V R O M O N

V R O M O N This is a travel consultancy page. You may ask for a tour plan placing you budget and time limit to me.

11/09/2018

একদিনে ঘুরে আসি কামারপুকুর ও জয়রামবাটি

কামারপুকুর - পশ্চিমবঙ্গের হুগলী জেলার আরামবাগ সাবডিভিশনের গোঘাট ব্লকের অন্তর্ভুক্ত একটি ছোট শহর। শ্রীশ্রী পরমহংস রামকৃষ্ণদেবের জন্মস্থান হিসাবে বিশ্বখ্যাত। কামারপুকুরে মূল দেখার আছে কামারপুকুর রামকৃষ্ণ মঠ - 1951সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। মূল মন্দিরটি 45ft উঁচু এবং এর ভিতর রামকৃষ্ণদেবের প্রস্তর মূর্তি স্থাপিত আছে। এই মন্দিরটির নকশা করেছিলেন শ্রী নন্দলাল বসু মহাশয়।এই মঠের ভিতরে আছে রামকৃষ্ণদেবের জন্মঘর(আদতে গোশালা ও খড় কাটার ঘর)। আর আছে রামকৃষ্ণদেবের নিজের হাতে লাগান একটি বিশালাকায় আম গাছ এবং একটি ঘর যেখানে রামকৃষ্ণদেব লোকেদের সাথে সাক্ষাৎ করতেন। এছাড়াও এখানে একটি দুর্গা মন্দির ও যোগী শিব মন্দির আছে। মঠের চৌহিদ্দির বাইরে আছে হালদার পুকুর, লাহাদের বিষ্ণু মন্দির, লাহাদের দূর্গা মন্দির, চিনু (শ্রীনিবাস) শাঁখারিয়ার বাড়ি, গোপেশ্বর শিব মন্দির, রামকৃষ্ণদেবের ধাত্রী-মাতা কামরানীর বাড়ি, রামকৃষ্ণ মিশন পল্লী মঙ্গল, লাহাদের প্রাথমিক বিদ্যালয়, সীতানাথ পাইনের বাড়ি। অনতিদুরে (মঠের দক্ষিণ দিকে কামারপুকুর বাজার রোডে) প্রাচীন গঙ্গাধর শিব মন্দির ও মা অভয়ার মন্দির। মঠ থেকে প্রায় দেড় কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে বামনিয়া-ইন্দাস রাস্তার ধারে মানিক রাজার বাড়ির ধ্বংসাবশেষ ও গঙ্গাধর জোড়া শিব মন্দির (ভ্যানে যেতে হবে)। এই পথে যাওয়ার সময় মঠ থেকে আধ কিলোমটার পেরোলেই ডান হাতে পড়বে রামকৃষ্ণদেবের অতিপ্রিয় ধ্যানের স্থান ‘ভুতির খালের শ্মশান ও বিশাল বট গাছটি’। উপরোক্ত সমস্ত দর্শনীয় স্থানগুলি রামকৃষ্ণদেবের জীবনের সাথে ওতপ্রোত ভাবে জড়িত।

জয়রামবাটি - পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া জেলার বিষ্ণপুর সাবডিভিশনের কোতলপুর থানার অন্তর্ভুক্ত একটি ছোট শহর। কামারপুকুর থেকে দূরত্ব প্রায় 5-km। এইখানেই জন্ম শ্রীশ্রী সারদা দেবীর। জয়রামবাটিতে দেখার মত আছে শ্রীশ্রীমায়ের জন্মস্থান ও রান্নাঘর, শ্রীশ্রীমাতৃ মন্দির।মিশনের ঘেরাটোপের বাইরে মায়ের দীঘি ও ঘাট্, ভানু পিসির বাড়ি, ধর্মরাজের মন্দির, তালপুকুর, সিংহবাহিনীর মন্দির। সমস্ত দর্শনীয় স্থানগুলি সারদামনির জীবনের সাথে জড়িত।
জয়রামবাটি থেকে কামারপুকুর ফেরার পথে দেখে নেওয়া যেতে পারে রামকৃষ্ণ-সারদা মঠ, নর-নারায়ন মন্দির, আদ্যাপীঠ মন্দির(অবশ্যই দেখা উচিত)।

