Aziz-Mohammad Group

Aziz-Mohammad Group Informazioni di contatto, mappa e indicazioni stradali, modulo di contatto, orari di apertura, servizi, valutazioni, foto, video e annunci di Aziz-Mohammad Group, Società di consulenza, Turin.

কিছু উপদেশ মূলক কথাঃ১. কথা হজম করতে শিখুন, এইটা অনেক বড় গুণ, আপনাকে জীবনে জিততে সহায়তা করবে।২. কখনও তর্কে জিততে যাবেন না...
07/06/2019

কিছু উপদেশ মূলক কথাঃ
১. কথা হজম করতে শিখুন, এইটা অনেক বড় গুণ, আপনাকে জীবনে জিততে সহায়তা করবে।
২. কখনও তর্কে জিততে যাবেন না, এটা সময়ের অপচয়।
৩.আপনার প্রতিপক্ষকে জিতিয়ে দিন, আপনার প্রতিপক্ষ যদি খুশী হয় সে জিতে গেছে ভেবে, আপনি একটু হাসুন।
৪. মনে রাখবেন, কখনও কখনও জিততে হলে হারতে হবে, আর আপনার আজকের এই হারই আপনাকে বড় জয় এনে দিবে।
৫. হারতে শিখুন, সব জায়গায় জিততে নেই' এটা বোকামি।
৬. মনে রাখবেন, কথায় কাজ হবে না, তাই কাজ শুরু করুন নিরবে' আপনার কাজই কথা বলবে।
৭. আপনাকে যারা বিশ্বাস করে না, তাদের চিন্তা বাদ দিন, নিজেকে বিশ্বাস করুন' নিজের প্রতি বিশ্বাস আপনাকে সবার মাঝে বিশ্বাসী করে তুলবে।
৮. আপনি অনেক কিছু পারেন' কি দরকার বলে বেড়ানোর, "কাজ করুন", যার প্রয়োজন সে আপনাকে এমনেতেই খুজে বের করবে।
৯. মনে রাখবেন, চিতা বাঘ কখনও কুকুরের সাথে দৌড় প্রতিযোগিতা করে না, কুকুরদের জিততে দিন, আপনি যে চিতা বাঘ তা বোঝানোর জন্য সঠিক সময়ের অপেক্ষায় থাকুন।
১০. নিজের প্রয়োজনেই তর্ক এড়িয়ে চলুন, আর নিরবে কাজ করুন, আপনার কাজই কথা বলবে।

আপনার কোন কিছু প্রয়োজন না হলেও তাদের থেকে কিনুন।।কারন তাহারা অসহায় হয়েও কারো কাছে হাত পাতেননি। এসব মা- বাবাদের প্রতি বিন...
26/04/2019

আপনার কোন কিছু প্রয়োজন না হলেও তাদের থেকে কিনুন।।কারন তাহারা অসহায় হয়েও কারো কাছে হাত পাতেননি।
এসব মা- বাবাদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা কারন তাহারা জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত জীবন যুদ্ধ করে বেচে আছেন।

https://www.facebook.com/602897286480730/posts/1468504273253356/
08/11/2018

https://www.facebook.com/602897286480730/posts/1468504273253356/

ব্যবসায় কিংবা পেশাদারী জীবনে সফলতার জন্য প্রয়োজন ‘সেলসপার্সন’ হিসেবে নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করা। এজন্য বেশ কিছু .....

12/06/2018

নিজেকে সব সময় অনুপ্রাণিত রাখুন ১০টি উপায়ে

পৃথিবীর সব থেকে বড় মোটিভেশন হল সেল্ফ মোটিভেশন (Self Motivation)। সারাদিন ফেইসবুকের নিউজফিড স্ক্রল করে ছেলেটি দিন পার করে। অথচ মনে অনেক আশা জীবনে ভাল পজিশনে যাওয়ার। আধাঘন্টা খানেক আলাপ হল… অনেক কিছু বুঝানোর পর সে এক সময় বলে উঠে “আপু , এগুলো সবই তো বুঝি, তবুও পড়াশুনা করতে ইচ্ছে করে না”।

মানুষের মোটিভেশনাল কথা, লেকচার শুনে আমরা মোটিভেট হই ঠিকই, কিন্তু তার স্থিতি খুব অল্প সময়ের জন্য থাকে… যখন শোনা হয়, তখন হয়তো উজ্জীবিত হই, চোখ জ্বলজ্বল করে উঠে… কিন্তু খানিক পরেই আবার সেই আগের মত।
জীবনে সবচেয়ে যে জিনিসটা বেশি দরকার তা হল সেল্ফ মোটিভেশন (Self Motivation) ও আত্মনিয়ন্ত্রণ। নিজের মনের উপর নিয়ন্ত্রণ না থাকলে কোন মোটিভেশনই আপনার জীবনে কাজে লাগবে না।

বিখ্যাত আমেরিকান লেখক এবং মোটিভেশন স্পিকার Stephen R. Covey বলেন “মোটিভেশন নিজের ভেতরের আগুন, যদি অন্য কেউ তা জ্বালানোর চেষ্টা করে তবে তা খুব কমই জ্বলবে “ এর মানে হচ্ছে কেউ আপনাকে অনুপ্রেরণা দিতে পারে আপনার লহ্ম্য অর্জন করতে , কিন্তু লহ্ম্য অর্জনে আপনাকেই এগিয়ে যেতে হবে । আপনার হয়ে অন্য কেউ সেটা করে দিবে না।

মোটিভেশন কি ?

মোটিভেশন দুই রকমের হয় ।

১। Intrinsic : Intrinsic বা স্বকীয় । যা প্রাকৃতিকভাবে একজন মানুষের নিজের ভেতর থেকেই আসে। পরীহ্মায় ভালো গ্রেড পাওয়ার জন্য সারারাত পড়াশুনা করা , একটি নির্দিষ্ট লহ্ম্য অর্জনের জন্য নিজের ভেতরের ইচ্ছাশক্তিই intrinsic মোটিভেশন ।

২। Extrinsic : Extrinsic বা বহিঃস্থ । অর্থাৎ যখন আমরা একজন মোটিভেশন স্পিকারের কথা শুনে ভা ভিডিও দেখে অনুপ্রেরণা পাই। যেমন অন্য কারো সফলতার গল্প শোনার পর মনে হয় , এটা আমাদেরও করতে হবে ।

সহজ কথায়, মোটিভেশন হচ্ছে এমন এক উৎস যা আপনার মন-মানসিকতাকে আপনার লহ্ম্য অর্জনে প্রস্তুত করবে। সঠিক মোটিভেশন আপনাকে এমন একটি অবস্থানে নিয়ে যেতে পারে যা আপনি কল্পনাও করেননি ।

তাই প্রতিনিয়ত নিজেকে মোটিভেট রাখতে কিছু উপায় আমাদের অবশ্যই জানা প্রয়োজন । তাহলে চলুন দেখে নেয়া যাক সেই উপায়গুলো ।

লক্ষ্য নির্ধারণ :

