প্রত্নতত্ত্ব

প্রত্নতত্ত্ব প্রত্নতত্ত্ব বিষয়ক সাধারণ জ্ঞান

বলতে পারবেন এই ছবিগুলো কিসের? কোথাকার??
09/15/2026

বলতে পারবেন এই ছবিগুলো কিসের? কোথাকার??

বোহেমিয়ান ফয়সালের তোলা ছবিতে রবীন্দ্র কুঠিবাড়ির সাম্প্রতিক দৃশ্য।
09/02/2026

বোহেমিয়ান ফয়সালের তোলা ছবিতে রবীন্দ্র কুঠিবাড়ির সাম্প্রতিক দৃশ্য।

আশির দশকে ন্যাশনাল প্যানাসনিক টিভির একটি বিজ্ঞাপন।
09/02/2026

আশির দশকে ন্যাশনাল প্যানাসনিক টিভির একটি বিজ্ঞাপন।

১৯০৩ সালে ভারতের আহমেদাবাদ মসজিদে নামাজ আদায় করছেন কয়েকজন মুসল্লি।
08/08/2026

১৯০৩ সালে ভারতের আহমেদাবাদ মসজিদে নামাজ আদায় করছেন কয়েকজন মুসল্লি।

মুন্সিগঞ্জের বিখ্যাত অসীম মঞ্জিল।
07/10/2026

মুন্সিগঞ্জের বিখ্যাত অসীম মঞ্জিল।

বিশ শতকের শুরুর দিকে যুক্তরাষ্ট্রের পূর্বাঞ্চলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ গাছগুলোর একটি ছিল আমেরিকান চেস্টনাট। অ্যাপালাচিয়া অ...
06/27/2026

বিশ শতকের শুরুর দিকে যুক্তরাষ্ট্রের পূর্বাঞ্চলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ গাছগুলোর একটি ছিল আমেরিকান চেস্টনাট। অ্যাপালাচিয়া অঞ্চলের বিস্তীর্ণ বনজুড়ে এই গাছের আধিপত্য ছিল।

মানুষ ঘরবাড়ি ও খামারের স্থাপনা নির্মাণ করত এর কাঠ দিয়ে, খেত এর সুস্বাদু বাদাম, আর দৈনন্দিন জীবনের নানা প্রয়োজনেই নির্ভর করত এই গাছের ওপর।

প্রায় ১৯২০ সালে তোলা একটি ঐতিহাসিক ছবিতে দেখা যায়, শেলটন পরিবারের সদস্যরা দাঁড়িয়ে আছেন একটি বিশাল মৃত চেস্টনাট গাছের পাশে। সেটি ছিল সেই প্রজাতির শেষ দিকের কয়েকটি বিশাল গাছের একটি।

এই বিপর্যয়ের মূল কারণ ছিল ক্রাইফোনেক্ট্রিয়া প্যারাসিটিকা নামের একটি বিদেশি ছত্রাক। ১৯০৪ সালে এটি প্রথম নিউইয়র্কে শনাক্ত হয়। আমেরিকান চেস্টনাট গাছের এই ছত্রাকের বিরুদ্ধে কোনো প্রাকৃতিক প্রতিরোধক্ষমতা ছিল না। ফলে রোগটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে থাকে, প্রতি বছর প্রায় ৫০ মাইল গতিতে।

অল্প কয়েক দশকের মধ্যেই প্রায় প্রতিটি আমেরিকান চেস্টনাট গাছ আক্রান্ত হয়ে পড়ে। শেষ পর্যন্ত ১৯৫০-এর দশকে এসে প্রায় ৪০০ কোটি আমেরিকান চেস্টনাট গাছ বিলুপ্ত হয়ে যায়।

তবে এই বিপর্যয় শুরু হওয়ার আগেই যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণাঞ্চলে আরেকটি রোগ চেস্টনাট গাছকে দুর্বল করে তুলেছিল। অর্থাৎ, একের পর এক রোগের আঘাতে গাছটি চারদিক থেকেই হুমকির মুখে পড়ে।

পরবর্তীতে চেস্টনাটের জায়গা দখল করে ওক ও হিকোরি গাছ। কিন্তু গবেষকদের মতে, কোনো প্রজাতিই আমেরিকান চেস্টনাটের মতো একই অর্থনৈতিক, পরিবেশগত ও সামাজিক গুরুত্ব বহন করতে পারেনি।

