07/09/2026
🇧🇩 জানেন কি? কোনো প্রবাসী মারা গেলে সরকার থেকে তাঁর পরিবারকে ১৩ লাখ টাকা পর্যন্ত আর্থিক সুবিধা দেওয়া হয়।
বিদেশে কর্মরত কোনো বাংলাদেশি কর্মী মারা গেলে নির্ধারিত শর্ত পূরণ করলে তাঁর পরিবার এই সুবিধা পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।
এই ১৩ লাখ টাকার মধ্যে রয়েছে:
🔹 ৩ লাখ টাকা ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের আর্থিক অনুদান
🔹 ১০ লাখ টাকা জীবন বীমার সুবিধা
এর বাইরে মরদেহ দেশে আনা ও দাফনের জন্য বিমানবন্দরে ৩৫ হাজার টাকা পর্যন্ত তাৎক্ষণিক সহায়তা দেওয়ার ব্যবস্থাও রয়েছে।
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নূর এ বিষয়ে সম্প্রতি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন। ©️ InfoBangla
২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তিনি বলেন, BMET-এ সঠিকভাবে নিবন্ধন করে বিদেশে যাওয়া কোনো কর্মী মারা গেলে তাঁর পরিবার ১৩ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা পায়। একই সঙ্গে তিনি বলেন, এই সুবিধা যেন প্রতিটি ভুক্তভোগী পরিবার সহজে পায়, সে বিষয়ে বিশেষ নজরদারি করা হবে।
আরও সাম্প্রতিকভাবে, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ জাতীয় সংসদে নূর বলেন, BMET-এর ছাড়পত্র নিয়ে বিদেশে যাওয়া কোনো প্রবাসী কর্মী মারা গেলে তাঁর পরিবারকে প্রায় ১৩ লাখ ৩৫ হাজার টাকা পর্যন্ত সহায়তা দেওয়া হয়।
অর্থাৎ, বিষয়টি শুধু কাগজে থাকা কোনো তথ্য নয়। সরকারের পক্ষ থেকেই সংসদে ও প্রকাশ্য বক্তব্যে এই সুবিধার কথা জানানো হয়েছে।
তবে প্রশ্ন হলো, যোগ্য প্রবাসী পরিবারগুলোর সবাই কি এই সুবিধা সম্পর্কে জানেন এবং সময়মতো পাচ্ছেন?
কারণ অনেক পরিবার হয়তো জানেই না কোথায় আবেদন করতে হবে, কী কী কাগজ লাগবে, বীমার টাকা কীভাবে দাবি করতে হবে বা পুরো প্রক্রিয়ায় কত সময় লাগতে পারে।
নূর নিজেও বলেছেন, যোগ্য পরিবারগুলো যেন সহজে এই সুবিধা পায়, সেদিকে নজরদারি প্রয়োজন। তাই গত কয়েক বছরে কত পরিবার আবেদন করেছে, কত পরিবার ৩ লাখ টাকা অনুদান পেয়েছে, কত পরিবার ১০ লাখ টাকার বীমা পেয়েছে এবং কত আবেদন এখনো অপেক্ষমাণ, এসব তথ্য প্রকাশ করা হলে বিষয়টি আরও পরিষ্কার হবে।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, BMET-এর ছাড়পত্র না থাকা প্রবাসীদের মরদেহ দেশে আনার ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত বাজেট নেই বলেও ২ সেপ্টেম্বর সংসদে জানিয়েছেন নূর। সব প্রবাসীর মরদেহ বিনা খরচে দেশে আনার জন্য তহবিল বাড়ানোর প্রয়োজন রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তাই শুধু ১৩ লাখ টাকার কথা জানানো নয়, কোন প্রবাসী পরিবার কীভাবে এই সুবিধা পাবে, সেটি সহজ ভাষায় সবার কাছে পৌঁছে দেওয়া জরুরি।
আপনার পরিচিত কোনো প্রবাসী কর্মী মারা যাওয়ার পর তাঁর পরিবার কি সরকার থেকে এই ধরনের আর্থিক সুবিধা পেয়েছে? কমেন্টে জানাতে পারেন।
আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, কোনো এক অজানা কারণে এ ধরনের প্রয়োজনীয় তথ্য অনেক সময় সাধারণ মানুষের কাছে ঠিকভাবে পৌঁছায় না। জটিল ভাষা, কম প্রচার বা তথ্যের অভাবে যাদের জানা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন, তারাই হয়তো জানতে পারেন না।
তাই এই পোস্টটি শুধু নিজের কাছে রাখবেন না। আপনার প্রোফাইলে শেয়ার করুন এবং আপনি যেসব পাবলিক গ্রুপের সঙ্গে যুক্ত, সেখানেও শেয়ার করুন। হয়তো আপনার একটি শেয়ারের মাধ্যমেই কোনো প্রবাসী পরিবারের কাছে এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পৌঁছে যাবে, যা তাদের প্রাপ্য সুবিধা পেতে কাজে লাগতে পারে।
News & image courtesy: InfoBangla
#প্রবাসী #প্রবাসীকল্যাণ #বিদেশেকর্মসংস্থান #বাংলাদেশ