Japan Foreigner Support

Japan Foreigner Support Japan Foreigner Support, コンサルティング会社, 13-4, Nakajujo 2-Chome, Kita-kuの連絡先情報、マップ、方向、お問い合わせフォーム、営業時間、サービス、評価、写真、動画、お知らせ。

Japan Foreign Support (JFS) is the registered limited company in Japan, which outstandingly born on a solid ground of legal support for all kinds of visa supporting in Japan and vision for the future leading consultancy firm in the world.

21/08/2026

JLPT December 2026 Registration

এবার ফর্ম পূরণ করলেই সিট নিশ্চিত নয়, আগে পুরো প্রক্রিয়াটি বুঝুন

December 2026 JLPT-এর registration নিয়ে এবার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো:

প্রোফাইল তৈরি করা আর পরীক্ষার সিট নিশ্চিত করা, দুটি আলাদা ধাপ।

২০ আগস্ট প্রোফাইল তৈরি করলেন মানেই JLPT-এর সিট পেলেন না।

আবার ১ সেপ্টেম্বর Confirm Registration form submit করলেও সঙ্গে সঙ্গে সিট নিশ্চিত হবে না।

সিট নিশ্চিত হবে তখনই, যখন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে payment সফলভাবে শেষ হবে।

তাই এবার registration-এর আগে পুরো process পরিষ্কারভাবে বুঝে নেওয়া খুব জরুরি।

━━━━━━━━━━━━━━━
প্রথম ধাপ: ২০ থেকে ২৮ আগস্ট শুধু Profile Creation

JLPT Profile Creation শুরু:

📅 ২০ আগস্ট ২০২৬
⏰ সকাল ১১:০০টা

শেষ:

📅 ২৮ আগস্ট ২০২৬

এই সময়ে আপনার কাজ শুধু নিজের JLPT Profile তৈরি এবং ১০০% complete করা।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:

✅ Profile Creation-এর কোনো seat limit নেই
✅ Profile তৈরির জন্য কোনো fee লাগবে না
✅ Profile ১০০% complete হলে JLPT Code তৈরি হবে

অর্থাৎ ২০ আগস্ট সকাল ১১টায় সবাইকে একসঙ্গে দৌড়ে profile তৈরি করতে হবে, এমন নয়।

এখানে আগে আসলে seat পাবেন, পরে আসলে পাবেন না, এমন competition নেই।

তবে ২৮ আগস্টের মধ্যে কাজটি শেষ করে JLPT Code হাতে রাখা সবচেয়ে নিরাপদ।

━━━━━━━━━━━━━━━
Profile তৈরির সময় কী লাগবে?

Account তৈরি করার সময় নিজের তথ্য খুব সাবধানে দিন।

বিশেষ করে:

• নাম
• জন্মতারিখ
• মোবাইল নম্বর
• ই-মেইল
• জাতীয়তা
• Passport, NID বা Birth Certificate-এর তথ্য
• নিজের ছবি
• পরিচয়পত্রের ছবি
• Signature
• বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা
• আগের JLPT সম্পর্কিত তথ্য, যদি থাকে

নামটি Passport, NID বা Birth Certificate-এর সঙ্গে মিলিয়ে লিখুন।

ভুল বা অস্পষ্ট document upload করবেন না।

Profile final submission করার আগে পুরো তথ্য আবার একবার check করুন।

Profile ১০০% complete হওয়ার পর JLPT Code তৈরি হবে এবং পরবর্তী registration-এর জন্য এই Code প্রয়োজন হবে। (JLPT BD)

━━━━━━━━━━━━━━━
একটির বেশি Profile তৈরি করবেন না

এটি খুব গুরুত্বপূর্ণ।

একজন পরীক্ষার্থী শুধু একটি JLPT Profile তৈরি করতে পারবেন।

একাধিক Profile তৈরি করলে registration বাতিল বলে গণ্য হতে পারে।

তাই:

Password ভুলে গেলেন
OTP আসতে দেরি হলো
Profile-এ সমস্যা হলো

এই ধরনের পরিস্থিতিতে নতুন আরেকটি account খুলে ফেলবেন না।

আগের account-এর সমস্যাই support-এর মাধ্যমে সমাধান করুন।

━━━━━━━━━━━━━━━
দ্বিতীয় ধাপ: ১ সেপ্টেম্বর থেকে আসল Seat Registration

এখানেই শুরু হবে আসল competition।

Confirm Registration ও Payment শুরু:

📅 ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
⏰ সকাল ১১:০০টা

চলবে:

📅 ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত

তবে একটি বড় শর্ত আছে।

নির্ধারিত seat শেষ হয়ে গেলে ১৩ সেপ্টেম্বরের আগেই registration বন্ধ হয়ে যাবে।

JUAAB-এর বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী December 2026-এর seat:

N1: ৫০
N2: ১০০
N3: ৩৫০
N4: ৫,০০০
N5: ১৫,২০০

বিশেষ করে N1, N2 ও N3-এর seat তুলনামূলকভাবে খুব কম।

তাই Profile আগে থেকেই সম্পূর্ণ করে JLPT Code ready রাখুন।

━━━━━━━━━━━━━━━
১ সেপ্টেম্বর কীভাবে Registration করবেন?

প্রক্রিয়াটি সহজভাবে:

১. JLPT Confirm Registration page-এ যান

২. নিজের JLPT Code ও registered email দিন

৩. N1, N2, N3, N4 অথবা N5 থেকে নিজের level নির্বাচন করুন

৪. Confirm Registration করুন

৫. Payment Page-এ যান

৬. bKash-এর মাধ্যমে payment complete করুন

Registration Fee:

মূল Fee: ৩,৭৫০ টাকা
VAT: ৫৬৩ টাকা
bKash Charge: ৪৩ টাকা

মোট: ৪,৩৫৬ টাকা। (JLPT BD)

━━━━━━━━━━━━━━━
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নতুন বিষয়: ১০ মিনিটের Seat Hold

এখানেই এবার অনেকেই ভুল করতে পারেন।

Form Submit করলেই আপনার seat final হবে না।

Payment Page-এ প্রবেশ করার পর আপনার জন্য একটি seat সাময়িকভাবে ১০ মিনিটের জন্য ধরে রাখা হবে।

এই ১০ মিনিটের মধ্যে payment successfully complete করতে হবে।

Payment successful হলে registration final।

১০ মিনিটের মধ্যে payment না হলে:

আপনার জন্য ধরে রাখা seat ছেড়ে দেওয়া হবে।

তারপর সেই seat অন্য পরীক্ষার্থী নিতে পারবেন।

JUAAB-এর official guide-ও পরিষ্কারভাবে বলছে, payment complete না হওয়া পর্যন্ত registration নিশ্চিত নয়। (JLPT BD)

━━━━━━━━━━━━━━━
Payment Page-এ গিয়ে Refresh করবেন না

এটিও খুব গুরুত্বপূর্ণ।

Payment Page loading নিতে সময় নিলে বা buffering হলে panic করে:

❌ Refresh করবেন না
❌ Reload করবেন না
❌ Browser Back চাপবেন না
❌ Page বন্ধ করবেন না

কারণ এতে payment session থেকে বের হয়ে যেতে পারেন।

আর আপনার ১০ মিনিটের reserved time শেষ না হওয়া পর্যন্ত আবার payment page-এ ঢুকতে সমস্যা হতে পারে।

bKash OTP এবং PIN শুধু official bKash payment page-এই দিন।

কাউকে OTP বা PIN দেবেন না। (JLPT BD)

━━━━━━━━━━━━━━━
Level নির্বাচন করার আগে ১০ বার ভাবুন

Confirm Registration-এর সময় যে JLPT level নির্বাচন করবেন এবং payment complete করবেন, সেটিই final।

এরপর:

N5 থেকে N4
N4 থেকে N3
N3 থেকে N2

কোনোটিই পরিবর্তন করা যাবে না। (JLPT BD)

তাই বন্ধু কোন level দিচ্ছে দেখে নিজের level নির্বাচন করবেন না।

Registration-এর আগেই ঠিক করুন:

আপনার বর্তমান Japanese level কী?

কোন level-এর mock test বাস্তবে করতে পারছেন?

Reading ও Listening-এ minimum score তুলতে পারছেন কি?

তারপর final level নির্বাচন করুন।

━━━━━━━━━━━━━━━
সবচেয়ে নিরাপদ পরিকল্পনা

২০ আগস্ট থেকে ২৮ আগস্ট:

Profile তৈরি করুন

সব তথ্য check করুন

Profile ১০০% complete করুন

JLPT Code সংগ্রহ করে রাখুন

তারপর ১ সেপ্টেম্বরের আগে:

Level final করুন

Registration link ready রাখুন

ভালো internet connection নিশ্চিত করুন

bKash account-এ পর্যাপ্ত balance রাখুন

JLPT Code ও registered email সামনে রাখুন

১ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টা:

Confirm Registration

Payment Page

১০ মিনিটের মধ্যে Payment

Payment Successful message

Screenshot রেখে দিন

এইটুকুই পুরো process।

━━━━━━━━━━━━━━━
Official Guide কোথায় পাবেন?

