Khan Consultancy

Khan Consultancy Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Khan Consultancy, Consulting Agency, Unit B4B, Bow Business Centre, 153-159 Bow Road, London.
(1)

Happy New Year 2025
02/01/2025

Happy New Year 2025

থাইল্যান্ডের ভিসা পাওয়া যাবে ঝক্কি-ঝামেলা ছাড়াই, খুব সহজে, ঘরে বসেই! বাংলাদেশিরা থাইল্যান্ডের ই-ভিসার জন্য আবেদন করতে ...
17/12/2024

থাইল্যান্ডের ভিসা পাওয়া যাবে ঝক্কি-ঝামেলা ছাড়াই, খুব সহজে, ঘরে বসেই! বাংলাদেশিরা থাইল্যান্ডের ই-ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন আগামী ১লা জানুয়ারি ২০২৫ থেকে।

★পেইজে লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন।
ভালো লাগলে শেয়ার করুন

Follow: Facebook.com/Khan Consultancy

অনেক জটিল হলেও নিজে নিজেই ব্রুনাই ভিসা করুন। ✌️ 🇧🇳ভিসার আবেদন জমা থেকে শুরু করে ডেলিভারি, পুরো অভিজ্ঞতা নিচে দেয়া হলো।ভ...
12/12/2024

অনেক জটিল হলেও নিজে নিজেই ব্রুনাই ভিসা করুন। ✌️ 🇧🇳

ভিসার আবেদন জমা থেকে শুরু করে ডেলিভারি, পুরো অভিজ্ঞতা নিচে দেয়া হলো।

ভিসা ফাইল সাবমিট করতে গিয়ে বেশ ভালোই অভিজ্ঞতা হয়েছে। প্রতিটা ডকুমেন্টস খুটিয়ে খুটিয়ে দেখেছে। ভ্রমন রিলেটেড নানা প্রশ্ন ও পাসপোর্ট এর প্রতি পাতা উল্টিয়ে দেখেছে। মোটামুটি দেড় ঘন্টা সময় নিয়েছে এবং ফাইনালি আরো ১ঘন্টা পর টাকা জমা নিয়ে ডেলিভারি স্লিপ দিয়েছে। ফ্রেশ পাসপোর্ট এ ভিসা দেয় কিনা কনফিউজড, কেননা ইন্টারভিউ এর মর্মার্থ অনেক কঠিন।

ভিসা ফাইল প্রসেসিং:
ব্রুনাই ভিসা একেবারেই সহজ। কিছু দেশ ট্র‍্যাভেল থাকলে ভালো। যেভাবে ফাইল স্টেপ বাই স্টেপ দেখে, সেক্ষেত্রে সব গুছানো অনেক জরুরী।

১। ভিসা ফর্ম কম্পিউটারে ফিলাপ করলে ভালো, কেননা হাতে ফিলাপ করার পর কয়েকজনের সাথে ঝামেলা করেছে।
(ভিসা ফর্ম ব্রুনাই ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করা যায়)

২। পাসপোর্ট সাইজ ছবি ২ কপি (রিসেন্ট তোলা)

৩। জাতীয় পরিচয়পত্র ও জন্মসনদ (ইংরেজিতে ট্রান্সলেট + নোটারী)।

৪। সকল পাসপোর্ট কপি এবং অন্যান্য দেশের এন্ট্রি/এক্সিট সিলের কপি (অন্যান্য দেশের ভিসা কপি ও ইভিসা কপিও জমা দিলে ভালো)।

৫। রিসেন্ট পাসপোর্ট অবশ্যই ৬ মাসের ভ্যালিডিটি থাকা লাগবে এবং ৪টা ব্ল্যাংক পেইজ থাকা লাগবে।

৬। ফিন্যান্সিয়াল প্রুফ: ব্যাবসায়ী হলে কারেন্ট একাউন্ট এর স্ট্যাটমেন্ট ও ব্যাংক সলভেন্সী এবং সেভিংস একাউন্ট এর স্ট্যাটমেন্ট ও ব্যাংক সলভেন্সী। ব্যাংক সলভেন্সী ডলার এ কনভার্ট করে নিলে ভালো, এটা ব্যাংক এ বললেই করে দিবে। মনে রাখবেন স্ট্যাটমেন্ট যেনো ট্রাঞ্জেকশান থাকে এবং অবশ্যই সাথে করে অরিজিনাল চেকবই এবং এটিএম কার্ড নিয়ে আসতে হবে। চেকবই মিলিয়ে দেখে।

৭। কনফার্ম ফ্লাইট টিকেট কপি ২টা লাগবে (PNR Active থাকা লাগবে)। এটার জন্য কয়েকজনকে রিটার্ন করে দিয়েছে। এখানে টিপ্স হচ্ছে যাওয়ার ১ ঘন্টা আগে ফ্লাইট বুক করবেন এবং মোটামুটি অনেকটা সময় PNR এক্টিভ থাকে। এটা নাকি উনাদের পলিসি।

৮। কনফার্ম হোটেল বুকিং লাগবে। এগুলো উনারা বসে বসে চেক করে। ফ্রি ক্যান্সেলেশান এ বুকিং ডট কম থেকে হোটেল বুকিং করলেই হবে।

৯। চাকুরীজীবিদের NOC, Job Certificate, ID Card, Visiting Card, Salary Certificate লাগবে।

১০। একটা সুন্দর কাভার লেটার।

১১। টিন সার্টিফিকেট, ট্যাক্স রিটার্ন আপডেট।

১২। ১৪০০ টাকা খুচরা নিয়ে যেতে হবে কেননা ভাংতির জন্য আপনাকে দৌড়ঝাঁপ করতে হবে।

এছাড়া অন্যান্য কোন ডকুমেন্টস লাইক এসোশিয়েশান মেম্বারশীপ ইত্যাদি। কোনো এপয়েন্টমেন্ট লাগেনা। সরাসরি এম্বাসী গিয়েই জমা দেওয়া যায়।

প্রসেসিং টাইম ১ সপ্তাহ সময় নেয়। এছাড়া ছোটখাট ভাবগাম্ভীর্যপূর্ন ইন্টারভিউ দিতে হয়।

ফাইল জমা নেওয়া মানে মোটামুটি ১০০% ভিসা নিশ্চিত। সকাল ৯:৩০ থেকে ১১:৩০ পর্যন্ত জমা এবং ডেলিভারি টাইম দুপুর ২:৩০ থেকে ৩:৩০ মিনিট।

