৩. হাফেজ্জী হুজুর আর শায়খুল হাদীস তো খেলাফত আন্দোলনে ছিলেন, কোন আক্বীদার ভেজালে এই সংগঠন তিন ভাগে বিভক্ত হয়েছিলো (?)

৪. শায়খুল হাদীসের ছাত্র ছিলেন মুফতী আমিনী সাহেব।
শায়খের কোন আক্বীদার ভেজালের কারণে, শায়খকে বাদ দিয়ে, মুফতী আমিনী সাহেব নিজেকে ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান
ঘোষণা করেছিলেন (?)

৫. শায়খুল হাদীসের কোন ভুল আক্বীদার কারণে মুফতী মনসুন সাহেব, আপন উস্তাদকে লাঞ্ছিত করে জামেয়া রহমানিয়া থেকে বের করে দিয়েছিলেন (?)

৬. কোন আক্বীদার ভেজালে শায়খুল হাদীস কে বাদ দিয়ে, মাওলানা ইসহাক সাহেব'কে আমীর বানিয়ে পৃথক, খেলাফত মজলিস তৈরী হলো (?)

৭. কোন আক্বীদার সমস্যায় জমিয়ত, নেজামে ইসলাম,পার্টি এখন দুইভাগে বিভক্ত (?)

৮. কোন সহীহ আক্বীদার অভাবে ওলীপুরী সাহেব আপন উস্তাদ তাফাজ্জুল হক হবিগঞ্জীকে বাদ দিয়ে শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান হয়ে গেলেন (?)

৯. কোন সহীহ আক্বীদার অভাবে কাওমী মাদ্রাসাগুলো, অসংখ্য শিক্ষাবোর্ডে বিভক্ত (?)বলুন?

১০.ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কয়টা (?)
অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় কয়টা (?)
কিন্তু দারুল উলুম দেওবন্দ একই নামে অনেকগুলি কেন (?)
একই নামে দুই প্রতিষ্ঠান, তাও আবার দুই সংগঠন___________________
ছাত্র হয়েও আপন উস্তাদ'কে মাদ্রাসা থেকে বের করে দেয়া (?)
আপন উস্তাদ'কে দল থেকেও বের করে দিয়ে নিজেকে আমীর ঘোষণা দেয়ার মতো বেয়াদবী আর কোথায় পাবেন (?)
পক্ষান্তরে,যাদেরকে আপনারা আক্বিদা খারাপ, মওদূদী বাদ বলেন এবং ক্ষমতালোভী বলেন।
তাদের সংগঠনের তত্ত্বাবধানে দেশের সেরা ব্যাংক,স্কুল,কলেজ,ইউনিভার্সিটি,হাসপাতালসহ, শত শত প্রতিষ্ঠান থাকার পরেও নেতৃত্ব নিয়ে আজ পর্যন্ত তাদের কখনো কোন বিরোধ পরিলক্ষিত হয়নি।ইনশাআল্লাহ হবেওনা।
যারা একটি মাদ্রাসা অথবা ছোট্ট রাজনৈতিক দলের নিয়ন্ত্রণের লোভ সামলাতে পারেন না,
সেই আপনারাই যখন,
জামায়াতে ইসলামীর সমালোচনা করেন।
তখন কি আর বলার থাকে!!
এখনও সময় আছে। বিবেদ ভুলে এক হোন।

