Alokesh Prosad Roy -Business

  • Home
  • Alokesh Prosad Roy -Business

Alokesh Prosad Roy -Business Consultancy on Data Analysis

16/02/2026

I have re-shared my post dated **27 November** to remind—and to formally request—all **DEOs, EROs and AEROs** to **scrupulously comply** with the latest directions of the **Hon’ble Supreme Court**, and to follow **Sections 21–29** as well as **Section 32** of the **Representation of the People Act, 1950**, in **letter and spirit**, during the ongoing **Special Intensive Revision (SIR)** in West Bengal.
The mandate of the Act, the Hon’ble Apex Court, and the Election Commission is unambiguous:
**“No eligible voter should be left out and no ineligible voter should be included in the final roll.”**
Yet the field reality suggests a disturbing and systematic departure from this duty. The relevant ECI instructions are not optional advisories; they are binding directions. Non-compliance by statutory authorities engaged in roll preparation is not a “procedural lapse”—it is a grave breach of statutory responsibility, and it will invite consequences. ****The present trajectory taken by Election Commission of India looks like the precursor to an avalanche that may engulf every statutory officer involved in this exercise, from **DEO to BLO***
I fail to understand what hidden factor could possibly compel statutory authorities to violate the **law of the land**, defy the **ECI**, and disregard the **Hon’ble Supreme Court**. Such conduct reflects not merely negligence, but audacity—indeed, an institutionalised disregard for accountability. Are officers truly prepared to stake their service career, reputation, and social standing for some wrongful gain? Do they believe they have no future to protect, no service to continue, no salary to earn? What kind of administrative anarchy is being normalised?
I have myself served as **AERO and ERO** even under the dreaded Left Front regime—when there was no **ERONET**, and when audit trails were far less robust. Today, in a digital ecosystem where **every action leaves an audit trail**, where every deviation is traceable and monitorable, it is incomprehensible that statutory authorities—under the leadership of the concerned **DEOs**—appear so eager to shield questionable inclusions.
More alarming is the apparent zeal to protect the inclusion of **illegal immigrants** (within the meaning and framework of the **Constitutional Amendment Act, 2019**) in the **01.01.2025 Electoral Roll** as well as the **Draft Roll** of the present SIR—while placing both service life and social life on the line.
Most glaring is the conduct of certain **direct-recruit IAS officers**, who are expected to be the **“steel frame of India”**—duty-bound to uphold the Constitution and the rule of law—yet seemingly unwilling to restrain the **madness** of political interference that has **no authority** to create **impediments to an ongoing SIR**. As I have already noted—and as Shakespeare captured it memorably—**“Though this be madness, yet there is method in’t”** (Hamlet, Act 2, Scene 2), spoken by Polonius. If there is indeed a “method”, then those facilitating it must recognise that the law will also have its method—through accountability, inquiry, and consequences.
What “gain” or “favour” can possibly justify abandoning ethics and the constitutional training imparted at **LBSNAA, Mussoorie**? These are not harmless deviations; they are actions with the potential to corrode the credibility of the electoral process. At this level, such conduct is not merely misconduct—it has the character of a **criminal breach of duty**.
I therefore reiterate, unequivocally: **comply with Sections 21–29 and Section 32 of the Representation of the People Act, 1950**, comply with the directions of the **ECI** and the **Hon’ble Supreme Court**, and ensure—without exception—that **no eligible voter is excluded and no ineligible voter is included** in the final roll.

