HiFly

HiFly সততার দীপ্তি আর দেশপ্রেমের উচ্ছ্বাস নিয়ে আমরা রচনা করবো আগামীর বাংলাদেশ। কোনো বাধাই আমাদের পথ রুদ্ধ করতে পারবে না, কারণ আমাদের অঙ্গীকার অটুট—ইনশাআল্লাহ।

18/05/2026

Keep your personality like the ocean!
Like a lion bowing its head to drink water❤️

🇨🇦 অবশেষে সত্যিকারের স্টুডেন্টদের জন্য ভালো খবর!বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, এখন ভিসা আবেদনের জন্য ব্যবহৃত ...
14/05/2026

🇨🇦 অবশেষে সত্যিকারের স্টুডেন্টদের জন্য ভালো খবর!

বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী,
এখন ভিসা আবেদনের জন্য ব্যবহৃত ব্যাংক স্টেটমেন্ট, সলভেন্সি সার্টিফিকেট ও ইনভেস্টমেন্ট সার্টিফিকেটে বাধ্যতামূলকভাবে QR কোড সংযুক্ত করতে হবে।

এই QR কোড স্ক্যান করে দূতাবাস বা ভিসা সেন্টার সরাসরি নিচের তথ্য যাচাই করতে পারবে:
• Account Number
• Account Name
• Report Date Opening Balance
• Report Date Closing Balance
• Statement Generation Date

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, ভিসা আবেদন প্রক্রিয়ায় জাল/ভুয়া ব্যাংক ডকুমেন্ট ব্যবহার রোধ ও যাচাই প্রক্রিয়া সহজ করার জন্য এই ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।

নির্দেশনা অনুযায়ী, তথ্যগুলো ন্যূনতম ৩৬ মাস সংরক্ষণ করতে হবে এবং ব্যাংকগুলোকে ৯০ দিনের মধ্যে এই সিস্টেম চালু করতে বলা হয়েছে।

তারিখ: ১২ মে ২০২৬
সূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক, ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-১

বি:দ্র: এখন থেকে ভুয়া ব্যাংক ডকুমেন্ট যাচাই করা দূতাবাসের জন্য অনেক সহজ হবে। ফলে সত্যিকারের স্টুডেন্টরা উপকৃত হবে।

🇨🇦 কানাডা, UK, অস্ট্রেলিয়ার ভিসা আবেদনে ফেক ডকুমেন্টস ব্যবহার করে বিপদে পড়ছেন অনেকেই।ইদানিং অনেক বাংলাদেশি ভাইবোন UK থেক...
11/05/2026

🇨🇦 কানাডা, UK, অস্ট্রেলিয়ার ভিসা আবেদনে
ফেক ডকুমেন্টস ব্যবহার করে বিপদে পড়ছেন অনেকেই।

ইদানিং অনেক বাংলাদেশি ভাইবোন UK থেকে ১০ বছরের নিষেধাজ্ঞা (Ban) পাওয়ার পর আমাদের সাথে যোগাযোগ করছেন এবং জানতে চাচ্ছেন, ভবিষ্যতে কানাডায় আবেদন করা যাবে কিনা।

কিছুদিন আগে কানাডাসহ পশ্চিমা ১৩টি দেশের এম্বাসি যৌথভাবে সতর্ক করে বলেছিলো:

⛔ ভিসা আবেদনে Fake Documents জমা দেবেন না
⛔ ভুল তথ্য প্রদান করবেন না
⛔ Unauthorized Consultant বা অবৈধ প্রতিনিধির মাধ্যমে আবেদন করবেন না।

কানাডায় মিথ্যা তথ্য বা ফেক ডকুমেন্টস জমা দিলে ৫ বছরের নিষেধাজ্ঞা (ban) হতে পারে। অন্যদিকে UK-তে অনেক ক্ষেত্রে ১০ বছরের ban দেয়া হচ্ছে। Australia-তেও সাম্প্রতিক সময়ে প্রচুর ভিসা আবেদন রিজেক্ট হচ্ছে ডকুমেন্টস ও তথ্য যাচাইয়ে অসঙ্গতির কারণে।

মনে রাখবেন, Canada, UK, USA, Australia, New Zealand সহ 5 Eyes দেশগুলোর মধ্যে অনেক তথ্য শেয়ার হওয়ার সুযোগ থাকে। তাই এক দেশের ভুল তথ্য ভবিষ্যতে অন্য দেশের আবেদনেও প্রভাব ফেলতে পারে।

⚠️ তাই কখনো:
• Fake Bank Statement
• Fake Job Experience
• Fake Admission / Offer Letter
• Edited Documents
• মিথ্যা তথ্য
জমা দেবেন না।

🇨🇦

🇨🇦 কানাডায় এসাইলেম আবেদন Withdraw করার পর আবার নতুন করে এসাইলেম করা যাবে?  আইনে কী বলে (সহজভাবে বুঝুন)অনেকেই কানাডায় এসে...
07/05/2026

🇨🇦 কানাডায় এসাইলেম আবেদন Withdraw করার পর
আবার নতুন করে এসাইলেম করা যাবে?