Profile Creation থেকে bKash payment পর্যন্ত JUAAB-এর screenshot-সহ বিস্তারিত guide:

https://juaabjlpt-bd.org/jlpt-registration-guide

Official JLPT Bangladesh Website:

https://juaabjlpt-bd.org/

Video Guide:

https://www.youtube.com/watch?v=-FD72_b22m0&t=19s

সমস্যা হলে JUAAB Help Line:

01734054572
01749762539

Email:

[email protected]

━━━━━━━━━━━━━━━
শেষ কথা

এবার December JLPT registration-এ সবচেয়ে বড় বিষয় speed নয়, আগে preparation।

২০ আগস্ট Profile Creation শুরু হওয়ার পর প্রথম কাজ seat-এর জন্য দৌড়ানো নয়।

প্রথম কাজ হলো:

একটি সঠিক Profile তৈরি করা।

Profile ১০০% complete করা।

JLPT Code সংগ্রহ করা।

নিজের level নিশ্চিত করা।

তারপর ১ সেপ্টেম্বর Confirm Registration শুরু হলে দ্রুত এবং শান্তভাবে payment complete করা।

মনে রাখবেন:

Profile তৈরি ≠ Seat Confirmed

Form Submit ≠ Seat Confirmed

Payment Successful = Registration Confirmed

মাসের পর মাস JLPT-এর প্রস্তুতি নেওয়ার পর registration-এর একটি ছোট ভুলে পরীক্ষার সুযোগ হারাবেন না।

আজই নিয়মগুলো বুঝে রাখুন।

আর ২০ আগস্ট থেকে ধাপে ধাপে কাজ শুরু করুন।

সূত্র: Japanese Universities Alumni Association in Bangladesh (JUAAB), The Japan Foundation

21/08/2026

🚨 JLPT জুলাই ২০২৬ ফলাফল আপডেট

২৭ আগস্ট থেকে অনলাইনে ফল দেখা যাবে

যাঁরা জুলাই ২০২৬ JLPT পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন, তাঁদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ আপডেট।

জাপান এডুকেশনাল এক্সচেঞ্জেস অ্যান্ড সার্ভিসেস জানিয়েছে, ২৭ আগস্ট থেকে অনলাইনে JLPT পরীক্ষার ফল দেখা যাবে।

এখন থেকেই নিজের প্রয়োজনীয় তথ্য প্রস্তুত রাখুন, যাতে ফল প্রকাশের দিন কোনো সমস্যায় পড়তে না হয়।

━━━━━━━━━━━━━━━
জাপানে পরীক্ষা দিলে যেভাবে ফল দেখবেন

মাইJLPT লগইন:

https://my.jees-jlpt.jp/user/VCPGCLGN010.php

ধাপ ১
নিজের মাইJLPT আইডি ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করুন।

ধাপ ২
“টেস্ট রেজাল্ট অ্যান্ড সার্টিফিকেট ইস্যুয়েন্স” অপশনে যান।

ধাপ ৩
২০২৬ সালের প্রথম JLPT পরীক্ষা নির্বাচন করুন।

ধাপ ৪
সেখানে আপনার:

• পাস বা ফেল
• মোট নম্বর
• প্রতিটি অংশের নম্বর
• প্রযোজ্য ক্ষেত্রে সিইএফআর রেফারেন্স লেভেল

দেখতে পারবেন।

ফল দেখার পর স্ক্রিনশট বা কপি সংরক্ষণ করে রাখুন।

━━━━━━━━━━━━━━━
বাংলাদেশ থেকে পরীক্ষা দিলে

বাংলাদেশের পরীক্ষার্থীরা JLPT-এর ওভারসিজ রেজাল্ট পোর্টাল থেকে ফল দেখতে পারবেন।

JLPT অফিসিয়াল ফলাফল পেজ:

https://www.jlpt.jp/e/guideline/results_online.html

ওভারসিজ রেজাল্ট পোর্টাল:

https://www.jlpt-overseas.jp/onlineresults/

সাধারণভাবে প্রয়োজন হবে:

• রেজিস্ট্রেশন নম্বর
• পাসকোড

এই তথ্য আপনার পরীক্ষার রেজিস্ট্রেশন বা টেস্ট ভাউচারের সঙ্গে সম্পর্কিত।

বাংলাদেশের নির্দিষ্ট ফল প্রকাশের সময় ও নির্দেশনা জানতে JUAAB-এর অফিসিয়াল নোটিশও অনুসরণ করুন।

JUAAB অফিসিয়াল ওয়েবসাইট:

https://juaabjlpt-bd.org/

━━━━━━━━━━━━━━━
শুধু মোট নম্বর দেখবেন না

JLPT-তে শুধু মোট পাস নম্বর পেলেই পাস করা যায় না।

প্রতিটি স্কোরিং অংশেও নির্ধারিত ন্যূনতম নম্বর থাকতে হয়।

তাই ফল দেখার সময় শুধু মোট নম্বর নয়, প্রতিটি অংশের নম্বরও ভালোভাবে দেখুন।

━━━━━━━━━━━━━━━
সার্টিফিকেট সংক্রান্ত আপডেট

জেইইএস জানিয়েছে:

• ২৮ আগস্ট থেকে রেজাল্ট ও স্কোর সার্টিফিকেটের জন্য আবেদন শুরু হবে
• ২৫ সেপ্টেম্বর ফলাফলের অফিসিয়াল নোটিশ পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে

অনলাইন ফল এবং কাগজের সার্টিফিকেট এক বিষয় নয়।

অনলাইনে ফল আগে দেখা গেলেও অফিসিয়াল সার্টিফিকেট পরে পাওয়া যাবে।

━━━━━━━━━━━━━━━
ফল প্রকাশের দিন কী করবেন?

• মাইJLPT আইডি বা রেজিস্ট্রেশন নম্বর আগে থেকেই প্রস্তুত রাখুন
• পাসওয়ার্ড বা পাসকোড ভুলে গেলে এখনই খুঁজে রাখুন
• শুধু অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ব্যবহার করুন
• ওয়েবসাইট ধীর হলে বারবার রিফ্রেশ না করে কিছুক্ষণ পরে চেষ্টা করুন
• ফলের স্ক্রিনশট সংরক্ষণ করুন

ফল প্রকাশের সময় একসঙ্গে অনেক পরীক্ষার্থী ওয়েবসাইটে ঢুকলে সাময়িকভাবে ধীর হতে পারে।

এতে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।

━━━━━━━━━━━━━━━
শেষ কথা

মাসের পর মাস প্রস্তুতির পর অবশেষে ফল জানার সময় আসছে।

ফল ভালো হলে পরবর্তী JLPT লেভেলের প্রস্তুতি শুরু করুন।

আর প্রত্যাশিত ফল না হলেও হতাশ হয়ে জাপানি শেখা বন্ধ করবেন না।

একটি পরীক্ষার ফল আপনার পুরো জাপানি শেখার যাত্রার শেষ নয়।

২৭ আগস্টের আগে নিজের লগইন তথ্য প্রস্তুত রাখুন এবং ফল দেখার জন্য শুধু অফিসিয়াল লিংক ব্যবহার করুন।

সবার জন্য শুভকামনা।

সূত্র: জাপান এডুকেশনাল এক্সচেঞ্জেস অ্যান্ড সার্ভিসেস, দ্য জাপান ফাউন্ডেশন, JLPT অফিসিয়াল ওয়েবসাইট

21/08/2026

জাপান থেকে JLPT December 2026 Registration

২৪ আগস্ট থেকে আবেদন শুরু, পুরো A to Z গাইড

বাংলাদেশের JLPT রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া এবং জাপান থেকে JLPT দেওয়ার প্রক্রিয়া এক নয়।

জাপানে থাকলে আলাদা কোনো JUAAB প্রোফাইল বা সিট বুকিং করতে হবে না।

আপনাকে সরাসরি জাপানের মাইJLPT ওয়েবসাইট থেকে অনলাইনে আবেদন করতে হবে।

আর এবার একটি বিষয় খুব গুরুত্বপূর্ণ:

আবেদনের শেষ তারিখ ৭ সেপ্টেম্বর হলেও, পরীক্ষাকেন্দ্রের জায়গা পূর্ণ হয়ে গেলে তার আগেই আবেদন বন্ধ হতে পারে।

তাই শেষ দিনের জন্য অপেক্ষা না করাই ভালো।

━━━━━━━━━━━━━━━
প্রথমে গুরুত্বপূর্ণ তারিখগুলো

JLPT পরীক্ষা:

📅 ৬ ডিসেম্বর ২০২৬, রবিবার

আবেদন শুরু:

📅 ২৪ আগস্ট ২০২৬, সোমবার

আবেদন শেষ:

📅 ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সোমবার
⏰ বিকেল ৫টা

পরীক্ষার ফি:

💴 ৭,৫০০ ইয়েন

N1 ও N2 পরীক্ষা হবে সকালে।

N3, N4 ও N5 পরীক্ষা হবে বিকেলে।

━━━━━━━━━━━━━━━
ধাপ ১: মাইJLPT অ্যাকাউন্ট তৈরি করুন

জাপান থেকে JLPT আবেদন করতে প্রথমে মাইJLPT অ্যাকাউন্ট প্রয়োজন।

অফিসিয়াল ওয়েবসাইট:

https://info.jees-jlpt.jp/

মাইJLPT অ্যাকাউন্ট না থাকলে “Acquisition of MyJLPT” থেকে নতুন অ্যাকাউন্ট তৈরি করুন।

