Success Language Care Uttara

Success Language Care Uttara The Future Begins Here.

23/01/2025

যারা উচ্চ শিক্ষা নিতে বিদেশে যেতে ইচ্ছুক।
কম CGPA নিয়ে স্কলারশিপ জেতার কৌশল👇

✅উচ্চশিক্ষার জন্য স্কলারশিপ অর্জন করা ক্যারিয়ার গঠনের এক অসাধারণ সুযোগ। তবে অনেকেরই প্রশ্ন থাকে, কম CGPA নিয়ে কি স্কলারশিপ পাওয়া সম্ভব? সঠিক পরিকল্পনা, কৌশল এবং প্রস্তুতি থাকলে কম CGPA নিয়েও বিদেশে পড়াশোনার সুযোগ তৈরি করা সম্ভব। এখানে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ তুলে ধরা হলো, যা আপনাকে স্কলারশিপ জেতার পথে সহায়তা করবে।

✅যদি আপনার CGPA কম থাকে, তবে কর্মজীবনের অভিজ্ঞতা আপনাকে এগিয়ে রাখতে পারে। বিভিন্ন স্কলারশিপ প্রোগ্রামে একাডেমিক সাফল্যের পাশাপাশি কর্মক্ষেত্রে দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতাও মূল্যায়ন করা হয়। তাই বিষয় সংশ্লিষ্ট ইন্টার্নশিপ বা পেশাদার অভিজ্ঞতা অর্জনের চেষ্টা করুন। উদাহরণস্বরূপ, গবেষণার সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো প্রজেক্টে কাজ করলে সেটি আপনার প্রোফাইলকে আকর্ষণীয় করে তুলবে। কর্মজীবনের এই অর্জনগুলো আপনার একাডেমিক সীমাবদ্ধতা পুষিয়ে দিতে সাহায্য করবে।

✅স্কলারশিপ আবেদনের ক্ষেত্রে স্টেটমেন্ট অফ পারপাস (SOP) একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দলিল। এটি আপনার একাডেমিক সীমাবদ্ধতাকে পেছনে ফেলে আপনার লক্ষ্য এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরার সুযোগ দেয়। SOP লিখতে গিয়ে CGPA কম হওয়ার কারণ উল্লেখ করুন, তবে সেটিকে ইতিবাচকভাবে উপস্থাপন করুন। কীভাবে আপনি সেই সীমাবদ্ধতাকে কাটিয়ে উঠেছেন এবং স্কলারশিপ পেলে ভবিষ্যতে কীভাবে আপনার লক্ষ্য পূরণ করবেন, তা পরিষ্কারভাবে লিখুন। SOP এমনভাবে তৈরি করুন, যাতে স্কলারশিপ কমিটি আপনার অধ্যবসায় এবং সম্ভাবনা সম্পর্কে নিশ্চিত হয়। প্রয়োজনে SOP তৈরি করার পর তা অভিজ্ঞ কারো কাছ থেকে পর্যালোচনা করান।

✅রেফারেন্স লেটার স্কলারশিপ প্রক্রিয়ায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আপনার প্রফেসর বা কর্মক্ষেত্রের উর্ধ্বতন কেউ যদি আপনার পক্ষে ইতিবাচক সুপারিশ পত্র দেন, তবে এটি আপনার আবেদনকে শক্তিশালী করে তুলবে। রেফারেন্স লেটারে আপনার নেতৃত্বগুণ, কাজের দক্ষতা এবং সৃজনশীলতার উল্লেখ থাকতে হবে। সুপারিশ পত্রে প্রফেসরদের আপনার CGPA কম হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করার পাশাপাশি অন্যান্য অর্জনের কথা তুলে ধরার অনুরোধ করুন। এটি আপনার প্রোফাইলকে আরও গ্রহণযোগ্য করে তুলবে।

✅বেশ কিছু স্কলারশিপ প্রোগ্রামে ইন্টারভিউ নেওয়া হয়। যদি ইন্টারভিউয়ের ডাক পান, তবে তা আপনার জন্য নিজেকে প্রমাণ করার একটি বড় সুযোগ। ইন্টারভিউতে আপনার CGPA কম হওয়ার কারণ স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করুন, তবে একইসঙ্গে আপনার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং লক্ষ্য সম্পর্কে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে কথা বলুন। ইন্টারভিউয়ের সময় ইতিবাচক মনোভাব বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। স্কলারশিপ কমিটি আপনার আগ্রহ, উদ্যম এবং সংকল্প দেখে সিদ্ধান্ত নেয়। তাই নিজেকে প্রস্তুত রাখুন এবং আপনার সামর্থ্য প্রমাণ করুন।

✅আন্তর্জাতিক স্কলারশিপের ক্ষেত্রে IELTS, TOEFL, GRE, অথবা GMAT পরীক্ষার স্কোর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উচ্চ স্কোর আপনাকে প্রতিযোগিতায় এগিয়ে রাখে এবং কম CGPA থাকা সত্ত্বেও আপনার দক্ষতা প্রমাণ করে। তাই সময়মতো এসব পরীক্ষার প্রস্তুতি নিন এবং ভালো স্কোর অর্জন করার চেষ্টা করুন। এটি আপনার আবেদনকে আরও শক্তিশালী করবে।
সবশেষে, আপনার মনোভাবই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। CGPA কম থাকলেও, আত্মবিশ্বাস এবং ইতিবাচক মনোভাব আপনাকে সাফল্যের পথে এগিয়ে নিতে পারে। অনেক শিক্ষার্থী ২.৫ বা তার কম CGPA নিয়ে স্কলারশিপ পেয়ে বিদেশে উচ্চশিক্ষার সুযোগ পেয়েছেন। তাদের অভিজ্ঞতা প্রমাণ করে যে সঠিক কৌশল ও প্রচেষ্টার মাধ্যমে যে কেউ সফল হতে পারে।