আইনে কী বলে (সহজভাবে বুঝুন)

অনেকেই কানাডায় এসে এসাইলেম (refugee claim) করেন, পরে বিভিন্ন কারণে সেই আবেদন withdraw (নিজে থেকে তুলে নেন) বা abandon (ফলো না করে বাদ পড়ে যায়)। এরপর দেশে চলে যান বা অন্য কোথাও যান। পরে আবার জানতে চান, “আমি কি আবার এসাইলেম করতে পারবো?”

এই প্রশ্নের সরাসরি উত্তর আছে কানাডার আইনে।

⚖️ আইনের ধারা কী বলছে?

কানাডার IRPA Section 101(1)(c) অনুযায়ী:
যদি কেউ আগে এসাইলেম আবেদন করে থাকেন এবং সেটি
🔹ineligible (অযোগ্য) হিসেবে ধরা হয়,
🔸অথবা withdraw (নিজে তুলে নেয়),
🔹অথবা abandon (ফলো না করায় বাতিল হয়)

তাহলে সেই ব্যক্তি পরে আবার নতুন করে এসাইলেম আবেদন করতে পারবেন না।

✅ সহজভাবে বুঝলে:
আপনি একবার claim করে পরে নিজে তুলে নিলে “নতুন করে” asylum claim করা সাধারণত allow করা হয় না।

❗ কেন এই নিয়ম?
এই নিয়মটা রাখা হয়েছে যাতে কেউ বারবার একই ধরনের claim করে সিস্টেম misuse করতে না পারে।

⚠️ শেষ কথা
প্রতিটি কেস আলাদা। সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে proper legal advice নিন। ✍️

🇨🇦 কানাডায় এসাইলেম (Asylum) সবার জন্য নয়অনেকেই ভাবেন কানাডায় গিয়ে এসাইলেম করলেই হয়ে যাবে। কিন্তু বাস্তবে কিছু নির্দিষ্ট ...
29/04/2026

🇨🇦 কানাডায় এসাইলেম (Asylum) সবার জন্য নয়
অনেকেই ভাবেন কানাডায় গিয়ে এসাইলেম করলেই হয়ে যাবে।
কিন্তু বাস্তবে কিছু নির্দিষ্ট কারণে আপনার ক্লেইম সরাসরি অযোগ্য (ineligible) হয়ে যেতে পারে।

সহজভাবে বুঝে নিনঃ
যাদের এসাইলেম ক্লেইম গ্রহণ করা হবে না:
🔹 আপনি যদি ইতিমধ্যে অন্য কোনো দেশে Refugee হিসেবে স্বীকৃত হন এবং সেখানে ফিরে যেতে পারেন।
🔸 আপনি যদি ইতিমধ্যে কানাডায় Protected Person status পেয়ে থাকেন
🔹 আপনার বিরুদ্ধে যদি removal order থাকে।
🔸 আপনি যদি অন্য কোনো দেশে আগে asylum claim করেন।
🔹 আপনার বিরুদ্ধে যদি security, criminality বা human rights violation থাকে।
🔸 আগে কানাডায় asylum claim করে থাকেন এবং সেটা ineligible, rejected, abandoned বা withdrawn হয়েছে।
🔹 আপনি যদি যুক্তরাষ্ট্র (USA) থেকে land border দিয়ে কানাডায় প্রবেশ করেন।

🚫 নতুন নিয়ম (৩ জুন ২০২৫ থেকে আরও কঠিন হয়েছে)
আপনি যদি কানাডায় ঢোকার ১ বছরের বেশি সময় পরে asylum claim করেন অথবা USA border দিয়ে irregular ভাবে ঢুকে ১৪ দিনের বেশি দেরি করে claim করেন তাহলে আপনার ক্লেইম গ্রহণই করা হবে না।

⚠️ গুরুত্বপূর্ণ কথা
এসাইলেম খুবই sensitive বিষয়। ভুল তথ্য বা ভুল সময়ে আবেদন করলে পুরো ভবিষ্যৎ ঝুঁকিতে পড়ে যেতে পারে।
সঠিক স্ট্র্যাটেজি ছাড়া আবেদন করা মানে নিজের ক্ষতি করা।

