Misra Wedding Solutions

Misra Wedding Solutions Matrimony& Dating service with the guide of our expert Relationship Manager .

21/03/2020

একটি অতি প্রয়োজনীয় আবেদন : .............................................
ইতালির অবস্থা খুব খারাপ। কবর দেওয়ার লোক পর্যন্ত পাওয়া যাচ্ছে না। ইতালিতে এক একদিনে পাঁচশোর কাছাকাছি লোক মারা যাচ্ছেন। ইরানে গণকবর খোঁড়া হচ্ছে। যতদিন চীনে এরকম হচ্ছিল, খবর পাচ্ছিলাম উহান প্রদেশ উজাড় হয়ে যাচ্ছে ততদিন ইউরোপে বসে ভারতে বসে আমরা সমবেদনা জানানো ছাড়া আর কিছুই করিনি। তাই আজ ইউরোপের এই অবস্থা। মাত্র একমাসের ব্যবধানে। এখন আমাদের দরজার দাঁড়িয়ে আছে মারণরোগ। জানতে না দিয়েই।

না আতঙ্ক ছাড়ানোর জন্য লিখছি না। ইতালি যে ভুল করেছিল ভারত সে ভুল যেন না করে। শুধু টিভি বা খবরের দর্শক হয়ে নয়, কিছু করার আবেদন এটা। হোয়াটস্যাপ বা ফেসবুকের ভুয়ো খবর নয়, বরং সচেতনতা ছড়ান। পরিসংখ্যান বলছে ভারতে মাত্র দুই সপ্তাহ যদি আমরা ঘরবন্দি হয়ে থাকি তাহলে আমাদের অবস্থা ইতালি বা ফ্রান্সের মত হবে না। ইতালি ইরান ফ্রান্স অনেক দেরিতে করেছে, ভারতীয়দের হাতে এখনো কিছুটা সময় আছে। দুই সপ্তাহ ঘোরা-বেড়ানো বা অদরকারি কাজগুলোকে মুলতুবি রাখুন। দু সপ্তাহ ছুটি কাটান ঘরে বসে, অযথা দোকান বাজার ছোটাছুটি করে নিজের বিপদ ডেকে আনবেন না। এই দু সপ্তাহ খুব গুরুত্বপূর্ণ। দু সপ্তাহ পর হয়ত সেলফ কোয়ারেন্টাইনের আর কোনো প্রয়োজনীয়তাই থাকবে না। প্রকোপ একেবারে কমে যেতে পারে, নইলে হয়ত ঘরে বসে বসেও আক্রান্ত হতে পারেন।

আসুন, আমরা আগামী দু-সপ্তাহ মাত্র তিনটে কাজ করি। বেশি না, তিনটে কাজ-

#এক, বাইরে বেরোনো বন্ধ করে দিই। বন্ধ মানে বন্ধ। পাড়ার চায়ের দোকানটুকুও নয়। আত্মীয় বন্ধু প্রতিবেশী কারোর বাড়ি যাবেন না, তাদেরও নিজের বাড়িতে ডাকবেন না। যেখানে ভিড় বেশি, দশজনের বেশি লোক জমায়েত হয়েছে সে জায়গা এড়িয়ে চলুন, সে শপিং মল হোক কি ধর্মীয় স্থান। দুসপ্তাহ সেদ্ধ ভাত খেয়েই চালিয়ে নিন। চাল-ডাল-আলু-পেঁয়াজ মজুত আছে এতদিনে। বিরিয়ানি মশলা কিনতে না বেরোনোর প্রতিজ্ঞা করুন।

#দুই, সাধারণ হাইজিন মেনে চলি। খাবার আগে এবং ঘন্টায় অন্তত একবার করে সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে ফেলুন। নাকে-মুখে হাত যথাসম্ভব কম দিন, হাত না ধুয়ে তো নয়ই।