পোস্টটি সংগৃহীত।

01/09/2016

১০ টি প্রধান কারনে
জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের
রাজনীতিতে বেমানানঃ-
১) জামায়াত একমাত্র বড় দল যার
নেতার ছেলে, মেয়ে, স্ত্রী পরবর্তীতে
গদিনসীন হয়নি, যা গণতন্ত্রের চেতনার
সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ।
২) জামায়াত নেতারা মন্ত্রিত্ব
পেয়েও ঘুষ দুর্নীতি করতে পারেনি।
দেশের সর্বোচ্চ পর্যায়ে থেকেও
বাক্তিগত সম্পদ বৃদ্ধি করতে
না পারায় তা সাধারন জনগণকে
হতাশ করেছে।
৩) জামায়াতের প্রত্যেকটি
অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান সততা ও
দক্ষতার কারনে লাভজনক
হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। দলীয়
কোন প্রতিষ্ঠানের এহেন মুনাফা
দলীয় দুর্নীতির চেতনার সাথে
খাপ খায়না।
৪) বিগত দুই বছরে প্রথম সারির
সব নেতারা জেলে থাকার পরেও
আন্দোলনে স্বতঃস্ফূর্ত
অংশগ্রহণ চিন্তার বিষয়।
৫) সরকারী দালাল টিভি
চ্যানেল গুলোতে জামায়াত
শিবিরের তাণ্ডবের কথা প্রচার
করা সত্ত্বেও এখন পর্যন্ত লাঠি
আর ঢিল ছাড়া কোন অস্ত্র দেখতে না
পাওয়া তাণ্ডবের অর্থকে মলিন করেছে।
৬) জামায়াতের ছাত্র সংগঠন
শিবির চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি,
ইভটিজিং ইত্যাদির সাথে জড়িত
নেই এবং সবাইকে নামাজ এবং
কুরআন পড়ার তাগিদ দেয়।
ব্রেন ওয়াশ না হলে এরকম
আচরন এই বয়সে সম্ভব নয়
বলে জাফর স্যার মনে করেন।
৭) জামায়াত একমাত্র দল যার
কর্মীরা তাঁদের মাসিক ইনকামের
১-৫ শতাংশ সংগঠনকে দান করেন। রাজনীতি করার মূল
উদ্দেশ্য হল
পকেট ভরা। টাকা খরচ করে
রাজনীতি করার এই কালচার
রাজনৈতিক চিরাচরিত উদ্দেশ্যকে
ভীষণ ভাবে কলঙ্কিত করেছে।
৮) অন্য দল থেকে কেউ
জামায়াতে যোগ দিতে হলে
ফুলের মালা দিয়ে ইলেকশনের
নমিনেশন পায়না বরং সাংগঠনিক
প্রক্রিয়ায় স্বাভাবিক ভাবে কর্মী থেকে
নেতা পর্যায়ে উন্নীত হতে হয়।
৯) আজ পর্যন্ত শুনি নাই
জামায়াত শিবিরের
দুই দলের মাঝে মারামারি
হয়েছে। নমিনেশন নিয়ে
মারামারি তো হয়না বরঞ্চ
কেউ নেতা নির্বাচিত হলে কান্নায়
ভেঙ্গে পড়েন।
১০) জামায়াত এবং শিবির
আদর্শিক রাজনীতির কথা বলে।
বাংলাদেশের মানুষ মনে করেন
ইসলাম শুধু মসজিদে থাকবে
রাজপথে চলবে মানুষের হুকুম।
বাংলাদেশের জন্য রাজনীতি
এবং আদর্শ বিপরীতার্থক
শব্দ। তাইতো জামায়াতের
আদর্শিক রাজনীতি বাংলাদেশে
বড্ড বেমানান।