কানাডায় সরকার নিম্ন আয় বা বেকার মানুষদের বিভিন্ন ধরনের সহায়তা দিয়ে থাকে, যেমন: যারা কাজ করতে পারছেন না বা অস্থায়ী সমস্য...
26/04/2026

কানাডায় সরকার নিম্ন আয় বা বেকার মানুষদের বিভিন্ন ধরনের সহায়তা দিয়ে থাকে, যেমন: যারা কাজ করতে পারছেন না বা অস্থায়ী সমস্যায় আছেন সরকার তাদেরকে সামাজিক সহায়তা বা Social Benefits এর আওতায়
Ontario Works (OW) প্রদান করে থাকে। একজন একা ব্যক্তির জন্য সরকার $700–$800 CAD সহায়তা দেয়।
প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য ODSP যা প্রতিমাসে $1,300–$1,500 CAD. একটি পরিবারের সন্তানের সংখ্যা ও আয়ের উপর নির্ভর করে শিশুদের জন্য CCB প্রদান করা হয়, যতো কম আয় আর যতো বেশি সন্তান ততো বেশি CCB সহায়তা। তাছাড়া হঠাৎ কেউ চাকরি হারালে সরকার সাময়িক ভাবে সহায়তা করে থাকে।

এছাড়াও সরকার অতিরিক্ত আরো কিছু সুবিধা প্রদান করে থাকে যেমন: ফ্রি বা সাবসিডাইজড স্বাস্থ্যসেবা, ওষুধের খরচে সহায়তা, বাসা ভাড়া সহায়তা, ফুড ব্যাংক সুবিধা সহ
চাকরি খোঁজার সহায়তাও করে থাকে।

অর্থাৎ, কানাডাতে অভাবী মানুষদের সহায়তার জন্য সরকারের রয়েছে নানাবিধ ব্যবস্থা।

কিন্তু সমস্যা হচ্ছে, এতো সুযোগ সুবিধা পাওয়ার পরেও কিছু মানুষ এই সিস্টেমের অপব্যবহার করে, এরা একদিকে সরকার থেকে সুযোগ সুবিধা নেয় আবার ক্যাশেও জব করে। সে কারণে সরকারের হাতে থাকছেনা কোনো প্রমাণ এবং এই সুযোগ নিয়ে তারা ফাঁকি দিচ্ছে কর।

আরো পরিতাপের বিষয় হলো কানাডায় এখন আগের থেকে অনেক বেশি ভিক্ষাবৃত্তি বৃদ্ধি পেয়েছে। এবং এই ধরনের ব্যক্তিদের বর্তমানে মসজিদ বা চার্চের বাইরেও ভিক্ষা করতে দেখা যায়। এটি সরাসরি প্রতারণা বা fraud বলা যায়।

এরা ভিক্ষাবৃত্তির আড়ালে মানুষের সহানুভূতিকে পুঁজি করে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। অনেক সময় তারা প্রতিবন্ধীতার ভান করে, যাতে সহজে মানুষের কাছ থেকে দান পায়। গত এক বছরে গ্রেটার টরন্টো এরিয়ায় (GTA) এমন বহু ব্যক্তির সন্ধান পাওয়া গেছে, যারা নিজেদের গৃহহীন বা অসহায় হিসেবে পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করছে।

ব্র্যাম্পটনের একটি চার্চের একজন সদস্য জানান, ধর্মীয় ছুটির সময় কিছু লোক চার্চের বাইরে দাঁড়িয়ে থেকে মানুষের কাছ থেকে দান প্রার্থনা করে। ইস্টার সপ্তাহের “হলি স্যাটারডে”-তে এক পুরুষ ও এক নারী চার্চে আসে। কিছুক্ষণ পর ওই নারী নিজেরই ২০ ডলার ভিক্ষার পাত্রে রেখে এমন ধারণা তৈরি করে যে, অন্য কেউ ইতোমধ্যে দান করেছে। এরপর নারীটি সরে গেলে একজন পুরুষ ভিক্ষুক ঐ একই যায়গায় দাঁড়িয়ে ভিক্ষাবৃত্তি শুরু করে।

লোকটি নিজেকে প্রতিবন্ধী হিসেবে উপস্থাপন করে, হাতে লাঠি নিয়ে হাঁটতে থাকে। সে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ভিক্ষা করে এবং প্রচুর টাকা ও খাবার সংগ্রহ করে। এই একই ব্যক্তিকে শুক্রবারে হ্যামিল্টনের একটি মসজিদের সামনে দাঁড়িয়ে ভিক্ষা করতে দেখা যায়।

এক পর্যায়ে তাকে গোপনে ভিডিও করা হয়, যেখানে দেখা যায়, ভিক্ষা শেষ করে সে সম্পূর্ণ স্বাভাবিকভাবে হাঁটছে এবং একটি ব্রেন্ড নিউ সাদা Volkswagen Jetta গাড়িতে উঠে চলে যাচ্ছে।

