01/13/2015
****"এটাই কি জাতির পিতার স্বপ্নের মহাকাব্বিক ইনিংস ?!"****
কত সুন্দর ! আহা ! পরানটা আনন্দে ভইরা গেল ! জাতির পিতার শেষ সপ্নটাও পূরণ হয়ে গেল ! তিনি ভালবাসতেন শিশুদের , আর ভালবাসতেন অবাধ যৌনতা ! সারাদিন রাত তিনি 'সোনার' বাংলা গড়ার সপ্নও দেখতেন, তাই চরম মানুষিক চাপের ফলে তার স্বপ্নদোষও হত ! তেমনই এক স্বপ্নদোষের কাহিনী আপনাদের শোনাবো !
আজ বিংশ শতাব্দির শ্রেষ্ঠ ও সফল ও প্রভাবশালী নারী, শেখ হাসিনা, তার পিতার স্বপ্ন এবং স্বপ্নদোষ উভয়ই প্রতিফলিত করেছেন l তিনি সোনার বাংলা গড়েছেন, ডিজিটালাইজ করেছেন l দেশকে অনেক উপরে নিয়ে গেছেন l
আজ পুরো বাংলা যখন অজ্ঞতার চাদরে ঢাকা, গ্রামের মানুষ যখন কুসংস্কারে নিমজ্জিত, ঠিক তখনি বাংলার ঘরে ঘরে প্রত্যেক ছাত্র ছাত্রীদের হাতে বিনামূল্যে তুলে দেন প্রাথমিক, মাধ্যমিক , উচ্চমাধ্যমিক বই সমূহ l
শুধুই তাই নয় , তিনি কোমলমতি শিশুদের সুন্দর ভবিষ্যতের কথা ভেবেই তাদের হাতে তুলে দেন অভূতপূর্ব যৌন শিক্ষার বই l এখানে শিশুরা অনেক কিছু জানবে . তারা জানবে , সেক্স কী ? দৈহিক মিলন কী ? প্রেম কী ? কনডম কী? মাসিক কী ? বিয়ের আগেই কিভাবে বাচ্চা হয়, এটা কিভাবে বড় হয় ,? যৌনাঙ্গ কি ? জন্মনিরোধক পিল খেলে কিভাবে যৌনমিলনে ভয় থাকে না ! ইত্যাদি ইত্যাদি ! আর তারা এইগুলো ক্লাসেই শিখবে , ছেলে মেয়ে একসাথে l তারা ছোট্ট বাচ্ছা, কিছু বুঝে না , তাই ওই নিবেদিত প্রাণ শিক্ষকগণ তাদেরকে হেসে খেলে কোলে নিয়ে আদর করে প্রেকটিকেলী বুঝিয়ে দিবে l আর মাঝে মাঝে এসাইনমেন্টও দেওয়া হবে l
সহপাঠি ও সহপাঠিনিরা একসঙ্গে মজা করে এসাইনমেন্ট করবে , তখন তাদের শরীরে অন্যরকম অনুভুতি আসবে , তারা যতই পড়বে , ততই মজা পাবে , চরম এক পাগল করা মনমাতানো সুখানুভুতি l
পরদিন ক্লাসে শিক্ষক মশাই এসাইনমেন্ট জমা নিবেন, শুধু তাই নয়, অপেক্ষাকৃত দুর্বল ছাত্র ছাত্রীদের নিজের হাতে শিখিয়ে দিবেন, প্রয়োজনে এক্সট্রা ক্লাসের বেবস্থা থাকবে l হয়ত ছাত্র ছাত্রী আলাদা ক্লাসের বেবস্থা থাকবে l
যেহেতু ডিজিটাল যুগ, তাই মাঝে মাঝে প্রজেক্টরের মাধ্যমে ছাত্র ছাত্রীদের নামকরা যৌনঅভিনেতাদের ভিডিও দেখান হবে l
আর পান্না এবং পরিমলের মত শিক্ষকরা তখন স্বাধীনভাবে দেশের ভবিষ্যত নির্মানে অক্লান্ত পরিশ্রমে দেশ গড়বে, অবসরে না গিয়ে !