©️Azizul Haque

পড়ে দেখেন যদি উপকার হয়।বিদেশে পড়াশোনার গাইডলাইন: IELTS, GRE, SAT প্রস্তুতির সম্পূর্ণ রোডম্যাপএই গাইডে রয়েছে:বিদেশি ইনট...
21/12/2024

পড়ে দেখেন যদি উপকার হয়।
বিদেশে পড়াশোনার গাইডলাইন: IELTS, GRE, SAT প্রস্তুতির সম্পূর্ণ রোডম্যাপ
এই গাইডে রয়েছে:

বিদেশি ইনটেকের সম্পূর্ণ তথ্য
IELTS, GRE, SAT পরীক্ষা কখন দিবেন তা নিয়ে গাইডলাইন
১৮ মাস আগে থেকে ভর্তি পর্যন্ত সম্পূর্ণ টাইমলাইন
আর্থিক পরিকল্পনা এবং বাজেট
পেশাদার পরামর্শ এবং সতর্কবাণী

যা জানতে পারবেন:

কখন প্রস্তুতি শুরু করবেন
কীভাবে পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিবেন

31/10/2024

আমার নিজের শহর হচ্ছে সিলেট। এই শহরের রাস্তায় যদি আপনি হাঁটাহাঁটি করেন তাহলে ২০-২৫ বছরের ছেলেদের খুব কমই দেখবেন। লাস্ট ২ বছরের ব্যবধানে এই শহরে তরুণ- তরুণীদের সংখ্যা সিগনিফিক্যান্টলি ডিকলাইন হয়েছে।

পুরো দুনিয়ায় যেভাবে ভারতীয়রা থাকে ঠিক তেমনি পুরো ইউরোপের আনাচে কানাচে সিলেটিদের পাবেন। অল্প যে কয়জনকে এখনো রাস্তাঘাটে দেখতে পাবেন এদের সবার প্রসেসিং চলতেছে অথবা এরা এদের সর্বোচ্চ দিয়ে IELTS এর একটা ভালো স্কোর পেয়ে দেশ ছাড়তে চাচ্ছে।

সিলেটিদের রাস্তায় আন্দোলনে পাবেন না, মিডিয়া কভারেজে পাবেন না, নিজেদের বিশ্ববিদ্যালয়েও এদের পাবেন না, সিনেমা-নাটকেও পাবেন না, এদের রাজনীতির মাঠেও পাবেন না।

এরা শুধু ইউরোপ বুঝে, এরা বুঝে এডুকেশন একটা স্ক্যাম, এরা ধরে নিয়েছে ৭০ বছরের ছোট্ট একটা জীবনে বাজে কোনো এক্সপেরিয়েন্স নেওয়ার সুযোগ নেই, এরা বুঝে অর্থনীতি, এরা বুঝে সুখ, এরা বুঝে ফ্যামিলির প্রয়োরিটি মিট করা, এরা খুঁজে নেয় ডলার পাউন্ডে সুখ।

আপনি আমার জীবন থেকে ৩০ বছর কেড়ে নিয়ে আমার সিভি ডাস্টবিনে ফেলে দিবেন একজন সিলেটি এই সুযোগই দিতে চায়না। এরা জীবনকে একটু বেশিই ভালোবাসে, এরা আসলে অপচয়ে নেই।

-Shafi Mahbub

The Page Of Voice

30/09/2024

❣️❣️❣️❣️❣️জেনে রাখা ভালো।
📚 ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর ইনটেকের জন্য উচ্চশিক্ষা!
বিদেশে পড়াশোনা করতে চান?এখানে জনপ্রিয় কিছু দেশের জন্য সঠিক আবেদন সময়সীমার একটি তালিকা:

🇺🇸 যুক্তরাষ্ট্র (USA)
- আবেদন শুরুর সময়: ১ ডিসেম্বর ২০২৪ - ১৫ জানুয়ারি ২০২৫
- আবেদনের শেষ সময়: ১৫ মার্চ - ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (কিছু ক্ষেত্রে মে/জুন পর্যন্ত)
🇨🇦 কানাডা
- আবেদন শুরুর সময়: ৩০ জানুয়ারি ২০২৫
- আবেদনের শেষ সময়: ১ মার্চ - ৩১ মে ২০২৫
🇩🇰 ডেনমার্ক
- আবেদন শুরুর সময়: ১ নভেম্বর ২০২৪
- আবেদনের শেষ সময়: ১ মার্চ ২০২৫
🇫🇮 ফিনল্যান্ড
- আবেদন শুরুর সময়: ১ জানুয়ারি ২০২৫
- আবেদনের শেষ সময়: ১৫ মার্চ - ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (কিছু ক্ষেত্রে মে পর্যন্ত)
🇳🇱 নেদারল্যান্ডস
- আবেদন শুরুর সময়: ১ ডিসেম্বর ২০২৪ - ১৫ জানুয়ারি ২০২৫
- আবেদনের শেষ সময়: ৩০ এপ্রিল - ৩১ মে ২০২৫
🇦🇺 অস্ট্রেলিয়া
- আবেদন শুরুর সময়: ১ জানুয়ারি ২০২৫
- আবেদনের শেষ সময়: ৩০ জুন - ৩১ জুলাই ২০২৫
🇳🇴 নরওয়ে
- আবেদন শুরুর সময়: ৩০ অক্টোবর ২০২৪
- আবেদনের শেষ সময়: ১ জানুয়ারি - ৩১ মার্চ ২০২৫
🇦🇹 অস্ট্রিয়া
- আবেদন শুরুর সময়: ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৫
- আবেদনের শেষ সময়: ১ মার্চ - ৩০ এপ্রিল ২০২৫
🇬🇧 যুক্তরাজ্য (UK)
- আবেদন শুরুর সময়: ১ অক্টোবর ২০২৪ - ৩১ জানুয়ারি ২০২৫
- আবেদনের শেষ সময়: ১ মে - ৩০ জুন ২০২৫

