Kalpanir

Kalpanir It always publishes true news.

অ্যাকাউন্টে আসেনি অন্নপূর্ণার ৩,০০০ টাকা? কারণ জানুন, কী করবেন দেখুন!অন্নপূর্ণা যোজনায় (Annapurna Yojana) সঠিক সময় আবেদন...
31/08/2026

অ্যাকাউন্টে আসেনি অন্নপূর্ণার ৩,০০০ টাকা? কারণ জানুন, কী করবেন দেখুন!

অন্নপূর্ণা যোজনায় (Annapurna Yojana) সঠিক সময় আবেদন করলেও বহু মহিলা এখনও টাকা পাননি বলে অভিযোগ। কোথাও নথিপত্রের অমিল, কোথাও তথ্যের কিছু ভুল, কোথাও আবার যান্ত্রিক সমস্যার কারণে টাকা আটকে গিয়েছে। এই সমস্যাগুলি দ্রুত দূর করতে ও আটকে থাকা আবেদনগুলির ভেরিফিকেশন সম্পূর্ণ করতে পুরসভা ও পঞ্চায়েত দফতরের তরফ থেকে নতুন স্ব-ঘোষণাপত্র দেওয়া হয়েছে। সেগুলি কীভাবে ফিল আপ করতে হবে, কোথায় জমা করবেন জেনে নিন।

অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের কিস্তির টাকা অ্যাকাউন্টে না ঢোকার একাধিক কারণ থাকতে পারে। যার মত প্রথমত ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ডিবিটি সক্রিয় না থাকলে সরাসরি অনুদানের টাকা জমা নাও করতে পারে। তাই ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে ডিবিটি লিংক করা একান্তই জরুরী (Annapurna Yojana)।

দ্বিতীয়ত আবেদনপত্র থেকে শুরু করে ব্যাংকের নথিতে নামের বানান বর্ণান্য তথ্যের মধ্যে অমিল থাকলে আপনার পেমেন্ট আটকে যেতে পারে। বিশেষ করে আধার সংক্রান্ত তথ্য ও ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্যের মধ্যে অসংখ্য তুই থাকলে টাকা পাঠানোর ক্ষেত্রে সমস্যা হতে পারে।

তৃতীয় তো পরিবারে কোন সদস্য যদি সরকারি কর্মচারী বা পেনশনভোগী অথবা আয়কর দাতা হয়ে থাকে, তাহলে সংশ্লিষ্ট আবেদনকারী এই প্রকল্পের সুবিধার পাওয়ার ক্ষেত্রে অযোগ্য হতে পারেন। এছাড়া প্রকল্পের যোগ্যতা সত্য পূরণ না হলে পেমেন্ট বন্ধ থাকতে পারে।

তাছাড়া কোন সুবিধাভোগীর একাধিক যদি ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট থাকলে টাকা অন্য কোন প্রাথমিক আধার সংযুক্ত অ্যাকাউন্টে চলে যাওয়া সম্ভাবনা রয়েছে। তাই সংশ্লিষ্ট ব্যাংক অ্যাকাউন্টগুলি লেনদেনের বিবরণ একবার যাচাই করে নেওয়া একান্তই জরুরী (Annapurna Yojana)।


‘বকেয়া মেটাতে রাজ্যের অর্থ দপ্তর বিভিন্ন কুযুক্তির..,’ গ্রান্ট ইন এইড-দের DA নিয়ে বড় বার্তা ভাস্কর ঘোষের!গ্রান্ট ইন এইড-...
31/08/2026

‘বকেয়া মেটাতে রাজ্যের অর্থ দপ্তর বিভিন্ন কুযুক্তির..,’ গ্রান্ট ইন এইড-দের DA নিয়ে বড় বার্তা ভাস্কর ঘোষের!

গ্রান্ট ইন এইড-দের বকেয়া DA (Dearness Allowance) নিয়ে চর্চা বাড়ছে। ফেব্রুয়ারী মাসে সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া রায় মতো রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের পঞ্চম পে কমিশনের বকেয়া ডিএ (DA Arrear) মেটানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তবে সম্পূর্ণ বঞ্চিত গ্রান্ট ইন এইড-রা। রাজ্য সরকারের তরফে এই কর্মীদের নিয়ে এখনও কোনও স্পষ্ট আপডেট নেই। তবে নবান্ন সূত্রে খবর, সার্ভিস রেকর্ড না মেলায় অনুদানপ্রাপ্ত কর্মীদের বকেয়া মেটাতে সমস্যা হচ্ছে।

সূত্রের খবর, ইচ্ছা থাকলেও ম্যানুয়াল সার্ভিস রেকর্ড থাকায় এই কর্মীদের বকেয়া ডিএ মেটাতে পারছে না রাজ্য সরকার। ফলত মন্থর হচ্ছে গোটা প্রক্রিয়া। এই নিয়ে এবার বড় কথা বলে দিলেন সরকারি কর্মচারীদের সংগঠন, সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ। সমাজমাধ্যমে গ্রান্ট ইন এইড-দের হয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।

ফেসবুকে ভাস্কর ঘোষ লিখেছেন, “সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে গ্রান্ট ইন এইড কর্মচারীদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা মেটানোর ক্ষেত্রে রাজ্যের অর্থ দপ্তর বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কুযুক্তির অবতারণা করছে। যেসব যুক্তি দিয়ে সরকার পোষিত ক্ষেত্রে কর্মচারীদের বকেয়া মেটানোর ক্ষেত্রে বিলম্ব করতে চাইছে এই সমস্যা দূরীকরণের জন্য খুব বেশি সময় লাগার কথা নয়।”

একইসাথে তিনি লিখেছেন, “সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের পক্ষ থেকে রাজ্যের অর্থ দপ্তরের কাছে আমাদের প্রস্তাব সরকার পোষিত ক্ষেত্রের শিক্ষক শিক্ষাকর্মী সহ পঞ্চায়েত, পুরসভা ও পৌরনিগম সহ বিভিন্ন বোর্ড কর্পোরেশনের কর্মচারীদের বকেয়া মেটানোর ক্ষেত্রে যে যে অসুবিধা হচ্ছে সেই সেই অসুবিধা দূরীকরণে আমরা আপনাদের সহযোগিতা করার জন্য প্রস্তুত। আপনারা বকেয়া মেটানোর উদ্যোগ নিন সমস্ত কর্মচারীরা আপনাদের সাথে থেকে সমস্ত অসুবিধা দূর করবেন।”

