Raduan JCD Kanishail Sylhet

Raduan JCD Kanishail Sylhet This Page run By Raduan Ahmmed,

Former সহ-সভাপতি at কোতোয়ালী থানা ছাত্রদল

Former সাংগঠনিক সম্পাদক at কোতোয়ালী থানা ছাত্রদল
(1)

❤️♥️🖤🌺
24/03/2026

❤️♥️🖤🌺

সত্যিকারের ঈদ সেদিন—যেদিন তুমি কারো হৃদয় ভাঙো না।— মাওলানা জালাল উদ্দিন রুমি (রহ.)।🖤
23/03/2026

সত্যিকারের ঈদ সেদিন—
যেদিন তুমি কারো হৃদয় ভাঙো না।

— মাওলানা জালাল উদ্দিন রুমি (রহ.)।🖤

সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর জন্য কবর খুঁড়তে হয়েছিলো ২ টা। হ্যাঁ ঠিকই শুনেছেন, একটা না। ২ টা...ফাঁসির ৪ ঘন্টা আগেও সালাহউ...
26/02/2026

সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর জন্য কবর খুঁড়তে হয়েছিলো ২ টা। হ্যাঁ ঠিকই শুনেছেন, একটা না।
২ টা...

ফাঁসির ৪ ঘন্টা আগেও সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী জানতেন না, আজকেই তাকে যেতে হবে।
ফ্যামিলি যখন শেষবারের মতো দেখা করতে যায়, তখন সেই ফ্যামিলির কাছেই তিনি প্রথম জানতে পারেলেন যে আজকেই সেই দিন। তাঁর হাতে সময়
আছে আর ৪ ঘন্টা।
উনি কিছুটা কষ্ট পেয়েছিলেন। জেলারকে বলেছিলেন, অন্তত আমাকে তো বলতে পারতি রে, একটা
প্রিপারেশন নেওয়ার ব্যাপার আছে না?
এরপর তিনি ফ্যামিলিকে জানান, উনি ১৯৭৮ সালে এক বক্তব্যে রাঙ্গুনিয়ার মানুষের কাছে ওয়াদা করেছিলেন, যে আমার কবর এখানেই হবে।
তো শেষ ইচ্ছা শুনেই চৌধুরী পরিবার রাঙ্গুনিয়াতে
কবর খননের কাজ শুরু করে।
কী অদ্ভুত জীবন!!
মানুষটা তখনও বেঁচে আছে, অথচ কবর
খোড়া শুরু হয়ে গেছে 😥

কিন্তু ফাঁসি কার্যকরের পর জেলার সাফ জানিয়ে দেন, লাশ রাঙ্গুনিয়া যাবে না। লাশ অবশ্যই রাউজানে নিতে হবে।
অনেক চেষ্টা করেও যখন মানানো যায়নি, তখন
সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর কাজিন সালমান এফ
রহমানের মাধ্যমে শেখ হাসিনার কাছে বলা হয়, উনি যেন জেলারকে বলে দেন, লাশ রাঙ্গুনিয়াতে দাফ
করার ব্যাপারে।
শেখ হাসিনা স্পষ্ট জানাইয়া দেন, রাঙ্গুনিয়া না, সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর দাফন রাউজানেই করতে হবে।

শেষ পর্যন্ত রাউজানে আরেকটা কবর খোড়া হয়।ওখানেই সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীকে দাফন করা হয়। আমি শুধু ভাবি, ঠিক কতটা বিদ্বেষ পুষে রাখলে
এই কাজটা করা যায়?
সালাউদ্দিন কাদেরকে বার বার বলা হয়েছিল,
"তুমি যদি রাষ্ট্রপতির কাছে জীবন ভিক্ষা চাও, তাহলে
তোমার ফাঁসি দেওয়া হবে না "। কিন্তু ইতিহাসের এই
নেতা বলেছিলেন, " জীবন দেওয়া নেওয়ার মালিক
আল্লাহ। আর আমি রাজাকার নই, তাই মিথ্যাকে
স্বীকার করে নিয়ে জীবন ভিক্ষা চাইবো"। কিন্তু উনি
সত্যের প্রতি অনড় ছিলেন।

সালাউদ্দিন চৌধরির হয়ে আদালতে যে আইনজীবী লড়াই করেছিলেন, পরবর্তীতে সেই আইনজীবীকেও
শোকজ করা হয়েছিল।

আজকে যারা নতুন করে "রাজাকার‍" বলে স্লোগান
দেন, তাদেরকে মনে করিয়ে দিতে চাই, বিএনপির এই নেতাকে কিন্তু রাজাকার তকমা দিয়েই হাসিনা হ*ত্যা করেছে। সুতরাং রাজাকার বলার আগে একটু ভেবে বলিয়েন।