কিভাবে ঘুরতে হবে ::
যেকোনো দিন সকাল 5.10এর 37361 আরামবাগ লোকাল ধরে হাওড়া থেকে আরামবাগ পৌছান যাবে সকাল 7.30টায়। মাথাপিছু ভাড়া 25.00টাকা। সময় লাগবে আড়াই ঘন্টা। পথে পড়বে উত্তড়পাড়া, শ্রীরামপুর, শেওড়াফুলি, সিঙ্গুর, তারকেশ্বর, ইত্যাদি। আরামবাগ ষ্টেশন থেকে শেয়ার মারুতি বা টাটাসুমোতে পৌছাতে হবে কামারপুকুর রামকৃষ্ণ মঠ। মাথাপিছু ভাড়া 50.00টাকা। দূরত্ব 16-km, সময় লাগবে প্রায় 45মিনিট। এবার মঠের ভিতরের সমস্ত দর্শনীয় স্থান দেখে 9.30নাগাদ কাউন্টারে নিজের ইচ্ছেমত দান করে দুপুরের ভোগ-প্রসাদের কুপন নিয়ে নিতে হবে ও ইঞ্জিন-ভ্যান (সহজলভ্য) করে জয়রামবাটি চলে যেতে হবে। ভাড়া মাথাপিছু 25.00টাকা, দুরত্ব 7-km, সময় লাগবে প্রায় আধ ঘন্টা। 11.30টায় জয়রামবাটির মিশনের ঘেরাটোপ থেকে বেড়িয়ে মায়ের দীঘি ও ঘাট্, ভানু পিসির বাড়ি, ধর্মরাজের মন্দির, তালপুকুর, সিংহবাহিনীর মন্দির দেখে নিতে হবে। এবার কামারপুকুর ফেরার পথে দেখে নেওয়া যেতে পারে নর-নারায়ন মন্দির, আদ্যাপীঠ মন্দির। তারপর 2টো নাগাদ কুপন দেখিয়ে কামারপুকুর মঠের প্রসাদ বিতরন স্থলে ঢোকা যাবে। প্রসাদ গ্রহন করে কামারপুকুরের বাকি দর্শনীয় স্থান দেখে নিতে হবে। এইভাবে ঘোরার কারণ দুপুর11.30 থেকে বিকাল3.30 পর্যন্ত দুই জায়গাতেই মঠের ঘেরাটোপের ভিতর প্রবেশ নিষিদ্ধ। কিন্তু কুপন থাকলে খাওয়ার জায়গায় ঢোকা যাবে, নচেৎ নয়। এরপর সন্ধ্যা 6.00টায় কামারপুকুর মোড় (বামনিয়া-ইন্দাস রাস্তা ও বাদানগঞ্জ-কামারপুকুর রাস্তার ক্রসিং) থেকে মারুতি বা টাটাসুমোতে পৌছাতে হবে গোঘাট ষ্টেশন, দূরত্ব 7-km, সময় লাগবে 15মিনিট । সন্ধ্যা7.05র 37368 গোঘাট-হাওড়া লোকাল ধরে রাত 9.25এ হাওড়া।