পরীক্ষায় যখন লিখতে দেয়া হয় “তোমার জীবনের লক্ষ্য” রচনা লিখো অধিকাংশ ছাত্রছাত্রী বেশি নাম্বার পাওয়ার জন্য লিখে ডাক্তার অথবা ইঞ্জিনিয়ার হতে চাই । একদম মুখস্থ লেখা যাকে বলে। এভাবেই আসলে স্বপ্নগুলোর মৃত্যু হয় , নিজেরাই জানে না কি হতে চায়। সবাই ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার হতে চায়।

বিখ্যাত সেলস ট্রেইনার রাজিব আহমেদ স্যারের বইয়ে লিখেছিলেন, “আপনার পিতার ৫০ কোটি শুক্রাণুর মধ্যে একটি শুক্রাণু বিজয়ী হয়ে আপনার মা’র গর্ভাশয়ে পৌঁছেছিলো, সেই শুক্রাণুটিই আজকের আপনি। সুতরাং, স্রষ্টা আপনাকে দুনিয়ায় পাঠিয়েছেন বিজয়ী করে। আপনি কেন হেরে যাবেন? স্রষ্টা আপনাকে বিজয়ী করে তার কাছে ফেরত নিতে। আপনি যদি হার না মানেন, আপনাকে হারানোর হ্মমতা কারো নেই ।
জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণ করুন। Think big, be big। বাস্তবের চেয়ে বড় স্বপ্ন দেখুন। সব সময় নিজেকে অনুপ্রাণিত রাখতে এটা একটি পরীক্ষিত উপায় ।

“Our goals can only be reached through a vehicle of a plan, in which we must fervently believe, and upon which we must vigorously act. There is no other route to success.” —Pablo Picasso

লক্ষ্য নির্ধারণ তিন রকম হতে পারে :

১। স্বল্প মেয়াদী : এমন কোন লহ্ম্য যা কিছু সপ্তাহ অথবা মাসে অর্জন করা যায় ।

২। মধ্যম মেয়াদী : এক অথবা দুই বছর সময় লাগতে পারে এমন কোন লহ্ম্য ।

৩। দীর্ঘ মেয়াদী : ক্যারিয়ার প্লান , বাড়ি অথবা গাড়ি কেনা এই ধরনের লহ্ম্যগুলোকে দীর্ঘ মেয়াদী বলা

সঞ্চয়ী হোনঃ

ধরুন আপনি একটি ব্যবসায় শুরু করলেন, কিছুদিন পর দেখা গেল ব্যবসার জন্য যে টাকাটা আপনার দরকার সেটা আর জোগাড় করতে পারছেন না। এমন অবস্থায় আপনি কাজ করার অনুপ্রেরণা হারাবেন আর কাজ করতেও ইচ্ছা করবে না। তাই অবশ্যই প্রতি মাসে আপনার উপার্জন থেকে কিছু টাকা সঞ্চয় করুন।সঞ্চয় থাকতে আপনি আত্নবিশ্বাস হারাবেন না কখনই নিজেকে সবসময় মোটিভেট রাখতে সঞ্চয়ী হওয়া খুব জরুরী।

ঋণকে না বলুনঃ

নিঃসন্দেহে যে সব মানুষ অনেক বেশি ঋণ নিয়ে থাকেন তারা হতাশায় ভোগেন বেশি। কারণ তাদের উপার্জনের সিংহ ভাগই চলে যায় ঋণ পরিশোধ করতে । তাই খুব বেশি প্রয়োজন ছাড়া কখনই ঋণ নেবেন না।

ইতিবাচক মানুষের সাথে থাকুনঃ

আরে ধুর, তোকে দিয়ে হবে না। তুই জিতবি কম্পিটিশন? বাদ দে, তুই পারবি না। এই ধরনের নেতিবাচক কথা বলা মানুষের থেকে সব সময় দূরত্ব বজায় রাখুন। পজেটিভ চিন্তার মানুষ বেস্ট মোটিভেটর হয়।যখনই আপনার মনে কোন নেতিবাচক চিন্তা আসবে , এমন একজন পজেটিভ চিন্তা-ভাবনার মানুষের সাথে কথা বলবেন যে আপনার আত্নবিশ্বাস বাড়িয়ে তুলবে । তাই সবসময় চেস্টা করুন ইতিবাচক চিন্তা করে এমন মানুষের সাথে থাকতে ।

নিজেকে সম্মান করতে শিখুন ঃ

আমরা কম বেশি সবাই যে কাজটি করি সেটা হচ্ছে নিজেকে অন্যের সাথে তুলনা করি । আরে ওর রেজাল্ট তো আমার থেকে ভালো , তাহলে জবটা ওরই হবে। “ পাশের বাসার হাবলু ভাত খায়,তুইও ভাত খাস” তাহলে তুই নাম্বার কম কেন পাস? এই কথাগুলো আমরা শুনি বা বলি , তাই না? যে কাজটা কখনই করা উচিত না। এই ধরনের চিন্তা-ভাবনা আপনার আত্নবিশ্বাস কমিয়ে দিবে । যখনই মনে করবেন আপনার আত্নবিশ্বাস কমে যাচ্ছে আপনার আগের অর্জনগুলোর কথা ভাবুন, ভাবুন সেগুলো অর্জন করতে কতটা কষ্ট আপনি করেছেন। কতগুলো রাত আপনি জেগেছেন । Be your own kind of perfect! এতে করে আপনার হারানো আত্নবিশ্বাস আবার ফিরে পাবেন , নতুন উদ্যমে নিজের লহ্ম্য পূরণে এগিয়ে যেতে পারবেন ।

“When you’re trying to motivate yourself, appreciate the fact that you’re even thinking about making a change. And as you move forward, allow yourself to be good enough.” – Alice Domar

ভুল থেকে শিক্ষা গ্রহণ করুনঃ

ভুল আমাদের জীবনের খুবই স্বাভাবিক একটি বিষয়। কম বেশি , জেনে বা না জেনে ভুল আমরা সবাই করি । এটা খারাপ কিছু নয়, স্বাভাবিক। কিন্তু সমস্যাটি তখনই হয় যখন আমরা ওই ভুল থেকে শিক্ষা না নিই। পৃথিবীতে যত সফল মানুষ আছেন বা ছিলেন সবার মধ্যে একটা মিল আছে। সেটা হচ্ছে ভুল থেকে শিক্ষা নেয়া। পৃথিবীতে কোন মানুষই ১০০% সঠিক না । ভুল মানুষ করবেই । যারা সেই ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে পারবে তারাই সফলতার দিকে এগিয়ে যেতে পারবে।

“There is nothing known as “Perfect”. It’s only those imperfections which we choose not to see!!”― Albert Einstein

নিজের উদ্দেশ্য সঠিক রাখুনঃ

যখন কোন কাজ করছেন আপনি তার উদ্দেশ্য ঠিক আছে কিনা তা অবশ্যই যাচাই করে দেখবেন ।ভুল মানুষের মোটিভেশন আপনাকে অনেক বড় বিপদেও ফেলতে পারে। তাই আপনি ঠিক পথে এগোচ্ছেন নাকি ভুল হচ্ছে কোথাও তা পরীহ্মা করে নেয়া জরুরী । আপনার কাজের উদ্দেশ্য আপনাকে সব সময় মোটিভেট থাকতে সাহায্য করবে।

“The key to motivation lies in the motive itself” -Dr. Stephen R. Covey

অতিরিক্ত দুশ্চিন্তাকে না বলুনঃ

সবসময় অতিরিক্ত চিন্তা করলে নেতিবাচক দিকগুলোই সামনে আসবে। আমরা সবাই জানি যে ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত কিন্তু এর মানে শুধু এই না যে আমরা যা চাচ্ছি ভবিষ্যতে তার চেয়ে খারাপ কিছুই অপেক্ষা করছে। আগামীকাল কি হবে সেটা ভেবে আজকের দিনটা কেন নষ্ট করছেন?