#তিন, "আমি একা কি করব? সবাই তো মানছে না" - এই মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসুন। আপনার মাধ্যমে যদি একজনও ক্ষতিগ্রস্থ হয় সে হল আপনার প্রিয়জন। বাবা-মা-স্বামী-স্ত্রী-সন্তান। যার সঙ্গে আপনি দিনের বেশিরভাগ সময় কাটাচ্ছেন তাকে আপনিই মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছেন না তো? বয়স্ক মানুষ ছাড়াও যাদের হাইপ্রেসার, সুগার, হার্টের অসুখ, কিডনি, ক্যান্সার বা অন্য কোনো সাধারণ ক্রনিক রোগ আছে, করোনাভাইরাসের সংস্পর্শে এলে তাঁদেরও মৃত্যুর হার কয়েকগুণ বেড়ে যায়।

তিনটে বিষয়, যার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল বাইরে না বেরোনো। কতদিন না বেরিয়ে সম্ভব ? ঠিকক দু-সপ্তাহ ।আপনি হয়ত স্ট্রং, সাধারণ ফ্লুয়ের উপসর্গও নেই। করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হলেও আপনি হয়তো ঠিকক সুস্থ হয়ে যাবেন। কিন্তু চোদ্দদিনের মধ্যে আপনি যদি কোন অন্য মানুষের সংস্পর্শে আসেন তাহলে তাঁর জীবন বিপন্ন হতে পারে। এটা ভেবে শিক্ষিত শুভবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষ হিসেবে যদি এটুকু মেনে চলেন তাহলেই আমরা অনেকটা নিরাপদ থাকব।

আসুন দেখিয়ে দিই, প্রথম বিশ্বও যেটা পারেনি, আমাদের গরিব দেশ সেটা করে দেখিয়েছে।

#বিঃদ্রঃ : প্রয়োজনে যত পারেন কপি পেস্ট করে ছড়িয়ে দিন।

16/03/2020

Italy reported its first two cases on 30 Jan.
Total of ONLY 4 cases on 21 Feb.
Total of 20 cases, on 22 Feb, the next day.
23 Feb (79),
24 Feb (>150),
25 Feb (322),
26 Feb (400),
27 Feb (655),
28 Feb (888),
01 Mar (1577),
02 Mar (1835),
03 Mar (2263),
05 Mar (3858),
06 Mar (4636),
08 Mar (7375 - 366 deaths - Clampdown of northern Italy 16 million people),
09 Mar (9172 - 463 deaths - Countrywide lockdown)
10 Mar (10149 - 631 deaths)
11 Mar (12462 - 827 deaths)
13 Mar (15000 -1400 deaths)
Look at this. From just 4 cases 25 days back.....

*One of the main reasons is said to be the delay in enforcing restrictions in Italy. After China, Now it is fully blown up epidemic in Italy & it is moving to other European countries as declared by WHO. This is third stage in Italy & Europe & second stage in USA.*
*In India, we are passing through 1st stage and 2nd stage is very near. China has shown the way to the world. This epidemic is controlled by precautions as there is no medicine available. Next 30 days are very crucial. We must follow the precautions & remain home as much as possible. We can defeat the virus by taking precautions suggested by WHO & remaining at home.*

Take this seriously.
Avoid all unnecessary social contacts.

Get your match.count down begins...Log in - www.suvadristi.com       👉click on register       👉fill up the details      ...
09/01/2020

Get your match.
count down begins...
Log in - www.suvadristi.com
👉click on register
👉fill up the details
👉get your password in
your mail id(inbox/
spam folder)
👉again come to the
portal> log in and
fill up with photo and
other details.
👉see your matches
online and chat
with them

Misra Wedding Solutions Presents

27/12/2019

Required Relationship Manager for our matrimony services. Qualifications- first class graduate + MBA or First class graduate with marketing experience of minimum 5 years are eligible.
The candidate should be unmarried.