Collected ©️

27/09/2024

SAT একটা খুবই অবহেলিত পরীক্ষা। বাংলাদেশিরা এখনো SAT-র গুরুত্ব টা বুঝে না।
বুঝলে, দেশে যতগুলা IELTS টিচার আছে, তার চেয়ে আরো ১০ গুণ বেশি SAT টিচার থাকতো।
আমি একদম সংক্ষিপ্ত আকারে বোঝানোর চেষ্টা করি।
USA 🇺🇸 তে কিছু ভার্সিটিতে পড়তে প্রতি বছর টিউশন ফী দিতে হয় প্রায় $২৫০০০। ৪ বছরে সেটা হয়ে যায় এক লক্ষ ডলার যা বর্তমানে বাংলা টাকায় প্রায় এক কোটি পচিশ লক্ষ। একটা ভালো স্কোর আনতে পারলে আপনি এই পুরো এক কোটি পচিশ লক্ষ টাকা স্কলারশিপ পেয়ে যাচ্ছেন।
মানলাম SAT কঠিন।
মানলাম SAT দিতে একটু ভয় লাগে।
কিন্তু কয়েকমাস পড়ে যদি আপনি এক কোটি টাকা কমাতে পারেন, তাইলে কেন SAT দিবেন না?
…………….
লিখেছেন: দীপ্র প্রত্যয়
Dipro Prattoy

চেষ্টায় অনেক কিছু হয়। কিভাবে শুরু করব জানিনা, মাথায় এতকিছু জট পেকে আছে, কোনটা দিয়ে শুরু করা উচিত আসলেই বুঝতে পারছি না। ত...
28/06/2024