আগে থেকেই অ্যাকাউন্ট থাকলে নতুন করে তৈরি করার প্রয়োজন নেই।

নিজের:

• মাইJLPT আইডি
• পাসওয়ার্ড

ভালোভাবে সংরক্ষণ করুন।

মাইJLPT অ্যাকাউন্ট এখনই তৈরি করা যায়। ২৪ আগস্ট পর্যন্ত অপেক্ষা করার প্রয়োজন নেই।

━━━━━━━━━━━━━━━
ধাপ ২: আগে থেকেই ছবি প্রস্তুত রাখুন

আবেদনের সময় নিজের সাম্প্রতিক মুখের ছবি দিতে হবে।

ছবির গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম:

• গত ৬ মাসের মধ্যে তোলা হওয়া ভালো
• মুখ পরিষ্কারভাবে দেখা যেতে হবে
• অন্য কেউ ছবিতে থাকবে না
• অতিরিক্ত ছবি সম্পাদনা করা যাবে না
• সানগ্লাস বা মুখ ঢেকে রাখা যাবে না
• কমপক্ষে ৪৮০ × ৬৪০ পিক্সেল হতে হবে
• JPEG ফরম্যাট হতে হবে
• সর্বোচ্চ ৫ এমবি

এই ছবিটিই আপনার পরীক্ষার প্রবেশপত্র এবং পরে JLPT-এর সার্টিফিকেটেও ব্যবহার হতে পারে।

তাই সাধারণ সেলফির বদলে পরিষ্কার পরিচয়পত্রের মতো ছবি ব্যবহার করুন।

━━━━━━━━━━━━━━━
ধাপ ৩: ২৪ আগস্ট মাইJLPT-তে লগইন করুন

আবেদন শুরু হলে মাইJLPT-তে লগইন করুন।

তারপর:

“JLPT Application”

অপশনে যান।

সেখান থেকে ব্যক্তিগত আবেদন নির্বাচন করে নিজের পরীক্ষার তথ্য পূরণ করুন।

━━━━━━━━━━━━━━━
ধাপ ৪: N1 থেকে N5, নিজের লেভেল নির্বাচন করুন

আপনি একটি পরীক্ষায় শুধু একটি JLPT লেভেলের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

যেমন:

N1
N2
N3
N4
N5

একসঙ্গে N3 ও N2, দুটিতে আবেদন করা যাবে না।

তাই আবেদন করার আগেই নিজের লেভেল নিশ্চিত করুন।

শুধু চাকরির জন্য N2 দরকার বলে প্রস্তুতি ছাড়া N2 নির্বাচন করবেন না।

নিজের পড়া, শোনা এবং মক পরীক্ষার বাস্তব অবস্থার ভিত্তিতে লেভেল বেছে নিন।

━━━━━━━━━━━━━━━
ধাপ ৫: পরীক্ষার এলাকা নির্বাচন করুন

জাপানে আপনি সরাসরি নিজের পছন্দের নির্দিষ্ট পরীক্ষাকেন্দ্র নির্বাচন করতে পারবেন না।

আপনাকে একটি পরীক্ষার এলাকা নির্বাচন করতে হবে।

উদাহরণ হিসেবে:

সাইতামা, টোকিও, চিবা, কানাগাওয়া, ইবারাকি, তোচিগি ও গুনমা একই বড় পরীক্ষার এলাকার মধ্যে পড়ে।

তারপর আপনার ঠিকানা, পোস্টাল কোড, পরীক্ষার্থীর সংখ্যা এবং পরীক্ষাকেন্দ্রের অবস্থার ভিত্তিতে কর্তৃপক্ষ আপনার কেন্দ্র নির্ধারণ করবে।

তাই:

“আমি টোকিও নির্বাচন করেছি, পরীক্ষা অবশ্যই টোকিওতেই হবে”

এমন নিশ্চয়তা নেই।

প্রয়োজনে পাশের প্রিফেকচারেও কেন্দ্র পড়তে পারে।

━━━━━━━━━━━━━━━
ধাপ ৬: নাম ও ঠিকানা খুব সাবধানে লিখুন

নাম ইংরেজি অক্ষরে লিখতে হবে এবং সম্ভব হলে পাসপোর্টের নামের সঙ্গে মিল রাখতে হবে।

জাপানে ব্যক্তিগতভাবে আবেদন করলে বর্তমান ঠিকানা হিসেবে রেসিডেন্স কার্ডে থাকা ঠিকানা ব্যবহার করতে বলা হয়েছে।

বিশেষ করে পোস্টাল কোড ভুল করবেন না।

কারণ পোস্টাল কোড পরীক্ষাকেন্দ্র নির্ধারণে ব্যবহার করা হয়।

ঠিকানা ভুল হলে:

পরীক্ষার প্রবেশপত্র না পাওয়া
অথবা
অনুপযুক্ত পরীক্ষাকেন্দ্র নির্ধারিত হওয়ার

সমস্যা হতে পারে।

━━━━━━━━━━━━━━━
ধাপ ৭: সব তথ্য আবার যাচাই করুন

ফাইনাল করার আগে অন্তত একবার দেখুন:

• JLPT লেভেল ঠিক আছে কি না
• পরীক্ষার এলাকা ঠিক আছে কি না
• নাম ঠিক আছে কি না
• জন্মতারিখ ঠিক আছে কি না
• বর্তমান ঠিকানা ঠিক আছে কি না
• পোস্টাল কোড ঠিক আছে কি না
• ছবি পরিষ্কার কি না

আবেদনকাল শেষ হওয়ার পর সাধারণভাবে এসব তথ্য আর পরিবর্তন করা যায় না।

আর এবার পরীক্ষাকেন্দ্র পূর্ণ হয়ে আবেদন আগেই বন্ধ হয়ে গেলে, এরপর লেভেল বা পরীক্ষার এলাকা পরিবর্তনের সুযোগও শেষ হয়ে যেতে পারে।

━━━━━━━━━━━━━━━
ধাপ ৮: ৭,৫০০ ইয়েন ফি পরিশোধ করুন

জাপান থেকে ব্যক্তিগতভাবে আবেদন করলে তিনভাবে ফি দেওয়া যায়।

১. ক্রেডিট কার্ড

VISA, Mastercard, JCB, American Express, Diners Club-এর মতো গ্রহণযোগ্য কার্ড ব্যবহার করা যায়।

কার্ডে পেমেন্ট সফল হলে আবেদন প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন হয়।

২. পেইজি

ব্যাংকের এটিএম, ইন্টারনেট ব্যাংকিং বা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে পেইজি ব্যবহার করে পরিশোধ করা যায়, যদি আপনার ব্যাংক এই সুবিধা দেয়।

৩. কনভিনিয়েন্স স্টোর

কনভিনিয়েন্স স্টোরের মাধ্যমেও ফি দেওয়া যায়।

কোন পদ্ধতিতে কোথায় এবং কখন পেমেন্ট করতে হবে, আবেদন করার সময় মাইJLPT আপনাকে প্রয়োজনীয় তথ্য দেখাবে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ:

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ফি না দিলে আপনার আবেদন স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে।

তাই শুধু ফর্ম পূরণ করে রেখে দেবেন না।

━━━━━━━━━━━━━━━
ধাপ ৯: Payment শেষ হলেই আরেকবার যাচাই করুন

পেমেন্ট করার পর মাইJLPT-এর:

“Check and Modify JLPT Application”

অংশে গিয়ে দেখুন ফি:

“Paid”

হিসেবে দেখাচ্ছে কি না।

ক্রেডিট কার্ডে সফল আবেদন হলে JEES থেকে আবেদন সম্পন্ন হওয়ার ই-মেইলও আসার কথা।

এরপর আপনার একটি আবেদন গ্রহণ নম্বর থাকবে।

এই নম্বরটি সংরক্ষণ করুন।

স্ক্রিনশট রাখলেও ভালো।

━━━━━━━━━━━━━━━
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এবার কী?

এবার জাপানের আবেদনকারীদের জন্য মূল সতর্কতা হলো:

৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় আছে মানেই ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আবেদন করা যাবেই, এমন নিশ্চয়তা নেই।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে JLPT পরীক্ষার্থীর সংখ্যা দ্রুত বেড়েছে এবং পরীক্ষাকেন্দ্র পাওয়া কঠিন হচ্ছে।

তাই JEES পরিষ্কারভাবে জানিয়েছে:

পরীক্ষাকেন্দ্রের সীমাবদ্ধতার কারণে আবেদনকাল শেষ হওয়ার আগেই রেজিস্ট্রেশন বন্ধ হতে পারে।

অর্থাৎ সবচেয়ে নিরাপদ পরিকল্পনা:

২৪ আগস্ট বা তার কাছাকাছি সময়েই আবেদন শেষ করুন।

শেষ সপ্তাহ পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন না।

━━━━━━━━━━━━━━━
পরীক্ষার প্রবেশপত্র কখন পাবেন?

