Bagnan Business Group -BBG

Bagnan Business Group -BBG বাগনানের ব্যাবসা বাণিজ্য সংক্রান্ত পোষ্ট বিনামূল্যে এই পেজে করতে পারবেন।

03/02/2024

একটি স্কুলে একজন ইংরেজি ও একজন অংকের শিক্ষিকা প্রয়োজন।
WhatsApp Only@8100027709
Location Bagnan
No Call please.

04/07/2023

#ব্যাবসা_ও_বাঙালি
সোনার চামচ মুখে নিয়ে তিনি জন্মাননি | তাঁর জন্ম ১৮৯৫ সালে হাওড়ার বর্তমান উদয়নারায়নপুরের অন্তর্গত খিলার বড়ুইপুরে এক নিম্নবিত্ত পরিবারে | পিতা ছিলেন গোপীমোহন দাশ | মাতা বিরাজময়ী দেবী।অভাবের সংসার | পরিবারের সকলের দুবেলা দুমুঠো ভাত জোগাড় হওয়াই দুস্কর | ছোটবেলায় গুরুতর অসুস্থ হলে তাঁকে গ্রামীন কবিরাজের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। কবিরাজ তাকে মৃত বলে ঘোষনা করেন। শ্মশানে নিয়ে যাওয়ার পর দেখা যায় তিনি জীবিত। ঠাকুরমা অসুস্থ ছেলের নাম রাখেন “অ্যলা ছেলে”। এই অ্যলা ক্রমে হয়ে যায় “আলা”। তাঁর পিতৃদত্ত নাম সুরেন্দ্রমোহন দাশ | কিন্তু বাঙালির কাছে তিনি আলামোহন দাশ।
ব্যবসা নাম শুনলেই বাঙালির গায়ে জ্বর চলে আসে। তবে ব্যবসাকে সঙ্গী করেই নাম কামিয়েছিলেন আলামোহন দাশ | হাওড়ার এঁদো গলি থেকেই তাঁর পথ চলা শুরু। তাঁর নামেই গড়ে ওঠে আজকের হাওড়ার অন্যতম জনবহুল এলাকা “দাসনগর”। এখানেই তিনি গড়ে তুলেছিলেন তাঁর বিশাল সাম্রাজ্য। বাঙালি যে ব্যবসা করতে পারে সেটা তিনি চোখে আঙ্গুল দিয়ে সবাইকে দেখিয়ে দিয়েছিলেন |
# # # #
আলা তখন আট বছরের। হঠাৎ করেই মহামারি লেগে যায় তাঁর পরিবারে। পরিবারের নিশ্চিহ্ন হওয়ার জোগাড় হয় রোগের ধাক্কায়। বাবা গোপীকে কোনরকমে বাঁচানো গেলেও খরচ সামলাতে গিয়ে ঘটি বাটি বেচে পথে বসতে হয়। এমত অবস্থায় পরিবারের যাদুর কাঠির রূপ নেয় পৈতৃক বাড়ির ঘরের কোন থেকে পাওয়া এক বস্তা কয়েন। সেই কয়েনই বাঁচিয়ে দেয় আলার পরিবারকে।
প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করেই ১৪ বছর বয়সে তাকে উপার্জনের হাল ধরতে হয়। আলামোহন কলকাতায় কাকার বাড়ি চলে আসেন। লেখাপড়ায় ইস্তফা দিয়ে বালক বয়সেই ফেরি করতে হচ্ছিল মুড়ি। রতিকান্ত দে’র থেকে খই মুড়ি কিনে শুরু করেন নিজের ব্যবসা। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলত সেই লড়াই। কিন্তু ছিল অদম্য সাহস ও উচ্চাকাঙ্ক্ষা | ছিল অটল মনোবল ও সৎসাহস | ছিল অবিচল সত্যনিষ্ঠা ও শ্রমনিষ্ঠা | কলকাতা শহরে মজুর, সেলসম্যান ইত্যাদির কাজ করার পর নিজে খাদ্য শষ্যের দোকান তৈরি করেন। প্রথমে ছোট ব্যবসা করলেও পরে তিনি বৃহৎ শিল্পের দিকে ঝুঁকে পড়েন। ধীরে ধীরে ব্যবসা বাড়ল | তারপর দৃঢ়চেতা আলমোহন সামান্য মুনাফা নিয়ে ধীরে ধীরে এগিয়ে চললেন সিঁড়ি বেয়ে দীর্ঘ পদক্ষেপে ।
# # # #
আলামোহন মনে প্রানে বাঙালি ছিলেন। পুঁথিগত কলেজের ডিগ্রি না থাকলেও নিজের চেষ্টায় বঙ্কিমচন্দ্র ও রবীন্দ্রনাথের সাহিত্য পাঠ করেন।
হাওড়া কেমিক্যাল ফ্যাকটরি তাঁর সৃষ্ট প্রথম শিল্পোদ্যোগ। কিছু বাঙালি শুভানুধ্যায়ীদের সাহায্যে তিনি ১৯৩০ সালে তিনি হাজার বিঘা জমির উপর ইন্ডিয়া মেশিনারি কোম্পানি স্থাপন করেন | উৎকৃষ্ট মানের লেদ, ওজন যন্ত্র, ছাপার যন্ত্র তৈরী হত তার কারখানায়। ১৯৩৭ সালে হাওড়ার শানপুরে ভারত জুট মিল স্থাপন করেন যা উদ্বোধন করেছিলেন আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়। ওই বছরেই পান “কর্মবীর” পুরস্কার। আর্থিক সচ্ছলতা ও লাভের মুখ দেখার পর আলামোহন ১৯৪১ সালে হাওড়া ইনস্যুরেন্স কোম্পানী, ১৯৪২ সালে এশিয়া ড্রাগ কোম্পানী স্থাপন করেন। আরতি কটন মিল, দাস সুগার কোম্পানী তৈরী করা তাঁর অন্যতম কৃতিত্ব। সেইসময় দেশের পাট শিল্পের প্রান কেন্দ্র ছিল আরতি কটন মিল। এখন যা চলে গিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে | তিনি নিজস্ব ব্যাংকের ব্যবসাও করেছিলেন। বাংলায় তাঁর ব্যাংকের ১২ থেকে ১৪ টি শাখা ছিল। স্কুল, মন্দির নির্মান, পুকুর খনন ইত্যাদি জনকল্যানমূলক কাজ করে গেছেন আলামোহন দাস। তিনি তাঁর গ্রামে পিতার নামে খিলা গোপি মোহন শিক্ষা সদন বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন।
১৯৫১ সালে আমতা বিধানসভা কেন্দ্র থেকে নির্দল প্রার্থী হিসাবে জয়লাভ করে পশ্চিমবঙ্গের প্রথম বিধানসভার সদস্য হন।
# # # #
১৯৬৯ সালে চুয়াত্তর বছর বয়সে পরলোকগমন করেন বাংলা ও বাঙালির গর্ব আলামোহন দাশ | তিনি মারা যাওয়ার পর এই বিশাল সাম্রাজ্য ধরে রাখতে পারেনি পরবর্তী প্রজন্ম। পরে রয়েছে শুধু আলামোহন সাম্রাজ্যের ফসিলটুকু। দাসনগরের মোড়ের মাথায় তাঁর মূর্তিটা এখনও যেন বলছে বাঙালি গা ঝাড়া দিলে এখনও দেখিয়ে দিতে পারে।