যারা অন্ধের মতো আওয়ামীদের পূণর্বাসন করার চেষ্টা করছেন, তারা দয়াকরে এমন বিভীষিকাময় অতীত ঘেটে আসুন। আপনাদের অন্ধ চোখ খুলে যাবে।

তুমি কি খেয়াল করেছ, যখন তুমি কোনো কিছুর জন্য একদম পাগল হয়ে যাও— সারাক্ষণ ভাবছো "এটা আমার চাই-ই চাই", "কীভাবে পাব?"— ঠিক ...
25/02/2026

তুমি কি খেয়াল করেছ, যখন তুমি কোনো কিছুর জন্য একদম পাগল হয়ে যাও— সারাক্ষণ ভাবছো "এটা আমার চাই-ই চাই", "কীভাবে পাব?"— ঠিক তখনই যেন জিনিসটা তোমার থেকে আরও দূরে সরে যায়?

আর ঠিক যখনই তুমি হাল ছেড়ে দাও, নিজেকে শান্ত করো, তখনই হুট করে সুযোগগুলো তোমার দরজায় কড়া নাড়তে শুরু করে। এটা কেবল মনের ভুল নয়, এর পেছনে গভীর বিজ্ঞান এবং জীবনদর্শন আছে।
চলো আজ তোমাদের সাথে এই 'অভাবের মানসিকতা' বনাম 'প্রাচুর্যের শক্তি' নিয়ে কিছু কথা বলি।

১. কেন অতিরিক্ত চাওয়া আসলে বাধা হয়ে দাঁড়ায়?
যখন তুমি কোনো কিছুর প্রতি অবসেসড হয়ে যাও, তখন তোমার শরীরে Cortisol (স্ট্রেস হরমোন) লেভেল বেড়ে যায়। বিজ্ঞানের ভাষায়, তখন তোমার টানেল ভিশন তৈরি হয়। অর্থাৎ, তোমার মস্তিষ্কের সক্ষমতা সংকীর্ণ হয়ে যায় এবং তুমি বড় কোনো সুযোগ বা সমাধান দেখতে পাও না।
তুমি যখন মনে করো "আমার এটা না হলে চলবে না", তখন তুমি আসলে বলছো যে, তোমার কাছে ওই জিনিসটা নেই। এই 'নেই' বা 'অভাব' থেকেই জন্ম নেয় নেতিবাচক এনার্জি। মনে রাখবে, অভাব সবসময় অভাবকেই আকর্ষণ করে।

২. পাত্র তৈরি করো, কিন্তু তৃষ্ণা নয়।
তোমার ইচ্ছা বা আকাঙ্ক্ষা হলো একটা পাত্রের মতো। তুমি একটা বড় লক্ষ্য স্থির করেছ মানে তুমি একটা বড় পাত্র তৈরি করেছ। কিন্তু সেই পাত্রে প্রাপ্তি তখনই আসবে যখন তুমি 'পাওয়ার তীব্র আকাঙ্ক্ষা' ত্যাগ করবে।
পাওয়ার ইচ্ছা রাখো, কিন্তু কখন হবে, কীভাবে হবে— সেই দুশ্চিন্তা বন্ধ করো। এটা সৃষ্টিকর্তার কাছে সমর্পণ করো। এই সমর্পণটাই তোমার এবং তোমার সাফল্যের মাঝখানের দূরত্বটা কমিয়ে দেয়।

৩. বাসা থেকে বের হও একজন 'রাজার' মতো
সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর আমাদের অবচেতন মন কিছুটা শূন্যতা অনুভব করে। মনে হয় যেন কিছু একটা নেই। ঠিক এই সময়েই তোমাকে কাজ করতে হবে। প্রতিদিন সকালে ৫-১০ মিনিট সময় নাও, ধ্যান করো। নিজেকে বোঝাও যে— "আমার যা প্রয়োজন, সব আমার ভেতরেই আছে।" তুমি যদি নিজেকে একজন ভিখারির মতো ভাবো, যে কেবল সুযোগ খুঁজছে, তবে মানুষ তোমাকে ব্যবহার করবে, ঠকাবে এবং তুমি কেবল বিভ্রান্তিই পাবে।
কিন্তু তুমি যদি নিজেকে একজন রাজার মতো ভাবো, তবে তোমার চারপাশে একটা অদৃশ্য আত্মবিশ্বাসের দেয়াল তৈরি হবে।
একজন রাজার যেমন সেনাবাহিনী থাকে, তোমার এই পজিটিভ ভাইব বা পজিটিভিটি তেমনই তোমার সুরক্ষাকবচ হয়ে কাজ করবে। তখন ভুল মানুষ তোমার কাছে ঘেঁষার সাহস পাবে না, আর সঠিক সুযোগগুলো চুম্বকের মতো তোমার দিকে ছুটে আসবে।