এমনটাও হতে পারে যে, ভবিষ্যতে আমাদের জন্য এত ভাল কিছু অপেক্ষা করছে, যা আমরা কখনো চিন্তাও করিনি। তাই ভবিষ্যতে ভাল কিছুই হবে এই চিন্তা মাথায় রেখে এগুতে হবে।

মেডিসিন এ নোবেলজয়ী ডক্টর Dr. Alexi’s carrel একটি কথা বলেন, কথাটা ছিল অনেকটা এ রকম “যে ব্যবসায়ী জানে না কিভাবে দুশ্চিন্তার সাথে যুদ্ধ করতে হয়, সে যুবক অবস্থাতেই মারা যায়।”

সুখী থাকতে শিখুনঃ

সমস্যা সবার জীবনেই থাকে কিন্তু তার মানে এই না সেই সমস্যার কথা ভেবে আপনাকে হতাশ হতে হবে । হতাশা , দুশ্চিন্তা কখনই সমস্যার সমাধান হতে পারে না। যত বেশি সমস্যা নিয়ে ভাববেন , ততই নিরাশ হবেন । আপনার এমন হতে পারে আপনি পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়েছেন, আপনার চাকুরী চলে গিয়েছে কিন্তু একবার ভেবে দেখুন আপনার জীবন কিন্তু শেষ হয়ে যায় নি। এই চিন্তাটাই আমরা করি না। তাই যা হয়েছে সেটা কে মেনে নিন। তাতে আপনি এই পরিস্থিতিটা কে সহজেই জয় করতে পারবেন।
Hal Elrod – The author of “The miracle morning” মনে করতেন, ‘৫ মিনিটের বেশি নেতিবাচক চিন্তা পরিস্থিতি আরো খারাপ করে তোলে ,তাই তিনি নেতিবাচক চিন্তাগুলো মন থেকে সরিয়ে সামনের কথা চিন্তা করা উচিত’ । ‘যা হয় ভালোর জন্য হয়’ কথাটা আপনাকে মোটিভেট থাকতে সাহায্য করে।

“সুখ তৈরী কিছু না, এটা আপনার নিজের কর্মের থেকে আসে” –দালাই লামা

প্রতিটা দিনের পরিকল্পনা করুনঃ

আপনার মোটিভেশন কে ধরে রাখতে প্রতিটা দিনের পরিকল্পনা করুন। দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনার পাশাপাশি প্রতিটা দিনের পরিকল্পনা আপনার লক্ষ্য অর্জনে অনেক বেশি সহায়ক হবে। রাতে ঘুমানোর আগে মাত্র ১৫ মিনিট ব্যয় করুন সারা দিনের পরিকল্পনা করতে।

এটি শুধুমাত্র আপনার একটি খসড়া পরিকল্পনা যেন আপনি কি কি করবেন সারাদিন তা মনে রাখতে পারেন। এমন যেন না হয় যে আপনি ঘর থেকে বের হলেন আর আপনি জানেন না যে কোথায় যাবেন আর কি করবেন।

“I am happy because I’m grateful. I choose to be grateful. That gratitude allows me to be happy.” – Will Arnett

অনুপ্রেরণাই আসলে আমাদের সাফল্য অর্জনের জাদুর মত কাজ করে। তাই নিজেকে অনুপ্রেরিত করুন। আর আমাদেরকে নিচে কমেন্ট করে জানিয়ে দিন, আপনি কিভাবে নিজেকে অনুপ্রাণিত রাখছেন ।

12/06/2018

সফলতার পেছনে কম বেশি সবাই মরিয়া হয়ে ছুটি। অথচ টেকনিক্যালি পার্ট বাই পার্ট কাজ করলে সফলতাই মানুষের পেছনে ঘুরতে পারে। সফলতার রহস্যময়ী ধারাবাহিকতার বাকিটা নিজেই পড়ুন! যে সাবজেক্টটা কঠিন বলে, তুমি ফেল করেছ। সেই একই সাবজেক্টে, তোমার ক্লাসের অর্ধেকের বেশি পোলাপান ৬০ এর উপরে মার্কস পেয়েছে।

যে বৃষ্টির কারণে, যে ঠাণ্ডার ভয়ে তুমি ঘর থেকে বের হওনি। সেই একই বৃষ্টিতে ভিজে, একই ঠাণ্ডায় কেপে কেপে, রিক্সাওয়ালারা ঠিকই সংসার চালানোর টাকা কামিয়ে ঘরে ফিরেছে। যে শহরে ঘুষ, অনিয়ম আর আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে বিজনেসে নামার স্বপ্নটা মাটি চাপা দিয়ে রেখেছো। সেই একই শহরে তোমার পাশের ফ্ল্যাটের একজন, ব্যবসায় নেমে ঠিকই এগিয়ে গেছে। সো, সমস্যাটা আমলাতান্ত্রিক জটিলতা, শীতের ঠাণ্ডা কিংবা সাবজেক্ট কঠিন হওয়ার মধ্যে না। সমস্যাটা তোমার মধ্যে। তবে সে সমস্যাটা তোমার স্বপ্ন, সাহস, চেষ্টার কমতি বা সময়ের অভাবের মধ্যে না।

শুনো, যে সিগারেট ছাড়তে চায়, সে সিগারেট ছাড়তে পারে না। যে সামনের সেমিস্টারে দুনিয়া উল্টায় ফেলতে চায়, সে সেই সেমিস্টারেও আগের সেমিস্টারের মতো লাড্ডু মারে। তাই পুরা সেমিস্টার পড়ে তাল গাছে উঠে যাওয়ার চিন্তা না করে, ক্লাস লেকচার শেষ হওয়ার সাথে সাথে, ক্লাস লেকচারের একটা টপিক নিয়ে ৫ মিনিট বসে বসে বুঝার চেষ্টা করতে হবে।

কেউ যুদ্ধ জয় করে না, একজন একজন করে শত্রুপক্ষের সৈন্যকে পরাজিত করে। কেউ সাগর পাড়ি দেয় না, বৈঠা মেরে মেরে, ইঞ্চি ইঞ্চি করে সামনে এগুতে থাকে। কেউ বিশ্ব সেরা খেলোয়াড় হয় না, একটার পর একটা ম্যাচে, দুই-একটা করে গোল করতে থাকে। সফলতা কোন লটারি না। জন্মদিনে প্রেমিকার উপহারও না। সফলতা হচ্ছে- কনসিসটেন্সি (ধারাবাহিকতা)। এই কনসিসটেন্সি, রেজাল্ট বা আউটকামের কনসিসটেন্সি না। এইটা চেষ্টার কনসিসটেন্সি। লেগে থাকার কনসিসটেন্সি।