Collected from অহর্নিশ

20/06/2023

#সুন্দরী_কন্যা_এবং_মার্কেটিং

সাধারণত চায়ের দোকানে প্রায়শই অত্যন্ত জ্ঞানী কিছু মানুষের দেখা পাওয়া যায়। এইরকমই একজন জ্ঞানী মানুষের কাহিনী আপনাদের বলব।

একটি প্রখ্যাত ম্যানেজমেন্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কতিপয় ছাত্র পথিপার্শ্বস্থ একটি চায়ের দোকানে
মার্কেটিং নিয়ে আলোচনা করছিল। একজন সৌম্যদর্শন ভদ্রলোক তাদের আলোচনা শুনছিলেন। হঠাৎ ভদ্রলোক ছাত্রদের বললেন আমি কি মার্কেটিং বিষয়টি সহজ ২/১ কথায় বিশ্লেষণ করতে পারি? ছাত্ররা কৌতুহলী হয়ে তাকে বলতে অনুরোধ করল।

ভদ্রলোক শুরু করলেন:-

• তুমি বিয়ে বাড়ীতে এক অসামান্য সুন্দরী কন্যার দর্শন পেলে। তুমি তার কাছ অগ্রসর হয়ে বললে, "আমি উচ্চশিক্ষিত এবং ধনী তুমি কি আমায় বিয়ে করবে?"

💃 এটা কে বলে সরাসরি বিপণন (ডাইরেক্ট মার্কেটিং)।

• তুমি বিয়ে বাড়ীতে এক অসামান্য সুন্দরী কন্যার দর্শন পেলে। তোমার বন্ধু তার কাছ অগ্রসর হয়ে তোমাকে দেখিয়ে বলল, "ও উচ্চশিক্ষিত এবং ধনী তুমি কি ওকে বিয়ে করবে?"

💃 এটা কে বলে বিজ্ঞাপন।

• তুমি বিয়ে বাড়ীতে এক অসামান্য সুন্দরী কন্যার দর্শন পেলে। সে তোমার কাছে অগ্রসর হয়ে বললে, "আপনি উচ্চশিক্ষিত এবং ধনী আপনি কি আমায় বিয়ে করবেন?"

💃 এটা কে বলে ব্র্যান্ড ভ্যালু।

• তুমি বিয়ে বাড়ীতে এক অসামান্য সুন্দরী কন্যার দর্শন পেলে। তুমি তার কাছ অগ্রসর হয়ে বললে, "আমি উচ্চশিক্ষিত এবং ধনী তুমি কি আমায় বিয়ে করবে? সে জানাল সে বিবাহিত।"

💃 এটা কে বলে চাহিদা ও জোগানের ফারাক (ডিম্যান্ড সাপ্লাই গ্যাপ)।

• তুমি বিয়ে বাড়ীতে এক অসামান্য সুন্দরী কন্যার দর্শন পেলে। তুমি তার কাছ অগ্রসর হয়ে কিছু বলার আগেই আর একজন বললে, "আমি উচ্চশিক্ষিত এবং ধনী তুমি কি আমায় বিয়ে করবে?" মেয়েটি তার সাথে চলে গেল।

💃 এটা কে বলে প্রতিযোগিতা।

• তুমি বিয়ে বাড়ীতে এক অসামান্য সুন্দরী কন্যার দর্শন পেলে। তুমি তার কাছ অগ্রসর হয়ে বললে, "আমি উচ্চশিক্ষিত এবং ধনী তুমি কি আমায় বিয়ে করবে?" উত্তরে সে তোমার গালে ঠাটিয়ে চড় মারল।

💃 এটা কে বলে উপভোক্তার প্রতিক্রিয়া (কাস্টমার্স ফিডব্যাক)।

• তুমি বিয়ে বাড়ীতে এক অসামান্য সুন্দরী কন্যার দর্শন পেলে। তুমি তার কাছ অগ্রসর হয়ে বললে, "আমি উচ্চশিক্ষিত এবং ধনী তুমি কি আমায় বিয়ে করবে?" সেই সময় তোমার স্ত্রী এসে উপস্থিত হলেন।

💃 এটা কে বলে নতুন ব্যবসা ক্ষেত্রে প্রবেশ করার ঝুঁকি (রিস্ক অফ এন্টারিং নিউ মার্কেট)।
#সংগৃহিত

19/06/2023

** কাকতালীয় *অদ্ভূত*

1. শরীরের যে জায়গাটা হাত থেকে বেশি দূরে, সে জায়গাটা বেশি চুলকায় ।

2. ছোট কোনও বস্তু মেঝেতে পড়ে গেলে, সেটি কখনও পায়ের কাছে থাকে না । জিনিসটা পাওয়া যাবে খাটের তলায় শেষ মাথায় ।

3. কাউকে দেখাতে চাইছেন যে মেশিনটা কাজ করছে না । স্টার্ট দিলেন তো দেখবেন ঠিক তখনই ওটা কাজ করছে ।

4. ভাবছেন বসের কাছ থেকে ছুটি চাইবেন, ঠিক তখনই আর একজন ছুটি চেয়ে বসবে, আপনার ছুটির বারোটা বাজবে ।

5. যদি কাউকে বলেন আকাশে 100 বিলিয়ন তারা আছে, সে আপনার কথা বিশ্বাস করবে । কিন্তু যদি বলেন, দেওয়ালের রং এখনও শুকোয় নি, সে অবশ্যই হাত দিয়ে ধরে দেখবে ।

6. জেলি মাখানো রুটি কাপড়ে পড়ে গেলে , জেলি লাগানো দিকটাই নীচে থাকবে, কাপড় ময়লা করে দেবে ।

7. দেরি করে আসার কারন হিসাবে যদি বসকে বলেন, গাড়ির চাকা পাংচার হয়েছিল, পরদিন সত্যিই গাড়ির চাকা পাংচার হবে ।

8 . ব্যাংকে লাইনে দাঁড়িয়েছেন, পাশের লাইনটা আগে বাড়ছে । লাইন পাল্টে পাশেরটায় এলে দেখবেন, ছেড়ে আসা লাইনটা দ্রুত এগোচ্ছে ।

9. ম্যাকানিক্যাল কাজ করার সময় যখন আপনার হাত কালি ,ঝুলি , গ্রিজ দিয়ে মাখামাখি, ঠিক তখনই আপনার নাক চুলকোবে ।

10. বাড়ি ফেরার যেদিন তাড়া থাকবে, রাস্তায় বাস পেতে সেদিন দেরি হবে ।

11. যেদিন আগেই স্টেশনে পৌঁছাবেন, সেদিন ট্রেন লেট করবে । যেদিন আপনার স্টেশনে পৌঁছাতে সামান্য দেরি হবে, ট্রেন ঠিক সময়ে ছেড়ে যাবে ।