পরের সপ্তাহের শনিবারে আবার সে ব্র্যাম্পটনের চার্চে ভিক্ষা করতে আসে এবং একই ধারায় সে নিজেকে প্রতিবন্ধী হিসেবে উপস্থাপন করে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা ভিক্ষা করে টাকা ও খাবার সংগ্রহ করে সে বারবার নিজের গাড়ির দিকে যাওয়ার চেষ্টা করে, কিন্তু ক্যামেরা দেখে থেমে যায়। পরে সে আবার চার্চের ভেতরে ঢুকে পড়ে, যখন সন্ধ্যার প্রার্থনা শুরু হচ্ছিল। এক নারী ও তার ছেলে জানান, ওই ভিক্ষুককে চার্চের বাইরে যেতে বললে সে তাদেরকে হুমকি দেয়। এই বিষয়ে তারা পুলিশকে অবহিত করলে সে পুলিশ আসার আগেই সেখান থেকে উধাও হয়ে যায়।

প্রায় এক সপ্তাহ পর তাকে মিসিসাগার একটি Longo’s গ্রোসারি স্টোরে কেনাকাটা করতে দেখা যায়। তখন সে কোনো সহায়তা ছাড়াই স্বাভাবিকভাবে হাঁটছিল। পরে সে আবার সেই সাদা গাড়িতে উঠে দ্রুত স্থান ত্যাগ করে। (ভিডিওটির লিঙ্ক কমেন্ট বক্সে দেওয়া আছে।)

এ ধরনের প্রতারণা শুধু এখন ব্র্যাম্পটনেই নয় বরং পুরো কানাডাজুড়েই ঘটছে।

কানাডার আইনে যে কোনো প্রতারণা একটি গুরুতর অপরাধ। প্রতারণার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হলে ৫,০০০ ডলারের নিচে হলে গুনতে হবে জরিমানা এবং সর্বোচ্চ ২ বছর পর্যন্ত জেল খাটতে হতে পারে। আর ৫,০০০ ডলারের উপরে হলে গুনতে হবে বড় অঙ্কের জরিমানা এবং সর্বোচ্চ ১০ বছর পর্যন্ত দীর্ঘমেয়াদী কারাদণ্ড। সেই সাথে বন্ধ হয়ে যেতে পারে সামাজিক সহায়তা এমনকি ভবিষ্যতে সরকারি সুবিধা পাওয়ার অধিকারও হারাতে হতে পারে।

সতর্ক থাকুন। কাউকে সহানুভূতি দেখানোর আগে একটু যাচাই বাছাই করে করুন, যাচাই না করে কাউকে টাকা দেবেন না। মসজিদ/চার্চ/ মন্দির কর্তৃপক্ষের মাধ্যমেই সাহায্য দিন, সন্দেহজনক কিছু দেখলে কর্তৃপক্ষকে রিপোর্ট করুন।

মানবিকতা আমাদের শক্তি, কিন্তু সেই মানবিকতাকে ব্যবহার করে কেউ প্রতারণা করলে তা রুখে দাঁড়ানোও আমাদের দায়িত্ব। সত্যিকারের অভাবীদের সহায়তা করুন কিন্তু প্রতারকদের নয়।

23/04/2026

ভিজিট ভিসায় কানাডায় এসে আমি কি কাজ করতে পারব? ভিজিট ভিসায় কানাডায় এসে আমি কি স্থায়ী ভাবে লিগ্যাল হতে পারব? ভিজিট ভিসায় কানাডায় এসে আমি কি আমার পরিবারকে কানাডায় নিয়ে আসতে পারব? কতদিন লাগবে এসব করতে?

যারা মেসেন্জারে বারবার নক করে এই বিষয়গুলো জানতে চান তাদের জন্য এই লেখাটি গুরুত্বপূর্ণ। এই লেখাটি পড়লে ভিজিট ভিসায় কানাডায় আসতে আগ্রহী মানুষরা মোটামুটি ভিজিট ভিসাধারীদের কানাডা আগমনের পরের একটি ভাল ধারনা পাবেন।

লেখাটি শুরুর আগে একটি কথা বলি যা তৃণমূল ভাবে ভিজিটর ভিসাধারীদের বেলায় সব দেশেই প্রযোজ্য। ইউরোপ, আমেরিকা এবং অস্ট্রেলিয়া মহাদেশের প্রতিটি দেশেই বিভিন্ন দেশের মানুষের এসাইলাম ক্লেইমের সুযোগ আছে। কিন্তু এই দেশগুলোয় এসাইলাম ক্লেইম করে কোন দেশের মানুষই সবাই ঢালাওভাবে সেটল্ডমেন্টের সুযোগ পান না।

