Habib Nayeem

Habib Nayeem Helping students & education consultancy agencies grow with Digitalliyo’s AI tools, digital products and creative marketing services.

Sharing the strategies Google won’t tell you 💯

Agency Owner | International Student | Traveller 🏖️ Habib Nayeem (June 20, 2004; Bangladeshi: হাবিব নাঈম) is a Bangladeshi Digital Marketer and Businessperson. He trained hundreds of students in the Bengali language in marketing, sales, business, and content. Habib Nayeem is known for his best-selling eBook "The Secret Of Youtube Subscriber Method"


Owns of Habib Nayeem:

Habib Nayeem founder of 'Studentpreneur Bangladesh'

He is also the founder of 'Skillian', the creative Bangladeshi skill hub. To learn more about him, here is the official website of HabibNayeem:
https://habibnayeem.com


Other official profiles of Habib Nayeem:

YOUTUBE: https://youtube.com/c/HabibNayeem
FACEBOOK PROFILE: https://facebook.com/HabibNayeem100
INSTAGRAM: https://instagram.com/habib_nayeem
LINKEDIN: https://www.linkedin.com/in/HabibNayeem100
TWITTER: https://twitter.com/HabibNayeem100
QUORA: https://bn.quora.com/profile/HabibNayeem

বিদেশে বাজার করতে গেলে প্রথম দিনটাই আপনাকে বুঝিয়ে দেবে, আপনি আসলে কতটা “নিজে নিজে” চলতে পারেন।আমি এখনো মনে করতে পারি, প্...
25/04/2026

বিদেশে বাজার করতে গেলে প্রথম দিনটাই আপনাকে বুঝিয়ে দেবে, আপনি আসলে কতটা “নিজে নিজে” চলতে পারেন।

আমি এখনো মনে করতে পারি, প্রথম যখন সুপারশপে ঢুকেছিলাম, কী কিনবো, কত লাগবে, কোনটা সস্তা - কিছুই পরিষ্কার ছিল না। দেশে থাকলে মা বলে দিত, “এটা নিয়ে আয়, ওটা লাগবে না।” এখানে? কেউ নেই। নিজের সিদ্ধান্ত নিজেকেই নিতে হয়।

বিদেশে বাজার মানে শুধু জিনিস কেনা না, এটা একটা স্কিল। আপনি কীভাবে টাকা ম্যানেজ করছেন, কীভাবে প্রয়োজন আর চাহিদা আলাদা করছেন - সবকিছু এখানে শেখা যায়।

প্রথম কিছুদিন আপনি হয়তো ভুল করবেন। অপ্রয়োজনীয় জিনিস কিনবেন, বাজেটের বাইরে চলে যাবেন, বা এমন কিছু কিনবেন যেটা খেতেই পারবেন না। কিন্তু আস্তে আস্তে আপনি বুঝতে শুরু করবেন - কোন ব্র্যান্ড ভালো, কোনটা সস্তা, কোথায় অফার চলে, কখন কিনলে লাভ।

একটা সময় পরে দেখবেন, আপনি লিস্ট বানিয়ে বাজারে যাচ্ছেন। আগে থেকেই হিসাব করে নিচ্ছেন, এই সপ্তাহে কত খরচ হবে। ডিসকাউন্ট দেখলে বুঝতে পারছেন, এটা আসলেই লাভজনক কিনা।

আর সবচেয়ে বড় জিনিস - এই ছোট ছোট অভ্যাসগুলোই আপনাকে ইন্ডিপেন্ডেন্ট করে তোলে। আপনি আর কারো উপর নির্ভরশীল থাকেন না।

বিদেশে থাকার রিয়াল লাইফটা আসলে এই ছোট ছোট কাজগুলোর মধ্যেই লুকানো। ক্লাস, পার্টটাইম জব, ঘোরাঘুরি - সবকিছু আছে, কিন্তু দিনের শেষে এই বাজার করা, রান্না করা, খরচ সামলানো - এগুলোই আপনাকে যা শেখায়, সেগুলো বিয়ের পরে সংসার চালাতে হেল্প করে।

