Dilruba Digiworld

Dilruba Digiworld Helping people to start a successful digital business!

মানুষকে শুধু বাহির দেখে বিচার করবেন না। কারো পোশাক, চেহারা, দাড়ি, টুপি কিংবা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার সার্টিফিকেট দেখে তাঁর...
03/23/2026

মানুষকে শুধু বাহির দেখে বিচার করবেন না। কারো পোশাক, চেহারা, দাড়ি, টুপি কিংবা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার সার্টিফিকেট দেখে তাঁর মূল্যায়ন করা এক প্রকার সীমাহীন অন্যায়। মানুষের প্রকৃত পরিচয় হলো তাঁর জ্ঞান, তাঁর কর্ম এবং তাঁর নিষ্কাম ইবাদতে। আল্লাহ যাকে ইলম দান করেন, তাঁকে মানুষের দেয়া ডিগ্রি কিংবা সার্টিফিকেটের প্রয়োজন হয় না। কারণ, ইলম হচ্ছে আল্লাহর পক্ষ থেকে এক বিশেষ নূর, যা তিনি কেবল নির্বাচিত বান্দাদের অন্তরে ঢেলে দেন। আল্লাহ পবিত্র কুরআনের কোথাও হাফেজ দের জন্য কোন স্পেসিফিক পোশাক নির্ধারণ করে দেন নি। পবিত্র কুরআন আল্লাহ পাক সকল মানব জাতির জন্য দান করেছেন। কেবল আরব এর পোশাক ধারীদের জন্য নয়। সূরা মূমিনুন এর প্রথম ৭ আয়াতে কোথাও স্পেসিফিক পোশাক মুমিনদের জন্য নির্দিষ্ট এমন কথা আল্লাহ বলেন নি। এসব সংকীর্ণ চিন্তা চেতনার জন্যই আজ মুসলিম দের এই পরিণতি। লম্বা জোব্বা আর পাগড়ি আবূ জেহেল এর ও ছিল। আমি মান্য করি মানুষের কর্ম, জ্ঞান, নিষ্কাম ইবাদাত মানুষের পরিচয় বহন করে! কোন পোশাক নয়। আপনার ভালো না লাগলে আপনি স্কিপ করুন আমার পেইজ বা ব্লক মারুন। আমি আমার পার্সোনাল চয়েজের ব্যাপারে কাউকে বিন্দুমাত্র কৈফিয়ত দিতে বাধ্য নয়। আফসোস সেই সমাজ ও সেই সমাজের মানুষের জন্য যারা ইসলাম কে পোশাক এ সীমাবদ্ধ করে রেখেছে।

হাফেজ সাইফুল্লাহ মানসুর আবির ওরফে আব্দুর রহমান ( আমিলে কামিল, আধ্যাত্মিক সাধক , বর্তমান জামানার শ্রেষ্ঠ আল্লাহর ওলী )

সব সময় মানসিক কষ্টে থাকেন❓️সূরা আদ-দোহার এই আমলটি করুন—ধীরে ধীরে বদলে যাবে আপনার জীবন।কখনো কি এমন হয়েছে—সবকিছু ঠিক আছে...
03/22/2026

সব সময় মানসিক কষ্টে থাকেন❓️সূরা আদ-দোহার এই আমলটি করুন—ধীরে ধীরে বদলে যাবে আপনার জীবন।

কখনো কি এমন হয়েছে—সবকিছু ঠিক আছে, তবুও মনটা অদ্ভুত ভারী লাগে❓️কোনো কারণ ছাড়াই দু'শ্চিন্তা আসে।
ভ'বিষ্যৎ নিয়ে ভয় কাজ করে।

মনে হয়—জীবনটা যেন কোথাও আ'টকে গেছে। অনেক মানুষ এই অ'বস্থার মধ্য দিয়ে যায়। বাইরে হাসে, মানুষের সাথে কথা বলে, কিন্তু ভেতরে ভেতরে একটা অজানা ক'ষ্ট বয়ে বেড়ায়।