12. যদি আপনি ভুল নাম্বার ডায়াল করেন, বিজি টোন পাবেন না, কেউ না কেউ উত্তর দেবে ।

13 . স্নানের সময় যখন আপনার সারা গা ভেজা ঠিক তখনই আপনার টেলিফোন আসবে ।

14. একগাদা বইয়ের থেকে যদি উপর থেকে নির্দিষ্ট বই খোঁজেন, তাহলে বইটা পাওয়া যাবে নীচে । আবার বুদ্ধি করে নীচে থেকে খোঁজা শুরু করলে, বইটা থাকবে সবার উপরে ।

15. অফিসে যেদিন আপনার হাতে ফ্রি সময়, সব কলিগ সেদিন খুব ব্যস্ত থাকবে ।

16. যে গেম খেলার নিয়ম যত সহজ, দেখবেন সেই গেমের প্রতি আপনার আগ্রহ তত কম ।

** উপরের কোনও একটি ঘটনা আপনার জীবনে ঘটেছে ??????
copied.

নাইজেরিয়ান তেল কোম্পানীর মালিক ধনাঢ্য ব্যবসায়ী ফেমি ওতেদোলা একবার এক রেডিও ইন্টারভিউতে তার জীবনের অজানা অনেক কিছু জানাচ্...
06/06/2023

নাইজেরিয়ান তেল কোম্পানীর মালিক ধনাঢ্য ব্যবসায়ী ফেমি ওতেদোলা একবার এক রেডিও ইন্টারভিউতে তার জীবনের অজানা অনেক কিছু জানাচ্ছিলেন। কথোপকথনের এক পর্যায়ে উপস্থাপক তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘আপনার কি এমন কোনো স্মৃতি আছে, যখন আপনার মনে হয়েছিল আপনি এই পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী মানুষ?’

ওতেদোলা বললেন, "আমার জীবনে আমি সুখের খোঁজে চারটি পর্যায়ের মধ্য দিয়ে গিয়েছি। তারপর অবশেষে আমি সত্যিকারের সুখের খোঁজ পেয়েছি।

প্রথম পর্যায় ছিল যত পারা যায় ধনসম্পদ উপার্জন। কিন্তু সবকিছু অর্জন করেও আমি সুখের দেখা পাইনি।

এরপর দ্বিতীয় পর্যায় ছিল দামি ও বিলাসবহুল জিনিসপত্র কেনা। আমার কাছে মনে হতো এর মাধ্যমে আমি সুখ পাব। কিন্তু এবারও আমি সুখের দেখা পেলাম না।

এরপর তৃতীয় পর্যায়ে বড় বড় প্রজেক্ট নিজের করে নেয়া শুরু করলাম। একটা সময় নাইজেরিয়া ও আফ্রিকার ৯৫% ডিজেলের সাপ্লাইয়ার ছিলাম আমি। আফ্রিকা ও এশিয়ায় সবচেয়ে বড় জাহাজ ছিল আমার। কিন্তু এরপরও আমি সুখ পেলাম না।

এই অবস্থায় একদিন আমার এক বন্ধু অনুরোধ করল ২০০ প্রতিবন্ধী বাচ্চার জন্য হুইলচেয়ার কিনে দিতে।

বন্ধুর অনুরোধে আমি তখনই ২০০ হুইলচেয়ার কিনে ফেললাম। কিন্তু আমার বন্ধু বলল আমি নিজেই যেন বাচ্চাদের হাতে হুইলচেয়ারগুলো তুলে দিই। তাই বন্ধুর সাথে আমি সভাস্থলে উপস্থিত হলাম।

আমি গিয়ে বাচ্চাদের হাতে হুইলচেয়ার তুলে দিলাম। হুইলচেয়ার পেয়ে তারা আনন্দের সাথে এখানে ওখানে ছুটাছুটি করতে লাগল। একেকজনের মুখে সে কি অপার্থিব হাসি। যেন এর চেয়ে আনন্দের দিন তাদের জীবনে আর আসেনি।

এসব দেখে নিজের মধ্যে কেমন এক আনন্দ অনুভূত হলো। মনে হলো জীবনে আগের চারটি পর্যায় পার হয়েও, সবকিছু পেয়েও , এতটা আনন্দ কখনও হয়নি।

এরপর যখন আমি অনুষ্ঠান থেকে বিদায় নিতে যাব হঠাৎ এক বাচ্চা আমার পা জড়িয়ে ধরল। আমি তার কাছ থেকে নিজের পা ছাড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলাম, কিন্তু বাচ্চাটি আরও শক্ত করে পা ধরে এক দৃষ্টিতে আমার দিকে তাকিয়ে রইল।

আমি হাঁটু গেড়ে বসে বাচ্চাটিকে জিজ্ঞেস করলাম, ‘তোমার কি আর কিছু দরকার?’

বাচ্চাটি বললো, ‘আমি আপনার চেহারাটা ভালোভাবে মনে রাখতে চাই। যদি জান্নাতে আমাদের দেখা হয় সেদিনও যেন আমি আপনাকে চিনতে পারি আর আজকের এই দিনটির জন্য আরও একবার ধন্যবাদ দিতে পারি।’

ছোট বাচ্চার জবাবে ফেমি ওতেদোলার দুচোখের জল বাঁধ ভেঙ্গে গেলো। ছোট বাচ্চাকে জড়িয়ে কেঁদে ফেললেন তিনি।

ফেমি ওতেদোলা বলেন, ছোট্ট এই ঘটনা আমাকে কেবলই আনন্দিতই করেনি, বরং সেদিন থেকে আমার কাছে জীবনের অর্থই পাল্টে গিয়েছে। আজ আমি আনন্দের সংজ্ঞা কি সেটা জানি। আর সেই আনন্দ নিয়েই আমি আমৃত্যু থাকতে চাই।

 #আসুন_জেনে_নিই #একটি_বিল্ডিং_তৈরিতে_কোন_কোন_ভাগে_কত_খরচ_হয়_সর্বমোট_বাজেটের।➤ একটা বিল্ডিং এর সকল আইটেম মিলে ১০০% কিভাব...
28/05/2023

