pyramid security service pvt ltd

pyramid security service pvt ltd Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from pyramid security service pvt ltd, Security guard service, Singapore.

07/03/2025

বোনদের জন্য সুন্দর একটা নসিহা।

16/11/2024

শৈশবের দিনগুলো কতোই না মধুময় ছিল।

23/09/2024

পিতা মাতা যাদের নাই তারাই বোঝতে পারে, কি হারিয়ে তারা।

30/08/2024

অসাধারণ একটা গান, আমি অনেক বার শুনেছি।

22/05/2024

সিকিউরিটি গার্ডের পোশাক সিকিউরিটি গার্ডের পোশাক হিসেবে যা যা লাগে, তা হলো; শার্ট, প্যান্ট, বুটজুতা, মোজা, বেল্ট, ব্যাচ, ক্যাপ, শীতের পোশাক, রেইনকোট।
এছাড়াও পোশাকে কোম্পানির লোগো, এবং ব্যাচ পরিধান করতে হয়। সিকিউরিটি কোম্পানিগুলোর পোশাক দেখতে অনেকটাই বিভিন্ন সরকারী বাহিনীর পোশাকের মতো। যা সম্পূর্ণ বেআইনী। এমন সাদৃশ্যপূর্ণ পোশাকের কারণে মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয় বলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সিকিউরিটি গার্ডের পোশাকের উপরে কিছু নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
নির্দেশনা অনুযায়ী বেসরকারী সিকিউরিটি কোম্পানির পোশাক, র্যাঙ্ক ব্যাজ ও টুপি কোনো সরকারী বাহিনীর মতো এবং সাদৃশ্যপূর্ণ হতে পারবে না। এজন্য দেশের প্রতিটি বেসরকারী সিকিউরিটি কোম্পানিকে একই পোশাক ব্যবহারের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। শুধু পোশাকে নির্দিষ্ট সিকিউরিটি কোম্পানির উজ্জ্বল মনোগ্রাম বা লোগো ব্যবহার করতে পারবে।
পোশাকে ও বাহিনীর সদস্যের বুকে লাইসেন্সিং প্রতিষ্ঠানের নাম, মনোগ্রাম স্থায়ী কালি বা সুতা দ্বারা লিখতে হবে। যা সহজেই দেখা যায়। মাথার টুপিতে কোনো মনোগ্রাম থাকতে পারবে না। টুপির রং কোনো সরকারী বাহিনীর মতো বা সাদৃশ্যপূর্ণ হতে পারবে না। এজন্য সারাদেশের সিকিউরিটি কোম্পানিকে একই ধরনের পোশাক ব্যবহার করলে সরকারী বাহিনীর সদস্যদের সর্ম্পকে বিভ্রান্তি দূর হবে। পাশাপাশি বেসরকারী সিকিউরিটি কোম্পানি সর্ম্পকে সাধারণ মানুষ জানতে বা বুঝতে পারবে এমনকি অন্য কাজেও সুবিধা হবে।

"প্রজন্মের 'মা' ধ্বংসের মাষ্টার প্লান"ভার্সিটি পড়ুয়া মেয়েদের একটা অংশ দেহ ব্যবসা করছে। আরেকটা বড় অংশ প্রেমীকের সাথে রুমড...
20/05/2024

"প্রজন্মের 'মা' ধ্বংসের মাষ্টার প্লান"

ভার্সিটি পড়ুয়া মেয়েদের একটা অংশ দেহ ব্যবসা করছে। আরেকটা বড় অংশ প্রেমীকের সাথে রুমডেট, মেস, আবাসিক হোটেল, ডার্ক রেস্টুরেন্ট, হাইড আউট, পার্কে যাচ্ছে। আমার নিজের শহরে এরা সংক্রামক ব্যাধির মত ছড়িয়ে পড়েছে।

আমার এক বন্ধু পড়ালেখার পাশাপাশি আবাসিক এক হোটেলের ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করছে। ওর ডিউটি রাতে। বিশাল বড় হোটেলের কোনো রাতেই খুব একটা রুম ফাঁকা থাকেনা। ও বলছে, বন্ধু বেশিরভাগই ভার্সিটির স্টুডেন্ট। পার নাইট ১৫০০-৫০০০/- পর্যন্ত খরচ করে থাকছে এক রাতের স্বামী-স্ত্রীর মত। বলছে, বেশির ভাগই তো মুখে হিজাব পড়ে আসে,তারপরও যখন আমি ক্যামপাসে যাই তখন অনেকে আমাকে দেখে মুখ ঢেকে চলে যায়। একটা হোটেলের তথ্য, অথচ অসংখ্য হোটেল শহরে!