সকলের জন্য প্রার্থনা করলাম। বহরমপুরের সব পরিচিতরা যে আমার সর্বাধিক প্রিয় তাঁর নাম লিখলেই গালাগালি দিচ্ছে আমি অযাচিত ভাবে...
06/02/2026

সকলের জন্য প্রার্থনা করলাম। বহরমপুরের সব পরিচিতরা যে আমার সর্বাধিক প্রিয় তাঁর নাম লিখলেই গালাগালি দিচ্ছে আমি অযাচিত ভাবে অপাত্রে সাহায্য করে ভূল করেছি ইত্যাদি। তাই সবার কথাই লিখলাম গত

06/02/2026

প্রাণভরা ভালোবাসা , অনেক শুভেচ্ছা আর শুভকামনা। অনেক বড় হবি মা আমার।❤️

06/02/2026

কাল এই পোস্টটি “ আজ এতটাই” বলে শেষ করেছিলাম। আজ লিখতে বসেছি শেষটুকু।
বিশেষ করে প্রথমে ৫ নম্বর পয়েন্টটি পরে একসঙ্গে বাকিগুলি সম্পর্কে আমার এখনকার এবং সারাজীবনের মেনে চললাম জীবনদর্শন।
প্রথমেই একটি গল্প বলি । এটি সুরসিক সৈয়দ মুজতবা আলির কিন্তু আমি শুনেছিলাম বর্ধমানের প্রবাদপ্রতিম ভদ্রলোক সিপিআইএম ব্যক্তিত্ব সৈয়দ মহম্মদ মসীহ্ এর কাছ থেকে। গল্পটি হলো সৈয়দ উপাধি যুক্ত ব‍্যক্তিদের বৈশিষ্ট। অনেকগুলো বৈশিষ্ট্যর কথা দুই সৈয়দ সাহেব বলেছেন আমি তার মধ্যে দুটিমাত্র উল্লেখ করছি ঐ বহরমপুরে পড়ে থাকা কুয়োর ব‍্যাং কে বিশেষিত করার জন‍্য
যিনি সৈয়দ হবেন ঃ
১। তার বাড়িতে অবশ‍্যই রাস্তার বেওয়ারিশ বেড়াল থাকবে যাকে সৈয়দ সাহেবের পুত্রকন‍্যারা কোলে মাখায় করে রাখবেন।
২। বাড়ি তে ধুলো ধুসরিত আলমারি পর আলমারি ভর্তি বই থাকবে , সেগুলি সৈয়দ সাহেব প্রতিটি মন দয়ে পড়বেন কিন্তু তা থেকে জীবন বা মূল‍্যবোধের শিক্ষা নেবেন না সেই মধ‍্যযুগীয় এবং সুযোগসন্ধানী , অকৃতজ্ঞ মানসিকতার মধ্যেই থাকবেন আর বাইরে নিজেকে বিদগ্ধ বলে প্রচার করবেন। বাড়িতে সন্তানদের মধ‍্যে ও স্বাভাবিক ভাবেই ঐ অনৈতিকতা সঞ্চারিত করবেন বলা ভালো বাধ‍্য করবেন।
এছাড়াও মসজিদে যাওয়া , বিশেষ দিনে নামাজ পড়তে গিয়ে আচরন, পৈতৃক সম্পত্তি সম্পর্কে ধ্যান-ধারণা ইত্যাদি আরো রয়েছে - সেগুলি আর বললাম না।
বহরমপুরের এই কুয়োর ব‍্যাংটিও ঠিক প্রকৃত” সৈয়দসাহেব”। তিনি ও তাঁর সুযোগ্য সৈয়দা স্ত্রী তাঁদের কন্যাকে বৃহত্তর জগতে যেতে না দিয়ে “ বহরমপুর আমারে পিছু ডাকে “ এই আপ্ত বাক‍্য মাথায় পেরেক মেরে ঢুকিয়ে ৪ বছর ধরে মানসিক অবসাদের রোগী করে রাখে। পঞ্চম বছরে কোলকাতায় আনার পর বড় ডাক্তারদের ঐকান্তিক চিকিৎসার পর সুস্থ জীবনে ফেরা মাত্র কন্যা রত্নের মাথায় “পিছু ডাকা” গান ঢুকিয়ে আবার সেই ক্ষুদ্র গন্ডি আর বেওয়ারিশ বেড়ালের জগতে ফেরত নিয়ে গিয়ে সন্ধ‍্যাবেলা আর ছুটির দিনে গায়ে গা ঠেকিয়ে বসে কানে কানে শুধু পেছনে চলার গানও উপকারীর প্রতি অকৃতজ্ঞ হবার শিক্ষা দিয়ে মগজধোলাই করে চলে। ৩০ তম বিবাহিত জীবনে এলে গর্ব করে উপহারের “ মেয়ের থিতু হবার” কিন্তু ভূলে যায় মেয়েকে তার আগের চার বছর গভীর অন্ধকারের জীবন , একলা কান্নার জীবন “উপহার(?)” দেবার কথা ,Professional জীবনের চার চারটি বছর নষ্ট করার অপরাধের কথা।