মানুষের চেষ্টা হচ্ছে পানির মতো। চান্স পাইলেই গড়িয়ে নিচে নেমে যাবে। রিলাক্স করার কোন পাত্র পাইলে, সেই পাত্রের আকার ধারণ করবে। আরো বেশি চান্স পাইলে, নদীর স্রোতের সাথে ভেসে ভেসে বঙ্গোপসাগরে নিয়ে তোমারে ডুবাবে। তাই রিলাক্স হইও না। লম্বা টার্গেট সেট করো না। বরং নেক্সট স্টেপের দিকে তাকাও। ছোট স্টেপটাই নিয়মিত দিতে থাকো। দেখবা, ছোট ছোট স্টেপ, পানির পাম্পের মতো তোমার চেষ্টার পানিকে একটু একটু করে উপরের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। এই একটু একটু করে এগিয়ে যেতে থাকলেই, একসময় পাহাড়ের চূড়া এসে তোমার পায়ের নিচে শিস বাজাবে।

30/05/2018

জীবনকে ক্রিকেটের ২২ গজি পিচের সাথে মিলিয়ে নিলে এখানে আপনি অনেক কিছুই মিল পাবেন ক্রিকেটের সাথে। এখানে আমরা খুব কম মানুষই আছি যারা Target দিই। প্রায় ই সবাই অন্যের দেয়া টার্গেট টাই Face & Chase করে যায়। এই যেমন পাশের বাসার ছেলেটি ডাক্তার/ইঞ্জিনিয়ার হলো; So অলিখিতভাবে টার্গেট টি আমার হয়ে গেল। তখন নিজের প্রতিভা কিসে; নিজের পারদর্শীতার জায়গা এসব ভুলে গিয়ে অন্যের দেয়া টার্গেটের পিছন পিছন ছুটি। হয়তো বা পরিবার; সমাজ এসবের চাপে ; না হয় অন্যোর মত করে ভাববার প্রবণতা থেকেই এটি হয়। একবার ও খেয়াল করি না Target না দিয়ে Target chase করাটা সবসময়ই একটা Extra pressure এর কাজ।Target chase করতে গেলে অনেক সময় ওভার প্রতি Asking run rate এর সাথে পাল্লা দিয়ে রান তোলা হয় না।(দিনের কাজ দিনে করা)। এতে Required run rate বেড়ে যায়। তাই অনেক সময় উল্টা পাল্টা শট খেলতে গিয়ে আউট হতে হয়। আমরা সবাই বাউন্ডারি ওভার বাউন্ডারি মেরে দ্রুত রান তোলার চেষ্টা করি।(Short cut এ কিছু পাওয়া)।কেউই Mid off; Mid on; Long off; Long on; সিলি; গালি পয়েন্টে বল ফেলে ১;২ রান নিয়ে টার্গেট গড়ে তোলার ধৈর্য্য দেখায় না।সমাজ; পরিবেশ এসব ফিল্ডার।আর আমি আপনি আমরা সবাই ভিন্ন ভিন্ন পিচ এ ব্যাট করে যাওয়া ব্যাটসম্যান। মহাকালের এক একটি দিন এক একটি বল। সব বল খেলতে নেই। কিছু বল ছেড়ে খেলতে হয়। বলগুলো কখনো ইন্সুইং; কখনো আউটসুইং; কখনো কার্টার ; কখনো রিভার্স সুইং(একটি হতে অন্যটি হয়ে যাওয়া); কখনো ফুল লেংথ্; কখনো গুড লেংথ; কখনো গুগলি; কখনো বিমার হয়ে আসে। বোলার খেলার মতো বল দিবে। ব্যাটসম্যান কে just wait করতে হয়। এখানে আবার ডাউন দ্যা উইকেটে খেলতে গেলেও প্রবলেম। (আগ বাড়িয়ে কিছু করা)। একটু মিস হলেই কিপার স্ট্যাম্পিং করে দেয়ার জন্যে ঘাপটি মেরে বসে থাকে। অর্থাৎ ব্যাপারটা এমন যে; জীবনে আপনি কিছু অর্জন করতে গেলে আপনার পেছনের জন আঘাত করতে প্রস্তুত আপনাকে। তাই আপনার উচিৎ T-20 মেজাজে না খেলে টেস্ট স্টাইলে খেলে যাওয়া। ক্রিকেট ম্যাচে দিনশেষে যে দল ভালো খেলে তারা যেমন জিতে ; জীবন ও শেষ ভালো যার সব ভালো তার এই নীতিতে চলে। আপনি যাচ্ছে তাই ভাবে ব্যাট করতে পারবেন না। দলের ও ম্যাচের পরিস্থিতির চাহিদার যুক্তি তে আপনাকে ব্যাট করতে হবে। জীবনে ও মানুষ #জীবনবোধ এর নিরিখে অনেককিছু করার স্বপ্ন দেখে। কিন্তু তার অল্প কিছুই যুক্তিবোধের সামনে পাত্তা পায়। এখানে জীবনবোধ আর যুক্তিবোধ এর সম্পর্ক ব্যস্তানুপাতিক। .... গ্যালারি তে আপনি প্রচুর দর্শক দেখতে পাবেন যারা আপনি আউট হয়ে গেলেই কড়া ভাষায় সমালোচনা করবে ; কিন্তু আপনার বাউন্ডারি ওভার বাউন্ডারি তে (কিছু অর্জনে) আড়াল থেকে হাত তালি টা পর্যন্ত দিবে না। এখানে আপনি সব পজিশনে একই ইনিংস খেলতে পারবেন না। আপনি টপ অর্ডারে যেভাবে খেলতে পারবেন মিডল/লো অর্ডারে ঐ ভাবে খেলতে পারবেন না। I mean; পরিবারে বড় ছেলে যে সুযোগ পায় ছোট টি তা পায় না।...... সবাই শচীন ; লারা; হেইডেন; তামিমদের মত readymade ব্যাটসম্যান কে দলে ভেড়াতে চায়; কেউই উদীয়মান শচীনদের সুযোগ দিতে চায় না।ঠিক তেমনি আপনি চাকরীর বাজারে যান কিংবা বিয়ের বাজারে ; সবাই experience আর readymade ; established কাউকে চাইবে; কেউই experienced আর established হবার chance টি দিবে না। .... তবে সবকিছুর উপ্রে ভালো একটা ইনিংস খেলতে ভালো একটি পার্টনারশিপের খুব প্রয়োজন। So; আপনার পার্টনার টি কে হচ্ছে ; কেমন হচ্ছে তা গুরুত্বপূর্ণ।. ..... ; চলুন খেলি

16/02/2018

‘যদি তুমি মনে করো তুমি পারবে তাহলে সেটাই সত্যি এবং যদি তুমি মনে করো তুমি পারবে না তাহলে সেটাও সত্যি। এখন তোমাকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে তুমি কোনটা করবে- হেনরি ফোর্ড।