23/12/2019

বিয়ে ঠিক হবার ৬ মাস আগে:- ওমা দেখোনা ভাই মারছে।
তোরা ওই কর সারাদিন ধরে।দেখবো ৬ মাস পর কার সাথে মারামারি করিস।
:-ধুর টিভির রিমোট টা দেনা।সারাদিন খালি সিরিয়াল দেখিস, দে আজকে খেলা আছে আমি ১০ টা থেকে দেখবো।
:- না। আমি দেখছি। দেবনা রিমোট।
:- দেখোনা মা,দিদিভাই সারাদিন টিভি দেখে।আমাকে একটু খেলাও দেখতে দিচ্ছেনা।
৩ মাস আগে:- দে রিমোট টা খেলা দেখবো। সিরিয়াল দেখতে হবেনা।
:- আর কিছুদিন পর চলে যাবো। দেখতে দেনা একটু সিরিয়াল
:- এসব অজুহাত চলবেনা।বেঁচে যাবো বিদায় হলে।তখন আর কেউ জালাবেনা।বিরিয়ানির ভাগ ও দিতে হবেনা।
:- হুম দেখবো যাবার সময় কাঁদিস কিনা।
:- হুম
১০ দিন আগে:-. দিদিভাই টিভি দেখবি?? এনে পুরো বিরিয়ানি টা খেয়েনে।আর বলছি আমার এই ফর্ম টা ফিল আপ করে দেনা।
:- নিজে কর । নিজের জিনিস নিজে করতে শেখ। আমি আর ১০ দিন আছি এই বাড়িতে।
:- ধুর সে করে নেবো। এখন করে দে তুই।
যাবার দিন:- কার সাথে মারামারি করবি?? এবার আর কাউকে ভালো খাবারের ভাগ দিতে হবেনা।সবটাই তোর।ভালো থাকিস।মা বাবা কে দেখিস। মা বাবাকে সময় মতো সব ওষুধ খেয়ে নিতে বলিস।মন দিয়ে পড় সামনে বড়ো পরীক্ষা।😢
:- তুইও ভালো থাকিস রে। সুখে থাকিস best friend 🙂
এত কিছু লিখতে লিখতে চোখের কোন বেয়ে জল নেমে এলো😢
বাড়িটা সত্যিই ফাঁকা ফাঁকা লাগে । খুব মিস করি রে তোকে।😫
এই পৃথিবী তে ভাই - বোনের থেকে মধুর সম্পর্ক আর হয়না বলে আমার মনে হয় ❤️
দিদি বা বোন পাওয়ার ভাগ্য সবার হয়না। সেদিক দিয়ে আমি নিজেকে ভাগ্যবান মনে করি😘
ধন্যবাদ❤️

🙂

Get your match..(it's free)count down begins...Log in -www.suvadristi.com       👉click on register       👉fill up the de...
22/12/2019

Get your match..(it's free)
count down begins...
Log in -www.suvadristi.com
👉click on register
👉fill up the details
👉get your log in details in your mail id.
👉again come to the portal log in and
fill up with photo and other details.
👉see your matches online and chat
with them.

Misra Wedding Solutions Presents

15/12/2019
Share it.if possible
09/11/2019

Share it.if possible

ভাতৃ দ্বিতীয়া ভাইয়ের কপালে দিলাম ফোঁটা,যমের দুয়ারে পড়ল কাঁটা।যমুনা দেয় যমকে ফোঁটা,আমি দিই আমার ভাইকে ফোঁটা॥যমুনার হা...
28/10/2019

ভাতৃ দ্বিতীয়া

ভাইয়ের কপালে দিলাম ফোঁটা,
যমের দুয়ারে পড়ল কাঁটা।
যমুনা দেয় যমকে ফোঁটা,
আমি দিই আমার ভাইকে ফোঁটা॥
যমুনার হাতে ফোঁটা খেয়ে
যম হল অমর।
আমার হাতে ফোঁটা খেয়ে
আমার ভাই হোক অমর॥
(অঞ্চলভেদে ছড়াটি পরিবর্তীত হয়)।