তাই আমেরিকান চেস্টনাটের বিলুপ্তি শুধু একটি গাছের হারিয়ে যাওয়ার ঘটনা ছিল না। এটি অ্যাপালাচিয়া অঞ্চলের প্রকৃতি, জীববৈচিত্র্য, অর্থনীতি এবং মানুষের জীবনধারাকেই স্থায়ীভাবে বদলে দিয়েছিল।

১৯৬২ সালের মে মাস।আর্কটিক মহাসাগরের ভাসমান বরফের ওপর স্থাপিত সোভিয়েত ইউনিয়নের একটি গোপন গবেষণা কেন্দ্র, নর্থ পোল-৮ (NP-8...
06/27/2026

১৯৬২ সালের মে মাস।

আর্কটিক মহাসাগরের ভাসমান বরফের ওপর স্থাপিত সোভিয়েত ইউনিয়নের একটি গোপন গবেষণা কেন্দ্র, নর্থ পোল-৮ (NP-8), হঠাৎ করেই পরিত্যক্ত হয়ে যায়।

বরফের রানওয়েতে বড় ধরনের ফাটল দেখা দেওয়ায় সেখানে থাকা বিজ্ঞানী ও কর্মীদের দ্রুত সরিয়ে নেওয়া হয়। তাড়াহুড়োয় ফেলে যেতে হয় অসংখ্য নথি, যন্ত্রপাতি ও গবেষণাসামগ্রী।

যেখানে সোভিয়েতরা দেখেছিল বিপদ, সেখানেই সুযোগ দেখেছিল যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দারা।

সিআইএর সহযোগিতায় মার্কিন বিমানবাহিনীর মেজর জেমস এফ. স্মিথ এবং নৌবাহিনীর লেফটেন্যান্ট লিওনার্ড লে-শ্যাককে প্যারাশুটে নামিয়ে দেওয়া হয় সেই ভাসমান বরফচাঁইয়ের ওপর।

তাদের হাতে সময় ছিল সর্বোচ্চ ৭২ ঘণ্টা। যেকোনো মুহূর্তে বরফ ভেঙে পুরো স্টেশন সমুদ্রের নিচে হারিয়ে যেতে পারত।

এই অল্প সময়ের মধ্যেই তারা পুরো স্টেশন ঘুরে ছবি তোলেন, গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র সংগ্রহ করেন এবং প্রায় ১৫০ পাউন্ড ওজনের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ ও গবেষণা-উপকরণ উদ্ধার করেন।

কিন্তু আসল চ্যালেঞ্জ ছিল ফিরে আসা।

বরফ এতটাই ভঙ্গুর হয়ে গিয়েছিল যে সেখানে কোনো বিমান অবতরণ করা সম্ভব ছিল না।

তখন ব্যবহার করা হয় স্নায়ু যুদ্ধের সবচেয়ে অদ্ভুত উদ্ধার প্রযুক্তিগুলোর একটি- ফুলটন স্কাইহুক (Fulton Skyhook)।

প্রত্যেক অফিসারের সঙ্গে একটি ৫০০ ফুট লম্বা নাইলনের দড়ি যুক্ত করা হয়, যার অন্য প্রান্তে ছিল হিলিয়ামভর্তি একটি বেলুন।

এরপর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার একটি পরিবর্তিত বি-১৭ বোমারু বিমান নিচু দিয়ে উড়ে এসে নাকের সামনে লাগানো বিশেষ ধাতব 'হর্ন' দিয়ে সেই দড়ি আটকে ফেলে। পরে উইঞ্চের সাহায্যে আকাশেই টেনে তোলা হয় দুই কর্মকর্তাকে।

প্রবল আর্কটিক বাতাসে লে-শ্যাককে বিমান দড়ি ধরার আগে প্রায় ৩০০ ফুট বরফের ওপর টেনে নিয়ে যায়। অন্যদিকে স্মিথ নিজের পালা আসা পর্যন্ত বরফের ফাটলে গোড়ালি আটকে রেখে নিজেকে ভেসে যাওয়া থেকে রক্ষা করেন।

শেষ পর্যন্ত দুজনই নিরাপদে ফিরে আসেন।

তাদের উদ্ধার করা নথিপত্র বিশ্লেষণ করে যুক্তরাষ্ট্র জানতে পারে, সোভিয়েত ইউনিয়ন আর্কটিকের বরফের নিচে চলাচলকারী মার্কিন সাবমেরিন শনাক্ত করার জন্য উন্নত অ্যাকুস্টিক প্রযুক্তি তৈরি করছিল, যার অস্তিত্ব সম্পর্কে তখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ধারণাই ছিল না।

