জর্ডান আমরা প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটি

  • Home
  • Jordan
  • Amman
  • জর্ডান আমরা প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটি

জর্ডান আমরা প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটি We stay all the way till you reach success and ultimate Health, Wealth and Happiness

DXN was founded by Datuk Dr. Lim Siow Jin, a graduate from the prestigious Indian Institute of Technology. Datuk Dr. Lim started the business in quest of the benefits of mushroom on human health. His deep interest and endless effort drove him to utilize the fullest potential of Ganoderma or Lingzhi, which is well-known as the King of Herbs, for human health and wealth, with the establishment of DXN in 1993. The core business activities of DXN include cultivation, manufacturing and marketing of the health food supplements. Based in Malaysia with worldwide operations, the company is well-known for its Ganoderma business. Its product lines include dietary supplements, food and beverages, personal care products, skin care and cosmetics, household products and water treatment system. Since its inception in 1993, DXN has upheld its concept of 'One Dragon One World One Market and One Mind'. With this powerful concept, DXN has sailed through continuous growth over the years. On 30 September 2003, DXN Holdings Berhad was listed on the Main Board of Bursa Malaysia. DXN was delisted on 27 December 2011 due to a take-over offer by the founder. DXN Holdings Berhad is the investment holdings and management company of DXN Group. DXN's high regard for quality earned the company many outstanding citations and recognitions from various health and business organizations. Along with the solid foundation and sustainable development, DXN has rapidly diversified into other business activities, which include property, information technology, etc. In its core business of direct selling, the rapid global expansion of DXN is recognized internationally by its vast growth of distributors worldwide and its amplification of footprint in key strategic locations. With over 10 million registered distributors worldwide, DXN is solidifying its position as the world leader in Ganoderma products.

আমরা সবাই জীবনে সামনে এগিয়ে যেতে চাই।সফল হতে চাই, শান্তিতে থাকতে চাই, নিজের স্বপ্নগুলো পূরণ করতে চাই।কিন্তু অনেক সময় আমা...
02/08/2026

আমরা সবাই জীবনে সামনে এগিয়ে যেতে চাই।
সফল হতে চাই, শান্তিতে থাকতে চাই, নিজের স্বপ্নগুলো পূরণ করতে চাই।

কিন্তু অনেক সময় আমাদের সামনে সবচেয়ে বড় বাধা কোনো মানুষ, পরিস্থিতি কিংবা ভাগ্য নয়।
সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়—আমাদের নিজের কিছু আচরণ।

এমন চার ধরনের মানসিকতা আছে, যেগুলো মানুষকে ধীরে ধীরে তার লক্ষ্য থেকে দূরে সরিয়ে দেয়।

প্রথমত—সব সময় নিজেকে ভুক্তভোগী মনে করা।
দ্বিতীয়ত—নিজেকে সবজান্তা ভাবা।
তৃতীয়ত—প্রতিটি ব্যর্থতার জন্য অজুহাত তৈরি করা।
এবং চতুর্থত—সব কাজ আগামীকালের জন্য ফেলে রাখা।

এই মানুষগুলো খারাপ নয়।
বরং তারা এমন কিছু অভ্যাসের মধ্যে আটকে গেছে, যা পরিবর্তন না করলে জীবনে সামনে এগিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।

আজ আমরা জানব এই চার ধরনের মানুষের জীবন কেমন হয়, কেন তারা এমন আচরণ করে এবং কীভাবে তারা নিজেদের পরিবর্তন করতে পারে।

১. Victim Mentality — ভুক্তভোগী মানসিকতা

ভুক্তভোগী মানসিকতার মানুষ মনে করে, তার জীবনে যা কিছু খারাপ ঘটছে, তার জন্য সব সময় অন্য কেউ দায়ী।