এম্বাসী ঠিকানা: রোড-৬, বাড়ী-২৬, বারিধারা, ঢাকা-১২১২

★পেইজে লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন।
ভালো লাগলে শেয়ার করুন

Follow: Facebook.com/Khan Consultancy

যারা টুরিস্ট/ ভ্রমণ ভিসায় স্বপ্নের দেশ আমেরিকায় যেতে চাচ্ছেন তারা এই পোস্টটি বার বার পড়ুন এবং  বোঝার চেষ্টা করুন।**আসলে ...
10/12/2024

যারা টুরিস্ট/ ভ্রমণ ভিসায় স্বপ্নের দেশ আমেরিকায় যেতে চাচ্ছেন তারা এই পোস্টটি বার বার পড়ুন এবং বোঝার চেষ্টা করুন।

**আসলে বাস্তবতা হলো আমেরিকার ৫ (পাঁচ) বছরের মাল্টিপল এন্ট্রি ট্যুরিস্ট ভিসা (B1-B2) বাংলাদেশ থেকে পাওয়া খুবই সহজ, যদি আপনি সঠিক পন্থায় এবং সঠিকভাবে ভিসা প্রসেসিং করেন।

আমরা অনেকেই আমেরিকার ভিসার জন্য আবেদন করতে ভয় পাই, কারণ আমরা মনে করে থাকি অন্য সব উন্নত দেশগুলোর মতো ট্যুরিস্ট ভিসা প্রসেসিং এর সময় অনেক ডকুমেন্টস সাবমিট করতে হয়, পূর্বেই বায়োমেট্রিক্স নেয়া হয় এবং পরে ইন্টারভিউ এর মাধ্যমে ভিসা ইস্যু অথবা রিফিউস করা হয়। কিন্তু আমেরিকান ট্যুরিস্ট ভিসার (B1-B2) ক্ষেত্রে পদ্ধতিটি সম্পূর্ণই ভিন্ন এবং সহজ ।

এই ভিসা পাওয়ার জন্য অনেক বেশী কাগজপত্র দরকার নেই। এমনকি আপনার ব্যাংক স্টেটমেন্ট বা এসেট ভ্যালুয়েশনও চাইবে না।
এছাড়াও আপনার যদি একাধিক দেশ ভিজিট করা থাকে তাহলে সেটা নিসন্দেহে ভিসা পাওয়ার ক্ষেত্রে একটা সহায়ক ভূমিকা পালন করবে, কিন্তু এর অর্থ এই নয় যে বিভিন্ন দেশ ভিজিট করা থাকলেই আপনি আমেরিকার ভিসা পেয়ে যাবেন।

আপনার যদি সঠিক কৌশল জানা থাকে তাহলে সাদা পাসপোর্টেও আপনি আমেরিকার ভিসা পেতে পারেন।

আমেরিকান ট্যুরিস্ট ভিসার প্রথম দুইটি ধাপ হলো:

১। সিজিআই প্রোফাইল তৈরি করা।
২। ভিসা ফি এর রিসিপ্ট প্রিন্ট আউট করে ইস্টার্ন ব্যাংকের (EBL) যে কোনো ব্রাঞ্চে অফলাইনে জমা দেওয়া। আর আপনার যদি (EBL) ব্যাংকে একাউন্ট থাকে তাহলে (EBL) ব্যাংকের APP-এর মাধ্যমে অনলাইন-এ ভিসা ফি জমা দিতে পারবেন।
বর্তমানে জনপ্রতি ভিসা ফি হচ্ছে $১৮৫ ডলার যা বর্তমান বাজারের ডলার মূল্য অনুযায়ী হচ্ছে ২১,০৯০ টাকা।

আমেরিকান মাল্টিপল এন্ট্রি ট্যুরিস্ট ভিসা বাংলাদেশ থেকে সাধারণত ৫ বছরের জন্য দেওয়া হয় এবং এই ভিসাটি মূলতো ২টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এর উপর ভিত্তি করে হয়ে থাকে।
**প্রথমত : DS-160: Online Nonimmigrant এপ্লিকেশন ফর্ম এর উপর।
**দ্বিতীয়ত : ভিসা অফিসারের সাথে একটি শর্ট ইন্টারভিউ এর উপর।

**DS -160 ফর্ম কেন গুরুত্বপূর্ণ ?
যেহেতু আমেরিকান ট্যুরিস্ট ভিসা ব্যক্তিগত তথ্য ও ইন্টারভিউ ভিত্তিক, তাই DS-160 ফর্মে সকল ব্যক্তিগত ও পারিবারিক তথ্য নির্ভুল ও সঠিকভাবে প্রদান করতে হয়। একটা বিষয় মনে রাখবেন, সঠিকভাবে DS-160 এপ্লিকেশন ফর্মটি পূরণ করলে আপনার ভিসা পাওয়ার সম্ভাবনা ৭০% নিশ্চিত হয়ে যাবে।

**ভিসা অফিসারের সাথে ইন্টারভিউ কেমন হবে?
- ভিসা অফিসারদের বেশিরভাগ প্রশ্ন আপনাদের দেওয়া DS-160 ফর্ম এর উপর ভিত্তি করেই হয়ে থাকে। ইন্টারভিউয়ের উপর মূলত বাকী ৩০% সম্ভবনা নির্ভর করে।
এছাড়া সাক্ষাৎকারের সময়কাল মূলত ২-৩ মিনিটের হয়ে থাকে (কারো কারো ক্ষেত্রে ৫-১০ মিনিট পর্যন্ত দীর্ঘ হয়)।
এই অল্প সময়ে ভিসা অফিসারগণ মূলত আপনাদের সাইকোলজিকালি পরীক্ষা করে। আপনার বডি ল্যাঙ্গুয়েজ, বাচনভঙ্গি, ড্রেস আপ থেকে শুরু করে আপনি কিভাবে কনসুলার অফিসারদের প্রতিটি প্রশ্নের সু-ব্যাখ্যা সংক্ষেপে দিতে পারছেন সবকিছুর উপর বিবেচনা করে তারা তাৎক্ষণিকভাবে একটি সিদ্ধান্ত নেয়।
এছাড়াও আপনি কেন আমেরিকা যাবেন তার সুনির্দিষ্ট কারণ দেখাতে হবে। ইন্টারভিউ এর সময় ভিসা অফিসারদের বুঝাতে হবে যে, আপনার আমেরিকা যাওয়ার সুনির্দিষ্ট কারণ আছে এবং আপনি আমেরিকায় যাবেন এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ফিরে আসবেন, তাহলেই আপনার ভিসা হবে।