Collected

01/13/2015

****"এটাই কি জাতির পিতার স্বপ্নের মহাকাব্বিক ইনিংস ?!"****

কত সুন্দর ! আহা ! পরানটা আনন্দে ভইরা গেল ! জাতির পিতার শেষ সপ্নটাও পূরণ হয়ে গেল ! তিনি ভালবাসতেন শিশুদের , আর ভালবাসতেন অবাধ যৌনতা ! সারাদিন রাত তিনি 'সোনার' বাংলা গড়ার সপ্নও দেখতেন, তাই চরম মানুষিক চাপের ফলে তার স্বপ্নদোষও হত ! তেমনই এক স্বপ্নদোষের কাহিনী আপনাদের শোনাবো !
আজ বিংশ শতাব্দির শ্রেষ্ঠ ও সফল ও প্রভাবশালী নারী, শেখ হাসিনা, তার পিতার স্বপ্ন এবং স্বপ্নদোষ উভয়ই প্রতিফলিত করেছেন l তিনি সোনার বাংলা গড়েছেন, ডিজিটালাইজ করেছেন l দেশকে অনেক উপরে নিয়ে গেছেন l
আজ পুরো বাংলা যখন অজ্ঞতার চাদরে ঢাকা, গ্রামের মানুষ যখন কুসংস্কারে নিমজ্জিত, ঠিক তখনি বাংলার ঘরে ঘরে প্রত্যেক ছাত্র ছাত্রীদের হাতে বিনামূল্যে তুলে দেন প্রাথমিক, মাধ্যমিক , উচ্চমাধ্যমিক বই সমূহ l
শুধুই তাই নয় , তিনি কোমলমতি শিশুদের সুন্দর ভবিষ্যতের কথা ভেবেই তাদের হাতে তুলে দেন অভূতপূর্ব যৌন শিক্ষার বই l এখানে শিশুরা অনেক কিছু জানবে . তারা জানবে , সেক্স কী ? দৈহিক মিলন কী ? প্রেম কী ? কনডম কী? মাসিক কী ? বিয়ের আগেই কিভাবে বাচ্চা হয়, এটা কিভাবে বড় হয় ,? যৌনাঙ্গ কি ? জন্মনিরোধক পিল খেলে কিভাবে যৌনমিলনে ভয় থাকে না ! ইত্যাদি ইত্যাদি ! আর তারা এইগুলো ক্লাসেই শিখবে , ছেলে মেয়ে একসাথে l তারা ছোট্ট বাচ্ছা, কিছু বুঝে না , তাই ওই নিবেদিত প্রাণ শিক্ষকগণ তাদেরকে হেসে খেলে কোলে নিয়ে আদর করে প্রেকটিকেলী বুঝিয়ে দিবে l আর মাঝে মাঝে এসাইনমেন্টও দেওয়া হবে l
সহপাঠি ও সহপাঠিনিরা একসঙ্গে মজা করে এসাইনমেন্ট করবে , তখন তাদের শরীরে অন্যরকম অনুভুতি আসবে , তারা যতই পড়বে , ততই মজা পাবে , চরম এক পাগল করা মনমাতানো সুখানুভুতি l

পরদিন ক্লাসে শিক্ষক মশাই এসাইনমেন্ট জমা নিবেন, শুধু তাই নয়, অপেক্ষাকৃত দুর্বল ছাত্র ছাত্রীদের নিজের হাতে শিখিয়ে দিবেন, প্রয়োজনে এক্সট্রা ক্লাসের বেবস্থা থাকবে l হয়ত ছাত্র ছাত্রী আলাদা ক্লাসের বেবস্থা থাকবে l
যেহেতু ডিজিটাল যুগ, তাই মাঝে মাঝে প্রজেক্টরের মাধ্যমে ছাত্র ছাত্রীদের নামকরা যৌনঅভিনেতাদের ভিডিও দেখান হবে l
আর পান্না এবং পরিমলের মত শিক্ষকরা তখন স্বাধীনভাবে দেশের ভবিষ্যত নির্মানে অক্লান্ত পরিশ্রমে দেশ গড়বে, অবসরে না গিয়ে !

শারীরিক শিক্ষা তো আমরাও পড়ছি। কই তখন তো সেক্সুয়াল বিষয় পড়ি নাই। আমাদের টপিক্সগুলা ছিল , বিভিন্ন খেলাধূলা, ব্যায়াম, স্কাউট, গার্লস গাইড
ইত্যাদি। আর এখন থেকেই ওরা সেক্স কি, মাসিক কি, ছেলেদের স্বপ্নদোষ কি? ইত্যাদি জানছে।

এই কারনেই তো ছাত্রীর সাথে শিক্ষক মশায়ের একটা ক্লোজ সম্পর্ক হবে, বাকিটা বললাম না । এখানে মূল উদ্দেশ্য শিশুদের এখন থেকেই সেক্সুয়াল বিষয়ে ইণ্টারেস্টেড করে বড় করা যেন বড় হয়ে ফ্রি তে "ইয়ে" করতে পারে । আসলে সরকারের মূল উদ্দেশ্য জাতিকে নির্লজ্জ বা চশমখোর বানানো, এতে বাকি কাজটা সহজ হয়ে যাবে। নির্লজ্জ জাতি মাত্রই ওপেন সেক্স, সমকামী এবং লিভ টুগেদারে অভ্যস্ত। এখানে অবশ্যই তাসলিমা এবং আসিফ মহিউদ্দিনের পরিকল্পনা আছে। কারন, আসিফ মহিউদ্দিন দেশের শিশুশিক্ষা নিয়া কাজ করে।

