11/04/2020
স্বাস্থ্য কথা ও সুস্থ জীবন
ভালো থাকার ১৫ উপায়
০১. বর্তমানে মোবাইল নেই এমন মানুষের সংখ্যা খুবই কম। আর মোবাইল হেডফোনে গান শোনেন না এমন মানুষও অনেক কম পাওয়া যাবে। কিন্তু আপনি যদি হন একজন সচেতন মানুষ তাহলে অবশ্যই জোরে সাউন্ড দিয়ে গান শুনবেন না। জোরে সাউন্ড দিয়ে গান শুনলে বা টিভি দেখলে বা কানের কাছে শব্দ করে এমন যন্ত্র ব্যবহার করলে ব্যবহারকারী বুঝতেই পারবে না যে, ধীরে ধীরে তার শ্রবণশক্তি কমে যাচ্ছে। অনেকের কান এতে স্থায়ীভাবে নষ্টও হয়ে যেতে পারে। অতএব ভলিউম স্বাভাবিক করে গান শুনুন বা টিভি দেখুন।
০২. সুন্দর এই পৃথিবীর অপার সৌন্দর্য দেখতে হলে আমাদের অবশ্যই চোখের যত্ন নিতে হবে। চোখ ভালো রাখার সহজতম উপায় হলো সবুজ শাকসবজি খাওয়া। দেখা গেছে, সবুজ শাকসবজি চোখের ক্যারোটিনয়েসকে কার্যকর রাখে। যা সূর্যের রশ্মি থেকে চোখকে বাঁচায়।
০৩. ভালো থাকার জন্য আমাদের খাদ্যাভ্যাসের প্রতি লক্ষ রাখতে হবে। মাঝে মাঝে খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন করতে হবে। একই ধরনের খাবার সব সময় খেলে শরীর এক ধরনের উপাদান বেশি পাবে, অন্যটা একেবারে পাবে না। তাই যা খাচ্ছেন তা মাঝে মাঝে বদলে অন্য কিছু খাওয়ার চেষ্টা করুন।
০৪. পুষ্টিহীনতা দূর করার জন্য বেশি করে মৌসুমি ফল খান। মৌসুমি ফল পেতে হলে আপনাকে বেশি দূরে যেতে হবে না। হাতের কাছেই পেয়ে যাবেন জলপাই, পেয়ারা, কৎবেল, আমলকী, বরই ইত্যাদি।
০৫. নিয়মিত ব্যায়াম করুন। প্রতিদিন সামান্য সময় ধরে ব্যায়াম করবেন, আপনি সুস্থ থাকবেন। ব্যায়াম না করতে চাইলে খোলা বাতাসে আপনি একঘণ্টা হেঁটে আসুন। আপনার মন ও শরীর দুটোই ভালো থাকবে।
০৬. বসার সময় হাত ব্যবহার করবেন না। অনেকে বসার সময় হাতের ওপর ভর দিয়ে বসেন আবার ওঠার সময়ও ওজন হাতের ওপর দেন। এটি না করলে ওঠা-বসার সময় আপনার পেটের চারপাশের পেশিগুলো অ্যাকটিভ থাকবে। এতে করে আপনি অযথা মুটিয়ে যাবেন না। তাই সামান্য ওঠা-বসার অভ্যাস বদলালে আপনি একজন সুন্দর ফিগারের অধিকারী হয়ে উঠতে পারেন।
০৭. ফোমের নরম বিছানা আপনার ভালো থাকার অন্তরায়। তবে একেবারে শক্ত বিছানায় শোয়াও ঠিক নয়। এ দুটোই পিঠের জন্য অত্যন্ত খারাপ। তাই মাঝারি নরম বিছানা ঠিক করুন এবং সব সময় একই বিছানায় ঘুমাতে চেষ্টা করুন।
০৮. অনেক সময় ঘুম থেকে ওঠার পর চোখ-মুখ ফোলা ফোলা দেখায়। এটা হয় কাঁত হয়ে ঘুমানোর ফলে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কাঁত হয়ে ঘুমানোর চেয়ে চিৎ হয়ে ঘুমানো ভালো। কাঁত হয়ে ঘুমালে মেরুদণ্ডে চাপ পড়ে এবং মুখে বয়সের ছাপ পড়ে।
০৯. প্রতিদিন অন্তত ২ গ্লাস জুস খান। কমলার জুসে প্রচুর ভিটামিন ‘সি’ থাকে। এছাড়া অন্য যেকোনো ফল বা ফলের জুস খেয়েও আপনি একই রকম উপকার পাবেন।