চন্দনবাটা, ঘাসের ডগায় জমে থাকা শিশির বিন্দু আর দই এর মিশ্রনের ফোঁটা উক্ত ছড়া কেটে ভাই এর কপালে দেবার সময় বোনটি কেবল তার ভাই এর কল্যাণ কামনা করে।

ভাই এর মাথায় ধান দুর্বা দিয়ে তার মংগল কামনা করা হয়। এই সময় শঙ্খ আর উলু ধ্বনিতে এক মনোরম পরিবেশ সূচিত হয়।

বোন যদি বড় হয় তাহলে ভাইকে আশীর্বাদ করে মিষ্টি মুখ করিয়ে তার উপহারটি ভাই এর হাতে তুলে দেয়। আর বোন যদি ছেটি হয় তবে দাদা দেয় তাকে পছন্দনীয় উপহার। তারপর চলে বোন আর ভাই এর প্রিয় খাবার খাওয়া।

এই দিনটিকে কেন্দ্র করে মিটে যায় বহু ভাই বোনের সাময়িক মনোমালিন্য। ভাই আর বোন সৃষ্টি করে এক মিলন ক্ষেত্র।

প্রতি বছর হেমন্তকালে কার্তিক মাসের শুক্লা পক্ষের দ্বিতীয় দিন অর্থাত দ্বিতীয়ার দিনটিকে ভাতৃ দ্বিতীয়া হিসেবে পালন করা হয়।আর যতক্ষণ দ্বিতীয়া থাকে ততক্ষণ বোনের অপেক্ষার প্রহর থাকে কখন আসবে তার ভাই টি। এক মিলন মেলা রচিত হবে।

এখন আমরা দেখব ভাতৃ দ্বিতীয়ার তাৎপর্য

সমাজের অনেক মনোমালিন্য, বিশৃঙ্খলা ইত্যাদি এসব দূর হয়ে যাবে ভাই ও বোনের পবিত্র ভালবাসার মাধ্যমে। ভালবাসাটা এমন এক জিনিস সেটা অনেক সমস্যার সমাধান করে দেয়।

সে উৎসবে বোন ধান আর দূর্বা দিয়ে আশির্বাদ করে ভাইকে। এর অর্থ হচ্ছে ধান হচ্ছে বৈদিক আর্যদের এক ধরনের প্রতীক আর দূর্বা হচ্ছে অমরত্বের প্রতীক। ধান ও দূর্বা দিয়ে আশির্বাদ করার অর্থ হলো ভাইয়ের দীর্ঘায়ু কামনা করা। কারন বোনের সকল সমস্যার সমাধানের জন্য ভাইকে প্রতিশ্রুতি বদ্ধ হয়।

এরপর কনিষ্ঠা আঙ্গুল দিয়ে কপালে চন্দন দেওয়া হয়। এর দ্বারা ভাই বোনের পবিত্র সম্পর্কে বুঝানো হয়। সেটা হৃদয়গত ব্যাপার, উদ্বেগ, ভয় এবং আত্মবিশ্বাসের প্রতীক।

এই দিনে বোন ভাইয়ের হাতে রাখি বন্ধন করে। এই রাখি বন্ধন হচ্ছে ঐক্যতার প্রতিক। সমাজের সকল মানুষের মধ্যে দায়বদ্ধতা এবং একে অপরকে রক্ষা করার যে মানষিকতা ও সুসংহিত সামাজিক জীবন ফিরিয়ে আনা যায় এই রাখি বন্ধনের মাধ্যমে। যেটা আজকে ক্ষয়িষ্ণু সমাজের জন্য দরকার।

আজকে হিন্দু সমাজে ঐক্যের বড়ই অভাব, যার কারনে বিভিন্ন মতবাদ ও সম্প্রদায় গড়ে উঠেছে। এই রাখি বন্ধনের মাধ্যমে আমরা শিখতে পারি ঐকতা এবং এক সম্প্রাদায় আরেক সম্প্রাদায়ের মধ্যে ভালবাসা সৃষ্টি করে সনাতন সমাজকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজ করা যায়।