অনলাইনে:

📅 ১৭ নভেম্বর থেকে মাইJLPT-তে দেখা যাবে।

ডাকযোগে:

📅 ২০ নভেম্বরের মধ্যে পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

ডাকযোগে না পেলেও আতঙ্কিত হবেন না।

মাইJLPT থেকে পরীক্ষার প্রবেশপত্র প্রিন্ট করে পরীক্ষার দিন ব্যবহার করা যাবে।

প্রবেশপত্রে আপনার:

• পরীক্ষাকেন্দ্র
• পরীক্ষার সময়
• প্রয়োজনীয় নির্দেশনা

থাকবে।

সেগুলো ভালোভাবে পড়ুন।

━━━━━━━━━━━━━━━
আপনি যদি সাইতামা, টোকিও বা আশপাশে থাকেন

একটি বিষয় আগে থেকেই মাথায় রাখুন।

সাইতামায় থাকলেই পরীক্ষা সাইতামায় হবে, এমন নিশ্চয়তা নেই।

কান্তো এলাকার আবেদনকারীদের পরীক্ষাকেন্দ্র পরিস্থিতি অনুযায়ী টোকিও বা আশপাশের অন্য জায়গাতেও পড়তে পারে।

তাই পরীক্ষার প্রবেশপত্র পাওয়ার পর:

ঠিকানা
ট্রেনের রুট
যাত্রার সময়

আগে থেকেই দেখে রাখুন।

পরীক্ষার সকালে প্রথমবার গুগল ম্যাপ খুলবেন না।

━━━━━━━━━━━━━━━
সবচেয়ে সহজভাবে পুরো প্রক্রিয়া

এখন:

মাইJLPT অ্যাকাউন্ট তৈরি

আইডি ও পাসওয়ার্ড সংরক্ষণ

ছবি প্রস্তুত

২৪ আগস্ট:

মাইJLPT লগইন

JLPT Application

N1 থেকে N5 লেভেল নির্বাচন

পরীক্ষার এলাকা নির্বাচন

ব্যক্তিগত তথ্য ও ছবি

সব তথ্য যাচাই

আবেদন জমা

৭,৫০০ ইয়েন পেমেন্ট

“Paid” নিশ্চিত করুন

আবেদন গ্রহণ নম্বর সংরক্ষণ

নভেম্বর:

মাইJLPT থেকে পরীক্ষার কেন্দ্র দেখুন

প্রবেশপত্র পরীক্ষা করুন

যাতায়াতের পথ আগে দেখে রাখুন

৬ ডিসেম্বর:

JLPT পরীক্ষা দিন।

━━━━━━━━━━━━━━━
অফিসিয়াল লিংক

জাপানে JLPT-এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট:

https://info.jees-jlpt.jp/

মাইJLPT:

https://my.jees-jlpt.jp/

আবেদনের ধাপ:

https://info.jees-jlpt.jp/application/

২০২৬ সালের ডিসেম্বর পরীক্ষার বিস্তারিত:

https://info.jees-jlpt.jp/info/2026-2jisshiannnai.html

━━━━━━━━━━━━━━━
শেষ কথা

বাংলাদেশ থেকে JLPT দেওয়ার registration এবং জাপান থেকে JLPT দেওয়ার registration সম্পূর্ণ আলাদা।

জাপানে আপনার মূল কাজ খুব সহজ:

মাইJLPT অ্যাকাউন্ট তৈরি করুন।

২৪ আগস্ট আবেদন করুন।

সঠিক লেভেল ও এলাকা নির্বাচন করুন।

৭,৫০০ ইয়েন ফি পরিশোধ করুন।

“Paid” হয়েছে কি না নিশ্চিত করুন।

তারপর আবেদন গ্রহণ নম্বর সংরক্ষণ করুন।

আর এবার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:

শেষ দিনের অপেক্ষা করবেন না।

কারণ ৭ সেপ্টেম্বরের আগেও পরীক্ষাকেন্দ্র পূর্ণ হয়ে আবেদন বন্ধ হতে পারে।

মাসের পর মাস JLPT-এর প্রস্তুতি নেওয়ার পর শুধু দেরিতে registration করার কারণে পরীক্ষার সুযোগ হারানো সবচেয়ে কষ্টের হবে।

তাই এখনই মাইJLPT অ্যাকাউন্ট প্রস্তুত করুন।

২৪ আগস্ট থেকে যত দ্রুত সম্ভব আবেদন শেষ করুন।

সূত্র: জাপান এডুকেশনাল এক্সচেঞ্জেস অ্যান্ড সার্ভিসেস (JEES), দ্য জাপান ফাউন্ডেশন

10/08/2026

আজ রাতে পরিবারের সঙ্গে ৩ মিনিট কথা বলুন: এই একটি গোপন শব্দ ভবিষ্যতে বড় বিপদ থেকে বাঁচাতে পারে

আপনি জাপানে।

বাবা-মা বাংলাদেশে।

এক রাতে হঠাৎ মায়ের ফোনে আপনারই গলা:

“আম্মু, আমি বড় সমস্যায় পড়েছি। হাসপাতালে আছি। এখন কথা বলতে পারছি না। তাড়াতাড়ি ৫০ হাজার টাকা পাঠাও।”

গলাটা আপনার।

কথার ধরনও আপনার মতো।

এমনকি কান্নাটাও সত্যি মনে হচ্ছে।

মা তখন কী করবেন?

এটাই এখন AI voice-cloning scam-এর ভয়ংকর দিক।

প্রতারকের কাছে আপনার সত্যিকারের গলা থাকা এখন আর জরুরি নয়। অনলাইনে থাকা ছোট একটি voice clip থেকেও AI ব্যবহার করে পরিচিত মানুষের মতো শোনানো কণ্ঠ তৈরি করা সম্ভব।

━━━━━━━━━━━━━━━
Facebook-এর একটি ভিডিওও কাজে লাগতে পারে

আমরা নিজেরাই প্রতিদিন অনেক কিছু public করে রাখি।

Facebook video
TikTok
Instagram Reel
YouTube
voice message
interview
family video

প্রতারক এসব জায়গা থেকে আপনার কণ্ঠ, নাম, পরিবারের সম্পর্ক এবং ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করতে পারে।

এরপর তৈরি হতে পারে গল্প:

“আমি accident করেছি।”

“পুলিশ আমাকে ধরে রেখেছে।”

“আমার ফোন ভেঙে গেছে।”

“Hospital-এ টাকা লাগবে।”

“এখনই bKash করো।”

মূল অস্ত্র AI নয়।

মূল অস্ত্র হলো ভয় এবং তাড়াহুড়া।

আপনাকে চিন্তা করার সময় না দেওয়াই scammer-এর লক্ষ্য।

━━━━━━━━━━━━━━━
আজই ঠিক করুন Family Codeword

সমাধানের একটি খুব সহজ ধাপ হলো পরিবারের জন্য একটি গোপন শব্দ বা ছোট বাক্য ঠিক করে রাখা।

ধরুন:

“নীল ছাতা”

অথবা পরিবারের এমন কোনো অদ্ভুত শব্দ, যা বাইরের কারও জানার কথা নয়।

তারপর পরিবারের নিয়ম হবে:

কেউ ফোন করে জরুরি বিপদের কথা বলে টাকা চাইলে প্রথম প্রশ্ন:

“আমাদের গোপন শব্দটা বলো।”

FBI-ও পরিবারের সদস্যদের মধ্যে এমন secret word বা phrase ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছে পরিচয় যাচাইয়ের একটি অতিরিক্ত উপায় হিসেবে।

━━━━━━━━━━━━━━━
তবে শুধু Codeword-এর ওপরও ১০০% ভরসা করবেন না

এখানে খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি সতর্কতা আছে।

Family Codeword শক্তিশালী একটি safety layer, কিন্তু এটি কোনো magic password নয়।

যদি সেই শব্দ Messenger chat, email, public post বা অন্য কারও কাছে চলে যায়, scammer সেটিও জানতে পারে।

তাই নিয়ম করুন:

১. Codeword কখনো social media-তে লিখবেন না

২. জন্মদিন, গ্রামের নাম, সন্তানের নাম বা সহজে অনুমানযোগ্য শব্দ ব্যবহার করবেন না

৩. সন্দেহ হলে Codeword পরিবর্তন করুন

৪. টাকা পাঠানোর আগে দ্বিতীয়বার verification করুন

━━━━━━━━━━━━━━━
আমাদের পরামর্শ: ৪ ধাপের Family Emergency Rule

আজ থেকেই পরিবারের সবাইকে এই চারটি নিয়ম শেখান।

১. CODEWORD জিজ্ঞেস করুন

জরুরি টাকা চাইলে আগে গোপন শব্দ।

২. ফোন কেটে দিন

“ফোন কাটবে না”, “অন্য কাউকে বলবে না” বললেও ভয় পাবেন না।

ফোন কেটে দিন।

৩. নিজের পরিচিত নম্বরে আবার ফোন করুন

যে ছেলে, মেয়ে, ভাই বা স্বজন বিপদে পড়েছেন বলা হচ্ছে, তার saved number-এ নিজে ফোন করুন।

FTC-ও পরিচিত নম্বরে সরাসরি callback করে ঘটনার সত্যতা যাচাই করার পরামর্শ দেয়।

৪. যাচাই ছাড়া টাকা নয়

bKash, Nagad, bank transfer, cryptocurrency, gift card বা অন্য কোনো মাধ্যমে জরুরি টাকা পাঠানোর আগে অন্তত আরেকজন পরিবারের সদস্যের সঙ্গে কথা বলুন।