আজকে আপনি যদি একা বাজার করতে পারেন, নিজের খরচ সামলাতে পারেন, তাহলে আপনি আসলে শুধু বিদেশে থাকছেন না, নিজের লাইফটাও নিজের মতো করে চালাতে শিখছেন।

আপনার যে বন্ধুরা বিদেশে যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে, তাদেরকে মেনশন দিতে পারেন। হয়তো এই রিয়াল অভিজ্ঞতাটা তাদের কাজে লাগবে।

আপনার বিদেশে উচ্চশিক্ষা নিতে যাওয়ার ইচ্ছা আছে, তবে মাঝে মাঝে চিন্তায় পড়ে যান - বিদেশে তো আর মা-বাবা থাকবে না! তাহলে কীভা...
22/04/2026

আপনার বিদেশে উচ্চশিক্ষা নিতে যাওয়ার ইচ্ছা আছে, তবে মাঝে মাঝে চিন্তায় পড়ে যান - বিদেশে তো আর মা-বাবা থাকবে না! তাহলে কীভাবে সবকিছু গুছিয়ে চলবেন?

আমি Habib Nayeem মালয়েশিয়াতে ৩ বছরের বেশি সময় ধরে আছি। আজকে আমার নিজের লাইফের অভিজ্ঞতা থেকে কিছু প্র্যাকটিক্যাল জিনিস শেয়ার করছি, যেগুলো আগে থেকে অভ্যস্ত হলে বিদেশে গিয়ে অনেক সহজ লাগবে।

বিদেশে গিয়ে কেউ আপনাকে গাইড করে না।
সবকিছু নিজেকেই বুঝে নিতে হয়।

তাই যাওয়ার আগে নিজের লাইফে একটু রিহার্সাল করা দরকার।
মানে, আগে থেকেই কিছু জিনিস প্র্যাকটিস করে নেওয়া।

কী কী?

১. একা বাইরে গিয়ে যেকোনো কাজ শেষ করু্‌
ব্যাংক, মার্কেট, বা কোনো অফিসিয়াল কাজ। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত নিজে হ্যান্ডেল করুন।

২. ৩০ দিনের জন্য নিজের খরচ নিজে ম্যানেজ করুন,
আগে থেকে বাজেট সেট করুন, তারপর সেটা ফলো করার চেষ্টা করুন।

৩. প্রতিদিন অন্তত ১০ মিনিট ইংরেজিতে কথা বলুন,
নিজের সাথে হলেও বলুন। মুখ খুলে কথা বলার অভ্যাসটাই আসল।

৪. নিজে নিজে নতুন একটা স্কিল শুরু করুন,
কেউ গাইড না করলেও ইউটিউব দেখে শুরু করুন। এতে সেলফ ডিপেন্ডেন্সি বাড়ে।

৫. একদিন পুরোটা নিজে রান্না করে খেতে পারেন,
সিম্পল কিছু হলেও নিজের জন্য নিজে করা শিখতে হবে - একদিন বাসায় কিছু রান্না করে পরিবারের সবাইকে তাক লাগিয়ে দিতে পারেন!

৬. প্রতিদিন নতুন ৩ জন মানুষের সাথে কথা বলুন,
অপরিচিত হলেও। এতে সোশ্যাল ভয় অনেক কমে যায়।

৭. নিজের একটা ডেইলি রুটিন বানিয়ে ৩০ দিন ফলো করুন,
কেউ না বললেও নিজে ঠিক রাখুন। ডিসিপ্লিন এখান থেকেই আসে।

৮. নিজের সব ডকুমেন্ট নিজে চেক করুন
পাসপোর্ট, ভিসা, অফার লেটার সব নিজে বুঝে রাখুন।

৯. নিজের সব সিদ্ধান্ত নিজেই নেওয়ার চেষ্টা করুন,
কি খাবেন, কোথায় যাবেন - কাউকে জিজ্ঞেস না করে নিজে ঠিক করুন।

১০. একা ছোট একটা ট্রিপ দিন
নিজের শহরের মধ্যেই হলেও। এতে নিজের উপর ট্রাস্ট বাড়ে।

শেষ কথা—

বিদেশে যাওয়া মানে শুধু প্লেন ধরার গল্প না।
এটা নিজের লাইফ নিজে চালানোর একটি যাত্রা।

