Eye Mitra Optician-Gorai Optical

Eye Mitra Optician-Gorai Optical Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Eye Mitra Optician-Gorai Optical, Business service, Hatasuria, Bankura.

06/02/2022
06/02/2022

Hatashuria, Barjora, Bankura
Ph-8617047265

চোখ ভালো রাখতে কি করা উচিত?অবস্থানগত কারণেই গোলাকার চোখ সব সময় সুরক্ষিত। বাইরে থেকে যেটুকু দেখা যায়, সেটুকুও চোখের পাতা ...
30/01/2022

চোখ ভালো রাখতে কি করা উচিত?

অবস্থানগত কারণেই গোলাকার চোখ সব সময় সুরক্ষিত। বাইরে থেকে যেটুকু দেখা যায়, সেটুকুও চোখের পাতা দিয়ে ঢাকা থাকে। এ ছাড়া আইলেশ ও আইভ্রু চোখকে ধুলো-ময়লা থেকে রক্ষা করে। চোখের পানি সাধারণত ধুলাবালু ও রোগজীবাণু ধুয়ে ও ধ্বংস করে চোখকে সুস্থ রাখে।
চোখ ভালো রাখতে আরও যা করতে পারেন—
আলোর সঠিক ব্যবহার
চোখ যেকোনো আলোই কিছুক্ষণের মধ্যেই গ্রহণ করে নিতে পারে। কিন্তু চোখ ভালো রাখার জন্য কম আলো বা তীব্র আলোতে লেখাপড়া ও অন্যান্য কাজকর্ম করা উচিত নয়। দিনের বেলা সূর্যের আলো সরাসরি চোখে না পড়াই ভালো। রাতে টিউব লাইটের আলো চোখের জন্য আরামদায়ক। টেবিল ল্যাম্পের আলোতে লেখাপড়ার সময় ল্যাম্পটি দেয়ালের দিকে রেখে প্রতিফলিত আলোতে পড়া ভালো।
টিভি দেখা
টিভি দেখার সময় টিভির পেছনের দিকের দেয়ালে একটি টিউব লাইট বা শেড-যুক্ত ৪০ বা ৬০ ওয়াটের বাল্ব জ্বালিয়ে টিভি দেখা উচিত। সম্পূর্ণ অন্ধকার কক্ষে টিভি দেখা ঠিক নয়। দিনের বেলা যে দরজা বা জানালার আলো টিভি স্ক্রিনে প্রতিফলিত হয়, সেগুলো বন্ধ রাখাই ভালো। সাধারণত ১০ ফুট দূর থেকে টিভি দেখা উচিত। তবে ছয় ফুটের কম দূরত্ব থেকে টিভি দেখা উচিত নয়। বড়-ছোট বিভিন্ন সাইজের টিভি দেখার ক্ষেত্রে ভিন্ন ভিন্ন দূরত্ব বজায় রাখতে হয়। ঝিরঝির করা, কাঁপা কাঁপা ছবি ও ভৌতিক ছায়াযুক্ত ছবি না দেখাই ভালো। রঙিন টিভিতে রং, উজ্জ্বলতা ও কন্ট্রাস্ট ঠিক রেখে টিভি দেখতে হবে। একটানা অনেকক্ষণ টিভি দেখা উচিত নয়, মাঝেমধ্যে দর্শন বিরতি দিয়ে টিভি দেখা চোখের জন্য ভালো।

প্রসাধনীর ব্যবহার
প্রসাধনী চোখের জন্য ক্ষতিকর। অতিরিক্ত প্রসাধনী চোখে ব্যবহার করলে অ্যালার্জিক কনজাংটিভাইটিস, ব্লেফারাইটিস, স্টাই ইত্যাদি রোগ হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে।
মাথায় খুশকি থাকলে সপ্তাহে দুবার খুশকিনাশক শ্যাম্পু ব্যবহার করে মাথা খুশকিমুক্ত রাখতে হবে। নইলে মাথার খুশকি থেকে চোখ আক্রান্ত হয়ে চোখে ব্লেফারাইটিস দেখা দিতে পারে।