এবার আসি ভিজিট ভিসায় কানাডায় আসার পরে কি হবে? প্রথমত ভিজিট ভিসায় আপনি টুরিস্ট স্ট্যাটাস নিয়ে কানাডায় প্রবেশ করলেন। এই স্ট্যাটাসে আপনার কাজের কোন অনুমোদন নেই। এখন আপনি যদি কানাডায় স্থায়ী ভাবে থেকে যেতে চান তাহলে আপনাকে দুটি বিষয় মাথায় নিয়ে সামনে এগোতে হবে।

১/ ভিজিট ভিসাকে ওয়ার্কপারমিটে ডাইভার্ট করা। অর্থাৎ ভিজিট ভিসাকে ওয়ার্ক পারমিটে ডাইভার্ট করলে আপনি কাজ ও থাকার অনুমোদন দুটিই পাবেন। একটি নির্দিষ্ট সময় অর্থাৎ তিন-চার বছর পরে আপনি স্থায়ী রেসিডেন্সি কার্ডও পেয়ে যাবেন। এ প্রক্রিয়ায় আপনি আপনার পরিবারকেও চার-পাঁচ বছরের মধ্যে কানাডায় নিয়ে আসতে পারবেন। ব্যস, কিচ্ছা, কাহীনি শেষ।

তবে ভিজিট ভিসা থেকে ওয়ার্কপারমিটে যেতে গেলে কোন কোম্পানি অথবা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আপনাকে ওয়ার্কপারমিট দিতে হবে। এজন্য কোম্পানিগুলোর কর্মী নিয়োগ সংক্রান্ত আইনি কিছু প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হয়। যে কোম্পানি অথবা ব্যবসার রেকর্ড ভাল শুধুমাত্র তারাই এ কাজটি করে থাকে। তবে বাংলাদেশী সাধারন মানুষদের জন্য কানাডায় ওয়ার্কপারমিট পাওয়া খুব একটা কঠিন প্রক্রিয়া বলে মনে হয়।

বাংলাদেশ থেকে কানাডার ভিজিট ভিসা পাওয়া যতটা কঠিন এখানে এসে ভিজিট ভিসা থেকে ওয়ার্কপারমিটে যাওয়াটা তার চেয়েও অনেক বেশী কঠিন। এটি হলো জেনারেল মানুষদের কথা। তবে আপনি যদি ওয়ার্ল্ড ক্লাস ভাল কোন কাজ জানেন অথবা করে থাকেন তাহলে ভিন্ন কথা। এজন্য আপনাকে অবশ্যই অভিজ্ঞতা ও সার্টিফিকেটের দরকার হবে।

২/ ভিজিট ভিসায় এসে কানাডায় থেকে যাওয়া এবং কাজ করে জীবিকা নির্বাহের সহজ পথ হলো এসাইলাম ক্লেইম করা। আপনি কানাডায় এসে একজন ভালো আইনজীবী ধরে দেশে গেলে আপনার জীবননাশের হুমকি আছে এমন তথ্যের ভিত্তিতে আপনি কানাডিয়ান ইমিগ্রেশন, রিফিউজি এন্ড সিটিজেনশীপ বোর্ডে একটি এসাইলাম ক্লেইম করতে পারেন। এরপর এই এসাইলামটি কোর্ট প্রক্রিয়ায় ইমিগ্রেশন এন্ড রিফিউজি বোর্ডের একজন জাজের মাধ্যমে বিচারিক সমাধানের জন্য নথিভুক্ত করা হয়।

এসাইলাম ক্লেইমের একমাস পরে আপনি ওয়ার্কপারমিটের জন্য আবেদন করতে পারবেন। এরপর আপনি চাইলে কাজকর্ম করে জীবিকা নির্বাহ করতে পারেন। তবে এসাইলাম ক্লেইমের পর কানাডিয়ান সরকার প্রত্যেক রিফিউজিকে কানাডায় বসবাসের জন্য কিছু ওয়েলফেয়ার গ্রান্ট করে থাকে। সরকার আপনাকে প্রতিমাসে থাকা খাওয়া বাবদ সাত-আটশো ডলারের মত ওয়েলফেয়ার দিয়ে থাকে। এই টাকা দিয়ে আপনি যাতে কানাডায় এভারেজ জীবন যাপন করতে পারেন সেটিই তার লক্ষ্য।

এখন প্রশ্ন হলো এসাইলাম ক্লেইমের পর আমি কাজের পারমিশন পেয়ে গেলাম তাহলে কি আমি কানাডায় স্থায়ী ভাবে থাকার অনুমোদন পেয়ে গেলাম?

