Organic food shop

Organic food shop good food good health

27/07/2025
✅মধুর উপকারিতাশক্তি প্রদায়ী : মধু ভালো শক্তি প্রদায়ী খাদ্য। তাপ ও শক্তির ভালো উৎস। মধু দেহে তাপ ও শক্তি জুগিয়ে শরীরকে সু...
17/11/2022

✅মধুর উপকারিতা

শক্তি প্রদায়ী : মধু ভালো শক্তি প্রদায়ী খাদ্য। তাপ ও শক্তির ভালো উৎস। মধু দেহে তাপ ও শক্তি জুগিয়ে শরীরকে সুস্থ রাখে।

হজমে সহায়তা: এতে যে শর্করা থাকে, তা সহজেই হজম হয়। কারণ, এতে যে ডেক্সট্রিন থাকে, তা সরাসরি রক্তে প্রবেশ করে এবং তাৎক্ষণিকভাবে ক্রিয়া করে। পেটরোগা মানুষের জন্য মধু বিশেষ উপকারী।

কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে: মধুতে রয়েছে ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স। এটি ডায়রিয়া ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। ১ চা–চামচ খাঁটি মধু ভোরবেলা পান করলে কোষ্ঠবদ্ধতা এবং অম্লত্ব দূর হয়।

রক্তশূন্যতায়: মধু রক্তের হিমোগ্লোবিন গঠনে সহায়তা করে বলে এটি রক্তশূন্যতায় বেশ ফলদায়ক। কারণ, এতে থাকে খুব বেশি পরিমাণে কপার, লৌহ ও ম্যাঙ্গানিজ।

ফুসফুসের যাবতীয় রোগ ও শ্বাসকষ্ট নিরাময়ে: বলা হয়, ফুসফুসের যাবতীয় রোগে মধু উপকারী। যদি একজন অ্যাজমা (শ্বাসকষ্ট) রোগীর নাকের কাছে মধু ধরে শ্বাস টেনে নেওয়া হয়, তাহলে সে স্বাভাবিক এবং গভীরভাবে শ্বাস টেনে নিতে পারবে। অনেকে মনে করে, এক বছরের পুরোনো মধু শ্বাসকষ্টের রোগীদের জন্য বেশ ভালো।

অনিদ্রায়: মধু অনিদ্রার ভালো ওষুধ। রাতে শোয়ার আগে এক গ্লাস পানির সঙ্গে দুই চা–চামচ মধু মিশিয়ে খেলে এটি গভীর ঘুম ও সম্মোহনের কাজ করে।

প্রশান্তিদায়ক পানীয়: হালকা গরম দুধের সঙ্গে মিশ্রিত মধু একটি প্রশান্তিদায়ক পানীয়।

মুখগহ্বরের স্বাস্থ্য রক্ষায়: মুখগহ্বরের স্বাস্থ্য রক্ষায় মধু ব্যবহৃত হয়। এটা দাঁতের ওপর ব্যবহার করলে দাঁতের ক্ষয়রোধ করে। দাঁতে পাথর জমাট বাঁধা রোধ করে এবং দাঁত পড়ে যাওয়াকে বিলম্বিত করে। মধু রক্তনালিকে সম্প্রসারিত করে দাঁতের মাড়ির স্বাস্থ্য রক্ষা করে। যদি মুখের ঘায়ের জন্য গর্ত হয়, এটি সেই গর্ত ভরাট করতে সাহায্য করে এবং সেখানে পুঁজ জমতে দেয় না। মধু মিশ্রিত পানি দিয়ে গড়গড়া করলে মাড়ির প্রদাহ দূর হয়।

পাকস্থলীর সুস্থতায়: মধু পাকস্থলীর কাজকে জোরালো করে এবং হজমের গোলমাল দূর করে। এর ব্যবহার হাইড্রোক্রলিক অ্যাসিড ক্ষরণ কমিয়ে দেয় বলে অরুচি, বমিভাব, বুকজ্বালা এগুলো দূর করা সম্ভব হয়।

তাপ উৎপাদনে: শীতের ঠান্ডায় এটি শরীরকে গরম রাখে। এক অথবা দুই চা–চামচ মধু এক কাপ ফুটানো পানির সঙ্গে খেলে শরীর ঝরঝরে ও তাজা থাকে।

