28/12/2022
এখন কেউ কারোও বাড়ী গেলেই বাচ্চাদের জন্য চকোলেট,চিপস,কুরকুরে নিয়ে যাই, আধবুড়ো গার্লফ্রেন্ড গুলোও বয়ফ্রেন্ডের কাছ থেকে ক্যাডবেরীর আবদার করে, ফাষ্টফুডের দোকানে ভীড় উপচে পড়ছে আজিনামোট্যোর ফ্লেভারের টানে, রেষ্টুরেন্টেও ভীড় উপচে পড়ছে কেমিক্যাল মিশ্রিত ফ্লেভার, আকর্ষনীয় ফুড কালারের টানে তারপর হাজার রকমের রোগে ধরছে মানুষকে......
পশ্চিমবঙ্গের মানুষের রোগ অন্য রাজ্যের তুলনায় অনেক বেশি সেটা দক্ষিনের রাজ্যের হাসপাতাল ও মুম্বাইয়ের ক্যানসার হসপিটাল গেলেই বুঝতে পারবেন....
অন্য রাজ্যের মানুষেরা ছাতু খায় বলে পশ্চিমবঙ্গের মানুষেরা হাসাহাসি করে, তেল মশলা ছাড়া লিট্টি চোখাকে ব্যঙ্গ করে, রাজমা,কড়ি,ধোকলা,ডাল-বাটি-চুরমা,ইডলি-ধোসা নিয়েও পশ্চিমবঙ্গের মানুষের এলার্জি আছে, পশ্চিমবঙ্গের মানুষ তেল মশলা দিয়ে মাছ-মাংস বেশ ভালোই রান্না করতে পারে আর কমবয়সে প্রেসার-সুগার-আলসার নিয়ে অন্য রাজ্যে চিকিৎসা করে সর্বস্ব শেষ করে বাড়ি ফেরে.....
আচ্ছা বলুন তো, আমাদের পুর্বপুরুষরা কি বোকা ছিল?
আপনি যদি লেইস বা কুরকুরের প্যাকেট বাচ্চাদের হাতে ধরিয়ে দিয়ে নিজেকে মডার্ন ভাবেন তাহলে বলবো আপনি একজন চার অক্ষরের বোকা, মডার্ন তো সেই মানুষটি যে সন্তানের হাতে গুড় বাদামের প্যাকেট তুলে দেয়.....
বিদেশীরা ভারত থেকে ভালো ভালো পুষ্টিগুণ যুক্ত খাবার শিখে নিয়ে গেল আর আপনারা বিদেশ থেকে ক্যামিকেল যুক্ত,প্যাকেটজাত বাসি পচা খাবার শিখে নিজেদের মডার্ন ভাবা শুরু করে দিলেন....
এখনকার ছেলেমেয়েরা মেয়োনিস প্রেমী,চিজ্ প্রেমী হয়ে উঠেছে, একবার গুগলে গিয়ে সার্চ করে দেখুন বেশী চিজ্ খেলে কি হয়? আজিনামোটো খেলে কি হয়?
তাহলেই বুঝতে পারবেন এত রোগের কারণ আসলে কি.....
রোগমুক্ত হয়ে বেঁচে থাকতে চাইলে রেষ্টুরেন্টের খাবার,প্যাকেটজাত খাবার পরিত্যাগ করুন, ভারতীয় খাবার গ্রহন করুন, গুঁড়ো মশলার বদলে বাড়ীতেই গোটা মশলা বেটে খান, প্ল্যাস্টিকের জিনিসে জল রাখবেন না, কাঁসা-পিতলের বাসন ব্যবহার করুন দেখবেন রোগ আপনার থেকে দূরে থাকবে.....
আপনার কখনো যদি আমার এই লেখা টা সঠিক মনে হয়, একটি share করে নিজেকে সঠিক প্রমাণ করুন!