এর উত্তরে বলব জি না। আপনি এসাইলাম ক্লেইমের পর এটি ফাইল আকারে রিফিউজি বোর্ডের কাছে শুধুমাত্র একটি দরখাস্ত দাখিল হয়েছে মাত্র। এরপর রিফিউজি বোর্ড আপনার বিষয়টি একজন ইমিগ্রেশন অফিসারের হস্তগত করবে। এই ইমিগ্রেশন অফিসার এক থেকে তিন বছরের ভিতরে আপনার এসাইলামটি সঠিক কি না সেটি যাচাইবাচাইয়ের জন্য একজন জাজকে দিয়ে এসাইলামটি কোর্টে হিয়ারিং করবে। আপনি আপনার আইনজীবী নিয়ে কোর্ট হিয়ারিং এ উপস্থিত হবেন।

এরপর কি হবে? কোর্ট হিয়ারিং-এ জাজ যদি মনে করেন আপনি দেশে ফিরলে আপনার জীবননাশের সম্ভাবনা আছে তাহলে আপনার এসাইলামটি গ্রান্ট হয়ে গেল। আপনি কানাডায় স্থায়ী ভাবে থাকার অনুমোদন পেয়ে গেলেন। এরপর আপনি স্থায়ী রেসিডেন্স কার্ডের জন্য এপ্লাই করবেন। দুচার বছরের মধ্যে আপনার কার্ড এসে যাবে। আপনার সবকিছু ঠিক হয়ে গেল। এটি হলো শতকরা ৩০-৪০% এসাইলাম ক্লেইমের ঘটনা।

কানাডায় এসাইলাম ক্লেইমের একটা গড় ধারনা দেই। এখানে শতকরা ত্রিশ-চল্লিশ পার্সেন্ট মানুষ রিফিউজি বোর্ডের প্রথম হিয়ারিং এ সরাসরি এসাইলাম কেইসটি জিতে যান। এরপর এরা পুরোপুরি লিগ্যাল হয়ে গেলেন।

বাকী রইল ষাট-সত্তর পার্সেন্ট? এই ষাট-সত্তর পার্সেন্টের সবাইকে একটির পর আরেকটি অর্থাৎ কয়েকটি ধাপে তিনটির মত আপিল করে যেতে হয় এসাইলাম & রিফিউজি বোর্ডে। এই প্রক্রিয়াগুলো শেষ হতে আরও তিন-চার বছর লেগে যায়। এর মধ্যে ভাগ্য ভাল হলে আপিল বোর্ডে কারো কারো কেইস এক্সেপ্ট হয়ে যায়।

যদি রেজাল্ট ভাল না হয় এরপর সবাইকে হিউম্যান রাইটসে গিয়ে কানাডায় থাকার জন্য আবেদন করতে হয়। এ জন্য আইনজীবীদের পিছনে সবাইকে বছরের পর বছর সময় ব্যয় করতে হয়। এছাড়া প্রচুর টাকাপয়সাও খরছ করতে হয় এই প্রক্রিয়াগুলো সম্পন্ন করতে।

এই প্রক্রিয়াগুলো সম্পন্ন করতে গিয়ে কারো কারো আরো পাঁচ-সাত এমনকি আট-দশ বছর সময় লেগে যায়। এই প্রক্রিয়াগুলো সম্পন্ন করার সময়ে আরো বিশ-ত্রিশ পার্সেন্ট মানুষ কানাডায় স্থায়ী ভাবে বসবাসের অনুমোদন পেয়ে যান। তার মানে ষাট-সত্তর পার্সেন্ট মানুষ কানাডায় প্রবেশের দশ-বারো-পনেরো বছরের মধ্যে কোন না কোন ভাবে স্থায়ীভাবে থাকার অনুমোদন পেয়ে যান।

এবার রিফিউজড হওয়া সর্বশেষ ত্রিশ-চল্লিশ পার্সেন্ট মানুষের পরিসংখ্যান বলি। এদের আপিল চলাকালিন অনেকের উপরই ইমিগ্রেশন, রিফিউজি এন্ড সিটিজেনশীপ বোর্ড ডিপোর্টেশনের অর্ডার দিয়ে দেয়। এই ডিপোর্টেশনের অর্ডার নিয়ে এদেরকে নানা কষ্টকর পরিস্থিতিতে কানাডায় থাকতে হয়। এরপর এদের কারো কারো ইলিগ্যাল স্ট্যাটাসে বিরক্তি এসে গেলে নিজ থেকে এরা অনেকেই দেশে চলে যান। এই ত্রিশ-চল্লিশ পার্সেন্ট মানুষকে টুডে-টুমরো বাংলাদেশেই ফিরতে হয়।