ধুলো-ময়লা ও দূষিত পরিবেশ
প্রতিদিন কাজের শেষে চোখ ঠান্ডা ও পরিষ্কার পানি দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে নিতে হবে।
সূর্যালোকের অতিবেগুনি রশ্মি চোখের শত্রু। তাই সূর্যালোক থেকে দূরে থাকা উত্তম। রোদে গেলে সানগ্লাস পরা উচিত। যাঁদের এমনিতেই চশমা পরতে হয়, তাঁদের ফটোক্রোমেটিক লেন্স ব্যবহার করা আরামদায়ক হবে। কনজাংটিভাইটিস, কর্নিয়াল আলসার, আইরাইটিসের রোগীদের জন্য এবং ছানি অপারেশনের পর কালো চশমা ব্যবহার করা জরুরি।
চোখ ভালো রাখতে প্রতিদিন ঘুমাতে যাওয়ার আগে ঠান্ডা ও পরিষ্কার পানি দিয়ে চোখ ভালোভাবে ধুয়ে ঘুমানো উত্তম।

বিভিন্ন রোগের সময় চোখের যত্ন
বাচ্চাদের হাম, জলবসন্ত, হুপিংকাশি, ডায়রিয়া ইত্যাদি রোগে বিশেষ যত্ন নেওয়া আবশ্যক। এসব রোগের ঠিকমতো চিকিৎসা না করালে চোখের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের সঠিক সময়ে চিকিৎসা না নিলে চোখের স্থায়ী ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে। দীর্ঘদিন ডায়াবেটিস অনিয়ন্ত্রিত থাকলে চোখে ডায়াবেটিস রেটিনোপেথি হতে পারে। এসব রোগে নিয়মিত ও সঠিক নিয়ে ডায়াবেটিস বা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারলে চোখ ভালো রাখা সম্ভব।

চশমার ব্যবহার
যাঁদের চোখে চশমা প্রয়োজন, তাঁদের অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শমতো দৃষ্টিশক্তি পরীক্ষা করে চশমা পরা উচিত।
স্বাভাবিকভাবেই ৪০ বছরের কাছাকাছি বয়স থেকেই পড়াশোনা করতে ও কাছের জিনিস দেখতে অসুবিধা হয়। এ সময়ে অনেকেই নিজের মনমতো রেডিমেড দৃষ্টিশক্তির চশমা ব্যবহার করেন, যা চোখের জন্য ক্ষতিকর। অবশ্যই চক্ষু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দ্বারা চোখ পরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় চশমা পরবেন। আবার অনেকে মনে করেন, এ সময় চশমা ব্যবহার করলে সারা জীবন চশমা ব্যবহার করতে হবে। তাই চশমা ব্যবহার করেন না। এ সময় চশমা ব্যবহার করলেই চোখ ভালো নতুবা পড়াশোনা বা কাছের জিনিস দেখতে চোখে চাপ পড়ে। এই চাপ চোখের ক্ষতি করতে থাকে। চশমা সব সময় পরিষ্কার রাখা উচিত। অস্বচ্ছ ও ফাটা লেন্স ব্যবহার করা উচিত নয়।

হঠাৎ চোখে কিছু পড়লে
মূলত ধুলোকণা, কীটপতঙ্গ, ছোট ইটপাথর বা কাঠের টুকরা থেকে শুরু করে ছোট খেলার বল নানা কিছু আছে হঠাৎ চোখে পড়তে পারে। এসবের কারণে চোখে প্রথমে খচখচে, চোখ দিয়ে অবিরত পানি পড়ে, তাকালে চোখ জ্বালা করে এবং চোখ বন্ধ রাখলে আরাম হয়, চোখ লাল হয়ে যায়। দ্রুত বের করে নেওয়া না হলে সেই ময়লা কর্নিয়ায় ঘষা লেগে চোখের প্রভূত ক্ষতি করতে পারে, ক্ষতির এক পর্যায়ে চোখ অন্ধ হয়ে যাওয়াও অস্বাভাবিক নয়। এমন অনুভূতি হলে সবাই, বিশেষ করে বাচ্চারা খুব ঘন ঘন চোখ কচলাতে বা চুলকাতে থাকে, এমন কাজটি একেবারেই করা যাবে না। দেখা যায় এমন সহজ কিছু পড়ে থাকলে কটন বাডস বা তুলো একটু পেঁচিয়ে অন্যের সাহায্য নিয়ে আলতো করে বের করে আনার চেষ্টা করতে হবে।