**তাই, আপনি যখন আমেরিকার ট্যুরিস্ট ভিসার (B1+B2) জন্য আবেদন করবেন, তখন অবশ্যই আপনার DS-160 ফর্মটি কোন দক্ষতার সাথে পূরণ করতে হবে। কেননা, DS-160 ফর্ম সঠিকভাবে পূরণ করতে না পারলে এটি আপনার রিফিউজ এর কারণ হতে পারে।

নোট: অনেক এজেন্সি বা ব্যক্তিবর্গ আপনাকে কন্ট্রাক্টে ভিসা নিশ্চয়তার প্রলোভন দেখিয়ে আমেরিকায় যাওয়ার মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিতে পারে। সবসময়ই মনে রাখবেন আমেরিকান ভিসা কখনই কন্ট্রাক্টে অথবা চুক্তিভিত্তিক হয় না। তাই নিজে অথবা যারা দক্ষ তাদের সহায়তা নিতে পারেন।

★পেইজে লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন।
ভালো লাগলে শেয়ার করুন

Follow: Facebook.com/Khan Consultancy

ইমিগ্রেশন অফিসার ঘুশ খাওয়ার জন্য অফ লোড করে দেয় এটা পুরোপুরি সত্য না।ইমিগ্রেশন অফিসারের মর্জির উপর ক্লিয়ারেন্স ডিপেন্ড ক...
01/12/2024

ইমিগ্রেশন অফিসার ঘুশ খাওয়ার জন্য অফ লোড করে দেয় এটা পুরোপুরি সত্য না।
ইমিগ্রেশন অফিসারের মর্জির উপর ক্লিয়ারেন্স ডিপেন্ড করে এটাও ভুল।
আমরা অনেক সময় মনে করি ইমিগ্রেশন অফিসারের মন ভালো নাই তাই অফ লোড করে দিছে।

আপনি কোন দেশ ভিজিট করতে যাওয়ার সময় সঠিক ডকুমেন্টস সাথে রাখেন।অফিসারের বাবার ক্ষমতা নাই আপনাকে ডিপোর্ট করবে।

★ভ্যালিড ভিসা
★রিটার্ন টিকিট
★হোটেল বুকিং
★পর্যাপ্ত ডলার
★ডলার এন্ড্রস
★নিজের ব্যাংক স্টেটমেন্ট
★টিন সার্টিফিকেট (যদি থাকে)
★এন ও সি/ট্রেড লাইসেন্স
★অফিস এন আই ডি
★ভিজিটিং কার্ড

উপরোক্ত সব কিছু থাকার পরেও যদি অফিসার তারেনারে করে সরাসরি এয়ারপোর্ট মেজিষ্ট্রেড এর কাছে চলে যান।

সিভিল অ্যাভিয়েশন অফিসেও যোগাযোগ করতে পারেন।
ইমিগ্রেশন এস পির সাথেও যোগাযোগ করতে পারেন।

মনে রাখবেন আপনাকে অনৈতিক ভাবে অফলোড করলে সেই অফিসারেরও জবাবদিহিতা থাকবে।

★পেইজে লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন।
ভালো লাগলে শেয়ার করুন

Follow: Facebook.com/Khan Consultancy

নতুন যারা ইউরোপে আসবে হয়তো তাদের জন্য লেখাটা কিছুটা হলেও উপকার হবে।স্পেনে দুই বছরে বৈধ হওয়ার নতুন নিয়ম (Arraigo Socia...
24/11/2024

নতুন যারা ইউরোপে আসবে হয়তো তাদের জন্য লেখাটা কিছুটা হলেও উপকার হবে।

স্পেনে দুই বছরে বৈধ হওয়ার নতুন নিয়ম (Arraigo Social)

স্পেনে অভিবাসীদের জন্য বৈধকরণের প্রক্রিয়া সহজ করার উদ্দেশ্যে Arraigo Social নামে পরিচিত নতুন নিয়ম চালু হতে যাচ্ছে। এই নিয়মটি ২০২৫ সালের এপ্রিল থেকে কার্যকর হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে নিয়মের চূড়ান্ত কার্যকারিতা এবং প্রক্রিয়াগুলো সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার জন্য একজন অভিজ্ঞ আইনজীবীর সঙ্গে পরামর্শ করা আবশ্যক।

নিচে প্রয়োজনীয় শর্তাবলী, প্রক্রিয়া, এবং কাগজপত্র সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:
সাধারণ শর্তাবলী:

১. স্পেনে বসবাস:
আবেদনকারীকে টানা কমপক্ষে দুই বছর স্পেনে বসবাস করতে হবে।
গত দুই বছরে স্পেনের বাইরে সর্বোচ্চ ৯০ দিন থাকা যাবে।
২. চাকরির চুক্তি:
কাজের সময়সীমা: সপ্তাহে কমপক্ষে ৩০ ঘণ্টা।
চুক্তির মেয়াদ: মিনিমাম ৬ মাস।
বেতন: ন্যূনতম বেতন স্কেল (Salario Mínimo Interprofesional - SMI) মেনে দিতে হবে।
প্রয়োজনীয় নথিপত্র:
১. ফর্ম EX-10:
বিশেষ পরিস্থিতির জন্য অনুমোদনের আবেদনপত্র। সঠিকভাবে পূরণ এবং স্বাক্ষরিত হতে হবে।