━━━━━━━━━━━━━━━
ভিডিও কল দেখলেও বিশ্বাস করবেন না

এই জায়গাটাও এখন খুব গুরুত্বপূর্ণ।

আগে আমরা বলতাম:

“ভিডিও কল দাও, তাহলে বুঝব সত্যি।”

এখন শুধু এটাও যথেষ্ট নয়।

AI দিয়ে নকল voice-এর পাশাপাশি manipulated video তৈরির ক্ষমতাও প্রতারকের হাতে রয়েছে। FBI voice এবং video cloning, দুটো নিয়েই সতর্ক করেছে।

তাই পরিচয় যাচাইয়ের নিয়ম হবে:

চেহারা + গলা নয়

গোপন তথ্য + callback + পরিবারের দ্বিতীয় verification।

━━━━━━━━━━━━━━━
জাপানে থাকলে আরও একটি বিষয় মনে রাখুন

জাপানে এখন ভুয়া পুলিশ পরিচয়ে ফোন এবং video call ব্যবহার করে প্রতারণার ঘটনাও নিয়ে পুলিশ নিয়মিত সতর্ক করছে।

কেউ নিজেকে পুলিশ পরিচয় দিয়ে বললেও:

“আপনার নামে মামলা হয়েছে”

“আপনার account অপরাধে ব্যবহার হয়েছে”

“টাকা নিরাপদ account-এ transfer করুন”

আতঙ্কে টাকা পাঠাবেন না।

সন্দেহ হলে জাপানে Police Consultation Number #9110 এবং Consumer Hotline 188-এ পরামর্শ নেওয়া যায়।

বাংলাদেশে এমন ঘটনা ঘটলে দ্রুত নিজের bank বা mobile financial service provider-কে জানান এবং স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তা নিন।

━━━━━━━━━━━━━━━
সবচেয়ে বেশি সতর্ক করুন বাবা-মাকে

আপনি হয়তো AI deepfake সম্পর্কে জানেন।

কিন্তু গ্রামের বাড়িতে থাকা আপনার বাবা?

মা?

দাদা-দাদি?

তারা হয়তো জানেন না যে ফোনে নিজের সন্তানের গলা শুনেও এখন সন্দেহ করতে হতে পারে।

তাই এই পোস্ট শুধু নিজে পড়ে রাখবেন না।

আজ রাতেই বাবা-মাকে ফোন করুন।

৩ মিনিট সময় দিন।

একটি Family Codeword ঠিক করুন।

এবং একটি বাক্য তাদের মনে গেঁথে দিন:

“আমার গলা শুনলেও, যাচাই না করে টাকা পাঠাবে না।”

━━━━━━━━━━━━━━━
শেষ কথা

আগে আমরা সন্তানকে শেখাতাম:

অপরিচিত মানুষের কথা বিশ্বাস করো না।

AI-এর যুগে নতুন শিক্ষা হচ্ছে:

পরিচিত গলা শুনলেও আগে যাচাই করো।

কারণ scammer আপনার কণ্ঠ নকল করতে পারে।

আপনার ছবি নকল করতে পারে।

Caller ID-ও বিশ্বাসযোগ্য মনে হতে পারে।

কিন্তু আপনার পরিবারের নিরাপত্তার নিয়ম যদি আগে থেকেই ঠিক করা থাকে, আতঙ্কের মুহূর্তেও সিদ্ধান্ত নেওয়া অনেক সহজ হবে।

আজ রাতে পরিবারের সঙ্গে মাত্র ৩ মিনিট বসুন।

একটি গোপন শব্দ ঠিক করুন।

একটি verification rule ঠিক করুন।

এই ছোট প্রস্তুতিটাই কোনো একদিন আপনার পরিবারের টাকা, আতঙ্ক এবং বড় মানসিক বিপর্যয় থেকে রক্ষা করার কারণ হতে পারে।

পোস্টটি বিশেষ করে জাপানপ্রবাসী পরিবার এবং বাংলাদেশে থাকা বাবা-মায়ের কাছে শেয়ার করুন।

সূত্র: FBI, U.S. Federal Trade Commission, Japan National Police Agency

01/08/2026

কর্মী নেই, খরচও সামলাতে পারছে না
ছয় মাসে জাপানে দেউলিয়া ৫,৩৩৫ প্রতিষ্ঠান

ব্যবসার অর্ডার আছে, কিন্তু কাজ করার মানুষ নেই।

আবার কোথাও কর্মী আছে, কিন্তু কাঁচামাল, জ্বালানি ও বেতন বাড়ার খরচ সামলে ব্যবসা চালু রাখা যাচ্ছে না।

এই দুই সংকটের চাপে জাপানে বাড়ছে প্রতিষ্ঠানের দেউলিয়া হওয়ার ঘটনা।

২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত মাত্র ছয় মাসে জাপানে ৫,৩৩৫টি প্রতিষ্ঠান আইনি দেউলিয়ার প্রক্রিয়ায় গেছে।

গত বছরের একই সময়ে এই সংখ্যা ছিল ৫,০০৩। অর্থাৎ এক বছরে দেউলিয়া বেড়েছে ৬.৬ শতাংশ।

এ নিয়ে টানা চার বছর জাপানে প্রথমার্ধের দেউলিয়া প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বাড়ল। একই সঙ্গে টানা দ্বিতীয় বছর ছয় মাসেই সংখ্যাটি পাঁচ হাজার ছাড়িয়েছে।

━━━━━━━━━━━━━━━
মূল্যবৃদ্ধির চাপে রেকর্ড দেউলিয়া

কাঁচামাল, জ্বালানি, পরিবহন ও কর্মীদের বেতন বেড়েছে। কিন্তু অনেক ছোট প্রতিষ্ঠান সেই বাড়তি খরচ পণ্য বা সেবার দামের সঙ্গে সমন্বয় করতে পারেনি।

ফলে ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে মূল্যবৃদ্ধিজনিত দেউলিয়া হয়েছে ৫৫৬টি প্রতিষ্ঠান।

গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এটি ২৩.৮ শতাংশ বেশি এবং এ পর্যন্ত অর্ধবার্ষিক হিসাবে সর্বোচ্চ।

শুধু জুনেই মূল্যবৃদ্ধির কারণে ১১৩টি প্রতিষ্ঠান দেউলিয়া হয়েছে, যা এক মাসের হিসাবে নতুন রেকর্ড।

━━━━━━━━━━━━━━━
কর্মী পাওয়া যাচ্ছে না, ব্যবসাও টিকছে না

একদিকে জাপানে কর্মীসংকটের কথা বলা হচ্ছে। অন্যদিকে সেই কর্মীসংকটই অনেক প্রতিষ্ঠানের ব্যবসা বন্ধ হওয়ার কারণ হয়ে উঠছে।

প্রয়োজনীয় কর্মী নিয়োগ করতে না পারা, দক্ষ কর্মী চলে যাওয়া এবং বেতন বাড়িয়েও কর্মী ধরে রাখতে না পারার কারণে ছয় মাসে ২২৭টি প্রতিষ্ঠান দেউলিয়া হয়েছে।

এটিও এখন পর্যন্ত অর্ধবার্ষিক হিসাবে সর্বোচ্চ।

অর্থাৎ কোনো প্রতিষ্ঠানের হাতে কাজ থাকলেও, সেই কাজ সম্পন্ন করার মতো মানুষ না থাকলে ব্যবসা টিকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে যাচ্ছে।

━━━━━━━━━━━━━━━
সবচেয়ে বেশি চাপে কোন খাত?

দেউলিয়ার সংখ্যা সবচেয়ে বেশি ছিল সেবা খাতে, ১,৪১৮টি।

এরপর রয়েছে:

• খুচরা ব্যবসা: ১,১০৮টি
• নির্মাণ খাত: ১,০৪৩টি
• পাইকারি ব্যবসা: ৫৮৭টি
• উৎপাদন খাত: ৫৭৩টি

রেস্তোরাঁ দেউলিয়ার সংখ্যা ছিল ৪৭৩টি, যা ২০০০ সালের পর প্রথমার্ধের হিসাবে সর্বোচ্চ।

মোট দেউলিয়া প্রতিষ্ঠানের ৬২.২ শতাংশের ঋণ ছিল ¥৫ কোটি টাকার কম। এটি দেখাচ্ছে, সংকটের সবচেয়ে বড় চাপ পড়ছে ছোট ও মাঝারি প্রতিষ্ঠানের ওপর।

━━━━━━━━━━━━━━━
বিদেশি কর্মীদের জন্য এর অর্থ কী?