সে বলতে থাকে—

“আমার সঙ্গেই কেন এমন হয়?”
“অন্যরা সুযোগ পায়, আমি পাই না কেন?”
“আমার পরিবার আমাকে সাহায্য করেনি।”
“আমার শিক্ষক ভালো ছিল না।”
“আমার বন্ধুদের কারণে আমি পিছিয়ে গেছি।”
“আমার ভাগ্যই খারাপ।”

তার জীবনের প্রতিটি সমস্যার পেছনে সে একজন অপরাধী খুঁজে বের করে—কখনো পরিবার, কখনো বন্ধু, কখনো সমাজ, কখনো অর্থনৈতিক অবস্থা, আবার কখনো ভাগ্য।

বাস্তবতা হলো, জীবনে অনেক অন্যায় ঘটনা সত্যিই ঘটে।
সব পরিস্থিতির জন্য একজন মানুষ দায়ী নয়।
কিন্তু সমস্যা শুরু হয় তখন, যখন সে নিজের নিয়ন্ত্রণে থাকা বিষয়গুলোর দায়িত্বও নিতে চায় না।

তাদের জীবন কেমন হয়ে ওঠে?

ভুক্তভোগী মানসিকতার মানুষ বারবার একই সমস্যায় পড়ে।
কারণ সে সমস্যার সমাধান খোঁজার পরিবর্তে শুধু দোষী মানুষ খুঁজে বেড়ায়।

সে পরিবর্তনের চেষ্টা করে না, কারণ তার বিশ্বাস—

“আমি তো কিছুই করতে পারব না।”
“সবকিছু অন্য মানুষের হাতে।”

ফলে ধীরে ধীরে তার আত্মবিশ্বাস কমে যায়।
মানুষ তার কাছ থেকে দূরে সরে যেতে শুরু করে।
কারণ প্রতিটি আলোচনাই অভিযোগ, হতাশা ও দোষারোপে পরিণত হয়।

সবচেয়ে দুঃখজনক বিষয় হলো—সে নিজের শক্তিটুকুও ভুলে যায়।

পরিবর্তনের পথ

ভুক্তভোগী মানসিকতা থেকে বের হওয়ার প্রথম ধাপ হলো একটি প্রশ্ন করা—

“এই পরিস্থিতির কোন অংশটি আমার নিয়ন্ত্রণে আছে?”

অন্য মানুষ কী করেছে, সেটি হয়তো আপনি পরিবর্তন করতে পারবেন না।
কিন্তু আপনি এখন কী করবেন, সেটি আপনার হাতে।

“আমার সঙ্গে কেন এমন হলো?”—এই প্রশ্নের পরিবর্তে জিজ্ঞেস করতে হবে—

“এখন এখান থেকে আমি কীভাবে সামনে এগোব?”

নিজের ভুল স্বীকার করা মানে নিজেকে ছোট করা নয়।
বরং নিজের জীবনকে আবার নিজের হাতে নেওয়া।

অভিযোগের জায়গায় দায়িত্ব এলে মানুষ দুর্বল হয় না—শক্তিশালী হয়।

২. Knows Everything — সবজান্তা মানসিকতা

এই ধরনের মানুষ মনে করে, সে সবকিছুই জানে।

কেউ তাকে পরামর্শ দিলে সে বলে—

“এটা আমি আগে থেকেই জানি।”
“তোমাকে আমাকে শেখাতে হবে না।”
“আমি বুঝি কী করতে হবে।”
“আমার চিন্তাই ঠিক।”

কিন্তু মজার বিষয় হলো, সে অনেক কিছু জানলেও তার জীবনে সেই জ্ঞানের প্রয়োগ খুব কম দেখা যায়।

সে বই পড়ে, ভিডিও দেখে, মানুষের ভুল ধরে, দীর্ঘ আলোচনা করে—কিন্তু নিজে কাজ করার সময় পিছিয়ে যায়।

তাদের জীবনে কী ঘটে?