২. পাসপোর্ট:
সক্রিয় পাসপোর্টের সম্পূর্ণ ফটোকপি (সব পৃষ্ঠা, এমনকি ফাঁকা পৃষ্ঠাও)।
৩. এমপ্যাড্রোনমেন্ট সার্টিফিকেট (Empadronamiento):
গত দুই বছর ধরে স্পেনে বসবাসের প্রমাণপত্র।
4. চাকরির চুক্তি:
উভয় পক্ষ (কর্মচারী ও নিয়োগকর্তা) দ্বারা স্বাক্ষরিত মূল ও কপি।
নিয়োগকর্তাকে বেতন প্রদানের আর্থিক সামর্থ্যের প্রমাণ দিতে হবে।
৫. কোম্পানির নথিপত্র:
নিয়োগকর্তার আইডি (যদি ব্যক্তি হন, তাহলে DNI/NIE; কোম্পানির ক্ষেত্রে NIF)।
IRPF এবং সামাজিক নিরাপত্তার বকেয়া নেই, এই মর্মে প্রমাণপত্র।
৬. সামাজিক সংহতির রিপোর্ট (Informe de Arraigo):
পৌরসভা থেকে প্রদত্ত রিপোর্ট যা আপনার সামাজিক সংহতির পরিমাণ নির্ধারণ করবে।
এটি বাধ্যতামূলক নয়, তবে আবেদন প্রক্রিয়াকে সহজ করতে পারে।
৭. প্রশাসনিক ফি:
মডেল ৭৯০ কোড ০৬২ ফি পরিশোধ করতে হবে।
৮. পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট:
নিজের দেশের পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট।
এটি স্প্যানিশ ভাষায় অনুবাদ এবং আইনগতীকরণ করতে হবে।
কোথায় এবং কিভাবে আবেদন করবেন?

১. সশরীরে:
আপনার প্রদেশের বিদেশী দপ্তরে (Oficina de Extranjería)।

২. অনলাইনে:
যদি আপনার ডিজিটাল সার্টিফিকেট থাকে, তাহলে স্পেনের মন্ত্রণালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন জমা দেওয়া যাবে।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:

এই প্রক্রিয়াটি একটি চূড়ান্ত দিকনির্দেশনা নয়। স্পেনে আইন প্রয়োগ ও পরিবর্তনের বিষয়টি বিভিন্নভাবে প্রভাবিত হতে পারে।

কাগজপত্রের সঠিকতা ও আবেদন প্রক্রিয়ার জন্য একজন অভিজ্ঞ আইনজীবীর সঙ্গে পরামর্শ নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আবেদন জমা দেওয়ার আগে আপনার সমস্ত নথি সঠিকভাবে প্রস্তুত ও যাচাই করে নিন।
রেফারেন্স এবং তথ্যসূত্র:

স্পেনের অভিবাসন বিষয়ক অফিসিয়াল ওয়েবসাইট (Ministerio de Inclusión, Seguridad Social y Migraciones): https://extranjeros.inclusion.gob.es

সাম্প্রতিক অভিবাসন নীতি এবং প্রাসঙ্গিক দিকনির্দেশনার জন্য স্থানীয় অভিবাসন অফিস বা আইনজীবীর পরামর্শ নিন।

এই নতুন নিয়মের মাধ্যমে অভিবাসীরা একটি বৈধ অবস্থান তৈরি করতে পারবেন এবং স্পেনে তাঁদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবস্থান উন্নত করতে পারবেন।

★পেইজে লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন।
ভালো লাগলে শেয়ার করুন

Follow: Facebook.com/Khan Consultancy

ইতালিতে ২০২৫ সালের জন্য স্পন্সর ভিসার আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ২০২৫ সালে সারাবিশ্ব থেকে ১ লাখ ৮১ হাজার ৪৫০ জন শ্রমি...
23/11/2024

ইতালিতে ২০২৫ সালের জন্য স্পন্সর ভিসার আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ২০২৫ সালে সারাবিশ্ব থেকে ১ লাখ ৮১ হাজার ৪৫০ জন শ্রমিক নেওয়া হবে।

দালাল চক্রের কারণে বাংলাদেশি আবেদনকারীদের কঠিন যাচাই-বাছাইয়ের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। যেকোনো ধরণের জালিয়াতি এড়াতে এবং আবেদন সফল করতে সতর্ক থাকা গুরুত্বপূর্ণ। এখানে স্পন্সর ভিসার জন্য আবেদন করার প্রক্রিয়া ধাপে ধাপে বর্ণনা করা হলো:

আবেদন প্রক্রিয়া:

1. ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন: ইতালির সরকারি ইমিগ্রেশন ওয়েবসাইটে লগইন করুন।
2. নিবন্ধন করুন: যদি নতুন ব্যবহারকারী হন, তাহলে নিবন্ধন করুন।
3. ফরম পূরণ: “Flussi Decree” ট্যাবে গিয়ে নির্ধারিত ফরম পূরণ করুন।
4. দলিলপত্র যুক্ত করুন: প্রয়োজনীয় দলিলপত্র যেমন পাসপোর্ট, কর্মচুক্তি ইত্যাদি আপলোড করুন।
5. সাবমিট করুন: আবেদন সাবমিট করার পর ক্লিক ডে’র জন্য প্রস্তুত থাকুন।
ক্লিক ডে:
২০২৫ সালের ক্লিক ডে তারিখ হলো ৫, ৭ এবং ১২ ফেব্রুয়ারি। এই দিনে দ্রুত আবেদন সম্পূর্ণ করতে হবে।

সতর্কতা:
দালালদের থেকে দূরে থাকুন এবং কোনো ভুল তথ্য প্রদান করবেন না।
অনুমোদিত এজেন্সির মাধ্যমেই আবেদন করুন।
ইতালির স্পন্সর ভিসার বিষয়ে আরও বিস্তারিত জানার জন্য সরাসরি তাদের ইমিগ্রেশন ওয়েবসাইট ভিজিট করুন। https://en.jobpagol.com/italy-work-permit-visa-2023/

★পেইজে লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন।
ভালো লাগলে শেয়ার করুন

Follow: Facebook.com/Khan Consultancy

নিজে নিজে কানাডার ভিসা করার সম্পূর্ণ পদ্ধতি 🇨🇦আপনি যদি নিজে নিজে কানাডার ভিসা আবেদন করতে চান তবে এই গাইডটি আপনার জন্য। ন...
18/11/2024

নিজে নিজে কানাডার ভিসা করার সম্পূর্ণ পদ্ধতি 🇨🇦

আপনি যদি নিজে নিজে কানাডার ভিসা আবেদন করতে চান তবে এই গাইডটি আপনার জন্য। নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করে সহজেই আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবেন।

১. প্রাথমিক প্রস্তুতি:

