Help for Study in China

Help for Study in China Are you looking for a scholarship in China? If yes, then this is the right place for you.
চীন দেশে বৃত্তি নিয়ে পড়াশুনা করুন।

20/10/2019

কম্পিউটার ট্রিকস/ Computer Tricks

ব্রাউজ করার সময় অনেকবার ই ভুল করে ট্যাব কেটে যায়। কেটে যাওয়া ট্যাব টি ফেরত পেতে ctrl+shift+T প্রেস করুন।
Accidentally closed a tab? Simply press Ctrl + Shift + T to bring back the most recently closed tab.

03/07/2018

#মহান প্রধানমন্ত্রী

চৌ এন লাই। এক সময়কার চীনা প্রধানমন্ত্রী। ইয়াহিয়া খান গেছেন চীন সফরে। সাথে সফর সঙ্গী হিসেবে আছেন বেশ কয়েকজন। এদের মধ্যে ফারুক চৌধুরী ও কায়সার আহমেদ উল্লেখযোগ্য। দু'জনই তৎকালীন পাকিস্তানের ফরেন ক্যাডারের সদস্য। ইয়াহিয়া খান বেশ কয়েক দিন সফর শেষ করে একদিন রাতের খাবার গ্রহণ শেষে দেশে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। বিমানবন্দরে তাঁকে বিদায় জানাতে প্রধানমন্ত্রী চৌ এন লাইও এসেছেন। তখন চীনে প্রচন্ড শীত। সবার গায়েই শীতের জ্যাকেট জড়ানো। শুধু কায়সার আহমেদ ছাড়া। তাহলে কায়সার আহমেদ কি শীতের প্রস্তুতি ছাড়াই চীনে এসেছিলেন? বিষয়টি আসলে তা নয়। রাতের খাবার গ্রহণের সময় উনি জ্যাকেটটি খুলে রেখেছিলেন। কিন্তু চলে আসার সময় ঐটি নেয়ার কথা তাঁর মনে ছিল না। শীতের কাপড় ছাড়া কায়সার সাহেব ঠক ঠক করে কাপছিলেন। বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী চৌ এন লাই এর নজরে পড়ে। কায়সার আহমেদের শীতে কষ্ট হচ্ছে বিধায় চীনা প্রধানমন্ত্রী তাঁর নিজের গায়ের জ্যাকেটটি তাঁকে পড়িয়ে দিলেন। চীনা প্রধানমন্ত্রী এই উদার মানসিকতা দেখে সেই দিন সবাই অবাক হয়েছিলেন। সত্যিই তিনি ছিলেন একজন মহান প্রধানমন্ত্রী। প্রয়াত সাবেক সচিব ফারুক চৌধুরী ঘটনাটি এভাবেই বর্ণনা করেছেন তাঁর "দেশ দেশান্তর" নামক বইটিতে।

মতিন মোহাম্মাদ
২ জুলাই, ২০১৮

19/04/2018
18/04/2018

Assalamuyalaikum beautiful people,
I hope you are all fine.
If you or someone nearby you want to study in China. Please mention them to our page. Inbox us to know details.
we want to help you making your career.

Are you looking for a scholarship in China?
If yes, then this is the right place for you.
চীন দেশে বৃত্তি নিয়ে পড়াশুনা করুন।

চীনে বাস চালক সরকারী নিয়োগপ্রাপ্ত, বাসগুলো ও সরকারী । বাসে যাত্রী থাকুক আর না থাকুক নির্দিষ্ট বিরতিতে তারা নির্ধারিত স্থ...
18/04/2018

চীনে বাস চালক সরকারী নিয়োগপ্রাপ্ত, বাসগুলো ও সরকারী । বাসে যাত্রী থাকুক আর না থাকুক নির্দিষ্ট বিরতিতে তারা নির্ধারিত স্থান থেকে বাস ছাড়ে গন্তব্যস্থলের উদ্দেশ্যে । বাস থামানোর জন্য নির্ধারিত স্থান আছে, নির্ধারিত স্থানে রাস্তার উপর বাস নাম্বার দেওয়া আছে, থামার সময় চালক ঠিক ঐ নাম্বার বরাবর এসে বাস থামায় যাত্রী উঠা-নামার জন্য, নির্ধারিত স্থান ছাড়া চালককে যতবার ই মামা-কাকা ডাকেন না কেন, সে বাস থামাবে না।

