Purohit/পুরোহিত

Purohit/পুরোহিত আমরা ত্রিপুরা অথবা ভারতবর্ষের যেকোনো জায়গায় গিয়ে শ্রদ্ধাসহিত পূজা পাঠ করি...

ॐ কালীকায়ৈ চ বিদ্মহে শ্মশান বাসিন্যৈ ধীমহি তন্নো অঘোরা প্রচোদয়াৎ ll   #পুরোহিত
15/09/2026

ॐ কালীকায়ৈ চ বিদ্মহে শ্মশান বাসিন্যৈ ধীমহি তন্নো অঘোরা প্রচোদয়াৎ ll
#পুরোহিত

“মনস” শব্দের উত্তর স্ত্রীলিঙ্গে “আপ্” প্রত্যয় করে মনসা শব্দের ব্যুৎপত্তি । ব্যুৎপত্তি গত দিক থেকে মনসা মনের অধিষ্ঠাত্রী ...
18/08/2026

“মনস” শব্দের উত্তর স্ত্রীলিঙ্গে “আপ্” প্রত্যয় করে মনসা শব্দের ব্যুৎপত্তি । ব্যুৎপত্তি গত দিক থেকে মনসা মনের অধিষ্ঠাত্রী দেবী । দেবী ভাগবত ও ব্রহ্মবৈবর্ত পুরান মতে সর্প ভয় থেকে নিবারন ( ঔষধ ) করে এমন কিছু মন্ত্র বা বিদ্যাবিশেষ আবিস্কারের জন্য প্রজাপতি ব্রহ্মা , মুনি কশ্যপ কে আদেশ করেন । কশ্যপ মুনি যখন এবিষয়ে চিন্তাভাবনা করছিলেন – তখন তাঁর মন থেকে দেবী মনসার সৃষ্টি হয় । ( দেবী ভাগবত পুরান- ৯/৪৭ ) । বাংলার মঙ্গলকাব্যে অবশ্য মনসা দেবীকে ভগবান শিবের কন্যা রূপে বর্ণিত করা আছে । আবার মহাভারতে দেবী মনসার স্বামী হিসাবে জগতকারু মুনির নাম পাওয়া যায়। তাঁদের সন্তান হলেন আস্তিক মুনি ।

মনসা দেবীর আখ্যানে অবশ্য যুগ যুগ ধরে বাংলার কবিদের লেখনীকেই মান্যতা দেওয়া হয়েছে । মঙ্গলকাব্যে মা মনসাকে সর্প অর্থাৎ নাগ নাগিনীদের দেবী রূপে বর্ণনা করা হয়েছে । বাংলায় জলা জমিতে সর্পের উপদ্রব অতি প্রাচীন কাল থেকে- তাই বাংলার নারী গন পরিবার, স্বামী, পুত্রের, কন্যার মঙ্গল কামনায় তথা সর্প ভয় থেকে মুক্তির জন্য দুধ ও কলা দ্বারা মা মনসার পূজা করে আসছেন । কুণ্ডলিনী শক্তির প্রতীক রূপ মা মনসা নাগ ধারন করে থাকেন । মা মনসার স্তবে তাঁকে সিদ্ধযোগিনী বলা হয়েছে । নাগেদের সাথে যোগীদের জীবনের মিল দেখা যায় । যোগীরা ঘর বাঁধেন না, প্রানায়াম কালে কুম্ভক যোগে বায়ু সেবন করেন । অপর দিকে দেখা যায় সর্প বাসা বানাতে পারে না, মূষিকের গর্তে তার নিবাস, শীতঘুমের সময় সে অনাহারী । এছাড়া যোগ সাধনায় কুণ্ডলিনী শক্তি জাগ্রত করলে সেই শক্তি তির্যক ও ঊর্ধ্ব মুখী হয় । তাই যোগশক্তির প্রতীক রূপ দেবী সর্প ধারন করেন ।