তথ্য গুগল থেকে নেওয়া৷

Refractive Eror বা অসংশোধিত দৃষ্টিহীনতাচোখের যত রকমের রোগ আছে, তার মধ্যে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ হল রিফ্র্যাক্টিভ এরর অর্থাৎ...
08/11/2021

Refractive Eror বা অসংশোধিত দৃষ্টিহীনতা

চোখের যত রকমের রোগ আছে, তার মধ্যে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ হল রিফ্র্যাক্টিভ এরর অর্থাৎ অসংশোধিত দৃষ্টিহীনতা। ওয়ার্ল্ড হেল্থ অর্গানাইজেশনের সংখ্যাতত্ত্ব অনুযায়ী সারা বিশ্বে ১৫ কোটি লোক অসংশোধিত দৃষ্টিহীনতায় ভোগেন।

এই দৃষ্টিহীনতার চিকিৎসাস্বরূপ চশমা সর্বাধিক জনপ্রিয়। কিন্তু বিজ্ঞানের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে চোখ চেয়েছে মুক্তি পেতে চশমার বাঁধন থেকে, আবিষ্কৃত হয়েছে কনট্যাক্ট লেন্স। তারপর কেটে গেছে বহু বছর, সময় বয়ে চলেছে এবং বিজ্ঞান নিয়ে এসেছে এক অসম্ভব স্বপ্নপূরণ। আবিষ্কৃত হয়েছে লাসিক। চশমা নয়, কনট্যাক্ট লেন্স নয়, খালি চোখে দেখা যাবে সব কিছুই। কিন্তু সব কিছুরই একটা সীমাবদ্ধতা থাকে, যেমন আছে চশমার সীমাবদ্ধতা, তেমনই সীমাবদ্ধতা আছে কনট্যাক্ট লেন্সের কিংবা লাসিকের। অতএব, কোনটা কখন কার্যকরি, তা জানা প্রয়োজন।

চশমা কী?

আমাদের চোখ একটা স্বয়ংক্রিয় ক্যামেরার মতো। চোখের কিছু গঠনগত ত্রুটি থাকলে, আমরা কোনও বস্তুকে ঝাপসা দেখি। একটি অতিরিক্ত লেন্স ব্যবহার করে আমরা বস্তুটিকে নিখুঁতভাবে দেখতে পাই। চোখের বাইরের এই অতিরিক্ত লেন্সকে একটি নির্দিষ্ট ফ্রেমে লাগিয়ে ব্যবহার করা হয়, একেই বলে চশমা।

চশমা কত রকমের?

চশমা তিন প্রকারঃ ১) ইউনিফোকাল লেন্স, যা সাধারণত ৩৫-৪০ বছর বয়স পর্যন্ত ব্যবহার করা হয়। ২) বাইফোকাল লেন্স, এটি চল্লিশ-এর কাছাকাছি পৌঁছোলে প্রয়োজন বা একে বলা হয় চালশের চশমা। যাতে দূরের দৃষ্টি ও কাছের দৃষ্টির জন্য আলাদা আলাদা লেন্স থাকে এবং মাঝখানে একটি বিভাজন রেখা থাকে। ৩) প্রোগ্রেসিভ লেন্স নামক আরও এক ধরনের চশমা আছে, যাতে কোনও বিভাজন রেখা ছাড়াই ক্রমানুসারে বিন্যস্ত থাকে। আর এই চশমা শৈশব থেকে বার্ধক্য পর্যন্ত যে-কোনও সময় প্রয়োজন হতে পারে।

চোখের পাওয়ার নির্ধারণ করা হয় কীভাবে?

চোখের পাওয়ার নির্ধারণ করার পদ্ধতির প্রথমে একটি কম্পিউটারের (অরোরিফ্র্যাক্টোমিটার) বা রেটিনোস্কোপির সাহায্যে আমরা প্রাথমিকভাবে চোখের পাওয়ার নির্ধারণ করি। এর দ্বারা পাওয়ার সংক্রান্ত মোটামুটি একটা ধারণা পাওয়া যায়। এরপর প্রত্যেকের আবার হাতেকলমে (ম্যানুয়াল রিফ্র্যাকশন টেস্ট) ট্রায়াল এবং এরর পদ্ধতিতে গ্রহণযোগ্য পাওয়ার নির্ধারণ করা হয়। এই পদ্ধতি সর্বাপেক্ষা গ্রহণযোগ্য।