পরিশেষে বলতে হয়, নারী কোন ভোগ্য বস্তু না যে একে কামনার ললুপ দৃষ্টিতে দেখব। মা, বোন ও স্ত্রী এদের সুরক্ষার জন্য পুরুষদের এগিয়ে আসতে হবে। নারীকে আমরা কোন ভোগ্য পন্য হিসেবে ব্যবহার করব না, এদেরকে সর্বোচ্চ সন্মান আমাদের দিতে হবে, আর নারীদের সন্মান রক্ষার দায়িত্ব সকল পুরুষ ভাইদের।
আমরা যদি ভাই বোনের এই ভালবাসার প্রকাশ সবার হৃদয়ে প্রকাশিত করতে পারি তাহলে সমাজ থেকে সকল অশুভ শক্তি চলে যাবে এমনকি সকল সমস্যার সমাধান হবে। বিশেষ করে হিন্দু বোনেরা যে লাভ জিহাদের চক্রে পরে সেটা একদম কমে যাবে।

তাই আসুন এই ভাতৃ দ্বিতীয়ার মাধ্যমে সমাজের সকল অশুভ শক্তিকে পরাস্ত করে এক সুন্দর সমাজ গড়ে তুলি।

27/10/2019

সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায় লিখলেন



আগে মানুষের 12/14টা বাচ্চা হত। এখন কি আর হয়? হয় না। তখন এটা একদম স্বাভাবিক ছিল। এখন ক্রাইমের মত লাগবে। আগে পুরুষরা consent বিষয়টা বুঝত না। এখনও বুঝবে না বললে চলবে? তখন না বুঝলেও চলত কিন্তু এখন তো বুঝতে হবে! এই পোস্টটা পুরুষদের উদ্দেশ্যে। মানে যারা এখনো সময়ের থেকে পিছিয়ে আছেন, অনেক কিছু বুঝতে চাইছেন না, তাদের উদ্দেশ্যে। মেয়েরা নিজেদের অনেক রকম ভাবে ভেঙে গড়ছে। গা থেকে দুধের গন্ধ মুছে যাওয়ার আগে থেকে মেয়েদের সতর্ক হতে শিখতে হচ্ছে, স্ট্র্যাটেজি তৈরি করতে শিখতে হচ্ছে। মেয়েদের পক্ষে আর এরকম ভাবে বাঁচা সম্ভব না। আর কত নিজেদের স্বাভাবিক জীবনযাপনকে দুমড়ে মুচড়ে একটা নকল জীবনে অভ্যস্ত হতে হবে মেয়েদের? না, মেয়েরা আর এসব কিছু করবে না। এবার বদলাতে হবে পুরুষদের। এবার সমস্ত সতর্কবার্তা শুনতে হবে পুরুষদের। জ্ঞান অর্জন করতে হবে পুরুষদের। Code of conduct শিখতে হবে পুরুষদের। Do's and don'ts জানতে হবে পুরুষদের। কতটা চলতে পারে, কতটা চলতে পারে না- তাদের কানে ঢোকাতে হবে। প্রতিদিন প্রতিদিন এই পাঠ নিতে হবে পুরুষকে। বাড়ি থেকে শুরু করতে হবে এই চর্চা। মা'রা, মেয়েরা, বৌরা ঘুরিয়ে বা সরাসরি বাড়িতে এসব আলোচনা করুন। আমরা সবাই মনে করি যে আমাদের বাড়ির পুরুষরা সভ্য ভদ্র। কিন্তু বিশ্বাস করুন, অসভ্যতা যারা করে কেউ এলিয়েন নয়। আমাদেরই বাপ, ভাই, ছেলে, স্বামী তারা। যুগটাকে আমরা এই ভাবে চিহ্নিত করতে চেষ্টা করব এবার। যুগটা ছেলেদের বদলানোর যুগ হয়ে উঠুক। " আমরা মেয়েরা নিরাপত্তা চাই" এরকম বলা বন্ধ করে এখন থেকে আমরা আওয়াজ দেব, " আমরা চাই ছেলেরা নিজেদের বদলাক।"