মহান এই বিজয়ের অনুপ্রেরণায় এগিয়ে চলুক বাংলাদেশ। বিজয় দিবস শুভেচ্ছা ।
16/12/2017

মহান এই বিজয়ের অনুপ্রেরণায় এগিয়ে চলুক বাংলাদেশ। বিজয় দিবস শুভেচ্ছা ।

বিখ্যাত অভিনেতা আর্নল্ড শোয়ার্জনেগার তার নিজের সুবিখ্যাত ব্রোঞ্জ মূর্তির সামনে নিদ্রিত অবস্থার একটা ফটো পোস্ট করেন এবং ক...
08/12/2017

বিখ্যাত অভিনেতা আর্নল্ড শোয়ার্জনেগার তার নিজের সুবিখ্যাত ব্রোঞ্জ মূর্তির সামনে নিদ্রিত অবস্থার একটা ফটো পোস্ট করেন এবং ক্যাপশনে লিখেন- "সময় কীভাবে বদলায়!"
তিনি বৃদ্ধ হয়েছেন বলে এই বাক্যটি লেখেননি। তার এই ব্রোঞ্জ মূর্তিটি এই হোটেলটির সামনে যখন স্থাপন করা হয় তখন তিনি ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর ছিলেন এবং তিনিই হোটেলটি উদ্বোধন করেন। হোটেলের কর্মচারীরা তাকে সম্মানের সাথে প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেছিলো, যে কোন সময় আপনি এই হোটেলে এলে আপনার জন্য একটি সংরক্ষিত কক্ষ থাকবে।
পরবর্তীতে আর্নল্ড সেই হোটেলে গেলে তাকে হোটেল প্রশাসন থেকে বলা হয় যে, এই মুহূর্তে কোন ঘর খালি নেই তাই আপনাকে আমাদের ফেরাতে হচ্ছে। তিনি তখন একটি স্লিপিং জ্যাকেট এনে তার মূর্তির নীচে ঘুমিয়ে পড়েন এবং তার এই অবস্থা কল্পনা করার অনুরোধ করেন অন্যদের।
তিনি এটাই বলতে চেষ্টা করেছেন যে, মানুষ যখন তার অবস্থানে থাকে তখন মূল্যায়িত হয়, অন্যথায় নয়। সময় বদলায়। নিজের অবস্থান, ক্ষমতা বা বুদ্ধিমত্তার উপর অতিরিক্ত আস্থাবান হওয়া উচিৎ নয় কারোরই। স্থায়ী বলে কিছু নেই পৃথিবীতে...।
" চিরদিন কাহারো সমান নাহি যায়,, "
" কেউ থাকবে না যেখানে সে ছিলো,নিজেই জানে না কেন সরে গেলো,...... Collected