আর যদি কোনও শিশুর পাওয়ারের ঘাটতি থাকে এবং যদি চশমা না থাকে, ওই চোখে দেখার অভ্যাস তৈরি হয় না। ধীরে ধীরে চোখ অলস হয়ে যায়, একে বলে এমব্লায়োপিয়া বা লেজি আই। তাই প্রত্যেক শিশুর অন্ততপক্ষে ৩-৪ বছর বয়সের মধ্যে একবার দৃষ্টি এবং চশমার পরীক্ষা জরুরি।

শিশুদের ক্ষেত্রে চোখে অ্যাট্রোপিন জাতীয় ঔষধ ব্যবহার করে পাওয়ার নির্ধারণ করা জরুরি। চোখের অভ্যন্তরীণ পেশির অতিরিক্ত সংকোচনশীলতার জন্য পাওয়ার নির্ধারণে গোলমাল হওয়ার সম্ভাবনা, তাই এই বিশেষ ব্যবস্থা।

চশমার ফ্রেম কতটা গুরুত্বপূর্ণ?

আজকাল চশমার ফ্রেম মানেই ফ্যাশনের জগতে নতুন সংযোজন। তাই আকার বা মাপের নতুনত্ব বা অভিনবত্ব আনতে গিয়ে চশমার মূল উদ্দেশ্যের কথা উৎপাদকেরা অনেক সময় ভুলে যান।

ফ্রেম বাছাই করতে গিয়ে কয়েকটি বিষয় জানার প্রয়োজন আছে। একদিকে ফ্রেম শক্তপোক্ত হবে, অন্যদিকে তা হবে হালকা এবং সুরক্ষাদায়ক। দুটি লেন্সকে ঠিকমতো আটকানোর ব্যবস্থা থাকে এবং ফ্রেমের সঙ্গে তা যেন উলম্ব তলে থাকে। চশমার ফ্রেম ব্যবহারে যাতে কোনও অস্বস্তি না হয় তা দেখার দায়িত্ব একজন অপটিশিয়ানের।

যে-সমস্ত পদার্থ দিয়ে ফ্রেম তৈরি করা হয়, সেইগুলি হল বিভিন্ন ধরনের প্লাস্টিক, ধাতু বা ধাতুসংকর এবং এই দুইয়ের মিশ্রণ। প্লাস্টিকের মধ্যে সেলুলোজ নাইট্রেট বা অ্যাসিটেট (সেলুলয়েড ফ্রেম) হতে পারে। ধাতুগুলির মধ্যে স্টিল, নিকেল, রোল্ড গোল্ড বা অ্যালুমিনিয়ামও হতে পারে। ‘রিমলেস’ চশমাতে লেন্সের সাপোর্ট অপেক্ষাকৃত কম থাকে। ফ্রেমের জন্য অ্যালার্জি হওয়া বিচিত্র নয়। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি হয় নিকেলের ফ্রেমে। ফ্রেমের যে-অংশ ত্বকের সংস্পর্শে থাকে সেখানে চাকা-চাকা লাল দাগ, চুলকানি (কনট্যাক্ট ডার্মাটাইটিস) হতে পারে। এছাড়াও ভারী চশমাতে ঘর্ষণ ও চাপের জন্য নাকের বা কানের গোড়ার ত্বকে ঘা হতে পারে।

চশমার ফিটিং-এর সময় কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মাপ খুবই দরকার। যেমন, দুটি তারারন্ধ্রের মধ্যে দূরত্ব (আইপিডি), নাকের ব্রিজের মাপ, কর্ণমূলের উপরিভাগ থেকে লেন্সের অবস্থান কতদূরে হবে তার মাপ, কাটিং-এর সময় লেন্সের কেন্দ্রের মাপ ও সিলিন্ড্রিক্যাল লেন্সের ক্ষেত্রে অক্ষ-র (অ্যাক্সিজ-এর) মাপ। এইসব দেখার দায়িত্ব একজন ভালো অপটিশিয়ানের।

বড়ো ফ্রেমের কিছু অসুবিধা আছে। প্রথমত চশমা ভারী হলে, লেন্সের কেন্দ্র ঠিকঠাক মেপে লাগানো অসুবিধাজনক। হাই পাওয়ারের ক্ষেত্রে বড়ো ফ্রেমের চশমা এড়িয়ে যাওয়াই ভালো।

প্রথম চশমা বা নতুন চশমাতে অসুবিধা হয় কেন?