১০. আপনি যে বেলায় সবচেয়ে বেশি খান তা একটা সাদা কাগজে লিখে রাখতে পারেন। এক সপ্তাহ পর আপনি দেখতে পারবেন চর্বি ও মাংসজাতীয় খাদ্য কতটা খাওয়া পড়েছে। বেশি খাওয়া হলে পরের সপ্তাহে তার পরিমাণ কমিয়ে দিয়ে সবজি ও সালাদের পরিমাণ বাড়িয়ে দিন। এতে আপনার হার্ট ভালো থাকবে এবং সেই সাথে আপনিও।
১১. শরীর ভালো রাখার জন্য আপনি রুটিন অনুযায়ী মেডিকেল চেকআপ করান। ডায়াবেটিস, প্রেসার ইত্যাদিকে কখনোই অবহেলা করবেন না। এগুলো নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
১২. বিশ্রাম নিন। শুধু কাজ করলেই চলবে না। কাজের সাথে সামঞ্জস্য রেখে বিশ্রামের প্রয়োজন রয়েছে। তাই প্রতিদিন একটা নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে যান।
১৩. নাশতার আগে ব্রাশ করুন। ডেন্টিস্টরা রাতে ঘুমানোর আগে ও সকালে নাশতার পর ব্রাশ করতে বলেন। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ব্রাশ করাটা খুবই দরকার। তেমনি দরকার সকালের নাশতার পরে ব্রাশ করা। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় জানা গেছে, নাশতার আগে ব্রাশ করার কথা। কারণ আমরা যে খাবার খাই তাতে এসিড ও চিনি থাকে। এগুলো দাঁতের এনামেলের কিছুটা অংশ নরম করে দেয়। তাই খাবার খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্রাশ করলে দাঁতের ক্ষতি হয়। সে কারণেই খাওয়ার আগেই ব্রাশ করুন আর যদি পরে করতে চান তবে আধঘণ্টা পরে করুন।
১৪. নিজের কিছু জিনিস নিজের কাছেই রাখুন। অপরের রেজার ব্যবহার করবেন না। কাউকে নিজেরটা ব্যবহার করতেও দেবেন না। শুধু স্কিনের সমস্যায় নয় বরং হেপাটাইটিস ‘সি’-এর মতো মারাত্মক রোগও রেজার, টুথব্রাশ ব্যবহারে ছড়াতে পারে।
১৫. জুতা ও মোজা ব্যবহারে সতর্ক হোন। অনেকে বাইরে থেকে এসে ঘরে জুতা ও মোজা খুলে রাখেন। বাইরে হাঁটাহাঁটির পর মোজা ঘামে ভিজে যায়। অনেকের বেশ দুর্গন্ধ হয়। ঘরের মধ্যে জুতা ও মোজা খুললে দুর্গন্ধ সারা ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। এর সাথে ব্যাকটেরিয়াও ছড়িয়ে পড়ে। তাই বাইরে থেকে এসে জুতা মোজা খুলুন ঘরে ঢোকার আগেই। উপরের ১৫টি উপায় আপনার জীবনযাত্রাকে আমূল বদলে দেবে এমনটি বলা যায় না। তবে ভালো থাকার আর নিজেকে ভালো রাখার এক নিয়মিত অভ্যাস আপনার ভেতর গড়ে দেবে একথা বলা যায়। তাই প্রতিনিয়ত এই উপায়গুলোর সঙ্গে নিজের অভ্যাসগুলোকে বসবাস করতে দিন আর নিজেকে রাখুন একজন প্রাণবন্ত মানুষ হিসেবে।
....................................................................................................................................