চেষ্টায় অনেক কিছু হয়।

কিভাবে শুরু করব জানিনা, মাথায় এতকিছু জট পেকে আছে, কোনটা দিয়ে শুরু করা উচিত আসলেই বুঝতে পারছি না। তবে এই দীর্ঘ জার্নিতে একটা লাইন বার বার মনে পড়ত, সেটা দিয়েই শুরু করি।
Hello boy! Higher study is not for the students like you with this poor CGPA, it is for those only 2/3 students who would be faculty of this department.
আলহামদুলিল্লাহ, ১২ টা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইন্টারভিউ দিয়েছি, ১২ টা থেকেই স্কলারশিপ পেয়েছি; সবগুলোই 50-200 US rank এর মধ্যে। মানুষ সাধারণত এডমিশন পায় সহজে, কিন্তু স্কলারশিপ পেতে কষ্ট হয়। আর আমি যেই প্রফেসরের সাথে ইন্টারভিউ দেই, তিনিই ফান্ড দেন, কিন্তু এই bloody লো সিজিপিএ এর কারণে এডমিশন হয়না। যাইহোক, ধন্যবাদ দিয়ে শুরু করি ৩৩ ক্রেডিট আন্দোলনের সময়ে সেইসব হুমকিদানকারী মানুষগুলোকে, আর রেজাল্টের উপর সেটার ব্রুটাল ইফেক্ট গুলোকে, যেগুলো না হলে হায়ার স্টাডির স্বপ্ন স্বপ্নই থেকে যেত। সেইসময় এবং পরবর্তী ৪ বছর সিভিলের সি আর ছিলাম একটানা। বাকি টা আশা করি আর বলে বোঝানো লাগবে না।
পৃথিবীর সকল যায়গায় একবার রেজাল্ট খারাপ করলেও যেমন কাম ব্যাক করা যায়, আমাদের রুয়েট সিভিলে সেটা অন্তত আর হয় না। হলেও সেটা অত্যন্ত ব্যতিক্রমধর্মী উদাহরণ। বিহাইন্ড দ্যা সিন সকলেই অবগত। সো, আর বললাম না।
যেহেতু শত চেষ্টা করেও আর কামব্যাক করতে পারছিলাম না, তখন (সেকেন্ড ইয়ার, ২০১৬) ভাবলাম রিসার্চ শুরু করি। কিন্ত সমস্যা হল, আমরা ভাবি যে, রিসার্চ করতে গেলে প্রফেসর ছাড়া হয়না। তো, গেলাম অনেক প্রফেসরের কাছে সাহায্যের আশায়, কিন্তু তাদের রিপ্লাই কি ছিল আশা করি সেটা সকলের অনুমেয়। উপায় খুজতে লাগলাম। তখন ভাগ্যক্রমে পেয়ে গেলাম Monami আপু কে, আর আপু র থ্রুতে জাপানে মাস্টার্সরত Faysal ভাই কে, সাল তখন ২০১৭। যোগাযোগ করলাম, আর বললাম ভাই আপনার মাস্টার্স এর কোর্স, ডাটা, ল্যাব এর কাজকারবার সব শেয়ার করেন, আপনাকে আমাকে কিছুই শেখাতে হবেনা, আমিই শিখে নিব। এরপর আমি একা একা সেগুলো অনলাইনে বসে বসে শিখতে লাগলাম, আর রিসার্চ, ডেটা এনালাইসিস, পেপার লেখা শুরু করলাম। একটু একটু করে শিখতে লাগলাম স্টাটিক্স, মেশিন লার্নিং, ডিপলার্নিং এসব আর সিভিলের বিভিন্ন ফিল্ডে এগুলোর এপ্লিকেশন। এরপর অন্যান্য পেপার লেখা দেখে দেখে, শিখে শিখে, নিজে পুরা কাজ শেষ করে পেপার লিখে ভাই কে দিতাম, আর ভাই রিভিউ করে বিভিন্ন জার্নালে সাবমিট করতেন। এভাবেই একটু একটু করে আগাচ্ছিলাম। রোজার ৪০ দিনের ছুটিতেও বাড়িতে যেতাম না, একা একা এসব রিসার্চের কাজ করতে লাগলাম আর পেপার পাবলিশ করতে থাকলাম। যদিও প্রথম দিককার পেপারগুলা তেমন কোন জাতের পেপার ছিলনা, তবে একেবারে প্রিডেটরি জার্নালেও ছিলনা। এখন অবশ্য ওগুলা দেখলে হাসি পায়! যাইহোক, এরপর ডিপার্টমেন্টের বড় ভাই-আপু দের রিসার্চের কাজে হেল্প করতাম। মনে আছে, Poly আপু র সাথে ওয়াটার নিয়ে কাজ করার সময় ফজরের আজানের পর নিজের সাইকেল নিয়ে বের হয়ে রাজশাহীর বিভিন্ন লোকেশনের পানি কালেক্ট করে পুরা সাইকেল লোড করে ল্যাবে আসতাম, ক্লাস করতাম আর ফাকে ফাকে যেয়ে ওগুলো টেস্ট করতাম। যেহেতু কোন রকম সুপারভাইজর ছাড়া কাজ করছিলাম, কোন প্রকার গাইডেন্স ছাড়া মেশিনের মত শুধু কাজই করতাম।
এভাবেই চলছিল। ২০১৯ সাল, চতুর্থ বর্ষ, HM Rasel স্যারের ক্লাসে ফ্লাড ফোরকাস্টীং পড়ানোর সময়ে আমার কিছু রেস্পন্স দেখে স্যার তার রুমে ডাকলেন, এবং আমার এসব মেথড কিভাবে শিখেছি, কি ব্যাপার এগুলো জানতে চাইলেন, এবং বললেন, এগুলো নাকি তিনি তার পিএইচডি লেভেলে কাজ করেছেন। এরপর তো পেয়ে গেলাম মাথার উপর একটি ছায়া। স্যার ও হাত বাড়িয়ে দিলেন আমার সাথে কাজের। বেশ কিছু পেপার বের হল সেখান থেকে। সাথে উনি যেভাবে আমাকে পারসোনাল এবং প্রফেশনাল লাইফে হেল্প করেছেন, আমি আরিফ, এই মানুষটার কাছে আমৃত্যু কৃতজ্ঞ থাকব।
এরপর রুয়েট থেকে বের হওয়ার কিছুদিন আগে থেকে মাসখানেক জিআরই প্রিপারেশন নিলাম। রুয়েটে একটিভ কোন হায়ার স্টাডি ক্লাব নাই। নিজের টিউশনের জমানো টাকা দিয়ে বিভিন্ন সেমিনারে যেয়ে যেয়ে হায়ার স্টাডি সম্পর্কে জেনেছি, দিকনির্দেশনাহীন ভাবে প্রিপারেশন নিয়েছি। ফলাফল, ভুলভাল স্কোর। যেদিন জিআরই এক্সাম তার আগের দিন বিকালে রেজাল্ট দিল ফাইনাল ইয়ারের, একটা সাবজেক্টের ব্যাকলগ এক্সামেও ফেইল, কিছুদিন পরেই কনভোকেশন ছিল। তাহলে জিআরই এক্সাম দিয়ে আর কি করব, হায়ার স্টাডির এপ্লিকেশনের জন্য আসন্ন সেমিস্টার ও আর ধরতে পারব না, কারণ শর্ট সেমিস্টার লাগবে রুয়েট থেকে পাশ করে বের হতে। এর ১ মাস পরে ডিসেম্বরে ছিল কনভোকেশন, আর ঐদিন আমার ছিল শর্টের ক্লাস টেস্ট। বাবা-মাকে গাউন পরাতে পারি নাই, মানসিক ভাবে ভেঙ্গে চুরে শেষ একেবারে!
২০২০ সাল, ঢাকায় এসে টিউশন করি তখন, শীতকালের সেই প্রতি শুক্রবার রুয়েটে আসা-যাওয়া করি। রাতের বাসে যেয়ে ভোরে নামি, ক্যম্পাসে একা হাটাহাটি করি, সিটি দেই, এরপর সন্ধ্যার বাসে আবার ঢাকা ফিরি। তার কিছুদিন পরেই আলহামদুলিল্লাহ প্রথম এপ্লিকেশনেই প্রথম জব পাই একটি রিসার্চ ফার্মে। তখন আমার ১২ টা পাবলিকেশন। ৯ জন ম্যানেজার রিক্রুটমেন্ট এর কথা থাকলেও আমার এক্সেপশনাল প্রোফাইল দেখে তারা আমাকেও নিয়ে নিল। অফিসার হিসেবে জয়েন করলাম। রিসার্চ জিনিসটা ভাল লাগায় মনে প্রাণে কাজ করতাম মেশিনের মত। অফিস, পারসোনাল রিসার্চ, হায়ার স্টাডির প্রিপারেশন সব সমানে চলতে থাকল। ৩ বছরে রেকর্ড করলাম অফিসার থেকে সিনিয়র অফিসার, ডেপুটী ম্যানেজার, তারপর ম্যানেজার। অল্প বয়সে অনেক সিনিয়র রোল, বিদেশি মাস্টার্স-পিএইচডি ডিগ্রীধারী লোকজনে ফার্ম ভর্তি, শেখার সুযোগও ছিল অনেক বেশী। আর এসবের পাশাপাশি পারসোনাল লাইফের ট্রমা তো ছিলই, বোনাস হিসেবে।