প্রতিটি বাসে ২ টা অথবা বড় বাস হলে ৩-৪ টা পর্যন্ত দরজা আছে, প্রতিটি দরজায় আছে স্বয়ংক্রিয় বাসভাড়া নেবার মেশিন, সবাই তাদের স্মার্ট কার্ড সেখানে উঠার সময় একবার স্পর্শ করে এবং নামার সময় একবার স্পর্শ করে। মেশিন টি স্বয়ংক্রিয় ভাবে নির্ধারিত ভাড়া কেটে নেয়। যাদের কাছে কার্ড থাকে না তাদের বাস ভাড়া দেবার জন্য একটি বক্স রাখা থাকে সেখানে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা বক্স এ ফেলে দিলেই ঝামেলা শেষ।

যারা স্কুল- কলেজ- বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা করে তাদের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে আবেদনের মাধ্যমে ৫০ % মূল্যহ্রাসের কার্ড নেবার বাবস্থা রয়েছে। বাসে উঠে যাতে করে কোন প্রকার বাক্যব্যায়ের প্রয়োজন না হয়। তাছাড়াও বাসের মধ্যে রয়েছে নির্দিষ্ট পোশাক পরিহিত সাহায্যকারী, তারা যাত্রীদের সেবা প্রদানে সর্বদা নিয়োজিত।

প্রতিটি বাসে রয়েছে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যাবস্থা, কিছু কিছু বাসে রয়েছে ফ্রি ইন্টারনেট ব্যাবস্থা। প্রত্যেকটি বাসে আছে কম-বেশি ৬ টি করে ভিন্ন রঙের সিট, যাকিনা বৃদ্ধ, গর্ভবতী মহিলা, ও অসুস্থ লোকদের জন্য সংরক্ষিত। এছাড়া হুইল চেয়ার নিয়ে যারা উঠবেন তাদের জন্য ও রয়েছে নির্ধারিত স্থান । প্রতিটি বাসের মধ্যে আছে কোথায় কোথায় বাসটি থামবে তার একটি বিস্তারিত তালিকা, বাস স্টেশেন ও একই ধরণের তালিকা টানানো থাকে । বাসটি থামবার জায়গায় যাবার আগেই চীনা ও ইংরেজি ভাষায় জায়গাটির নাম স্বয়ংক্রিয় রেকর্ডিং টেপ বাজিয়ে জানিয়ে দেয় চালক। কিছু কিছু বাসে আবার রয়েছে GPS সংযোগ, যার মাধ্যমে মোবাইলে APP দিয়ে দেখা যায় বাসটি এখন কোথায় আছে এবং আসতে কয় মিনিট সময় লাগবে। আর অবশ্যই থামবার জায়গায় এবং বাসের ভেতরে একাধিক ক্যামেরা থাকে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের জন্য, চীনে ১৩৫ কোটি মানুষের জন্য ৭০ কোটি চেহারা সনাক্তকারী ক্যামেরা লাগান হচ্ছে। প্রতি ২ জনের জন্য গড়ে ১ টি করে ক্যামেরা।

এখানে কোন বাস দেখে মনে হয়না যে বাসটি ডেথ-রেস থেকে এসেছে, কোন বাসের রং ওঠা থাকে না, থাকে না বাসের গায়ে আগে থেকে লাগানো লোহার এঙ্গেল, যা দিয়ে টোকাই চালক গুলো রাস্তাকে রণক্ষেত্র বানাতে পারে । অনেক ক্ষেত্রে মহিলা চালক ও সহকারী দেখা যায়। কোন বাস চালক, জাইগা ছাড়া অ-জাইগাতে গিয়ে বাস থামায় না, স্বয়ংক্রিয় সিগনালিং সবাই মানতে বাধ্য, সিগনাল বাতি লাল হলে রাস্তায় লোক থাকুক আর নাই থাকুক কেও তাদের সীমানা অতিক্রম করবে না, করলেই তাদের জন্য রয়েছে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা। সে জন্য অনেক সময় মধ্য রাতে বিশাল বিশাল রাস্তায় কোন লোক না থাকার পরেও সিগনালকে সবায় সম্মান করে দাঁড়িয়ে থাকে। এখানে সকল প্রকার বাসের মালিক সরকার, সরকারের কোন নেতা এখানে নিজের নামে বাস চালায় না, কেও এখানে ট্রাফিক পুলিশ কে ১০ টাকা ঘুষ দিয়ে ম্যানুয়াল সিগনাল ফেলায় না, কেও এখানে বাস চালকের সাথে মারামারি করে না, করেনা অকথ্য ভাষায় গালাগালি, কোন বাস অতিরিক্ত যাত্রী ও বেশি টাকার আশায় রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকে না, যাত্রী উঠা নামার জন্য সবথেকে বেশি হলেও মাত্র ২০-৩০ সেকেন্ড সময় দেওয়া হয় । কোন বাসে আগে থেকে ডেথ রেস এ যাবার জন্য আলগা এঙ্গেল লাগান থাকে না। সবথেকে উল্লেখযোগ্য ও লক্ষণীয় একটি ব্যাপার হল রাস্তায় হাজার হাজার গাড়ী কিন্তু কেও হর্ন বাজায় না, রাস্তায় কেও কানে হেডফোন দিয়ে হেঁটে চল্লে গাড়িচালক তার পিছু পিছু ধীরে ধীরে চলতে থাকে, তিনি যে গাড়ী কিনে বিশাল কুতুবে পরিণত হয়েছেন সেটা তিনি হর্ন দিয়ে জানান দেন না।