তাহলে কি দাঁড়ালো? ভিজিট ভিসায় আসা শতকরা ত্রিশ-চল্লিশ পার্সেন্ট মানুষ চার-পাঁচ বছরের মধ্যে সেটেলম্যান্টের সুযোগ পেয়ে যেতে পারেন। আর শতকরা বিশ-ত্রিশ পার্সেন্ট মানুষ দশ-বারো বছরের মধ্যে বিভিন্ন ভাবে আপিল বিভাগ এবং হিউম্যান রাইটসে গিয়ে সেটেলমেন্টের সুযোগ পেয়ে যেতে পারেন। বাদবাকী শতকরা ত্রিশ-চল্লিশ পার্সেন্ট মানুষকে বছরের পর বছর কানাডায় থাকার পরেও মনোকষ্ট নিয়ে একদিন দেশেই ফিরতে হবে।

সোজা হিসাবে বলব- ভিজিটর ভিসাধারীর প্রতি তিন জনের একজন প্রথম তিন-চার বছরে লিগেল হয়ে যাবেন। পরের জন আট-দশ বছর পর বিভিন্ন ভাবে লিগেল হবেন। আর সর্বশেষ জন কখনও লিগ্যাল হতে পারবেন না। কানাডার গত কয়েক যুগের পরিসংখ্যান এমনটিই বলে।

এককথায় ভিজিটর ভিসাধারী কেউ কেউ বিভিন্ন ভাবে লিগ্যাল হয়ে যাবেন আবার কেউ কেউ সারা জীবনেও লিগ্যাল হতে পারবেন না। শতকরা চল্লিশ-পঞ্চাশ পার্সেন্ট মানুষ লিগ্যাল হয়ে যাবেন বাকী চল্লিশ-পঞ্চাশ পার্সেন্ট মানুষ সারা জীবনেও লিগ্যাল হতে পারবেন না। লিগ্যালিটি না পাওয়া মানুষগুলো এখানে সর্বদা ইলিগ্যালই থাকবেন। যদি কানাডিয়ান সরকার সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করে সেটি ভিন্ন কথা। নইলে প্রায় অর্ধেক মানুষ কোনদিনই কানাডায় লিগ্যাল হওয়ার সুযোগ পাবেন না।

এটি বর্তমান এবং অতীত এসাইলাম সংক্রান্ত পরিসংখ্যান থেকে পর্যালোচনা করে লেখা একটি লেখা মাত্র। এই লেখাটি গত ত্রিশ-চল্লিশ বছরে সেটল্ড হওয়া এবং না হওয়া সংক্রান্ত বিষয় স্টাডি করে লেখা একটি থিওরি মাত্র।

23/04/2026

🇨🇦 কানাডায় আশ্রয় প্রার্থীদের জন্য বড় আপডেট!

কানাডার ইমিগ্রেশন বিভাগ প্রায় ৩০,০০০ জন রিফিউজি আবেদনকারীকে চিঠি পাঠাচ্ছে, যেখানে বলা হচ্ছে তারা হয়তো refugee hearing-এর জন্য আর eligible না।

🔎 কী পরিবর্তন হয়েছে?
নতুন আইন Bill C-12 অনুযায়ী নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। বিশেষ করে:
▪️ যারা কানাডায় প্রবেশের ১ বছরের বেশি সময় পরে asylum claim করেছে, তাদের অনেক ক্ষেত্রে hearing-এ যাওয়ার সুযোগ বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
▪️ আইনটি retroactive, অর্থাৎ আগের কেসেও প্রযোজ্য।
▪️ কিছু চিঠিতে আবেদনকারীদের দেশ ছেড়ে যেতে বলা হচ্ছে।

⚠️ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:
এই চিঠিগুলো সরাসরি deportation order না। এগুলো মূলত procedural fairness letter, যেখানে আপনাকে সুযোগ দেওয়া হয় নিজের ব্যাখ্যা বা অতিরিক্ত প্রমাণ জমা দেওয়ার।

📌 এখন কী করবেন?
🔹 সাধারণত ২১ দিনের মধ্যে উত্তর দেওয়ার সুযোগ থাকে
🔸 অনেক ক্ষেত্রে PRRA (Pre-Removal Risk Assessment) একটি গুরুত্বপূর্ণ অপশন হতে পারে
🔹 ভুল সিদ্ধান্ত নিলে ভবিষ্যতের সুযোগ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে

অনেকেই ভয় পেয়ে দ্রুত ভুল সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। এই ধরনের চিঠি পেলে সময় নষ্ট না করে আপনার আইনি অপশনগুলো বোঝা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

কানাডায় নতুন “গ্রোসারি রিবেট” আপডেট: কবে পাবেন অতিরিক্ত টাকা?কানাডা সরকার আবারও সাধারণ মানুষের জন্য স্বস্তির খবর দিলো। ন...
18/04/2026

কানাডায় নতুন “গ্রোসারি রিবেট” আপডেট: কবে পাবেন অতিরিক্ত টাকা?