চশমা ঠিকমতো চোখের সামনে না বসলে নানা অসুবিধা হতে পারে। নাক ও কানের গোড়ায় অস্বস্তি বা বেশি ঢিলে মনে হচ্ছে কিনা অর্থাৎ চশমা ঠিকমতো ‘ফিট’ করেছে কিনা সেটা দেখা দরকার। প্রয়োজনে কিছুদিন অন্তর দোকানে গিয়ে সব ঠিকঠাক করে নিতে হবে। সবসময় নতুন বা প্রথম চশমা ব্যবহারে কিছু না কিছু অসুবিধা হয়ে থাকে। সেইগুলি কাটাতে মোটামুটি তিন সপ্তাহ সময় লাগে।

যেমন সমতল জায়গা উঁচু নীচু মনে হওয়া, সমান্তরাল জায়গা বাঁকা, সিঁড়িতে ওঠা-নামায় অসুবিধা। কোনও জিনিসের উচ্চতা বা গভীরতা নিয়ে খটকা, বৃত্তাকার জিনিস যেন ঠিক বৃত্তাকার নয়, সাইকেল চালাতে অসুবিধা ইত্যাদি।

আবার বাইফোকাল চশমাতে দুই অংশের সংযোগস্থলে চোখ পড়লে উঁচু-নিচু মনে হওয়া অসম্ভব নয়।

অন্যদিকে হাইপাওয়ারের ক্ষেত্রে মাথাধরা গা বমি-বমি ভাব– এমনটি মনে হতেই পারে। ফ্রেমের জন্য অসুবিধা হতে পারে। লেন্সের কেন্দ্রের অবস্থান ঠিক না হওয়ার জন্য প্রিজমাটিক এফেক্ট– যার ফলে দৃষ্টি ঝাপসা হতে পারে।

চশমা ঠিকমতো ‘ফিট’ না হওয়ার কারণ কী?

১) কোথাও কোনও ভুল না থাকা সত্ত্বেও কেবলমাত্র ‘প্রথম’ চশমা ব্যবহার করার জন্য। অর্থাৎ এটা মানসিক অস্বস্তি।

২) অপ্টোমেট্রিস্টের ব্যবস্থাপত্র অনুসারে চশমা না বানানো।

৩) চশমার ফ্রেমের ত্রুটি।

৪) অপ্টোমেট্রিস্টের প্রেসক্রিপশনে ভুল থাকা।

৫) চশমার কাচের স্বভাবগত কারণ যেমন উচ্চ মাইনাস বা প্লাস পাওয়ারের জন্য।

খুব বেশি ডায়াবেটিস বা চোখের প্রেসার বেশি থাকলে চশমার পাওয়ার ঘনঘন পালটাতে থাকে। সপ্তাহ খানেকের মধ্যেও হতে পারে এই সমস্যা। তাই এই রোগ দুটি থাকলে ডাক্তারবাবুকে জানাতে ভুলবেন না।

চোখের জন্য একবার চশমা ব্যবহার করলে কি সেটা সারাজীবনই ব্যবহার করতে হয়?- এমন প্রশ্ন থাকে অনেকের মনেই। আসুন জানি এর উত্তর।প...
12/07/2021

চোখের জন্য একবার চশমা ব্যবহার করলে কি সেটা সারাজীবনই ব্যবহার করতে হয়?- এমন প্রশ্ন থাকে অনেকের মনেই। আসুন জানি এর উত্তর।

প্রশ্ন : অনেকের মধ্যে একটি ধারণা কাজ করে একবার চশমা নিলে সারাজীবন চশমা পরতে হবে। এর ভিত্তি কতখানি?

উত্তর : যদি কারো চশমা লাগেই, তাহলে সাধারণত চশমা দিতে হবে, সারাজীবনের জন্যই। এটাই সত্য কথা। চশমা পরলেই পাওয়ার কমে যাবে এই ধারণা সঠিক নয়। কারো যদি মাইনাস টু পাওয়ার লাগে, ১৫ বছর বয়সে, তাহলে এটাই সারাজীবন তাকে বহন করতে হবে। এটাই নিয়ম। ১৮ বছর আবার পাওয়ার বাড়তে পারে। সাধারণত কমার আশঙ্কা কম।তবে চিকিৎসা শাস্ত্রের উন্নতির কারণে,অনেক নতুন নতুন ত্রুটি ঠিক করা যায়।

প্রশ্ন : অনেকে ভাবেন কিছুদিন চশমা পরলে আমরা চোখটা ধীরে ধীরে ভালো হয়ে যাবে। এর ভিত্তি কতখানি?