সবজান্তা মানুষ শেখার দরজা নিজেই বন্ধ করে দেয়।

কারণ শেখার জন্য প্রথমে স্বীকার করতে হয়—

“আমি সবকিছু জানি না।”

যে ব্যক্তি নিজের অজ্ঞতাকে স্বীকার করতে পারে না, সে নতুন কিছু গ্রহণও করতে পারে না।

সময়ের সঙ্গে পৃথিবী বদলায়, কাজের ধরন বদলায়, প্রযুক্তি বদলায়, মানুষের চিন্তা বদলায়।
কিন্তু সবজান্তা মানুষ পুরোনো ধারণাকেই চূড়ান্ত সত্য মনে করে আঁকড়ে ধরে থাকে।

ফলে সে আলোচনায় জিতলেও বাস্তব জীবনে পিছিয়ে পড়ে।

মানুষও ধীরে ধীরে তার সঙ্গে খোলামেলা কথা বলা বন্ধ করে দেয়।
কারণ কেউই এমন একজনকে পরামর্শ দিতে চায় না, যে শোনার আগেই নিজেকে সঠিক ঘোষণা করে দেয়।

পরিবর্তনের পথ

সবজান্তা মানসিকতা পরিবর্তনের সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো—শোনার অভ্যাস তৈরি করা।

কেউ কিছু বললে সঙ্গে সঙ্গে উত্তর না দিয়ে ভাবুন—

“এই কথার মধ্যে আমার শেখার মতো কিছু আছে কি?”

“আমি জানি”—এই কথাটির পরিবর্তে বলুন—

“আমি বিষয়টি সম্পর্কে কিছুটা জানি, তবে আপনার দৃষ্টিভঙ্গিটাও শুনতে চাই।”

জ্ঞানী মানুষ সব সময় কথা বলে না।
সে প্রশ্ন করে, পর্যবেক্ষণ করে, ভুল স্বীকার করে এবং নতুন তথ্য পেলে নিজের মতামত সংশোধন করে।

নিজেকে প্রমাণ করার চেয়ে নিজেকে উন্নত করার দিকে মনোযোগ দিতে হবে।

কারণ সত্যিকারের জ্ঞান অহংকার বাড়ায় না—নম্রতা বাড়ায়।

৩. Excuse Makers — অজুহাত তৈরি করা মানুষ

অজুহাতপ্রবণ মানুষের কাছে কাজ না করার অসংখ্য কারণ থাকে।

“সময় পাইনি।”
“পরিবেশ ভালো ছিল না।”
“আমার প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি নেই।”
“আজ শরীরটা ভালো লাগছে না।”
“আগে একটু প্রস্তুতি নিই।”
“পরিস্থিতি ঠিক হলে শুরু করব।”

তারা কাজের চেয়ে কাজ না করার কারণ খুঁজতেই বেশি শক্তি ব্যয় করে।

অজুহাত সাময়িকভাবে মানুষকে অপরাধবোধ থেকে রক্ষা করে।
কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে এটি তাকে তার লক্ষ্য থেকে দূরে সরিয়ে দেয়।

তাদের জীবন কেমন হয়?

অজুহাত তৈরি করতে করতে মানুষ নিজের কাছেই অবিশ্বাসযোগ্য হয়ে ওঠে।

সে নিজেকে বলে—

“আগামী সপ্তাহ থেকে নিয়মিত পড়ব।”
“এই মাস থেকেই কাজ শুরু করব।”
“পরের সুযোগটা আমি নষ্ট করব না।”

কিন্তু বারবার কথা ভাঙার ফলে তার নিজের ওপর বিশ্বাস কমে যায়।

একসময় সে সত্যিই ভাবতে শুরু করে—

“হয়তো আমি পারব না।”

আসলে সে অক্ষম নয়।
সে শুধু নিজের অস্বস্তির মুখোমুখি হতে চায় না।

কারণ কাজ শুরু করলে ব্যর্থ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
সমালোচনা হতে পারে।
পরিশ্রম করতে হয়।
নিজের সীমাবদ্ধতার মুখোমুখি হতে হয়।