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মতো রাজ্য সরকারি কর্মীদের একাংশ ইতিমধ্যেই বকেয়া ডিএ পেয়ে গিয়েছেন। কিন্তু ‘বঞ্চিত’ শিক্ষক, অধ্যাপক, পুর ও পঞ্চায়েত, সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত কর্মীরা। এখনও বকেয়া ডিএ পাননি সরকারি সহায়তা প্রাপ্ত বা সরকার পোষিত স্কুলসহ অন্য প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীরা। এই নিয়ে অভিযোগ তুলে সম্প্রতি মামলাও দায়ের হয়েছিল হাইকোর্টে। গ্রান্ট ইন এইড-রা এখনও একটা টাকাও পাননি। কবে তাঁদের অ্যাকাউন্টে এরিয়ার দেবে সরকার? এই নিয়ে বিতর্ক বাড়ছে।

বাঙালি মেয়ে টিম ইন্ডিয়ায়, ঝুলন গোস্বামীর পর নদিয়া থেকে আরেক ক্রিকেটার ভারতীয় দলে, সুজাতা এখন বাংলার গর্ব!ঝুলন গোস্বামীর ...
31/08/2026

বাঙালি মেয়ে টিম ইন্ডিয়ায়, ঝুলন গোস্বামীর পর নদিয়া থেকে আরেক ক্রিকেটার ভারতীয় দলে, সুজাতা এখন বাংলার গর্ব!

ঝুলন গোস্বামীর পর ফের জাতীয় মঞ্চে নদিয়া। ভারতীয় মহিলা ‘এ’ দলের টি-টোয়েন্টি স্কোয়াডে জায়গা করে নিয়েছে সুজাতা দে। জেলার মুখ উজ্জ্বল করলেন কৃষ্ণনগরের মেয়ে সুজাতা দে।

১২ সেপ্টেম্বর থেকে অস্ট্রেলিয়া ‘এ’ দলের বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে ভারতীয় মহিলা ‘এ’ দল। বিসিসিআই ঘোষিত সেই স্কোয়াডেই সুযোগ পেয়েছেন নদিয়ার এই ক্রিকেটার। সুজাতার এই সাফল্যে স্বাভাবিকভাবেই উচ্ছ্বসিত তাঁর পরিবার থেকে শুরু করে জেলার ক্রীড়ামহল।

কৃষ্ণনগর রোড স্টেশন সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা সুজাতার ক্রিকেটে হাতেখড়ি হয় তুলনামূলকভাবে দেরিতে, ১৭ বছর বয়সে। কৃষ্ণনগর ডিস্ট্রিক্ট স্টেডিয়ামের কোচিং ক্যাম্পে কোচ বেনেডিক্ট গোমস, ঋতব্রত চৌধুরী এবং অভিজিৎ চৌধুরীর তত্ত্বাবধানে শুরু হয় তাঁর ক্রিকেটের পথচলা। ধীরে ধীরে নিজের দক্ষতা ও পরিশ্রমের জোরে জেলা পেরিয়ে রাজ্যস্তরে উঠে আসেন তিনি।

‘পুলিশের অবস্থা বাংলার মতো খারাপ আর কোথাও নেই’, ৪৩ হাজার শূন্যপদে নিয়োগের নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর!পশ্চিমবঙ্গ পুলিশে (West ...
30/08/2026

‘পুলিশের অবস্থা বাংলার মতো খারাপ আর কোথাও নেই’, ৪৩ হাজার শূন্যপদে নিয়োগের নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর!

পশ্চিমবঙ্গ পুলিশে (West Bengal Police) এই মুহূর্তে প্রায় ৪৩ হাজার পদ শূন্য। পর্যাপ্ত পুলিশকর্মী না থাকায় রাজ্যের বহু থানা সিভিক ভলান্টিয়ার-নির্ভর হয়ে পড়েছে। এই পরিস্থিতি দ্রুত বদলাতে পুলিশ রিক্রুটমেন্ট বোর্ডকে (Police Recruitment Board) নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করার নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

পুলিশের লোকবল বাড়ানোর পাশাপাশি পুরনো গাড়ি বদল, থানার পরিকাঠামো উন্নয়ন, মহিলাদের থানা শক্তিশালী করা এবং জরুরি পরিষেবার ‘রেসপন্স টাইম’ কমানোর কথাও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কথায়, “রাজ্য পুলিশে ৪৩ হাজার শূন্যপদ রয়েছে। বহু থানা সিভিক পুলিশ-নির্ভর। পরিকাঠামো, লজিস্টিক্স এবং গাড়ির এমন খারাপ অবস্থা আর কোথাও নেই।”

রাজ্য পুলিশের গাড়ির পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, পুলিশের ডিরেক্টর জেনারেল বা ডিজির সঙ্গে কথা বলে জানতে পেরেছেন, রাজ্য পুলিশের প্রায় চার হাজার গাড়ি বদলানো প্রয়োজন।
তবে একসঙ্গে এত গাড়ি কেনার অর্থ রাজ্যের অর্থ দফতর দিতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। সেই কারণে ধাপে ধাপে গাড়িগুলি বদলানোর পরিকল্পনা করেছে সরকার।

মুখ্যমন্ত্রীর দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গে প্রতি এক লক্ষ মানুষের নিরাপত্তার জন্য পুলিশ রয়েছেন মাত্র ১০৬ জন। এই সংখ্যা দেশের অন্য অনেক রাজ্যের তুলনায় অত্যন্ত কম বলে দাবি করেছেন তিনি। সরকারের লক্ষ্য, প্রতি এক লক্ষ মানুষের জন্য পুলিশের সংখ্যা বাড়িয়ে অন্তত ২০০ জন করা। সেই লক্ষ্যে পৌঁছতে বর্তমান ৪৩ হাজার শূন্যপদে দ্রুত নিয়োগের পাশাপাশি ভবিষ্যতে আরও পদ তৈরি করতে হতে পারে।