২০২১ থেকেই শত শত ইমেইল করি প্রফেসরদেরকে। কেউ রিপ্লাই দেয়, কেউ দেয়না। বারবার ইমেইল ফরম্যাটীং চেঞ্জ করি, প্রোফাইল আপডেট করি, নতুন নতুন ভাবে নিজের প্রোফাইল তুলে ধরি। ১২০০+ ইমেইল করেছি, ৫০+ প্রফেসরের কাছ থেকে রেসপন্স পেয়েছি, ৩০+ পজিটিভ রেসপন্স, ১২ টা ইন্টারভিউ দিয়েছি এবং ১২ টাই সাকসেসফুলি ফান্ড পেয়েছি যার সবই ৫০-২০০ র‍্যাংক এর মধ্যে, ১০ টাতে এপ্লাই করেছি, ৬ টাতে এডমিশন পেয়েছি, ৪ টাতে এডমিশন+ফান্ড পেয়েছি। এভাবে University of Tennessee এর এক প্রফেসরের সাথে ইন্টার ভিউ এর পরে তার সাথে কাজ শুরু করি। কিছুদিন পরে সে আমার সিজিপিএ দেখে বলে, তোমার প্রফাইল আমার ভাল লাগলেও ইউনিভার্সিটির এডমিশন ক্রাইটেরিয়া ম্যাচ করবে না, সো বাদ। এরপর University of New Orleans, Texas State University, Clemson University, University of Florida সহ ১৪/১৫ টা ইউনিভার্সিটিতে একই ঘটনা চলতেই থাকে। প্রফেসরের আমাকে ভাল লাগে, কিন্তু এডমিশন হয় না। এরপর তো University of Georgia Athens এর এক প্রফেসর আমাকে এত ভাল লাগল যে উনি আমাকে মাস্টার্সে পিএইচডির সমান ফান্ড অফার করলেন, Ankon সাথে ঠিক করে বাসা ও নিয়ে নিলাম, কিন্তু পরে জানলাম, গ্রাজুয়েট অফিস আমার লো সিজিপিএ এর কারণে এডমিশন দিলনা। কান্নাকাটি করে পুরা ভেঙ্গেচুরে একাকার অবস্থা। অংকন, ভাই আমার, তোর সাপোর্ট আমি কোনদিন ভুলব না।
ওদিকে আবার, University of Kentucky র এক প্রফেসর তখন স্যাব্যাটিক্যাল লিভে জার্মানির Technical University of Munich এ। আমাকে বলল জার্মানিতে জয়েন করতে, তারপর উনি আমেরিকা তে শিফট করাবে। পরে দেখলাম, জার্মানির ভিসা পেতেই ১ বছর লাগবে। হইলনা এটাও।
যাইহোক, আরো ৫/৭ টা ইউনিভার্সিটি তে এই ‘হয়েও হচ্ছেনা’ কাহিনী ঘটতেই থাকল। সবমিলিয়ে ২০+ প্রফেসরের সাথে রেগুলার কমিউনিকেশন। প্রত্যেকদিন রুয়েট আর সিভিল ডিপার্টমেন্ট কে কোটি কোটি গালি দেই, কেন বুয়েট ছেড়ে এখানে আসছিলাম! হতাশার শেষ সীমানায় পৌছে গেছিলাম। তবে, এতকিছুর মধ্যেও পেপার পাবলিকেশন ছেড়ে দেই নাই। ওটা একটা ইমোশন! রিসার্চ গ্রুপ তৈরী করে আগাচ্ছিলাম Simanto, Galib, Jobaer, সহ অনেককেই সাথে নিয়ে।
যাইহোক, Southern Illinois University Carbondale এর দুই প্রফেসরের সাথে ইন্টারভিউ দেই। একজন সাহস পায় নাই, ভাবছিল যে সিজিপিএ কম আবার পেপার বেশী মানে আমি আসলে ভুগিচুগি, এর-ওর রিসার্চের মধ্যে ঘোস্ট অথর হিসেবে ঢুকে এসব পেপার বানাইছি। পরে আরেকজন সাহস করে আমাকে নিলেন। সবকিছু ঠিক ঠাক চলছিল। জানুয়ারি ২০২৪ এ আমার জয়েন করার কথা এখানে। কিন্তু ব্যাক্তিগত কিছু ট্রমার কারণে অন্য আরেকটা ইউনিভার্সিটির আই২০ দিয়ে দ্রুত ভিসা এপ্লাই করলাম, এবং রিজেকশন খেলাম। এরকিছু দিন পরেই ফান্ডীং সহ SIUC অফার পাই, কিন্তু জানুয়ারি তে জয়েন করতেই হবে, কিন্তু রিজেকশন খেলে সহজে ডেট পাওয়া যায়না। একটা স্লটের আশায় গভীর রাত পর্যন্ত দিনের পর দিন পোর্টালে বসে থাকতাম। অবশেষে স্লট পেলাম ঠিকই, কিন্তু জানুয়ারি র শেষে, মানে জানুয়ারি তে যাওয়া হচ্ছেনা। প্রফেসরের তো মাথা খারাপ অবস্থা, NSF এর প্রজেক্ট, কেন আমি তাকে কমিটমেন্ট দিলাম! যাইহোক, এরমধ্যে আবার ডিসেম্বর ২০২৩ এ আম্মু, সুস্থ মানুষ, হঠাৎ স্ট্রোক করে মারা গেল! পরিবার টা ভেঙ্গে চুরে শেষ, পুরা ছন্নছাড়া অবস্থা। প্রফেসর কে বললাম সব, অনেক ভেবে চিন্তে শেষমেষ মানুষটা মেনেই নিল। পরের সেমিষ্টারে ডেফার করতে বলল। অবশেষে জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে ভিসা ইন্টারভিউ দিলাম, এবং আলহামদুলিল্লাহ প্রথমবারের রিজেকশন থাকা স্বত্বেও ভিসা পেয়ে গেলাম। এরপর এয়ার টিকেট কাটলাম, আর অপেক্ষা করতে থাকলাম পাড়ি জমানোর।
এখানে চলে আসার কিছু দিন আগে University of Louisville Kentucky র এক প্রফেসর আমাকেই মেইল করলেন যে আমার প্রফাইল তার ভাল লেগেছে, এবং সে আমাকে ফুল ফান্ডেড পিএইচডি অফার করলেন। আমি বর্তমানে যেখানে আছি, এরচেয়ে শতগুণ ভাল অফার পেয়েও রিজেক্ট করলাম ওটা। কারণ হল ল্যাবের রিসার্চ ইনভাইরনমেন্ট আর প্রফেসর নাকি খুব গুরুত্বপূর্ণ পিএইচডি র জন্য। আলহামদুলিল্লাহ, আমার প্রফেসর একজন অমায়িক মানুষ, এবং ভাল রিসার্চার।
যাইহোক, এসব স্ট্রাগলের পাশাপাশি পারসোনাল লাইফের স্ট্রাগল ছিল এর চেয়েও বেশী ট্রমাটিক। আমি কিভাবে ট্যাকেল দিয়েছি জানিনা।
এরপর তো চলেই আসলাম! আর কি!
পরিশেষে বলি, বড় বড় মানুষের কাছে শুনি যে যদি goal, determination আর consistency থাকে তাহলে নাকি সাকসেস আসবেই! আমি বোধহয় তার বেস্ট এক্সামপল। এইটুকু অর্জনে আমি নিজেকে কখনই সাকসেসফুল হিসেবে দাবি করিনা, কারণ সাকসেস এর সংজ্ঞা মানুষভেদে ভিন্ন। কিন্তু এটা সত্য যে, এই খোড়া, ল্যাংড়া, অন্ধ, বোবা প্রোফাইল দিয়ে ওয়ার্ল্ড এর অনেক দেশের বস বস স্টুডেন্টকে টপকিয়ে এতদূর যে এসেছি, এজন্য নিজেকে আর সৃষ্টিকর্তাকে অশেষ ধন্যবাদ দেই। আর এই জার্নিতে যারা নানা ভাবে আমাকে হেল্প করেছেন, সকলের কাছে আমি কৃতজ্ঞ।
রুয়েটের সকল সম্মানিত শিক্ষক/শিক্ষিকাদের কাছে বিনীত আবেদন, আমাদের ব্যাচে (১৪ সিরিজ, সিভিল) ৩.০০ এর উপরে সম্ভবত ৩৪ জন ছিল মাত্র, আর বুয়েটে/কুয়েটে ৩.৫ এর উপরে ৬০-৭০ জন থাকে অন অভারেজ। ওদের সিভিল-১৭ ব্যাচের ৯০+ স্টুডেন্ট অলরেডি আমেরিকার মাটিতে এখন। সো, কাদের এলাম্নাই স্ট্রং হবে বলেন! আমাদের মেরুদণ্ডকে আর ভেঙ্গে দিবেন না প্লিজ!
ছোট ভাই-বোনেরা, আমার দুয়ার তোমাদের জন্য খুলে রাখলাম। চোখ-কান খোলা রাখো, তালাইমারি, ভদ্রা আর বিনোদপুরের মধ্যে নিজেকে আবদ্ধ রেখোনা। You have already proved that you have the capacity to roar, so ROAR!
Kasem bhai, at last! See!