এমন সময়ে কুরআনের একটি ছোট সূরা আছে, যেটি আল্লাহ নাযিল করেছিলেন ঠিক এমন একটি মুহূর্তে—যখন একজন মানুষ গভীর মা'নসিক ক'ষ্টের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলেন।

সেই মানুষটি হলেন আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ ﷺ।

কেন নাযিল হয়েছিল সূরা আদ-দোহা❓️
এক সময় কয়েকদিন পর্যন্ত ওহি নাযিল হওয়া বন্ধ ছিল।
এতে নবীজি ﷺ খুব চিন্তিত ও বিষণ্ন হয়ে পড়েন।
তখন কিছু মানুষ বলতে শুরু করেছিল— মনে হয় আল্লাহ তাকে ছেড়ে দিয়েছেন।

এই কঠিন মুহূর্তে আল্লাহ নাযিল করেন একটি সান্ত্বনার সূরা— সূরা আদ-দোহা। এই সূরার মধ্যেই আল্লাহ নবীজিকে আশ্বাস দিয়ে বলেন—মা ওয়াদ্দা’আকা রাব্বুকা ওয়া মা ক্বালা

অর্থ:তোমার রব তোমাকে ত্যাগ করেননি, এবং তোমার উপর অসন্তুষ্টও নন। ভাবুন একবার— এই আয়াত শুধু নবীজির জন্য নয়, বরং প্রত্যেক সেই মানুষের জন্য, যে কখনো মনে করে— আল্লাহ হয়তো আমাকে ভুলে গেছেন।
সূরা আদ-দোহার একটি সহজ আমল (মানসিক কষ্ট দূরের জন্য) অনেক আলেম বলেন, যদি কেউ মানসিক কষ্ট, হতাশা বা অস্থিরতার মধ্যে থাকে, তাহলে নিয়মিত সূরা আদ-দোহা পড়া হৃদয়ে প্রশান্তি এনে দেয়।

আমলটি করার নিয়ম
▪️অজু করে নিন।
▪️শান্ত কোনো জায়গায় বসুন।
▪️প্রথমে ৩–১১ বার দরূদ শরীফ পড়ুন।
▪️তারপর সূরা আদ-দোহা ১১ বার বা ২১ বার তিলাওয়াত করুন। শেষে আবার ৩–১১ বার দরূদ পড়ুন। তারপর আল্লাহর কাছে মন খুলে দোয়া করুন।
কখন করবেন?
▪️ফজরের পর
▪️মাগরিব বা এশার পর
▪️অথবা রাতের শেষ সময় (তাহাজ্জুদের সময়)
কতদিন করবেন
৭ দিন, ১১ দিন বা ২১ দিন নিয়মিত করলে অনেকেই হৃদয়ের ভেতর পরিবর্তন অনুভব করেন।

যখন মন খুব ভেঙে যায়, যখন মনে হবে— সবকিছু শেষ হয়ে যাচ্ছে… যখন মনে হবে— আপনার দোয়া কেউ শুনছে না… তখন একটু থামুন। অজু করুন। দুই রাকাত নামাজ পড়ুন। তারপর সূরা আদ-দোহা তিলাওয়াত করুন। হয়তো আপনি সঙ্গে সঙ্গে কোনো বড় পরিবর্তন দেখবেন না। কিন্তু ধীরে ধীরে অনুভব করবেন— আপনার হৃদয়ের ভেতর একটা শান্তি নেমে আসছে।

সংগৃহীত

আনন্দই ঈর্ষার কারণ:মানুষ জন্মগতভাবে হিংসুক। তারা অন্যের আনন্দ সহ্য করতে পারে না। এ জন্য খেয়াল করবেন, যখন আপনি দুঃখ কষ্টে...
02/03/2026