শারীরিক শিক্ষা তো আমরাও পড়ছি। কই তখন তো সেক্সুয়াল বিষয় পড়ি নাই। আমাদের টপিক্সগুলা ছিল , বিভিন্ন খেলাধূলা, ব্যায়াম, স্কাউট, গার্লস গাইড
ইত্যাদি। আর এখন থেকেই ওরা সেক্স কি, মাসিক কি, ছেলেদের স্বপ্নদোষ কি? ইত্যাদি জানছে।
এই কারনেই তো ছাত্রীর সাথে শিক্ষক মশায়ের একটা ক্লোজ সম্পর্ক হবে, বাকিটা বললাম না । এখানে মূল উদ্দেশ্য শিশুদের এখন থেকেই সেক্সুয়াল বিষয়ে ইণ্টারেস্টেড করে বড় করা যেন বড় হয়ে ফ্রি তে "ইয়ে" করতে পারে । আসলে সরকারের মূল উদ্দেশ্য জাতিকে নির্লজ্জ বা চশমখোর বানানো, এতে বাকি কাজটা সহজ হয়ে যাবে। নির্লজ্জ জাতি মাত্রই ওপেন সেক্স, সমকামী এবং লিভ টুগেদারে অভ্যস্ত। এখানে অবশ্যই তাসলিমা এবং আসিফ মহিউদ্দিনের পরিকল্পনা আছে। কারন, আসিফ মহিউদ্দিন দেশের শিশুশিক্ষা নিয়া কাজ করে।
নির্লজ্জ এই সরকারের বিলি করা বইয়ে কি আছে একটু দেখি,
যদি কারো মনে হয় যে তার প্রেমিক এ ধরনের সম্পর্ক গড়ে তুলতে আগ্রহী, তবে মেয়েটাকে এ প্রস্তাবে সায় না দিয়ে বড় কারো সাথে বিষয়টি আলোচনা করা ভালো। যদি তা না করা যায় আর দৈহিক সম্পর্ক হওয়ার সম্ভাবনা থাকে তবে গর্ভধারণ থেকে নিরাপদ থাকার জন্য কোনো অস্থায়ী পদ্ধতি ব্যবহার করা জরুরি। এরপরও যদি কোনো সমস্যা হয় তবে উপদেশের জন্য তুমি কাছের কোনো ক্লিনিকে যেতে পারো।
(বইটির শেষে বিভিন্ন এনজিও পরিচালিত বেশ কয়েকটি ক্লিনিক সেবা সংস্থার তালিকা দেয়া রয়েছে এ সংক্রান্ত সেবা গ্রহণের জন্য)।
বইটির এ অধ্যায়ে আরো লেখা হয়েছে, ইচ্ছার বিরুদ্ধে বা অন্য কোনো কারণে দৈহিক মিলনের ফলে একটি মেয়ের পেটে বাচ্চা আসতে পারে। তাই বিয়ের আগে দৈহিক মিলন থেকে বিরত থাকা উচিত। যদি পেটে বাচ্চা এসে যায়, তবে দেরি না করে উপদেশের জন্য মা-বাবা অথবা কাছের কোনো স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যোগাযোগ করতে হবে। মা-বাবাকে যদি ব্যাপারটা বোঝানো না যায় আর মেয়েটিকে তারা গ্রহণ না করে, তাহলে কোনো অভিজ্ঞ ডাক্তার বা আত্মীয়ের পরামর্শ নেয়া ভালো।
নিজেকে জানো বইটির আরেকটি অধ্যায়ের নাম ‘দৈহিক সম্পর্ক’। এ অধ্যায়ের শুরুতে লেখা হয়েছে নারী ও পুরুষের মধ্যে যৌন সম্পর্ক স্থাপন খুবই স্বাভাবিক। তবে এতে সামাজিক ও ধর্মীয় নিয়ম মেনে চলা অত্যাবশ্যক। অবৈধ যৌনমিলন তা যেকোনো বয়সেই হোক না কেন সেটা অনৈতিক ও সমাজে গ্রহণযোগ্য নয়। একমাত্র বিবাহিত স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে যৌন সম্পর্কই বৈধ ও সবার কাছে গ্রহণযোগ্য।
এ অধ্যায়ে একটি শিরোনাম হলো ‘সতী পর্দা কি জানতে চাই?’ এ বিষয়ে যে বিবরণ বইটিতে দেয়া হয়েছে তা প্রকাশযোগ্য নয়।