Arif Hasnat (140092)

PhD in Civil and Environmental Engineering

Graduate Research and Teaching Assistant

*Southern Illinois University Carbondale, Illinois, USA. *

যাইহোক, এতদীর্ঘ পোস্ট সময় নিয়ে পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
কারো মনে কষ্ট দিয়ে থাকলে দুঃখিত, ক্ষমা করবেন।
অনেক কিছুই বলা বাকি রয়ে গেছে, অনেক টিপস শেয়ার করা বাকি রয়ে গেছে। হবে ধীরে সুস্থে!
Short Stories | Short Stories Community | Ruhfayed

27/06/2024

ফিনল্যান্ড পড়তে যেতে চাইলে পড়েন
ভিরাট কোহলি আর অনুষ্কা হানিমুনে ফিনল্যান্ড এসেছিল, আর আপনার কাছে সুযোগ আছে পড়ালেখার জন্য ফিনল্যান্ড আসার। এক কাজে ২ কাজ করার সুযোগ😁😂

🇫🇮 **Study in Finland** 🇫🇮

কিভাবে আবেদন করতে হবে:
- **Studyinfo.fi**: এই ওয়েবসাইটে গিয়ে পছন্দের প্রোগ্রাম বেছে নিন এবং সেই নির্দিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের আবেদনকাল ও ভর্তি সম্পর্কিত বিবরণ দেখে নিন।

আবেদন এর সময়:
ফিনল্যান্ডে আবেদন করার সময় সাধারণত দুইভাগে বিভক্ত:
১. **Joint Application (যৌথ আবেদন)**: একই সাথে ৬টি বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করার সুযোগ।
২. **Separate Application (পৃথক আবেদন)**: আলাদা আলাদা বিশ্ববিদ্যালয়ে পৃথকভাবে আবেদন করা।

Joint Application/যৌথ আবেদন:
- **জানুয়ারি আবেদন**: সেপ্টেম্বর সেশনের জন্য যৌথ আবেদন জানুয়ারি মাসে করা যাবে (2025 সালে ৪-১৫ জানুয়ারী)।
- **ছয়টি প্রোগ্রাম**: একটি একক আবেদনের মাধ্যমে ছয়টি ডিগ্রি প্রোগ্রাম পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।
- **সেপ্টেম্বর আবেদন**: কিছু বিশ্ববিদ্যালয় সেপ্টেম্বরেও (৪-১৪ সেপ্টেম্বর) যৌথ আবেদন খোলা রাখে, তবে প্রোগ্রামের সংখ্যা কম থাকে।

Separate Application/পৃথক আবেদন:
কিছু বিশ্ববিদ্যালয় তাদের ডিগ্রি প্রোগ্রামে আবেদনের সময়সীমা যৌথ আবেদনের সময়ের বাইরে খোলা রাখে। Separate অ্যাপ্লিকেশনের সময়কাল প্রোগ্রামের উপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হতে পারে।

# # # 💲 Scholarship/বৃত্তি:
- **স্নাতক (Bachelor) জন্য**: প্রথম বছরের জন্য সাধারণত বৃত্তি দেওয়া হয় না, তবে Early Bird Scholarship/Discount পাওয়া যায় (প্রথম বছরের টিউশন ফির 15% থেকে 50% পর্যন্ত ছাড়)।
- **মাস্টার্স (Masters) জন্য**: সিজিপিএ, মোটিভেশন লেটার, IELTS, SAT স্কোর, চাকরী ও গবেষণার অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে মাস্টার্স শিক্ষার্থীরা 100% পর্যন্ত স্কলারশিপ পেতে পারে।