তাই অজুহাত অনেক সময় ভয় লুকানোর একটি পদ্ধতি হয়ে দাঁড়ায়।

পরিবর্তনের পথ

অজুহাত বন্ধ করতে প্রথমে নিজের ভাষা পরিবর্তন করতে হবে।

“আমার সময় নেই”—এর পরিবর্তে বলুন—

“আমি এই কাজটিকে এখনো যথেষ্ট অগ্রাধিকার দিইনি।”

এই বাক্যটি অস্বস্তিকর, কিন্তু সত্যকে পরিষ্কার করে।

বড় কাজের জন্য আদর্শ পরিবেশের অপেক্ষা না করে ছোট পদক্ষেপ নিতে হবে।

এক ঘণ্টা সময় নেই?
দশ মিনিট কাজ করুন।

সব প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম নেই?
যা আছে, তা দিয়েই প্রাথমিক কাজ শুরু করুন।

সম্পূর্ণ প্রস্তুত নন?
শেখার জন্যই শুরু করুন।

অজুহাতের বিপরীত হলো বিশাল সাফল্য নয়।
অজুহাতের বিপরীত হলো—একটি ছোট বাস্তব কাজ।

৪. Procrastinator — কাজ ফেলে রাখা মানুষ

কাজ ফেলে রাখা মানুষ সব সময় আগামীকালের অপেক্ষা করে।

সে বলে—

“আজ থেকে শুরু করব না, কাল থেকে করব।”
“এখন মন বসছে না।”
“চাপ এলে দ্রুত শেষ করে ফেলব।”
“আরেকটু সময় পেলে ভালোভাবে করতে পারব।”

কিন্তু সেই আগামীকাল বারবার আসে, আবার চলে যায়।

কেন মানুষ কাজ ফেলে রাখে?

অনেকে মনে করে কাজ ফেলে রাখা শুধুই অলসতা।
কিন্তু সব সময় তা নয়।

মানুষ বিভিন্ন কারণে কাজ পিছিয়ে দেয়—

কাজটি কঠিন মনে হয়।
কোথা থেকে শুরু করবে বুঝতে পারে না।
নিখুঁতভাবে করতে চায়।
ব্যর্থ হওয়ার ভয় পায়।
কাজটি বিরক্তিকর মনে হয়।
তাৎক্ষণিক আনন্দকে দীর্ঘমেয়াদি লাভের চেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়।

ফলে গুরুত্বপূর্ণ কাজটি পড়ে থাকে, আর মানুষ ফোন দেখা, ভিডিও দেখা, অপ্রয়োজনীয় কাজ করা কিংবা পরিকল্পনা করেই সময় কাটায়।

তাদের জীবনের পরিণতি

প্রথমে কাজ ফেলে রাখা আরাম দেয়।
কিন্তু পরে সেই আরামই চাপ, ভয় ও অপরাধবোধে পরিণত হয়।

সময়সীমা কাছে এলে তাড়াহুড়ো শুরু হয়।
কাজের মান কমে যায়।
ঘুম নষ্ট হয়।
মানসিক চাপ বাড়ে।

সবচেয়ে বড় ক্ষতি হয় নিজের পরিচয়ে।

মানুষ নিজেকে বলতে শুরু করে—

“আমি এমনই।”
“আমি কখনো নিয়মিত হতে পারি না।”

কিন্তু কাজ ফেলে রাখা কোনো স্থায়ী পরিচয় নয়।
এটি একটি শেখা অভ্যাস, যা পরিবর্তন করা সম্ভব।

পরিবর্তনের পথ

কাজটি শেষ করার চিন্তা না করে শুধু শুরু করার লক্ষ্য তৈরি করুন।

নিজেকে বলুন—

“আমি মাত্র পাঁচ মিনিট কাজ করব।”