18/11/2017

= ''খতিয়ান'' কি?
= ''সি এস খতিয়ান'' কি?
= ''এস এ খতিয়ান'' কি?
= ''আর এস খতিয়ান'' কি?
= ''বি এস খতিয়ান'' কি?
=“দলিল” কাকে বলে?
=“খানাপুরি” কাকে বলে?
= ''নামজারি'' কাকে বলে ?
=“তফসিল” কাকে বলে?
=“দাগ” নাম্বার/''কিত্তা'' কাকে বলে?
= “ছুটা দাগ” কাকে বলে?
= ''পর্চা'' কাকে বলে ?
= ''চিটা'' কাকে বলে ?
= ''দখলনামা'' কাকে বলে ?
= “খাজনা” ককে বলে?
= ''বয়নামা'' কাকে বলে ?
= ''জমাবন্দি'' কাকে বলে ?
= ''দাখিলা'' কাকে বলে ?
= ''DCR'' কাকে বলে ?
=“কবুলিয়ত” কাকে বলে ?
= “ফারায়েজ” কাকে বলে?
= “ওয়ারিশ” কাকে বলে?
= ''হুকুমনামা'' কাকে বলে ?
= ''জমা খারিজ'' কাকে বলে ?
= ''মৌজা'' কি/ কাকে বলে ?
= “আমিন” কাকে বলে?
= “কিস্তোয়ার” কাকে বলে?
= “সিকস্তি” কাকে বলে ?
= “পয়ন্তি” কাকে বলে?
''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''
=খতিয়ানঃ
মৌজা ভিত্তিক এক বা একাধিক ভূমি মালিকের ভূ-সম্পত্তির বিবরণ সহ যে ভূমি রেকর্ড জরিপকালে প্রস্ত্তত করা হয় তাকে খতিয়ান বলে। এতে ভূমধ্যাধিকারীর নাম ও প্রজার নাম, জমির দাগ নং, পরিমাণ, প্রকৃতি, খাজনার হার ইত্যাদি লিপিবদ্ধ থাকে। আমাদের দেশে বিভিন্ন ধরনের খতিয়ানের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। তন্মধ্যে সিএস, এসএ এবং আরএস উল্লেখযোগ্য। ভূমি জরিপকালে ভূমি মালিকের মালিকানা নিয়ে যে বিবরণ প্রস্তুত করা হয় তাকে “থতিয়ান” বলে। খতিয়ান প্রস্তত করা হয় মৌজা ভিত্তিক।
= সি এস খতিয়ানঃ
১৯১০-২০ সনের মধ্যে সরকারি আমিনগণ প্রতিটি ভূমিখণ্ড পরিমাপ করে উহার আয়তন, অবস্থান ও ব্যবহারের প্রকৃতি নির্দেশক মৌজা নকশা এবং প্রতিটি ভূমিখন্ডের মালিক দখলকারের বিররণ সংবলিত যে খতিয়ান তৈরি করেন সিএস খতিয়ান নামে পরিচিত।
=এস এ খতিয়ানঃ
১৯৫০ সালের জমিদারি অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন পাসের পর সরকার জমিদারি অধিগ্রহণ করেন। তৎপর সরকারি জরিপ কর্মচারীরা সরেজমিনে মাঠে না গিয়ে সিএস খতিয়ান সংশোধন করে যে খতিয়ান প্রস্তুত করেন তা এসএ খতিয়ান নামে পরিচিত। কোনো অঞ্চলে এ খতিয়ান আর এস খতিয়ান নামেও পরিচিত। বাংলা ১৩৬২ সালে এই খতিয়ান প্রস্তুত হয় বলে বেশির ভাগ মানুষের কাছে এসএ খতিয়ান ৬২র
খতিয়ান নামেও পরিচিত।
= আর এস খতিয়ানঃ
একবার জরিপ হওয়ার পর তাতে উল্লেখিত ভুলত্রুটি সংশোধনের জন্য পরবর্তীতে যে জরিপ করা হয় তা আরএস খতিয়ান নামে পরিচিত। দেখা যায় যে, এসএ জরিপের আলোকে প্রস্তুতকৃত খতিয়ান প্রস্তুতের সময় জরিপ কর্মচারীরা সরেজমিনে তদন্ত করেনি। তাতে অনেক ত্রুটি-বিচ্যুতি রয়ে গেছে। ওই ত্রুটি-বিচ্যুতি দূর করার জন্য সরকার দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরেজমিনে ভূমি মাপ-ঝোঁক করে পুনরায় খতিয়ান প্রস্তুত করার উদ্যোগ নিয়েছেন। এই খতিয়ান আরএস খতিয়ান নামে পরিচিত। সারাদেশে এখন পর্যন্ত তা সমাপ্ত না হলেও অনেক জেলাতেই আরএস খতিয়ান চূড়ান্তভাবে প্রকাশিত হয়েছে।
সরকারি আমিনরা মাঠে গিয়ে সরেজমিনে জমি মাপামাপি করে এই খতিয়ান প্রস্তুত করেন বলে তাতে ভুলত্রুটি কম লক্ষ্য করা যায়। বাংলাদেশের অনেক এলাকায় এই খতিয়ান বি এস খতিয়ান নামেও পরিচিত।
= বি এস খতিয়ানঃ
সর্ব শেষ এই জরিপ ১৯৯০ সা পরিচালিত হয়। ঢাকা অঞ্চলে মহানগর জরিপ হিসাবেও পরিচিত।
= “দলিল” কাকে বলে?
যে কোন লিখিত বিবরণ আইনগত সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য তাকে দলিল বলা হয়। তবে রেজিস্ট্রেশন আইনের বিধান মোতাবেক জমি ক্রেতা এবং বিক্রেতা সম্পত্তি হস্তান্তর করার জন্য যে চুক্তিপত্র সম্পাদন ও রেজিস্ট্রি করেন সাধারন ভাবেতাকে দলিল বলে।
= “খানাপুরি” কাকে বলে?
জরিপের সময় মৌজা নক্সা প্রস্তুত করার পর খতিয়ান প্রস্তুতকালে খতিয়ান ফর্মের প্রত্যেকটি কলাম জরিপ কর্মচারী কর্তৃক পূরন করার প্রক্রিয়াকে খানাপুরি বলে।
= নামজারি কাকে বলে ?
ক্রয়সূত্রে/উত্তরাধিকার সূত্রে অথবা যেকোন সূত্রে জমির নতুন মালিক হলে নতুন মালিকের নাম সরকারি খতিয়ানভুক্ত করার প্রক্রিয়াকে নামজারী বলা হয়।
= “তফসিল” কাকে বলে?
জমির পরিচয় বহন করে এমন বিস্তারিত বিবরণকে “তফসিল” বলে। তফসিলে, মৌজার নাম, নাম্বার, খতিয়ার নাম্বার, দাগ নাম্বার, জমির চৌহদ্দি, জমির পরিমাণ সহ ইত্যাদি তথ্য সন্নিবেশ থাকে।
= “দাগ” নাম্বার কাকে বলে? / কিত্তা কি ?
দাগ শব্দের অর্থ ভূমিখ-। ভূমির ভাগ বা অংশ বা পরিমাপ করা হয়েছে এবং যে সময়ে পরিমাপ করা হয়েছিল সেই সময়ে ক্রম অনুসারে প্রদত্ত ওই পরিমাপ সম্পর্কিত নম্বর বা চিহ্ন।
যখন জরিপ ম্যাপ প্রস্তুত করা হয় তখন মৌজা নক্সায় ভূমির সীমানা চিহ্নিত বা সনাক্ত করার লক্ষ্যে প্রত্যেকটি ভূমি খন্ডকে আলাদা আলাদ নাম্বার দেয়া হয়। আর এই নাম্বারকে দাগ নাম্বার বলে। একেক দাগ নাম্বারে বিভিন্ন পরিমাণ ভূমি থাকতে পারে। মূলত, দাগ নাম্বার অনুসারে একটি মৌজার অধীনে ভূমি মালিকের সীমানা খূটিঁ বা আইল দিয়ে সরেজমিন প্রর্দশন করা হয়। দাগকে কোথাও কিত্তা বলা হয়।
= “ছুটা দাগ” কাকে বলে?
ভূমি জরিপকালে প্রাথমিক অবস্থায় নকশা প্রস্তুত অথবা সংশোধনের সময় নকশার প্রতিটি ভূমি এককে যে নাম্বার দেওয়া হয় সে সময় যদি কোন নাম্বার ভুলে বাদ পড়ে তাবে ছুটা দাগ বলে। আবার প্রাথমিক পর্যায়ে যদি দুটি দাগ একত্রিত করে নকশা পুন: সংশোধন করা হয় তখন যে দাগ নাম্বার বাদ যায় তাকেও ছুটা দাগ বলে।
= পর্চা কীঃ / “পর্চা” কাকে বলে?