প্রথমে, আপনার ব্রাউজার (Chrome, Firefox, Safari) ওপেন করুন এবং সার্চ বারে "IRCC" লিখে সার্চ করুন। IRCC (Immigration Refugees and Citizenship Canada) ওয়েবসাইটে যান এবং GCKey বাটনে ক্লিক করে GCKey একাউন্ট খুলুন। একাউন্ট খোলার সময় আপনাকে ইমেইল অ্যাড্রেস, পাসওয়ার্ড এবং সিকিউরিটি কোশ্চেন সেভ করে রাখতে হবে। একাউন্ট ক্রিয়েট করার পর এই তথ্যগুলো দিয়ে আপনি লগইন করবেন।

২. অ্যাপ্লিকেশন শুরু:

আপনার GCKey একাউন্টে লগইন করুন এবং "Start an application" বাটনে ক্লিক করুন। তারপর "Apply to come to Canada" ক্লিক করুন। ভিসা ক্যাটাগরি থেকে "Visitor Visa, Study and Work Permit" সিলেক্ট করুন। তারপর যে প্রশ্ন আসবে তার উত্তর দিন, যেমন "What is your current country/territory of residence?" এখানে "Bangladesh" সিলেক্ট করুন।

৩. প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট আপলোড:

সব প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার পর আপনাকে ডকুমেন্ট রিকোয়ারমেন্ট এর তালিকা দেওয়া হবে। নিচের তিনটি PDF ফর্ম সঠিক ইনফরমেশন দিয়ে পূরণ করতে হবে:
1. Application Form (IMM5257)
2. Family Information (IMM5245)
3. Schedule 1 (IMM5227)

আপলোড করতে হবে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট:
1. অ্যাপ্লিকেশন ফর্ম
2. ট্রাভেল হিস্ট্রি (ভিসা ও ইমিগ্রেশন এন্ট্রি এক্সিট সিল)
3. পাসপোর্ট কপি
4. ব্যাংক স্টেটমেন্ট ও ব্যাংক সলভেন্সি
5. সাম্প্রতিক ছবি
6. ট্রাভেল ইটিনারি, হোটেল রিজার্ভেশন, ইনভাইটেশন বা স্পন্সরশিপ
7. ফ্যামিলি ইনফরমেশন
8. শিডিউল ১ ফর্ম
9. ক্লায়েন্ট ইনফরমেশন বা কাভার লেটার
10. কর্মচারী সার্টিফিকেট বা অফিস আইডি কার্ড বা NOC

সব ডকুমেন্ট স্ক্যান করে আপলোড করুন।

৪. পেমেন্ট:

ডকুমেন্ট আপলোড করার পর পেমেন্ট অপশন আসবে। ইন্টারন্যাশনাল ক্রেডিট কার্ড বা ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে পেমেন্ট করুন।
অ্যাপ্লিকেশন ফি: 100 CAD
বায়োমেট্রিক্স ফি: 85 CAD
মোট: 185 CAD

৫. বায়োমেট্রিক্স:

পেমেন্ট করার পর বায়োমেট্রিক রিকোয়েস্ট ইমেইল আসবে। বায়োমেট্রিক দেওয়ার জন্য VFS গ্লোবাল থেকে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন। অ্যাপয়েন্টমেন্ট অনুযায়ী VFS আপনার ফিঙ্গারপ্রিন্ট এবং ছবি নেবে। বায়োমেট্রিক সম্পন্ন হলে আপনাকে পাসপোর্ট ফেরত দেওয়া হবে।

৬. রেজাল্টের জন্য অপেক্ষা:

আপনার ইমেইলে নোটিশ আসলে IRCC পোর্টালে GCKey একাউন্ট চেক করুন। ভিসা রিকুয়েস্ট ডাউনলোড করে পুনরায় VFS অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে পাসপোর্ট সাবমিট করুন। ভিসা অনুমোদন হলে ২ সপ্তাহের মধ্যে পাসপোর্ট ভিসাসহ ফেরত পাবেন।

৭. রিজেকশন ও পুনরায় আবেদন:

যদি কোন কারণে ভিসা রিজেক্ট হয়, তাহলে GCKey একাউন্টে রিজেকশন লেটার আসবে। বায়োমেট্রিক দিলে তা ১০ বছর মেয়াদে রিজার্ভ থাকে। পুনরায় আবেদন করার সময় বায়োমেট্রিক্স ফি দিতে হবে না, শুধু 100 CAD ভিসা ফি দিয়ে আবেদন করতে পারবেন।

★পেইজে লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন।
ভালো লাগলে শেয়ার করুন

Follow: Facebook.com/Khan Consultancy

বাংলাদেশ থেকে রেকর্ড সংখ্যক লোক নিচ্ছে অস্ট্রেলিয়া: আবেদন প্রক্রিয়া ও কাজের সুযোগ-অস্ট্রেলিয়া সম্প্রতি বাংলাদেশসহ বিভ...
16/11/2024

বাংলাদেশ থেকে রেকর্ড সংখ্যক লোক নিচ্ছে অস্ট্রেলিয়া: আবেদন প্রক্রিয়া ও কাজের সুযোগ-

অস্ট্রেলিয়া সম্প্রতি বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশ থেকে দক্ষ জনবল আকর্ষণে নতুন উদ্যোগ নিচ্ছে। এই সুযোগ গ্রহণ করতে চাইলে নিম্নলিখিত ধাপগুলো অনুসরণ করুন:

১. উপযুক্ত ভিসার ধরন নির্বাচন:

অস্ট্রেলিয়ায় কাজের জন্য বিভিন্ন ধরনের ভিসা রয়েছে। সাধারণত Temporary Skill Shortage (TSS) visa (subclass 482), Skilled Independent visa (subclass 189), এবং Skilled Nominated visa (subclass 190) এর মাধ্যমে আবেদন করা যায়।

২. স্কিল অ্যাসেসমেন্ট সম্পন্ন করা:

আপনার পেশা Skilled Occupation List-এ রয়েছে কিনা তা যাচাই করুন। নির্দিষ্ট পেশার জন্য অস্ট্রেলিয়ার নির্ধারিত মূল্যায়ন সংস্থার মাধ্যমে আপনার দক্ষতা যাচাই করতে হবে। উদাহরণস্বরূপ, প্রকৌশলীদের জন্য Engineers Australia এবং আইটি পেশাজীবীদের জন্য ACS (Australian Computer Society) প্রাসঙ্গিক।