আনন্দই ঈর্ষার কারণ:
মানুষ জন্মগতভাবে হিংসুক। তারা অন্যের আনন্দ সহ্য করতে পারে না। এ জন্য খেয়াল করবেন, যখন আপনি দুঃখ কষ্টে থাকেন, তখন দেখবেন কেউ আপনার প্রতি রাগ করে না। বরং সবাই আপনাকে সহানুভূতি দেখাতে আসে, আহা রে বেচারা।

কিন্তু যখনি আপনি সুখে, আনন্দে থাকেন, তখনি আপনার প্রতি লোকজন অসন্তুষ্ট হয়ে পড়ে, আপনার দোষ খুঁজে বের করার চেষ্টা করে, আপনাকে হেয় করার চেষ্টা করে, কারণ ছাড়াই তারা আপনার পেছনে পড়ে থাকবে।

এ কারণেই যুগে যুগে মানুষ মুহাম্মদ সাঃ, বুদ্ধ, নানক, মুসা আঃ, ঈসা আঃ, সহ সকল নবি, রাসুল, অবতার, গুরুগণকে কষ্ট দিয়েছে, আঘাত করেছে, অপমান অপবাদ দিয়েছে। কারণ এই পবিত্র মানুষগুলো ছিলেন পরম আনন্দিত।তাদের আনন্দ অন্যদের ঈর্ষার কারণ হয়েছে।

কিন্তু মনে রাখবেন, অন্যের আনন্দ দেখে যদি আপনি ঈর্ষা করেন, তাতে অন্যদের আনন্দ কমবে না, কিন্তু আপনার হৃদয়ের আনন্দ হারিয়ে যাবে।
সংগৃহীত

সবে বরাতের পূর্ণ শশী
02/03/2026

সবে বরাতের পূর্ণ শশী

Dilruba Quazi sent you a Snap on Snapchat!

এটা সাধারণ পাতা নয়! গোপন ম্যাজিক! 😱 ওজনও কমায়, অন্যদিকে স্কিন ব্রাইট করে😍—একটাই রেমেডি, ডাবল রেজাল্ট! 🔥—১০ দিনে পার্থক...
12/16/2025

এটা সাধারণ পাতা নয়! গোপন ম্যাজিক! 😱 ওজনও কমায়, অন্যদিকে স্কিন ব্রাইট করে😍—একটাই রেমেডি, ডাবল রেজাল্ট! 🔥—১০ দিনে পার্থক্য বুঝে যাবেন!

💁 সজনে পাতা (Moringa leaves) এমন একটি সুপারফুড—যার মধ্যে আছে, আয়রন,অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ক্যালসিয়াম, — আজ শেয়ার করলাম, যে ৩টি নিশ্চিত পদ্ধতিতে খেলে ওজন কমবে, অন্যদিকে ত্বককে দেবে ন্যাচারাল গ্লো 👇 ( Be Natural Informative পেজে একাধিক ভিডিও আছে চাইলে দেখে নিতে পারেন)

🟢🔴সজনে পাতা কি কি উপকার করে ?

* স্কিন ব্রাইট করে
* দাগ, পিগমেন্টেশন কমায়
* স্কিন টাইট করে
* অ্যাকনে ও র‍্যাশ কমায়
* এন্টি–এজিং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর
* মেটাবলিজম বাড়ায় → ক্যালরি বার্ন দ্রুত হয়
* ফ্যাট জমা কমায়
* ব্লাড সুগার কন্ট্রোল করে → অতিরিক্ত ক্ষুধা কমে
👉 নিয়মিত খেলে ১০–১৫ দিনের মধ্যেই বোঝা যায় পরিবর্তন

🔴🟢যে ৩টি নিশ্চিত পদ্ধতিতে খেলে ওজন কমবে —

♦️1️⃣ সজনে পাতা চা

🔹খাবেন: খালি পেটে সকালবেলা

🔸তৈরি পদ্ধতি :

* ১ গ্লাস জলে ১ চামচ শুকনা সজনে পাতা
* ৩ মিনিট ফুটিয়ে ছেঁকে নিন
* চাইলে লেবু ৩–৪ ফোঁটা দিতে পারেন।