09/09/2018

পিয়ালী
নাম শুনেই প্রেম।তারপর মিতালি।পিয়ালী সুন্দরবনের খুব কাছাকাছি একটি দ্বীপ। দুদিনের জন্য মনটাকে জুড়িয়ে নেওয়ার পক্ষে দারুন জায়গা। পিয়ালীকে সুন্দরবনের দরজাও বলা হয়। এই দ্বীপের পশ্চিমদিকে পিয়ালী ও পুর্বদিকে মাতলা নদী। সবসময় যে অনেককিছু দেখার থাকবে তবেই কোথাও যাওয়া, পিয়ালী কিন্তু তা নয়। পিয়ালী মনে শান্তি আনার জন্য, পিয়ালী শহরের ঘেরাটোপ থেকে একটু দুরে বুকভরে নির্মল নিশ্বাস নেওয়ার জন্য। গ্রীষ্ম ও বর্ষা মানে এপ্রিল থেকে আগষ্ট, এই পাঁচ মাস বাদ দিয়ে যেকোনো সময়েই যাওয়া যেতে পারে, তবে শীতকালে যাওয়াই বেশী ভাল। শীতকালে এখানে নানারকম পরিযায়ী পাখির দেখা মেলে। প্রকৃতি এখানে উদার। জনকোলাহল এখানে নেই, আছে শুধু পাখির কলতান, মৌমাছির গান আর বাতাসের সাথে নদীর ঢেউয়ের লহরা।দক্ষিন চব্বিশ পরগনার অন্তর্ভুক্ত একটি দ্বীপ এইটি। নৌকা ভাড়া করে পিয়ালী নদীতে ঘোরা যায়। কৈখালী ঘাট থেকে নৌকায় ঝড়খালি ঘুরে আসা যায়। যাতায়াত ও ঝড়খালি ব্যাঘ্র প্রকল্প, পার্ক, ম্যানগ্রোভ ইকো গার্ডেন দেখে ফিরতে মোটামুটি 3/4-ঘন্টা লাগবে।নৌকা ভাড়া যথেষ্ট দামাদামি হয়। লোকাল কৈখালী-ঝড়খালি ফেরীতে যাতায়াত করলে মাথাপিছু 80.00টাকা লাগবে।

পিয়ালী যাওয়ার উপায় :
শিয়ালদহ থেকে প্রথম লক্ষীকান্তপুর/নামখানা লোকাল ছাড়ে ভোর 4-টে। এরপর আধঘন্টা পয়তাল্লিশ মিনিট অন্তর ট্রেন আছে। এই ট্রেন ধরে নামতে হবে ‘জয়নগর-মজিলপুর’ ষ্টেশন। সময় লাগবে প্রায় এক্ ঘন্টা পাঁচ মিনিট।ভাড়া 15.00টাকা। সেখান থেকে ট্রেকার বা ভ্যানো বা ম্যাক্সিতে করে পৌছান যায় পিয়ালী, ভাড়া 75.00টাকা। জয়নগর-মজিলপুর থেকে দূরত্ব প্রায় 32-km, সময় লাগে এক ঘন্টা।কিন্তু এই যাত্রাপথ গ্রামীন মাধুর্যে ভরপুর।
শিয়ালদহ থেকে প্রথম লক্ষীকান্তপুর/নামখানা লোকাল ছাড়ে ভোর 4-টে। এরপর আধঘন্টা পয়তাল্লিশ মিনিট অন্তর ট্রেন আছে।এই ট্রেন ধরে নামতে হবে ‘দক্ষিণ বারাসাত’ ষ্টেশন। সময় লাগবে প্রায় এক্ ঘন্টা পাঁচ মিনিট।ভাড়া 15.00টাকা। সেখান থেকে ট্রেকার বা ভ্যানো বা ম্যাক্সিতে করে পৌছান যায় পিয়ালী, ভাড়া 75.00টাকা, দূরত্ব প্রায় 38-km । যাওয়ার পথে যেসব গুরুত্বপূর্ণ ষ্টেশন পড়বে সেগুলি হল বালিগঞ্জ, যাদবপুর, গড়িয়া, সোনারপুর, বারুইপুর, ইত্যাদি।
এসপ্লানেড বা হাওড়া থেকে বাসে বারুইপুর এবং বাস পাল্টে বারুইপুর থেকে দক্ষিণ বারাসাত বা জয়নগর-মজিলপুর। মোট ভাড়া প্রায় 50.00টাকা এবং সময় লাগবে প্রায় আড়াই ঘন্টা।এরপর সেখান থেকে ট্রেকার বা ভ্যানো বা ম্যাক্সিতে করে পৌছান যায় পিয়ালী।
সরাসরি গাড়ীতেও যাওয়া যায়। এসপ্লানেড থেকে সড়কপথে পিয়ালীর দুরত্ব 75-km।
**তবে ফেরার পথে জয়নগর-মজিলপুর হয়ে ফেরাই ভাল।ফেরার প্রথম ট্রেন ভোর 3.28এ ও শেষ ট্রেন রাত 10.50এ যেটি শিয়ালদহ পৌছায় রাত 12টায়।