ভূমি জরিপকালে চূড়ান্ত খতিয়ান প্রস্তত করার পূর্বে ভূমি মালিকদের নিকট খসড়া খতিয়ানের যে অনুলিপি ভুমি মালিকদের প্রদান করা করা হয় তাকে “মাঠ পর্চা” বলে। এই মাঠ পর্চা রেভিনিউ/রাজস্ব অফিসার কর্তৃক তসদিব বা সত্যায়ন হওয়ার পর যদি কারো কোন আপত্তি থাকে তাহলে তা শোনানির পর খতিয়ান চুড়ান্তভাবে প্রকাশ করা হয়। আর চুড়ান্ত খতিয়ানের অনুলিপিকে “পর্চা” বলে।
= চিটা কাকে বলে?
একটি ক্ষুদ্র ভূমির পরিমাণ, রকম ইত্যাদির পূর্ণ বিবরণ চিটা নামে পরিচিত। বাটোয়ারা মামলায় প্রাথমিক ডিক্রি দেয়ার পর তাকে ফাইনাল ডিক্রিতে পরিণত করার আগে অ্যাডভোকেট কমিশনার সরেজমিন জমি পরিমাপ করে প্রাথমিক ডিক্রি মতে সম্পত্তি এমনি করে পক্ষদের বুঝায়ে দেন। ওই সময় তিনি যে খসড়া ম্যাপ প্রস্তুত করেন তা চিটা বা চিটাদাগ নামে পরিচিত।
= দখলনামা কাকে বলে?
দখল হস্তান্তরের সনদপত্র। সার্টিফিকেট জারীর মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি কোনো সম্পত্তি নিলাম খরিদ করে নিলে সরকার পক্ষ সম্পত্তির ক্রেতাকে দখল বুঝিয়ে দেয়ার পর যে সনদপত্র প্রদান করেন তাকে দখলনামা বলে।
সরকারের লোক সরেজমিনে গিয়ে ঢোল পিটিয়ে, লাল নিশান উড়ায়ে বা বাঁশ গেড়ে দখল প্রদান করেন। কোনো ডিক্রিজারির ক্ষেত্রে কোনো সম্পত্তি নিলাম বিক্রয় হলে আদালত ওই সম্পত্তির ক্রেতাকে দখল বুঝিয়ে দিয়ে যে সার্টিফিকেট প্রদান করেন তাকেও দখলনামা বলা হয়। যিনি সরকার অথবা আদালতের নিকট থেকে কোনো সম্পত্তির দখলনামা প্রাপ্ত হন, ধরে নিতে হবে যে, দখলনামা প্রাপ্ত ব্যক্তির সংশ্লিষ্ট সম্পত্তিতে দখল আছে।
= “খাজনা” ককে বলে?
সরকার বার্ষিক ভিত্তিতে যে প্রজার নিকট থেকে ভূমি ব্যবহারের জন্য যে কর আদায় করে তাকে খাজনা বলে।.
= বয়নামা কাকে বলে?
১৯০৮ সালের দেওয়ানি কার্যবিধির ২১ আদেশের ৯৪ নিয়ম অনুসারে কোনো স্থাবর সম্পত্তির নিলাম বিক্রয় চূড়ান্ত হলে আদালত নিলাম ক্রেতাকে নিলামকৃত সম্পত্তির বিবরণ সংবলিত যে সনদ দেন তা বায়নামা নামে পরিচিত।
বায়নামায় নিলাম ক্রেতার নামসহ অন্যান্য তথ্যাবলি লিপিবদ্ধ থাকে। কোনো নিলাম বিক্রয় চূড়ান্ত হলে ক্রেতার অনুকূলে অবশ্যই বায়নামা দিতে হবে।
যে তারিখে নিলাম বিক্রয় চূড়ান্ত হয় বায়নামায় সে তারিখ উল্লেখ করতে হয়।
= জমাবন্দিঃ
জমিদারি আমলে জমিদার বা তালুকদারের সেরেস্তায় প্রজার নাম, জমি ও খাজনার বিবরণী লিপিবদ্ধ করার নিয়ম জমাবন্দি নামে পরিচিত। বর্তমানে তহশিল অফিসে অনুরূপ রেকর্ড রাখা হয় এবং তা জমাবন্দি নামে পরিচিত।
= দাখিলা কাকে বলে?
সরকার বা সম্পত্তির মালিককে খাজনা দিলে যে নির্দিষ্ট ফর্ম বা রশিদ ( ফর্ম নং১০৭৭) প্রদান করা হয় তা দাখিলা বা খাজনার রশিদ নামে পরিচিত।
দাখিলা কোনো স্বত্বের দলিল নয়, তবে তা দখল সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ বহন করে।
= DCR কাকে বলে?
ভূমি কর ব্যতিত আন্যান্য সরকারি পাওনা আদায় করার পর যে নির্ধারিত ফর্মে (ফর্ম নং ২২২) রশিদ দেওয়া হয় তাকে DCR বলে।
=“কবুলিয়ত” কাকে বলে?
সরকার কর্তৃক কৃষককে জমি বন্দোবস্ত দেওয়ার প্রস্তাব প্রজা কর্তৃক গ্রহণ করে খাজনা প্রদানের যে অঙ্গিকার পত্র দেওয়া হয় তাকে কবুলিয়ত বলে।
= “ফারায়েজ” কাকে বলে?
ইসলামি বিধান মোতাবেক মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি বন্টন করার নিয়ম ও প্রক্রিয়াকে ফারায়েজ বলে।
= “ওয়ারিশ” কাকে বলে?
ওয়ারিশ অর্থ উত্তরাধিকারী । ধর্মীয় বিধানের অনুয়ায়ী কোন ব্যক্তি উইল না করে মৃত্যু বরন করলেতার স্ত্রী, সন্তান বা নিকট আত্মীয়দের মধ্যে যারা তার রেখে যাওয়া সম্পত্তিতে মালিক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন এমন ব্যক্তি বা ব্যক্তিগণকে ওয়ারিশ বলে।
= হুকুমনামা কাকে বলে?
আমলনামা বা হুকুমনামা বলতে জমিদারের কাছ থেকে জমি বন্দোবস্ত নেয়ার পর প্রজার স্বত্ব দখল প্রমাণের দলিলকে বুঝায়। সংক্ষেপে বলতে গেলে জমিদার কর্তৃক প্রজার বরাবরে দেয়া জমির বন্দোবস্ত সংক্রান্ত নির্দেশপত্রই আমলনামা।
= জমা খারিজ কিঃ
জমা খারিজ অর্থ যৌথ জমা বিভক্ত করে আলাদা করে নতুন খতিয়ান সৃষ্টি করা। প্রজার কোন জোতের কোন জমি হস্তান্তর বা বন্টনের কারনে মূল খতিয়ান থেকে কিছু জমি নিয়ে নুতন জোত বা খতিয়ান খোলাকে জমা খারিজ বলা হয়। অন্য কথায় মূল খতিয়ান থেকে কিছু জমির অংশ নিয়ে নতুন জোত বা খতিয়ান সৃষ্টি করাকে জমা খারিজ বলে।
= “মৌজা” কাকে বলে?
CS জরিপ / ক্যাডষ্টাল জরিপ করা হয় তখন থানা ভিত্তিক এক বা একাধিক গ্রাম, ইউনিয়ন, পাড়া, মহল্লা অালাদা করে বিভিন্ন এককে ভাগ করে ক্রমিক নাম্বার দিয়ে চিহ্তি করা হয়েছে। আর বিভক্তকৃত এই প্রত্যেকটি একককে মৌজা বলে।। এক বা একাদিক গ্রাম বা পাড়া নিয়ে একটি মৌজা ঘঠিত হয়।
= “আমিন” কাকে বলে?
ভূমি জরিপের মাধ্যমে নক্সা ও খতিয়ান প্রস্তত ও ভূমি জরিপ কাজে নিজুক্ত কর্মচারীকে আমিন বলে।
= “কিস্তোয়ার” কাকে বলে?
ভূমি জরিপ কালে চতুর্ভুজ ও মোরব্বা প্রস্তত করার পর সিকমি লাইনে চেইন চালিয়ে সঠিকভাবে খন্ড খন্ড ভুমির বাস্তব ভৌগলিক চিত্র অঙ্কনের মাধ্যমে নকশা প্রস্তুতের পদ্ধতিকে কিস্তোয়ার বলে।
= “সিকস্তি” কাকে বলে?
নদী ভাংঙ্গনের ফলে যে জমি নদী গর্ভে বিলিন হয়ে যায় তাকে সিকন্তি বলে। সিকন্তি জমি যদি ৩০ বছরের মধ্যে স্বস্থানে পয়ন্তি হয় তাহলে সিকন্তি হওয়ার প্রাক্কালে যিনি ভূমি মালিক ছিলেন তিনি বা তাহার উত্তরাধিকারগন উক্ত জমির মালিকানা শর্ত সাপেক্ষ্যে প্রাপ্য হবেন।

