11/12/2022
চোদা চুদির দিক্ষাগুরু নাজু আপু সেই দিনের ঘটনার পর থেকে ঘনো ঘনো প্রায়ই আমাদের বাড়ী আসতো আর নিঃসংকোচে নির্ভিগ্নে মধ্য রাতে নিপুনের চকি থেকে উঠে ঘুমের ভান করে শুইয়ে থাকা আমাকে খোচা দিত,এক খোচাতেই আমি মোড় ফিরে নাজু আপুকে জ্বরিয়ে ধরতাম, এর পর আমরা দুজন হারিয়ে যেতাম চোদা চুদির সুখের জগতে।চোদা চুদির এমন জগতে দেখতে দেখতে প্রায় দুই বছর কেটে গেলো,এরই মধ্যে নাজু আপুর বিয়ে হয়ে গেলো,সে চলে গেলো স্বামীর বাড়ী যেখান থেকে সে আর আমাদের বাড়ী বেড়ানোর উদ্দ্যেশ্যে এসে রাত্রি যাপন করতে পারে না কিংবা চোদা খাওয়ার মানুষ (স্বামী)হয়ে যাওয়ায় আমাকে আর দরকার মনে করলো না, অথচঃ চোদার নেশায় আমি অস্থির হয়ে পড়েছি,এমন সময় আবিস্কার হলো আমার চাচাতো বোন মার্জিয়া।
নাজু আপুর বিয়ের কয়েক মাস পরে নিপুনেরও বিয়ে হয়ে যায়,ফলে পিছনের বারান্দায় পার্টিশান করে নিপুনের জন্য আলাদা একটা কামড়া তৈরী করা হয়,কারন ওর জামাই সহ যখন আমাদের বাড়ী আসে তখন ঐ কামড়ায় ওরা দুজন থাকে,আর আমি আমার সেই বিছানায়।নিপুন শ্বশুর বাড়ী চলে গেলে সেই কামড়াই হয় আমার পড়াশোনা এবং শোবার জায়গা। আমি তখন ক্লাশ নাইনের ছাএ আর মার্জিয়া সবে মাএ ক্লাশ সিক্সে উঠেছে। সন্ধ্যার পর আমরা দুজন একই টেবিলে পড়াশুনা করতাম,এর দুটি কারন,প্রথমতঃগ্রামের বাড়ীতে একাকী অনেক রাত জেগে মার্জিয়ার পড়ালেখা হতো না,দ্বিতীয়তঃআমার দ্বারা ওর পড়াশোনার সহযোগীতা পাওয়ার লক্ষ্যে আমার চাচা চাচি মার্জিয়াকে সন্ধ্যার পর আমাদের ঘরে পড়ার উদ্দ্যেশে পাঠিয়ে দিত। আমরা দুজন রাত ১০/১১ টা পর্য্যন্ত পড়াশোনা করতাম,এরপর যে যার মতো গিয়ে ঘুমিয়ে পড়তাম।কোনো কোনো রাতে মার্জিয়া ওর নিজের ঘরে যেতো না আমার প্রাক্তন বিছানায় গিয়া ঘুমিয়ে পড়তো।
গ্রীষ্মের এক সন্ধ্যায় মার্জিয়া যথারীতি পড়ার জন্য আমাদের ঘরে আসলো,আমি তখন পড়ার টেবিলেই ছিলাম।ও কামড়ায় প্রবেশ করেই বল্লো ‘ভাইয়া আমাকে কয়েকটি অংক দেখিয়ে দাও’ আমি বল্লাম আয় বস্।ও আমার টেবিলের সামনেই একটা চেয়ারে বসলো বই খাতা বের করতে করতে বল্লো উফ্ আজ সাংঘাতিক গরম তাই না ভাইয়া ?আমি হ্যা সুচক জবাব দিয়ে বল্লাম, হ্যা আজ ভীষন গরম,আমি তো ছেলে মানুষ খালি গায়ে স্যান্ডো গ্যাঞ্জি গায় দিয়ে থাকতে পারি, তুই তো মেয়ে মানুষ কাপড় চোপড় পড়ে থাকায় তোর তো গরম একটু বেশীই লাগবে।তখনো আমার মনে কোনো শয়তানী বুদ্বি আসে নাই,কথাটা ওকে এমনিতেই বলছিলাম।আমার কথা শুনে মার্জিয়া বল্লো ‘ইস আমি কি আর অতো বড় হয়েছি