এই পরিসংখ্যানের অর্থ জাপানে চাকরির সুযোগ শেষ হয়ে যাচ্ছে, এমন নয়।

বরং বাস্তবতা কিছুটা জটিল। অনেক খাতে কর্মীর তীব্র প্রয়োজন রয়েছে, কিন্তু একই প্রতিষ্ঠান বাড়তি বেতন, কাঁচামালের দাম এবং পরিচালন খরচ একসঙ্গে সামলাতে পারছে না।

তাই নতুন চাকরিতে যোগ দেওয়ার আগে শুধু বেতন দেখলেই হবে না। সম্ভব হলে প্রতিষ্ঠানের ব্যবসার অবস্থা, কর্মী পরিবর্তনের হার, বেতন নিয়মিত দেওয়া হচ্ছে কি না এবং কাজের চুক্তির শর্তও যাচাই করা উচিত।

মনে রাখতে হবে, এই হিসাবে কমপক্ষে ¥১ কোটি ঋণ থাকা আইনি দেউলিয়ার ঘটনা অন্তর্ভুক্ত। স্বেচ্ছায় ব্যবসা বন্ধ করা সব প্রতিষ্ঠান এতে অন্তর্ভুক্ত নয়।

জাপানের অর্থনীতি ভেঙে পড়ছে, এমন সিদ্ধান্ত নেওয়াও ঠিক হবে না। তবে মূল্যবৃদ্ধি, কর্মীসংকট এবং ছোট প্রতিষ্ঠানের দুর্বলতা যে ক্রমেই গুরুতর হচ্ছে, এই পরিসংখ্যান সেই সতর্ক সংকেতই দিচ্ছে।

তথ্য হালনাগাদ: ২৯ জুলাই ২০২৬

সূত্র: টেইকোকু ডেটাব্যাংক

31/07/2026

ল্যাঙ্গুয়েজ স্কুলের পর কোন সাবজেক্ট পড়বেন? | PART-01
━━━━━━━━━━━━━━━

আর্টস, বিজনেস না সায়েন্স, জাপানে আপনার জন্য সঠিক সাবজেক্ট কোনটি?

“আমি বাংলাদেশে আর্টস থেকে HSC করেছি। জাপানে এসে এখন ল্যাঙ্গুয়েজ স্কুলে পড়ছি। আমি কি বিজনেস নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে পারব?”

“আমি বিজনেস ব্যাকগ্রাউন্ডের শিক্ষার্থী। কিন্তু জাপানে আইটির চাকরির সুযোগ বেশি শুনেছি। আমি কি কম্পিউটার সায়েন্সে যেতে পারব?”

“আমি সায়েন্স থেকে পড়েছি। সবাই বলছে ইঞ্জিনিয়ারিং নিতে। কিন্তু আমার ইচ্ছা অর্থনীতি বা আন্তর্জাতিক সম্পর্ক পড়ার। এটি কি সম্ভব?”

AIC Japan-এর কাছে এ ধরনের প্রশ্ন নিয়মিত আসে।

এসব প্রশ্নের উত্তর শুধু “হ্যাঁ” বা “না” দিয়ে দেওয়া যায় না।

কারণ আপনার HSC ব্যাকগ্রাউন্ড গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু সেটিই আপনার ভবিষ্যতের বিশ্ববিদ্যালয় সাবজেক্ট পুরোপুরি নির্ধারণ করে না।

আবার শুধু ইচ্ছা থাকলেই যেকোনো বিভাগে ভর্তি হওয়া সম্ভব হয় না।

সঠিক সিদ্ধান্তের জন্য আপনাকে পাঁচটি বিষয় একসঙ্গে মিলিয়ে দেখতে হবে:

আপনার আগ্রহ

আপনার একাডেমিক ভিত্তি

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি শর্ত

ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার

এবং চার বছর পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার বাস্তব সক্ষমতা

━━━━━━━━━━━━━━━
ব্যাকগ্রাউন্ড আর বিশ্ববিদ্যালয়ের মেজর এক জিনিস নয়
━━━━━━━━━━━━━━━

বাংলাদেশে আমরা সাধারণত উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে তিনটি বড় ব্যাকগ্রাউন্ড দেখি:

আর্টস বা মানবিক

বিজনেস বা বাণিজ্য

সায়েন্স বা বিজ্ঞান

এই ব্যাকগ্রাউন্ড দেখায়, আপনি স্কুল ও কলেজে কোন ধরনের বিষয় পড়েছেন।

অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেজর হলো, ব্যাচেলর পর্যায়ে আপনি কোন নির্দিষ্ট বিষয়ে বিশেষভাবে পড়াশোনা করবেন।

যেমন:

একজন সায়েন্স ব্যাকগ্রাউন্ডের শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ে কম্পিউটার সায়েন্স পড়তে পারেন।

আবার একই শিক্ষার্থী অর্থনীতি, বিজনেস বা আন্তর্জাতিক সম্পর্কেও আবেদন করতে পারেন, যদি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি শর্ত পূরণ করেন।

একজন বিজনেস ব্যাকগ্রাউন্ডের শিক্ষার্থী অ্যাকাউন্টিং, ফাইন্যান্স বা ম্যানেজমেন্টের পাশাপাশি বিজনেস অ্যানালিটিকস বা তথ্যব্যবস্থাও বিবেচনা করতে পারেন।

একজন আর্টস ব্যাকগ্রাউন্ডের শিক্ষার্থী আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, আইন, সমাজবিজ্ঞান বা পর্যটনের পাশাপাশি কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজনেস সম্পর্কিত বিভাগেও আবেদন করতে পারেন।

অর্থাৎ ব্যাকগ্রাউন্ড আপনার শুরুর অবস্থান।

মেজর আপনার পরবর্তী গন্তব্য।

তবে শুরুর অবস্থান থেকে গন্তব্যে পৌঁছানোর জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি আপনার আছে কি না, সেটিই আসল প্রশ্ন।

━━━━━━━━━━━━━━━
ব্যাকগ্রাউন্ড পরিবর্তন কি সত্যিই সম্ভব?
━━━━━━━━━━━━━━━

অনেক ক্ষেত্রেই সম্ভব।

কিন্তু সব বিশ্ববিদ্যালয় এবং সব বিভাগের জন্য একই নিয়ম নেই।

জাপানে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের ভর্তি শর্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বিভাগভেদে আলাদা হতে পারে।

কোনো বিশ্ববিদ্যালয় আপনার HSC ব্যাকগ্রাউন্ডের চেয়ে EJU, ভাষা দক্ষতা, ইংরেজি স্কোর, আবেদনপত্র এবং নিজস্ব ভর্তি পরীক্ষাকে বেশি গুরুত্ব দিতে পারে।

আবার কোনো বিভাগ আবেদনকারীর স্কুল পর্যায়ের গণিত, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন বা জীববিজ্ঞানের প্রস্তুতি দেখতে পারে।

তাই শুধু নিজের ব্যাকগ্রাউন্ড দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে না।

আপনার পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বশেষ ভর্তি নির্দেশিকায় দেখতে হবে:

কে আবেদন করতে পারবে

কোন EJU সাবজেক্ট লাগবে

গণিত কোর্স ১ না কোর্স ২ লাগবে

সায়েন্সের কোন দুটি বিষয় লাগবে

JLPT বা EJU জাপানির শর্ত কী

ইংরেজি পরীক্ষার ফল লাগবে কি না

বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব লিখিত পরীক্ষা আছে কি না

ইন্টারভিউতে কী মূল্যায়ন করা হবে

এই শর্তগুলো পূরণ করতে পারলে ব্যাকগ্রাউন্ড পরিবর্তনের সুযোগ তৈরি হতে পারে।

━━━━━━━━━━━━━━━
কোন পরিবর্তন তুলনামূলকভাবে সহজ হতে পারে?
━━━━━━━━━━━━━━━

ধরুন, একজন আর্টস ব্যাকগ্রাউন্ডের শিক্ষার্থী আন্তর্জাতিক সম্পর্ক থেকে পর্যটন, সমাজবিজ্ঞান, শিক্ষা, যোগাযোগ বা বিজনেসের কিছু বিভাগে যেতে চান।

এক্ষেত্রে তার আগের পড়াশোনার সঙ্গে নতুন ক্ষেত্রের কিছু সম্পর্ক থাকতে পারে।

একজন বিজনেস ব্যাকগ্রাউন্ডের শিক্ষার্থী ম্যানেজমেন্ট থেকে মার্কেটিং, ফাইন্যান্স, অর্থনীতি, লজিস্টিকস বা বিজনেস অ্যানালিটিকসে যেতে চাইলে এটিও তুলনামূলকভাবে স্বাভাবিক পরিবর্তন হতে পারে।

একজন সায়েন্স ব্যাকগ্রাউন্ডের শিক্ষার্থী কম্পিউটার সায়েন্স, ইঞ্জিনিয়ারিং, পরিবেশবিজ্ঞান, কৃষি বা জীববিজ্ঞানের কোনো বিভাগে গেলে তার আগের গণিত ও বিজ্ঞানের ভিত্তি কাজে লাগতে পারে।

আবার সায়েন্স থেকে বিজনেস বা সামাজিক বিজ্ঞানে যাওয়াও অনেক ক্ষেত্রে সম্ভব হতে পারে।

কিন্তু আর্টস বা বিজনেস থেকে প্রকৌশল, কম্পিউটার সায়েন্স বা কিছু বিশুদ্ধ বিজ্ঞান বিভাগে যেতে চাইলে প্রস্তুতির ব্যবধান সাধারণত বেশি হয়।