উত্তর : ভিত্তি হলো চশমা দিলে সে ভালো থাকবে। চশমা না দিলে তার ক্ষতি হবে। চশমা না দিলে তার ভবিষৎটা খারাপ হবে।

প্রশ্ন : চশমা টানা পরলে একপর্যায়ে আর চশমা পরতে হবে না- এই ধারণা কি ঠিক?

উত্তর : এ রকম কোনো সম্ভাবনা সাধারণত নেই। সাধারণত যদি কারো একবার চশমা লাগে, এটা তাকে বাকি জীবনও পরতে হবে।

কবে, কী ভাবে চশমার আবিষ্কার হল জানেন?   আসুন জেনে নেওয়া যাক চশমার আবিষ্কার, প্রচলন ও বিবর্তনের ইতিহাস...যাঁদের দৃষ্টিশক্...
28/06/2021

কবে, কী ভাবে চশমার আবিষ্কার হল জানেন?

আসুন জেনে নেওয়া যাক চশমার আবিষ্কার, প্রচলন ও বিবর্তনের ইতিহাস...

যাঁদের দৃষ্টিশক্তি ক্ষীণ, চশমা তাঁদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি জিনিস। তবে ইদানীং ফ্যাশনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে এবং স্টাইলের জন্য অনেকেই নানা কায়দার বাহারি চশমা পরেন। তবে কারণ যা-ই হোক না কেন, চশমা এখন বেশির ভাগ মানুষেরই নিত্যসঙ্গী হয়ে উঠেছে। জানেন কি কবে থেকে চশমার ব্যবহার শুরু হয়? আসুন জেনে নেওয়া যাক চশমার আবিষ্কার, প্রচলন ও বিবর্তনের ইতিহাস...

হায়ারোগ্লিফিক লিপিতে চিত্রিত বর্ণনায় প্রাচীন মিসরীয় সভ্যতায় চশমার ব্যবহারের প্রমাণ পেয়েছেন ইতিহাসবিদেরা। মিসরীয় সভ্যতায় কাচ ও আতশ কাচের ব্যবহারের প্রমাণও মিলেছে। তবে তাকে আধুনিক চশমার আদি রূপ বলা যায় না। আধুনিক চশমার উদ্ভাবন ও ব্যবহারের প্রথম প্রমাণ পাওয়া যায় ইতালিতে। দ্বাদশ শতকে একটি কাঠের ফ্রেমে দু’টি কাচ আটকে প্রথম দৈনিক ব্যবহারের জন্য চশমার উদ্ভাবন ও ব্যবহার শুরু হয়। এই সময় চশমা সব সময় হাতে ধরে থাকতে হত।

ইতিহাসবিদদের অনুমান, ১২৮৬ সাল নাগাদ ইতালির এক ধর্মপ্রচারক, সংস্কারক জিওর্দানো দ্যা পিসা চশমার নকশাকে আরও উন্নত করেন। মূলত দৃষ্টি শক্তির প্রতিবন্ধকতার প্রতিকার করার উদ্দেশ্যেই তিনি এটির ব্যবহারকে আও সহজ করতে চেয়েছিলেন। জিওর্দানো দ্যা পিসার তৈরি চশমার নকশাকে আধুনিক চশমার আদি রূপ বলে মনে করেন অনেক ইতিহাসবিদ। তবে এই নকশাতেও চশমা সর্বক্ষণ হাতে ধরেই ব্যবহার করতে হত। ইতালি ও পরে স্পেনে ধীরে ধীরে চশমার ব্যবহার ক্রমশ ছড়িয়ে পড়ে৷