পাঁচ মিনিটের শুরু অনেক সময় ত্রিশ মিনিটের কাজে পরিণত হয়।

বড় কাজকে ছোট অংশে ভাগ করুন।

“পুরো বই পড়ব”—এটি ভয় তৈরি করতে পারে।
কিন্তু “আজ পাঁচ পৃষ্ঠা পড়ব”—এটি সহজ।

“সম্পূর্ণ প্রজেক্ট শেষ করব”—কঠিন শোনায়।
কিন্তু “আজ শুধু প্রথম অংশটির খসড়া তৈরি করব”—এটি বাস্তবসম্মত।

কাজের নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করুন।

“পরে করব”—এর পরিবর্তে বলুন—

“রাত আটটা থেকে আটটা ত্রিশ পর্যন্ত আমি এই কাজটি করব।”

প্রেরণার অপেক্ষা করবেন না।
অনেক সময় কাজ শুরু করার পরেই প্রেরণা আসে।

চার ধরনের আচরণের মধ্যে সম্পর্ক

এই চারটি আচরণ আলাদা মনে হলেও অনেক সময় একে অপরের সঙ্গে যুক্ত থাকে।

একজন মানুষ প্রথমে কাজ ফেলে রাখে।
কাজ শেষ করতে না পেরে অজুহাত তৈরি করে।
ব্যর্থ হলে অন্যদের দোষ দেয়।
তারপর নিজের ভুল না মেনে নিজেকে সবজান্তা হিসেবে উপস্থাপন করে।

উদাহরণ হিসেবে একজন শিক্ষার্থীর কথা ভাবুন।

সে নিয়মিত পড়াশোনা করল না—এটি কাজ ফেলে রাখা।
পরীক্ষার আগে বলল, সময় ছিল না—এটি অজুহাত।
ফল খারাপ হলে শিক্ষককে দোষ দিল—এটি ভুক্তভোগী মানসিকতা।
কেউ পড়াশোনার পরামর্শ দিলে বলল, “আমি সব জানি”—এটি সবজান্তা মানসিকতা।

এই চক্রটি না ভাঙলে একই ঘটনা জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বারবার ঘটতে থাকে।

পরিবর্তনের চারটি মূল নীতি

এই চার ধরনের আচরণ থেকে বের হওয়ার জন্য চারটি সহজ কিন্তু শক্তিশালী নীতি অনুসরণ করা যায়।

এক: দোষ নয়, দায়িত্ব

যা ঘটে গেছে, তার সবকিছু আপনার নিয়ন্ত্রণে ছিল না।
কিন্তু এরপর আপনি কী করবেন, সেটি অনেকাংশে আপনার হাতে।

দুই: প্রমাণ নয়, শেখা

সব সময় নিজেকে সঠিক প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।
ভুল স্বীকার করা এবং নতুন কিছু শেখা উন্নতির অংশ।

তিন: অজুহাত নয়, ছোট পদক্ষেপ

আদর্শ সময়, আদর্শ পরিবেশ বা সম্পূর্ণ প্রস্তুতির অপেক্ষা না করে ছোট কাজ শুরু করুন।

চার: আগামীকাল নয়, আজ

ভবিষ্যৎ কোনো রহস্যময় দিনে পরিবর্তিত হয় না।
আজকের ছোট সিদ্ধান্তগুলোই ভবিষ্যৎ তৈরি করে।

পরিশেষে,

নিজের মধ্যে এই আচরণগুলোর কোনোটি দেখতে পাওয়া লজ্জার বিষয় নয়।

আমাদের প্রায় প্রত্যেকের মধ্যেই কখনো না কখনো ভুক্তভোগী মানসিকতা আসে।
আমরা কখনো অহংকারের কারণে অন্যের কথা শুনি না।
কখনো অজুহাত তৈরি করি।
আবার কখনো গুরুত্বপূর্ণ কাজটি আগামীকালের জন্য রেখে দিই।

সমস্যা আচরণটির উপস্থিতি নয়।
সমস্যা হলো—আচরণটিকে চিনেও পরিবর্তন না করা।

আজ নিজের কাছে চারটি প্রশ্ন করুন—

আমি কি সব সময় অন্যদের দোষ দিচ্ছি?
আমি কি শেখার পরিবর্তে নিজেকে সঠিক প্রমাণ করছি?
আমি কি কাজের বদলে অজুহাত তৈরি করছি?
আমি কি গুরুত্বপূর্ণ কাজ বারবার পিছিয়ে দিচ্ছি?