কানাডা সরকার আবারও সাধারণ মানুষের জন্য স্বস্তির খবর দিলো। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের বাড়তি দামের চাপ কমাতে সরকার দিচ্ছে এককালীন অতিরিক্ত টাকা (Top-up payment)।

কী এই নতুন সুবিধা?
প্রধানমন্ত্রী Mark Carney ঘোষণা দিয়েছেন যে নতুন একটি প্রোগ্রাম Canada Groceries and Essentials Benefit চালু হবে, যা পুরনো GST/HST Credit-কে প্রতিস্থাপন করবে।

তবে তার আগে সরকার দিচ্ছে একটি one-time top-up payment।

কবে টাকা পাবেন?
৫ জুন ২০২৬: এই দিনে যোগ্য ব্যক্তিদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা জমা হবে।

এই টাকা আপনার অ্যাকাউন্টে এখনও GST Credit নামেই দেখাতে পারে।

কারা এই টাকা পাবেন?
আপনি এই সুবিধা পাবেন যদি:
২০২৪ সালের tax return ফাইল করা থাকে।

আপনি আগে থেকেই GST/HST Credit পাওয়ার যোগ্য হন (জানুয়ারি ২০২৬ অনুযায়ী)

কোনো আলাদা আবেদন করতে হবে না, অটোমেটিক টাকা চলে আসবে।

কত টাকা পাওয়া যাবে?
এই top-up হবে আপনার GST ক্রেডিটের ৫০% অতিরিক্ত।

উদাহরণ:
একা সিনিয়র (ইনকাম $25,000) → প্রায় $267।

২ সন্তানসহ পরিবার (ইনকাম $40,000) → প্রায় $533

মোট সহায়তা: সরকার প্রায় $3.1 বিলিয়ন টাকা বিতরণ করবে।

জুলাই থেকে কী পরিবর্তন আসছে?

জুলাই ২০২৬ থেকে চালু হবে পুরোপুরি নতুন সুবিধা:
Canada Groceries and Essentials Benefit

প্রথম পেমেন্ট: ৩ জুলাই ২০২৬

GST ক্রেডিটের তুলনায় ২৫% বেশি টাকা

প্রতি ৩ মাসে (quarterly) পেমেন্ট

আগামী ৫ বছর পর্যন্ত বাড়তি সুবিধা থাকবে

বছরে মোট কত পেতে পারেন?
একজন সিঙ্গেল ব্যক্তি → সর্বোচ্চ $950 (২০২৬)

৪ সদস্যের পরিবার → সর্বোচ্চ $1,890 (২০২৬)

কেন এই সুবিধা দেওয়া হচ্ছে?
সরকার বলছে:
২০২০ সালের পর থেকে খাবারের দাম দ্রুত বেড়েছে।

গড়ে একটি পরিবারকে অতিরিক্ত $782 বেশি খরচ করতে হচ্ছে,
এই নতুন সুবিধা সেই বাড়তি খরচ কিছুটা কমাতে সাহায্য করবে।

তবে সবাই এই টাকা পাবে না।
শুধুমাত্র low & middle income যারা GST credit পায় তারাই পাবে
ট্যাক্স ফাইল না করলে কিছুই পাবেন না।

আপনার করণীয়:
২০২৪ সালের ট্যাক্স রিটার্ন ফাইল করুন।

CRA অ্যাকাউন্ট আপডেট রাখুন।

ব্যাংক ডিরেক্ট ডিপোজিট চালু রাখুন।

গর্বের এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত! 🇧🇩🇨🇦প্রথম বাংলাদেশি-কানাডিয়ান হিসেবে কানাডার সংসদ সদস্য (MP) নির্বাচিত হওয়ায় ডলি বেগমকে (Do...
14/04/2026

গর্বের এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত! 🇧🇩🇨🇦

প্রথম বাংলাদেশি-কানাডিয়ান হিসেবে কানাডার সংসদ সদস্য (MP) নির্বাচিত হওয়ায় ডলি বেগমকে (Dolly Begum) জানাই আন্তরিক অভিনন্দন। তার এই অসামান্য বিজয় বিদেশের মাটিতে আমাদের মেধা ও যোগ্যতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত।

কানাডার রাজনীতিতে নতুন এই মাইলফলক বাংলাদেশি কমিউনিটির জন্য এক বড় অনুপ্রেরণা।

Address

Toronto
Dhaka
M1B3C3

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when HiFly posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to HiFly:

Share