# # # 💱 ব্যাংক স্টেটমেন্ট:
আবেদনকারীকে তার ব্যাংক একাউন্টে 6720 ইউরো দেখাতে হবে। এই টাকা অবশ্যই শিক্ষার্থীর/আবেদনকারীর একাউন্টে থাকতে হবে।

# # # 📝 স্পনসর:
- **কোনো আত্মীয়তা প্রয়োজন নেই**: যে কেউ স্পনসর হতে পারে।
- **ফান্ড ট্রান্সফার**: স্পনসর তার একাউন্ট থেকে আবেদনকারীর একাউন্টে ফান্ড ট্রান্সফার করতে পারেন।
- **ব্যাংক স্টেটমেন্ট**: স্পনসরকে ৬ মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট প্রদান করতে হবে।

# # # 📜 Post Study Work Visa:
ফিনল্যান্ডে স্নাতক বা স্নাতকোত্তর ডিগ্রি শেষ করার পরে, আপনি দুই বছরের বৈধতার সাথে একটি পোস্ট-স্টাডি ওয়ার্ক ভিসা পাবেন। এই সময়ে চাকরি খোঁজার অনুমতি পাবেন।

# # # 🌻 PR (Permanent Residency):
- **৪ বছর থাকতে হবে**: আবেদনকারীকে ৪ বছরের জন্য ফিনল্যান্ডে থাকতে হবে।
- **ভাষার প্রয়োজন নেই**: ফিনিশ ভাষা জানা আবশ্যক না।
- **উপার্জনের প্রয়োজন**: আবেদনকারীকে ট্যাক্স বাদ দিয়েও প্রতি মাসে 1250 ইউরো উপার্জন করতে হবে।
- **চাকরির ক্ষেত্র**: পড়াশোনার ফিল্ডে চাকরি বাধ্যতামূলক না।

# # # ⚠️ কমন কিছু প্রশ্ন:

১. **ফিনল্যান্ডের স্টুডেন্ট ভিসার জন্য কি IELTS লাগবে?**
- আবশ্যক না। তবে পৃথক এপ্লিকেশনের ক্ষেত্রে IELTS, Job experience এমনকি কিছু ক্ষেত্রে SAT স্কোরও দরকার হতে পারে।

২. **ফিনল্যান্ডে বাস করা কি ব্যয়বহুল?**
- অন্যান্য ইউরোপীয় দেশের তুলনায় মাঝারি খরচ, যা ৪০০-৬০০ ইউরো হতে পারে।

৩. **আমি কি ফিনল্যান্ডে পড়াশোনা করার সময় কাজ করতে পারবো?**
- হ্যাঁ, প্রতি সপ্তাহে সর্বাধিক ৩০ ঘন্টা কাজের অনুমতি থাকবে। পড়াশোনা শেষে ফুল-টাইম কাজের অনুমতি পাবেন।

৪. **ফিনল্যান্ডে আবেদনের জন্য স্টাডি গ্যাপ কত বছর পর্যন্ত গ্রহনযোগ্য?**
- স্টাডি গ্যাপ কোনো ইস্যু না, ১০/১৫ বছরের গ্যাপেও এডমিশন ও ভিসা পাওয়া যায়।

৫. **আমি কিভাবে ফিনল্যান্ডে পড়াশোনার জন্য আবেদন করতে পারি?**
- Studyinfo.fi পোর্টালের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করা যায়।

৬. **ফিনল্যান্ডে পড়াশোনার খরচ কেমন?**
- টিউশন ফি বছরে ৫,০০০ থেকে ১৫,০০০ ইউরো পর্যন্ত হতে পারে।

৭. **অন্যান্য ইউরোপীয় দেশের তুলনায় ফিনল্যান্ডে স্যাটেল হওয়া কি সহজ?**
- হ্যাঁ, ফিনল্যান্ডে ওয়ার্ক পারমিট/PR/সিটিজেনশিপের জন্য পড়াশোনার ফিল্ড রিলেটেড চাকরি দরকার হয় না।

৮. **আমি কি আমার বাবা-মাকে ফিনল্যান্ডে নিতে পারব?**
- হ্যাঁ, ভিজিট ভিসায়।

৯. **আমি কি আমার স্পাউস এবং বাচ্চাদের ফিনল্যান্ডে নিতে পারবো?**
- হ্যাঁ।

১০. **আমি কি পার্ট টাইম চাকরির মাধ্যমে টিউশন ফি, থাকা খাওয়া সব ম্যানেজ করতে পারব?**
- এটা নির্ভর করবে আপনার টিউশন ফি, লিভিং এক্সপেন্স এবং শহরের উপর। বছরে ৮,০০০ ইউরো পর্যন্ত ম্যানেজ করা যায় সহজেই।

আশা করছি মোটামুটি সবই আমি কাভার করেছি। সবার জন্য শুভকামনা

01/04/2024

বাংলাদেশে বুয়েট, ডিইউ বা মেডিকেল এডমিশান টেস্টে যেই পরিমাণ এফোর্ট দেয়া লাগে, সিস্টেমেটিক ওয়েতে তার ৫০% এফোর্ট দিলে ইভেন মিডিওকার একজন স্টুডেন্টও স্যাটে ১৩৫০+ আর আয়েল্টসে ৭+ তুলতে পারবে।

প্রিপারেশান আর পরীক্ষা দিতে ম্যাক্স যাবে ৫০ হাজার। বাইরের ভার্সিটিগুলাতে এপ্লাই করতে আরো ৫০ হাজারের মত। আমেরিকা-ইয়োরোপ খালি না, আমি অন্যান্য দেশেরও নামকরা ভার্সিটির কথা বলতেসি যেমন সাউথ কোরিয়া, জাপান, ইভেন মিডল-ইস্ট। এবং সব ক্লিক করলে ফুল ফান্ডেড স্কলারশিপ পাওয়া সম্ভব।