এগুলো আপনার কাছে ছোট মনে হতে পারে, কিন্তু ট্রাস্ট মি - দেশ থেকে এই অভ্যাসগুলো নিয়ে গেলে বিদেশে গিয়ে অনেক কিছু সহজ হয়ে যায়।

আপনার যে বন্ধুদের আপনি জানেন, তারা বিদেশে পড়াশোনার জন্য যেতে চায়,
তাদেরকে মেনশন দিতে পারেন, হয়তো এই পোস্টটাই তাদের জন্য কাজে আসতে পারে!

আজ সকালে Md Elias Kanchon  এর Marketing Magic বইটা পড়ছিলাম। সেখানে RAS মডেল নিয়ে একটা বিষয় চোখে পড়লো। আমরা আসলে যা দেখি,...
21/04/2026

আজ সকালে Md Elias Kanchon এর Marketing Magic বইটা পড়ছিলাম। সেখানে RAS মডেল নিয়ে একটা বিষয় চোখে পড়লো। আমরা আসলে যা দেখি, তা সবকিছু না। আমরা শুধু সেটাই দেখি, যেটা আমাদের মাথা গুরুত্বপূর্ণ মনে করে।

ধরুন আপনি নতুন একটা ফোন কিনতে চান। হঠাৎ করে দেখবেন চারপাশে সেই ফোনটাই বেশি চোখে পড়ছে। আগে কি ছিল না? অবশ্যই ছিল। কিন্তু তখন আপনার মাথা সেটাকে গুরুত্ব দেয়নি, তাই দেখেননি।

এই কাজটাই করে আমাদের ব্রেইনের একটি সিস্টেম, RAS বা Reticular Activating System। এটা একটি ফিল্টারের মতো কাজ করে। এটি ঠিক করে কোন তথ্য আপনি দেখবেন, কোনটা এড়িয়ে যাবেন, আর কোনটা মনে রাখবেন।

এখন সমস্যা কোথায়?

আপনি কন্টেন্ট বানাচ্ছেন, অ্যাড দিচ্ছেন, ডিজাইন করছেন। কিন্তু মানুষের এই ফিল্টারটা ট্রিগার করতে পারছেন না। তাই তারা আপনার কন্টেন্ট দেখেও দেখছে না।

একটা রিয়ালিটি হলো, একজন মানুষ দিনে প্রায় ৫০০০ থেকে ৮০০০ বিজ্ঞাপন দেখে। তাহলে আপনার কন্টেন্টটা কেন আলাদা হবে? যদি আপনি এই ফিল্টার পার হতে না পারেন, তাহলে আপনার কন্টেন্ট অদৃশ্য হয়ে যাবে।

তাই গেমটা বদলাতে হলে কিছু জিনিস বুঝতে হবে।

প্রথমত, তার ভাষায় কথা বলতে হবে। “আমাদের সার্ভিস বেস্ট” বললে কাজ হবে না। বরং “মাস শেষে টাকা থাকে না?” এই ধরনের কথা তার মাথায় ঢুকে যায়, কারণ এটা তার নিজের চিন্তার মতো লাগে।

দ্বিতীয়ত, ইমোশন ট্রিগার করতে হবে। মানুষ লজিক দিয়ে সিদ্ধান্ত নেয় না, ইমোশন দিয়ে নেয়। তাই আপনার মেসেজে অনুভূতি থাকতে হবে।

তৃতীয়ত, একই মেসেজ বারবার সামনে আনতে হবে। তবে একভাবে না। ভিডিও, পোস্ট, রিল, স্টোরি এই সব জায়গায় আলাদা ফরম্যাটে দেখাতে হবে।

চতুর্থত, স্পেসিফিক হতে হবে। “ভালো কোয়ালিটি” এই ধরনের কথা কেউ মনে রাখে না। কিন্তু “১০ ঘণ্টা কাজ করলেও পায়ে ব্যথা হবে না” এই ধরনের কথা মানুষ মনে রাখে।