#আসুন_জেনে_নিই
#একটি_বিল্ডিং_তৈরিতে_কোন_কোন_ভাগে_কত_খরচ_হয়_সর্বমোট_বাজেটের।
➤ একটা বিল্ডিং এর সকল আইটেম মিলে ১০০% কিভাবে ভাগ করা হয়।
☞ উত্তরঃ
1. Structure = 35%
2. Brick work = 6%
3. Wood work = 5%
4. Metal work = 2%
5. Plambing and Sanitary = 6%
6. Electrical work = 7%
7. Plaster work = 4%
8. General Floor Tiles work = 6%
9. Toilet & Kit wall Tiles work = 3%
10. Aluminium work = 4%
11. EME(Lift,Generator,Substation)=10%
12. Paint work = 3%
13. Others civil work = 6%
14. Utility connection & Bill = 3%
Total = 100%
✪ STRUCTURE ~ 35%
- Footing & Column Padestal = 20%
- Grade Beam, UGWR top Slab = 5%
- GF Column, Stair etc = 4%
- 1st Floor Slab = 9%
- Typical Floor Column (5x3%) = 15%
- 2nd floor slab to roof slab (5x8) = 40%
- Roof top = 7%
TOTAL = 100% (৩৫% যেভাবে আসবে।)
#সিভিল_ইঞ্জিনিয়ারিং
✪ BRICK WORK ~ 6%
- GF Brick work = 6%
- 1st floor Brick work = 18%
- 2nd floor Brick work = 18%
- 3rd floor Brick work = 18%
- 4th floor Brick work = 18%
- 5th floor Brick work = 18%
-Roof Top Brick work = 4%
TOTAL = 100% (৬% যেভাবে হবে।)
✪ WOOD WORK ~ 5%
- Door frame = 40%
- Main Door Shutter = 15%
- Partex Door Shutter = 35%
- Cat Door & Accessories = 10%
TOTAL = 100% (৫% যেভাবে হবে)
✪ METAL WORK ~ 2%
- Window grill = 55%
- Verandah Railling = 20%
- Stair Railling = 10%
- Main gate, Gen-Sub, safety grill = 15%
TOTAL = 100% (২% যেভাবে হবে।)
✪ PLAMBING & SANITARY WORK~ 6%
- uPVC vertical line thru duct = 25%
- GI line work = 30%
- Fixture & Fittings = 40%
- Ground Floor = 5%
TOTAL = 100% (৬% যেভাবে হবে।)
✪ ELECTRICAL~ 7%
- Conduiting inside slab = 10%
- Conduiting on wall i/c MK box=15%
- Cabling work = 55%
- Switch-Socket = 20%
TOTAL = 100% (৭% যেভাবে হবে।)
✪ PLASTER ~ 4%
- Ceiling plaster = 20%
- Internal wall plaster = 50%
- Outside plaster/facing bricks = 30%
TOTAL = 100% (৪% যেভাবে হবে।)
✪ GENERAL FLOOR TILES ~ 6%
- General floor & Verandah = 75%
- Stair, typical lobby & lift wall = 20%
- GF lift lobby, wall, reception = 5%
TOTAL = 100% (৬% যেভাবে হবে।)
✪ TOILET & KIT WALL TILES ~ 3%
- Bath wall = 60%
- Kitchen wall = 20%
- Bath floor = 9%
- Bath counter top = 4%
- Kitchen floor = 3%
- Kitchen counter top =4%
TOTAL = 100% (৩% যেভাবে হবে।)
✪ ALUMINIUM WORK ~ 4%
- Outer framing-window sliding= 40%
- Glass shutter-window sliding = 30%
- Verandah sliding = 20%
- Toilet high window = 5%
- Comnon area = 5%
TOTAL = 100% (৪% যেভাবে হবে।)
✪ EME ~ 10%
- Lift = 50%
- Generator = 25%
- Substation = 20%
- PABX, Fire extinguisher etc = 5%
TOTAL = 100% (১০% যেভাবে হবে।)
✪ PAINT WORK ~ 3%
- Upto putty = 40%
- Internal wall&ceiling 1st coat= 20%
- Internal wall&ceiling 2nd coat= 15%
- Outside paint/ceramic Tites = 25%
TOTAL = 100% (৩% যেভাবে হবে।)
সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং
✪ OTHERS CIVIL WORK ~ 6%
- Boundary wall = 30%
- Line terracing/Roof top paver= 15%
- LOGO, Gardening & others = 4%
- GF BBC = 14%
- GF pavement & footpath dev = 10%
- Lintel, F/slab, drop wall, counter slab = 20%
- Cable tray = 1%
- Sanitary duct cover, ceiling etc= 4%
- Reception desk, letter box = 2%
TOTAL = 100% (৬% যেভাবে হবে।)
✪ UTILITY CONNECTION & BILL ~ 3%

 #বুড়ির_বুদ্ধি🏩ব্যাংকে এসে এক বুড়ি মহিলা ব্যাংক ম্যানেজারকে বললঃ আমি কিছু টাকা ব্যাংকে রাখতে চাই.😎ম্যানেজার জিজ্ঞেস কর...
28/05/2023

#বুড়ির_বুদ্ধি
🏩ব্যাংকে এসে এক বুড়ি মহিলা ব্যাংক ম্যানেজারকে বললঃ আমি কিছু টাকা ব্যাংকে রাখতে চাই.😎
ম্যানেজার জিজ্ঞেস করলঃ কত আছে? .
👵বুড়ি বললঃ হবে ২৫ লাখের মত....😱
ম্যানেজার বললঃ বাহ! আপনার কাছে বেশ ভালোই টাকা আছে। আপনি করেন কি?
বুড়ি বললঃ তেমন কিছু না খোকা । ক্রিকেটসহ বিভিন্ন খেলায় বাজি লাগাই। আর বাকি সময় সবার সাথে যেকোনো ব্যাপারে বাজি খেলি।
👴ম্যানেজার বললঃ শুধু বাজি লাগিয়েই এত টাকা জমিয়েছো? তাজ্জব ব্যাপার !
বুড়ি বললঃ তাজ্জবের কিছু নেই খোকা। আমি এখুনি এক লাখ টাকা বাজি ধরতে পারি যে, তোমার মাথায় ফলস চুল লাগানো...
ম্যানেজার হাসতে হাসতে বললঃ না দিদা। আমি এখনো যথেষ্ট যুবক। আর মাথায় ফলস চুল লাগানো নেই।
বুড়িঃ তাহলে লাগাবে কি বাজি?
ম্যানেজার মনে মনে ভাবল, এই বুড়ি পাগল মনে হচ্ছে। যাই হোক ১ লাখ টাকা ফ্রিতে
কামানো যাচ্ছে, তো অত ভেবে লাভ কি...? ম্যানেজার রাজি হয়ে গেলো...
বুড়ি বললঃ যেহেতু এক লাখ টাকার ব্যাপার তাই আমি কাল সকাল ১১ টায় আমার উকিল নিয়ে এই কেবিনে আসব। আর ওর সামনেই প্রমান করা হবে। আপনি কি রাজি ?
ম্যানেজার বললঃ ঠিক আছে। আমি রাজি।
ম্যানেজারের রাতে ঘুম আসলো না, সারা রাত ঐ বুড়ি আর ১ লাখ টাকার কথা ভাবতে থাকে...
পরের দিন সকালে ঐ বুড়ি উকিল নিয়ে ঠিক 🕥১১ টায় ম্যনেজারের কেবিনে এসে উপস্থিত।
বুড়ি ম্যানেজার কে বললঃ আপনি কি রেডি?
ম্যানেজার বললঃ একদম রেডি।
বুড়ি বললঃ যেহেতু প্রমানের দরকার তাই আমি আমার উকিলের সামনে আপনার চুল টেনে প্রমান করতে চাই যে চুল আসল না নকল।
ম্যনেজার ভাবল, এক লাখ টাকার ব্যাপার... একটু চুলই তো টানবে! তাই সে রাজি হয়ে গেলো....
বুড়ি ম্যানেজার এর পাশে গেলো আর চুল ধরে টানতে শুরু করল। আর ঠিক ঐ সময়ই বুড়ি'র সাথে আসা উকিলটা দেওয়ালে মাথা ঠুকতে শুরু করে দিলো...!
ম্যানেজার বলে উঠেঃ আরে আরে উকিল বাবু কি হলো ???