এ অধ্যায়ে আরেকটি শিরোনাম হলো ‘প্রথম মিলনে কি সব মহিলার রক্ত পড়বে? এই অংশের বর্ণনাও রীতিমতো রগরগে।
দৈহিক সম্পর্ক অধ্যায়ে আরেকটি শিরোনাম হলো ‘মায়ের পেট থেকে কিভাবে বাচ্চা বের হয়ে আসে ?’ এখানে সন্তান প্রসবের যে বিবরণ দেয়া হয়েছে তাও প্রকাশযোগ্য নয়। ‘বাচ্চা কিভাবে হয়?’ শিরোনামে লেখা হয়েছে কিভাবে মায়ের গর্ভে সন্তান আসে তার বর্ণনা।
‘বিয়ের আগে কেউ কেউ কনডম বা খাবার বড়ি ব্যবহার করে। সেটা কি ঠিক?’ শীর্ষক শিরোনামে লেখা হয়েছে এ দু’টি জন্ম নিরোধক ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা। বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের ক্ষেত্রে তার প্রয়োজনীয়তা ও গুরুত্ব বর্ণনা করা হয়েছে।
দৈহিক মিলন অধ্যায়ের আরেকটি শিরোনাম হলো ‘অনেকের সাথে দৈহিক সম্পর্ক গড়ে উঠলে তা ক্ষতিকর। এরকম হলে কিভাবে নিরাপদ থাকা যায়?’ এখানেও লেখা হয়েছে অনেকের সাথে দৈহিক সম্পর্ক থাকলে কনডম ব্যবহার খুবই জরুরি।
বইটিতে যৌনমিলন অধ্যায় আলোচনার আগে কিভাবে বয়স বাড়ার সাথে সাথে ছেলেমেয়েরা পরস্পরের প্রতি আকর্ষণ বোধ করে, সে আকর্ষণ এবং ভালোলাগা প্রকাশের উপায় কী সে বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। এ ছাড়া যৌন অনুভূতি প্রকাশের বিভিন্ন উপায় নিয়েও আলোচনা করা হয়েছে।
বইটির পেছনে লেখা রয়েছে মহিলা ও শিশুবিষযক মন্ত্রণালয়। এমপাওয়ারমেন্ট অ্যান্ড প্রোটেকশন অব চিলড্রেন অ্যান্ড উইমেন প্রকল্পের জন্য। ইউনিসেফের সহায়তায় মুদ্রিত। বইটি প্রণয়ন করেছে বাংলাদেশ সেন্টার ফর কমিউনিকেশন প্রোগ্রামস (বিসিসিপি)। বইটি প্রণয়নে সহায়তা নেয়া হয়েছে এমন ১১টি সংস্থার নাম বইয়ের শুরুতে উল্লেখ করা হয়েছে।
এটা যে আমাদের দেশ থেকে ইসলামকে ধংস করতেই করা হচ্ছে , তা তো খুব পরিস্কার l নুরুল ইসলাম নাহিদকে কে না চিনে ? ক্ষমতায় আসার পর তিনি চরমভাবে শিক্ষা ও ধর্মকে অপমানিত করেছেন l কমিউনিস্ট থেকে আওয়ামীলীগ । বিশ্বাসঘাতকের নমুনা । কিন্তু মূল ধর্মহীন মস্তিষ্ক এখনো বিদ্যমান ।
তিনি ইসলাম শিক্ষা বইয়ে অনেক হিন্দুয়ানি প্রথা এড করেছেন l
আর ইদানিং প্রকাশ্যে মিথ্যা বলার অভ্যেস হয়ে গেছে । দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার চরম অবনতির জন্য দায়ী । প্রশ্ন ফাঁস আর পাসের হার বাড়িয়ে নিজের ক্রেডিট দেখানোর বিকৃত উন্মাদনা । প্রশ্ন ফাস হওয়াকে কখনো অস্বীকার করেছেন , কখনো বা বলেছেন "সাজেশন কমন পড়ে , প্রশ্ন ফাস হয়না , কখনো বলেছেন , "আমরাই প্রশ্ন ফাসকারীদের ধরেছি"। তিনি পাবলিক পরীক্ষার মাঝে কোনো বন্ধ রাখতে নারাজ l
এবার তিনি স্কুলের কোমলমতি ছেলে মেয়েদের জন্যে চটি বই পাঠ্য করেছেন !