👉উপকার : ফ্যাট কাটে, মেটাবলিজম বাড়ায়, bloating কমে যায়।

♦️2️⃣ সজনে পাতা গুঁড়োর জল

🔸খাবেন: দুপুরে খাওয়ার ৩০ মিনিট আগে

🔹তৈরি পদ্ধতি :

* ১ গ্লাস হালকা গরম জলে ½ চামচ সজনে পাতার গুঁড়ো
* ভালো করে মিশিয়ে খেয়ে নিন

👉উপকার: অতিরিক্ত ক্ষুধা কমায়, ফ্যাট স্টোরেজ বন্ধ করে

♦️3️⃣ সজনে পাতা স্মুদি

🔸খাবেন: ব্রেকফাস্ট হিসেবে সপ্তাহে ২–৩ দিন

🔹যেভাবে বানাবেন:

* ১ কাপ গরম জল
* ১ চা চামচ সজনে পাতার গুঁড়ো
* অর্ধেক আপেল / কলা (অপশনাল)
* ১ চামচ চিয়া সিড
* ব্লেন্ড করে নিন

👉উপকার: পেট ভরাট রাখে, শরীরে শক্তি দেয়, সারা দিনে কম খাওয়া লাগে।

🟢🔴যে পদ্ধতিতে ত্বকে ব্যবহার করবেন —

🔥সজনে পাতা স্কিন ব্রাইটেনিং প্যাক

🔹তৈরি পদ্ধতি :

* ১ চা চামচ সজনে পাতার গুঁড়ো
* ১ চা চামচ মধু
* ২–৩ ফোঁটা লেবু (অয়লি স্কিন)
* ১ চামচ দই (ড্রাই স্কিন)

🔹প্যাক ত্বকে রাখবেন: ১৫ মিনিট

🔸ব্যবহার করবেন: সপ্তাহে ২ দিন

🔹উপকার :
✔ দাগ কমায়
✔ স্কিন গ্লো বাড়ায়
✔ টাইট করে
✔ রিঙ্কেল কমায়

🔴🟢সতর্কতা জরুরি : —

1.যাদের গর্ভাবস্থা চলছে, তারা খাবেন না।

2.যাদের রক্তচাপ খুব কম, তারা খাবেন না।

3.থাইরয়েডের কোনো ওষুধ চললে ডা: এর পরামর্শ নিন।
সংগৃহীত

First show in Toronto
11/10/2025

First show in Toronto

Dilruba Quazi sent you a Snap on Snapchat!

11/10/2025
ইস্তিগফারে জবানকে শীক্ত করুন। একমাত্র ইস্তেগফারই পারে আমাদের দুনিয়া ও আখেরাতে পাপ থেকে মুক্তি দিতে। সুতারং এই ইস্তিগফার...
11/09/2025

ইস্তিগফারে জবানকে শীক্ত করুন। একমাত্র ইস্তেগফারই পারে আমাদের দুনিয়া ও আখেরাতে পাপ থেকে মুক্তি দিতে। সুতারং এই ইস্তিগফারকে জীবনে সঙ্গী বানিয়ে নিন।
ইস্তেগফারের ফজিলতঃ
১. গুনাহ মাফ হয়ে যায়।
২. এর মাধ্যমে বালামুসিবত দূর হয়।
৩. রিজিক প্রশস্ত হয়।
৪. পরিবারে শান্তি আসে।
৫. শরীরে ঈমানি শক্তি বৃদ্ধি পায়।
৬. হৃদয় স্বচ্ছ ও নির্মল হয়।
৭. আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন হয়।
৮. চিন্তা-পেরেশানি দূর হয়।
৯. রহমতের বৃষ্টি বর্ষিত হয়।
১০. সুসন্তান লাভ হয়।
১১. নদী-নালা প্রবাহিত হয়।
১২. সম্মানিতদের সম্মান বৃদ্ধি হয়।
১৩. আজাব-গজব থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।
১৪. মুস্তজাবুদ দাওয়ার গুন অর্জন হয়।(অর্থাৎ, ইস্তেগফার পাঠকারী এমন হয়ে যাবেন, যখন তিনি কোনো দোয়া করবেন আল্লাহ তায়ালা তা কবুল করবেন।)
১৫. পরকালে জান্নাত লাভ হয়।