হংস কে মা মনসার বাহন ধরা হয় । হংস শ্বেত বর্ণ- যা সত্ত্ব গুনের প্রতীক । এমন বলে রাজহাঁস কে জল আর দুধ মিশিয়ে দিলে সে তার মধ্যে থেকে কেবল দুধ টুকুই সংগ্রহ করে , জল পড়ে থাকে। সংসারে সার অসার সব আছে। সার টাকে গ্রহণ করে অসার টাকে ত্যাগ করাই সাধকের কর্তব্য ।সর্বশেষ কথা হল- তন্ত্র ও উপনিষদ মতে ‘হংস’ পরমাত্মার প্রতীক। নিঃশ্বাস গ্রহণ কালে “হং” ( অহং ) এবং নিঃশ্বাস পরিত্যাগ কালে “সঃ” – এই অজপা গায়ত্রী যাঁরা নিয়ত সচেতন ভাবে জপ করেন, হংসমন্ত্রের দৃপ্ত প্রভাবে অচিরেই তারা হন পরম জ্ঞানে প্রতিষ্ঠিত।

( কপি নিষিদ্ধ। শেয়ার করুন।)
এমনই আধ্যাত্মিক পোষ্ট পেতে আমদের পেজে যুক্ত হয়ে লাইক করুন।
#পুরোহিত

অবন্তিকায়াং বিহিতাবতারং মুক্তিপ্রদানায় চ সজ্জনানাম্।অকালমৃত্যোঃ পরিরক্ষণার্থং বন্দে মহাকালমহাসুরেশম্॥           #পুরোহ...
11/08/2026

অবন্তিকায়াং বিহিতাবতারং মুক্তিপ্রদানায় চ সজ্জনানাম্।
অকালমৃত্যোঃ পরিরক্ষণার্থং বন্দে মহাকালমহাসুরেশম্॥
#পুরোহিত

05/08/2026

রামনগর নিবাসী একজন যজমানের বাড়িতে আজকের রুদ্রাভিষেক।
#পুরোহিত

সর্বদোষ নাশের জন্য রুদ্রাভিষেকের বিধিরুদ্রাভিষেক অর্থাৎ রুদ্রদেবের অভিষেক করা, অর্থাৎ রুদ্রমন্ত্র উচ্চারণ করে শিবলিঙ্গে ...
04/08/2026

সর্বদোষ নাশের জন্য রুদ্রাভিষেকের বিধি
রুদ্রাভিষেক অর্থাৎ রুদ্রদেবের অভিষেক করা, অর্থাৎ রুদ্রমন্ত্র উচ্চারণ করে শিবলিঙ্গে অভিষেক সম্পন্ন করা। বেদে বর্ণিত হয়েছে যে শিব ও রুদ্র পরস্পরের সমার্থক। ভগবান শিবকেই রুদ্র বলা হয়। কারণ— "রুতম্" অর্থ দুঃখ এবং "দ্রাবয়তি" অর্থ নাশ করেন; যিনি সকল দুঃখ দূর করেন তিনিই রুদ্র।
আমাদের ধর্মগ্রন্থ অনুসারে, মানুষের নিজেরই সঞ্চিত পাপকর্ম তার দুঃখের মূল কারণ। সেই কারণে রুদ্রাভিষেককে শিবোপাসনার সর্বোত্তম পদ্ধতি বলা হয়েছে। রুদ্র ভগবান শিবেরই এক বিশেষ রূপ। রুদ্রাভিষেকের মন্ত্রের উল্লেখ ঋগ্বেদ, যজুর্বেদ ও সামবেদ—এই তিন বেদেই পাওয়া যায়। শাস্ত্র ও বেদে বলা হয়েছে, শিবের অভিষেক পরম কল্যাণদায়ক।
রুদ্রার্চনা ও রুদ্রাভিষেকের মাধ্যমে মানুষের পাপকর্ম দগ্ধ হয়ে যায় এবং সাধকের অন্তরে শিবতত্ত্বের জাগরণ ঘটে। ভগবান শিবের কৃপায় ভক্তের সকল মনোবাসনা পূর্ণ হয়। শাস্ত্রে বলা হয়েছে, একমাত্র সদাশিব রুদ্রের পূজা করলেই সমস্ত দেবতার পূজার ফল লাভ হয়
রুদ্রহৃদয়োপনিষদে বলা হয়েছে—
"সর্বদেবাত্মকো রুদ্রঃ, সর্বে দেবাঃ শিবাত্মকাঃ।"
অর্থাৎ সকল দেবতার অন্তরে রুদ্র বিরাজমান এবং সকল দেবতাই শিবস্বরূপ।
যদিও বছরের যে কোনও দিন রুদ্রাভিষেক করা যায়, তবুও ত্রয়োদশী তিথি, প্রদোষকাল এবং সোমবার এই পূজার জন্য বিশেষভাবে শুভ ও কল্যাণকর। বিশেষত শ্রাবণ মাসে যে কোনও দিনে সম্পন্ন করা রুদ্রাভিষেক অত্যন্ত দ্রুত ও আশ্চর্যজনক ফল প্রদান করে।
#পুরোহিত