পঞ্চমত, প্রশ্ন করতে হবে। কারণ প্রশ্ন মানুষের মাথায় আটকে থাকে। “শেষ কবে নিজের জন্য কিছু করেছেন?” এই ধরনের প্রশ্ন উত্তর না পাওয়া পর্যন্ত মাথা ছাড়ে না।

শেষ কথা হলো, মার্কেটিং মানে শুধু কন্টেন্ট বানানো না। মার্কেটিং মানে মানুষের মাথায় ঢোকা।

এখন নিজেকে একটা প্রশ্ন করুন, আপনার কন্টেন্ট কি শুধু চোখে পড়ে, নাকি সত্যিই মানুষের মাথায় ঢুকে যায়?

18/04/2026

মালয়েশিয়ায় আছি ৩ বছরের মতো সময়, এই ৩ বছরে ৩ সেকেন্ডের জন্যও লোডশেডিং হতে দেখিনি। তেলের এই তীব্র সংকটেও না। এক মূহুর্তের জন্যও হয়নি।

আপনার এলাকায় আজ কয় ঘন্টা কারেন্ট ছিলো?

টিমমেম্বাররা কারেন্টেএ জন্য ঠিকমতো কাজও কররে পারছে না!

17/04/2026

“সময় নাই”—এটা কি সত্যি, নাকি নিজের কাছেই একটা সুন্দর এক্সকিউজ?

একটা প্রশ্ন করি…

দিনে ২৪ ঘণ্টা আপনি পান, আর একজন সফল মানুষও ২৪ ঘণ্টাই পায়। তাহলে ডিফারেন্স কোথায়?

হাসানের কথাি ভাবেন। সে বলে, “ভাই, টাইম পাই না…”, কিন্তু প্রতিদিন ২–৩ ঘণ্টা সোশ্যাল মিডিয়ায় স্ক্রল করে।

আপনারও কি এমন হয়? কাজ করার সময় নাই, কিন্তু স্ক্রল করার সময় আছে। শেখার সময় নাই, কিন্তু ভিডিও দেখার সময় আছে।

বাংলাদেশে একটা রিসার্চ বলছে, একজন মানুষ গড়ে দিনে ৩–৪ ঘণ্টা ফোনে কাটায়, মানে বছরে প্রায় ১০০০ ঘণ্টা। এই ১০০০ ঘণ্টা যদি স্কিলে দিতেন, আপনার লাইফ কোথায় যেত, কখনো ভেবেছেন?

সমস্যা সময়ের না, সমস্যা প্রাইওরিটির। যেটা আপনার কাছে গুরুত্বপূর্ণ, আপনি সেটার জন্য সময় বের করেন। যেটা গুরুত্বপূর্ণ না, সেটার জন্য আপনি অজুহাত দেন।

আপনি বলছেন “সময় নাই”, আসলে আপনি বলছেন “এটা আমার কাছে ইম্পর্টেন্ট না”। কঠিন শোনাতে পারে, কিন্তু এটাই সত্য।

তাহলে সলিউশন কী? পুরো লাইফ বদলাতে হবে না, ছোট শুরু করেন।

প্রতিদিন ৩০ মিনিট নিজের জন্য রাখেন, ফোন দূরে রেখে কাজ করেন, ১টা কাজ ঠিক করে সেটাই শেষ করেন। এই ৩০ মিনিটই আপনার গেম চেঞ্জার হতে পারে।

মনে রাখেন, সময় পাওয়া যায় না, সময় বের করে নিতে হয়।

আপনিও কি টাইম নিয়ে স্ট্রাগল করছেন?