[ সূরা হুদঃ ৫২, সূরা আনফালঃ ৩৩, সুনানে আবু দাউদ, সুনানে নাসাই, সূরা নূহঃ ১০-১২, সূরা হুদঃ ৩ ]

আমাদের দেহের মধ্যে অনেক জানা অজানা এলমে মারফতের তথ্য লুকায়িত আছে, যা একসাথে প্রকাশ করা সম্ভব না, ইঞ্চির সামান্য প্রকাশ ...
11/05/2025

আমাদের দেহের মধ্যে অনেক জানা অজানা এলমে মারফতের তথ্য লুকায়িত আছে, যা একসাথে প্রকাশ করা সম্ভব না, ইঞ্চির সামান্য প্রকাশ করলাম।
দেহতত্ত্বের কিছু অজানা কথা?
১৮ চীজে মানুষ পয়দা।
যথাঃ- পিতার চারঃ (১)হাড় (২)রগ (৩)মনি ও (৪)মগজ?

মায়ের চারঃ- (১)গোশত (২)পশম (৩)চামড়া ও (৪)খুন ?

আল্লাহর দশঃ (১)কল্প (২)রুহ (৩)ছির (৪)খফি (৫)আখফা (৬)নফস (৭) আপ (৮)আতস (৯)খাগ (১০)বাদ?

দেহতত্ব পাঁচ মোকামে পাঁচ মহামানবের অবস্থান।
যথাঃ (১)মাকামে মাহমুদা=হযরত মুহাম্মদ(সাঃ)।
(২)সুলতানুন নাসিরা=খাজা মঈনুদ্দীন আল চিশতী(রাঃ )।
(৩)ওয়াহেদ মোকাম=বড় পীরআব্দুল কাদের জিলানী(রাঃ)
(৪)মাকামে ইব্রাহীম=হযরত ইব্রাহীম(আঃ)।
(৫)ওরাউল ওরা মোকাম=ইমাম হাসান ও ইমাম হোসেন(রঃ)?

দেহতত্ব ৰেহেস্তের চার নহরঃ
(১)কাওসারেরপানি=স্বচ্ছ বিবেক
(২)দুধের নহর=সূক্ষ্যজ্ঞান
(৩)মধুর নহর=খোদার সান্নিধ্য অনুভূতি
( ৪)শরাবনতাহুরা=খোদা প্রেম বা এশক?

দেহতত্বে একিনসমুহঃ
(১)বেল গায়েব একিন=কর্ন দ্বারা
(২)এলমুললএকিন =জ্ঞান দ্বারা
(৩)আইনুল একিন=চক্ষু দ্বারা
(৪)হাক্কুল একিন =বিবেকদ্বারা ও
(৫)হুওয়াল একিন =মন দ্বারা?

দেহতত্ব সৃষ্টির বিবরণঃ পুরুষের- (১)মন থেকে চন্দ্র
(২)চক্ষু থেকে সূর্য৩।কর্ন থেকে বায়ু ও প্রান
(৪)মুখ থেকে অগ্নি
(৫)নাভি থেকে অন্তরিক্ষ ৬।মস্তক থেকে স্বর্গ
(৭)পদদ্বয় থেকে ভূমি
(৮)শ্রোত্র থেকে দিক সকল সৃষ্টি ।

দেহতত্ত্বে লিঙ্গ তিন প্রকার। যথাঃ…
(১) পুংলিঙ্গ।
(২) স্ত্রী লিঙ্গ।
(৩) নপুংশ বা ব্রক্ষ্ম লিঙ্গ ।

দেহতত্ব মহলের বিবরণ:-
(১)রং মহল=মুখমুন্ডল
(২)স্বর্ন মহল=বুক
(৩)আয়না মহল=চোখ
(৪)মনি মহল=মনি মগজ?