৪. ল অফ রেজোন্যান্স।
সহজ কথা— তুমি যা, তুমি তা-ই আকর্ষণ করবে। যদি তুমি অভাবী বা অভাব বোধ নিয়ে ইনভেস্টর, কাস্টমার বা বন্ধুদের সামনে যাও, তবে তারা তোমার সেই অভাবী চেহারাটাই দেখবে। কিন্তু তুমি যদি ন

31/12/2025

Tarique Rahman
Father 🖤

Begum Khaleda Zia
31/12/2025

Begum Khaleda Zia

28/12/2025

কিছু হলেই বাংলাদেশের দূষ।
😁😁😁
india ভাগেগা

17/12/2025
26/11/2025

তোমাকে

এই যে তোমার দিনগুলো বাইরে থেকে যেমন স্বাভাবিক মনে হয়, মানুষ দেখে তুমি কথা বলছো, কাজ করছো, দায়িত্ব সামলাচ্ছো, ঠিক আছো। কিন্তু ভিতরে অন্য জগত লুকিয়ে আছে। নীরব পৃথিবী, যেখানে তুমি একা নিজের ভাবনার সঙ্গে লড়াই করছো। কেউ সেটা দেখে না। তোমার এই নিঃশব্দতার ভেতর পবিত্র কুরআনের গল্পগুলো অদৃশ্য বাতাসের মতো ছুঁয়ে যায়।

ইয়াকুব (আ.) এর মতো তোমারও অনেক রাতের কান্না কেউ দেখে না, কিন্তু আল্লাহ দেখেন, তিনি সব জানেন। যেমন ইয়াকুব (আ.) বলেছেন, ‘আমি আমার দুঃখ আল্লাহকেই জানাই।’ তুমিও এমন বলো। তোমার নীরবতাও ঠিক তেমনই তাঁর কাছে প্রকাশ্য। কখনো তুমি মূসা (আ.) এর মতো পথ হারিয়ে যাও। সবকিছু ভেঙে পড়ে, পরবর্তী পদক্ষেপ অনিশ্চিত হয়ে যায়। মরুভূমির নিঃসঙ্গ পথ যেমন দীর্ঘ ও কঠিন, তোমারও অনেক পথ তেমনি। মূসা (আ.) এর ছোটো দুআ যেমন শোনা হয়েছিলো, তোমার ছোটো ছোটো দুআগুলোও ঠিক তেমনি পৌঁছে যায় আরশে।

যখন জীবন কূপের মতো অন্ধকার হয়ে আসে, ভেতরে আলো কমে যায়, সুযোগ বন্ধ মনে হয়, তখন ইউসুফ (আ.) এর কূপের গল্প মনে করিয়ে দেয়, তিনি কিছু করতে পারেননি, তুমিও পারো না; কিন্তু যে আল্লাহ তাঁকে উদ্ধার করেছিলেন, সেই আল্লাহই তোমাকে দিশা দেখাতে থাকেন—চোখে দেখো বা না দেখো, তাঁর করুণা থামে না।

কখনো তোমার ব্যথা এতো নিঃশব্দ হয়ে যায় যে, শব্দও খুঁজে পাও না, শুধু নিঃশ্বাস। সেই নিঃশ্বাসও আইয়ুভ (আ.) এর দুআর মতোই আল্লাহর কাছে পৌঁছে যায়, ‘কষ্ট আমাকে ছুঁয়ে গেছে’। একটি অনুচ্চারিত বাক্যই যথেষ্ট আল্লাহর জন‍্য।

আল্লাহ তোমার ক্লান্তি, দুঃখ, চোখের পানি সবই দেখেন। মানুষ শুধু তোমার শক্ত দিক দেখে, কিন্তু আল্লাহ তোমার ভেতরের ভঙ্গুর জায়গাগুলোও জানেন। তুমি চুপচাপ হিসাব করো মাসের খরচ, দায়িত্ব, ভবিষ্যতের দুশ্চিন্তা—এসবই তাঁর কাছে অতি সহজ। রাস্তায় হাঁটতে হাঁটতে যখন তুমি ভাবো, ‘কবে সহজ হবে?’ এই ভাবনাই তাঁর কাছে দুআ হয়ে পৌঁছে যায়।

তোমার ভয়, দ্বিধা, ক্লান্তি, অগোছালো স্বপ্ন, সব মানুষের চোখে অদৃশ্য, কিন্তু আল্লাহর কাছে নয়। কখনো মনে হয় দরজা বন্ধ, পথ থেমে গেছে, কিছুই হবে না। ঠিক তখন পবিত্র কুরআন তোমাকে নরম করে মনে করিয়ে দেয়—‘কষ্টের সঙ্গে অবশ্যই স্বস্তি আছে’। সেই ‘অবশ্যই’ই তোমার ভরসা।