৩. ইংরেজি ভাষার দক্ষতার প্রমাণ:

আপনাকে IELTS, TOEFL, বা PTE পরীক্ষার মাধ্যমে ইংরেজি ভাষার দক্ষতা প্রদর্শন করতে হবে। সাধারণত ভিসার ধরনভেদে সর্বনিম্ন স্কোরের প্রয়োজনীয়তা থাকে।

৪. চাকরির উৎস এবং আবেদন:

অস্ট্রেলিয়ায় চাকরি খুঁজতে সাহায্যকারী কিছু জনপ্রিয় ওয়েবসাইট:

Seek https://www.seek.com.au/

Indeed Australia https://au.indeed.com/

JobActive https://www.jobactive.gov.au/

এছাড়া, নির্দিষ্ট নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটেও আবেদন করতে পারেন।

৫. স্পনসরশিপ এবং নিয়োগকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ:

অনেক ক্ষেত্রে Employer-Sponsored Visa প্রয়োজন হয়, যেখানে একটি কোম্পানি সরাসরি আপনাকে স্পনসর করবে। এজন্য প্রতিষ্ঠানের সাথে সরাসরি যোগাযোগ রাখুন এবং প্রয়োজনীয় নথি জমা দিন।

৬. আবেদন প্রক্রিয়া এবং নথিপত্র:

প্রয়োজনীয় নথি প্রস্তুত করুন:

শিক্ষাগত সনদপত্র

অভিজ্ঞতার সার্টিফিকেট

পাসপোর্টের কপি

পুলিশ ক্লিয়ারেন্স

৭. আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা:

অস্ট্রেলিয়ান ইমিগ্রেশন ডিপার্টমেন্টের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট https://immi.homeaffairs.gov.au/ থেকে ভিসার জন্য অনলাইন আবেদন করতে হবে।

এই ধাপগুলো অনুসরণ করে অস্ট্রেলিয়ায় চাকরির জন্য আবেদন করতে পারবেন।

★পেইজে লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন।
ভালো লাগলে শেয়ার করুন

Follow: Facebook.com/Khan Consultancy

🟢🔴 কম দামে বিমানের টিকিট কেনার ৭টি টিপস!🟢🔴১. মঙ্গলবার এবং বুধবার বুক করুন:মঙ্গলবার এবং বুধবার হল বিমান টিকিট কেনার সেরা ...
13/11/2024

🟢🔴 কম দামে বিমানের টিকিট কেনার ৭টি টিপস!🟢🔴

১. মঙ্গলবার এবং বুধবার বুক করুন:

মঙ্গলবার এবং বুধবার হল বিমান টিকিট কেনার সেরা দিনগুলির মধ্যে একটি।
বেশিরভাগ এয়ারলাইনস সাধারণত মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭:০০ টায় তাদের বুকিং সিস্টেম আপডেট করে।

কারণ এয়ারলাইনস জানে যে বেশিরভাগ যাত্রী শুধুমাত্র সপ্তাহের দিনগুলোতে টিকিট বুক করার সময় পান।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী প্রমাণিত হয়েছে, আমাদের বেশিরভাগই সাধারণত শুক্রবার, শনিবার কিংবা রবিবার টিকিটের দাম দেখেন।

২. আগে বুক করুন, তবে খুব বেশি আগে নয়:

অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে, ভ্রমণের তারিখের কমপক্ষে ২১ দিন আগে টিকিট বুক করা উচিত। বেশিরভাগ এয়ারলাইনস তাদের সিস্টেমগুলো এমনভাবে সেট করেছে যাতে যত বেশি সম্ভব টিকিট বিক্রি করতে পারে। তাই, সিস্টেমের মধ্যে একটি নির্দিষ্ট কোটা থাকে কমদামে টিকিটের জন্য।
উদাহরণস্বরূপ, ঢাকা থেকে লন্ডনের ফ্লাইটের জন্য সিস্টেমে নির্ধারণ করা হয় যে প্রথম ২০ জন যাত্রী সবচেয়ে কম দাম পাবেন। পরবর্তী ২০০ জন মাঝারি দাম পাবেন, এবং বাকিরা সম্ভবত আরও বেশি মূল্য দিতে হতে পারে।
সংক্ষেপে, এয়ারলাইন্সের সিস্টেম ঢাকা থেকে লন্ডন যাওয়ার সময় তারা যে মার্জিন চায় তার উপর ভিত্তি করে টিকিটের দাম নির্ধারণ করবে।

৩. উড়ার জন্য উপযুক্ত দিন:

মঙ্গলবার বা বুধবার উড়ার জন্য টিকিট বুক করার চেষ্টা করুন। বেশিরভাগ এয়ারলাইনস এই দুই দিনকে ‘কম ব্যস্ত দিন’ হিসেবে নির্ধারণ করে বুকিং সিস্টেমের জন্য। এয়ারপোর্টও সাধারণত এই দুই দিন অন্যান্য দিনের তুলনায় কম ব্যস্ত থাকে, বিশেষ করে শুক্রবার এবং রবিবার যখন বুকিং সিস্টেম এবং এয়ারপোর্ট অনেক ব্যস্ত হয়ে ওঠে।

৪. আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের জন্য 'বেস্ট ডিল' খুঁজুন:

বেশিরভাগ এয়ারলাইনস আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের জন্য প্রায় ১১ থেকে ১২ সপ্তাহ আগে 'বেস্ট ডিল' অফার করে। তাই, এই সময়ের মধ্যে নিয়মিত টিকিটের দাম পরীক্ষা করুন।

৫. ছোট এয়ারপোর্ট বেছে নিন:

এই পদ্ধতি চেষ্টা করতে পারেন, যা হল প্রধান এয়ারপোর্টে না নেমে গন্তব্যের কাছাকাছি একটি ছোট এয়ারপোর্টে নামা। উদাহরণস্বরূপ, আপনি যদি লন্ডনে যেতে চান, অনেকেই সাধারণত হিথ্রোতে নামেন। পরের বার, হিথ্রোতে না নেমে, হিথ্রোর কাছাকাছি একটি ছোট এয়ারপোর্ট যেমন ম্যানচেস্টারের এয়ারপোর্টে নামার চেষ্টা করুন। তারপর ম্যানচেস্টার থেকে আপনি ট্রেনে করে লন্ডনে যেতে পারেন। এই পদ্ধতি চেষ্টা করুন।