কারণ সেখানে শুধু আগ্রহ নয়, শক্ত গণিত ও বিজ্ঞানের ভিত্তিও প্রয়োজন হতে পারে।

━━━━━━━━━━━━━━━
আর্টস বা বিজনেস থেকে আইটি পড়া যাবে?
━━━━━━━━━━━━━━━

এটি বর্তমানে সবচেয়ে বেশি জিজ্ঞেস করা প্রশ্নগুলোর একটি।

উত্তর হলো:

কিছু বিশ্ববিদ্যালয় ও বিভাগে সম্ভব হতে পারে।

কিন্তু “আইটি” অনেক বড় একটি ক্ষেত্র।

সব আইটি সম্পর্কিত বিভাগের ভর্তি শর্ত এবং কারিকুলাম এক নয়।

যেমন:

কম্পিউটার সায়েন্স

সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং

ইনফরমেশন ইঞ্জিনিয়ারিং

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা

ডেটা সায়েন্স

সাইবার সিকিউরিটি

ইনফরমেশন সিস্টেম

বিজনেস ইনফরমেটিকস

ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম

কম্পিউটার সায়েন্স বা প্রকৌশলভিত্তিক বিভাগে সাধারণত উন্নত গণিতের প্রস্তুতি গুরুত্বপূর্ণ।

কিছু বিশ্ববিদ্যালয় EJU গণিত কোর্স ২ এবং দুটি সায়েন্স বিষয় চাইতে পারে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব গণিত, পদার্থবিজ্ঞান বা অন্যান্য লিখিত পরীক্ষাও থাকতে পারে।

অন্যদিকে বিজনেস ও প্রযুক্তি মিলিয়ে তৈরি কিছু বিভাগে ভর্তি শর্ত ভিন্ন হতে পারে।

সেখানে তথ্যব্যবস্থা, ডিজিটাল ব্যবসা, ডেটা ব্যবহার, ম্যানেজমেন্ট এবং প্রযুক্তির যৌথ শিক্ষা থাকতে পারে।

তাই আর্টস বা বিজনেস থেকে আইটিতে যেতে চাইলে প্রথমে প্রশ্ন করুন:

আমি কি প্রকৌশলভিত্তিক কম্পিউটার সায়েন্স পড়তে চাই?

নাকি বিজনেস ও প্রযুক্তির সমন্বিত কোনো বিভাগ পড়তে চাই?

দুটি পথের নাম কাছাকাছি মনে হলেও পড়াশোনা এবং ভবিষ্যৎ চাকরির ধরন এক নাও হতে পারে।

━━━━━━━━━━━━━━━
কোথায় গণিতের শক্ত ভিত্তি দরকার?
━━━━━━━━━━━━━━━

সাধারণভাবে নিচের ক্ষেত্রগুলোতে গণিতের প্রস্তুতি বেশি গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে:

কম্পিউটার সায়েন্স

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা

ডেটা সায়েন্স

সফটওয়্যার ও তথ্য প্রকৌশল

ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং

মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং

সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং

পদার্থবিজ্ঞান

পরিসংখ্যান

অর্থনীতির কিছু পরিমাণগত বিভাগ

ফাইন্যান্স

বিজনেস অ্যানালিটিকস

শুধু পরীক্ষায় পাস করার জন্য গণিত পড়লেই হবে না।

বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পরও আপনাকে গণিতনির্ভর ক্লাস করতে হতে পারে।

যেমন:

ক্যালকুলাস

লিনিয়ার অ্যালজেব্রা

পরিসংখ্যান

ডিসক্রিট ম্যাথমেটিকস

অ্যালগরিদম

ডেটা বিশ্লেষণ

তাই নিজের কাছে সৎ প্রশ্ন করুন:

আমি কি গণিত শিখতে আগ্রহী?

বর্তমান দুর্বলতা কাটাতে নিয়মিত পরিশ্রম করতে প্রস্তুত?

জাপানি ভাষায় গণিতের প্রশ্ন বুঝতে পারব?

চার বছর গণিতনির্ভর পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারব?

শুধু আইটির চাকরি আছে শুনে কম্পিউটার সায়েন্স নিলে, কিন্তু গণিত একেবারেই সহ্য করতে না পারলে, ভর্তি ও পড়াশোনা দুটোই কঠিন হতে পারে।

━━━━━━━━━━━━━━━
কোথায় সায়েন্সের ভিত্তি দরকার?
━━━━━━━━━━━━━━━

ইঞ্জিনিয়ারিং ও বিশুদ্ধ বিজ্ঞানের অনেক বিভাগে স্কুল পর্যায়ের বিজ্ঞানের ভিত্তি গুরুত্বপূর্ণ।

উদাহরণ হিসেবে:

মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পদার্থবিজ্ঞান ও গণিত

কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে রসায়ন, পদার্থবিজ্ঞান ও গণিত

জীববিজ্ঞান বা বায়োটেকনোলজিতে জীববিজ্ঞান ও রসায়ন

কৃষি ও খাদ্যবিজ্ঞানে জীববিজ্ঞান ও রসায়ন

পরিবেশবিজ্ঞানে বিভাগভেদে জীববিজ্ঞান, রসায়ন, পদার্থবিজ্ঞান ও গণিত

ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পদার্থবিজ্ঞান ও গণিত

আপনি আর্টস বা বিজনেস থেকে এসেছেন বলে এসব বিভাগে যাওয়া সব ক্ষেত্রে নিষিদ্ধ, এমন নয়।

কিন্তু আপনাকে শুরু থেকে প্রয়োজনীয় গণিত ও বিজ্ঞান শিখতে হতে পারে।

একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি শর্তও পূরণ করতে হবে।

যদি হাতে খুব কম সময় থাকে, তাহলে একটি কঠিন পরিবর্তনের জন্য বাস্তবসম্মত প্রস্তুতি নেওয়া সম্ভব কি না, সেটিও বিবেচনা করতে হবে।

স্বপ্ন থাকা জরুরি।

কিন্তু স্বপ্ন পূরণের সময়, প্রস্তুতি এবং বিকল্প পথও পরিষ্কার থাকা দরকার।

━━━━━━━━━━━━━━━
সায়েন্স থেকে কি আর্টস বা বিজনেসে যাওয়া যায়?
━━━━━━━━━━━━━━━

অনেক শিক্ষার্থী মনে করেন, সায়েন্স থেকে পড়লে অবশ্যই ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার বা আইটি পেশায় যেতে হবে।

এটি সঠিক নয়।

আপনার আগ্রহ যদি অর্থনীতি, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, বিজনেস, আইন, শিক্ষা বা সামাজিক বিজ্ঞানে থাকে, তাহলে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি শর্ত পূরণ করে সেসব বিভাগ বিবেচনা করা যেতে পারে।

তবে শুধু সায়েন্স ব্যাকগ্রাউন্ড আছে বলে নতুন বিভাগে ভর্তি নিশ্চিত হবে না।

আপনাকে প্রমাণ করতে হবে:

কেন সেই বিষয় পড়তে চান

নতুন বিষয়ে আপনার আগ্রহ কোথা থেকে এসেছে

ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ারের সঙ্গে বিষয়টির সম্পর্ক কী

প্রয়োজনীয় EJU ও ভাষার শর্ত পূরণ করেছেন কি না

বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনা বোঝার প্রস্তুতি আছে কি না

সাবজেক্ট পরিবর্তনের ক্ষেত্রে আবেদনপত্র ও ইন্টারভিউতে একটি বিশ্বাসযোগ্য ব্যাখ্যা খুব গুরুত্বপূর্ণ।

“সায়েন্স কঠিন, তাই বিজনেস নিতে চাই” শক্তিশালী ব্যাখ্যা নয়।

কিন্তু “গণিতভিত্তিক সমস্যা সমাধানের অভিজ্ঞতা থেকে আমি অর্থনীতি ও ডেটাভিত্তিক ব্যবসায় আগ্রহী হয়েছি” তুলনামূলকভাবে যৌক্তিক ব্যাখ্যা হতে পারে।

━━━━━━━━━━━━━━━
শুধু চাকরি দেখে সাবজেক্ট নির্বাচন করবেন না
━━━━━━━━━━━━━━━

অনেকে বলেন:

“জাপানে আইটির চাকরি আছে, তাই আইটি নেব।”

“হোটেলে কাজ সহজে পাওয়া যায়, তাই ট্যুরিজম নেব।”

“বিজনেস পড়লে সব কোম্পানিতে আবেদন করা যাবে, তাই বিজনেস নেব।”

চাকরির সুযোগ অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ।

কিন্তু সেটিই একমাত্র সিদ্ধান্ত হওয়া উচিত নয়।

একটি ব্যাচেলর ডিগ্রি সাধারণত চার বছরের দীর্ঘ যাত্রা।

আপনাকে নিয়মিত ক্লাস করতে হবে।

পরীক্ষা দিতে হবে।

অ্যাসাইনমেন্ট করতে হবে।

প্রজেক্ট করতে হবে।

জাপানি ভাষায় শিক্ষকের কথা বুঝতে হবে।

এবং শেষ পর্যন্ত সেই বিষয়ের জ্ঞান ব্যবহার করে চাকরির জন্য নিজেকে প্রস্তুত করতে হবে।

শুধু চাকরির বিজ্ঞাপন দেখে এমন সাবজেক্ট নিলে, যেটি আপনার একেবারেই ভালো লাগে না বা যার ভিত্তি আপনার নেই, তাহলে চার বছর চালিয়ে যাওয়া কঠিন হতে পারে।

আবার শুধু ভালো লাগে বলে এমন সাবজেক্ট নিলেও সমস্যা হতে পারে, যদি সেই বিভাগের ভর্তি শর্ত পূরণের বাস্তব প্রস্তুতি আপনার না থাকে।

তাই ভারসাম্য দরকার।

━━━━━━━━━━━━━━━
সঠিক সাবজেক্ট নির্বাচনের সহজ সূত্র
━━━━━━━━━━━━━━━

AIC Japan-এর মতে, একটি বাস্তবসম্মত সাবজেক্ট নির্বাচন করতে পাঁচটি বিষয় একসঙ্গে মিলতে হবে:

আগ্রহ + যোগ্যতা + ভর্তি শর্ত + ক্যারিয়ার + বাজেট

১. আগ্রহ

কোন বিষয় সম্পর্কে জানতে আপনার সত্যিই ভালো লাগে?