এবার আসি প্রথম চারটি পয়েন্ট নিয়ে আমার পরিস্কার জীবনদর্শন নিয়ে ঃ
এবিষয়ে আমি অন্ধ অনুসারী বঙ্কিমচন্দ্রের কপালকুন্ডলার নবকুমারের । আমি বারবারই নবকুমারের মতো কাঠ কাটতে যাবো ও পরিত্যক্ত হবো।
আমার জীবন দর্শন আজীবন ছিলো ও থাকবে “ তুমি অধম তা বলিয়া আমি উত্তম না হইবো কেন?”
শেষ হলো এবারের মতো।

06/02/2026

আজ এসে পৌঁছেছি জীবনের শেষ লগ্নে। ৩৪ বছর কাটিয়েছি সিভিল সার্ভিসে—প্রথমে **WBCS (Exe)**, পরে **২০১৮ সালে প্রমোশন পেয়ে IAS**। খুব কম WBCS (Exe) অফিসারই আমার মতো সাফল্য পেয়েছে—আর সম্ভবত আমি ছাড়া কোনও WBCS (Exe) অফিসার নিজের দক্ষতা প্রমাণ করে জীবনে যা যা সর্বশ্রেষ্ঠ প্রাপ্তি হতে পারে একজন সিভিল সার্ভেন্ট হিসাবে, তা পেয়েছে।

এই জীবনের শেষ লগ্নে এসে বেশ কিছু *মজার* (আসলে তেতো হলেও বাস্তব) উপলব্ধি হয়েছে—

**১) কখনও অযাচিত উপকার করতে নেই।**
**২) কারও উপকার করলে নিশ্চিত থাকতে হবে—শতকরা ৯৯ ভাগ ক্ষেত্রে উপকৃত ব্যক্তি উপকার অস্বীকার করবে, সম্পর্ক ত্যাগ করবে এবং অকৃতজ্ঞতা প্রদর্শন করবে।**
**৩) অপাত্রে দান করতে নেই।**
**৪) স্নেহ, ভালোবাসা, আবেগ, চোখের জল—এগুলো অনেক সময়ই মূল্যহীন।**
**৫) শুনতে খারাপ লাগলেও একেবারে সত্য যে ছোট থেকে বড় হবার প্রক্রিয়া, মানে upbringing—জীবনাদর্শ তৈরিতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা নেয়।** ব্যক্তি যত শিক্ষিত বা মননশীল বলে পরিচিত হোক না কেন।

এই প্রসঙ্গে আমার নিজের জীবন থেকেই দেখি—আমার স্কুল ও কলেজ জীবন কেটেছে **বহরমপুরে**। আমার বাবা ছিলেন অতি উচ্চপদস্থ সরকারি ইঞ্জিনিয়ার। আমরা ভাইবোনেরা ছোট থেকেই জীবনের সঠিক দিকগুলি দেখেছি—কোথায় কিরকম আচরণ করতে হয়, **মাত্রাজ্ঞান** কী, প্রশাসন কীভাবে চলে—এগুলো প্রত্যক্ষ করেছি। আর একটা স্তরের পর পড়াশোনার জন্য **বহরমপুর ছেড়ে বেরিয়ে আসা দরকার**—এটা বুঝেছিলাম বলেই জীবনে সাফল্য এসেছে। এটা আমাদের পরিবারে পারম্পরিক ভাবে বাবা-মার কাছ থেকে ভাইবোনের মধ্যে প্রবাহিত হয়েছে।