নির্লজ্জ এই সরকারের বিলি করা বইয়ে কি আছে একটু দেখি,
যদি কারো মনে হয় যে তার প্রেমিক এ ধরনের সম্পর্ক গড়ে তুলতে আগ্রহী, তবে মেয়েটাকে এ প্রস্তাবে সায় না দিয়ে বড় কারো সাথে বিষয়টি আলোচনা করা ভালো। যদি তা না করা যায় আর দৈহিক সম্পর্ক হওয়ার সম্ভাবনা থাকে তবে গর্ভধারণ থেকে নিরাপদ থাকার জন্য কোনো অস্থায়ী পদ্ধতি ব্যবহার করা জরুরি। এরপরও যদি কোনো সমস্যা হয় তবে উপদেশের জন্য তুমি কাছের কোনো ক্লিনিকে যেতে পারো।
(বইটির শেষে বিভিন্ন এনজিও পরিচালিত বেশ কয়েকটি ক্লিনিক সেবা সংস্থার তালিকা দেয়া রয়েছে এ সংক্রান্ত সেবা গ্রহণের জন্য)।

বইটির এ অধ্যায়ে আরো লেখা হয়েছে, ইচ্ছার বিরুদ্ধে বা অন্য কোনো কারণে দৈহিক মিলনের ফলে একটি মেয়ের পেটে বাচ্চা আসতে পারে। তাই বিয়ের আগে দৈহিক মিলন থেকে বিরত থাকা উচিত। যদি পেটে বাচ্চা এসে যায়, তবে দেরি না করে উপদেশের জন্য মা-বাবা অথবা কাছের কোনো স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যোগাযোগ করতে হবে। মা-বাবাকে যদি ব্যাপারটা বোঝানো না যায় আর মেয়েটিকে তারা গ্রহণ না করে, তাহলে কোনো অভিজ্ঞ ডাক্তার বা আত্মীয়ের পরামর্শ নেয়া ভালো।

নিজেকে জানো বইটির আরেকটি অধ্যায়ের নাম ‘দৈহিক সম্পর্ক’। এ অধ্যায়ের শুরুতে লেখা হয়েছে নারী ও পুরুষের মধ্যে যৌন সম্পর্ক স্থাপন খুবই স্বাভাবিক। তবে এতে সামাজিক ও ধর্মীয় নিয়ম মেনে চলা অত্যাবশ্যক। অবৈধ যৌনমিলন তা যেকোনো বয়সেই হোক না কেন সেটা অনৈতিক ও সমাজে গ্রহণযোগ্য নয়। একমাত্র বিবাহিত স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে যৌন সম্পর্কই বৈধ ও সবার কাছে গ্রহণযোগ্য।

এ অধ্যায়ে একটি শিরোনাম হলো ‘সতী পর্দা কি জানতে চাই?’ এ বিষয়ে যে বিবরণ বইটিতে দেয়া হয়েছে তা প্রকাশযোগ্য নয়।

এ অধ্যায়ে আরেকটি শিরোনাম হলো ‘প্রথম মিলনে কি সব মহিলার রক্ত পড়বে? এই অংশের বর্ণনাও রীতিমতো রগরগে।

দৈহিক সম্পর্ক অধ্যায়ে আরেকটি শিরোনাম হলো ‘মায়ের পেট থেকে কিভাবে বাচ্চা বের হয়ে আসে ?’ এখানে সন্তান প্রসবের যে বিবরণ দেয়া হয়েছে তাও প্রকাশযোগ্য নয়। ‘বাচ্চা কিভাবে হয়?’ শিরোনামে লেখা হয়েছে কিভাবে মায়ের গর্ভে সন্তান আসে তার বর্ণনা।

‘বিয়ের আগে কেউ কেউ কনডম বা খাবার বড়ি ব্যবহার করে। সেটা কি ঠিক?’ শীর্ষক শিরোনামে লেখা হয়েছে এ দু’টি জন্ম নিরোধক ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা। বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের ক্ষেত্রে তার প্রয়োজনীয়তা ও গুরুত্ব বর্ণনা করা হয়েছে।

দৈহিক মিলন অধ্যায়ের আরেকটি শিরোনাম হলো ‘অনেকের সাথে দৈহিক সম্পর্ক গড়ে উঠলে তা ক্ষতিকর। এরকম হলে কিভাবে নিরাপদ থাকা যায়?’ এখানেও লেখা হয়েছে অনেকের সাথে দৈহিক সম্পর্ক থাকলে কনডম ব্যবহার খুবই জরুরি।