ভাল থাকার কিছু উপায়
সুখ এবং শান্তি দুটোর অবস্থান খুবই কাছাকাছি। একটি মানসিক এবং অন্যটিকে বাহ্যিক বলা চলে। দুটো এক হলেই বলা হয় ‘ভালো আছি’।
০০ শুধু শুধু কিংবা অনুমানের ওপর নির্ভর করে সন্দেহ করবেন না। সন্দেহ বাতিকের মতো। একটু সন্দেহের জন্য ভালো একটি সম্পর্ক নষ্ট হয়ে যায়।
০০ গম্ভীর মানুষকে কে-ইবা পছন্দ করে বলুন। আড্ডা, গল্প হাসি-ঠাট্টার মাঝে থাকলে মন্দ লাগা কী ভুলেই যাবেন।
০০ বাস্তবতাকে সহজে মেনে নিন এবং কখনো অসৎ উপায় অবলম্বন করবেন না।
০০ অবসরে প্রিয় গানগুলো শুনুন, ছবি দেখুন কিংবা শখের কাজটি করুন
০০ নিজের জন্য কিছু সময় আলাদা করে রাখুন। নিজেকে নিয়ে ভাবুন।
০০ পরচর্চা ও অন্যের দোষ খোঁজা বাদ দিন। আর ভাবুন অন্যের সম্পর্কে আপনার বলা কথাটি সে শুনলে কি কষ্ট পাবে, যদি পায় তাহলে তা কি ভালো হবে?
০০ অল্পতে সন্তুষ্ট থাকতে চেষ্টা করুন। এটি প্রমাণিত যে অল্পতে সন্তুষ্ট ব্যক্তিরাই তৃপ্ত এবং সুখী।
০০ সম্ভব হলে কাছে দূরে কোথাও বেড়িয়ে আসুন মাঝে মাঝে।
০০ কারো কাছ থেকে পাওয়ার আশা না করলেই ভালো। কারণ আশাভঙ্গের কারণেই মানুষ অসুখী হয়। আর ভাবুন ভাগ্যে ছিল না বলেই পাননি।
০০ রাগ হলে রাগের কারণটা লিখে রাখুন। পরে পড়লে মজা পাবেন। রাগ নিয়ন্ত্রণ করুন নয়তো একসময় রাগই আপনাকে নিয়ন্ত্রণ করবে।
০০ ঈর্ষা করবেন না। এটা এমন এক বিষ যা আপনি নিজে পান করছেন আর ভাবছেন অন্যের ক্ষতি হবে।
..............................................................................................................................................
মন ভালো করার (১০১+১০১) টি উপায়
আপনাদের কার ও কি মন খারাপ আছে ? আজ দু দিন থেকে আমার মনটা খুব খারাপ কিছু ভালো লাগছেনা। মন ভালো করার কোন উপায় ও খুজে পাচ্ছিলাম না।অফিসে ঢুকেই বাধ্য হয়ে তাই সবজান্তা গুগলকে উপায় খোজে বের করার দায়িত্ব দিলাম। মন ভালো করার উপায় লিখে সাচ দিলাম সাথে সাথে এক গাদা তথ্য দিল।সেগুলো ঘাটতে গিয়ে কিছু মজার মজার আর কিছু সিরিয়াস পরামশ পেলাম।আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম।কারো মন খারাপ থাকলে আশা করি উপায় খুজে নিতে পারবেন নিজের মত করে এখান থেকে:
মন ভাল করার প্রথম ১০১টা উপায়…(ভ্যালু নাই বলে মাঝের শূন্যটা বাদ)
ক্যাডেট কলেজ ব্লগে
লিখেছেন : হিমু বিভাগ : কারমাইকেল কলেজ,রংপুর
এই লেখাটা আমাদের সদা অভিমানী তপু ভাইয়ের জন্য
(আমার মতে সবার জন্য)
১। প্রেম করেন (খবরদার! বোন বানানো যাবে না!)