৬. 'কুকিজ' ক্লিয়ার করুন:

অনেকে এটা জানেন না। যদি আপনি ৩০ দিনের মধ্যে এয়ারলাইনসের ওয়েবসাইটে গিয়ে থাকেন, তাহলে আপনার ল্যাপটপ, স্মার্টফোন এবং পিসি থেকে কুকিজ ক্লিয়ার করুন।
কারণ এই কুকিজের মাধ্যমে এয়ারলাইনসের বুকিং সিস্টেম মনে করবে যে আপনি বারবার তাদের ওয়েবসাইট দেখেছেন।
তাই, বুকিং সিস্টেম একই দাম দেখাবে এমনকি যদি আপনি বহুবার ওয়েবসাইটে যান, কখনও কখনও দাম বাড়তেও পারে!
তাই, আপনার ইন্টারনেট ব্রাউজারের কুকিজ ক্লিয়ার করার অভ্যাস তৈরি করুন।
আপনি যদি জানেন না কিভাবে তা মুছতে হয়, তাহলে গুগলকে জিজ্ঞাসা করুন!

৭. দাম যাচাই করুন:

গুগল করতে এবং আপনি যে টিকিট কিনতে চান তার দাম অন্যান্য ওয়েবসাইটে যাচাই করতে অলস হবেন না।
শুধু এক ওয়েবসাইটে ফোকাস করবেন না, আপনি অবাক হবেন, কারণ কখনো কখনে আপনি একই এয়ারলাইনসের টিকিট আরও সস্তায় পাবেন। এখানে কিছু সার্চ ইঞ্জিন রয়েছে যা আমি প্রায়ই ভ্রমণের জন্য ব্যবহার করি।

1. Skyscanner
2. CheapFlight
3. Momondo
4. Kayak
5. Google Flight
6. Ita Software
© সংগ্রহীত

★পেইজে লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন।
ভালো লাগলে শেয়ার করুন

Follow: Facebook.com/Khan Consultancy

“মাত্র ৫ বছরেই পর্তুগালের পাসপোর্ট”⁉️পর্তুগাল: ইউরোপের এই ছোট্ট দেশটি তার সুদৃশ্য স্থাপত্য, সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং...
11/11/2024

“মাত্র ৫ বছরেই পর্তুগালের পাসপোর্ট”⁉️

পর্তুগাল: ইউরোপের এই ছোট্ট দেশটি তার সুদৃশ্য স্থাপত্য, সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং নিরাপদ ও সুন্দর পরিবেশের জন্য বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়। সম্প্রতি, পর্তুগালের নাগরিকত্ব লাভের প্রক্রিয়া সহজ হওয়ায়, বিশ্বের নানা দেশের মানুষের মধ্যে এটি বসবাসের একটি আদর্শ স্থান হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। এখন মাত্র ৫ বছরের মধ্যেই পর্তুগালের পাসপোর্ট পাওয়া সম্ভব হচ্ছে।

পর্তুগালের নাগরিকত্ব প্রক্রিয়া:
১. বিনিয়োগ বা ব্যবসা শুরু: পর্তুগালের নাগরিকত্ব লাভের প্রথম ধাপ হল দেশটিতে বিনিয়োগ করা বা ব্যবসা শুরু করা। আপনি যদি পর্তুগালে ৫ লক্ষ ইউরোর বেশি বিনিয়োগ করেন, তবে আপনি গোল্ডেন ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন।
2. বাসস্থান প্রাপ্তি: গোল্ডেন ভিসা প্রাপ্তির পর, আপনাকে পর্তুগালে কিছু নির্দিষ্ট সময় বাস করতে হবে। এই সময়ে আপনাকে পর্তুগালের ভাষা এবং সংস্কৃতির সাথে পরিচিত হতে হবে।
3. নাগরিকত্ব আবেদন: ৫ বছরের বাসস্থান পর, আপনি পর্তুগালের নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে পারবেন। আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর, আপনি এবং আপনার পরিবার ইউরোপীয় ইউনিয়নের সমস্ত সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন।
পর্তুগালের নাগরিকত্বের সুবিধা:
১. ভ্রমণের স্বাধীনতা: পর্তুগালের পাসপোর্টে আপনি ১৮৮টি দেশে ভিসা ছাড়াই ভ্রমণ করতে পারবেন, যা আপনার ব্যবসা ও ব্যক্তিগত ভ্রমণকে আরও সহজ করবে।
2. উচ্চমানের জীবনযাত্রা: ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য হিসেবে আপনি উন্নত শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং উচ্চমানের জীবনযাত্রার সুবিধা পাবেন।
3. বিনিয়োগের সুযোগ: পর্তুগালে বিনিয়োগ করার মাধ্যমে আপনি দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখতে পারবেন এবং এর সুফল ভোগ করতে পারবেন।
4. নিরাপদ পরিবেশ: পর্তুগাল ইউরোপের অন্যতম নিরাপদ দেশগুলির মধ্যে একটি, যা আপনার এবং আপনার পরিবারের জন্য একটি নিরাপদ ও সুখী জীবন নিশ্চিত করবে।
পর্তুগালের নাগরিকত্ব প্রক্রিয়া সহজ ও সরল হওয়ায়, এটি বিশ্বের নানা দেশের মানুষের কাছে আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে। তাই, আজই আপনার স্বপ্ন পূরণের যাত্রা শুরু করুন এবং পর্তুগালের নাগরিকত্ব লাভের সুযোগ গ্রহণ করুন।
তবে, ওয়ার্ক পারমিট ভিসার ক্ষেত্রে বেশি সুবিধা। কারন, পর্তুগালে প্রবেশের এক থেকে তিনমাসের মধ্যেই Temporary Residence Card (TRC) কার্ড পাওয়া যায়। ©

★পেইজে লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন।
ভালো লাগলে শেয়ার করুন

Follow: Facebook.com/Khan Consultancy

ভিসা আবেদন করার আগে প্রস্তুতি: বাংলাদেশিদের জন্য একটি গাইডবিদেশ ভ্রমণ, পড়াশোনা, বা কাজের জন্য ভিসা পাওয়া একটি গুরুত্বপূর...
25/10/2024