বাংলাদেশে ২ বাসের ঘর্ষণে হাত হারানো ছেলেটির মৃত্যু অপ্রত্যাশিত ও দুঃখজনক, আমাদের দেশের বিদ্যমান যোগাযোগের পরিস্থিতি কিভাবে পরিবর্তন করতে হবে তার দিকনির্দেশনা উপরের লিখাতেই নিহিত আছে।
Written by Mostak Ahmed

18/04/2018

Thanks for liking our page.
We hope to see u soon.❤️

Are you looking for a scholarship in China?
If yes, then this is the right place for you.
চীন দেশে বৃত্তি নিয়ে পড়াশুনা করুন।

09/04/2018

বাংলাদেশ থেকে এখন অনেক শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষা গ্রহণের জন্য চীনে আসছেন।
অন্যদিকে চীনের অনেকগুলো বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা দিচ্ছে। তবে অনেকে সঠিক তথ্যের অভাবে হয়রানির শিকার হচ্ছেন।
কিছু স্কলারশিপ শিক্ষার্থীর সম্পূর্ণ খরচ অর্থাৎ টিউশন ফি থেকে শুরু করে বিনা মূল্যে আবাসন প্রদান করে। সঙ্গে দেয় নির্দিষ্ট পরিমাণ মাসিক খরচ।
আর কিছু আছে শুধু টিউশন ফি স্কলারশিপ হিসেবে দেয়। আর যদি স্কলারশিপ নাও পান তবে নিজ খরচে পড়ার সুবিধাও রয়েছে।

স্কলারশিপে যা যা পাবেনঃ
ব্যাচেলর প্রোগ্রামঃ ইঞ্জিনিয়ারিং এবং বিবিএ, হোস্টেল ম্যানেজম্যান্ট।
- টিউশন ফি ফ্রি।
- হোস্টেল ফি ফ্রি।

মাস্টার্স এবং পি.এইচ.ডিঃ
- টিউশন ফি ফ্রি।
- হোস্টেল ফি ফ্রি।
- প্রতি মাসে ২০,০০০-৪৫,০০০/= মাসিক বৃত্তি।

নিজ খরচে পড়তে পারবেনঃ
- এম বি বি এস।

আংশিক স্কলারশিপে পড়তে পারবেনঃ
- এ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং।

কেন চায়নায় যাবেনঃ
*পড়াশুনার মাধ্যম : English
*আন্তর্জাতিকমানের বিশ্ববিদ্যালয় আর ল্যাব সুবিধা। গবেষণারও সুযোগ প্রচুর।
*আইইএলটিএস অথবা টোফেল এর দরকার পড়ে না।
*কোনো সেশনজট নেই। শিক্ষার সুন্দর পরিবেশ। আছে সমৃদ্ধ লাইব্রেরি ও খেলাধুলার জন্য পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা।
*এডুকেশন গ্যাপ আল্যাও আছে।
*জীবনযাত্রার ব্যয় তেমন বেশি নয়। শহর ভেদে ৬ থেকে ১০ হাজার টাকার মধ্যে।
*চীনের ক্রমবর্ধমান অর্থনীতি পড়াশোনার বাইরেও চোখ খুলে দিবে।

ভর্তির যোগ্যতাঃ
- এসএসসি তে জিপিএ ৩.৫ ( জিপিএ ৫ স্কেলে)
- এইচএসসিতে জিপিএ ৩.৫ ( জিপিএ ৫ স্কেলে)
- ব্যাচলর প্রোগ্রামে জিপিএ ৩.০ ( জিপিএ ৪ স্কেলে)
- মাস্টার্স প্রোগ্রামে জিপিএ ৩.০ ( জিপিএ ৪ স্কেলে)
আরো অনেক কিছু যানতে ইনবক্স করুন অথবা আমাদের অফিসে যোগাযোগ করুন।
ধন্যবাদ সবাইকে।

28/03/2018

Hello beautiful people,
I hope you guys are fine.
This is a new page for helping students to fulfill their dream about going abroad.
It may be a new page but our office is not new.
so please contact us without any hesitation to meet your desire.
lots of love for u people...😍😍💗💗💗