পানিশূন্যতায়: ডায়রিয়া হলে এক লিটার পানিতে ৫০ মিলিলিটার মধু মিশিয়ে খেলে দেহে পানিশূন্যতা রোধ করা যায়।

দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে: চোখের জন্য ভালো। গাজরের রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খেলে দৃষ্টিশক্তি বাড়ে।

রূপচর্চায়: মেয়েদের রূপচর্চার ক্ষেত্রে মাস্ক হিসেবে মধুর ব্যবহার বেশ জনপ্রিয়। মুখের ত্বকের মসৃণতা বৃদ্ধির জন্যও মধু ব্যবহৃত হয়।

ওজন কমাতে: মধুতে নেই কোনো চর্বি। পেট পরিষ্কার করে, চর্বি কমায়, ফলে ওজন কমে।

হজমে সহায়তা: মধু প্রাকৃতিকভাবেই মিষ্টি। তাই মধু সহজে হজম হয় এবং হজমে সহায়তা করে।

গলার স্বর: গলার স্বর সুন্দর ও মধুর করে।

তারুণ্য বজায় রাখতে: তারুণ্য বজায় রাখতে মধুর ভূমিকা অপরিহার্য। এটি অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট, যা ত্বকের রং ও ত্বক সুন্দর করে। ত্বকের ভাঁজ পড়া ও বুড়িয়ে যাওয়া রোধ করে। শরীরের সামগ্রিক শক্তি ও তারুণ্য বাড়ায়।

হাড় ও দাঁত গঠনে: মধুর গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ ক্যালসিয়াম। ক্যালসিয়াম দাঁত, হাড়, চুলের গোড়া শক্ত রাখে, নখের ঔজ্জ্বল্য বৃদ্ধি করে, ভঙ্গুরতা রোধ করে।

রক্তশূন্যতা ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে: এতে রয়েছে ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স, যা রক্তশূন্যতা ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।

আমাশয় ও পেটের পীড়া নিরাময়ে: পুরোনো আমাশয় এবং পেটের পীড়া নিরাময়সহ নানাবিধ জটিল রোগের উপকার করে থাকে।

হাঁপানি রোধে: আধা গ্রাম গুঁড়ো করা গোলমরিচের সঙ্গে সমপরিমাণ মধু এবং আদা মেশান। দিনে অন্তত তিনবার এই মিশ্রণ খান। এটা হাঁপানি রোধে সহায়তা করে।

উচ্চ রক্তচাপ কমায়: দুই চামচ মধুর সঙ্গে এক চামচ রসুনের রস মেশান। সকাল-সন্ধ্যা দুইবার এই মিশ্রণ খান। প্রতিনিয়ত এটার ব্যবহার উচ্চ রক্তচাপ কমায়। প্রতিদিন সকালে খাওয়ার এক ঘণ্টা আগে খাওয়া উচিত।

রক্ত পরিষ্কারক: এক গ্লাস গরম পানির সঙ্গে এক বা দুই চামচ মধু ও এক চামচ লেবুর রস মেশান। পেট খালি করার আগে প্রতিদিন এই মিশ্রণ খান। এটা রক্ত পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। তা ছাড়া রক্তনালিগুলোও পরিষ্কার করে।

রক্ত উৎপাদনে সহায়তা: রক্ত উৎপাদনকারী উপকরণ আয়রন রয়েছে মধুতে। আয়রন রক্তের উপাদানকে (আরবিসি, ডব্লিউবিসি, প্লাটিলেট) অধিক কার্যকর ও শক্তিশালী করে।

হৃদ্‌রোগে: এক চামচ মৌরি গুঁড়োর সঙ্গে এক বা দুই চামচ মধুর মিশ্রণ হৃদ্‌রোগের টনিক হিসেবে কাজ করে। এটা হৃৎপেশিকে সবল করে এবং এর কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

রোগ প্রতিরোধশক্তি বাড়ায়: মধু শরীরের রোগ প্রতিরোধশক্তি বাড়ায় এবং শরীরের ভেতরে এবং বাইরে যেকোনো ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ প্রতিহত করার ক্ষমতাও জোগান দেয়। মধুতে আছে একধরনের ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধকারী উপাদান, যা অনাকাঙ্ক্ষিত সংক্রমণ থেকে দেহকে রক্ষা করে।