পিয়ালীতে থাকার দুটি জায়গা আছে।
পিয়ালী আইল্যান্ড ট্যুরিষ্ট লজ। মেট্রোপলিটান ইন্জিনিয়ার্স কোঅপরেটিভ সোসাইটি দ্বারা পরিচালিত।ফোন-9433435181-শ্রী প্রদীপ সাহা। ফ্যামিলি রুম ভাড়া 900.00টাকা।
কৈখালি পর্যটক আবাস পরিচালনায় রামকৃষ্ণ আশ্রম, নিমপীঠ, দক্ষিন 24-পরগনা।ফোন 03218226001 / +91 9933064466. এখানে নামমাত্র দানের মাধ্যমে ঘর পাওয়া যায়। আগে থেকে ফোনে বুক করে যাওয়ার দিন নিমপীঠ থেকে বুকিং রিসিপ্ট নিতে হবে।

**দক্ষিণ-বারাসাত বা জয়নগর-মজিলপুর এই দুটি ষ্টেশনের নাম লেখার বিশেষ কারন আছে। যারা পিয়ালী আইল্যান্ড ট্যুরিষ্ট লজে থাকবেন তারা দক্ষিণ-বারাসাত ষ্টেশন নেমে গাড়ি ধরলে সহজ হবে। কিন্তু যারা কৈখালি পর্যটক আবাসে থাকবেন তাদের অবশ্যই জয়নগর-মজিলপুর ষ্টেশনে নামতে হবে।সেখান থেকে 3.5-km অটোতে করে নিমপীঠ রামকৃষ্ণ আশ্রম যেতে হবে বুকিং রিসিপ্ট নেওয়ার জন্য। ..