বইটিতে যৌনমিলন অধ্যায় আলোচনার আগে কিভাবে বয়স বাড়ার সাথে সাথে ছেলেমেয়েরা পরস্পরের প্রতি আকর্ষণ বোধ করে, সে আকর্ষণ এবং ভালোলাগা প্রকাশের উপায় কী সে বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। এ ছাড়া যৌন অনুভূতি প্রকাশের বিভিন্ন উপায় নিয়েও আলোচনা করা হয়েছে।

বইটির পেছনে লেখা রয়েছে মহিলা ও শিশুবিষযক মন্ত্রণালয়। এমপাওয়ারমেন্ট অ্যান্ড প্রোটেকশন অব চিলড্রেন অ্যান্ড উইমেন প্রকল্পের জন্য। ইউনিসেফের সহায়তায় মুদ্রিত। বইটি প্রণয়ন করেছে বাংলাদেশ সেন্টার ফর কমিউনিকেশন প্রোগ্রামস (বিসিসিপি)। বইটি প্রণয়নে সহায়তা নেয়া হয়েছে এমন ১১টি সংস্থার নাম বইয়ের শুরুতে উল্লেখ করা হয়েছে।

এটা যে আমাদের দেশ থেকে ইসলামকে ধংস করতেই করা হচ্ছে , তা তো খুব পরিস্কার l নুরুল ইসলাম নাহিদকে কে না চিনে ? ক্ষমতায় আসার পর তিনি চরমভাবে শিক্ষা ও ধর্মকে অপমানিত করেছেন l কমিউনিস্ট থেকে আওয়ামীলীগ । বিশ্বাসঘাতকের নমুনা । কিন্তু মূল ধর্মহীন মস্তিষ্ক এখনো বিদ্যমান ।
তিনি ইসলাম শিক্ষা বইয়ে অনেক হিন্দুয়ানি প্রথা এড করেছেন l
আর ইদানিং প্রকাশ্যে মিথ্যা বলার অভ্যেস হয়ে গেছে । দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার চরম অবনতির জন্য দায়ী । প্রশ্ন ফাঁস আর পাসের হার বাড়িয়ে নিজের ক্রেডিট দেখানোর বিকৃত উন্মাদনা । প্রশ্ন ফাস হওয়াকে কখনো অস্বীকার করেছেন , কখনো বা বলেছেন "সাজেশন কমন পড়ে , প্রশ্ন ফাস হয়না , কখনো বলেছেন , "আমরাই প্রশ্ন ফাসকারীদের ধরেছি"। তিনি পাবলিক পরীক্ষার মাঝে কোনো বন্ধ রাখতে নারাজ l
এবার তিনি স্কুলের কোমলমতি ছেলে মেয়েদের জন্যে চটি বই পাঠ্য করেছেন !

আমরা জানি বর্তমান সরকার আগে থেকেই ধর্মবিদ্বেষী ! আর এই সরকার মুসলমান নারীদের পর্দা করতে দেয় না , নির্লজ্জ বানিয়ে রাখতে চায় l আর দেশের নামকরা নাস্তিকরা ইহাতে ইন্ধন যোগায় ! আবার তারাই মিডিয়ার সামনে ভান করে l তারাই ধর্ষণের জন্যে ধর্মকে দোষ দেয় , আমরা জানি নাস্তিকরা ওপেন সেক্স সোসাইটি গঠন করতে চায় l এবং সেই লক্ষেই কোমলমতি শিশুদের হাতে পাঠ্য বইয়ের নামে চটি বই তুলে দেয়া তাদের সদূরপ্রসারী উদ্দেশ্যের একটিমাত্র সুক্ষ্ম পদক্ষেপ l এবং তাদের আরো অনেক হতে অনেক পদক্ষেপ আমাদের এখনো অজানা !
ভারতীয় চক্রান্ত আর কাকে বলে। নিজেরা তো ধর্ষনে চেম্পিয়ান হয়েছে মা, বোন, খালা, মামি কাওকে বাদ দেয়না, ওদের ধর্মে সবই জায়েজ, এখন বাংলাদেশের মেয়ে গুলাকে কি ভাবে নষ্ট করা যায় সেই চেষ্টায় আছে।
এসব অপসংস্কৃতিকে রুখতে হবে, কারন খোলা মেলা সেক্স করলেই জাতি আধুনিক হয় না, আধুনিক হয় সৃজনশীল চিন্তার মাধ্যমে।