17/04/2026

বিদেশে পড়তে যাওয়ার স্বপ্ন দেখছেন? তাহলে আগে এই পোস্টটা পড়েন…

প্রতি বছর বাংলাদেশ থেকে হাজার হাজার স্টুডেন্ট বিদেশে যায়। কিন্তু সত্যটা হচ্ছে, অনেকেই গিয়ে স্ট্রাগল করে, কনফিউজড হয়ে যায়, এমনকি ফিরে আসতেও বাধ্য হয়। কারণ তারা যাওয়ার আগে কিছু ভুল করে ফেলে… যেগুলো কেউ তাদের বলে না।

সাগরের কথা বলি। সে মালয়েশিয়ায় পড়তে গেল অনেক স্বপ্ন নিয়ে। ভাবছিল পার্ট-টাইম জব করবে, নিজের খরচ চালাবে, লাইফ সেট হয়ে যাবে।

কিন্তু ৩ মাস পর? না জব আছে, না ক্লিয়ার প্ল্যান, না কোনো গাইডলাইন। শেষে সে বুঝলো, সে আসলে প্রস্তুত ছিল না।

এই ৫টা ভুল ৯০% স্টুডেন্ট করে:

১. “দেশ ছাড়লেই লাইফ সেট” এই ভুল চিন্তা
অনেকে ভাবে, বিদেশে গেলেই টাকা, জব, ভালো লাইফ সব অটোমেটিক হয়ে যাবে। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, বিদেশে গিয়ে আপনাকে শূন্য থেকে শুরু করতে হবে। আপনি যদি আগে থেকে স্কিল না নিয়ে যান, আপনি কষ্ট করবেন।

২. সঠিক কোর্স না বুঝে ভর্তি হওয়া
অনেকে শুধু “ভিসা পাওয়া সহজ” বলে একটা কোর্স নেয়। কিন্তু পরে বুঝে এই কোর্সে ভবিষ্যতে জব নাই, গ্রোথ নাই। তখন আর কিছু করার থাকে না।

৩. খরচের রিয়েল হিসাব না জানা
অনেকে শুধু টিউশন ফি দেখে ডিসিশন নেয়। কিন্তু রিয়েলিটি হলো—মালয়েশিয়ায় মাসে ৮০০–১২০০ RM খরচ লাগে। এর সাথে বাসা, খাবার, ট্রান্সপোর্ট সব মিলিয়ে আগে থেকেই প্ল্যান দরকার। প্ল্যান না থাকলে স্ট্রাগল শুরু।

৪. পার্ট-টাইম জব নিয়ে ভুল ধারণা
অনেকে ভাবে গেলেই জব পাবো। কিন্তু সত্যটা হলো, পার্ট-টাইম জব পাওয়া এত সহজ না। ল্যাঙ্গুয়েজ, কমিউনিকেশন, স্কিল সব লাগে। এগুলো না থাকলে মাসের শেষে টাকা শেষ।

৫. গাইডলাইন ছাড়া নিজে নিজে সব করা
সবচেয়ে বড় ভুল। অনেকে ভাবে “আমি নিজেই সব বুঝে নিবো।” ফলাফল? ভুল ইউনিভার্সিটি, ভুল কোর্স, ভুল সিদ্ধান্ত। একটা সঠিক গাইড থাকলে এই ভুলগুলো হতো না।

একটা কথা মনে রাখেন। বিদেশে যাওয়া সহজ, কিন্তু বিদেশে টিকে থাকা কঠিন। যারা প্রস্তুতি নিয়ে যায় তারা গ্রো করে। যারা শুধু স্বপ্ন নিয়ে যায় তারা স্ট্রাগল করে।

প্লান শুরু করতে পারেন এই ৪টা স্টেপ দিয়ে:

১. যে দেশে যেতে চান, সেই দেশের ইউনিভার্সিটির অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ঘুরে দেখেন
কোর্স ডিটেইলস, ফি, রিকোয়ারমেন্ট সব ক্লিয়ার করেন

২. YouTube-এ রিয়েল স্টুডেন্টদের এক্সপেরিয়েন্স দেখেন
ওরা কী স্ট্রাগল করছে, কী সুযোগ পাচ্ছে বাস্তব আইডিয়া পাবেন

৩. নিজের বাজেট অনুযায়ী হিসাব করেন
টিউশন + লিভিং খরচ + ৩ মাসের ব্যাকআপ ফান্ড রাখেন

৪. যাওয়ার আগে একটা স্কিল তৈরি করেন
যাতে পার্ট-টাইম বা অনলাইনে ইনকাম শুরু করতে পারেন

মনে রাখেন,
প্রস্তুতি ছাড়া বিদেশে যাওয়া মানে যুদ্ধক্ষেত্রে অস্ত্র ছাড়া নামা!