Valobeshe jhornar deshe
09/09/2018

Valobeshe jhornar deshe

08/09/2018

গেওখাঁলি
গেওখাঁলি রুপনারায়ন ও হুগলী নদীর সঙ্গমস্থলে একটি ছোট জনপদ। এটি পুর্ব মেদিনীপুর জেলার মহিষাদল ব্লকের অন্তর্ভুক্ত। এক দারুন সুন্দর, শান্ত, মনভোলানো সঙ্গমস্থল। গেওখাঁলিতে দাড়িয়ে পুবের দিকে তাকালে সীমাহীন জলরাশি চোখে পড়বে তা হুগলী নদী, তার ঠিক ওপাড়েই নুরপুর, {দক্ষিন 24পরগনা জেলা} আর বাঁহাতে দামাল রুপনারায়ন।ঠিক তার ওপারেই গাদিয়ারা, { হাওড়া জেলা}।
গেওখাঁলি অনেক ভাবেই পৌছান যায়।
1.. গেওখাঁলির নিকটতম রেল ষ্টেশন হল মহিষাদল। হাওড়া ষ্টেশন থেকে সারাদিনে তিনখানি হলদিয়া লোকাল ছাড়ে 38051 ভোর 6.05, 38053 সকাল 9.35 এবং 38057 সন্ধ্যা 6.30টা আর মহিষাদল পৌছায় যথাক্রমে সকাল 8.56, দুপুর 11.53 এবং রাত 8.49এ। ভাড়া মাত্র Rs.25/-। সময় লাগে 2ঘন্টা 40মিনিট। আর ফেরার ট্রেনও তিনটি। 38052 সকাল 6.44, 38054 বিকাল 3.30 এবং 38056 সন্ধ্যা 5.58। এই ট্রেনগুলি হাওড়া পৌছায় যথাক্রমে সকাল 9.20, সন্ধ্যা 6.02 এবং রাত-8.50এ। হাওড়া থেকে 32নং ষ্টেশন হল মহিষাদল। এর মাঝে গুরুত্বপুর্ন যে ষ্টেশনগুলি পরে সেগুলি হল সাত্রাঁগাছি, উলুবেড়িয়া, বাগনান, কোলাঘাট, মেচেদা, পাশকুড়া, তমলুক। এটি সাউথ-ইষ্টার্ন রেলের শাখা। মহিষাদল থেকে গেওখাঁলি 10 কি.মি. পথ টোটো, ইঞ্জিন ভ্যান বা লোকসংখ্যা অনুসারে গাড়িতে যাওয়া যেতে পারে। মাথাপিছু খরচ 25.00টাকা। এই পথে হাওড়া থেকে গেওখালি পৌছাতে প্রায় তিন ঘন্টা লাগে।
2.. এসপ্লানেড থেকে নুরপুর যাওয়ার সরকারী/বেসরকারী বহু বাস আছে। দূরত্ব 60-kms। সময় লাগে প্রায় তিন ঘন্টা। ভাড়া বাস অনুসারে কমবেশী 40টাকা থেকে 125টাকা পর্যন্ত।নুরপর থেকে গেওখাঁলির প্রতি আধ ঘন্টা অন্তর ফেরী সার্ভিস আছে। ভাড়া মাথাপিছু 10.00টাকা। এই পথে এসপ্লানেড থেকে গেওখালি পৌছাতে প্রায় চার ঘন্টা লাগে।
3.. হাওড়া ষ্টেশন থেকে বাগনান ষ্টেশন পর্যন্ত লোকাল ট্রেনে গিয়ে বাসে শ্যামপুর হয়ে গাদিয়ারা পৌছান যায়। এরপর গাদিয়ারা থেকে ফেরী সার্ভিসে করে গেওখালি পৌছান যায়। হাওড়া ষ্টেশন থেকে বাগনান ষ্টেশন পর্যন্ত ভোর 2.40 থেকে রাত 11.35 পর্যন্ত বহু ট্রেন আছে। ভাড়া 15.00টাকা।এরপর বাসে প্রায় 35kms. ভাড়া 20.00টাকা এবং ফেরীতে 10.00টাকা। এই পথে হাওড়া থেকে গেওখালি পৌছাতে প্রায় সাড়ে-চার ঘন্টা লাগে এবং বেশ ঝকমারি।
4.. সরাসরি কলকাতা থেকে গেওখালি বাইক বা গাড়িতেও যাওয়া যায়। হাওড়ার নবান্ন থেকে 105-kms. সময় লাগে প্রায় সাড়ে-চার ঘন্টা।যেতে হবে বোম্বে রোড {16নং হাইওয়ে} ধরে কোলাঘাট ব্রীজ পার হয়ে বা-দিকে কোলাঘাট-হলদিয়া {116 নং হাইওয়ে} ধরে গেওখালি পৌছান যায়।