ভিসা আবেদন করার আগে প্রস্তুতি: বাংলাদেশিদের জন্য একটি গাইড

বিদেশ ভ্রমণ, পড়াশোনা, বা কাজের জন্য ভিসা পাওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। তবে অনেকেই ভিসা আবেদন করার আগে সঠিকভাবে প্রস্তুতি না নেওয়ার কারণে সমস্যার সম্মুখীন হন। ভিসা পেতে গেলে শুধু ফর্ম পূরণ করলেই হয় না, বরং বেশ কিছু বিষয়ের দিকে লক্ষ্য রাখতে হয়। আজকের ব্লগে আমরা ভিসা আবেদন করার আগে যে প্রস্তুতিগুলো নেওয়া উচিত, সে বিষয়ে আলোচনা করব।

১. সঠিক ভিসা ক্যাটেগরি বেছে নিন

প্রথমেই আপনাকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে কোন ভিসার জন্য আপনি আবেদন করবেন। ভিসার বিভিন্ন ক্যাটেগরি রয়েছে—যেমন ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা, ওয়ার্ক ভিসা, ট্রানজিট ভিসা ইত্যাদি। আপনি যে উদ্দেশ্যে ভ্রমণ করতে চান, সেই অনুযায়ী সঠিক ক্যাটেগরি বাছাই করা অত্যন্ত জরুরি। ভুল ক্যাটেগরিতে আবেদন করলে আপনার আবেদন বাতিল হতে পারে।

২. পাসপোর্ট আপডেট করা

ভিসা আবেদন করার আগে আপনার পাসপোর্টের মেয়াদ অন্তত ৬ মাসের বেশি থাকতে হবে। অনেক দেশ ভিসা দেওয়ার সময় পাসপোর্টের মেয়াদ দেখে। মেয়াদ উত্তীর্ণ পাসপোর্টে ভিসা আবেদন করলে সেটি বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

৩. প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট সংগ্রহ

প্রতিটি ভিসার জন্য নির্দিষ্ট কিছু ডকুমেন্ট প্রয়োজন হয়। সাধারণত যেসব ডকুমেন্ট প্রয়োজন হতে পারে:

পাসপোর্টের ফটোকপি

ব্যাংক স্টেটমেন্ট (অর্থনৈতিক সামর্থ্য প্রমাণ করার জন্য)

ছবি (সঠিক সাইজ অনুযায়ী)

ফ্লাইট টিকিটের বুকিং (অনেকে ভিসার আগে কনফার্ম টিকিট চায় না, তবে বুকিং প্রমাণ লাগে)

হোটেল বা বাসস্থানের বুকিং

ইনভাইটেশন লেটার (যদি প্রয়োজন হয়)

ডকুমেন্টগুলো সঠিকভাবে প্রস্তুত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যেকোনো ভুল বা অসম্পূর্ণ ডকুমেন্টের কারণে ভিসা আবেদন বাতিল হতে পারে।

৪. ব্যাংক ব্যালেন্স ও অর্থনৈতিক প্রমাণ

বিভিন্ন দেশের ভিসা পাওয়ার জন্য আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা থাকতে হবে। এটি মূলত আপনার ভ্রমণ ব্যয়ের সামর্থ্য প্রমাণ করতে হয়। আবেদন করার আগে ব্যাংক স্টেটমেন্ট আপডেট করে রাখুন এবং নিশ্চিত করুন যে আপনার অ্যাকাউন্টে পর্যাপ্ত ব্যালেন্স আছে।

৫. ভিসা ফি ও পেমেন্ট পদ্ধতি

প্রতিটি দেশের ভিসা ফি ভিন্ন হতে পারে। আবেদন করার আগে ফি কত এবং কোন পদ্ধতিতে পেমেন্ট করতে হবে, তা ভালোভাবে জেনে নিন। অনেক দূতাবাসে ব্যাংকের মাধ্যমে পেমেন্ট করতে হয়, আবার অনলাইনে পেমেন্টও করতে হতে পারে।

৬. দূতাবাসের ইন্টারভিউয়ের জন্য প্রস্তুতি

কিছু দেশের ভিসা আবেদন প্রক্রিয়ায় ইন্টারভিউ রয়েছে। ইন্টারভিউর জন্য সঠিকভাবে প্রস্তুতি নেওয়া প্রয়োজন। ইন্টারভিউতে সাধারণত আপনার ভ্রমণের উদ্দেশ্য, পরিকল্পনা এবং অর্থনৈতিক সামর্থ্য সম্পর্কে প্রশ্ন করা হয়। আত্মবিশ্বাসী এবং সৎ থেকে উত্তর দিন।

৭. আবেদন জমা ও ফলো-আপ

সব ডকুমেন্ট প্রস্তুত হওয়ার পর, সেগুলো দূতাবাস বা অনলাইনে জমা দিন। আবেদন জমা দেওয়ার পরের স্ট্যাটাস সম্পর্কে নিয়মিত খোঁজ রাখুন এবং যদি প্রয়োজন হয়, দূতাবাসে যোগাযোগ করুন।

উপসংহার

ভিসা পাওয়ার প্রক্রিয়া প্রথমদিকে একটু জটিল মনে হতে পারে, তবে সঠিকভাবে পরিকল্পনা ও প্রস্তুতি নিলে এটি সহজ হয়ে যায়। আবেদনের আগে সব তথ্য ও ডকুমেন্ট সঠিকভাবে প্রস্তুত রাখুন, নিয়মগুলো মেনে চলুন এবং সময়মতো আবেদন জমা দিন। তাহলে আপনার ভিসা পাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যাবে।

বিদেশে ভ্রমণের স্বপ্ন পূরণের প্রথম ধাপ হল সঠিকভাবে ভিসা আবেদন করা। তাই সঠিক প্রস্তুতি নিয়ে আজই আপনার ভিসার প্রক্রিয়া শুরু করুন!
ভালো যাত্রা কামনা করি! © মাহফুজ শেখ

Address

Unit B4B, Bow Business Centre, 153-159 Bow Road
London
E32SE

Opening Hours

Monday 9am - 5pm
Tuesday 9am - 5pm
Wednesday 9am - 5pm
Thursday 9am - 5pm
Friday 9am - 5pm

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Khan Consultancy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Khan Consultancy:

Share