বুড়ি হাসতে হাসতে বললঃ তেমন কিছু না। শক খেয়েছে। আসলে ওর সাথে ৫ লাখ টাকার
বাজি ধরেছিলাম যে আজ সকাল ঠিক ১১ টায়, শহরের সবথেকে বড় ব্যাংকের,,,, ম্যানেজারের চুলের মুঠি ধরে টানবো। 🤣🤣🤣🤣

একদিন সক্রেটিসের কাছে তার এক পরিচিত লোক এসে বলল, আপনি কি জানেন আপনার বন্ধু সম্পর্কে আমি কি শুনেছি?সক্রেটিস তেমন আগ্রহী ন...
25/05/2023

একদিন সক্রেটিসের কাছে তার এক পরিচিত লোক এসে বলল, আপনি কি জানেন আপনার বন্ধু সম্পর্কে আমি কি শুনেছি?

সক্রেটিস তেমন আগ্রহী না হয়ে বললেন, এক মিনিট থামেন।
আমাকে কিছু বলার আগে আপনাকে ছোট্ট একটা পরীক্ষা পার হতে হবে; এই পরীক্ষার নাম ‘ট্রিপল ফিল্টার টেস্ট’।

লোকটা অবাক হয়ে প্রশ্ন করল, ট্রিপল ফিল্টার!!!
এইটা আবার কি জিনিস?

সক্রেটিস বললেন, আমার বন্ধু সম্পর্কে আমাকে কিছু বলার আগে আপনি যা বলবেন তা ফিল্টার করে নেওয়া ভালো।
তিন ধাপে ফিল্টার হবে বলে আমি এটাকে 'ট্রিপল ফিল্টার টেস্ট' বলি।

প্রথম ফিল্টার হলো ‘সত্যবাদিতা/Truthfulness.
আপনি কি নিশ্চিত যে আপনি যা বলবেন তা সত্য?

লোকটা বলল, না, আমি শুধু শুনেছি জাস্ট এতটুকুই।
পুরোপুরি সত্য কিনা, তা নিশ্চিত নই।

সক্রেটিস বললেন, ঠিক আছে।
তাহলে আপনি জানেন না এটা সত্য কিনা।

এবার দ্বিতীয় ফিল্টার। এই ফিল্টারের নাম হল ‘ভালোত্ব/Goodness.
আমার বন্ধু সম্পর্কে আপনি যা বলবেন তা কি ভালো কোনো বিষয়?

লোকটা একটু আমতা আমতা করে বলল,
না, ভালো নয়, খারাপ কিছু।

সক্রেটিস বললেন, তার মানে আপনি আমার বন্ধু সম্পর্কে এমন একটা খারাপ কথা বলতে এসেছেন যা আদৌ সত্য কিনা সে ব্যাপারে আপনি নিশ্চিত নন।

আচ্ছা, আপনি হয়ত এখনো পরীক্ষায় পাস করতে পারেন। কারণ তিন নাম্বার ফিল্টার বাকি আছে।

এটা হল ‘উপকারিতা/Usefulness.
আমার বন্ধু সম্পর্কে আপনি যা বলবেন তা কি আমার বা আপনার কোনো উপকারে লাগবে?

লোকটি বলল, না, সেরকম না। এতে আমার বা আপনার কারোই উপকৃত হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

সক্রেটিস তখন শান্তভাবে বললেন বেশ, আপনি যা বলতে চান তা-
সত্য না,
ভালো কিছুও না,
আবার আমার বা আপনার কোনো উপকারেও আসবে না।

তাহলে কেনইবা আমরা এসব অহেতুক কাজে সময় নষ্ট করব? We shall try to use our time truthfulness, goodness and usefulness.
চলুন, সময়টাকে একটা ভালো কাজে ব্যয় করি।

লোকটা তাই আর কিছু না বলে চলে গেল।

Collected

কাজী নজরুল ইসলামের, পুত্র বধূ উমা কাজী🙏❤️বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামকে সেবিকার যত্নে, মায়ের স্নেহে আগলে রেখেছিলেন যিনি...
22/05/2023

কাজী নজরুল ইসলামের, পুত্র বধূ উমা কাজী🙏❤️

বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামকে সেবিকার যত্নে, মায়ের স্নেহে আগলে রেখেছিলেন যিনি, তিনি উমা কাজী। এই ব্রাহ্মণ-কন্যাটি ছিলেন কবির পুত্র কাজী সব্যসাচীর স্ত্রী, বিদ্রোহী কবি নজরুলের পুত্রবধূ।
“যেখানেতে দেখি যাহা;
মা-এর মতন আহা।
একটি কথায় এত সুধা মেশা নাই,
মায়ের মতন এত
আদর সোহাগ সে তো
আর কোনোখানে কেহ পাইবে, ভাই !”
কাজী নজরুল ইসলাম নিজের "মা"বাদেও আর একজন নারীর মধ্যে নিজের মাকে খোঁজে পেয়েছিলেন ! যে নারী সন্তানের মতো নির্বাক ও প্রায় স্মৃতিশক্তিহীন কবি নজরুলকে মায়ের ভালোবাসায় আবদ্ধ রেখেছিলেন। আর স্নেহ-মায়া, ভালোবাসায় দিয়ে, যে সমস্ত রকম ভেদাভেদ দূর করা যায়, তার উদাহরণ উমা কাজী এই মানুষটি!
কাজী নজরুল-এর বড় ছেলে কাজী সব্যসাচীর স্ত্রী, অর্থাৎ নজরুলের পুত্রবধূ।
আসলে, তিনি ছিলেন উমা মুখোপাধ্যায়। হিন্দু ও ব্রাহ্মণ পরিবারের কন্যা হয়েও মুসলিম পরিবারের পুত্রবধূ হয়েছিলেন ! সেই অনেক বছর আগে। উমার বাবা ছিলেন শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় এবং মা বাদলা মুখোপাধ্যায়। তার জন্ম বর্ধমানের কাটোয়া অঞ্চলে।