শুভেন্দু বলেন, “সুপ্রিম কোর্টের জট কেটে গিয়েছে। নিয়োগ শুরু করুন। পুলিশ রিক্রুটমেন্ট বোর্ডের চেয়ারম্যান এখানে রয়েছেন। আপনাকে বলছি, পুলিশে ম্যানপাওয়ার বাড়াতে হবে। আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করব।”

অগাস্টের ২৯ তারিখ হয়ে গেল, এখনও অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা না ঢুকলে কী করতে হবে জানুন!প্রথম দু’মাসের পর অগাস্ট মাসের টাকা নি...
29/08/2026

অগাস্টের ২৯ তারিখ হয়ে গেল, এখনও অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা না ঢুকলে কী করতে হবে জানুন!

প্রথম দু’মাসের পর অগাস্ট মাসের টাকা নিয়েও বাড়ছে উদ্বেগ। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অন্নপূর্ণা যোজনা (Annapurna Yojana)-র অগস্ট মাসের ৩ হাজার টাকা ১ কোটির বেশি মহিলার অ্যাকাউন্টে ঢুকলেও এখনও অনেকেই পাননি বলে অভিযোগ। অভিযোগ, যোগ্য হওয়া সত্ত্বেও মিলছে না ভাতা। অগস্টের ২৯ তারিখ হয়ে গেলেও এখনও অনেকের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে এখনও কোনো টাকাই ক্রেডিট হয়নি। এই পরিস্থিতিতে অ্যাকাউন্টে টাকা ঢোকার অপেক্ষায় লক্ষ লক্ষ উপভোক্তা।

পরিচিত অনেকেই টাকা পেয়ে গেলেও নিজে ভাতার টাকা না পাওয়ায় উদ্বিগ্ন অনেকেই। তবে ঠিক কেন টাকা ঢুকছে না তা আগে জেনে নেওয়া জরুরি। আগেই প্যানিক না করে সঠিক কারণটা জানতে হবে। তৃণমূল সরকারের লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের আদলে রাজ্যের মহিলাদের আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করে তুলতে ‘অন্নপূর্ণা যোজনা’ বা অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার নিয়ে এসেছে বিজেপি সরকার। যা ইতিমধ্যেই চর্চা, জনপ্রিয়তার শীর্ষে!

এই প্রকল্পের মাধ্যমে ‘যোগ্য’ উপভোক্তাদের প্রতি মাসে ৩০০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা দিচ্ছে সরকার। তবে একাধিক শর্তও চাপানো হয়েছে। আপনার অ্যাকাউন্টে এখনও টাকা না ঢুকলে প্রথমে আবেদনের স্ট্যাটাস এবং ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তথ্য যাচাই করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। জানিয়ে রাখি, শুধুমাত্র ফর্ম পূরণ করলেই হবে না। একাধিক কারণে বাতিল বা দেরি হতে পারে অন্নপূর্ণার টাকা পেতে।

ভোটার কার্ড বা আধার কার্ডের কোনো তথ্যগত সমস্যা থাকলে টাকা পেতে সমস্যা হতে পারে। ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে DBT সক্রিয় না থাকলে আবার একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থাকলেও সঠিক DBT-সক্রিয় অ্যাকাউন্ট নির্বাচন না হলেও সমস্যা হতে পারে। আপনার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে Direct Benefit Transfer বা DBT সক্রিয় না থাকলে সরকারি অনুদানের টাকা জমা নাও পড়তে পারে। তাই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টটি DBT-এর জন্য সক্রিয় রয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করতে হবে আগে।

এছাড়া সুবিধাভোগীর একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থাকলে টাকা অন্য কোনও প্রাথমিক আধার-সংযুক্ত অ্যাকাউন্টে চলে যেতে পারে। তাই সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টগুলির লেনদেনের বিবরণও দেখে নিতে হবে। ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট আধারের সঙ্গে লিঙ্ক না থাকলে, আধার, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ও আবেদনপত্রের নামের মধ্যে কোনো অমিল থাকলেও টাকা আটকে যাওয়ার সম্ভাবনা।

ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট আধারের সঙ্গে লিঙ্ক না থাকলে, ভুল বা অসম্পূর্ণ নথি জমা দেওয়া থাকলে টাকা পেতে সমস্যা হবে। এছাড়া অনেকের ক্ষেত্রেই এখনও আবেদনপত্রের যাচাই সম্পূর্ণ না হওয়ায় টাকা আটকে রয়েছে। তাই ‘FOR FURTHER VERIFICATION’ দেখাচ্ছে। এখানে জানিয়ে রাখি, সরকার ধাপে ধাপে অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পাঠাচ্ছে তাই এখনও টাকা না পেলে আগেই আতঙ্কিত হবেন না।

তবে অনেকেই আছেন যাঁরা অন্নপূর্ণা যোজনার টাকার জন্য আবেদন করেছেন, অথচ এখনও পাননি? তারা এরপর কী করবেন? কীভাবে চেক করবেন নিজেদের অ্যাপ্লিকেশন স্ট্যাটাস? এর জন্য সোশ্যাল রেজিস্ট্রি পোর্টালে আপনার নাম রয়েছে কি না, তা পরীক্ষা করে নিতে হবে।

আপনার নাম অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারে নথিভুক্ত আছে কি না তা https://www.govtschemes.in/west-bengal-annapurna-bhandar-scheme এই লিঙ্কে ক্লিক করে জেনে নিতে পারবেন বাড়িতে বসেই। স্ট্যাটাস চেক করতে প্রথমে নিজের রাজ্য বেছে নিয়ে স্ক্রল করে Annapurna Bhandar Scheme Official Portal Link অপশনে ক্লিক করতে হবে। এরপর https://socialsecurity.wb.gov.in/login পেজটি আসলে Track Application Status-এ ক্লিক করে নিজের নাম নথিভুক্ত আছে কিনা এবং জুন মাসে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকেছে কিনা তা দেখে নিতে পারবেন।