দেহতত্বে যিকির চার প্রকার।যথাঃ-
(১)লেছানি=মুখের দ্বাৱা।
(২)পাছ আনফাছ=দম বা শ্বাস প্রশ্বাসের দ্বারা ।
(৩)আয়নি=চোখের দ্বারা ।
(৪)ক্বলবি=ক্বলব বা অন্তর দ্বারা?

দেহতত্ব
( ১) বোরাখ=নারী লোক!
( ২) রফরফ=দমের বাহন!
(৩) হাজরে আসওয়াদ!
(৪) সিদরাতুল মুনতাহা=কপাল দেশ!
(৫)বাইতুল মামুর=পূর্নাঙ্গমানবদেহ!
(৬)জাহান্নাম=পেট থেকে নিম্নদেশ!
(৭) জান্নাত=বুক থেকে উপর দেশ!
(৮) পুলসিরাত=কামের ঘাট প্রকৃত পক্ষে জান্নাত ও জাহান্নামেরমানসিক অবস্থা।
যারা সম্যক গুরুর ছায়াতলে তারা মুক্ত?

দেহতত্ব: -
(১) আরশ=মন!
(২)কুরসী=দেহ!
(৩) লওহে মাহফুজ=স্মিতি রাজ্য!
( ৪) আসমান=মাথা!
(৫)জমীন=শরীর!
(৬) পাহাড়=বুক!

দেহতত্ব লোকের নাম হলোঃ
(১)দ্যুলোক=মাথা
(২)ভূলোক=দেহ জগত
(৩) অন্তরিক্ষ লোক=হৃদয় বা ব্যুম

দেহতত্ব
সত্য গুরু নিরন্তর- স্মরণ থাকিতে নাহি মরণ- সুখের সময় কর মৃত্যুকে স্মরণ- দুঃখের সময় বাপ গুরুর চরণ, এই হলো মূল মন্ত্র,,,
হে ভক্ত তাতে মুক্তি মিলবে ???
সংগৃহীত

সেই স্তবগান যার প্রতিটি শব্দে কেঁপে ওঠে ফেরেশতা আরশ ও কুরসি।আমার লিখিত এই স্তবগান উৎসর্গ করিলাম - যুগে যুগে নূরে মোহাম্ম...
10/23/2025

সেই স্তবগান যার প্রতিটি শব্দে কেঁপে ওঠে ফেরেশতা আরশ ও কুরসি।

আমার লিখিত এই স্তবগান উৎসর্গ করিলাম - যুগে যুগে নূরে মোহাম্মাদীর তাওহীদ প্রতিষ্ঠায় সহায়তাকারী পবিত্র আত্মাগণের প্রতি-

যাদের রক্তে লিখা তাওহীদের গান,
যাদের নিশ্বাসে জ্বলে আল্লাহর নাম,
যারা আঁধার ভেদে জ্বালায় নূরের দিশা,
নবীর ভালোবাসায় হারায় সব দিশা।

"ইয়া জাল্লা জালালুহু — আরশ কাঁপানো স্তুতি”

"" আশ্রয় চাহি আল্লাহর যেন শয়তান দূরে রয়!
শুরু করিলাম আল্লাহর নামে দয়ালু করুণাময়!

ইয়া রহমান ইয়া রহিম, আল্লাহু আকবার, সুবহানাল্লাহা!
যে নূরে জ্বলে আসমান-জমিন, সব সিজদাহে ভরে তব ইলাহা!

ইয়া মালিকুল মুলক, রাজাধিরাজ, তব শানে বাজে আরশে সুরা,
তুমি কাহারো নও, সবাই তব দাস, তুমি এক, তব মহিমা ভরা!

ইয়া কুদ্দুস, ইয়া সালাম, তব নামেই শান্তির জাহা,
ইয়া মুমিন, ইয়া আজিজ, তব নূরেই কাঁপে পাহাড় ও দাহা!