রক্ত দিয়ে এনেছি বাংলা,
কারো বাপের নেতৃত্বে নয়,!
আসলে তিনি হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ ভন্ড ছিলেন,
বঙ্গভন্ড ! ইতিহাস সাক্ষী, তিনি তো নিজেই চাননি দেশের স্বাধীনতা । চেয়েছিলেন পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হতে । ২৬ মার্চ নেতৃত্ব না দিয়ে আত্মসমর্পন করলেন । ১৯৭২ইং তে ক্ষমতা দখল করে মিশরের ফেরাঊনের উত্তরসূরী হলেন । ১৯৭২-১৯৭৫ইং এর ইতিহাস সবাই জানে । জর্জ ওয়াশিংটন আর মাহাতির মোহাম্মদের মতো ভূমিকা নিতে পারতেন । দেশের কলিজা কুরেকুরে খেয়ে হয়ে গেলেন তথাকথিত শয়তানের জাতির পিতা । আর রেখে গেলেন ডিজিটাল ফেরাঊনকে । আজ ডিজিটালের জ্বালায় এতোটা অস্থির যে কোনরূপ মলমে কাজ হচ্ছেনা । ৭২-৭৫ এর চেতনায় জাতি জ্বলেপুড়ে ছারখার ।

এখন শুধু প্রয়োজন সুযোগ্য নেতৃত্বের মাধ্যমে দেশকে পরিচ্ছন্ন করে গড়ে তোলা ।

আমার কথায় করো যদি মনে কষ্ট লাগে ক্ষমা করে দিবেন ।

12/25/2014

মরতেই হবে যখন, শহীদি মরন দিও আমাকে ।

12/25/2014

সেই সংগ্রামী মানুষের সারিতে আমাকেও রাখিও রহমান,
যারা কুরআনের আহ্বানে নির্ভীক, নির্ভয়ে সব করে দান ।

07/27/2014

হযরত ইবনে উমার (রাঃ) বলেছেন, হুজুর (সাঃ) আমাদেরকে আদেশ করেছেন, আমরা যেন ঈদের নামাযের পূর্বে ফিৎরা আদায় করি ।

কোরআনে বর্ণিত ৮টি খাতেই যাকাত ও ফিৎরা বন্টন করা হবে । সকল খাতেই বন্টন করতে হবে এমন কোন কথা নেই । তবে যেকোন ৩টি খাতে দেয়া উত্তম । কোরআনে বর্ণিত ৮টি খাত হলো-

১. ফকির,
২. মিসকীন,
৩. যাকাত বিভাগের কর্মচারী,
৪. তালিবে কুলুব,
৫. ক্রিতদাস মুক্তি,
৬. ‌ঋণ-মুক্তি,
৭. আল্লাহর পথে ব্যয়,
৮. মুসাফির ।

07/02/2014

আমি এমন এক সময় লেখাটি লিখছি যে সময় আমার পাশে আমি ব্যতিত আর কাউকে পাচ্ছি না । একাকিত্বের দুঃসহ যন্ত্রনা যে কত কঠিন আর নিষ্ঠুর তা শুধুমাত্র ভোক্তভোগী ব্যতিত আর কারো পক্ষে উপলব্দি করা সম্ভব কিনা আদৌ আমার সন্দেহ আছে । বাস্তবতার জগদ্দল পাথর আমার পাজরকে এমনভাবে চেপে আছে তাকে সরানোর সমস্ত চেষ্টা বিফল বলে প্রমাণিত হয়েছে । নিজেকে এখন ধৈর্যশীলদের তালিকায় মনে করে কৃত্রিম সান্তনা দিচ্ছি । পারতপক্ষে কাউকে কষ্ট দিতে চাই না । কিন্তু মানুষ মানবিক দূর্বলতার উর্দ্ধে নয় । আমিও তার ব্যতিক্রম নয় । এজন্য আমি আন্তরিকভাবে ক্ষমাপ্রার্থী । তবুও আমি স্বপ্ন দেখি একটি নীড়ের । একাকিত্বের বেড়াজাল ছিন্ন করে ভালোবাসা দিতে চাই, ভালোবাসা পেতে চাই ।

Address

LaSalle, ON

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Kawsar Ahmed posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share