আরেকটা অংশ ভার্সিটির খরচসহ লাক্সারিয়াস লাইফ পার করতে এটাকে ব্যবসা হিসেবে নিয়েছে। একটা চক্র দালালের ভূমিকায় কন্টাক্ট করে দেয়। এরকম একজনকে চিনি, আমার কলেজের সিনিয়র যিনি মেসের ছেলেদেরকে চড়া সুদে টাকা ধার দেওয়ার পাশাপাশি কমিশন সিস্টেমে এই দু'নাম্বারি বিজনেস করেন। প্রশাসনের সাথেও এদের কানেকশন শক্তিশালী। যেকারণে হুট করে এদের বিরুদ্ধে দাড়িয়ে টিকে থাকা কঠিন!

জি আমার প্রিয় অভিভাবকেরা এই হচ্ছে আমার বোন। অর্থাৎ, আপনাদের মেয়েদের অবস্থা! পুরো রমরমা ক্যারিয়ার বানাতে যে পাঠিয়েছেন তার যথাযথ অর্জন করেই আপনার ঘরে ফিরবে।

অনার্সের বয়সটা এমন যে, কনজারভেটিভ পরিবার থেকে উঠে আসা মেয়েটা ছেলেদের সাথে দীর্ঘ সময় উঠাবসা করে। আর এই বয়সের ছেলেদের তেমন ভয় থাকেনা। তাই এরা নিঃসংকোচে গোপন কথাবার্তা মেয়ে বন্ধুকে ট্রিট করে বলে। এসব শুনতে শুনতে এক সময় মেয়েদের লজ্জা কমে যায়। আর জৈবিক চাহিদা যেহেতু নারী-পুরুষের সব চেয়ে তীব্র ও বড় মাপের চাহিদা তাই ভয়হীন ছেলে আর লজ্জাহীন নারীর জন্য এটা সহজ হয়ে যায়। তাই অবাধে চলছে আপনার মেয়ের যৌন প্রেম অথবা রমরমা যৌন ব্যবসা।

এখানে বড় পরিতাপের বিষয় হচ্ছে, এই মেয়েগুলো তো সারাজীবন আর এভাবে চলতে পারেনা। ভার্সিটি শেষে একটা পর্যায়ে এদেরই কেউ না কেউ আপনার আমার ঘরে স্ত্রী হিসেবে আসছে। এবং লজ্জাহীন এই নারী তখন স্বামীকে মমতা, প্রেম, তীব্র আবেগানুভূতি দিতে পারেনা। পারেনা সন্তানকে নৈতিকতার শিক্ষা দিতে। এভাবেই প্রজন্মের মায়েরা ধ্বংস হচ্ছে।

এখন অভিভাবক হিসেবে কি আপনি চান ভার্সিটি ক্যারিয়ারের নামে আপনার কলিজার টুকরো মেয়েটা এভাবে নিজের ইজ্জত বিলিয়ে দিক? অনেকে বলছে বিকল্প অপশন কি?
বিকল্প অনেক আছে, কিন্তু আপনার পুঁজিবাদী মস্তিষ্ক বিকল্প দেখতে পায়না, দেখিয়ে দিলেও মানতে পারেনা। কারণ আপনার চাহিদা বস্ত্রহীন, লজ্জাহীন, ইজ্জতহীন রং মাখানো ক্যারিয়ার।

© সংগৃহীত

#পোস্টটির জন্য সকলের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।

গল্পের শেষ লাইন

১টি বড় গাছ ৪-জন মানুষের অক্সিজেন সাপ্লাই দিতে পারে।ভারতে ১-জন মানুষের জন্যে প্রায় ২৮টি গাছ আছে, যুক্তরাজ্যে মাথাপিছু গাছ...
06/05/2024