আবার ঠিক উল্টোটাও দেখেছি। ভাইবোনেরা ছোট থেকে সংসারের সব নোংরামি, জটিলতা, স্বার্থপরতা দেখে বড় হয়েছে। পড়াশোনা করেছে। বড় দু’জন জীবনের এই ক্ষুদ্রতাকে মানসিক শক্তিতে **block** করতে পেরে বহরমপুরের বাড়ির বিষাক্ত পরিবেশ থেকে বাইরে চলে এসেছে—এবং জীবনের প্রকৃত মূল্যবোধের শিক্ষা পেয়েছে। সেই শিক্ষাটা তারা নিজেদের জীবন, নিজেদের জীবনসঙ্গী এবং পরবর্তী প্রজন্মকেও শিখিয়েছে।

কিন্তু যে **কুয়োর ব্যাঙ** থেকে গিয়েছে—তার মধ্যে ঐ অকৃতজ্ঞতা, ভুল মূল্যবোধ আর সংকীর্ণ পরিবেশের সংকীর্ণ মানসিকতা বদ্ধমূল হয়েছে। শিক্ষিতও হয়েছে, অনেক ভালো ছাত্রও তৈরি করেছে—তারা কিন্তু জীবনে প্রতিষ্ঠিত, কারণ সবাই বহরমপুরের সংকীর্ণতা ছাড়িয়ে **কলকাতা বা অন্য বৃহৎ জগতে** এসেছে। যথারীতি যে সংকীর্ণ, বিষাক্ত পরিবেশে রয়ে গেল—সে তার ভুল মূল্যবোধ পরিবার ও সন্তানের মধ্যে স্থায়ীভাবে সংক্রমিত করেছে। **অকৃতজ্ঞতা ও বিশ্বাসঘাতকতাকে অস্বাভাবিক বলে মনে করে না।**

একটা ছোট উদাহরণ—আমার ছেলে যদিও পড়াশুনোতে এখনও খুব ভালো নয়, কিন্তু সে জানে **মানবিকতা কী** এবং যে কোনও status-এর মানুষকে **প্রাপ্য সম্মান** দিতে হয়।

এই প্রসঙ্গে দু’টো বাস্তব ঘটনার উল্লেখ করি—

---

# # ঘটনা ১ (সার্ভিসের একজন অফিসার)

আমাদের সার্ভিসের একজন অফিসার আছে—সে নিজেকে সৎ বলে প্রচার করে। আমি যখন জেলাশাসক হলাম, সে সবাইকে বলে বেড়ায়—আমি নাকি জীবনে কারও উপকার করিনি। অতঃপর “সাধু সাবধান”!

আমার সৌভাগ্য—তার অসততা , অসভ্যতার, আর মিথ‍্যা কথা বলার “খ্যাতি(?)” এত বেশি ছিল যে তার কথা **একজন notorious officer** আর **একটি নিরীহ ফাঁকিবাজ মেয়ে BDO** ছাড়া কেউ বিশ্বাস করেনি। তার অভ্যাস ছিল—অন্যের গন্ধ শুঁকে বেড়ানো। আমি প্রথমেই তাকে বুঝিয়ে দিই—**What is What.**
সে সারাদিন অফিসে গল্প করত, লোকের পিছনে কাঠি করত। আর সন্ধ্যা হলেই অন্য অফিসারদের আটকে রেখে সরকারি পয়সায় রাত দশটা অবধি দেদার খানাপিনা—অফিসে বসেই!