16/04/2026

ধরুন, ২০৩০ সাল।

আপনি অফিসে ঢুকলেন কিন্তু আপনার ডেস্কে অন্য কেউ বসে আছে।

মানুষ না। একটা সিস্টেম।

চুপচাপ আপনার গত ৫ বছরের কাজ করছে… আর কোনো স্যালারি চাচ্ছে না।

ভয় লাগছে?
এটা কল্পনা না।

World Economic Forum এর রিপোর্ট বলছে, ২০২৫–২০৩০ এর মধ্যে প্রায় ৮৫ মিলিয়ন জব হারিয়ে যাবে অটোমেশন ও এআই-এর কারণে।

আর Goldman Sachs বলছে, বিশ্বজুড়ে প্রায় ৩০০ মিলিয়ন ফুল-টাইম জব এআই দ্বারা প্রভাবিত হতে পারে।

এখন প্রশ্ন! কোন জবগুলো সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে?
→ Data Entry Operator
→ Basic Customer Support
→ Telemarketing
→ Content Writing (Basic Level)
→ Accounting (Routine কাজ)
→ Translation (Simple level)

একটা ছোট এক্সাম্পল—
আগে একটা কোম্পানিতে ৫ জন কাস্টমার সাপোর্ট ছিল। এখন একটা AI chatbot ২৪/৭ একই কাজ করছে।

আগে ৩ জন কনটেন্ট রাইটার লাগত, এখন একজন + AI = ৫ জনের কাজ।

মানে জব পুরোপুরি শেষ হচ্ছে না, কিন্তু মানুষ কম লাগছে।

সবচেয়ে বড় পরিবর্তনটা কোথায় জানেন?
“Skill” আর “Tool” এর কম্বিনেশন।

আপনি যদি শুধু Skill জানেন, আপনি ধীরে ধীরে replace হবেন।

আপনি যদি Skill + AI Tool জানেন আপনি replace না, upgrade হবেন।

শেষ কথা,
২০২৬ এ যারা AI শিখছে, ২০৩০ এ তারা বস হবে।

আর যারা এখনো ভাবছে— “সময় আছে…”
তারা তখন বলবে— “সুযোগ ছিল…”

সিদ্ধান্তটা আপনার— Scroll করবেন, নাকি Ai Skill তৈরী করবেন?

A warm welcome to our international students at the University of Geomatika Malaysia.Orientation Day marks the first ste...
13/01/2026

A warm welcome to our international students at the University of Geomatika Malaysia.

Orientation Day marks the first step of a global journey filled with learning, growth, and lifelong connections.

It was truly a memorable experience to be part of the organizing team and contribute to this meaningful beginning at UGM.

30/12/2025

2025 Highlights 🔥

27/12/2025

Believe in yourself 🔥

27/12/2025
07/12/2025

২০২৬ সালের সবচেয়ে বড় স্কিল?

AI ব্যবহার করে নিজের কাজ ৫ গুণ দ্রুত করা।

এটা কোনো টেক স্কিল না।
এটা কোডিং না।
এটা কঠিন কিছুই না।

এটা ৩টা জিনিস—

১) কীভাবে AI-কে পরিষ্কার ইনস্ট্রাকশন দিতে হয়।
২) কীভাবে AI দিয়ে কাজের সময় অর্ধেকে নামাতে হয়।
৩) কীভাবে AI-কে নিজের ব্রেইনের সহকারী বানানো যায়।

আগামী দিনে প্রতিযোগিতা হবে,
“কে বেশি জানে”
তা না।

প্রতিযোগিতা হবে,
“কে একই সময়ে কত দ্রুত, কত স্মার্ট কাজ দিতে পারে।”

এবং সেখানে জিতবে সেই মানুষ,
যে AI-কে টুল হিসেবে ব্যবহার করতে জানে।

ভবিষ্যৎ তাদের,
যারা AI-কে ভয় পায় না,
AI-কে কাজে লাগাতে শেখে।

Address

Jalan 14/55a, Setiawangsa
Kuala Lumpur
54200

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Habib Nayeem posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Habib Nayeem:

Share