এই প্রশ্নগুলোর কোনো একটির উত্তর যদি “হ্যাঁ” হয়, তাহলে নিজেকে দোষ দেবেন না।

শুধু একটি ছোট পরিবর্তন দিয়ে শুরু করুন।

একটি দায়িত্ব গ্রহণ করুন।
একটি পরামর্শ মন দিয়ে শুনুন।
একটি অজুহাত বাদ দিন।
এবং যে কাজটি কাল করার কথা ভাবছিলেন—আজই তার প্রথম পাঁচ মিনিট শুরু করুন।

কারণ জীবনের বড় পরিবর্তন সব সময় বড় সিদ্ধান্ত থেকে আসে না।

অনেক সময় পরিবর্তন শুরু হয় সেই মুহূর্তে,
যখন একজন মানুষ অভিযোগ বন্ধ করে দায়িত্ব নেয়,
অহংকার ছেড়ে শেখে,
অজুহাত বাদ দিয়ে কাজ করে,
এবং আগামীকালের অপেক্ষা না করে আজই প্রথম পদক্ষেপ নেয়।

Create by JALAL UDDIN, ADMIN জর্ডান আমরা প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটি





























🦷✨ হাসি হোক আত্মবিশ্বাসের পরিচয়!প্রতিদিন আমরা যা ব্যবহার করি, সেটিই আমাদের ওরাল হেলথে সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলে। তাই বেছ...
28/07/2026

🦷✨ হাসি হোক আত্মবিশ্বাসের পরিচয়!

প্রতিদিন আমরা যা ব্যবহার করি, সেটিই আমাদের ওরাল হেলথে সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলে। তাই বেছে নিন DXN Ganozhi Toothpaste—গ্যানোডার্মা মাশরুমের নির্যাসে সমৃদ্ধ একটি উন্নতমানের টুথপেস্ট, যা আপনার দৈনন্দিন ওরাল কেয়ারের অংশ হতে পারে।

🌿 ব্যবহারের বিশেষ দিক: ✅ গ্যানোডার্মা সমৃদ্ধ ফর্মুলা
✅ দৈনন্দিন ওরাল কেয়ারের জন্য উপযোগী
✅ সতেজ অনুভূতি ও পরিষ্কার দাঁত পেতে সহায়ক
✅ মালয়েশিয়ায় প্রস্তুতকৃত DXN-এর মানসম্মত পণ্য

📦 বাংলাদেশের যেকোনো জেলা এবং জর্ডানের যেকোনো স্থানে হোম ডেলিভারির ব্যবস্থা রয়েছে।

আপনি বাংলাদেশ, জর্ডান অথবা বিশ্বের অন্য কোনো দেশ থেকে পণ্যটি সংগ্রহ করতে চাইলে ইনবক্সে মেসেজ করুন অথবা সরাসরি WhatsApp:
📲 07 8080 0327

🌟 সুস্থ থাকুন, সুন্দর হাসুন!