তবু জীবন কত বিচিত্র—এই অফিসারটাই তার **Joint Secretary promotion**-এর সময় আমার কাছে প্রায় কেঁদে পড়ল—২০১৩ সালের একটা ACR, যা তৎকালীন জেলাশাসক তার অসভ্য আচরণের কারণে দিয়ে যাননি—বর্তমান জেলাশাসক হিসেবে আমি যেন করে দিই।
আমি বিনা বাক্যব্যয়ে **Outstanding** লিখে তার হাত দিয়েই কলকাতা পাঠিয়ে দিলাম।

পরে আবার **২০২২ সাল**। আমার জেলাশাসক সময়কালের ACR সে যথারীতি online-এ জমা দেয়নি। Special permission নিয়ে হার্ডকপি নিয়ে সেই মুখ কাঁচুমাচু করে আমার চেম্বারে হাজির। আমার “বিরাট দোষ”—আমি তাকে ACR-টা রেখে যেতে বললাম, পরে করে **Divisional Commissioner**-এর কাছে পাঠিয়ে দেব বলে। তখন আমি একটি জটিল কাজে ব্যস্ত ছিলাম।

যাই হোক—আমি বেলা তিনটে নাগাদ যে দশটি পয়েন্টে appraisal হয়, তা যথাযথভাবে লিখে একজন **special messenger** ঠিক করলাম, যে পরদিন **মেদিনীপুরে** যাবে এবং Divisional Commissioner-এর কাছে জমা দেবে।

বাড়ি ফেরার পর শুরু হলো—অগুনতি ফোন। অফিসারটির ব্যাচমেটদের কাছ থেকে অনুরোধসহ—যেন ঐ অফিসারটির ACR আমি ফেলে না রাখি। আমি সবাইকে জানালাম—আমি ওটা করে **special messenger**-এ পাঠিয়ে দিয়েছি।

এও সেই ছোট থেকে বড় হওয়ার—**upbringing**-এরই ফল।

---

# # ঘটনা ২ (পারিবারিক)

দ্বিতীয়টা আমার পারিবারিক—বিস্তারিত লিখলাম না। কারণ এটি নিয়ে একটি গল্প আকারে, নাম-ধাম উল্লেখ না করে, কদিন আগেই পোস্ট করেছি।

---

আজ এতটাই।
জীবনের এই পর্যায়ে এসে একটাই কথা বুঝি—মানুষকে বিচার করতে গেলে তার পদ, ডিগ্রি, প্রচার নয়—তার **upbringing**, তার ভেতরের **মূল্যবোধ**, এবং উপকার পেলে সে কেমন **মানুষ** হয়ে ওঠে—সেটাই শেষ কথা বলে।
````

আমরা সবাই মহাকুম্ভে। এই দিন রাতে মৌনী অমাবস্যার স্নান করতে গিয়েছিলাম আমি আর আমার প্রিয় কন্যা।  রাত ২টোয় পদপিষ্ট হয়ে অবধা...
25/01/2026

আমরা সবাই মহাকুম্ভে। এই দিন রাতে মৌনী অমাবস্যার স্নান করতে গিয়েছিলাম আমি আর আমার প্রিয় কন্যা। রাত ২টোয় পদপিষ্ট হয়ে অবধারিত মৃত্যুর হাত থেকে তাঁর বাবাকে রক্ষা করেছিলো তিতির ( দিশারী)। এরপর সঙ্গমে স্নান সেই মৌনী অমাবস্যায় মাহেন্দ্রক্ষনে। ফেরার পথে শুনলাম পদপিষ্ট হয়ে মানুষের মৃত‍্যু। আমার কন‍্যা সেই যে মাটি থেকে তুলেছিলো তারপর ভারত সেবাশ্রমে ভোর চারটার সময় ফেরা অবধি শক্ত করে আমার হাত ধরে রেখেছিল।

Address

Ramakrishna Math & Ramakrishna Mission P.O. Belur Math-711202 Dist Howrah, West

711202

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Alokesh Prosad Roy -Business posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

  • Want your business to be the top-listed Business?

Share