জিওর্দানো দ্যা পিসা চশমার নকশা তৈরির প্রায় সাড়ে চারশো বছর পর বদল আসে চশমার সাবেকি নকশায়। দু’কানে সঙ্গে জুড়ে যায় চশমার ফ্রেমের দুই হাতলের মতো অংশ। ফলে হাতে ধরে থেকে চশমার ব্যবহারের দিন ফুরিয়ে জন্ম হয় এর আধুনিক নকশার। এই নকশা তৈরি করেন ব্রিটিশ চশমা বিক্রেতা ও বাদ্যযন্ত্র প্রস্তুতকারক এডওয়ার্ড স্কারলেট। এর পর ধীরে ধীরে চশমার হাতলের মতো অংশে কবজা জুড়ে দেওয়া হয়, যাতে সেটি ভাঁজ করে রাখা সম্ভব হয়। এর পর ধাপে ধাপে নানা বিবর্তনের মধ্যে দিয়ে চশমার নকশা ক্রমশ আধুনিক হয়ে উঠেছে।

28/06/2021

ঘরোয়া পদ্ধতিতে দৃষ্টিশক্তি বাড়িয়ে তুলতে অভ্যাস করুন এই ৫ টি ব্যায়াম

কাজের চাপে এখন চোখের সমস্যায় ভুগছেন অনেকেই। অনেকেরই ছোট থেকেই নানান সমস্যা দেখা দিচ্ছে চোখে। এছাড়াও এখন ওয়ার্ক ফ্রম হোমের কারণে কাজের চাপও বেড়েছে অনেকটাই। আর তাই চোখের যত্ন নিতে অভ্যাস করুন এই ৫টি ব্যায়াম, এতেই ভালো থাকবে আপনার চোখ।

20-20-20 rule- যখন আপনি অনেকক্ষণ ধরে ল্যাপটপে কাজ করছেন তখন চোখের ওপর অনেকটাই চাপের সৃষ্টি হয়। বা ধরুন অনেকক্ষণ ধরে টিভি দেখছেন বা ফোনে কোনও কাজ করছেন সেই সময়েই এই অভ্যাস করলে চোখের চাপ অনেকটাই কমে। এর জন্য প্রতি ২০ মিনিট অন্তর ২০ ফুট দূরে তাকান ২০ সেকেন্ডের জন্য, এতে চোখের ওপর চাপ অনেকটাই কমে।

Eye Rolling- আই রোলিং বা চোখ ঘোরানো একটি ব্যায়াম। চোখ খুলে ক্লক ওয়াইজ আপনার চোখ দুটো ঘোরাতে থাকুন। তার পরে কিছুক্ষণ থেমে আবার অ্যান্টি ক্লক ওয়াইজ ঘোরাতে থাকুন। ৫ বার করুন এই ব্যায়াম। এতে চোখের অনেক সমস্যা থেকেই মুক্তি পাবেন।

Blinking- আমরা সাধারণত সব সময়েই চোখ বন্ধ করি ও খুলে। এই ব্যায়ামে আপনাকে তেমনটাই করতে হবে। তবে এই ব্যায়ামটি অভ্যাসের জন্য চোখের সামনে ফাঁকা দেওয়াল থাকতে হবে। দেওয়ালের দিকে সোজাসুজি মুখ করেই ২ সেকেন্ডের জন্য বন্ধ করুন আপনার চোখ। তারপরে, চোখ খুলে ৫-৭ মিনিট একভাবে চোখ বন্ধ করুন এবং খুলুন। ৫ থেকে ৭ বার এমনটা করুন, এতেও চোখের ব্যায়াম হয়।
Blinking- আমরা সাধারণত সব সময়েই চোখ বন্ধ করি ও খুলে। এই ব্যায়ামে আপনাকে তেমনটাই করতে হবে। তবে এই ব্যায়ামটি অভ্যাসের জন্য চোখের সামনে ফাঁকা দেওয়াল থাকতে হবে। দেওয়ালের দিকে সোজাসুজি মুখ করেই ২ সেকেন্ডের জন্য বন্ধ করুন আপনার চোখ। তারপরে, চোখ খুলে ৫-৭ মিনিট একভাবে চোখ বন্ধ করুন এবং খুলুন। ৫ থেকে ৭ বার এমনটা করুন, এতেও চোখের ব্যায়াম হয়।

Palming- এটি একটি সহজ ব্যায়াম যা চোখের স্ট্রেন থেকে মুক্তি দেয় এবং দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়। এই ব্যায়াম করতে হাতের তালু চোখের ওপর আসতে আসতে ঘষুন, এতে চোখের ওপর তাপের সৃষ্টি হবে। ৫-৭ মিনিট ধরে এই ব্যায়াম করুন এতে চোখে আরামও মিলবে।
Palming- এটি একটি সহজ ব্যায়াম যা চোখের স্ট্রেন থেকে মুক্তি দেয় এবং দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়। এই ব্যায়াম করতে হাতের তালু চোখের ওপর আসতে আসতে ঘষুন, এতে চোখের ওপর তাপের সৃষ্টি হবে। ৫-৭ মিনিট ধরে এই ব্যায়াম করুন এতে চোখে আরামও মিলবে।