23/10/2019

"অধ্যাপক দীপক ব্যানার্জি।
-ডিবি স্যার।"

ডিবি বলেই ছাত্রমহলে খ্যাত ছিলেন তিনি।শুধু অর্থনীতি নয় সব বিভাগেই তাঁর সম্পর্কে নানা গল্প হাওয়ায় হাওয়ায় ভেসে বেড়াতো -- সেগুলো সবই প্রথাবিরোধী প্রতিষ্ঠানবিরোধী মনোভঙ্গীকেই প্রশ্রয় দিত,আর অজান্তেই ছাত্রদের এক পরোক্ষ আশ্রয় ও সমর্থন হয়ে উঠতেন ডিবি । কেমিস্ট্রি নিয়ে প্রেসিডেন্সিতে ভর্তি হয়েছিলেন তিনি । সম্ভবত সেকেন্ড ইয়ারে পড়ার সময় প্রেসিডেন্সির বিখ্যাত পোর্টিকোতে ততোধিক বিখ্যাত অধ্যাপক তারকনাথ সেনের সঙ্গে বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন তিনি । সেন মহাশয় নাকি তাঁকে বলেন : Do you know who am I? I'm T N SEN. পাল্টা ছাত্রটি বলেন :Do you know who am I ? I'm D BANERJEE. এর পরেই ডিবি কে রাস্টিকেট করা হয় । উনি জাহাজে খালাশির কাজ নিয়ে লণ্ডনে চলে যান । সেখানে ডকে এক অধ্যাপকের সঙ্গে তাঁর আলাপ হয় । সেই পণ্ডিত মানুষটি ডিবির পরিচয় জেনে তাঁকে লণ্ডন স্কুল অফ ইকনমিক্স-এ ভর্তির ব্যবস্থা করেন । সেখান থেকে ফার্স্ট হয়ে প্রেসিডেন্সি কলেজে অধ্যাপক পদে যোগ দেন তিনি । এই রকম নাটকীয় জীবন যাঁর তিনি তো ছাত্রকুলের চোখের মণি হবেনই । কলেজ প্রশাসনের উর্ধতন পদের লোকদের তিনি হামেশাই খুল্লামখুল্লা হতচ্ছেদ্দা করতেন এবং যুক্তিসঙ্গত ভাবেই করতেন। তাঁর সমস্ত পক্ষপাত ছিল ছাত্রদের দিকে । ডিবিকে নিয়ে একটা ঘটনা এখনো মিথ হয়ে আছে , সে বোধহয় ১৯৮৮ সালের ঘটনা । প্রেসিডেন্সিতে বিতর্ক সভা হচ্ছে । বিষয় : "বাংলা কবিতার বাণিজ্যিকীকরণ ঘটেছে" । তাতে এর পক্ষে - বিপক্ষে বলতে এসেছেন কবি সুনীল গাঙ্গুলি, শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায় এবং আরো কয়েকজন । ছাত্ররা অধিকাংশ স্বভাবতই প্রস্তাবের পক্ষে । এহেন সভার সভাপতি ডিবি । সুনীল বিপক্ষে বলতে গিয়ে নিজের কবিতার দুটি লাইন উদ্ধৃত করেছিলেন :

"শুধু কবিতার জন্য এই জন্ম, শুধু কবিতার
জন্য কিছু খেলা,
শুধু কবিতার জন্য একা হিম সন্ধেবেলা
ভুবন পেরিয়ে আসা, ...
শুধু কবিতার জন্য আমি অমরত্ব তাচ্ছিল্য করেছি"
সঙ্গে সঙ্গেই ধুরন্ধর তর্কবাজ এক ছাত্র এরপর সুনীলকে পাল্টা বলেছিল : " ঐ কবিতার বইয়েরই আরেকটি কবিতায় আপনি লিখেছেন -'এবার কবিতা লিখে আমি একটা রাজপ্রাসাদ বানাবো / এবার কবিতা লিখে আমি চাই পণ্টিয়াক গাড়ি ।' তাহলে কোনটা সত্যি? "