‎📢 হ্যালো চট্টগ্রাম! প্রস্তুত তো আগামীর জন্য? 🚀‎আপনি কি আপনার ক্যারিয়ার এবং জীবনকে পরবর্তী ধাপে নিয়ে যেতে চান? Future Mi...
25/03/2026

‎📢 হ্যালো চট্টগ্রাম! প্রস্তুত তো আগামীর জন্য? 🚀
‎আপনি কি আপনার ক্যারিয়ার এবং জীবনকে পরবর্তী ধাপে নিয়ে যেতে চান? Future Millionaire Project এর উদ্যোগে চট্টগ্রামে আয়োজিত হতে যাচ্ছে এক বিশাল ট্রেনিং ও সেলিব্রেশন প্রোগ্রাম!
‎এই প্রোগ্রামে আপনি সরাসরি অভিজ্ঞ লিডারদের কাছ থেকে শিখতে পারবেন সফলতার গোপন সূত্র এবং বিজনেস স্ট্র্যাটেজি। এটি কেবল একটি ট্রেনিং নয়, বরং নিজের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার এক সুবর্ণ সুযোগ।
‎🌟 প্রোগ্রামের মূল আকর্ষণ:
‎ * প্রধান অতিথি: জনাব শাহজাহান (TDC)
‎ * মূল বক্তা: ওসমান গণি আরমান (ECD)
‎ * বক্তা: আহসান হায়দার (ECD) এবং
‎* বক্তা: আকরাম হোসেন অনিক (TD)
‎
‎📍 প্রোগ্রামের বিস্তারিত:
‎📅 তারিখ: ১০ এপ্রিল, ২০২৬ (শুক্রবার)
‎🕑 সময়: দুপুর ২:০০ টা থেকে সন্ধ্যা ৬:০০ টা পর্যন্ত
‎🏢 স্থান: এলজিইডি ভবন, ষোলশহর, চট্টগ্রাম জেলা অফিস।
‎🎫 টিকিট মূল্য: মাত্র ১০০ টাকা
‎⚠️ মনে রাখবেন: আমাদের এই চমৎকার আয়োজনে মাত্র ৭০০ জন ভাগ্যবান সদস্য অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন। তাই আসন খালি থাকা সাপেক্ষে দ্রুত আপনার টিকিটটি কনফার্ম করুন!
‎
‎আপনার টিমের সকল সদস্যদের সাথে এই পোস্টটি শেয়ার করুন এবং চট্টগ্রামের এই মেগা ইভেন্টের অংশ হয়ে নিজেকে মিলেনিয়ার হিসেবে গড়ে তোলার পথে এগিয়ে যান।
‎📞 টিকিট ও বিস্তারিত তথ্যের জন্য যোগাযোগ করুন:
‎👤 জালাল উদ্দিন (Exc. Star Diamond)
‎📞 মোবাইল/হোয়াটসঅ্যাপ: +962786253923
‎📞 মেসেঞ্জার: https://m.me/jalaluddinCA
‎📧 ইমেইল: [email protected]
‎
‎ব্যবস্থাপনায়: Future Millionaire Project. লিডারস।
‎
‎

25/03/2026
🌟 ONE WORLD • ONE MARKET • ONE FAMILY 🌟আস সালামু আলাইকুম।গুড মর্নিং ডিএক্সএন পরিবার।অত্যন্ত আনন্দ ও গর্বের সাথে জানাচ্ছি...
14/03/2026

🌟 ONE WORLD • ONE MARKET • ONE FAMILY 🌟

আস সালামু আলাইকুম।
গুড মর্নিং ডিএক্সএন পরিবার।

অত্যন্ত আনন্দ ও গর্বের সাথে জানাচ্ছি যে, আমাদের টিমের সম্মানিত লিডার সাহানাজ বেগম — একজন বাংলাদেশি প্রবাসী, বর্তমানে জর্ডানে অবস্থান করে নিজের নিয়মিত কাজের পাশাপাশি অবসর সময়কে সঠিকভাবে কাজে লাগিয়ে DXN GLOBAL এর ডাইরেক্ট সেলিং বিজনেস শুরু করেছিলেন।

দৃঢ় মনোভাব, ধারাবাহিকতা এবং কোম্পানির সিস্টেম অনুসরণ করে তিনি সফলতার পথে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক অর্জন করেছেন।
তিনি DXN এর সম্মানজনক পদবীগুলোর মধ্যে প্রথম ধাপ Star Agent (SA) পজিশন অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন। ⭐