Refocusing- ল্যাপটপে কাজ করার সময়েই এই ব্যায়াম অভ্যাস করুন। কাজ করতে করতেই অন্য কোনও কিছুর দিকে একভাবে তাকিয়ে থাকুন। ওই দিকেই ফোকাস করুন। তার পরে হাত ওপরে তু্লে হাতের তালুর দিকে একভাবে তাকিয়ে থাকুন তারপরে আবার দূরের কোনও কিছুর দিকে ফোকাস করুন। ৫ বার এই ব্যায়ামের পুনরাবৃত্তি করুন।

দৃষ্টিশক্তি বাড়িয়ে তুলতে খাদ্য তালিকায় রাখুন এই পাঁচটি খাবারTips to take care of your eyesকম্পিউটার, ল্যাপটম, ফোন, টিভি...
27/06/2021

দৃষ্টিশক্তি বাড়িয়ে তুলতে খাদ্য তালিকায় রাখুন এই পাঁচটি খাবার

Tips to take care of your eyes

কম্পিউটার, ল্যাপটম, ফোন, টিভি সব মিলিয়ে দিনের অধিকাংশ সময়টাই চোখের ওপর চাপ পড়ে সব থেকে বেশি। যার ফলে কম বয়সেই আশ্রয় নিতে হয় চশমার। চোখ ভালো রাখার জন্য বিভিন্ন কৌশল রয়েছে। মাঝে মধ্যে চোখের পাতা ফেলা, চোখ বন্ধ রাখা প্রভৃতি। কিন্তু এগুলোর থেকেও বেশি উপকার পাওয়া যায় যা থেকে তা হল, খাবার। বিশেষকিছু খাবার থেকে চোখের উপকার মেলে।

জেনে নিন চোখ ভালো রাখতে খাদ্য তালিকায় রাখবেন কোন কোন খাবারঃ
১) সবুজ শাক সবজিঃ শাক তেমন একটা পছন্দ করে না ছোটরা। কিন্তু শাক সবজি থেকেই মেলে চোখের দৃষ্টির জোর। তাই প্রতিদিন সুবজ সবজি ও শাক খাওয়া জরুরী।
২) ডিমঃ দৃষ্টিশক্তি বাড়িয়ে তুলতে অতি অবশ্যই খাদ্য তালিকাতে রাখুন একটি করে ডিম। ডিম খেলে শরীরে জিঙ্ক, জিয়াক্সেনথিন-এর পরিমাণ বেড়ে যায়। তাই খাদ্য তালিকাতে ডিম রাখলে মিলবে উপকার।
৩) লেবুঃ যেকোনও লেবুই চোখের পক্ষে ভালো। লেবুতে ভিটামিন সি থাকে। যা চোখের দৃষ্টিশক্তি বাড়িয়ে তুলতে সাহায্য করে থাকে। তাই লেবু খেলে চোখ ভালো থাকে।
৪) বাদামঃ চোখের সমস্যা বাড়াতে না চাইলে খাদ্য তালিকাতে বাদাম রাখতেই হবে। বাদাম খেলে চোখ ভালো থাকে। চোখে যাঁরা চশমা পরেন তাঁদের জন্যও যাতে পাওয়ার না বারে তাই বাদাম খাওয়া উচিত।
৫) মাছঃ ছোট মাছ চোখের উপকার করে। চোট মাছ খেলে চোখ ভালো থাকে। সঙ্গে সামুদ্রিক মাছও খাওয়া যেতে পারে। এতে ফ্যাটি অ্যসিড থাকে। যার ফলে চোখ ভালো থাকে।

Monitor Vision SyndromeUse-any Tears Dropand Wear Blue Filter Lens.
21/09/2020

Monitor Vision Syndrome
Use-any Tears Drop
and Wear Blue Filter Lens.

Address

Hatasuria
Bankura
1993

Telephone

+918617047265

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Eye Mitra Optician-Gorai Optical posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share