Are you looking for a scholarship in China?
If yes, then this is the right place for you.
চীন দেশে বৃত্তি নিয়ে পড়াশুনা করুন।

27/03/2018

প্রিয় দর্শকমণ্ডলী, আপনারা যারা এই পোষ্টটি পড়ছেন তাদের উদ্দেশ্যে বলছি--
আপনারা জানেন বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ। এক পা দু'পা করে অনেকটা এগিয়েছে এ দেশ। তারপরও সরকার প্রতিবছর যে পরিমাণ শিক্ষার্থী এইচএসসি পাশ করছে তাদের প্রত্যেককেঁ মানসম্মত ইউনিভার্সিটিতে একটি করে সিট দিতে পারছে না। এর ফলে সবাই সমান হারে এগিয়ে যেতে পারছে না। সার্ফটিফিকেট ঠিকই পাচ্ছে কিন্তু খুব কম শিখছে। ফলশ্রুতিতে অনেকেই বেকারত্বে ভুগছে যেটি আমাদের অর্থনীতিতে অনেক নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। এমতাবস্থায় আমরা যদি শিক্ষার হার ও বৈদেশিক মুদ্রা বেশি অর্জন করতে পারি তাহলে তা দেশ ও জাতির জন্য কল্যাণ বয়ে আনবে। আমরা যেহেতু দেশে সবাই ভালো শিক্ষা সব জায়গায় পাচ্ছি না তাই স্বভাবঃতই বিদেশে যাওয়ার চিন্তা করব; বিশেষকরে আসলেই যারা শিক্ষার ব্যাপারে বেশি আগ্রহী। কিন্তু বিদেশে যাওয়ার কথা মাথাই আসলেই প্রথমে খরচ এর কথা চলে আসে। হ্যাঁ, এটা ঠিক বিদেশে পড়তে হলে দেশ ভেদে কম বেশি খরচ করতেই হয়। আপনাদের মধ্যে যারা ব্রিলিয়ান্ট তাঁরা হয়ত বিনা খরচেই স্কলারশিপ নিয়ে বাইরে চলে যাবেন। কিন্তু যারা মধ্যম লেভেল এর শিক্ষার্থী তাদের কি হবে?
চিন্তা নেই; তাদের জন্যও রাস্তা আছে।
হয়ত আপনার অল্প কিছু টাকা খরচ হবে কিন্তু আপনি বিদেশে একটি ভালো শিক্ষা অর্জন করে ভালো ক্যারিয়ার গড়তে পারবেন।
আজ কাল দুই/তিন লাখ টাকা খুব বেশি না। দেশে নরমাল কোনো ইউনিভার্সিটিতে পড়তেও এর চেয়ে বেশি টাকা লাগে।
আপনার সাধ ও সাধ্যের মধ্যে আপনি চাইনিজ ইউনিভার্সিটিগুলোতে পড়তে পারবেন। তাছাড়া চায়নাতে এডুকেশন গ্যাপ অ্যালাও আছে। কম জিপিএ পেয়েও আবেদন করতে পারবেন। ভালো জিপিএ থাকলে আপনাকে প্রতিমাসে সরকার থেকে কিছু টাকা দিবে। ফ্রিতে পড়তে পারবেন। যাওয়ার সময় অল্প কিছু টাকা লাগবে। তাদের সিকিউরিটি ব্যবস্থা খুব ভালো। দেশের প্রত্যেকটি অংশ সিসিটিভি ক্যামেরা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। অপরাধ করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে অপরাধীকে গ্রেপ্তার করা হয়। আর কি চান? এত সুযোগ পাওয়ার পরেও যদি কাজে লাগাতে না পারেন তাহলে সেটি হবে আপনাদের ব্যর্থতা।
অ্যাডমিশন এর খুব বেশি দেরি আর নেই। তাই সময় নষ্ট না করে দ্রুত আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।
নকল হতে সাবধান থাকবেন; আর নিজেদের যত্ন নিবেন।
ধন্যবাদ আমার লেখাটি কষ্ট করে পড়ার জন্য।
ভালো থাকবেন আর লেখাটি শেয়ার করে অন্যদেরকেও জানার সুযোগ করে দেবেন। বিনিময়ে অন্যের উপকারের চেষ্টা করায় হয়ত কিছু সওয়াব ও পেয়ে যাবেন ইনশাআল্লাহ।।
আপনাদের যদি আরো কিছু জানার থাকে অনুগ্রহ করে ইনবক্স করুন।
লেখাটি পাবলিশ করেছেন-
"Help for Study in China" page
অবশ্যই শেয়ার করার সময় কপিরাইট সহ দিবেন।।😍

27/03/2018

If you are serious about studying in China, then knock us in inbox.

Address

Beijing

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Help for Study in China posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share