স্নায়ু যুদ্ধের ইতিহাসে এই অভিযানকে সবচেয়ে সাহসী ও অভিনব গোয়েন্দা অভিযানের একটি হিসেবে ধরা হয়।

কারণ মাত্র দুজন মানুষ, একটি হিলিয়াম বেলুন, ভাঙতে থাকা বরফ আর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পুরনো একটি বোমারু বিমান- এসব দিয়েই তারা উন্মোচন করেছিলেন সোভিয়েত ইউনিয়নের এক গোপন সামরিক প্রকল্প।

মোগল স্থাপত্যের ঐতিহাসিক নিদর্শন পটুয়াখালীর শ্রীরামপুর জমিদার বাড়ি মসজিদ।শ্রীরামপুর, দুমকী,পটুয়াখালী।ছবি: বোহেমিয়ান ফয়...
06/27/2026

মোগল স্থাপত্যের ঐতিহাসিক নিদর্শন পটুয়াখালীর শ্রীরামপুর জমিদার বাড়ি মসজিদ।

শ্রীরামপুর, দুমকী,পটুয়াখালী।

ছবি: বোহেমিয়ান ফয়সাল ।

সৌদি আরবে প্রত্নতাত্ত্বিক অনুসন্ধানের সময় ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা উমর ইবনে খাত্তাবের নাম উল্লেখ থাকা একটি প্রাচীন শিলালিপি...
06/19/2026

সৌদি আরবে প্রত্নতাত্ত্বিক অনুসন্ধানের সময় ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা উমর ইবনে খাত্তাবের নাম উল্লেখ থাকা একটি প্রাচীন শিলালিপির সন্ধান পাওয়া গেছে।

মদিনা অঞ্চলে চালানো জরিপে পাওয়া এই আবিষ্কারকে দেশটির প্রাথমিক ইসলামি ঐতিহ্যের নথিতে গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন হিসেবে উল্লেখ করেছে সৌদি হেরিটেজ কমিশন।

আল মাহদ গভর্নরেটে পরিচালিত বৃহৎ পরিসরের জরিপ অভিযানের প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপে পাওয়া মোট ১ হাজার ৭৭৪টি প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের মধ্যে এই শিলালিপিটিও রয়েছে।

হেরিটেজ কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, জরিপ দলগুলো এ অভিযানে আগে অজানা ১৭৩টি প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানের অস্তিত্ব নথিভুক্ত করতে সক্ষম হয়েছে। কমিশনের মতে, এসব আবিষ্কার অঞ্চলটির 'সমৃদ্ধ ও বৈচিত্র্যময় ঐতিহাসিক ঐতিহ্য' তুলে ধরে।

উল্লেখযোগ্য আবিষ্কারের মধ্যে রয়েছে ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা উমর ইবনে খাত্তাবের নামযুক্ত শিলালিপি। পাশাপাশি পাথরে খোদাই করা প্রাচীন আরবি কবিতার সন্ধানও পাওয়া গেছে।

কমিশনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, নতুন আবিষ্কৃত নিদর্শনগুলোর মধ্যে রয়েছে ১ হাজার ২৫৯টি শিলাচিত্র, ৪৬১টি ইসলামি শিলালিপি, সামুদ জাতির ভাষায় লেখা ৩৪টি শিলালিপি, ১১টি পাথরের স্থাপনা, তিনটি প্রাসাদ ও প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনার নিদর্শন, কাফেলা চলাচলের পথ নির্দেশক দুটি চিহ্ন এবং চারটি কূপ।

উমর ইবনে খাত্তাব ছিলেন মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ঘনিষ্ঠ সাহাবি এবং ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা। তিনি ৬৩৪ থেকে ৬৪৪ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত মুসলিম বিশ্বের নেতৃত্ব দেন এবং প্রাথমিক যুগে ইসলামি রাষ্ট্রের বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

06/14/2026

১৯৭২ সালের ছবি। শান্তিনগর মোড়ে এই তোরণটি তৈরী করা হয়েছিল।

Address

Charlotte, NC

Telephone

+8801925647293

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when প্রত্নতত্ত্ব posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to প্রত্নতত্ত্ব:

Shortcuts

Share