২। জাপানের ভূমিকম্প বিধ্বস্ত মানুষদের জন্য ঠাডায়ে কাজ করা শুরু করেন, মন খ্রাপের টাইমই পাবেন না
৩। আপনে বড়ই পেসিমিস্ট মানুষ, অপ্টিমিস্ট হয়ে যান, (বাংলাদেশ ৫৭, ৯ উইকেটের সময়ও বিড়বিড় করে দোয়া করতে থাকবেন ইয়া মাবুদ, বাংলাদেশরে জিতায়া দেও)
৪। যেইটা ইচ্ছা সেইটা করে ফেলবেন, কে কি মনে করবে এইটা চিন্তা করার কুনো কারণ নাই (বাংলাদেশ আসতে ইচ্ছা করলে ধুম করে চলে আসবেন, এত চিন্তা করার কোন দরকার নাই)
৫। সারাক্ষণ কাজ করেন, সারাক্ষন সারাক্ষণ সারাক্ষণ…কিছু না পাইলে ঘর মুছা শুরু করেন
৬। সারাক্ষণ বন্ধু বান্ধবের লেজ ধরে থাকবেন, দেখবেন মন খারাপের টাইম নাই
৭। সারাক্ষণ ক্ষমা করতে থাকবেন, যেই যা করুক, ক্ষমা করে দিবেন, বাথরুম করার চেয়েও বেশি শান্তি পাবেন…
৮। অল্পেই খুশি হয়ে যাওয়ার গুণটা আয়ত্ব করে ফেলেন…ট্রেনে জানালার পাশে সীট পেলেই যেন মনটা আনন্দে ভরে ওঠে
৯। লাইফকে খুব সহজ করে দেখেন…জাপানের রাস্তার চেরী গাছ দেখতে দেখতে আর হাঁটতে হাঁটতে চিন্তা করেন…এত সুন্দর আর সহজ একটা জীবন কতজন কাটাতে পারে…
১০। এত কিছু করার পরও কাজ না হলে রাত তিনটার সময় কলেজের সবচেয়ে প্রিয় বন্ধুকে, কিংবা কনক ভাইকে, কিংবা আপনার সবচেয়ে প্রিয় আপুনিকে ফোন করে ঘুম ভাঙ্গায় দেন…
১১। ১ নম্বরে বলা কাজটা না করতে পারলে বাংলাদেশে ফিরে এসে এয়ারপোর্ট থেকে রুমে ফিরেই খাট দুইভাগ করা শুরু করেন, আন্টি বুঝে যাবে…
মন ভাল করার দ্বিতীয় ১০১ টা উপায়…(ভ্যালু নাই বলে মাঝের শূন্যটা এবার ও বাদ)
টিউনার পেজে
লিখেছেন হিমু ........ টিপস-এন্ড-ট্রিকস তারিখ ২৪ মে ২০১৪
১. যে কারনে মন খারাপ সে কারন টা ভূল তে চেষ্টা কর।
২. অতীতের যে ঘটনা গুলো মনে হলে তুমার একা একা হাস তে ইচ্ছে হয় সে ঘটনা গুলো মনে করার চেষ্টা কর।
৩. ফ্রেন্ড দের সাথে আড্ডা দাও।
৪. তুমার পছন্দের গান শুন।
৫. এক টা ভাল কাজ করে ফেল।
৬. অল টাইম বিজি থাকার জন্য্ ট্রাই কর।
৭. যে কাজ কর তে তুমার সব চেয়ে খারাপ লাগে সে কাজ টা পরে কর।
৮. যে মানুষ তুমার খারাপ চাইবে থাকে এরিয়ে চলার চেষ্টা কর কারন সে তুমার মন টা কে আর খারাপ করে দিতে পারে।
৯.প্রিয় মানুষ টির সাথে কথা বল।
১০.তুমার বিশ্বস্ত আপন জন এর কাছে তুমার মন খারাপ আর ব্যাপার তা শেয়ার কর তে পার।
১১. মন খারাপ এর সময় নিরব তাকিও না।
পুনশ্চঃ যদি ও দুই একটা মতের ব্যাপারে আমার প্রশ্ন আছে। যেমন : প্রিয় মানুষ টির সাথে কথা বল। সেই প্রিয় মানুষটিই যদি হয় মন খারাপের কারন সেক্ষেত্রে কি করার আছে ??????
লেখকরা দেখবেন কি না জানি না তাই আপনারাই উত্তরটা দিয়েন।আর পারলে আরো কিছু বলেন!!!