Track Application Status-এ ক্লিক করলে Search Using অপশন এ Select-এ নিজেদের ফোন নম্বর বা আধার নম্বর কিংবা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বরের একটি অপশন নির্বাচন করতে হবে। এরপর Enter Value-তে নম্বরটি দিয়ে ক্যাপচা সঠিকভাবে দিয়ে Search করে নিতে হবে। সেখানেই নিজের অ্যাপ্লিকেশন স্ট্যাটাস দেখে নিতে পারবেন। অনলাইন স্ট্যাটাস পরীক্ষা করুন।

সেখানে ‘Bank Account Invalid’ বা এ ধরনের কোনও সমস্যা দেখালে ব্যাঙ্ক পাসবুক ও আধার কার্ডের প্রয়োজনীয় নথি নিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্ক, BDO অফিস অথবা পুরসভা কার্যালয়ে যোগাযোগ করে নিতে পারেন। এছাড়া পোর্টালে অভিযোগ জানানোর ব্যবস্থা থাকলে সংশ্লিষ্ট Grievance Redressal এর মাধ্যমে অনলাইনে অভিযোগও জানাতে পারেন।

১ সেপ্টেম্বর থেকে বদলাচ্ছে LPG Gas সংক্রান্ত কোন নিয়ম? ব্যাঙ্কিং-ক্ষেত্রেও বড় পরিবর্তন? না জানলে সমস্যায় পড়তে পারেন!র...
29/08/2026

১ সেপ্টেম্বর থেকে বদলাচ্ছে LPG Gas সংক্রান্ত কোন নিয়ম? ব্যাঙ্কিং-ক্ষেত্রেও বড় পরিবর্তন? না জানলে সমস্যায় পড়তে পারেন!

রান্নার গ্যাসের সেপ্টেম্বরের শুরুতেই অনেক গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন কার্যকর হতে চলেছে। এই পরিবর্তনগুলো মাসিক খরচকে যথেষ্ট প্রাভাবিত করতে পারে। প্রতি মাসের মতো সেপ্টেম্বরেও ব্যাঙ্কিং, গ্যাস সিলিন্ডার, ক্রেডিট কার্ড ইত্যাদির নিয়মে কিছু গুরুত্বপূর্ণ নিয়মের পরিবর্তন আসতে পারে। অনেক পরিবর্তনের ফলে খরচ বেড়ে যেতে পারে, আবার কিছু পরিবর্তন স্বস্তিও দিতে পারে। সেপ্টেম্বর শুরু হওয়ার আগেই এই সমস্ত পরিবর্তন সম্পর্কে সচেতন থাকা জরুরি।

ব্যাঙ্কগুলো ফিক্সড ডিপোজিট (এফডি) সংক্রান্ত কিছু নিয়ম পরিবর্তন করতে চলেছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ব্যাঙ্কগুলোকে প্রত্যেক কাজের দিনে সকাল ১০:১০ মিনিটের মধ্যে তাদের ওয়েবসাইটে ৩ কোটি টাকা বা তার বেশি পরিমাণের আমানতের উপর সুদের হার ঘোষণা করতে হবে। ব্যাঙ্কের বিভিন্ন শাখা একই দিনে ভিন্ন ভিন্ন সুদের হার দিতে পারবে না। তবে বড় আমানতের জন্য বিভিন্ন লেভেলের জন্য ভিন্ন ভিন্ন সুদের হার নির্ধারণ করতে পারবে। এই পরিবর্তনগুলো সাধারণ মানুষের ছোট এফডি-র উপর তেমন কোনো প্রভাব ফেলবে না। নতুন নিয়মগুলোর উদ্দেশ্য হলো সুদের হারে স্বচ্ছতা বৃদ্ধি করা এবং ব্যাংকিং ব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ করা। তবে এই নিয়মটি কার্যকর হবে ১ অক্টোবর থেকে , ১ সেপ্টেম্বর থেকে নয়।

এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার বুকিং: এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার বুকিং-এ পরিবর্তন

যেসব পরিবারে রান্নার গ্যাসের সংযোগ রয়েছে, তাদের জন্য কিছুটা স্বস্তির খবর আছে। যাঁরা ২৩ আগস্টের মধ্যে তাঁদের এলপিজি সংযোগের জন্য ই-কেওয়াইসি সম্পন্ন করেননি, তাঁদের জন্য ই-কেওয়াইসি-র শেষ তারিখ ৩১ আগস্ট পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। অর্থাৎ, ১ সেপ্টেম্বর থেকে ই-কেওয়াইসি আর করা নাও যেতে পারে। এর জন্য ই-কেওয়াইসি অথবা আধার বায়োমেট্রিক যাচাই এই মাসেই সেরে ফেলুন। অন্যথায়, সিলিন্ডারের দামে আপনি আর সুবিধে পাবেননা। ইন্ডিয়ান অয়েল, এইচপিসিএল এবং বিপিসিএল ইতোমধ্যেই গ্রাহকদের এই প্রক্রিয়াটি অবিলম্বে সম্পন্ন করার জন্য আবেদন করেছে। গ্যাস সরবরাহে কোনোরকম বিঘ্ন এড়াতে সময়মতো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করা দরকার।

আপনার ভ্রমণে পরিবর্তন

১ সেপ্টেম্বর থেকে , ভারত থেকে বিদেশে ভ্রমণকারী যাত্রীদের ইমিগ্রেশন কাউন্টারে তাদের বোর্ডিং পাসে স্ট্যাম্প লাগানোর প্রয়োজন হবে না। যাত্রীরা এখন তাদের মোবাইল ফোনে ইলেকট্রনিক বোর্ডিং পাস অথবা এর একটি প্রিন্ট করা কপি দেখিয়ে ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবেন। আধিকারিকরা বোর্ডিং পাসে আর কোনো স্ট্যাম্প লাগাবেন না। প্রক্রিয়াটিকে আরও সহজ ও দ্রুত করার জন্য ইমিগ্রেশন ব্যুরো এই পরিবর্তনটি এনেছে। এর ফলে যাত্রীদের অপ্রয়োজনীয় কাজ কমবে এবং অস্পষ্ট স্ট্যাম্পের ঝামেলা দূর হবে। এই নিয়মটি ভারত থেকে ভ্রমণকারী আন্তর্জাতিক যাত্রীদের জন্য প্রযোজ্য।