লেখাপড়া শেষ করে কলকাতার ‘লেডি ডাফরিন মেডিকেল হাসপাতাল’ থেকে ট্রেনিং নিয়ে নার্স হয়েছিলেন উমা মুখোপাধ্যায়। থাকতেন সেখানকার নার্সিং হোস্টেলেই। ছোটকাল, থেকেই সেবিকা হতে চাইতেন তিনি। সেখানকারই এক হেড নার্স ঊষা দিদি, উমাকে এক নতুন পথের দিশা দেখান। উমাকে তিনি নিয়ে যান অসুস্থ বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের বাড়ীতে। কবির সেবা করার জন্য প্রয়োজন ছিল এক নার্সের। নির্বাক কবি তখন কলকাতার মানিকতলায় থাকতেন। নানা অসুস্থতায় জর্জরিত হলেও, দুই বাংলাতেই সমান্তরারালে তখন কবিকে নিয়ে কোনো অংশে উন্মাদনা কম নয়!
এমনই সময়ে কবির মাথার কাছে গিয়ে বসলেন তরুণী উমা। নজরুলের স্ত্রী প্রমীলা দেবী বলেছিলেন, “তুমি কি পারবে 'মা' কবির সেবা করতে ? ঐ যে দ্যাখো, উঁনি খবরের কাগজ ছিঁড়ছেন। উঁনি এখন শিশুর মতো।” এ প্রশ্নের উত্তরে উমা বলেছিলেন, “আমরা তো কলকাতার হাসপাতালে শিশু বিভাগেই ডিউটি করেছি। কবি যদি শিশুর মতো হন, তবে নিশ্চয়ই পারবো।”
সেবা ও স্নেহের পথ পরিক্রমায় উমাই হয়ে উঠলেন কবি নজরুলের প্রিয় মানুষ। তাঁকে স্নান করানো, খাওয়ানো, দেখ-ভাল করা, গল্প শোনানো। উমার হাতের স্পর্শ যেন কবির কাছে মায়ের আঁচলের মতো হয়ে ওঠে। কিন্তু এরই মধ্যে উমার সেবার মনোবৃত্তি দেখে, মিষ্টি ব্যবহার দেখে কবির বড় ছেলে কাজী সব্যসাচী,উমার প্রেমে পড়ে গেলেন । উমাও সব্যসাচীকে মন-প্রাণ দিয়ে ভালোবেসে ফেললেন।
বিয়ে হল ব্রাহ্মণের মেয়ের সঙ্গে মুসলিম ছেলের। সৃষ্টিকর্তার উপর বিশ্বাস রেখে, উমা মুসলিম পরিবারকে আপন করে নিলেন। মুসলিম ধর্মান্তরে উমা মুখোপাধ্যায় হয়ে গেলেন, উমা কাজী। কবি ও কবিপত্নী প্রমীলা নজরুলও এমন এক মেয়েকে ঘরের বৌমা হিসেবে পেয়ে খুশি হলেন। উমা মুসলিম পদবী গ্রহণ করলেও, তাঁর নামে থেকে গেল দুর্গা'র চিহ্ন।
শাশুড়ি প্রমীলাদেবী উমা বৌমাকে নিজের মেয়ের মতোই ভালোবাসতেন। এদিকে কবি নিজেও বৌমা অন্তঃপ্রাণ। বৌমা চন্দন সাবান দিয়ে গোসল করিয়ে না দিলে স্নান করবেন না নজরুল, দাঁড়ি বৌমাই কেটে দেবে, খাইয়ে দেবে বৌমা। আদরের বৌমার কাছে শিশুর মতো আবদার বায়না করতেন কবি। এমনকি পরিধেয় জামাকাপড়ে নীল বোতলের আতর-সুগন্ধিও বৌমাকেই লাগিয়ে দিতে হবে।
উমা একদিকে নিজের নতুন সংসার সামলাচ্ছেন আর অন্যদিকে কবিকেও সামলাচ্ছেন। ধীরে ধীরে এল সব্যসাচী-উমার ঘরে তিন সন্তান,
- মিষ্টি কাজী,
- খিলখিল কাজী এবং
- বাবুল কাজী। তিন নাতি-নাতনি দাদা নজরুলের কাছেই থাকত বেশি সময়। কবিও তো শিশুর মতোই। সন্তানদের সঙ্গেই কবিকেও আসন পেতে বসিয়ে ভাত খাইয়ে দিতেন উমা কাজী।

পরবর্তীতে, বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামকে সুস্থ করতে দুটি মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়, যে বোর্ডের সদস্যদের কবির সমস্যাগুলি বুঝিয়ে দিতে যেতেন, উমা নিজেই । কিভাবে কবির স্মৃতিশক্তি ফেরানো যাবে, কথা বলানো যাবে, এ সব ভাল করে শুনে সেবার ধরণও বুঝে নিতেন উমা। পাশাপাশি স্বামীর খেয়াল রাখা থেকে ছেলেমেয়েদের পড়াশোনা, সবটাই দেখতেন উমা কাজী।
এরি মধ্যে কবিপত্নী প্রমীলা দেবী অসুস্থ হয়ে পড়লেন। শাশুড়ির সব দেখভালের দায়িত্বও নিলেন উমা কাজীই। কবির আগেই চলে গেলেন কবিপত্নী। দীর্ঘ ৩৮ বছরের সংসার জীবনের পর, ১৯৬২ সালের ৩০শে জুন মাত্র ৫২ বছর বয়সে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন প্রমীলা কাজী। তাঁকে কলকাতা থেকে চুরুলিয়া নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে হাজী পাহালোয়ানের দরগার পাশে কবিপত্নীকে সমাহিত করা হয়।
১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর উদ্যোগে স্বপরিবারে কবিকে বাংলাদেশে আনা হয়। ধানমন্ডির ২৮ নম্বর রোডে (বর্তমান নজরুল ইনস্টিটিউট সংলগ্ন) কবি ভবনে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাঁরা বসবাস শুরু করেন। কাজী সব্যসাচী কর্মসূত্রে কলকাতায় থেকে গেলেও উমা কাজী কবিকে দেখার জন্য ছেলেমেয়েদের নিয়ে ঢাকায় চলে আসেন। ধানমণ্ডির বাড়িতে নজরুল নাতি-নাতনি নিয়ে খেলা করতেন, বাগানে ঘুরে বেড়াতেন।
কবির জন্মদিন পালন হতো বেশ বড় করে। অতিথিরা আসতেন, কবিকে সবাই মালা পরাতেন । কবি সেইসব মালা পরে খিলখিল করে হাসতেন। হারমোনিয়াম দেখিয়ে সবাইকে বলতেন গান করতে। নাতি-নাতনিরাও নজরুল সঙ্গীত গাইতেন। নির্বাক কবিই কখনও হেসে উঠতেন আবার কখনও নির্বাক হয়ে অঝোর ধারায় কেঁদে যেতেন। একটার পর একটা নিজের সৃষ্টি শুনে। সব যন্ত্রণা যেন গানে গানে ঝরে পড়ত কবির চোখের জলে।
জীবনের শেষ দিকে বিছানাতে স্থায়ী ঠিকানা হলো কবির। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করতেন উমা। তিনি যে সেবিকা থেকে ততদিনে তিনি যে কবির 'মা' হয়ে গিয়েছিলেন ! তাই, তো এত কিছুর মধ্যেও এতটুকু ফাঁক-ফোঁকর পড়েনি! ছেলে-মেয়েদেরকে বড় করার বা শাশুড়ির অবর্তমানে সমগ্র সংসার সামলানোর বা কাজী সব্যসাচীর যোগ্য সহধর্মিণী হয়ে উঠার।
২৯ আগস্ট ১৯৭৬ ইং বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল প্রয়াত হন। চির বিদায়ের শেষ সজ্জায় কবিকে সাজিয়েও দিয়েছেন উমা কাজী। তিন বছর পরে ১৯৭৯ সালের ২ মার্চ কলকাতায় মারা যান আবৃত্তিকার স্বামী কাজী সব্যসাচী। অকালেই চলে যান অসুখে। ফলে আরও কঠিন দায়িত্ব এসে পড়ে উমার কাঁধের উপর। তখন ম্লান হয়ে আসছে কাজী পরিবারের যশ-খ্যাতি। একা হাতে বিখ্যাত কবি পরিবারকে কঠিন লড়াইয়ের মাধ্যমে পুনরুদ্ধার করেন উমা। তিনি না থাকলে কাজী পরিবার আজ খ্যাতি আর পরিচিতির জায়গাটা হয়তো ধরেই রাখত পারতো না। বিখ্যাত পরিবারে বিখ্যাত সদস্যদের পেছনে কাণ্ডারীর মতো শক্তির উৎস হয়ে উঠেছিলেন এই উমা মুখোপাধ্যায় তথা উমা কাজী।