5. নতুন চালু হয়েছে কোলকাতা-হলদিয়া এসি বাস সার্ভিস্। সকাল 7.00টায় এসপ্লানেড্ থেকে ছাড়ে। প্রায় আড়াই ঘন্টা সময় লাগে ‘নন্দকুমার’ পৌছতে।সেখান থেকে গেওখালি 15kms. যেকোনো ভাড়া গাড়িতে পৌছে যাওয়া যাবে। খরচ একটু বেশী।
গেওখালিতে দেখার আছে অনন্ত প্রকৃতি, বিশাল আদিগন্ত নদী, দিকচক্রবালে অপুর্ব সুর্য্যোদয় আর সুর্য্যাস্ত। হুগলী নদীর পাড় বরাবর গেওখালি-কুকরাহাটি রাস্তা ধরে পায়ে পায়ে হেটে দেখা যেতে পারে বড় বড় পন্যবাহী জাহাজের আনাগোনা। আরও খানিক দক্ষিনে এগিয়ে গঙ্গামাটি থেকে ইট ও টালি তৈরীর ভাঁটার কর্মব্যস্ততা। আর আছে লর্ড ক্লাইভের তৈরি মর্নিংটন দুর্গ যদিও এখন জরাজীর্ন অবস্থা। 1942 সনের বন্যায় এই দুর্গটির এই দুরবস্থা হয়। এছাড়াও আছে একটি ছোট লাইট-হাউস।সকালে নৌকা করে গাদিয়ারা ঘুরে আসা যায়।যেতে সময় লাগে 15মিনিট। তাছাড়া টোটো বা অটো ভাড়া করে দেখে নেওয়া যায় 10kms. দুরে মহিষাদলের দুটি রাজবাড়ি। একটি 1937সালে এবং অন্যটি 1840সালে প্রতিষ্ঠিত। এই রাজবাড়িতে আছে ষোড়শ-সপ্তদশ শতাব্দীর বেশকিছু অস্ত্রশস্ত্র ও শিকার করা জীবজন্তুর মমি এবং সেই সময়ের বেশ কিছু তৈলচিত্র। রাজবাড়ী প্রাঙ্গনেই অবস্থিত গোপালজিউর প্রাচীন মন্দিরটিও দেখার মত। মহিষাদলের নতসালে সঙ্গমস্থলে {4kms.} 1927 খ্রীষ্টাব্দে স্বামী শ্যামানন্দজী রামকৃষ্ণ মিশন প্রতিষ্ঠা করেন। এখানে খননকার্যের সময় কিছু ঐতিহাসিক্ নিদর্শন পাওয়া যায় যেগুলি হরপ্পা সভ্যতার থেকেও পুরাতন। এই আশ্রমে প্রবেশ করলে পুরাতন তপোবনের কথা মনে করিয়ে দেয়।এছাড়া দেখে নেওয়া যায় রঘুনাথজীর মন্দির (12-kms.), দ্বারিবেরিয়া কালী মন্দির (10-kms), ভাঙ্গা-গড়া শিব মন্দির (3-kms), মীরপুর ক্যাথোলিক্ চার্চ (1.5-kms) ও গেওখালি ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট। **{ দেখার জায়গার সব দূরত্ব গেওখালি ত্রিবেনী সঙ্গম ট্যুরিষ্ট কমপ্লেক্স থেকে }
গেওখালিতে থাকার জায়গা :: থাকার জায়গা গেওখালি ত্রিবেনী সঙ্গম ট্যুরিষ্ট কমপ্লেক্স। একদম হুগলী নদীর পাড়ে। এখানে এসি-ডিলাক্স, নন্-এসি-স্ট্যান্ডার্ড, নন্এসি ইকনমিক্ ও ফোর বেডেড্ ঘর আছে।এছাড়া আছে কাফেটেরিয়া ও খাওয়ার জায়গা। বুকিং এর জন্য অনলাইনে যোগাযোগ হল: http://weekenddestinations.info/booking-page/ দ্বিতীয়ত গেওখালি ইরিগেশন বাংলোতেও থাকার ব্যবস্থা আছে। এটির অবস্থানও নদীর পাড়ে। বুকিং এর জন্য যোগাযোগ: JALASAMPAD BHAWAN, 1st Floor, DF Block, Sector 1, Salt Lake City, Kolkata, West Bengal 700091. Phone: 094330 20455 ।