তুমি ক্লান্ত হলেও চেষ্টা চালিয়ে যাও, নীরব হলেও হাল ছাড়ো না, মন ভেঙে গেলেও আবার গড়ে তোলো। তোমার সব গোপন লড়াই, অশ্রু, দুআ, রাত—কিছুই আল্লাহর কাছে নষ্ট হয় না। তুমি মনে করো একা, কিন্তু একা নও। তোমার জীবনের অদৃশ্য স্থানে, হৃদয়ের গভীরে, চিৎকারহীন ব্যথার পেছনে—আল্লাহ আছেন। তিনি নিজেই বলেছেন, ‘ওয়াহুয়া মা‘আকুম আইনা মা কুন্তুম।’

12/11/2025

আওয়ামী লীগ আর হাসিনার সাথে সবচেয়ে ভালো ব্যবহার করেছিলেন জিয়াউর রহমান।

মুজিবের দুর্নীতি করে কামানো ৫০৩ ভরি স্বর্ণ তিনি শেখ হাসিনাকে বুঝিয়ে দেন।

বুঝিয়ে দেন ধানমন্ডি ৩২ এর বাড়ি আর রাজনীতি করার অধিকারও।

এর প্রতিদান দিতে হাসিনা দেরি করেন নি।

হাসিনা ফেরার মাত্র ১৩ দিনের মাথায় খুন হন জিয়াউর রহমান।

হাসিনা না ফিরলে এই খুন হত কি না, আমার সন্দেহ আছে।

১৯৯৫ তে জামায়াত আওয়ামী লীগের সাথে মিলে মিশে আন্দোলন করেছিল।

নিজামী সাহেবের সাথে হাসিনার হাসি হাসি মুখে করা মিটিং এর ছবি এখনও নেটে আছে।

সেই নিজামীকে হাসিনা ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করেন।

২০০১ সালে খালেদা জিয়া ক্ষমতায় আসার পরেও হাসিনাকে খুব একটা ঘাটাননি। দুর্নীতির মামলা করেননি। হাসিনাকে রাজনীতি করতে দিয়েছেন।

সেই খালেদা জিয়াকেই হাসিনা বৃদ্ধ বয়সে জেলে ঢুকিয়েছেন। বিনা চিকিৎসায় মেরে ফেলার বন্দোবস্ত পর্যন্ত করে ফেলেছিলেন।

আরেকটু দেরি হলে হয়তো সাঈদী সাহেবের মত পরিনতিই ম্যাডামের হত।

আওয়ামী লীগের সাথে ভালো ব্যবহার করা প্রত্যেকের পরিনতি হয়েছে এতটাই করুন।

৭৫ এর পর আওয়ামী লীগের নাম নিশানা মুছে ফেলার সুযোগ একবার এসেছিল।

সেই না মোছার খেসারত দিতে হলো ২০ হাজার রাজনৈতিক খুন, ২০০০ গুম আর জুলাই গণহত্যা দিয়ে।

এখন আমরা যদি এবারও আওয়ামী লীগের নাম নিশানা মুছতে না পারি, পরেরবার ২০ লাখ লোকের প্রাণ দিয়ে তার কাফফারা দিতে হবে।

নবিজীর একটা হাদিস আছে।

তাঁর উম্মতদের তিনি এক সাপের গর্তে দুইবার পা দিতে না করেছেন।

মানে আপনি সাপের গর্তে পা দিয়ে ছোবল খাবেন, তারপর ভাগ্যের দোষ দেবেন, সেটা হবে না।

আওয়ামী লীগ নামের সাপের গর্তে আমরা একবার না, ৪ বার পা দিয়ে রক্তাক্ত হয়েছি।

আর না।

বিষধর সাপের সামনে আপনি যতই গোলাপ নিয়ে যান, ওরা শেষ পর্যন্ত ছোবলটাই চেনে।

ওদের সাথে চলার একমাত্র ওয়ে হইলো, ওদের বিষদাঁত ভেঙে দেওয়া। এর বাইরে আর কোন ওয়ে নাই।

আওয়ামী লীগ আবার গর্ত থেকে বের হওয়ার চেষ্টা করছে। আগুন দিচ্ছে বাসে, কারে, মাইক্রোবাসে।

অলরেডি পুড়িয়ে মেরে ফেলেছে একজনকে।

আরও পোড়ানোর আগেই এদের মাজা ভেঙে দিতে হবে।

জালিমের প্রতি সদয় আচরণ করার অর্থ হলো মজলুমের উপর জুলুম করা।

আওয়ামী লীগের প্রতি সদয় হইতে বলার আগে কথাটা যেন আমরা মনে রাখি।

Address

8 Albert Road
London
KT13DH

Telephone

+447561592901

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Raduan JCD Kanishail Sylhet posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Raduan JCD Kanishail Sylhet:

Share