🌾😮চিয়া সিড আপনি কেন খাবেন?😮🌾চিয়া সিড এর ভিতর এমন কি আছে যে,  এখন সকলে চিয়া সীড খাওয়ার দিকে ঝুকছে !!!চিয়া সীডের পুষ্টিগুণ...
11/11/2022

🌾😮চিয়া সিড আপনি কেন খাবেন?😮🌾
চিয়া সিড এর ভিতর এমন কি আছে যে, এখন সকলে চিয়া সীড খাওয়ার দিকে ঝুকছে !!!

চিয়া সীডের পুষ্টিগুণঃ
🔥দুধের চেয়ে ৫ গুণ বেশী ক্যালসিয়াম।
🔥কমলার চেয়ে ৭ গুণ বেশি ভিটামিন সি।
🔥পালং শাকের চেয়ে ৩ গুণ বেশী আয়রন (লোহা)।
🔥কলার চেয়ে দ্বিগুণ পটাশিয়াম।
🔥মুরগির ডিম এর থেকে ৩ গুন।
🔥স্যামন মাছের থেকে ৮ গুণ বেশী ওমেগা-৩।

এক আউন্স (২৮ গ্রাম) চিয়া সিডে আছেঃ
✅এনার্জি – ১৩৭ ক্যালোরি
✅ফাইবার- ১১ গ্রাম
✅প্রোটিন- ৪ গ্রাম
✅ফ্যাট- ৯ গ্রাম (যার ৫ গ্রাম আবার Omega-3s)
✅ক্যালসিয়াম- RDA (Recommended Dietary Allowance) এর ১৮%
✅ম্যাঙ্গানিজ- RDA এর ৩০%
✅ম্যাগনেসিয়াম- RDA এর ৩০%
✅ফসফরাস- RDA এর ২৭%
✅সমুচিত পরিমাণে জিঙ্ক, ভিটামিন বি৩ (নায়াসিন), পটাশিয়াম, ✅ভিটামিন বি১ (থায়ামিন) ও ভিটামিন বি২
✅কার্বোহাইড্রেড – ৩ গ্রাম
✅জিঙ্ক – ১ মিলিগ্রাম
✅কপার– ১ মিলিগ্রাম,
✅পটাশিয়াম – ৮ মিলিগ্রাম,

🌾চিয়া সিড বা বীজ কি?🌾
Chia Seeds বা চিয়া বীজ হচ্ছে সালভিয়া হিস্পানিকা নামক মিনট প্রজাতির উদ্ভিদের বীজ। চিয়া সিডস মুলত মধ্য আমেরিকা ও মেক্সিকোর মরুভূমি অঞ্চলে বেশি জন্মায়। প্রাচীন অ্যাজটেক জাতির খাদ্য তালিকায় এটি অন্তর্ভুক্ত বলে বিশেষজ্ঞরা দাবি করে থাকে। এগুলো দেখতে অনেকটা তোকমা দানার মতো।

💚চিয়া সীডের ১৫টি উপকারিতা💚

১। এটা শক্তি এবং কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করে
২। চিয়া সীড রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী করে
৩। চিয়া বীজ ওজন কমাতে সহায়তা করে
৪। চিয়া সিড ব্লাড সুগার (রক্তের চিনি) স্বাভাবিক রাখে, ফলে ডায়াবেটিস
হওয়ার ঝুঁকি কমায়
৫। চিয়া বীজ হাড়ের স্বাস্থ্য রক্ষায় বিশেষ উপকারি
৬। চিয়া সিড মলাশয় (colon) পরিষ্কার রাখে ফলে কোলন ক্যান্সারের
ঝুঁকি কমায়
৭। চিয়া সিড শরীর থেকে টক্সিন (বিষাক্ত পদার্থ) বের করে দেয়
৮। চিয়া সীড প্রদাহজনিত সমস্যা দূর করে
৯। চিয়া সীড ভাল ঘুম হতে সাহায্য করে
১০। চিয়া বীজ ক্যান্সার রোধ করে
১১। চিয়া সিড হজমে সহায়তা করে
১২। চিয়া বীজ হাঁটু ও জয়েন্টের ব্যথা দূর করে
১৩। চিয়া সীড এটেনশান ডেফিসিট হাইপার এক্টিভিটি ডিসর্ডার
(Attention deficit hyperactivity disorder ADHD) দূর করে
১৪। চিয়া সিড ত্বক, চুল ও নখ সুন্দর রাখে
১৫। চিয়া সীড গৃহপালিত পশুর খাদ্য হিসেবেও ব্যবহৃত হয়