আর যদি খরচ করার মত টাকা থাকে, তাইলে তো সোনায় সোহাগা। বাইরের থার্ড গ্রেড একটা ভার্সিটিও বাংলাদেশের যেকোন ইউনি থেকে ভাল, হাতেগোণা দুইএকটা বাদে। সবচাইতে ভাল জিনিস, নিজের প্যাশনের সাবজেক্টে পড়ার সুযোগ অনেক বেড়ে যাবে৷

কোয়ালিটি এডুকেশান পাবা, একটা ফেয়ার সিস্টেম পাবা। টার্গেট স্কুলে ঢুকতে পারলে পাস করার আগেই চাকরি পায়া যাবা৷ নেটওয়ার্কিং এর কথা বাদই দিলাম। জাস্ট হালকা একটু রিস্ক নিতে হবে আর ইন্টারে উঠার সাথে সাথে প্রিপারেশান শুরু করে দিতে হবে।

যারা মনে করো যে তোমার যোগ্যতা আছে, ইংলিশে কমিউনিকেশান স্কিল ভাল, আর পরিশ্রম করার ক্ষমতা আছে, তোমরা বাইরে যাওয়ার প্রসেস নিয়ে খোঁজখবর নেয়া শুরু করো এবং চান্স পাওয়ামাত্র ভেগে যাও।

বাংলাদেশ মেধাবীদের জন্য না, আনলেস তোমার এনাফ ব্যাকআপ থাকে। সাধারণ মানুষের কাতার থেকে উঠে আসা মেধাবীদের কেউ চায় না এইখানে, এই দেশ চায় ভেড়ার পাল। এবং ভেড়ার বাচ্চার অভাব নাই এইখানে। যারা হইতে চাবে না, তাদের হয় জোর করে ভেড়া বানানো হবে অথবা খেয়ে দেয়া হবে!

১৯-২৩ বয়েসটা খুব গুরুত্বপূর্ণ সময়। বিদেশে চলে যাওয়ার বিন্দুমাত্র সুযোগ থাকলেও মেধাবীদের উচিত না ভেড়ার পালের সাথে থেকে নিজেরে ভেড়ায় পরিণত করা! সময় থাকতে বুঝা উচিত।

© রাকিব হোসেন

05/12/2023

কোরিয়ান ভাষা শিখুন! সরকারিভাবে দক্ষিণ কোরিয়ায় গিয়ে আত্মনির্ভরশীল হন।

✅ভাষা জানা থাকলে লটারি জন্য অপেক্ষা করে থাকতে হবে না, এখন লটারি ছাড়াই পরীক্ষা দেওয়া যায়।
✅ বয়স : ১৮ থেকে ৩৯ বছর পর্যন্ত।
✅শিক্ষাগত যোগ্যতা : SSC বা সমমান সার্টিফিকেট। ✅সার্কুলার : এখন বছরে ১ থেকে ২ বার সার্কুল্রার হয়ে থাকে।
♎ভাষা জানা ক্যাটাগরিতে।
♎লটারির মাধ্যমে

🚹SUCCESS LANGUAGE CARE কেনো আসবেন?

✅ আমাদের আছে একঝাক মেধাবী শিক্ষক।
✅কোরিয়ান ভাষায় ১০ বছরের বেশি সময় ক্লাস নেওয়ার অভিজ্ঞতা।
✅কোরিয়া থেকে অনলাইনে ক্লাস পরিচালনা।
✅কোরিয়া ফেরত শিক্ষক।
✅সার্বক্ষণিক শিক্ষক সুবিধা।
✅অতিরিক্ত ক্লাস।
✅দুর্বলদের জন্য আলাদা ক্লাস।

▶️▶️ কোর্সের বিষয়াবলী

✅ কোরিয়ান ভাষার বেসিক বই।
✅EPS TOPIK TEXTBOOK সমাধান।
✅প্রশ্ন ব্যাংক সমাধান
✅মডেল টেস্ট।
✅UBT / CBT
✅ডিকসনারী
✅TEXTBOOK শব্দার্থ

🇧🇩ভর্তি ফি ছাড়া অতিরিক্ত কোনো চার্জ নেই, সকল প্রকার বই, প্রয়োজনীয় শিট, অন্য উপকরন যেগুলো ক্লাস এ লাগবে ফ্রিতে প্রদান করা হয়।

অতএব, আপনি যদি SSC পাশ এবং আপনার বয়স যদি ১৮ থেকে ৩৯ বছরের মধ্যে হয় তাহলে আপনি খুব সহজে ভাষা শিখে সরকারি ভাবে কোরিয়া যেতে পারেন।

✅ শুধু ভাষা শিখেই শেষ না, আপনার কোরিয়া যাওয়া পর্যন্ত যত প্রকার সাপোর্ট লাগবে সব কিছু SUCCESS LANGUAGE CARE ই করবে।
BOSEL এ কিভাবে আবেদন করতে হবে এবং পরীক্ষায় কেমন প্রশ্ন আসতে পারে এ সকল কিছু আমরাই আপনাকে বুঝিয়ে দিবো।

ঠিকানা : সেক্টর # ৬, রোড # ৮, বাসা # ১৪, উত্তরা,ঢাকা।
যোগাযোগ : 01784864724, 01571-259547

Adresse

Sector # 6, Road # 8, House # 14, Uttara, Dhaka/1230
Democratic Republic Of The

Téléphone

+8801784864724

Site Web

Notifications

Soyez le premier à savoir et laissez-nous vous envoyer un courriel lorsque Success Language Care Uttara publie des nouvelles et des promotions. Votre adresse e-mail ne sera pas utilisée à d'autres fins, et vous pouvez vous désabonner à tout moment.

Contacter L'entreprise

Envoyer un message à Success Language Care Uttara:

Partager