কোন বিষয়ে ক্লাস করলে বিরক্তির বদলে কৌতূহল তৈরি হয়?

২. যোগ্যতা

কোন বিষয়ে আপনার ভিত্তি ভালো?

গণিত, ভাষা, লেখা, বিশ্লেষণ, যোগাযোগ, বিজ্ঞান বা সৃজনশীলতার মধ্যে আপনার শক্তি কোথায়?

৩. ভর্তি শর্ত

আপনার পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয় কোন EJU সাবজেক্ট, ভাষার ফল এবং নিজস্ব পরীক্ষা চায়?

আপনার হাতে সেই প্রস্তুতির জন্য যথেষ্ট সময় আছে কি না?

৪. ক্যারিয়ার

ডিগ্রি শেষ করে আপনি কী ধরনের কাজ করতে চান?

সেই চাকরির জন্য নির্বাচিত বিভাগটি সত্যিই উপযুক্ত কি না?

৫. বাজেট

সাবজেক্টটি জাতীয়, পাবলিক ও প্রাইভেট কোন ধরনের বিশ্ববিদ্যালয়ে পাওয়া যায়?

ল্যাব, যন্ত্রপাতি বা অন্যান্য অতিরিক্ত ফি আছে কি না?

শুধু টিউশন নয়, পুরো চার বছরের খরচ বহন করা সম্ভব কি না?

এই পাঁচটির মধ্যে একটি বিষয় পুরোপুরি বাদ দিলে সিদ্ধান্ত দুর্বল হয়ে যেতে পারে।

━━━━━━━━━━━━━━━
তিনটি ছোট উদাহরণ
━━━━━━━━━━━━━━━

উদাহরণ ১: আর্টস ব্যাকগ্রাউন্ড

একজন শিক্ষার্থীর জাপানি ভালো।

মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পছন্দ করেন।

গণিতে দুর্বল।

ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক কোম্পানি, পর্যটন বা বিদেশি সহায়তা সম্পর্কিত কাজে যেতে চান।

তার সম্ভাব্য ক্ষেত্র হতে পারে:

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক

গ্লোবাল স্টাডিজ

পর্যটন

যোগাযোগ

সমাজবিজ্ঞান

বিজনেসের কিছু বিভাগ

তার জন্য শুধু “চাকরি আছে” শুনে প্রকৌশলভিত্তিক আইটি নেওয়া হয়তো প্রথম পছন্দ হিসেবে বাস্তবসম্মত নাও হতে পারে।

উদাহরণ ২: বিজনেস ব্যাকগ্রাউন্ড

একজন শিক্ষার্থী হিসাব ও গণিতে ভালো।

প্রযুক্তিতে আগ্রহ আছে।

ভবিষ্যতে ডেটা ব্যবহার করে ব্যবসায়িক সিদ্ধান্ত নেওয়ার কাজ করতে চান।

তার সম্ভাব্য ক্ষেত্র হতে পারে:

অর্থনীতি

ফাইন্যান্স

বিজনেস অ্যানালিটিকস

ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম

ডেটাভিত্তিক বিজনেস

ডিজিটাল ম্যানেজমেন্ট

তাকে অবশ্যই দেখতে হবে, সংশ্লিষ্ট বিভাগে কোন পর্যায়ের গণিত প্রয়োজন।

উদাহরণ ৩: সায়েন্স ব্যাকগ্রাউন্ড

একজন শিক্ষার্থী গণিতে ভালো।

প্রোগ্রামিং শিখছেন।

সমস্যা সমাধান করতে পছন্দ করেন।

ভবিষ্যতে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হতে চান।

তার সম্ভাব্য ক্ষেত্র হতে পারে:

কম্পিউটার সায়েন্স

সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং

ইনফরমেশন ইঞ্জিনিয়ারিং

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা

ডেটা সায়েন্স

তবে বিভাগ বেছে নেওয়ার সময় তাকে দেখতে হবে, চার বছরের কারিকুলামে প্রোগ্রামিং, অ্যালগরিদম, ডেটাবেজ, নেটওয়ার্ক ও সফটওয়্যার উন্নয়ন কতটা আছে।

━━━━━━━━━━━━━━━
এখনই নিজের জন্য এই ১০টি প্রশ্নের উত্তর লিখুন
━━━━━━━━━━━━━━━

১. বাংলাদেশে আমার HSC ব্যাকগ্রাউন্ড কী?

২. কোন বিষয়গুলোতে আমার ফল ভালো ছিল?

৩. কোন বিষয় পড়তে সত্যিই ভালো লাগে?

৪. কোন বিষয় একেবারেই ভালো লাগে না?

৫. ভবিষ্যতে আমি কী ধরনের কাজ করতে চাই?

৬. আমার গণিতের ভিত্তি কেমন?

৭. পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন ও জীববিজ্ঞানের প্রস্তুতি কেমন?

৮. আমি EJU-তে কোন সাবজেক্ট নিয়েছি?

৯. আমার পছন্দের বিভাগের ভর্তি শর্ত কী?

১০. প্রথম পছন্দ সম্ভব না হলে আমার বিকল্প সাবজেক্ট কী?

এরপর তিনটি পথ তৈরি করুন:

প্রথম পছন্দের সাবজেক্ট

বাস্তবসম্মত বিকল্প সাবজেক্ট

নিরাপদ ব্যাকআপ সাবজেক্ট

একটি মাত্র সাবজেক্টের ওপর পুরো পরিকল্পনা দাঁড় করাবেন না।

━━━━━━━━━━━━━━━
শেষ কথা
━━━━━━━━━━━━━━━

আপনি আর্টস, বিজনেস বা সায়েন্স থেকে এসেছেন, সেটি আপনার পরিচয়ের একটি অংশ।

কিন্তু সেটিই আপনার ভবিষ্যতের একমাত্র সীমা নয়।

সাবজেক্ট পরিবর্তন সম্ভব হতে পারে।

তবে পরিবর্তনের সঙ্গে প্রস্তুতিও বদলাতে হবে।

আর্টস বা বিজনেস থেকে আইটিতে যেতে চাইলে গণিতের ভিত্তি তৈরি করতে হবে।

সায়েন্স থেকে বিজনেস বা সামাজিক বিজ্ঞানে যেতে চাইলে নতুন বিষয়ের প্রতি আগ্রহ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা পরিষ্কার করতে হবে।

যে পথই নেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি শর্ত যাচাই করতে হবে।

শুধু বন্ধু কী পড়ছে দেখে সিদ্ধান্ত নেবেন না।

শুধু চাকরির বাজার দেখে সিদ্ধান্ত নেবেন না।

শুধু নিজের HSC ব্যাকগ্রাউন্ড দেখেও নিজেকে আটকে রাখবেন না।

এমন একটি সাবজেক্ট নির্বাচন করুন, যেটি আপনি পড়তে পারবেন, ভর্তি হতে পারবেন, চার বছর চালিয়ে যেতে পারবেন এবং ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ারে ব্যবহার করতে পারবেন।

কমেন্টে এই চারটি তথ্য লিখুন:

১. আপনার HSC ব্যাকগ্রাউন্ড
২. জাপানে কোন সাবজেক্ট পড়তে চান
৩. EJU-তে কোন বিষয় নিয়েছেন
৪. ভবিষ্যতে কোন কাজ করতে চান

পরবর্তী পোস্ট:

EJU-তে ভুল সাবজেক্ট নিলে পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদনই করা যাবে না



AIC Japan

তথ্যসূত্র:

Japan Student Services Organization, JASSO
Study in Japan Official Website

住所

13-4, Nakajujo 2-Chome
Kita-ku, Tokyo
114-0032

営業時間

月曜日 10:00 - 20:00
火曜日 10:00 - 20:00
水曜日 10:00 - 20:00
木曜日 10:00 - 20:00
金曜日 10:00 - 20:00
土曜日 10:00 - 20:00
日曜日 10:00 - 17:00

電話番号

+818035750697

アラート

Japan Foreigner Supportがニュースとプロモを投稿した時に最初に知って当社にメールを送信する最初の人になりましょう。あなたのメールアドレスはその他の目的には使用されず、いつでもサブスクリプションを解除することができます。

事業に問い合わせをする

Japan Foreigner Supportにメッセージを送信:

ショートカット

共有する