১টি বড় গাছ ৪-জন মানুষের অক্সিজেন সাপ্লাই দিতে পারে।

ভারতে ১-জন মানুষের জন্যে প্রায় ২৮টি গাছ আছে, যুক্তরাজ্যে মাথাপিছু গাছের সংখ্যা ৪৩টি, চীনে ১৩০টি, ইথিওপিয়ায় ১৪৩টি, স্কটল্যান্ডে ৪০০টি, আমেরিকায় ৬৯৯টি, অস্ট্রেলিয়ায় ১২৬৯টি, ব্রাজিলে ১৪৯৪টি, কানাডায় ১০,১৬৩টি, আর রাশিয়ায় প্রত্যেক নাগরিকের জন্যে আছে ৬,৬১৪টি গাছ !
বাংলাদেশের প্রত্যেক নাগরিকের জন্যে মাথাপিছু কয়টি গাছ আছে তা বাংলাদেশের কেউ জানে না । কারণ যাদের জানানোর কথা তারাও জানে না ! কেউ বাংলাদেশে কতটি গাছ আছে জানেন কি? তবে বাংলাদেশে প্রতি বছর ৬,০০,০০০ গাছ কেটে ফেলা হয়, এই ভয়ংকর তথ্যটি ইন্টারনেট থেকে জানা গেলেও- আমার মনে হয় এই সংখ্যা আরো বহুগুণ বেশি !

26/04/2024
ঈদ মোবারক কাছে দুরের সবাইকে।
12/04/2024

ঈদ মোবারক কাছে দুরের সবাইকে।

শুধু ট্রেড লাইসেন্স দিয়ে দেশের সাত শতাধিক প্রাইভেট সিকিউরিটি কোম্পানি চলছে। এ সব কোম্পানির জন্য কোনও নীতিমালা না থাকায় ক...
11/02/2024

শুধু ট্রেড লাইসেন্স দিয়ে দেশের সাত শতাধিক প্রাইভেট সিকিউরিটি কোম্পানি চলছে। এ সব কোম্পানির জন্য কোনও নীতিমালা না থাকায় কোনও জবাবদিহিতা নেই। অভিযোগ রয়েছে, রুগ্ন ও বয়স্ক লোকদের কম বেতন দিয়ে এসব কোম্পানিতে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা বলছেন, যাদের তেমন নেই কোনও প্রশিক্ষণ, তারাই মানুষের যানমালের নিরাপত্তা দিচ্ছেন। এতে জননিরাপত্তা হুমকিতে পড়তে পারে। তবে, এই খাতটি অত্যন্ত বড়, আরও বড় হচ্ছে। তাই এই খাতকে একটি নীতিমালার মধ্যে রাখা উচিত।

রাজধানীর পাড়া, মহল্লা, শপিং মল, হাসপাতাল, বাজার ও স্থাপনার নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছেন প্রাভেট সিকিউরিটি কোম্পানির সদস্যরা। নিয়মিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চেয়ে মানুষ এখন প্রাইভেট সিকিউরিটি কোম্পানির ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছেন। এর সুযোগ নিচ্ছে শতশত প্রাইভেট সিকিউরিটি কোম্পানি। তাদের সেবা ও নিরাপত্তা দেওয়ার সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন আছে। তবে এসব কোম্পানির মধ্যে মোটামুটি ১৫টির বেশি কোম্পানির গ্রহণযোগ্যতা বেশি। এসব কোম্পানির নিরাপত্তাবাহিনী দেশের নামকরা আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর নিরাপত্তা দিচ্ছেন। বর্তমানে ঢাকার মার্কিন দূতাবাসের নিরাপত্তায় কাজ করছে জি-৪-এস নামে একটি কোম্পানি। রাজধানীর বারিধারায় অবস্থিত এই কোম্পানি কেবল বাংলাদেশে নয়, কাজ করছে বহির্বিশ্বের বিভিন্ন দেশেও। এই কোম্পানির নিরাপত্তাকর্মীরা বিদেশি দূতাবাসের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে যেমন কাজ করছেন, তেমনি কাজ করছেন হাউজ কিপিংয়ে ক্ষেত্রেও। এ ছাড়া, ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট, বিমানবন্দরে ভিআইপিদের দ ও হাসপাতালে নিরাপত্তার মতো ভিন্ন ভিন্ন কাজেও তাদের দেখা যাচ্ছে।