এই পরিবর্তনগুলিও প্রয়োগ করা হবে

এছাড়াও, সেপ্টেম্বরে এলপিজি সিলিন্ডারের দাম পরিবর্তিত হতে পারে। ব্যাংক এফডি-র সুদের হারও পরিবর্তিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যা আপনার সঞ্চয় এবং রিটার্নকে প্রভাবিত করতে পারে। এটিএফ-এর দামও পরিবর্তিত হতে পারে। এছাড়া, এটিএম চার্জও পরিবর্তিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই সমস্ত পরিবর্তন সাধারণ মানুষের বাজেটকে নানাভাবে প্রভাবিত করতে পারে, তাই সেপ্টেম্বরের শুরুতে নতুন রেট এবং নিয়মের উপর নজর রাখা জরুরি হবে।

সার্ভিস রেকর্ড অমিলই, ডিএ পেতে বাধা গ্রান্ট-ইন-এডদের!রাজ্য সরকারি কর্মীদের একাংশ ইতিমধ্যেই বকেয়া ডিএ পেয়েছেন। কিন্তু শিক...
29/08/2026

সার্ভিস রেকর্ড অমিলই, ডিএ পেতে বাধা গ্রান্ট-ইন-এডদের!

রাজ্য সরকারি কর্মীদের একাংশ ইতিমধ্যেই বকেয়া ডিএ পেয়েছেন। কিন্তু শিক্ষক, অধ্যাপক, পুর ও পঞ্চায়েত, সমবায়ের কর্মী–সহ গ্রান্ট–ইন–এড অর্থাৎ সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত কর্মীরা এখনও বকেয়া ডিএ পাননি। এ নিয়ে ক্ষোভ বেড়েছে। শিক্ষকদের একটি সংগঠন কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থও হয়েছে। প্রশ্ন উঠছে, কবে এই সব ক্ষেত্রের কর্মী এবং পেনশনাররা বকেয়া ডিএ পাবেন? এ নিয়ে কোনও সদুত্তর এখনও রাজ্য সরকারের তরফে মেলেনি। তবে সূত্রের খবর, এই সব গ্রান্ট–ইন–এড কর্মীদের ডিএ পাওয়ার ক্ষেত্রে অসুবিধা তৈরি করছে তাঁদের ম্যানুয়াল সার্ভিস রেকর্ড। এই তালিকায় থাকা যে সব সরকারি কর্মী ব্যাঙ্ক থেকে পেনশন তোলেন, তাঁদের বড় অংশের সার্ভিস রেকর্ডও সরকারের কাছে নেই, তাই চাইলেও এই কর্মীদের বকেয়া ডিএ মেটাতে পারছে না রাজ্য সরকার।

এই সমস্যার সমাধানের পথ খুঁজতে রাজ্য সরকার গ্রান্ট-ইন-এড কর্মীদের জন্য গত সপ্তাহেই একটি পোর্টাল চালু করেছে। এই পোর্টালে সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে কর্মীর সার্ভিস বুক ও তিনি কত টাকা ডিএ বাবদ পাবেন, সেই হিসেব আপলোড করতে হবে। সেই হিসেব খতিয়ে দেখবে অর্থ দপ্তর। তাতে যদি কোনও ভুল–ত্রুটি না থাকে, তা হলে দ্রুত সেই কর্মীর প্রাপ্য ডিএ–র টাকা মিটিয়ে দেওয়া হবে। তবে এই প্রক্রিয়া কত দিনে শেষ হবে, তা নিয়ে কিছু প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। কারণ এত বিপুল সংখ্যক কর্মী ও অবসরপ্রাপ্তের ডিএ–র হিসেব করা যথেষ্ট সময়সাপেক্ষ। তবে এই পোর্টাল চালু হওয়ায় এই প্রক্রিয়ায় গতি এসেছে—এমনটাই দাবি নবান্নের।

নবান্নের কর্তাদের দাবি, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সরকারি কর্মীদের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মীরাও এই তালিকায় রয়েছেন। তবে গ্রান্ট-ইন-এড–এর আওতায় থাকা কর্মীদের কথা উল্লেখ করা হয়নি। তাঁরা মামলায় যুক্তও ছিলেন না। বিধানসভা ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশের আগেই বকেয়া ডিএ মিটিয়ে দেওয়ার রায় দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। এর ভিত্তিতেই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার তড়িঘড়ি সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে ডিও প্রাপকদের তালিকায় গ্রান্ট-ইন-এড কর্মীদের যুক্ত করে। বর্তমান রাজ্য সরকার সেই বিজ্ঞপ্তি মেনে নিয়েছে। তবে কী ভাবে এই কর্মীদের বকেয়া ডিএ মেটানো হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। বিশেষ করে শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীদের ক্ষেত্রে ২০০৮ থেকে ২০১৫ পর্যন্ত সার্ভিস রেকর্ডের নথি পাওয়ার ক্ষেত্রে জটিলতা তৈরি হয়েছে। পোর্টালটির সাহায্যে সেই জটিলতা কাটানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে নবান্ন।

প্রশ্ন হলো শিক্ষক–সহ কত গ্রান্ট–ইন–এড কর্মীরা বকেয়া ডিএ পাবেন?