আমরা জানি বর্তমান সরকার আগে থেকেই ধর্মবিদ্বেষী ! আর এই সরকার মুসলমান নারীদের পর্দা করতে দেয় না , নির্লজ্জ বানিয়ে রাখতে চায় l আর দেশের নামকরা নাস্তিকরা ইহাতে ইন্ধন যোগায় ! আবার তারাই মিডিয়ার সামনে ভান করে l তারাই ধর্ষণের জন্যে ধর্মকে দোষ দেয় , আমরা জানি নাস্তিকরা ওপেন সেক্স সোসাইটি গঠন করতে চায় l এবং সেই লক্ষেই কোমলমতি শিশুদের হাতে পাঠ্য বইয়ের নামে চটি বই তুলে দেয়া তাদের সদূরপ্রসারী উদ্দেশ্যের একটিমাত্র সুক্ষ্ম পদক্ষেপ l এবং তাদের আরো অনেক হতে অনেক পদক্ষেপ আমাদের এখনো অজানা !
ভারতীয় চক্রান্ত আর কাকে বলে। নিজেরা তো ধর্ষনে চেম্পিয়ান হয়েছে মা, বোন, খালা, মামি কাওকে বাদ দেয়না, ওদের ধর্মে সবই জায়েজ, এখন বাংলাদেশের মেয়ে গুলাকে কি ভাবে নষ্ট করা যায় সেই চেষ্টায় আছে।
এসব অপসংস্কৃতিকে রুখতে হবে, কারন খোলা মেলা সেক্স করলেই জাতি আধুনিক হয় না, আধুনিক হয় সৃজনশীল চিন্তার মাধ্যমে।
রক্ত দিয়ে এনেছি বাংলা,
কারো বাপের নেতৃত্বে নয়,!
আসলে তিনি হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ ভন্ড ছিলেন,
বঙ্গভন্ড ! ইতিহাস সাক্ষী, তিনি তো নিজেই চাননি দেশের স্বাধীনতা । চেয়েছিলেন পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হতে । ২৬ মার্চ নেতৃত্ব না দিয়ে আত্মসমর্পন করলেন । ১৯৭২ইং তে ক্ষমতা দখল করে মিশরের ফেরাঊনের উত্তরসূরী হলেন । ১৯৭২-১৯৭৫ইং এর ইতিহাস সবাই জানে । জর্জ ওয়াশিংটন আর মাহাতির মোহাম্মদের মতো ভূমিকা নিতে পারতেন । দেশের কলিজা কুরেকুরে খেয়ে হয়ে গেলেন তথাকথিত শয়তানের জাতির পিতা । আর রেখে গেলেন ডিজিটাল ফেরাঊনকে । আজ ডিজিটালের জ্বালায় এতোটা অস্থির যে কোনরূপ মলমে কাজ হচ্ছেনা । ৭২-৭৫ এর চেতনায় জাতি জ্বলেপুড়ে ছারখার ।
এখন শুধু প্রয়োজন সুযোগ্য নেতৃত্বের মাধ্যমে দেশকে পরিচ্ছন্ন করে গড়ে তোলা ।
আমার কথায় করো যদি মনে কষ্ট লাগে ক্ষমা করে দিবেন ।