21/08/2026
মির্জা ফখরুল ইসলাম এখন বাংলাদেশের নির্বাচিত মহামান্য রাষ্ট্রপতি।
আমার ধারণা বিএনপি এবং তারেক রহমান এটা নিয়ে খুব খুশি হলেও মনের মধ্যে একটা চিন্তা থেকেই যাবে।
এখন বিএনপির পার্টি অফিস অনেক গরম, রাস্তায়ও জায়গা পাওয়া যায় না।লীগের আমলে নয়া পল্টনের ৭-৮ জন লোক জড় হওয়া নিয়ে ওবায়দুল কাদের যে হাসাহাসি করতো, সেই অল্প কয়জন লোক নিয়ে বার বার দাড়াইছেন মির্জা সাহেব।
বৃষ্টিতে রাস্তার পাশে একা একা বসে ভিজতেছেন এই ছবি হাজারবার শেয়ার হইসে, ঈদের পর আন্দোলন হবে দিয়ে।আমরাও ট্রল করছি এত অল্প লোক নিয়ে। কিন্তু তিনি ছিলেন.. সরেন নাই। বেগম খালেদা জিয়া তার লীডার, বিএনপি তার দল.. এর বাইরে তার মুখে খুব একটা এক্সট্রা কিছু ছিল না।
বাংলাদেশের রাজনীতি সব জামানায় ই লীডারদের পেছনের লোকগুলার রাজনীতি ছিল।আর তারা সরে গেলে লীডার শেষ।
যেমনটা ছিল শেখ সাবের পেছনে তাজউদ্দিন আহমেদ। শেখ মুজিব তারে ৭৪ সালে বাকশাল নিয়ে মতানৈক্যতে পদত্যাগ না করাইলে সে তখনো মন্ত্রীপরিষদেই থাকতো। বলাই যায় না হতো জেল হত্যা, না হইতো ১৫ আগষ্ট।
শেখ হাসিনার পেছনে ছিলেন সৈয়দ আশরাফ, ১৩ সালের শাপলা চত্বরের ঘটনা যেভাবে ট্যাকেল দিছেন লীগের জন্যে, হাসিনার জন্যে,অন্য যে কোনো নেতা থাকলে লেজে গোবরে করে দিতো। পার্থক্য বুঝবেন?এরপরে শেখ হাসিনের পেছনে আসছিল ওবায়দুল কাঁদের, পতন হওয়ার অন্যতম কারিগর।
বেগম খালেদা জিয়ার পেছনের মানুষটাই মির্জা সাহেব।ক্ষমতায় না থাকা দীর্ঘ ১৬ বছর এমনকি মৃত্যুর আগেও পাশে ছিলেন। ম্যাডামকে মুক্ত করে ঘরে ফিরছেন। এখন সে সবার উপরের নেতা, সে না বিএনপির, না তারেক রহমানের রাজনীতি করবেন।
বিএনপির জন্যে এটাই চিন্তার কারণ হওয়া দরকার। তারেক রহমানের পেছনের নেতা কে এখন? তার সাহাবী কে?
মির্জা ফখরুলের মত একজন ভাগে পাবেন?