ইয়া জব্বার, ইয়া মুতাকাব্বির, তব রোষে মুছে যায় সিংহাসন,
যে বলে “লা ইলাহা”, সে পায় তব ভালোবাসার রাশন!

ইয়া খালিক, ইয়া বারি, ইয়া মুসাওয়ির, যিনি দেন রূপ,
ইয়া রায্জাক, ইয়া ফাত্তাহ, তব হাতে রিজিকের ধূপ!

ইয়া আলিম, ইয়া হাকিম, তব জ্ঞানে ঘুরে জগৎ-বীণা,
তব এক হুকুমে কাঁপে মহাবিশ্ব, থেমে যায় সূর্যের রশ্মী-রীণা!

ইয়া সামিউ’, ইয়া বাছির, তুমি শোনো সব আর দেখো সব,
ইয়া হাকাম, ইয়া আদাল, তব ন্যায়েই দাঁড়িয়ে সব রব!

ইয়া লতিফ, ইয়া খবির, তব রহমত নরম হাওয়া,
তুমি জানো অন্তরের কথা, যা জবানেও বলা না যায় বাহা!

ইয়া হালিম, ইয়া আজিম, তব ধৈর্যে ডুবে আকাশ,
ইয়া গফুর, ইয়া শাকুর, তব মাফে মিশে ভালোবাসা আশ!

ইয়া আলী, ইয়া কবির, তুমি মহান, তব তুলনা না হয়,
তুমি যে বল “হও”, তখন ই তা হয়, তব দয়া ছাড়ে না কোনো দায়!

ইয়া হাফিজ, ইয়া মুকিত, তব হেফাজতে আত্মা ঘুমায়,
ইয়া হাসিব, ইয়া জালিল, তব শানে ফেরেশতা উড়ায়!

ইয়া কারিম, ইয়া রাকিব, তব নজরেই নিরাপদ প্রাণ,
তুমি রাখো অন্ধকারে আলো, তব নামেই মুক্তি দান!

ইয়া মুজিব, ইয়া ওয়াদুদ, তব প্রেমে গলে পাথর-রাহা,
ইয়া হাকিম, ইয়া মাজিদ, তব হুকুমে ফোটে সুবহানাহা!

ইয়া বাতিন, ইয়া জাহির, তব নূরে ঢাকা গায়েবের দেশ,
যে তব প্রেমে ডুবে, তারে ঘিরে ফেরেশতার রেশ!

ইয়া আওয়াল, ইয়া আখির, তুমি শুরু, তুমি শেষ,
ইয়া জালিল, ইয়া জামিল, তব নূরেই প্রেমের আবেশ!

ইয়া কাইয়্যুম, ইয়া হাইয়্য, তব জীবনেই প্রাণ জাগে,
তব নামেই শোক হাসে, তব দয়া সব দুঃখ ভাগে!

ইয়া আহাদ, ইয়া সামাদ, তুমি এক, তুমি অদ্বিতীয়,
তব কণ্ঠে বাজে লা ইলাহা, তাওহীদের প্রতিধ্বনি রহস্যীয়!

ইয়া কাহহার, ইয়া মান্নান, তব ভয়েই ঝরে অহংকার,
ইয়া গফফার, ইয়া তাওয়াব, তব প্রেমে পায় মুক্তি বারবার!

ইয়া মুতাআল, ইয়া সাবুর, তব ধৈর্যে গড়ে ধরণী,
ইয়া ওয়াহিদ, ইয়া ওয়ালী, তব সান্নিধ্যেই মুক্ত রুহানী!

ইয়া মুকদ্দিম, ইয়া মুআখখির, তব সময়েই সব বাঁধা,
তুমি চাইলে থেমে যায় তারকা, কাঁদে সাগরের সাধা!

ইয়া নূর, ইয়া হাদি, তুমি পথের চির প্রদীপ,
ইয়া বার, ইয়া দাইয়ান, তব রায়েই সুবহানাল্লাহর নীপ!