রুদ্রাভিষেক কী?'অভিষেক' শব্দের অর্থ হল স্নান করানো বা পবিত্রভাবে স্নান করানো। রুদ্রাভিষেক অর্থ ভগবান রুদ্র তথা শিবকে রুদ...
01/08/2026

রুদ্রাভিষেক কী?
'অভিষেক' শব্দের অর্থ হল স্নান করানো বা পবিত্রভাবে স্নান করানো। রুদ্রাভিষেক অর্থ ভগবান রুদ্র তথা শিবকে রুদ্রমন্ত্রসহ পবিত্র দ্রব্য দিয়ে স্নান করানো। এই অভিষেক শিবলিঙ্গের মাধ্যমে রুদ্ররূপ মহাদেবকে নিবেদন করা হয়।
বর্তমানে অভিষেকের বহু প্রকার থাকলেও 'রুদ্রাভিষেক' সর্বাধিক প্রসিদ্ধ। শাস্ত্রমতে, ভগবান শিবকে সন্তুষ্ট করার শ্রেষ্ঠ উপায় হল রুদ্রাভিষেক। জটাজুটে গঙ্গাধারণকারী মহাদেব জলধারায় বিশেষভাবে প্রসন্ন হন।
রুদ্রাভিষেক কেন করা হয়?
রুদ্রাষ্টাধ্যায়ী অনুসারে, শিবই রুদ্র এবং রুদ্রই শিব। 'রুতম্' অর্থ দুঃখ এবং 'দ্রাবয়তি' অর্থ দূর করেন। অর্থাৎ রুদ্ররূপী শিব ভক্তের সকল দুঃখ দ্রুত নাশ করেন।
মানুষ যে দুঃখ ভোগ করে, তার মূল কারণ তার নিজেরই অজ্ঞানতা, পাপকর্ম এবং প্রকৃতিবিরুদ্ধ আচরণ। রুদ্রাভিষেক সেই দোষক্ষয় ও আত্মশুদ্ধির এক মহৎ বৈদিক উপায়।
#পুরোহিত

ওঁ মৃত্যুঞ্জয়ায় রুদ্রায় নীলকন্ঠায় শম্ভবে অমৃতেশায় দেবায় মহাদেবায় তে নমঃ।।     #পুরোহিত
29/07/2026

ওঁ মৃত্যুঞ্জয়ায় রুদ্রায় নীলকন্ঠায় শম্ভবে অমৃতেশায় দেবায় মহাদেবায় তে নমঃ।।
#পুরোহিত

15/06/2026

🔱 পবিত্র শ্রাবণ মাস উপলক্ষে বিশেষ ঘোষণা 🔱
পবিত্র শ্রাবণ মাসে দেবাদিদেব মহাদেবের কৃপা লাভের উদ্দেশ্যে শিব পূজা, রুদ্রাভিষেক, মহামৃত্যুঞ্জয় জপ, জলাভিষেক ও বিশেষ পূজা-অর্চনার জন্য বুকিং চলছে।
ভগবান শিবের আশীর্বাদে জীবনের সকল বাধা-বিঘ্ন দূরীকরণ, মানসিক শান্তি, স্বাস্থ্য, সমৃদ্ধি ও আধ্যাত্মিক উন্নতির জন্য শ্রাবণ মাস অত্যন্ত শুভ ও ফলপ্রদ।
📞 পূজা ও রুদ্রাভিষেকের বুকিং এবং বিস্তারিত তথ্যের জন্য যোগাযোগ করুন।
ওঁ নমঃ শিবায়। 🙏🔱

Address

Bholananda Palli, Kunjaban
Agartala
799006

Telephone

+917005856539

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Purohit/পুরোহিত posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Purohit/পুরোহিত:

Shortcuts

Share