বলা বাহুল্য এরপর আরো নানারকম সোরগোল চিৎকার চেঁচামেচি, বক্রোক্তি, শ্লেষ, কটূক্তি ইত্যাদি হতে থাকে । এবং এই সমস্ত সময়টা জুড়ে ডিবি স্মিত হাসি নিয়ে দেখছিলেন পক্ষ ও বিপক্ষকে । তাদের তুমুল বাদানুবাদকে। এরপর এই সভার সাম আপ করতে গিয়ে তিনি যা বলেছিলেন তা যে কোন আন্তর্জাতিক মানের সভাকেও চুপ করিয়ে রাখবে ।
তিনি বলেছিলেন " কোনো আলোচনাসভার সাম আপ হয় । কিন্তু কোনো মোচ্ছবের কি সাম আপ হয়? আমি বরং দুটো গল্প বলি। প্রথম গল্পটা এই : পাড়াগাঁর এক পুকুর ঘাটে বাসন মাজছে , চান করছে গাঁয়ের বৌ ঝি রা । সাথে সাথে পরনিন্দা পরচর্চা চলছে । তো একটি বৌ কাপড় থোপাতে থোপাতে বলল : শুনছ গো অমুক বাড়ির বৌ কাল রাতে তমুকের সাথে পালিয়েছে ! আরেক জন প্রৌঢ়া বাসন মাজতে মাজতে তার উত্তর দিলো : ম্যাগো ম্যা! বিশ বচ্ছর ভাসুরের সঙ্গে ঘর করছি । তা'বলে পরপুরুষের সাথে পালানো! ! শুনলেও গা টা রি রি করে "।
তুমুল হাততালি থামিয়ে ডিবি এরপর দ্বিতীয় গল্পটি বলেছিলেন , " একবার উস্তাদ আলাউদ্দিন খানকে সরোদ বাজানোর জন্য বলতে এসেছে কোন এক ফাংশানের কর্মকর্তারা। ভালোই সম্মান দক্ষিনা দেবে তারা । খান সাহেব শুনলেন । হ্যাঁ /না কিছু বললেন না । বললেন 'দাঁড়াও'। বলে অন্তঃপুরে ঢুকে একটু পর বেরিয়ে এসে বললেন :' না । যাবো না '। তো এক কর্মকর্তা অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলেন : 'এটা তো প্রথমেই বলতে পারতেন । ভিতরে থেকে ফিরে এসে বললেন কেন'? খান সাহেব উত্তর দিয়েছিলেন : 'আরে! দেখে এলাম কালকের খাবারটা হবে কি না ! সে বন্দোবস্ত যখন আছে তখন বাপু আর যাবো না ।'

তারপর এক অদ্ভুত নৈঃশব্দ নেমে এসেছিল প্রেসিডেন্সির প্রেক্ষাগৃহে।সুনীল,শ্যামল চুপ।হঠাৎ তাঁদের দিকে হাত তুলে ডিবি বলে উঠেছিলেন -- তাহলে আসি!
নিঃশব্দ প্রেসিডেন্সির করিডর ধরে সেদিন অন্ধকারে মিলিয়ে গিয়েছিলেন প্রেসিডেন্সি কলেজের ইকনমিকসের হেড অব দ্য ডিপার্টমেন্ট অধ্যাপক দীপক ব্যানার্জী।সক্কলের 'ডিবি স্যার'।

** যাঁর পুত্র শ্রীমান অভিজিত ব্যানার্জী এবছর অর্থনীতিতে নোবেল প্রাইজ পেলেন।

Address

6A/3 A. K MUKHERJEE Road
Kolkata
700090

Telephone

+913379616565

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Misra Wedding Solutions posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Misra Wedding Solutions:

Share

Category