= “পয়ন্তি” কাকে বলে?
নদী গর্ভ থেকে পলি মাটির চর পড়ে জমির সৃষ্টি হওয়াকে পয়ন্তি বলে।
--------------------------
আপনার এবং আপনার ভবিষ্যৎ প্রজন্মের বসবাস উপযোগী বসতভিটা এবং চাষাবাদযোগ্য
জমিকে নির্ভেজাল রাখতে আপনি সচেতন হোন।
---------------------------
আপনি আপনার বন্ধুদের তথা আপনজনদেরকে উপরোক্ত আইনটি/ তথ্যটি জানাতে অগ্রহী হলে #শেয়ার করুন.
আইন জানুন, সচেতন হোন, সতর্ক থাকুন।
পরবর্তী আপডেট পেতে লাইক, কমেন্ট, শেয়ার করে একটিভ থাকুন,
...... ..... ...

21/08/2017

যার বাবা মারা গেল একমাত্র সে-ই জানে, বাবা হারাতে কেমন লাগে। আর বাকিদের কাছে সেটা শুধু "মানুষ মরনশীল " এর মত একটি প্রবাদ বাক্য। "পৃথিবীতে সবাইকে একদিন মরতে হবে " - বলে সান্ত্বনা দেয়া খুব সহজ কাজ। শুধু এই সান্ত্বনা নিয়ে বেঁচে থাকাটা তার জন্যই কঠিন, যারা বাবাটা আসলেই মারা গেছে। আমি যখন ভার্সিটিতে পড়তাম, তখন আমার বাবাও মারা যান। বাবা জীবিত অবস্থায় আমাকে যে পৃথিবী চিনাতে পারেননি, মৃত্যুর পর বাবার অনুপস্থিতি আমাকে সেই পৃথিবী চিনিয়ে দিল মাত্র এক সপ্তাহেই। এটাই আমার লাইফের শ্রেষ্ঠ ট্রেইনিং।

আপনি একটা ভুল করুন, দেখবেন আপনাকে উপদেশ দেয়ার মানুষের অভাব হবে না। কিন্তু দশটা সঠিক কাজ করার পরও দেখবেন কেউ আপনাকে অভিনন্দন জানাতে আসবে না। আপনি একবার রেজাল্ট খারাপ করুন, দেখবেন ৩ বার রেজাল্ট খারাপ করা লোকটিও আপনাকে পরামর্শ দিতে আসবে। কিন্তু খুব ভালো রেজাল্ট করুন, দেখবেন আপনার পাশের মিষ্টি খেতেও অনেকের গলায় আটকে যাবে। আপনি একবার ইন্টারভিউতে ব্যর্থ হোন, দেখবেন আপনি ব্যর্থ হওয়ার ১০১ টি কারণ বলে দিবে আপনার প্রতিবেশি হিংসুক। কিন্তু আপনি স্মার্ট বেতনের হ্যান্ডসাম জবটা একবার পেয়ে যান, দেখবেন 'ব্যর্থতার ১০১ টি কারণ' আবিষ্কার করা লোকটির কয়েক রাত স্লিপিং টেবলেট ছাড়া ঘুম হবে না।

আপনাকে সাহায্য করবে- এমন চুক্তিতে স্বাক্ষর করে পৃথিবীতে কেউই জন্মায়নি। তবে জন্মের পর প্রতিনিয়ত অনেক প্রতিদ্বন্দ্বী অলরেডি তৈরী হয়ে গেছে, যারা মনে প্রাণে চায় আপনার পজিশান তাদের নিচে হোক। মেনে নিন আর নাই মানুন, এটাই চরম বাস্তবতা। সবাইকে হারানোর কম্পিটিশনে নামলে আপনি নিজেই হেরে যেতে পারেন। আপনি শুধু নিজেকে টার্গেট করে নিজেকেই জয়ী করার প্ল্যান করুন, বাকিরা তো এমনিতেই হেরে যাবে।
©
Satyajit Chakraborty
Public Speaker & Corporate Trainer
Founder, Bangladesh Career Club
Writer, Motivational Book
------------------
#সতর্কীকরণঃ লেখাগুলো আমার বইয়ের কপিরাইট আইনভুক্ত।

11/08/2017

#ক্যাডার_হওয়ার_মন্ত্র:

সর্ম্পূণ শরীর প্যারালাইসড; এই ব্যক্তিটি বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানী #স্টেফিন_হকিং। বিশ্বের জীবিত মানুষগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি পরিশ্রমী এই গবেষক। শরীরের কোন অংশই কাজ করেনা। কথা বলতে পারেনা, শ্রবণ শক্তিও নাই। চলাফেরাও করতে পারেনা। শুধু #ভয়েস_সিনথিসাইজার সফট ওয়ার ও কিছু যন্ত্রের মাধ্যমে তার ব্রেনের ওয়েভ ও চিন্তা বুঝা যায়।

তার যশ, খ্যাতি, সম্পদ, স্বীকৃতি কিছুরই অভাব নাই। তাও সে দিনে ্টা গবেষণা করে। কিন্তু আপনার কিছুই নাই; নিজে একটা ভাল চাকুরিই যোগাড় করতে পারেন নি। অথচ আপনি পানির প্রবাহের মত সময়গুলোকে অপচয় করে চলেছেন।

আপনার জীবনের বাকি ৭০ বছর নির্ভর করছে যে ক্যারিয়ারের ওপর; যে ক্যারিয়ারের জন্য আপনার বাবা-মা আপনাকে ২৫ বছর ধরে তিলে তিলে গড়ে তুলেছে; তার জন্য আপনি কি পরিশ্রম করছেন??? আর কবে জেগে উঠবে, আর কখন ঝাঁপিয়ে পড়বেন!!!! শুনুন সময় এখনও শেষ হয়ে যায় নি:::

জীবনে সবকিছু পেয়েও যদি বয়সে হকিং, ্টা পরিশ্রম করতে পারে; তবে কোন জিনিস আপনাকে আটকে রেখেছে??? শুধু একটি কথায় বলব ঝাঁপিয়ে পড়ুন। আপনার সমালোচকদের জবাব দেওয়ার জন্য নিজেকে তৈরি করুন।

অতীতে আর ফিরতে পারবেন না তাই অতীতকে ভুলে যান। কারণ যারা অতীতে যারা যত বেশি ব্যর্থ ছিল ভবিষ্যতে তারাই সবচেয়ে বেশি প্রতিষ্ঠিত। মানুষ অতীত ও ভবিষ্যতে বাস করেনা। বাস করে বর্তমানে । তাই যার বর্তমান ভাল না; তার ভবিষ্যৎ ভাল হতে পারেনা। তাই ভবিষ্যৎ কে সুন্দর করতে বর্তমানকে কাজে লাগান।

ব্যর্থতায়; অন্যের কটূ সমালোচনায়, অন্যের অনাস্থায় রাতে গোপনে চোখের পানি ফেলে নয়; শোককে শক্তিতে পরিণত করুন। জেগে উঠুন আপন শক্তিতে। মহান আল্লাহ তায়লা আপনার সাথে আছে। বলে উঠুন; মন্ত্রের সাধান, কিংবা শরীর পাতন।
পৃথিবীতে #সফলতার_দুটি_নিয়ম আছে; ১. তুমি যা ভালবাস তাই কর; কেউ তোমাকে স্টার হওয়া থেকে ঠেকাতে পারবে না। আর ২. তা যদি না পার; তবে যা করছ তাকে ভালবাসা শুরু কর। সেটিও তোমাকে সফল করে তুলবে

Indirizzo

Turin
4203A07468

Telefono

+8801864836040

Sito Web

Notifiche

Lasciando la tua email puoi essere il primo a sapere quando Aziz-Mohammad Group pubblica notizie e promozioni. Il tuo indirizzo email non verrà utilizzato per nessun altro scopo e potrai annullare l'iscrizione in qualsiasi momento.

Condividi