13/05/2026
ইন্ডিয়ার সবচেয়ে বড় শত্রু ইউনুস
২০২৫ সালে ডেংগুতে আক্রান্ত হয়ে ৪১৩ জন মারা গিয়েছে, সেগুলো নিয়েতো কোন ইমশোনাল নিউজ হয়নি, বাম শাহবাগীগুলা রাস্তায় দাঁড়ায়নি।
ইন্ডিয়ার সবচেয়ে বড় শত্রু ইউনুস। হাম ইস্যুতে যেটা আরেকবার প্রমানিত। হামে শিশু মৃত্যু নিয়ে রিপোর্টে করা স্বাভাবিক। কিন্তু ইন্ডিয়ান দালাল মিডিয়াগুলো ইমোশনাল স্টোরি করছে এবং প্রত্যেকটা রিপোর্টের সারমর্ম তারা এভাবে টানছে - সব দোষ ইউনুসের। এই মিডিয়াগুলো শুধু নিউজ করেই ক্ষান্ত হচ্ছে না, প্রত্যেকটা নিউজে বট বাহিনী দিয়ে কমেন্ট করান এবং তাদের একটাই কথা ইউনুসের বিচার চাই।
এটা যে ভারতের ইন্ধনে হচ্ছে তার সবচেয়ে বড় প্রমান হচ্ছে বাম সংগঠন গুলো মাঠে নেমেছে। ইউনুসকে পচানোর জন্য 'র তাদের সর্বোচ্চ শক্তি ব্যয় করছে।
আপাত দৃষ্টিতে মনে হচ্ছে একটা চক্রান্ত চলছে। যদি তাই হয় তাহলে আমরা কি ধরে নিতে পারি যে, পরিকল্পিতভাবে শিশু মৃত্যুকে বাড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। অর্থাৎ হামের উপসর্গ নিয়ে যেসব শিশু আসছে তাদেকে ইচ্ছাকৃতভাবে ভালো ট্রিটমেন্ট দেওয়া হচ্ছে না। যাতে বেশি শিশ মৃত্যু দেখিয়ে জনগণকে ইউনুসের বিরুদ্ধে ক্ষেপানো যায়। যেখানে 'র কাজ করছে, সেখানে সবকিছুই সম্ভব।
কিছু প্রশ্ন চলে আসে-
১) অন্তর্বর্তী সরকারের সময় যে, ১০০০ কোটি টাকার টিকা কেনা হয়েছিল সে দেশের কোন মেইনস্ট্রিম মিডিয়ায় নাই কেন? এর মানে হচ্ছে মিডিয়াগুলোকে এই তথ্য উল্লেখ করতে নিষেধ করা হয়েছে।
২) জরুরী ভিত্তিতে টিকা আমদানি করতে কতদিন লাগে?
৩) বিএনপি সরকার যদি এতই সিরিয়াস হয়ে থাকে তাহলে এইসব দোষারোপ করার আগে জরুরী ভিত্তিতে টিকা সংগ্রহ করেনি কেন?
৪) বিএনপি ক্ষমতায় এসেছে ফেব্রুয়ারির ১২ তারিখ আর আজকে মে মাস চলছে। সরকারের সদিচ্ছার থাকলে মার্চ মাসের মধ্যে টিকা আমদানি সম্ভব ছিল কিনা সেটা খতিয়ে দেখা উচিত।
৫) হামে যেসব শিশু মারা গিয়েছে তারা কি ২০২৫ সালে হামের টিকা দিতে এসেছিল? তারা কি টিকা না পেয়ে ফেরত গিয়েছে? নাকি নিজেরাই টিকার প্রতি আগ্রহ দেখায়নি?
শিশু মৃত্যুর মূল দায় কিন্তু বিএনপি সরকারকেই নিতে হবে। কারণ শিশু মারা গিয়েছে তাদের সময়। প্রাদুর্ভাব শুরু হয়েছে তাদের সময়। অনেক পরিবার নিশ্চিত করেছে যে, তারা ২০২৫ সালে তাদের শিশুকে হামের টিকা দিয়েছে।
হাম বিষয়ে কিছু তথ্য -
হাম (Measles) অনেক ক্ষেত্রে নিজে নিজে ভালো হয়ে যায়, কিন্তু এটি শিশুদের জন্য গুরুতর ও কখনও প্রাণঘাতী রোগও হতে পারে—বিশেষ করে অপুষ্টি, কম বয়স, বা দুর্বল রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা থাকলে।
সাধারণভাবে:
উন্নত চিকিৎসা ও পুষ্টি সুবিধা থাকা দেশে মৃত্যুহার অনেক কম।
নিম্নআয়ের বা অপুষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে মৃত্যুঝুঁকি বেশি হতে পারে।
WHO ও CDC–এর তথ্য অনুযায়ী:
১) প্রতি ১,০০০ আক্রান্ত শিশুর মধ্যে আনুমানিক ১–৩ জন পর্যন্ত মারা যেতে পারে, বিশেষ করে চিকিৎসা ও পুষ্টির ঘাটতি থাকলে।
২) অপুষ্ট শিশু, ভিটামিন A ঘাটতি, ৫ বছরের কম বয়সী শিশু, এবং যাদের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল—তাদের ঝুঁকি বেশি।
বি: দ্র: লেখটি ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষণ এবং বিশ্লেষণ।