খাবারের নিয়মঃ

দ্রুত ওজন কমাতে খালি পেটে সকালে এবং রাতে ঘুমানোর আগে ১গ্লাস পানির মধ্যে ২ চা চামচ চিয়া সিড ও ২ চামচ লেবুর রস মিশিয়ে খেলে ভালো ফলাফল পাওয়া যাবে।খাওয়ার ৩০মিনিট আগে নরমাল পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে।

প্রাইস কমেন্টবক্স এ দিয়ে দেয়া হয়েছে। অর্ডার করতে আপনার নাম/ঠিকানা/ফোন নাম্বার দিয়ে আমাদের পেজ এর ইনবক্সে অর্ডার করুন।

কেন খাবেন মিক্সড ড্রাই ফ্রুটস 🤷🤷‍♂️❔নাস্তার তালিকায় প্রায় সব সময়ই থাকে ড্রাই ফ্রুটসের নাম। কাজুবাদাম, কাজু, কিসমিস, আলুব...
28/08/2022

কেন খাবেন মিক্সড ড্রাই ফ্রুটস 🤷🤷‍♂️❔

নাস্তার তালিকায় প্রায় সব সময়ই থাকে ড্রাই ফ্রুটসের নাম। কাজুবাদাম, কাজু, কিসমিস, আলুবোখারা ছাড়াও আরও বিভিন্ন ধরনের ড্রাই ফ্রুটস পাওয়া যায় দোকানে। ড্রাই ফ্রুটস আসলে তাজা ফলকে শুকিয়ে প্রস্তুত করা হয়। ফলকে সূর্যের তাপে শুকানো হয় অথবা প্রযুক্তি ব্যবহার করে শুকানো হয়। ফলের ভেতরের পানি সম্পূর্ণ শুকিয়ে নেওয়ার কারণে তা অনেক দিন পর্যন্ত স্টোর করা সম্ভব। যেকোনো সময়ের নাস্তার জন্য যথেষ্ট উপযুক্ত এই ড্রাই ফ্রুটস।
শুধু নাস্তা হিসেবেই নয় বরং ড্রাই ফ্রুটস শরীরের জন্য অনেক ফলপ্রসূ। নানাভাবে শরীরের উপকার করে থাকে।

মিক্সড ড্রাই ফ্রুটসের কিছু গুনাগুণ

✅ ওজন কমাতে সাহায্য করে ড্রাই ফ্রুটস।
✅ ড্রাই ফ্রুটস এ প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন থাকে।
✅ অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলিতে সমৃদ্ধ থাকে।
✅ খারাপ কোলেস্টেরল কমিয়ে ভাল কোলেস্টেরল বাড়ায়।
✅ হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাস করতে সাহায্য করে।
✅ এনার্জি বুস্ট করতে সাহায্য করে ।
✅ ওজন হ্রাস সাহায্য করে।
✅ ম্যাগনেসিয়াম, মিনারেল এবং ভিটামিন ই এর মতো মূল্যবান পুষ্টি উপাদান রয়ে
যেকোন প্রয়োজনে আমাদের মেসেঞ্জার অথবা হট-লাইন নাম্বারে কল দিন - 01975717650

Adresse

Democratic Republic Of The

Téléphone

+8801975717650

Site Web

Notifications

Soyez le premier à savoir et laissez-nous vous envoyer un courriel lorsque Organic food shop publie des nouvelles et des promotions. Votre adresse e-mail ne sera pas utilisée à d'autres fins, et vous pouvez vous désabonner à tout moment.

Contacter L'entreprise

Envoyer un message à Organic food shop:

Partager