ইয়া মুকিত, ইয়া মুঈদ, তুমি ফিরাও আত্মাকে ঘরে,
ইয়া মু’তাল, ইয়া জাববার, তব তকদিরে সবাই ঘুরে!

ইয়া কাদির, ইয়া মুকতাদির, তব ইশারায় নাচে ভবিষ্যৎ, বর্তমান, অতীত!
ইয়া ওয়াকিল, ইয়া ওয়ালী, তব সুরে ফেরেশতার সঙ্গীত!

ইয়া হামিদ, ইয়া মাজিদ, তব বন্দনায় আকাশ মুগ্ধ,
ইয়া কাদিম, ইয়া কাইয়্যুম, তব নামেই আত্মা সুগন্ধ!

ইয়া মালিক, ইয়া রাজ্জাক, তব রহমতে সব জীবন্ত,
ইয়া গনি, ইয়া মুগনি, তব দানে দরিদ্র হয় ধন্যন্ত!

ইয়া রহিম, ইয়া রওফ, তব করুণা আকাশের পার,
ইয়া সালাম, ইয়া নূর, তব মুখে চির ভালোবাসার হার!

লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ ধ্বনিতে ফেটে যায় মাটি, আকাশে বাজে নামের মায়া,
ফেরেশতা কাঁদে, রূহ নাচে, প্রেমে জ্বলে লা ইলাহার ছায়া!

আল্লাহু আকবার! তাওহীদের জাহানে কাঁপে গায়েবি আলো,
যে শুনে এই নূরী ছন্দ, সে হারায় দুনিয়া, পায় পরপার ভালো!

ইয়া আল্লাহ, তব প্রেমে হারাই, তব নূরে বাঁচি,
ইয়া রহমান, ইয়া রহিম, তব মুখে প্রেমের আলো,
তুমি ছাড়া পথ নাই, তব নামেই মুক্তি, তব নামেই ভালো! ""

ইতি- হাফেজ সাইফুল্লাহ মানসুর আবির
(আধ্যাত্মিক সাধক আমিল-এ-কামিল)

10/07/2025

ভাবো একবার…

এখন ২০৩৫ সাল।
তুমি পেছনে তাকাও, আর দেখো—কিছুই তেমন বদলায়নি।

⏳ এখনও টাকার চিন্তায় ভুগছো
😓 এখনও নিজের আর পরিবারের জন্য সময় নেই
🌀 এখনও সেই একঘেয়ে জীবনের ঘূর্ণিতে ঘুরছো

কিন্তু এখন তুমি একটু বয়স্ক, একটু ধীরে চলো।
শরীর ক্লান্ত, মনও কিছুটা ভারী।
এই ভারটা শুধু শরীরের নয় — অনুভূতিরও।

সত্যিটা কী জানো?
তুমি অক্ষম ছিলে না।
তুমি শুধু নিজের “কমফোর্ট জোন”-এ আটকে গিয়েছিলে আর সুযোগটা চলে যেতে দিয়েছিলে।

ওয়ারেন বাফেট বলেছিলেন,

“সবচেয়ে ভালো বিনিয়োগ হচ্ছে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব শুরু করা।”

আর জেফ বেজোস বলেছিলেন,

“আমি ব্যর্থ হলে আফসোস করবো না। কিন্তু চেষ্টা না করলে নিশ্চয়ই করবো।”

তাহলে যদি এখনই শুরু করো — যখন অন্যরা এখনো ভাবছে?
১০ বছর পর তুমি হতে পারো সেই অনুপ্রেরণা, যাকে অন্যরা অনুসরণ করবে।

জীবন বদলাতে একটাই সাহসী সিদ্ধান্তই যথেষ্ট।
আর সেটা শুরু হয় এখানেই — একটিমাত্র কথায়:
“হ্যাঁ, আমি প্রস্তুত।”
For free information registration here:
www.nazmasultana.com




Address

Toronto, ON

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dilruba Digiworld posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Dilruba Digiworld:

Share