উমা নিজেই যখন দাদী-নানী হলেন, তখন তিনিও কবির মতই তাঁর নাতি-নাতনিদের গল্প বলতেন। কাজী নজরুল, প্রমীলাদেবী, কাজী সব্যসাচী সকলের কথা তিনি বলতেন নাতি-নাতনিদের। তারাও কাজী নজরুলকে ছুঁতে পারত উমার গল্পে। উমা জানতেন, উত্তরাধিকারী নবীন প্রজন্মকে কবির কাজে আগ্রহী করলে কবির কাজ বেঁচে থাকবে, আরও এগুবে তাঁর সৃষ্টি। উমা যেন সারাজীবন কবির সেবিকা ও সাধিকা হয়ে রইলেন। এইভাবেই ৮০টি বসন্ত পেরিয়ে প্রয়াত হলেন উমা কাজী। বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতার পাশাপাশি হৃদযন্ত্রের সমস্যা নিয়ে আর শেষ দিকে স্মৃতিভ্রংশতায় ভুগছিলেন, কবির মতোই। ১৫ জানুয়ারি ২০২০ইং সালে ঢাকার বনানীতে 'কবি ভবন'-এ প্রয়াত হন ভালোবাসার মনুষ্যত্ব ও সেবার ধর্ম সারাজীবন ধরে পালন করা মানুষ উমা কাজী। বনানীতেই তাঁকে সমাহিত করা হয়।

কাজী বংশের এই শ্রেষ্ঠ "মা"কে বর্ণনা করা যায় নজরুলের কবিতা দিয়েই !
“হেরিলে মায়ের মুখ
দূরে যায় সব দুখ,
মায়ের কোলেতে শুয়ে জুড়ায় পরাণ,
মায়ের শীতল কোলে
সকল যাতনা ভোলে
কত না সোহাগে মাতা বুকটি ভরান।
কত করি উৎপাত
আবদার দিন-রাত,
সব স'ন হাসি মুখে, ওরে সে যে মা!
আমাদের মুখ চেয়ে
নিজে র’ন নাহি খেয়ে,
শত দোষী তবু মা তো ত্যাজে না❤️🌸❤️

 #বাগনানের_গর্ব এবারের মাধ্যমিকে সপ্তম হয়েছেন  #বাগনান_আদর্শ_বালিকা_বিদ্যালয়ের  #অনুস্মিতা_সাঁতরা।শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জ...
19/05/2023

#বাগনানের_গর্ব
এবারের মাধ্যমিকে সপ্তম হয়েছেন #বাগনান_আদর্শ_বালিকা_বিদ্যালয়ের
#অনুস্মিতা_সাঁতরা।

শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই।

19/05/2023

🚗হাইব্রিড গাড়ি কি আসলেই ভালো❓

◾হাইব্রিড টেকনোলজি হচ্ছে আগের সাধারণ ইঞ্জিন থেকে একটু বেটার এবং আধুনিক টেকনোলজি। মূলত হাইব্রিড গাড়িতে ইঞ্জিনের পাশাপাশি আলাদা একটা উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন ব্যাটারি থাকে। যে ব্যাটারি থেকে ইঞ্জিনের মতোই শক্তি পাওয়া যায়। একটা ইঞ্জিন থেকে সাধারণত ড্রাইভের সময় কিছু পাওয়ার লস হয়ে থাকে। হাইব্রিড গাড়ির ক্ষেত্রে সে পাওয়ার দিয়েই ব্যাটারি চার্জ হয়। হাইব্রিড গাড়িতে ব্রেক করলে, এক্সিলেটর প্রেস করলে, এক্সিলেটর ছাড়লে ব্যাটারি চার্জ হয়।

◾ হাইব্রিড মূলত দুইধরণের। একটি সাধারণ হাইব্রিড, আরেকটি হলো প্লাগ-ইন হাইব্রিড। প্লাগ-ইন হলো সাধারণ হাইব্রিডের তুলনায় আরেকটু বেটার টেকনোলজি। প্লাগ-ইন হাইব্রিড সিস্টেমে আলাদাভাবে চার্জারের সাহায্যে গাড়ির ব্যাটারি চার্জ করা যায়।

◾ হাইব্রিড গাড়ি থেকে ভিন্নরকম একটা ড্রাইভিং ফিল পাওয়া যায়। গাড়ি যখন সম্পুর্ণ ব্যাটারি পাওয়ারে থাকে, তখন গাড়িতে কোনও আওয়াজ থেকে না। তখন একটা ইলেকট্রিক গাড়ির ভাইব পাবেন। এছাড়া যখন ব্যাটারি+ইঞ্জিন দুইটা থেকেই ইঞ্জিনে পাওয়ার আসে, তখন হাইব্রিড গাড়ি থেকে সাধারণ অন্য গাড়ির তুলনায় অনেক বেশি পাওয়ার পাওয়া যায়। হাইব্রিড গাড়ির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হচ্ছে এর মাইলেজ! হাইব্রিড গাড়ি থেকে আপনি সাধারণ গাড়ির তুলনায় দেড়গুন কিংবা দ্বিগুণ মাইলেজ পাবেন! যার কারণে হাইব্রিড গাড়ির জ্বালানি খরচ প্রায় অর্ধেক! জ্বালানী খরচ বাঁচাতে গ্যাস অথবা এলপিজি সিলিন্ডার বসিয়ে গাড়ির ক্ষতি করার প্রয়োজন হয় না। এছাড়াও হাইব্রিড গাড়ির ইঞ্জিনে সাধারণ গাড়ির তুলনায় কম প্রেশার পরে। ফলে, ইঞ্জিন বছরের পর বছর ভালো থাকে। হাইব্রিড গাড়িতে এসির ফাংশান সম্পূর্ণ ব্যাটারির উপর। যার কারণে ইঞ্জিনের উপর চাপ কম যায়।