‘বেসরকারি নিরাপত্তা বিধিমালা, ২০০৭’—এসব প্রাইভেট কোম্পানির বাধার মুখে বাস্তবায়িত হতে পারেনি। তাই নিয়মনীতি ছাড়াই চলেছে প্রাইভেট সিকিউরিটি কোম্পানিগুলো। ওই বিধিমালায় উল্লেখ আছে, শুধু পোশাকে নির্দিষ্ট সিকিউরিটি কোম্পানির উজ্জ্বল মনোগ্রাম বা লোগো ব্যবহৃত হবে। মাথার টুপিতে কোনও মনোগ্রাম থাকতে পারবে না। শুধু লাইসেন্সপ্রাপ্ত সিকিউরিটি কোম্পানিগুলো সরকার নির্ধারিত পোশাক ব্যবহার করবে। যা কোনও সরকারি বাহিনীর পোশাকের মতো হতে পারবে না। এমনকি সরকারি বাহিনীর পোশাকের সাদৃশ্যপূর্ণও হতে পারবে না। কোনও সরকারি বাহিনীর মতো র‌্যাঙ্ক বা র‌্যাঙ্কব্যাজ ব্যবহার করতে পারবে না। পোশাকে ও বাহিনীর সদস্যের বুকে লাইসেন্সিং প্রতিষ্ঠানের নাম, মনোগ্রাম স্থায়ী কালি বা সুতা দিয়ে লিখতে হবে। যা সহজেই দেখা যায়। কোনও প্রকার মনোগ্রাম ছাড়া সিকিউরিটি কোম্পানির সদস্যরা টুপি ব্যবহার করতে পারবে। তবে টুপির রং কোনও সরকারি বাহিনীর মতো হতে পারবে না। কোনও সিকিউরিটি কোম্পানির পোশাক সরকারি বাহিনীর পোশাকের মতো বা সাদৃশ্যপূর্ণ হলে তা বেআইনি। তা অবশ্যই পরিবর্তন করতে হবে। অন্যথায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিধি মোতাবেক ওইসব সিকিউরিটি কোম্পানির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে। কোম্পানিতে লোক নিয়োগের ক্ষেত্রে যথাযথ বিধিমালা মানতে হবে।

এদিকে, গত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে প্রাইভেট কোম্পানিগুলোর আন্দোলনের মুখে তখনকার স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) এম এ মতিন বিষয়টি নিয়ে আর অগ্রসর হয়নি। এরপর তা আর বাস্তবায়িতও হয়নি।

বাংলাদেশ সিকিউরিটি সার্ভিসেস কোম্পানিজ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএসএসসিওএ) মহাসচিব মো. শাহ আলম সরকার বলেন, দেশে বর্তমানে সাত শতাধিক প্রাইভেট সিকিউরিটি কোম্পানি রয়েছে। সিকিউরিটি কোম্পানি খুলতে তেমন কিছুই লাগে না। শুধু সিটি করপোরেশন বা পৌরসভা থেকে একটি ট্রেড লাইসেন্স হলেই হয়। যদি কেউ লিমিটেড কোম্পানি করতে চান, তাহলে জয়েন্ট স্টক কোম্পানির অনুমোদন নেন। তবে, বেশির ভাগ সিকিউরিটি কোম্পানি চলছে ট্রেড লাইসেন্স দিয়ে। এদিকে, কোনও কোম্পানি অস্ত্রের অনুমোদন নিতে চাইলে জেলা প্রশাসক ও স্বররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করে।

পোশাক, র‌্যাঙ্কব্যাজ লাগানোর বিষয় শাহ আলম সরকার বলেন, ২০০৭ সালের প্রস্তাবিত ওই বিধিমালাটি কার্যকর নয়। তাই এটি কেউ মানে না। কোম্পানিতে অনেক সদস্য থাকেন, তাদের চেনার জন্য র‌্যঙ্কব্যাজ থাকে। পদবি অনুযায়ী র‌্যাঙ্কব্যাজ দিয়ে থাকে। কোম্পানি স্বার্থে এসব করা হয়ে থাকে। এছাড়া আপনি একজন গার্ড নেবেন, তাকে যদি গার্ডের মতো না দেখায়, তাহলে দেখতে কেমন লাগবে? তাই এসব পরানো হয়। তিনি বলেন, আমরা এখন কোনও বিধিমালাই মেনে চলি না। আমাদের কোনও নীতিমালা নেই। স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করেই কোম্পানিগুলো চলে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল জানান, এ বিষয়ে কমিটি করা আছে। কমিটির সদস্যরা কাজ করছেন।

Address

Singapore

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when pyramid security service pvt ltd posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share