নবান্ন এখনও এ ব্যাপারে সঠিক তথ্য দিতে পারেনি। তবে সুপ্রিম কোর্টে রাজ্য সরকার ৫ মার্চ যে হলফনামা পেশ করেছিল, তাতে জানানো হয়েছিল অধ্যাপক, শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর সংখ্যা ৩ লক্ষ ৮৮ হাজার ৮৪ জন। পেনশনার শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর সঠিক সংখ্যাটা এখনও জানা যায়নি। পুরসভা,পঞ্চায়েত–সহ বিভিন্ন সংস্থার কর্মীর সংখ্যা ৫৫ হাজার ৭২৮।

বকেয়া পাওয়ার ক্ষেত্রে আরও একটি অসুবিধার কারণ ব্যাঙ্কের অসহযোগিতা। কলকাতায় বিভিন্ন ব্যাঙ্ক থেকে পেনশন তোলেন, এমন সরকারি কর্মীরাও বকেয়া ডিএ পাচ্ছেন না। রাজ্য সরকার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে জানিয়েছিল, ৭ জুলাইয়ের মধ্যে ৫০ শতাশ বকেয়া দেওয়া হবে। রাজ্য সরকারের হিসেব মতো কলকাতার বিভিন্ন ব্যাঙ্ক থেকে ৪৫ হাজার অববসরপ্রাপ্ত কর্মী বা তাঁদের পরিবার পেনশন পান। রাজ্য সরকার ব্যাঙ্কগুলিতে এজি বেঙ্গলের সুপারিশ মতো পেনশনের টাকা পাঠিয়ে দেয়। তবে ব্যাঙ্কগুলি ২০০৮ থেকে ২০২৫ পর্যন্ত ডিজিটাজড নথি দিচ্ছে না। এ নিয়ে ব্যাঙ্কের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেও এ পর্যন্ত মাত্র ১৩ হাজার অবসরপ্রাপ্ত কর্মী বা তাঁদের পরিবার বকেয়া ডিএ পেয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে কলকাতার ব্যাঙ্ক থেকে পেনশন দেওয়ার প্রক্রিয়ারও পরিবর্তন করছে রাজ্য সরকার। ঠিক হয়েছে, ব্যাঙ্কের বদলে সংশ্লিষ্ট ট্রেজারি থেকে পেনশন দেওয়া হবে। যাতে সব নথি সরকারের কাছে থাকে।

৫ লাখে কিনতে চেয়েছিল সার্কাস, NEET ক্র্যাক করে আজ ডাক্তার গরিব কৃষকের ছেলে গণেশ!স্বপ্নপূরণের দৃঢ় সংকল্প থাকলে কারও ক্ষম...
25/08/2026

৫ লাখে কিনতে চেয়েছিল সার্কাস, NEET ক্র্যাক করে আজ ডাক্তার গরিব কৃষকের ছেলে গণেশ!

স্বপ্নপূরণের দৃঢ় সংকল্প থাকলে কারও ক্ষমতা নেই আপনাকে আটকানোর। গুজরাটের গণেশ বারাইয়ার (Inspirational Story of Dr Ganesh Baraiya) ক্ষেত্রেও কথাটা প্রযোজ্য। তিনি এখন সবার কাছে অনুপ্রেরণার আরেক নাম। ছোটো বেলায় গণেশকে ৫ লাখে কিনতে চেয়েছিল সার্কাস কোম্পানি। কিন্তু গরিব কৃষক বাবা টাকার লোভ না করে গণেশকে ডাক্তার করার স্বপ্ন দেখেন। যদিও গণেশের ক্ষেত্রে সেই পথ সহজ ছিল না। দীর্ঘ আইনি লড়াই জয় করে তিনি চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন পূরণ করেছেন। কিন্তু কেন ডাক্তার হওয়ার জন্য আইনি লড়াই লড়তে হয়েছিল তাকে? এইজটিলতার সূত্রপাত হয় ২০১৮ সালে, যখন NEET ক্র্যাক করার পরেও মেডিকেল কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়া (MCI) শুধুমাত্র তাঁর কম উচ্চতার কারণে তাঁকে এমবিবিএস (MBBS) কোর্সে ভর্তির সুযোগ দিতে অস্বীকার করে।

বামনত্বের কারণে গনেশ বারাইয়ার মাত্র তিন ফুট উচ্চতা এবং ওজন ২০ কেজির কম। ৭২ শতাংশ শারীরিক অক্ষমতাতেও ভুগছেন তিনি। হাঁটাচলার ক্ষেত্রে তাঁর অসুবিধা রয়েছে। এমসিআই শুরুতে এই শারীরিক সীমাবদ্ধতাগুলোর কথা উল্লেখ করে তাঁকে জানায়, এগুলো তাঁর চিকিৎসক হিসেবে কাজ করার পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। তবে এতে হার মানেন না তিনি। উল্টে ডাক্তারি পড়েই ছাড়বেন, এমন সংকল্প করে। তালজার নীলকণ্ঠ বিদ্যাপীঠ থেকে হাই স্কুল পাস করা গনেশ তাই এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আইনি লড়াই শুরু করেন।

প্রথমে তিনি গুজরাট হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেন। এই কাজে তাঁকে সহায়তা করেছিলেন তাঁর স্কুলের অধ্যক্ষ ড. দলপতভাই কাটারিয়া। তিনি আইনি লড়াইয়ের খরচ পর্যন্ত বহন করেন, যা ভাবনগরের ওই কৃষক পরিবারটির পক্ষে জোগাড় করা সম্ভব ছিল না। যদিও হাইকোর্ট শুরুতে এমসিআই-এর সিদ্ধান্তই বহাল রাখে। তবু গনেশ বারাইয়া তাঁর চিকিৎসক হওয়ার সংকল্পে অবিচল থাকেন।

তিনি সাময়িকভাবে বি.এসসি. (B.Sc.) কোর্সে ভর্তি হন এবং এই লড়াইকে সুপ্রিম কোর্টে নিয়ে যান। এই আবেদনের চার মাস পর সুপ্রিম কোর্টের তরফে রায় দেওয়া হয়, মাত্র তিন ফুট উচ্চতার কারণে গণেশকে ভর্তির সুযোগ থেকে বঞ্চিত করা যাবে না। এই রায়ের ফলে তাঁর এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন ও চিকিৎসক হয়ে মানুষের সেবা করার দীর্ঘদিনের আকাঙ্ক্ষা পূরণ হয়।