এটি শুধু একটি পদবি নয়—এটি একটি নতুন সম্ভাবনার দরজা, আত্মবিশ্বাসের প্রতীক এবং ভবিষ্যৎ বড় সাফল্যের প্রথম ধাপ।

Team: Jalal & Associate (DXN) এর পক্ষ থেকে এবং আন্তর্জাতিক মানের উদ্যোক্তা প্ল্যাটফর্ম DXN GLOBAL পরিবারের পক্ষ থেকে লিডার সাহানাজ বেগম কে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা। 🎉

আমরা বিশ্বাস করি, আপনার এই অর্জন আগামী দিনে আরও বড় সাফল্যের অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে এবং অনেক নতুন মানুষের জন্য একটি দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করবে।

🌟 Congratulations & Best Wishes for your Next Rank!










🎉 অশেষ আনন্দ ও কৃতজ্ঞতায় জানাচ্ছি! 🎉অত্যন্ত গর্ব ও আনন্দের সাথে জানাতে চাই যে, আসছে DXN Bangladesh-এর ২৪তম বর্ষপূর্তি উদ...
27/10/2025

🎉 অশেষ আনন্দ ও কৃতজ্ঞতায় জানাচ্ছি! 🎉

অত্যন্ত গর্ব ও আনন্দের সাথে জানাতে চাই যে, আসছে DXN Bangladesh-এর ২৪তম বর্ষপূর্তি উদযাপন ও স্বীকৃতি প্রদান অনুষ্ঠান! 🌿

📅 তারিখ: ১৪ই নভেম্বর ২০২৫
🏛️ স্থান: বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টার, পূর্বাচল, ঢাকা 🇧🇩
⏰ গেট খুলবে: সকাল ১০:৩০টা
🎟️ প্রবেশ মূল্য: মাত্র BDT 350
✆ +962780800327
https://m.me/jalaluddinCA

এই বিশেষ আয়োজনে উপস্থিত থাকবেন আমাদের প্রিয় ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব —
✨ Dato’ Lim Siow Jin, DXN-এর প্রতিষ্ঠাতা ও বৈশ্বিক নেতৃত্বের প্রতীক! 🌍

এটি শুধু একটি অনুষ্ঠান নয় —
এটি আমাদের সফলতার যাত্রা, স্বাস্থ্য ও আর্থিক স্বাধীনতার গল্প, এবং DXN পরিবারের ঐক্য ও প্রেরণার উদযাপন! 🌿

আসুন, আমরা সবাই একত্রিত হই —
আমাদের গল্প শেয়ার করি, আনন্দ ভাগাভাগি করি, আর গর্বের সাথে বলি —
আমরা DXN পরিবারের সদস্য! 💪

👉 একসাথে আমরা এগিয়ে চলেছি,
👉 একসাথে আমরা উজ্জ্বল হবো! ✨

Good Morning DXN! ☀️

🎉 Feeling Blessed & Excited! 🎉It’s my immense pleasure to announce the 24th Anniversary (Celebration & Recognition Progr...
24/10/2025

🎉 Feeling Blessed & Excited! 🎉
It’s my immense pleasure to announce the 24th Anniversary (Celebration & Recognition Program) of Daehsan Bangladesh — happening on 14th November 2025 at the Bangladesh-China Friendship Exhibition Center, Purbachal, Dhaka! 🇧🇩

✨ Let’s come together to celebrate our journey of success, health, and financial freedom!
Share your freedom stories, your joy, and your DXN pride with the world. 🌟

Let’s gather, shine, and inspire —
Because together we grow, together we glow! 💫

Good Morning DXN! ☀️

23/05/2025

Topic: Products Knowledge by Md Jaman Moni SA

11/05/2025

Topic: How To Active Your Team Members by Monalisa Roy (ESD)

Address

Amman

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when জর্ডান আমরা প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটি posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to জর্ডান আমরা প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটি:

Shortcuts

Share