◾হাইব্রিড গাড়ি একটু মেইন্টেইন করে চলাইলে গাড়ি থেকে কোনও সমস্যা পাওয়া যায় না। তবে, কিছু নিয়ম মেনে হাইব্রিড গাড়ি ব্যবহার করা লাগে। ড্রাইভের সময় সবসময় এসি চালানো আবশ্যক। যাতে গাড়ির ভেতরে বাইরের কোনও ধুলাবালি ঢুকতে না পারে। কারণ, হাইব্রিড গাড়ির পেছনের সিট এর নিচে ব্যাটারি ঠান্ডা করার জন্য একটা ভেন্ট থাকে। সেখানে ময়লা জমলে ব্যাটারিতে এসির বাতাস ঠিকমতো পৌঁছাতে পারে না। ফলে, ব্যাটারির ক্ষতি হয়। এছাড়াও হাইব্রিড গাড়িতে ইন্টেরিয়র পরিষ্কার রাখা, সময় মতো ইঞ্জিন ওয়েল, ব্রেক ওয়েল ইত্যাদি যথাযথ সময়ে চেঞ্জ করা আবশ্যক। এই শর্তগুলা ঠিকমতো মেনে গাড়ি চালাইলে হাইব্রিড গাড়ি থেকে অনেক ভালো সার্ভিস পাওয়া যায়।

◾এছাড়াও বাংলাদেশে ১৫০০ সিসির হাইব্রিড গাড়ির ইম্পোর্ট ডিউটি নন-হাইব্রিড এর তুলনায় প্রায় ১ লাখ টাকা কম! যার কারণে আপনি নন-হাইব্রিড গাড়ির তুলনায় কেনার সময়েই প্রায় ১ লাখ টাকা কমদামে গাড়ি কিনতে পারছেন।

◾অনেকেই হাইব্রিড গাড়ির ব্যাটারি নিয়ে চিন্তায় থাকেন। মনে করে থাকেন, হাইব্রিড গাড়ির ব্যাটারি তাড়াতাড়ি নষ্ট হয়ে যায়। অনেকে তোহ এই ব্যাটারি নষ্ট হওয়ার ভয়ে সরাসরি হাইব্রিড কিনতেও নিষেধ করে । এই ব্যাপারে একটু বিস্তারিত বলি। উদাহরণ হিসেবে যদি টয়োটা ব্রান্ডের কথা চিন্তা করি, কোম্পানি হাইব্রিড গাড়ি বানানোর সময় ব্যাটারির সাথে ২ লাখ কিলোমিটার এর ওয়ারেন্টি দিয়ে থাকে। যদিও রিকন্ডিশন গাড়ি কিনে ওয়ারেন্টি সুবিধা পাওয়া যায় না। সেইক্ষেত্রে একটু কম মাইলেজের গাড়ি কিনে যথাযথভাবে মেইন্টেইন করে ব্যবহার করলে অনায়াসেই ৬-৭ বছর হাইব্রিড ব্যাটারি নিশ্চিন্তে ভালো সার্ভিস দিবে। এরপর হয়তো একবার ব্যাটারি চেঞ্জ করা লাগতে পারে। বর্তমানে হাইব্রিড ব্যাটারির দাম ২ লাখ টাকার আশপাশে। আগামি ৫ বছর পর সেইটা হয়তো ১-১.৫ লাখ টাকায় পাওয়া যাবে।

◾একটু চিন্তা করে দেখেন, আপনি একটা হাইব্রিড গাড়ি কিনলেন। কিনার সময়েই ১ লাখ টাকা কমদাম, ৬-৭ বছর সাধারন গাড়ির তুলনায় দেড়-দ্বীগুণ মাইলেজ, তেলখরচ কম, দুইরকমের ড্রাইভিং এক্সপেরিয়েন্স, পরিবেশ বান্ধব এবং একটা ইলেক্ট্রিক গাড়ির ফিল পাচ্ছেন হাইব্রিড গাড়ি থেকে । এরপর হয়তো দেড় লাখ টাকায় ব্যাটারি চেঞ্জ করা লাগতে পারে। এছাড়াও হাইব্রিড গাড়ির ইন্টেরিয়র সেইম মডেলের নন-হাইব্রিড গাড়ির তুলনায় একটু বেশি সুন্দর হয়ে থাকে। জাপান এ কিন্তু নন-হাইব্রিড এর তুলনায় হাইব্রিড গাড়ির দাম বেশি হয়। কিন্তু বাংলাদেশে এসে ব্যাপারটা উল্টা। যদিও ব্যাপারটা আমাদের জন্য ভালোই।

◾ঠান্ডা মাথায় একটু ক্যালকুলেশন করলে বুঝতে পারবেন হাইব্রিড গাড়ি থেকে কতো ভালো সার্ভিস পাওয়া যায়। বাংলাদেশের গাড়ি এক্সপার্টরাও হাইব্রিড গাড়ি কেনার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। বেশিরভাগ গাড়ির কোম্পানী আস্তেধীরে হাইব্রিড এবং ইলেকট্রিক গাড়ির দিকে রিসার্চ বাড়াচ্ছে এবং নন-হাইব্রিড গাড়ির প্রোডাকশন ধীরেধীরে বন্ধ করে দিচ্ছে। টয়োটা ব্রান্ডের কথাই যদি বলি, টয়োটা ২০২৫ এর মধ্যেই ওদের সব গাড়ি হাইব্রিড করে ফেলবে। নন-হাইব্রিড গাড়ির প্রোডাকশন আস্তেধীরে অফ করে দিচ্ছে অথবা হাইব্রিড ভ্যারিয়েন্ট বানাচ্ছে। নন-হাইব্রিড, এই কারণে এলিয়ন-প্রিমিও মডেলের গাড়িগুলোর প্রোডাকশন অফ করে দিছে টয়োটা।

◾এতো সুবিধা থাকার পর ও আধুনিক প্রযুক্তি বাদ দিয়ে কেন পুরানো প্রযুক্তির ইঞ্জিনের গাড়ি কিনবেন?

‼️‼️©THIS BLOG IS THE PROPERTY OF HOTSHOT AUTOMOTIVE‼️‼️

আজ না ফেরার দেশে চলে গেলেন, আমাদের বাগনানের ভূমিকন্যা, আন্টিলা পালপাড়ার মেয়ে, কাজী নজরুল ইসলামের ছোটো বৌমা, কল্যানী কা...
12/05/2023

আজ না ফেরার দেশে চলে গেলেন, আমাদের বাগনানের ভূমিকন্যা, আন্টিলা পালপাড়ার মেয়ে, কাজী নজরুল ইসলামের ছোটো বৌমা, কল্যানী কাজী।

Address

Bagnan, Howrah
Bagnan
711303

Telephone

+918017724395

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bagnan Business Group -BBG posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share