07/09/2018

অযোধ্যা পাহাড়
পশ্চিমবঙ্গের পুরুলিয়া জেলায় অবস্থিত এই পাহাড় পৌরানিক ঘটনার সাথেও জড়িত, কথিত আছে বনবাসকালে রাম ও সীতা এই পাহড়ে আসেন এবং সীতার পিপাসা নিবারনের জন্য এক কুন্ড খনন করেন । যা বর্তমানে সীতাকুন্ড নামে খ্যাত। প্রত্যেক বৈশাখ মাসের পূর্ণিমার দিন এই এলাকার আদিবাসীরা শিকার উৎসব পালন করেন।
অযোধ্যা পাহাড় আসলে ছোটনাগপুর মালভুমি অঞ্চলের অন্তর্গত পূর্বঘাট দলমা পাহাড়ের অংশ। সর্বোচ্চ উচ্চতা হল 677 মিটার/2221 ফুট {গোর্গাবুরু}। সেপটেম্বর থেকে মার্চ পর্যন্ত যেকোনো সময়ে এখানে ছুটি কাটাতে আসা যেতে পারে, তবে সর্বোৎকৃষ্ট সময় হল ফেব্রুয়ারীর শেষ ও মার্চের প্রথম এই দুই তিন সপ্তাহ। এই সময় পলাশ ফুলে এলাকা পুরো ছেয়ে যায়, সে এক অপূর্ব দৃশ্য না দেখলে বোঝান দায়। এই প্রসঙ্গে জানিয়ে রাখি "বুরু" মানে স্থানীয় ভাষায় পাহাড়। অযোধ্যা পাহাড়কে কেন্দ্র করে অনেক জায়গা দেখে নেওয়া যায় তবে তার জন্য কম করে তিন-চারদিন থাকার প্রয়োজন।
অযোধ্যা পাহাড়কে কেন্দ্র করে যা যা দেখে নেওয়া যায় ::
1.তুর্গা ফলস্ 2.বামনী ফলস্ 3.ঘাঘেশ্বরী ফলস্ 4.দুর্গাবেড়া বা তারাপানীয়া লেক 5.তুর্গা লেক 6.বাঘমুন্ডী 7.কুকুবুরু 8.মাঠাবুরু 9.কাঁচাবুরু 10.গোর্গাবুরু 11.জোড়াবুরু 12.পাখি পাহাড় 13.ময়ুর পাহাড় 14.সোনকুপি 15.সানরাইস্ পয়েন্ট 16.আপার ও লোয়ার ড্যাম 17.কংসাবতীর উৎসস্থল 18.কুদনা হরি মন্দির 19.রাম মন্দির 20.লোহোরিয়া শিব মন্দির 21.হনুমান মন্দির 22.দুর্গা মন্দির 23.খয়রা বেড়া বাঁধ 24.মুরগুমা বাঁধ 25.চড়িদা গ্রাম (ছৌ মুখোশের জন্য বিখ্যাত)
অযোধ্যা পাহাড় যাওয়ার উপায় :: {যদি অযোধ্যা পাহাড়ের উত্তরে থাকা হয়}
হাওড়া দিয়ে গেলে অযোধ্যা পাহাড়ের নিকটতম ষ্টেশন উরমা । হাওড়া থেকে চক্রধরপুর প্যাসেঞ্জার{58011} রাত 11.05এ ছেড়ে পরদিন সকাল 6.51এ উরমা পৌছায়, উরমা থেকে গাড়িতে 21 kms. প্রায় এক ঘন্টা।
ভাড়া 3AC @605/- ও SL @150/- উরমা থেকে @50/- গাড়িতে।
অযোধ্যা পাহাড়ের উত্তরে থাকার জায়গা :: কুশল পল্লী, গোভ হোটেল, পশ্চিমবঙ্গ যুব আবাস, আকাশ হিল টপ রিসর্ট, অযোধ্যা পরিদর্শন আবাস, বিভাবরী লজ, নিহারীকা লজ, হিলটপ টুরিষ্ট লজ, দীপশিখা লজ ।
অযোধ্যা পাহাড় যাওয়ার উপায় :: {যদি অযোধ্যা পাহাড়ের দক্ষিণে থাকা হয়}
হাওড়া দিয়ে গেলে অযোধ্যা পাহাড়ের নিকটতম ষ্টেশন বরাভুম।হাওড়া থেকে চক্রধরপুর প্যাসেঞ্জার{58011} রাত 11.05এ ছেড়ে পরদিন সকাল 6.33এ বরাভুম পৌছায়, বরাভুম থেকে বাঘমুন্ডি 25 kms.গাড়িতে ।
চক্রধরপুর প্যাসেঞ্জার{58011} রোজ ছাড়ে। এছাড়া মঙ্গল ও শনিবার হাওড়া থেকে লালমাটি এক্সপ্রেস{12865} সকাল 8.30এ ছেড়ে দুপুর 11.33এ বরাভুম পৌছায় আর বুধ, বৃহস্পতি ও শনিবার হাওড়া রাঁচী ইন্টার সিটি এক্সপ্রেস{22891} সকাল 12.50এ ছেড়ে সন্ধ্যা 6.00টায় বরাভুম পৌছায়।
অযোধ্যা পাহাড়ের দক্ষিনে থাকার জায়গা ::
আরন্যক হোম স্টে, মানভুম লজ, শুভম্ লজ, আকাশ হোটেল, পি.পি.এস.পি গেস্ট হাউস, অযোধ্যা অতিথি নিবাস, বনবিতান, অভয়া হিল ভিউ, হোটেল বিকাশ, হিল কুইন, বনসুন্দরী, মাঠা ইকো ক্যাম্প, ইত্যাদি।

Address

Konnagar

Telephone

8017815437

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when V R O M O N posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to V R O M O N:

Share