আদালতের রায় বেরোনোর পর গনেশ বারাইয়া ২০১৯ সালে ভাবনগর মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পান এবং ভালোভাবেই তাঁর পড়াশোনা সম্পন্ন করেন। রাজ্যের নিয়ম অনুযায়ী বাধ্যতামূলক ইন্টার্নশিপ শেষ করার পর গনেশ বারাইয়া এখন তাঁর স্বপ্নের পেশায় কাজ করতে পারছেন। তিনি জানান, গ্রামীণ এলাকার গরিব মানুষের চিকিৎসা করার ইচ্ছা তাঁর। সেখানেই চিকিৎসকের প্রয়োজন সবচেয়ে বেশি। তিনি এখন কার্যত বিশ্বের সবচেয়ে কম উচ্চতার চিকিৎসক।

তবে, উচ্চতা-জনিত কারণে দৈনন্দিন জীবনে অনেক চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে হয় তাঁকে। সেই প্রসঙ্গে গনেশ বলেন, রোগীরা শুরুতে তাঁর উচ্চতা দেখে কিছুটা অবাক হলেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তারা বিষয়টির সাথে মানিয়ে নেন। তিনি জানান, রোগীরা যখনই তাঁকে দেখেন, প্রথমে কিছুটা চমকে যান, কিন্তু পরে তারা তাঁকে চিকিৎসক হিসেবে গ্রহণ করেন। তিনিও তাদের প্রাথমিক এই আচরণকে স্বাভাবিকভাবেই দেখেন। এমনকি তিনি জানিয়েছেন, রোগীদের থেকে তিনি আন্তরিক ও ইতিবাচক আচরণই পেয়েছেন। শারীরিক সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও পৃথিবীতে নিজের কাজের ছাপ ফেলার ক্ষেত্রে গনেশ বারাইয়ার এই যাত্রা অদম্য মনোবল, দৃঢ় সংকল্প ও আত্মবিশ্বাসের এক অনন্য নজির স্থাপন করেছে।

এক মাসেই নাগরিকত্ব মিলবে ডিএম অফিসে, নির্দেশিকা কেন্দ্রের, খুশি উদ্বাস্তুরা!উদ্বাস্তুদের নাগরিকত্বের শংসাপত্র পাওয়ার ক্...
25/08/2026

এক মাসেই নাগরিকত্ব মিলবে ডিএম অফিসে, নির্দেশিকা কেন্দ্রের, খুশি উদ্বাস্তুরা!

উদ্বাস্তুদের নাগরিকত্বের শংসাপত্র পাওয়ার ক্ষেত্রে নিয়মের সরলীকরণ করল কেন্দ্রীয় সরকার। এ বার থেকে নাগরিকত্বের আবেদনপত্র খতিয়ে দেখা এবং শুনানির শেষে সন্তুষ্ট হলে জেলাশাসকের মাধ্যমেই মতুয়া এবং উদ্বাস্তুরা ভারতীয় নাগরিকত্বের শংসাপত্র পেয়ে যাবেন বলে বুধবার কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানিয়ে দিয়েছে। এর ফলে এক মাসের মধ্যে পুরো প্রক্রিয়া শেষে জেলাশাসক নাগরিকত্বের শংসাপত্র তুলে দিতে পারবেন। কেন্দ্রের এই সরলীকরণের নির্দেশ জারি হওয়ায় মতুয়া সম্প্রদায় থেকে উদ্বাস্তুরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। বিজেপি এবং তৃণমূল প্রভাবিত অল ইন্ডিয়া মতুয়া মহাসঙ্ঘের পদাধিকারীরাও সাধুবাদ জানিয়েছেন।

ধর্মীয় অত্যাচারের শিকার হয়ে বাংলাদেশ থেকে গত কয়েক বছরে লক্ষ লক্ষ মতুয়া ও উদ্বাস্তু ভারতে চলে এসেছিলেন। গোটা রাজ্যজুড়ে মতুয়ারা বসবাস করলেও বনগাঁ মহকুমা এবং নদিয়া জেলায় মতুয়াদের বসবাস সবচেয়ে বেশি। প্রতি ভোটেই সিএএ কার্যকর করার আশ্বাস দিয়ে ভোট বৈতরণী পার হয়েছে বিজেপি। কিন্তু নাগরিকত্ব না পাওয়ায় মতুয়াদের বড় অংশের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছিল।

বিধানসভা ভোটের আগে দেশজুড়ে শুরু হওয়া স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন (সার)–এর জেরে কয়েক লক্ষ মতুয়ার নাম বাদ গিয়েছে। ভোটাধিকারের পাশাপাশি সরকারের বিভিন্ন সামাজিক প্রকল্প থেকে বঞ্চিত হয়েছেন মতুয়ারা। এতদিন নাগরিকত্বের শংসাপত্র পেতে উদ্বাস্তুদের কেন্দ্রের সরকারের শর্ত অনুযায়ী নথি দিয়ে অনলাইনে আবেদন করতে হতো। আবেদনের শুনানি হতো পোস্ট অফিসে। স্বাভাবিক ভাবেই পোস্ট অফিসগুলিতে ভিড় বাড়ছিল। পোস্ট অফিসে শুনানির পর সেই নথিপত্র পাঠানো হতো কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকে। সেখানেও একদফা এনকোয়ারির পর কেন্দ্রের নির্দিষ্ট করা দপ্তর থেকে মতুয়া ও উদ্বাস্তুরা নাগরিকত্বের শংসাপত্র হাতে পেতেন। এই গোটা প্রক্রিয়া শেষ করে শংসাপত্র পেতে এক থেকে দেড় বছর লেগে যেত।

জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত গোটা রাজ্যে প্রায় ২৩ লক্ষ মানুষ এ দেশের নাগরিকত্বের শংসাপত্র পাওয়ার জন্য আবেদন করেছেন। আর শংসাপত্র হাতে পেয়েছেন মাত্র ২৩ হাজার। বুধবার কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক নির্দেশিকা জারি করে জানিয়েছে, এ বার থেকে জেলাশাসকের মাধ্যমে নাগরিকত্বের শংসাপত্র দেওয়া হবে। জেলাশাসক আবেদনপত্র খতিয়ে দেখবেন। জেলাশাসকের দপ্তরেই শুনানি হবে। এবং প্রয়োজনীয় নথি খতিয়ে দেখে শুনানিতে সন্তুষ্ট হওয়ার পর নাগরিকত্বের শংসাপত্র জেলাশাসকের মাধ্যমেই পেয়ে যাবেন উদ্বাস্তুরা। এর ফলে তিন থেকে চার সপ্তাহের মধ্যেই শংসাপত্র মিলবে।

এই প্রসঙ্গে গাইঘাটার বিজেপি বিধায়ক সুব্রত ঠাকুর বলেন, 'সরলীকরণের জন্য প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই।' বিজেপি প্রভাবিত অল ইন্ডিয়া মতুয়া মহাসঙ্ঘের সাধারণ সম্পাদক সুকেশ গাইন বলেন, 'আগের প্রক্রিয়ায় এক থেকে দেড় বছর লেগে যেত। জেলাশাসকের মাধ্যমে হলে মতুয়াদের সুবিধা হবে।' তৃণমূলের অল ইন্ডিয়া মতুয়া মহাসঙ্ঘের সঙ্ঘাধিপতি মমতাবালা ঠাকুর বলেন, 'এতদিন শিবির করে মতুয়াদের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা তোলা হয়েছে, সেই টাকা কি ফেরত দেওয়া হবে?'

‘যোগ্য প্রত্যেক মহিলাই …’ অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে ক্ষো*ভ বাড়তেই বড় ঘোষণা অগ্নিমিত্রা পালের!রাজ্য জুড়ে শুরু হয়েছে অন্নপূর...
25/08/2026

‘যোগ্য প্রত্যেক মহিলাই …’
অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে ক্ষো*ভ
বাড়তেই বড় ঘোষণা অগ্নিমিত্রা পালের!

রাজ্য জুড়ে শুরু হয়েছে অন্নপূর্ণা (Annapurna Yojana) বিতর্ক…মাস তিনেক আগে অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম পূরণ করেও এখনও বহু মহিলা এই প্রকল্পের সুবিধা পায়নি। অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সরকার কোনো প্রতিশ্রুতি ঠিকভাবে পালন করছে না..আর এই নিয়ে চারিদিকে বাড়ছে অশান্তি, যা ক্রমেই তীব্র আকার ধারণ করছে। এমতাবস্থায় বিক্ষোভের মাঝেই বড় বার্তা দিলেন পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল (Agnimitra Paul)। স্পষ্ট জানিতে দিলেন, ‘মা-বোনেদের একটু ধৈয্য ধরতে হবে..’

গত ১৭ আগস্ট থেকে অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা অ্যাকাউন্টে ঢুকতে শুরু করেছে। তবে বহু মহিলার দাবি, তাঁরা এখনও অ্যাকাউন্টে টাকা পাননি। আর তাই রীতিমত উত্তাল পরিস্থিতি জেলায় জেলায়। কোচবিহারে মন্ত্রী মালতি রাভা রায়ের বাড়ির সামনে শুরু হয়েছে বিক্ষোভ। এছাড়াও পূর্ব বর্ধমানের গুসকরাতে, হুগলির চন্ডীতলায় বিডিও অফিস, জলপাইগুড়ি, পুরুলিয়া, আসানসোল, দুর্গাপুর, বনগাঁতেও বাড়ছে প্রতিবাদ। আর এবার মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালকে ঘিরে শুরু হল বিক্ষোভ। পশ্চিম মেদিনীপুরের জেলাশাসকের দপ্তরে বৈঠকের সময় একতলায় ঢুকে পড়েছিলেন বেশ কয়েক জন মহিলা এবং টাকা না ঢোকায় শুরু হয়েছে তুমুল বিক্ষোভ।

মহিলাদের বিক্ষোভের জেরে বাধ্য হয়ে তাঁদের কথা শুনতে বৈঠক ছেড়ে সিঁড়ি দিয়ে নিচে নেমে এসেছিলেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। পরে তিনি জানালেন, অন্নপূর্ণা নিয়ে গন্ডগোলের নেপথ্যে রয়েছে তৃণমূল! বিষয়টি তিনি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে জানাবেন। তিনি বলেন, “মা-বোনেদের একটু ধৈয্য ধরতে হবে। অন্নপূর্ণা যোজনার জন্য প্রায় ২ কোটি মহিলার ফর্ম আপলোড করতে একটু সময় লাগছে। তাই সবাইকে অনুরোধ করছি, একটু ধৈয্য ধরুন। যোগ্য প্রত্যেক মহিলাই অবশ্যই সুবিধা পাবেন। তার মধ্যে ভিতরে তৃণমূলের লোক বসে রয়েছেন। যারা অনেক গন্ডোগোলও পাকাচ্ছেন।”

মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল আরও বলেন যে, “তৃণমূলের লোকেরাই দেখে দেখে যারা যোগ্য, তাঁদেরকে না দিয়ে, যারা অযোগ্য তাঁদেরকে দিচ্ছে, সেই কারণে যোগ্য যারা তাঁরা ক্ষুব্ধ হচ্ছেন। এই বিষয়টা সবই রাজনীতির অংশ, ধীরেসুস্থে সব ঠিক হয়ে যাবে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে সবটা জানানো হচ্ছে। গত বুধবার থেকেই খুলে গিয়েছে যোজনার পোর্টালটি। অনলাইনে দেখে নেওয়া যাচ্ছে আবেদন বর্তমানে কোন পর্যায়ে রয়েছে। এবং বাতিলের কারণও দেখা যাচ্ছে। আর তা নিয়েই বিভিন্ন মহল থেকে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। তাই এবার সেদিকে কড়া নজর রাখছে সরকার।

Address

Habibpur, Ranaghat, Nadia
Ranaghata
741402

Telephone

+917865829850

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Kalpanir posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Kalpanir:

Shortcuts

Share